মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্ত্রীলোকের দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول تعاقل المرأة الرجل إلى ثلث الدية إصبعها كإصبعه وسنها كسنه وموضحتها كموضحته ومنقلتها كمنقلته و حدثني عن مالك عن ابن شهاب وبلغه عن عروة بن الزبير أنهما كانا يقولان مثل قول سعيد بن المسيب في المرأة أنها تعاقل الرجل إلى ثلث دية الرجل فإذا بلغت ثلث دية الرجل كانت إلى النصف من دية الرجل قال مالك وتفسير ذلك أنها تعاقله في الموضحة والمنقلة وما دون المأمومة والجائفة وأشباههما مما يكون فيه ثلث الدية فصاعدا فإذا بلغت ذلك كان عقلها في ذلك النصف من عقل الرجل و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول مضت السنة أن الرجل إذا أصاب امرأته بجرح أن عليه عقل ذلك الجرح ولا يقاد منه قال مالك وإنما ذلك في الخطإ أن يضرب الرجل امرأته فيصيبها من ضربه ما لم يتعمد كما يضربها بسوط فيفقأ عينها ونحو ذلك قال مالك في المرأة يكون لها زوج وولد من غير عصبتها ولا قومها فليس على زوجها إذا كان من قبيلة أخرى من عقل جنايتها شيء ولا على ولدها إذا كانوا من غير قومها ولا على إخوتها من أمها إذا كانوا من غير عصبتها ولا قومها فهؤلاء أحق بميراثها والعصبة عليهم العقل منذ زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليوم وكذلك موالي المرأة ميراثهم لولد المرأة وإن كانوا من غير قبيلتها وعقل جناية الموالي على قبيلتها

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব ( থেকে বর্নিতঃ

১/৩ পর্যন্ত পুরুষ স্ত্রী উভয়ের দিয়াত সমান। যেমন দিয়াত সাব্যস্ত করার ব্যাপারে স্ত্রীলোকের অঙ্গুলি পুরুষের অঙ্গুলির মতো, স্ত্রীলোকের দাঁত পুরুষের দাঁতের মতো। স্ত্রীদের মোওযেহা (ঐ যখম যাতে হাড় দেখা যায়) পুরুষদের মোওযেহার মতো, অনুরূপভাবে স্ত্রীলোকের মুনকিলাহ (ঐ যখম যাতে হাড় স্থানচ্যুত হয়ে যায়) পুরুষের মুনকিলাহ্র মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইব্নু শিহাব ও উরওয়া ইব্নু যুবাইর (র) স্ত্রীদের ব্যাপারে সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাবের মতো বলতেন যে, স্ত্রীগণ ১/৩ দিয়াত পর্যন্ত পুরুষদের মতো হবে, অতঃপর পুরুষদের অর্ধ দিয়াতের সমপরিমাণ হবে। মালিক (র) বলেন, এর ব্যাখ্যা এই যে, মোযিহাহ্ এবং মুনাক্কিলাতে মহিলাদের দিয়াত পুরুষের অনুরূপ। কিন্তু মুযিহাহ এবং জারিফাহ্ যার দিয়াত ১/৩ অথবা তার বেশী এ ক্ষেত্রে মহিলার দিয়াত পুরুষের অর্ধেক। ইব্নু শিহাব (র) বলতেন, এই নিয়ম চলে এসেছে যে, যদি পুরুষ নিজের স্ত্রীকে আঘাত দ্বারা ক্ষতি করে দেয়, তবে তা হতে দিয়াত নেয়া হবে, কিন্তু কিসাস হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই ব্যবস্থা তখনই হবে যখন পুরুষ ভুলে আঘাত করে। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে তবে কিসাস অনিবার্য হবে। যেমন স্ত্রীকে বেত দ্বারা আঘাত করাতে তার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। মালিক (র) বলেন, যে স্ত্রীলোকের স্বামী বা সন্তান তার সম্প্রদায়ের না হয়ে অন্য সম্প্রদায়ের হয়, সেই স্ত্রীলোকদের অপরাধের দিয়াতে স্বামী শরীক হবে না। এইরূপে তার বাচ্চা ও বৈমাত্রেয় ভাই যখন ভিন্ন গোত্রের হবে, সেও দিয়াতে শরীক হবে না। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় হতে আজ পর্যন্ত সমগোত্রের উপরই দিয়াত হয়ে থাকে। কিন্তু মীরাসে সন্তান ও বৈমাত্রের ভাই মালিক হবে। যেমন স্ত্রীলোকের মুক্ত দাসের মীরাস তার সন্তানকে দেয়া হবে, যদিও তার গোত্রের না হয়। কিন্তু তাদের অপরাধের দিয়াত স্ত্রীর স্বগোত্রের উপর বর্তাবে।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব ( থেকে বর্নিতঃ

