মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত, যখন নিহত ব্যক্তির ওয়ারিস দিয়াতের উপর সম্মত হয় এবং পাগলের দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك أن ابن شهاب كان يقول في دية العمد إذا قبلت خمس وعشرون بنت مخاض وخمس وعشرون بنت لبون وخمس وعشرون حقة وخمس وعشرون جذعة

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

যখন ইচ্ছাকৃত হত্যায় নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণ দিয়াতের উপর সম্মত হয়ে যায় তখন দিয়াত পঁচিশটি বিনত মাখায়, পঁচিশটি বিনত লবুন, পঁচিশটিই হিক্কা ও পঁচিশটি জায্আ হবে। বিনত মাখায়, বিনত লবুন, হিককা ও জায্আ এদের সম্পর্কে যাকাত অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

যখন ইচ্ছাকৃত হত্যায় নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণ দিয়াতের উপর সম্মত হয়ে যায় তখন দিয়াত পঁচিশটি বিনত মাখায়, পঁচিশটি বিনত লবুন, পঁচিশটিই হিক্কা ও পঁচিশটি জায্আ হবে। বিনত মাখায়, বিনত লবুন, হিককা ও জায্আ এদের সম্পর্কে যাকাত অধ্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أن ابن شهاب كان يقول في دية العمد إذا قبلت خمس وعشرون بنت مخاض وخمس وعشرون بنت لبون وخمس وعشرون حقة وخمس وعشرون جذعة


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬০

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن مروان بن الحكم كتب إلى معاوية بن أبي سفيان أنه أتي بمجنون قتل رجلا فكتب إليه معاوية أن اعقله ولا تقد منه فإنه ليس على مجنون قود قال مالك في الكبير والصغير إذا قتلا رجلا جميعا عمدا أن على الكبير أن يقتل وعلى الصغير نصف الدية قال مالك وكذلك الحر والعبد يقتلان العبد فيقتل العبد ويكون على الحر نصف قيمته

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান মু‘আবিয়াকে লিখলেন, আমার নিকট এক উন্মাদকে আনা হয়েছে, সে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। মু‘আবিয়া উত্তরে লিখলেন, তাকে বন্দী করে রাখ, তা হতে কিসাস নিয়ো না। কেননা উন্মাদের কিসাস নেই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যদি কোন বালেগ ও নাবালেগ মিলিত হয়ে কাউকেও ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তবে বালেগ হতে কিসাস নিয়ে হবে আর নাবালেগের উপর অর্ধদিয়াত ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন স্বাধীন ও দাস মিলিত হয়ে কোন দাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তবে গোলামকে তো কিসাসে হত্যা করা হবে, আর স্বাধীন ব্যক্তির উপর ঐ গোলামের অর্ধেক মূল্য ওয়াজিব হবে।

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (রা) থেকে বর্নিতঃ

মারওয়ান মু‘আবিয়াকে লিখলেন, আমার নিকট এক উন্মাদকে আনা হয়েছে, সে এক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। মু‘আবিয়া উত্তরে লিখলেন, তাকে বন্দী করে রাখ, তা হতে কিসাস নিয়ো না। কেননা উন্মাদের কিসাস নেই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যদি কোন বালেগ ও নাবালেগ মিলিত হয়ে কাউকেও ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তবে বালেগ হতে কিসাস নিয়ে হবে আর নাবালেগের উপর অর্ধদিয়াত ওয়াজিব হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কোন স্বাধীন ও দাস মিলিত হয়ে কোন দাসকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তবে গোলামকে তো কিসাসে হত্যা করা হবে, আর স্বাধীন ব্যক্তির উপর ঐ গোলামের অর্ধেক মূল্য ওয়াজিব হবে।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن مروان بن الحكم كتب إلى معاوية بن أبي سفيان أنه أتي بمجنون قتل رجلا فكتب إليه معاوية أن اعقله ولا تقد منه فإنه ليس على مجنون قود قال مالك في الكبير والصغير إذا قتلا رجلا جميعا عمدا أن على الكبير أن يقتل وعلى الصغير نصف الدية قال مالك وكذلك الحر والعبد يقتلان العبد فيقتل العبد ويكون على الحر نصف قيمته


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ভুলে হত্যা করার দিয়াত প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৬১

