মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাঁতের দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬৪

و حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن مسلم بن جندب عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب قضى في الضرس بجمل وفي الترقوة بجمل وفي الضلع بجمل و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول قضى عمر بن الخطاب في الأضراس ببعير بعير وقضى معاوية بن أبي سفيان في الأضراس بخمسة أبعرة خمسة أبعرة قال سعيد بن المسيب فالدية تنقص في قضاء عمر بن الخطاب وتزيد في قضاء معاوية فلو كنت أنا لجعلت في الأضراس بعيرين بعيرين فتلك الدية سواء وكل مجتهد مأجور و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول إذا أصيبت السن فاسودت ففيها عقلها تاما فإن طرحت بعد أن اسودت ففيها عقلها أيضا تاما

উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)-এর গোলাম আসলাম (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নুল খাত্তাব একটি দাঁতে এক উট, হাঁসুলির হাড়ের জন্য এক উট এবং পাঁজরের জন্য এক উট দিয়াতের ফায়সালা দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া ইব্নু সাঈদ (রা), সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (রা)-কে বলতেন শুনেছেন, উমার ইব্নুল খাত্তাব (রা) প্রতি দাঁতে এক উটের ফায়সালা দিয়েছেন। মুআবিয়া ইব্নু আবী সুফিয়ান (রা) প্রতি দাঁতে পাঁচ উটের আদেশ করতেন। উমার (রা) কমিয়ে দিয়েছেন আর মুআবিয়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমি হলে প্রতি দাঁতে দুই দুই উট ধার্য করতাম যেন দিয়াত পূর্ণ হয়ে যায়। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (রা) বলতেন, যখন দাঁতে আঘাত লাগে আর উহা কালো হয়ে যায়, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে। যদি কালো হয়ে পড়ে যায় তবুও পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

উমার ইবনুল খাত্তাব (রা)-এর গোলাম আসলাম (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নুল খাত্তাব একটি দাঁতে এক উট, হাঁসুলির হাড়ের জন্য এক উট এবং পাঁজরের জন্য এক উট দিয়াতের ফায়সালা দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া ইব্নু সাঈদ (রা), সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (রা)-কে বলতেন শুনেছেন, উমার ইব্নুল খাত্তাব (রা) প্রতি দাঁতে এক উটের ফায়সালা দিয়েছেন। মুআবিয়া ইব্নু আবী সুফিয়ান (রা) প্রতি দাঁতে পাঁচ উটের আদেশ করতেন। উমার (রা) কমিয়ে দিয়েছেন আর মুআবিয়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমি হলে প্রতি দাঁতে দুই দুই উট ধার্য করতাম যেন দিয়াত পূর্ণ হয়ে যায়। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (রা) বলতেন, যখন দাঁতে আঘাত লাগে আর উহা কালো হয়ে যায়, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে। যদি কালো হয়ে পড়ে যায় তবুও পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن مسلم بن جندب عن أسلم مولى عمر بن الخطاب أن عمر بن الخطاب قضى في الضرس بجمل وفي الترقوة بجمل وفي الضلع بجمل و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول قضى عمر بن الخطاب في الأضراس ببعير بعير وقضى معاوية بن أبي سفيان في الأضراس بخمسة أبعرة خمسة أبعرة قال سعيد بن المسيب فالدية تنقص في قضاء عمر بن الخطاب وتزيد في قضاء معاوية فلو كنت أنا لجعلت في الأضراس بعيرين بعيرين فتلك الدية سواء وكل مجتهد مأجور و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول إذا أصيبت السن فاسودت ففيها عقلها تاما فإن طرحت بعد أن اسودت ففيها عقلها أيضا تاما


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাঁতের দিয়াত কার্যকর সম্পর্কে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬৫

و حدثني يحيى عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي غطفان بن طريف المري أنه أخبره أن مروان بن الحكم بعثه إلى عبد الله بن عباس يسأله ماذا في الضرس فقال عبد الله بن عباس فيه خمس من الإبل قال فردني مروان إلى عبد الله بن عباس فقال أتجعل مقدم الفم مثل الأضراس فقال عبد الله بن عباس لو لم تعتبر ذلك إلا بالأصابع عقلها سواء و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يسوي بين الأسنان في العقل ولا يفضل بعضها على بعض قال مالك والأمر عندنا أن مقدم الفم والأضراس والأنياب عقلها سواء وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في السن خمس من الإبل والضرس سن من الأسنان لا يفضل بعضها على بعض