১/৩ পর্যন্ত পুরুষ স্ত্রী উভয়ের দিয়াত সমান। যেমন দিয়াত সাব্যস্ত করার ব্যাপারে স্ত্রীলোকের অঙ্গুলি পুরুষের অঙ্গুলির মতো, স্ত্রীলোকের দাঁত পুরুষের দাঁতের মতো। স্ত্রীদের মোওযেহা (ঐ যখম যাতে হাড় দেখা যায়) পুরুষদের মোওযেহার মতো, অনুরূপভাবে স্ত্রীলোকের মুনকিলাহ (ঐ যখম যাতে হাড় স্থানচ্যুত হয়ে যায়) পুরুষের মুনকিলাহ্র মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইব্নু শিহাব ও উরওয়া ইব্নু যুবাইর (র) স্ত্রীদের ব্যাপারে সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাবের মতো বলতেন যে, স্ত্রীগণ ১/৩ দিয়াত পর্যন্ত পুরুষদের মতো হবে, অতঃপর পুরুষদের অর্ধ দিয়াতের সমপরিমাণ হবে। মালিক (র) বলেন, এর ব্যাখ্যা এই যে, মোযিহাহ্ এবং মুনাক্কিলাতে মহিলাদের দিয়াত পুরুষের অনুরূপ। কিন্তু মুযিহাহ এবং জারিফাহ্ যার দিয়াত ১/৩ অথবা তার বেশী এ ক্ষেত্রে মহিলার দিয়াত পুরুষের অর্ধেক। ইব্নু শিহাব (র) বলতেন, এই নিয়ম চলে এসেছে যে, যদি পুরুষ নিজের স্ত্রীকে আঘাত দ্বারা ক্ষতি করে দেয়, তবে তা হতে দিয়াত নেয়া হবে, কিন্তু কিসাস হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই ব্যবস্থা তখনই হবে যখন পুরুষ ভুলে আঘাত করে। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে তবে কিসাস অনিবার্য হবে। যেমন স্ত্রীকে বেত দ্বারা আঘাত করাতে তার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। মালিক (র) বলেন, যে স্ত্রীলোকের স্বামী বা সন্তান তার সম্প্রদায়ের না হয়ে অন্য সম্প্রদায়ের হয়, সেই স্ত্রীলোকদের অপরাধের দিয়াতে স্বামী শরীক হবে না। এইরূপে তার বাচ্চা ও বৈমাত্রেয় ভাই যখন ভিন্ন গোত্রের হবে, সেও দিয়াতে শরীক হবে না। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় হতে আজ পর্যন্ত সমগোত্রের উপরই দিয়াত হয়ে থাকে। কিন্তু মীরাসে সন্তান ও বৈমাত্রের ভাই মালিক হবে। যেমন স্ত্রীলোকের মুক্ত দাসের মীরাস তার সন্তানকে দেয়া হবে, যদিও তার গোত্রের না হয়। কিন্তু তাদের অপরাধের দিয়াত স্ত্রীর স্বগোত্রের উপর বর্তাবে।