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عراك بن مالك وسليمان بن يسار أن رجلا من بني سعد بن ليث أجرى فرسا فوطئ على إصبع رجل من جهينة فنزي منها فمات فقال عمر بن الخطاب للذي ادعي عليهم أتحلفون بالله خمسين يمينا ما مات منها فأبوا وتحرجوا وقال للآخرين أتحلفون أنتم فأبوا فقضى عمر بن الخطاب بشطر الدية على السعديين قال مالك وليس العمل على هذا و حدثني عن مالك أن ابن شهاب وسليمان بن يسار وربيعة بن أبي عبد الرحمن كانوا يقولون دية الخطإ عشرون بنت مخاض وعشرون بنت لبون وعشرون ابن لبون ذكرا وعشرون حقة وعشرون جذعة قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا قود بين الصبيان وإن عمدهم خطأ ما لم تجب عليهم الحدود ويبلغوا الحلم وإن قتل الصبي لا يكون إلا خطأ وذلك لو أن صبيا وكبيرا قتلا رجلا حرا خطأ كان على عاقلة كل واحد منهما نصف الدية قال مالك ومن قتل خطأ فإنما عقله مال لا قود فيه وإنما هو كغيره من ماله يقضى به دينه وتجوز فيه وصيته فإن كان له مال تكون الدية قدر ثلثه ثم عفا عن ديته فذلك جائز له وإن لم يكن له مال غير ديته جاز له من ذلك الثلث إذا عفا عنه وأوصى به

ইরাক ইবনু মালিক ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

বানি সা‘দের এক ব্যক্তি ঘোড়া দৌড়াল যাতে জুহায়নাহ্ গোত্রের এক ব্যক্তির অঙ্গুলি নষ্ট করে দিল; অঙ্গুলি হতে এত রক্ত ঝরল যে, তাতে ঐ ব্যক্তি মারা গেল। উমার (রা) প্রথমে তো বনী সা‘দকে বললেন, তোমরা এই কথার উপর পঞ্চাশ বার কসম করতে পার যে, এই ব্যক্তি অঙ্গুলি নষ্ট হওয়ার দরুন মরেনি; তারা এতে সম্মত হল না। যখন তারা কসম করল না তিনি বানী সা’দ গোত্রের লোকদের বললেন, তোমরা কসম করবে কি? তারাও এতে সম্মত হল না। অতঃপর তিনি বানী সা‘দ হতে অর্ধেক দিয়াত দিতে ফয়সালা দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই হাদীসের উপর আমল করা হবে না। ইব্নু শিহাব, সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার ও রবী‘আ ইবনু আবী আবদুর রহমান বলেন, ভুলবশত হত্যার দিয়াতে কুড়িটি বিনত মাখায, কুড়িটি বিনত লবুন, কুড়িটি ইব্নু লাবুনের, কুড়িটি হিক্কা এবং কুড়িটি জায‘আ দেয়া হয়ে থাকে। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা একটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যে, নাবালেগদের কাছে থেকে কিসাস নেয়া হবে না, যদিও সে স্বেচ্ছায় হত্যা করে। এই ধরনের হত্যা ভুলবশত হত্যার পর্যায়ে পড়বে। বালেগ না হওয়া পর্যন্ত এই হুকুম অর্থাৎ তার উপর শাস্তি বর্তাবে না তার বালেগ হওয়া পর্যন্ত। এজন্যই যদি কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে কাউকেও হত্যা করে, তবে ইহা ভুলক্রমে হত্যা হয়েছে মনে করতে হবে। যদি নাবালেগ ও বালেগ মিলিতভাবে কাউকেও হত্যা করে, প্রত্যেকের জন্য অর্ধেক দিয়াত নির্ধারিত হবে। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি ভুলক্রমে নিহত হয়, তাতে দিয়াত হবে, এতে কিসাস হবে না, যা দ্বারা তার ঋণ আদায় করা হবে, তার ওসীয়ত আদায় করা হবে। যদি তার নিকট দিয়াতের ১/৩ পরিমাণ মাল থাকে আর দিয়াত ক্ষমা করে দেয়া হয় তবে তা বৈধ। যদি এত মাল না থাকে তবে ১/৩-এর পরিমাণ ক্ষমা করতে পারে। অবশিষ্ট যা থাকে, উহা ওয়ারিসদের হক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইরাক ইবনু মালিক ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