আবূ গাতফান ইবনু তারীফ মুরবী (র) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান ইব্নু হাকাম তাঁকে আবদুল্লাহ ইব্নু আব্বাস (রা)-এর নিকট জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি ? আবদুল্লাহ্ ইব্নু আব্বাস (রা) বললেন, পাঁচ উট। তিনি আবার জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, সম্মুখের দাঁত ও মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি সমান হবে? ইব্নু আব্বাস বললেন, যদি তোমরা দাঁতের ব্যাপারে অঙ্গুলির সাথে সমঞ্জস্য করে নিতে, তবে ভাল ছিল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) হিশাম ইব্নু উরওয়া (র) তার পিতা উরওয়া ইব্নু যুবাইর (র) হতে বর্ণনা করেন, তিনি সমস্ত দাঁতের দিয়াত সমান ধার্য করতেন, কোন দাঁতের বেশি কোন দাঁতের কম ধার্য করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে মাঢ়ীর দাঁত, সম্মুখের বড় দাঁত ও পাশের ছোট দাঁত সমস্তই এক সমান। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি দাঁতে পাঁচ উট দিয়াতের আদেশ করেছেন। মাঢ়ীর দাঁত বা অন্য কোন দাঁতেরই কোন দাঁতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব নেই।

আবূ গাতফান ইবনু তারীফ মুরবী (র) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান ইব্নু হাকাম তাঁকে আবদুল্লাহ ইব্নু আব্বাস (রা)-এর নিকট জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি ? আবদুল্লাহ্ ইব্নু আব্বাস (রা) বললেন, পাঁচ উট। তিনি আবার জিজ্ঞেস করতে পাঠালেন যে, সম্মুখের দাঁত ও মাঢ়ীর দাঁতের দিয়াত কি সমান হবে? ইব্নু আব্বাস বললেন, যদি তোমরা দাঁতের ব্যাপারে অঙ্গুলির সাথে সমঞ্জস্য করে নিতে, তবে ভাল ছিল। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) হিশাম ইব্নু উরওয়া (র) তার পিতা উরওয়া ইব্নু যুবাইর (র) হতে বর্ণনা করেন, তিনি সমস্ত দাঁতের দিয়াত সমান ধার্য করতেন, কোন দাঁতের বেশি কোন দাঁতের কম ধার্য করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে মাঢ়ীর দাঁত, সম্মুখের বড় দাঁত ও পাশের ছোট দাঁত সমস্তই এক সমান। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি দাঁতে পাঁচ উট দিয়াতের আদেশ করেছেন। মাঢ়ীর দাঁত বা অন্য কোন দাঁতেরই কোন দাঁতের উপর শ্রেষ্ঠত্ব নেই।

و حدثني يحيى عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي غطفان بن طريف المري أنه أخبره أن مروان بن الحكم بعثه إلى عبد الله بن عباس يسأله ماذا في الضرس فقال عبد الله بن عباس فيه خمس من الإبل قال فردني مروان إلى عبد الله بن عباس فقال أتجعل مقدم الفم مثل الأضراس فقال عبد الله بن عباس لو لم تعتبر ذلك إلا بالأصابع عقلها سواء و حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه كان يسوي بين الأسنان في العقل ولا يفضل بعضها على بعض قال مالك والأمر عندنا أن مقدم الفم والأضراس والأنياب عقلها سواء وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في السن خمس من الإبل والضرس سن من الأسنان لا يفضل بعضها على بعض