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول تعاقل المرأة الرجل إلى ثلث الدية إصبعها كإصبعه وسنها كسنه وموضحتها كموضحته ومنقلتها كمنقلته و حدثني عن مالك عن ابن شهاب وبلغه عن عروة بن الزبير أنهما كانا يقولان مثل قول سعيد بن المسيب في المرأة أنها تعاقل الرجل إلى ثلث دية الرجل فإذا بلغت ثلث دية الرجل كانت إلى النصف من دية الرجل قال مالك وتفسير ذلك أنها تعاقله في الموضحة والمنقلة وما دون المأمومة والجائفة وأشباههما مما يكون فيه ثلث الدية فصاعدا فإذا بلغت ذلك كان عقلها في ذلك النصف من عقل الرجل و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول مضت السنة أن الرجل إذا أصاب امرأته بجرح أن عليه عقل ذلك الجرح ولا يقاد منه قال مالك وإنما ذلك في الخطإ أن يضرب الرجل امرأته فيصيبها من ضربه ما لم يتعمد كما يضربها بسوط فيفقأ عينها ونحو ذلك قال مالك في المرأة يكون لها زوج وولد من غير عصبتها ولا قومها فليس على زوجها إذا كان من قبيلة أخرى من عقل جنايتها شيء ولا على ولدها إذا كانوا من غير قومها ولا على إخوتها من أمها إذا كانوا من غير عصبتها ولا قومها فهؤلاء أحق بميراثها والعصبة عليهم العقل منذ زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليوم وكذلك موالي المرأة ميراثهم لولد المرأة وإن كانوا من غير قبيلتها وعقل جناية الموالي على قبيلتها


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গর্ভস্থ সন্তানের দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬২

و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أن امرأتين من هذيل رمت إحداهما الأخرى فطرحت جنينها فقضى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم بغرة عبد أو وليدة

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

হুযাইলের দুই স্ত্রীলোক পরস্পর মারামারি করতে যেয়ে একে অপরের প্রতি পাথর নিক্ষেপ করল, যাতে তার পেটের বাচ্চা বাহির হয়ে গেল। এতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দাস বা একটি দাসী দিয়াত দেয়ালেন। (বুখারী ৫৭৫৯, মুসলিম ১৬৮১)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

হুযাইলের দুই স্ত্রীলোক পরস্পর মারামারি করতে যেয়ে একে অপরের প্রতি পাথর নিক্ষেপ করল, যাতে তার পেটের বাচ্চা বাহির হয়ে গেল। এতে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দাস বা একটি দাসী দিয়াত দেয়ালেন। (বুখারী ৫৭৫৯, মুসলিম ১৬৮১)

و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف عن أبي هريرة أن امرأتين من هذيل رمت إحداهما الأخرى فطرحت جنينها فقضى فيه رسول الله صلى الله عليه وسلم بغرة عبد أو وليدة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬৩

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في الجنين يقتل في بطن أمه بغرة عبد أو وليدة فقال الذي قضي عليه كيف أغرم ما لا شرب ولا أكل ولا نطق ولا استهل ومثل ذلك بطل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما هذا من إخوان الكهان و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أنه كان يقول الغرة تقوم خمسين دينارا أو ست مائة درهم ودية المرأة الحرة المسلمة خمس مائة دينار أو ستة آلاف درهم قال مالك فدية جنين الحرة عشر ديتها والعشر خمسون دينارا أو ست مائة درهم قال مالك ولم أسمع أحدا يخالف في أن الجنين لا تكون فيه الغرة حتى يزايل بطن أمه ويسقط من بطنها ميتا قال مالك و سمعت أنه إذا خرج الجنين من بطن أمه حيا ثم مات أن فيه الدية كاملة قال مالك ولا حياة للجنين إلا بالاستهلال فإذا خرج من بطن أمه فاستهل ثم مات ففيه الدية كاملة ونرى أن في جنين الأمة عشر ثمن أمه قال مالك وإذا قتلت المرأة رجلا أو امرأة عمدا والتي قتلت حامل لم يقد منها حتى تضع حملها وإن قتلت المرأة وهي حامل عمدا أو خطأ فليس على من قتلها في جنينها شيء فإن قتلت عمدا قتل الذي قتلها وليس في جنينها دية وإن قتلت خطأ فعلى عاقلة قاتلها ديتها وليس في جنينها دية و حدثني يحيى سئل مالك عن جنين اليهودية والنصرانية يطرح فقال أرى أن فيه عشر دية أمه