বানি সা‘দের এক ব্যক্তি ঘোড়া দৌড়াল যাতে জুহায়নাহ্ গোত্রের এক ব্যক্তির অঙ্গুলি নষ্ট করে দিল; অঙ্গুলি হতে এত রক্ত ঝরল যে, তাতে ঐ ব্যক্তি মারা গেল। উমার (রা) প্রথমে তো বনী সা‘দকে বললেন, তোমরা এই কথার উপর পঞ্চাশ বার কসম করতে পার যে, এই ব্যক্তি অঙ্গুলি নষ্ট হওয়ার দরুন মরেনি; তারা এতে সম্মত হল না। যখন তারা কসম করল না তিনি বানী সা’দ গোত্রের লোকদের বললেন, তোমরা কসম করবে কি? তারাও এতে সম্মত হল না। অতঃপর তিনি বানী সা‘দ হতে অর্ধেক দিয়াত দিতে ফয়সালা দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই হাদীসের উপর আমল করা হবে না। ইব্নু শিহাব, সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার ও রবী‘আ ইবনু আবী আবদুর রহমান বলেন, ভুলবশত হত্যার দিয়াতে কুড়িটি বিনত মাখায, কুড়িটি বিনত লবুন, কুড়িটি ইব্নু লাবুনের, কুড়িটি হিক্কা এবং কুড়িটি জায‘আ দেয়া হয়ে থাকে। মালিক (র) বলেন, আমাদের কাছে এটা একটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যে, নাবালেগদের কাছে থেকে কিসাস নেয়া হবে না, যদিও সে স্বেচ্ছায় হত্যা করে। এই ধরনের হত্যা ভুলবশত হত্যার পর্যায়ে পড়বে। বালেগ না হওয়া পর্যন্ত এই হুকুম অর্থাৎ তার উপর শাস্তি বর্তাবে না তার বালেগ হওয়া পর্যন্ত। এজন্যই যদি কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে কাউকেও হত্যা করে, তবে ইহা ভুলক্রমে হত্যা হয়েছে মনে করতে হবে। যদি নাবালেগ ও বালেগ মিলিতভাবে কাউকেও হত্যা করে, প্রত্যেকের জন্য অর্ধেক দিয়াত নির্ধারিত হবে। মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি ভুলক্রমে নিহত হয়, তাতে দিয়াত হবে, এতে কিসাস হবে না, যা দ্বারা তার ঋণ আদায় করা হবে, তার ওসীয়ত আদায় করা হবে। যদি তার নিকট দিয়াতের ১/৩ পরিমাণ মাল থাকে আর দিয়াত ক্ষমা করে দেয়া হয় তবে তা বৈধ। যদি এত মাল না থাকে তবে ১/৩-এর পরিমাণ ক্ষমা করতে পারে। অবশিষ্ট যা থাকে, উহা ওয়ারিসদের হক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عراك بن مالك وسليمان بن يسار أن رجلا من بني سعد بن ليث أجرى فرسا فوطئ على إصبع رجل من جهينة فنزي منها فمات فقال عمر بن الخطاب للذي ادعي عليهم أتحلفون بالله خمسين يمينا ما مات منها فأبوا وتحرجوا وقال للآخرين أتحلفون أنتم فأبوا فقضى عمر بن الخطاب بشطر الدية على السعديين قال مالك وليس العمل على هذا و حدثني عن مالك أن ابن شهاب وسليمان بن يسار وربيعة بن أبي عبد الرحمن كانوا يقولون دية الخطإ عشرون بنت مخاض وعشرون بنت لبون وعشرون ابن لبون ذكرا وعشرون حقة وعشرون جذعة قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا قود بين الصبيان وإن عمدهم خطأ ما لم تجب عليهم الحدود ويبلغوا الحلم وإن قتل الصبي لا يكون إلا خطأ وذلك لو أن صبيا وكبيرا قتلا رجلا حرا خطأ كان على عاقلة كل واحد منهما نصف الدية قال مالك ومن قتل خطأ فإنما عقله مال لا قود فيه وإنما هو كغيره من ماله يقضى به دينه وتجوز فيه وصيته فإن كان له مال تكون الدية قدر ثلثه ثم عفا عن ديته فذلك جائز له وإن لم يكن له مال غير ديته جاز له من ذلك الثلث إذا عفا عنه وأوصى به


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ভুলে কাউকে আহত করার দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني مالك أن الأمر المجتمع عليه عندهم في الخطإ أنه لا يعقل حتى يبرأ المجروح ويصح وأنه إن كسر عظم من الإنسان يد أو رجل أو غير ذلك من الجسد خطأ فبرأ وصح وعاد لهيئته فليس فيه عقل فإن نقص أو كان فيه عثل ففيه من عقله بحساب ما نقص منه قال مالك فإن كان ذلك العظم مما جاء فيه عن النبي صلى الله عليه وسلم عقل مسمى فبحساب ما فرض فيه النبي صلى الله عليه وسلم وما كان مما لم يأت فيه عن النبي صلى الله عليه وسلم عقل مسمى ولم تمض فيه سنة ولا عقل مسمى فإنه يجتهد فيه قال مالك وليس في الجراح في الجسد إذا كانت خطأ عقل إذا برأ الجرح وعاد لهيئته فإن كان في شيء من ذلك عثل أو شين فإنه يجتهد فيه إلا الجائفة فإن فيها ثلث دية النفس قال مالك وليس في منقلة الجسد عقل وهي مثل موضحة الجسد قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن الطبيب إذا ختن فقطع الحشفة إن عليه العقل وأن ذلك من الخطإ الذي تحمله العاقلة وأن كل ما أخطأ به الطبيب أو تعدى إذا لم يتعمد ذلك ففيه العقل