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাসদের যখমের দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار كانا يقولان في موضحة العبد نصف عشر ثمنه و حدثني مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كان يقضي في العبد يصاب بالجراح أن على من جرحه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك والأمر عندنا أن في موضحة العبد نصف عشر ثمنه وفي منقلته العشر ونصف العشر من ثمنه وفي مأمومته وجائفته في كل واحدة منهما ثلث ثمنه وفيما سوى هذه الخصال الأربع مما يصاب به العبد ما نقص من ثمنه ينظر في ذلك بعد ما يصح العبد ويبرأ كم بين قيمة العبد بعد أن أصابه الجرح وقيمته صحيحا قبل أن يصيبه هذا ثم يغرم الذي أصابه ما بين القيمتين قال مالك في العبد إذا كسرت يده أو رجله ثم صح كسره فليس على من أصابه شيء فإن أصاب كسره ذلك نقص أو عثل كان على من أصابه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك الأمر عندنا في القصاص بين المماليك كهيئة قصاص الأحرار نفس الأمة بنفس العبد وجرحها بجرحه فإذا قتل العبد عبدا عمدا خير سيد العبد المقتول فإن شاء قتل وإن شاء أخذ العقل فإن أخذ العقل أخذ قيمة عبده وإن شاء رب العبد القاتل أن يعطي ثمن العبد المقتول فعل وإن شاء أسلم عبده فإذا أسلمه فليس عليه غير ذلك وليس لرب العبد المقتول إذا أخذ العبد القاتل ورضي به أن يقتله وذلك في القصاص كله بين العبيد في قطع اليد والرجل وأشباه ذلك بمنزلته في القتل قال مالك في العبد المسلم يجرح اليهودي أو النصراني إن سيد العبد إن شاء أن يعقل عنه ما قد أصاب فعل أو أسلمه فيباع فيعطي اليهودي أو النصراني من ثمن العبد دية جرحه أو ثمنه كله إن أحاط بثمنه ولا يعطي اليهودي ولا النصراني عبدا مسلما