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থ সন্তান হত্যার ব্যাপারে একটি দাস অথবা দাসী দিয়াত দেয়ার আদেশ করেছেন। যার উপর দিয়াতের আদেশ হয়েছে, সে বলল আমি এই সন্তানের রক্তপণ কেন আদায় করব, যে খায়নি, পান করেনি, কথা বলেনি, ক্রন্দনও করেনি। এইরূপ সন্তান হত্যার অপরাধ তো ক্ষমাযোগ্য। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন লোকটি তো (কাহিন) যাদুকরের ভাই। (বুখারী ৫৭৫৮, ৫৭৬০, ইমাম মুসলিম হাদীসটি আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, মুসলিম ১৬৮১, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) রবী‘আ ইব্নু আবী আব্দুর রহমান বলতেন, দাস বা দাসীর মূল্য যা গর্ভস্থ শিশুর জন্য দেয়া হয় পঞ্চাশ দীনার অথবা ছয় শত দিরহাম হওয়া উচিত। আর স্বাধীন মুসলমানের স্ত্রীর দিয়াত পাঁচ শত দীনার বা ছয় হাজার দিরহাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, স্বাধীনা রমণীর গর্ভস্থ বাচ্চার দিয়াত স্ত্রীলোকের দিয়াতের দশমাংশ আর উহা পঞ্চাশ দীনার বা ছয় শত দিরহাম। গর্ভস্থ বাচ্চার দিয়াত ঐ সময় দেয়া অনিবার্য হয় যখন বাচ্চা মরে পেট হতে বের হয়ে পড়ে। আমি এতে কাউকেও ইখতিলাফ করতে দেখিনি। যদি বাচ্চা পেট হতে জীবিত বের হয়ে মারা যায় তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, সন্তানের ক্রন্দন দ্বারা বুঝা যাবে যে, সে জীবিত না মৃত। যদি ক্রন্দন করে মারা যায় তবে পূর্ণ দিয়াত দেয়া অনিবার্য হবে। দাসীর পেটের সন্তানের বেলায় দাসীর মূল্যের দশমাংশ দিয়াত দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি গর্ভবতী স্ত্রী কোন পুরুষ অথবা স্ত্রীলোককে হত্যা করে, তবে তার সন্তান প্রসবের পূর্বে তার হতে কিসাস নেয়া হবে না। যদি গর্ভবতী স্ত্রীলোককে কেউ হত্যা করে, ইচ্ছাকৃতই হোক বা ভুলক্রমেই হোক, তার গর্ভস্থ সন্তানের দিয়াত অনিবার্য হবে না, বরং যদি তাকে ইচ্ছাকৃত হত্যা করা হয়ে থাকে, তবে হত্যাকারীকে হত্যা করা হবে আর যদি ভুলক্রমে হত্যা করা হয়ে থাকে, তবে দিয়াত দিতে হবে। হত্যা ভুল ক্রমে হলে তার দিয়াত নিকটাত্মীয়দের উপর বর্তাবে। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যদি কেউ ইহুদী বা খৃস্টান স্ত্রীলোকের গর্ভস্থ বাচ্চাকে হত্যা করে বের করে দেয় উহার হুকুম কি ? তিনি উত্তর দিলেন, তার মাতার দিয়াতের ১/১০ অংশ দিতে হবে।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গর্ভস্থ সন্তান হত্যার ব্যাপারে একটি দাস অথবা দাসী দিয়াত দেয়ার আদেশ করেছেন। যার উপর দিয়াতের আদেশ হয়েছে, সে বলল আমি এই সন্তানের রক্তপণ কেন আদায় করব, যে খায়নি, পান করেনি, কথা বলেনি, ক্রন্দনও করেনি। এইরূপ সন্তান হত্যার অপরাধ তো ক্ষমাযোগ্য। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন লোকটি তো (কাহিন) যাদুকরের ভাই। (বুখারী ৫৭৫৮, ৫৭৬০, ইমাম মুসলিম হাদীসটি আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণনা করেছেন, মুসলিম ১৬৮১, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) রবী‘আ ইব্নু আবী আব্দুর রহমান বলতেন, দাস বা দাসীর মূল্য যা গর্ভস্থ শিশুর জন্য দেয়া হয় পঞ্চাশ দীনার অথবা ছয় শত দিরহাম হওয়া উচিত। আর স্বাধীন মুসলমানের স্ত্রীর দিয়াত পাঁচ শত দীনার বা ছয় হাজার দিরহাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, স্বাধীনা রমণীর গর্ভস্থ বাচ্চার দিয়াত স্ত্রীলোকের দিয়াতের দশমাংশ আর উহা পঞ্চাশ দীনার বা ছয় শত দিরহাম। গর্ভস্থ বাচ্চার দিয়াত ঐ সময় দেয়া অনিবার্য হয় যখন বাচ্চা মরে পেট হতে বের হয়ে পড়ে। আমি এতে কাউকেও ইখতিলাফ করতে