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলতেন, দাসের ক্ষতে তার মূল্যের ১/২০ অংশ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মারওয়ান ইব্নু হাকাম ঐ ব্যক্তিকে, যে কোন দাসকে ক্ষত করে দিত, আদেশ করতেন যে, এই ক্ষতের দরুন তার মূল্যের যতটুকু কমে গেল তাকে ততটুকু জরিমানা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে সিদ্ধান্ত এই যে, দাসের ক্ষেত্রে হাড় দেখা যায়, এমন আঘাতে তার মূল্যের ১/২০ আর যে ক্ষতের দরুন হাড় স্থানচ্যুত হয় উহাতে তার মূল্যের ১/১০ ও ১/২ আর মামুমায় [১] ও জাইফার প্রতিটার জন্য তার মূল্যের ১/৩০ দিতে হবে। উহা ব্যতীত প্রত্যেক আঘাতের জন্য তার মূল্যের যে ক্ষতি হবে তা আদায় করতে হবে। যখন দাস সুস্থ হয়ে যাবে, তখন দেখতে হবে আঘাতের পূর্বে কি মূল্য ছিল এবং আঘাতের জন্য কত কম হল, উহা দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ দাসের হাত-পা ভেঙ্গে ফেলে, পরে সে ভাল হয়ে যায়, তবে কোন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। হ্যাঁ, যদি কোন ত্রুটি থেকে যায় এবং এতে তার মূল্য কমে যায়, তবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, দাস ও দাসীর ব্যাপারে স্বাধীনদের মতো কিসাস দিতে হবে। যদি দাস ইচ্ছাকৃতভাবে কোন দাসীকে হত্যা করে, তবে দাসকেও কিসাসে হত্যা করতে হবে। যদি আঘাত করে তাহলে তাকেও অনুরূপ আঘাত করা হবে। যদি এক দাস অন্য কোন দাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে মেরে ফেলে, তবে নিহতের মালিকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, হয় হত্যাকারীকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত অর্থাৎ গোলামের মূল্য নিয়ে নিবে। অনুরূপভাবে হত্যাকারীর মালিকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, হয় নিহত ব্যক্তির মূল্য আদায় করবে এবং হত্যাকারীকে নিজের নিকট থাকতে দিবে অথবা নিহতের মালিক দিয়াতের উপর রাযী হয়ে হত্যাকারীকে নিয়ে নিবে, তা হলে তাকে হত্যা করবে না। মালিক (র) বলেন, যদি কোন মুসলমান দাস কোন ইহুদী অথবা খ্রিস্টানকে যখম করে ফেলে তবে দাসের মালিক ইচ্ছা করলে দিয়াত দিয়ে দিবে বা ঐ দাস বিনিময়ে দিয়ে দিবে এবং দাসকে বিক্রয় করে তার ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করবে। কিন্তু ঐ মুসলমান গোলামকে অমুসলমানের নিকট থাকতে দেয়া হবে না।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁরা উভয়ে বলতেন, দাসের ক্ষতে তার মূল্যের ১/২০ অংশ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, মারওয়ান ইব্নু হাকাম ঐ ব্যক্তিকে, যে কোন দাসকে ক্ষত করে দিত, আদেশ করতেন যে, এই ক্ষতের দরুন তার মূল্যের যতটুকু কমে গেল তাকে ততটুকু জরিমানা দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে সিদ্ধান্ত এই যে, দাসের ক্ষেত্রে হাড় দেখা যায়, এমন আঘাতে তার মূল্যের ১/২০ আর যে ক্ষতের দরুন হাড় স্থানচ্যুত হয় উহাতে তার মূল্যের ১/১০ ও ১/২ আর মামুমায় [১] ও জাইফার প্রতিটার জন্য তার মূল্যের ১/৩০ দিতে হবে। উহা ব্যতীত প্রত্যেক আঘাতের জন্য তার মূল্যের যে ক্ষতি হবে তা আদায় করতে হবে। যখন দাস সুস্থ হয়ে যাবে, তখন দেখতে হবে আঘাতের পূর্বে কি মূল্য ছিল এবং আঘাতের জন্য কত কম হল, উহা দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ দাসের হাত-পা ভেঙ্গে ফেলে, পরে সে ভাল হয়ে যায়, তবে কোন ক্ষতিপূরণ দিতে হবে না। হ্যাঁ, যদি কোন ত্রুটি থেকে যায় এবং এতে তার মূল্য কমে যায়, তবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, দাস ও দাসীর ব্যাপারে স্বাধীনদের মতো কিসাস দিতে হবে। যদি দাস ইচ্ছাকৃতভাবে কোন দাসীকে হত্যা করে, তবে দাসকেও কিসাসে হত্যা করতে হবে। যদি আঘাত করে তাহলে তাকেও অনুরূপ আঘাত করা হবে। যদি এক দাস অন্য কোন দাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে মেরে ফেলে, তবে নিহতের মালিকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, হয় হত্যাকারীকে হত্যা করবে অথবা দিয়াত অর্থাৎ গোলামের মূল্য নিয়ে নিবে। অনুরূপভাবে হত্যাকারীর মালিকের ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, হয় নিহত ব্যক্তির মূল্য আদায় করবে এবং হত্যাকারীকে নিজের নিকট থাকতে দিবে অথবা নিহতের মালিক দিয়াতের উপর রাযী হয়ে হত্যাকারীকে নিয়ে নিবে, তা হলে তাকে হত্যা করবে না। মালিক (র) বলেন, যদি কোন মুসলমান দাস কোন ইহুদী অথবা খ্রিস্টানকে যখম করে ফেলে তবে দাসের মালিক ইচ্ছা করলে দিয়াত দিয়ে দিবে বা ঐ দাস বিনিময়ে দিয়ে দিবে এবং দাসকে বিক্রয় করে তার ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করবে। কিন্তু ঐ মুসলমান গোলামকে অমুসলমানের নিকট থাকতে দেয়া হবে না।