দেখিনি। যদি বাচ্চা পেট হতে জীবিত বের হয়ে মারা যায় তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, সন্তানের ক্রন্দন দ্বারা বুঝা যাবে যে, সে জীবিত না মৃত। যদি ক্রন্দন করে মারা যায় তবে পূর্ণ দিয়াত দেয়া অনিবার্য হবে। দাসীর পেটের সন্তানের বেলায় দাসীর মূল্যের দশমাংশ দিয়াত দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি গর্ভবতী স্ত্রী কোন পুরুষ অথবা স্ত্রীলোককে হত্যা করে, তবে তার সন্তান প্রসবের পূর্বে তার হতে কিসাস নেয়া হবে না। যদি গর্ভবতী স্ত্রীলোককে কেউ হত্যা করে, ইচ্ছাকৃতই হোক বা ভুলক্রমেই হোক, তার গর্ভস্থ সন্তানের দিয়াত অনিবার্য হবে না, বরং যদি তাকে ইচ্ছাকৃত হত্যা করা হয়ে থাকে, তবে হত্যাকারীকে হত্যা করা হবে আর যদি ভুলক্রমে হত্যা করা হয়ে থাকে, তবে দিয়াত দিতে হবে। হত্যা ভুল ক্রমে হলে তার দিয়াত নিকটাত্মীয়দের উপর বর্তাবে। মালিক (র)-কে প্রশ্ন করা হয়েছিল, যদি কেউ ইহুদী বা খৃস্টান স্ত্রীলোকের গর্ভস্থ বাচ্চাকে হত্যা করে বের করে দেয় উহার হুকুম কি ? তিনি উত্তর দিলেন, তার মাতার দিয়াতের ১/১০ অংশ দিতে হবে।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى في الجنين يقتل في بطن أمه بغرة عبد أو وليدة فقال الذي قضي عليه كيف أغرم ما لا شرب ولا أكل ولا نطق ولا استهل ومثل ذلك بطل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إنما هذا من إخوان الكهان و حدثني عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أنه كان يقول الغرة تقوم خمسين دينارا أو ست مائة درهم ودية المرأة الحرة المسلمة خمس مائة دينار أو ستة آلاف درهم قال مالك فدية جنين الحرة عشر ديتها والعشر خمسون دينارا أو ست مائة درهم قال مالك ولم أسمع أحدا يخالف في أن الجنين لا تكون فيه الغرة حتى يزايل بطن أمه ويسقط من بطنها ميتا قال مالك و سمعت أنه إذا خرج الجنين من بطن أمه حيا ثم مات أن فيه الدية كاملة قال مالك ولا حياة للجنين إلا بالاستهلال فإذا خرج من بطن أمه فاستهل ثم مات ففيه الدية كاملة ونرى أن في جنين الأمة عشر ثمن أمه قال مالك وإذا قتلت المرأة رجلا أو امرأة عمدا والتي قتلت حامل لم يقد منها حتى تضع حملها وإن قتلت المرأة وهي حامل عمدا أو خطأ فليس على من قتلها في جنينها شيء فإن قتلت عمدا قتل الذي قتلها وليس في جنينها دية وإن قتلت خطأ فعلى عاقلة قاتلها ديتها وليس في جنينها دية و حدثني يحيى سئل مالك عن جنين اليهودية والنصرانية يطرح فقال أرى أن فيه عشر دية أمه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যাতে পূর্ণ দিয়াত দেয়া জরুরী হয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول في الشفتين الدية كاملة فإذا قطعت السفلى ففيها ثلثا الدية حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الرجل الأعور يفقأ عين الصحيح فقال ابن شهاب إن أحب الصحيح أن يستقيد منه فله القود وإن أحب فله الدية ألف دينار أو اثنا عشر ألف درهم و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن في كل زوج من الإنسان الدية كاملة وأن في اللسان الدية كاملة وأن في الأذنين إذا ذهب سمعهما الدية كاملة اصطلمتا أو لم تصطلما وفي ذكر الرجل الدية كاملة وفي الأنثيين الدية كاملة و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن في ثديي المرأة الدية كاملة قال مالك وأخف ذلك عندي الحاجبان وثديا الرجل قال مالك الأمر عندنا أن الرجل إذا أصيب من أطرافه أكثر من ديته فذلك له إذا أصيبت يداه ورجلاه وعيناه فله ثلاث ديات قال مالك في عين الأعور الصحيحة إذا فقئت خطأ إن فيها الدية كاملة

সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, উভয় ঠোঁটে পূর্ণ দিয়াত রয়েছে। যদি নিচের ঠোঁট কেটে ফেলা হয়ে থাকে তবে উহাতে দুই-তৃতীয়াংশ দিয়াত দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমি ইব্নু শিহাব যুহরীর কাছে জিজ্ঞেস করেছিলাম, যদি কোন কানা লোক কোন চক্ষুবিশিষ্ট লোকের চক্ষু উপড়িয়ে ফেলে, তবে কি হুকুম ? তিনি বললেন, যদি ইচ্ছা করে, তবে তার চক্ষু উপড়িয়ে ফেলতে পারে। আর যদি ইচ্ছা করে তবে এক হাজার দীনার বা বার হাজার দিরহাম নিবে। মালিক (র) বলেন, আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, যে অঙ্গ শরীরে দুই দুইটি রয়েছে, যদি কেউ উভয়টি নষ্ট করে দেয়, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে, আর জিহ্বাতে পূর্ণ দিয়াত হয়। যদি দুই কানে এইরূপ চোট লাগে যাতে শ্রবণশক্তি বিলুপ্ত হয়ে যায় যদিও কান কাটা না যায় তবুও পূর্ণ দিয়াত দিতে হয়। এইরূপে পুরুষের লজ্জাস্থান ও অণ্ডকোষের পূর্ণ দিয়াত রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমার কাছে রেওয়ায়েত পৌঁছেছে যে, যদি কোন মহিলার স্তনদ্বয় কেটে ফেলা হয়, তবে উহাতে হবে পূর্ণ দিয়াত। আর যদি ভ্রু কামিয়ে ফেলে এবং পুরুষের উভয় স্তন কেটে ফেলে, তবে পূর্ণ দিয়াত হবে না। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তির উভয় হাত, উভয় পা এবং উভয় চক্ষু নষ্ট করে দেয়, তবে ভিন্ন ভিন্নভাবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে, পায়ের ভিন্ন, হাতের ভিন্ন এবং চক্ষুর ভিন্ন ভিন্ন দিয়াত দিতে হবে অর্থাৎ তিন দিয়াতে অথবা তিন হাজার দীনার বা ৩৬ হাজার দিরহাম দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ এক চোখ কানা ব্যক্তির ভাল চক্ষু ভুলে নষ্ট করে ফেলে, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, উভয় ঠোঁটে পূর্ণ দিয়াত রয়েছে। যদি নিচের ঠোঁট কেটে ফেলা হয়ে থাকে তবে উহাতে দুই-তৃতীয়াংশ দিয়াত দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমি ইব্নু শিহাব যুহরীর কাছে জিজ্ঞেস করেছিলাম, যদি কোন কানা লোক কোন চক্ষুবিশিষ্ট লোকের চক্ষু উপড়িয়ে ফেলে, তবে কি হুকুম ? তিনি বললেন, যদি ইচ্ছা করে, তবে তার চক্ষু উপড়িয়ে ফেলতে পারে। আর যদি ইচ্ছা করে তবে এক হাজার দীনার বা বার হাজার দিরহাম নিবে। মালিক (র) বলেন, আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, যে অঙ্গ শরীরে দুই দুইটি রয়েছে, যদি কেউ উভয়টি নষ্ট করে দেয়, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে, আর জিহ্বাতে পূর্ণ দিয়াত হয়। যদি দুই কানে এইরূপ চোট লাগে যাতে শ্রবণশক্তি বিলুপ্ত হয়ে যায় যদিও কান কাটা না যায় তবুও পূর্ণ দিয়াত দিতে হয়। এইরূপে পুরুষের লজ্জাস্থান ও অণ্ডকোষের পূর্ণ দিয়াত রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমার কাছে রেওয়ায়েত পৌঁছেছে যে, যদি কোন মহিলার স্তনদ্বয় কেটে ফেলা হয়, তবে উহাতে হবে পূর্ণ দিয়াত। আর যদি ভ্রু কামিয়ে ফেলে এবং পুরুষের উভয় স্তন কেটে ফেলে, তবে পূর্ণ দিয়াত হবে না। মালিক (র) বলেন, যদি কোন ব্যক্তির উভয় হাত, উভয় পা এবং উভয় চক্ষু নষ্ট করে দেয়, তবে ভিন্ন ভিন্নভাবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে, পায়ের ভিন্ন, হাতের ভিন্ন এবং চক্ষুর ভিন্ন ভিন্ন দিয়াত দিতে হবে অর্থাৎ তিন দিয়াতে অথবা তিন হাজার দীনার বা ৩৬ হাজার দিরহাম দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ এক চোখ কানা ব্যক্তির ভাল চক্ষু ভুলে নষ্ট করে ফেলে, তবে পূর্ণ দিয়াত দিতে হবে।