و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار كانا يقولان في موضحة العبد نصف عشر ثمنه و حدثني مالك أنه بلغه أن مروان بن الحكم كان يقضي في العبد يصاب بالجراح أن على من جرحه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك والأمر عندنا أن في موضحة العبد نصف عشر ثمنه وفي منقلته العشر ونصف العشر من ثمنه وفي مأمومته وجائفته في كل واحدة منهما ثلث ثمنه وفيما سوى هذه الخصال الأربع مما يصاب به العبد ما نقص من ثمنه ينظر في ذلك بعد ما يصح العبد ويبرأ كم بين قيمة العبد بعد أن أصابه الجرح وقيمته صحيحا قبل أن يصيبه هذا ثم يغرم الذي أصابه ما بين القيمتين قال مالك في العبد إذا كسرت يده أو رجله ثم صح كسره فليس على من أصابه شيء فإن أصاب كسره ذلك نقص أو عثل كان على من أصابه قدر ما نقص من ثمن العبد قال مالك الأمر عندنا في القصاص بين المماليك كهيئة قصاص الأحرار نفس الأمة بنفس العبد وجرحها بجرحه فإذا قتل العبد عبدا عمدا خير سيد العبد المقتول فإن شاء قتل وإن شاء أخذ العقل فإن أخذ العقل أخذ قيمة عبده وإن شاء رب العبد القاتل أن يعطي ثمن العبد المقتول فعل وإن شاء أسلم عبده فإذا أسلمه فليس عليه غير ذلك وليس لرب العبد المقتول إذا أخذ العبد القاتل ورضي به أن يقتله وذلك في القصاص كله بين العبيد في قطع اليد والرجل وأشباه ذلك بمنزلته في القتل قال مالك في العبد المسلم يجرح اليهودي أو النصراني إن سيد العبد إن شاء أن يعقل عنه ما قد أصاب فعل أو أسلمه فيباع فيعطي اليهودي أو النصراني من ثمن العبد دية جرحه أو ثمنه كله إن أحاط بثمنه ولا يعطي اليهودي ولا النصراني عبدا مسلما


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যিম্মী কাফিরের দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى أن دية اليهودي أو النصراني إذا قتل أحدهما مثل نصف دية الحر المسلم -قال مالك الأمر عندنا أن لا يقتل مسلم بكافر إلا أن يقتله مسلم قتل غيلة فيقتل به و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سليمان بن يسار كان يقول دية المجوسي ثماني مائة درهم قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وجراح اليهودي والنصراني والمجوسي في دياتهم على حساب جراح المسلمين في دياتهم الموضحة نصف عشر ديته والمأمومة ثلث ديته والجائفة ثلث ديته فعلى حساب ذلك جراحاتهم كلها

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) বলতেন, ইহুদী ও খ্রিস্টানদের দিয়াত যখন তারা একে অন্যকে হত্যা করে, স্বাধীন মুসলমানের দিয়াতের অর্ধেক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে বিধান এই যে, কোন মুসলমানকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা হবে না। হ্যাঁ, যদি ধোঁকা দিয়ে সে যিম্মীকে হত্যা করে তবে তাকে হত্যা করা হবে। সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার (র) বলতেন, অগ্নিউপাসকদের দিয়াত আট শত দিরহাম। মালিক (র) বলেন, এটাই আমাদের নিকট বিধান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহুদী খ্রিস্টানদের ক্ষত করার দিয়াত মুসলমানদের ক্ষত করার দিয়াতের হিসাবে মুযিহার ১/২০ এবং মামুমা ও জাইফায় ১/৩। এর উপর অন্যগুলোর অনুমান করা যায়।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু আবদুল আযীয (র) বলতেন, ইহুদী ও খ্রিস্টানদের দিয়াত যখন তারা একে অন্যকে হত্যা করে, স্বাধীন মুসলমানের দিয়াতের অর্ধেক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে বিধান এই যে, কোন মুসলমানকে কাফিরের পরিবর্তে হত্যা করা হবে না। হ্যাঁ, যদি ধোঁকা দিয়ে সে যিম্মীকে হত্যা করে তবে তাকে হত্যা করা হবে। সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার (র) বলতেন, অগ্নিউপাসকদের দিয়াত আট শত দিরহাম। মালিক (র) বলেন, এটাই আমাদের নিকট বিধান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, ইহুদী খ্রিস্টানদের ক্ষত করার দিয়াত মুসলমানদের ক্ষত করার দিয়াতের হিসাবে মুযিহার ১/২০ এবং মামুমা ও জাইফায় ১/৩। এর উপর অন্যগুলোর অনুমান করা যায়।

و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى أن دية اليهودي أو النصراني إذا قتل أحدهما مثل نصف دية الحر المسلم -قال مالك الأمر عندنا أن لا يقتل مسلم بكافر إلا أن يقتله مسلم قتل غيلة فيقتل به و حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سليمان بن يسار كان يقول دية المجوسي ثماني مائة درهم قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وجراح اليهودي والنصراني والمجوسي في دياتهم على حساب جراح المسلمين في دياتهم الموضحة نصف عشر ديته والمأمومة ثلث ديته والجائفة ثلث ديته فعلى حساب ذلك جراحاتهم كلها


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00