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول في الشفتين الدية كاملة فإذا قطعت السفلى ففيها ثلثا الدية حدثني يحيى عن مالك أنه سأل ابن شهاب عن الرجل الأعور يفقأ عين الصحيح فقال ابن شهاب إن أحب الصحيح أن يستقيد منه فله القود وإن أحب فله الدية ألف دينار أو اثنا عشر ألف درهم و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن في كل زوج من الإنسان الدية كاملة وأن في اللسان الدية كاملة وأن في الأذنين إذا ذهب سمعهما الدية كاملة اصطلمتا أو لم تصطلما وفي ذكر الرجل الدية كاملة وفي الأنثيين الدية كاملة و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن في ثديي المرأة الدية كاملة قال مالك وأخف ذلك عندي الحاجبان وثديا الرجل قال مالك الأمر عندنا أن الرجل إذا أصيب من أطرافه أكثر من ديته فذلك له إذا أصيبت يداه ورجلاه وعيناه فله ثلاث ديات قال مالك في عين الأعور الصحيحة إذا فقئت خطأ إن فيها الدية كاملة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > চক্ষু ঠিক রেখে যদি চক্ষুর দৃষ্টিশক্তি নষ্ট করে উহার দিয়াত সম্বন্ধে হুকুম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن زيد بن ثابت كان يقول في العين القائمة إذا طفئت مائة دينار قال يحيى و سئل مالك عن شتر العين وحجاج العين فقال ليس في ذلك إلا الاجتهاد إلا أن ينقص بصر العين فيكون له بقدر ما نقص من بصر العين -قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في العين القائمة العوراء إذا طفئت وفي اليد الشلاء إذا قطعت إنه ليس في ذلك إلا الاجتهاد وليس في ذلك عقل مسمى

যায়দ ইবনু সাবিত (রা) থেকে বর্নিতঃ

যদি চক্ষু ঠিক থাকে কিন্তু দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায় তবে এক শত দীনার দিয়াত দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যদি কেউ কারো চক্ষুর উপরের চামড়া কেটে ফেলে অথবা চক্ষুর চতুষ্পার্শ্বের গোল হাড় ভেঙ্গে ফেলে তবে উহা চিন্তা করে উপযুক্ত পরিমাণ দিয়াত দিতে হবে। যদি দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে তবে ক্ষতির পরিমাণ দিয়াত দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ করো ঐ চক্ষু নষ্ট করে ফেলে যা বাহ্য দৃষ্টিতে ঠিক থাকলেও উহাতে দৃষ্টিশক্তি ছিল না অথবা ঐরূপ একটি হাত কেটে ফেলে যা অক্ষম ছিল, তবে দিয়াত দেয়া অনিবার্য হবে না। হ্যাঁ, বিচারকের (মতে) বিচারে যা স্থির হয় সেইরূপ দিয়াত দিতে হবে।

যায়দ ইবনু সাবিত (রা) থেকে বর্নিতঃ

যদি চক্ষু ঠিক থাকে কিন্তু দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায় তবে এক শত দীনার দিয়াত দিতে হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যদি কেউ কারো চক্ষুর উপরের চামড়া কেটে ফেলে অথবা চক্ষুর চতুষ্পার্শ্বের গোল হাড় ভেঙ্গে ফেলে তবে উহা চিন্তা করে উপযুক্ত পরিমাণ দিয়াত দিতে হবে। যদি দৃষ্টিশক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে তবে ক্ষতির পরিমাণ দিয়াত দিতে হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ করো ঐ চক্ষু নষ্ট করে ফেলে যা বাহ্য দৃষ্টিতে ঠিক থাকলেও উহাতে দৃষ্টিশক্তি ছিল না অথবা ঐরূপ একটি হাত কেটে ফেলে যা অক্ষম ছিল, তবে দিয়াত দেয়া অনিবার্য হবে না। হ্যাঁ, বিচারকের (মতে) বিচারে যা স্থির হয় সেইরূপ দিয়াত দিতে হবে।

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن زيد بن ثابت كان يقول في العين القائمة إذا طفئت مائة دينار قال يحيى و سئل مالك عن شتر العين وحجاج العين فقال ليس في ذلك إلا الاجتهاد إلا أن ينقص بصر العين فيكون له بقدر ما نقص من بصر العين -قال يحيى قال مالك الأمر عندنا في العين القائمة العوراء إذا طفئت وفي اليد الشلاء إذا قطعت إنه ليس في ذلك إلا الاجتهاد وليس في ذلك عقل مسمى


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00