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের মতে, ভুলের একটি সর্বসম্মত বিধান রয়েছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আঘাতের ক্ষত ভাল না হয়ে যায় ততক্ষণ ঐ আঘাতজনিত ক্ষতের দিয়াত আদায় করা হবে না। যদি হাত অথবা পায়ের হাড় ভেঙ্গে যায়, অতঃপর পুনঃ জোড়া লেগে পূর্বের মতো ভাল হয়ে যায়, তবে উহাতে দিয়াত নেই। যদি কোন প্রকার ত্রুটি থেকে যায় তবে ত্রুটির পরিমাণ দিয়াত হবে। যদি ঐ হাড় এইরূপ হয় যে, যার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে দিয়াত সাব্যস্ত হয়েছে, তবে ঐ পরিমাণ দিয়াত অনিবার্যভাবে নির্ধারিত হবে। অন্যথায় বিবেচনান্তে উপযুক্ত দিয়াত গ্রহণ করা হবে। মালিক (র) বলেন, ভুলক্রমে শরীরে যে আঘাতজনিত ক্ষত হয়েছে যদি তা এমনভাবে ভাল হয়ে যায় যে, আঘাতের কোন চিহ্নও না থাকে, তবে দিয়াত নেই। যদি কোন ত্রুটি বা কোন ক্ষতের চিহ্ন থেকে যায়, তবে তার উপযুক্ত দিয়াত দিতে হবে। পেটের ক্ষতে ১/৩ দিয়াত অনিবার্য দেয়া হবে। আর যে আঘাত লাগার দরুন জোড়া খুলে যায়, হাড় স্থানচ্যুত হয়ে যায়, উহাতে দিয়াত নেই। যেমন ঐ আঘাতে দিয়াত নেই, যাতে হাড় বের হয়ে যায়। মালিক (র) বলেন, এটা আমাদের কাছে একটি সর্বসম্মত বিধান যে, যদি হাজ্জাম খতনা করবার সময় ভুলে অতিরিক্ত জায়গা কেটে ফেলে তবে তার দিয়াত দিতে হবে। এইরূপে যদি চিকিৎসক ভুলে কোন ত্রুটি করে ফেলে, তবে তাতে দিয়াত দিতে হবে (যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে, তবে কিসাস হবে) ।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের মতে, ভুলের একটি সর্বসম্মত বিধান রয়েছে যে, যতক্ষণ পর্যন্ত আঘাতের ক্ষত ভাল না হয়ে যায় ততক্ষণ ঐ আঘাতজনিত ক্ষতের দিয়াত আদায় করা হবে না। যদি হাত অথবা পায়ের হাড় ভেঙ্গে যায়, অতঃপর পুনঃ জোড়া লেগে পূর্বের মতো ভাল হয়ে যায়, তবে উহাতে দিয়াত নেই। যদি কোন প্রকার ত্রুটি থেকে যায় তবে ত্রুটির পরিমাণ দিয়াত হবে। যদি ঐ হাড় এইরূপ হয় যে, যার ব্যাপারে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে দিয়াত সাব্যস্ত হয়েছে, তবে ঐ পরিমাণ দিয়াত অনিবার্যভাবে নির্ধারিত হবে। অন্যথায় বিবেচনান্তে উপযুক্ত দিয়াত গ্রহণ করা হবে। মালিক (র) বলেন, ভুলক্রমে শরীরে যে আঘাতজনিত ক্ষত হয়েছে যদি তা এমনভাবে ভাল হয়ে যায় যে, আঘাতের কোন চিহ্নও না থাকে, তবে দিয়াত নেই। যদি কোন ত্রুটি বা কোন ক্ষতের চিহ্ন থেকে যায়, তবে তার উপযুক্ত দিয়াত দিতে হবে। পেটের ক্ষতে ১/৩ দিয়াত অনিবার্য দেয়া হবে। আর যে আঘাত লাগার দরুন জোড়া খুলে যায়, হাড় স্থানচ্যুত হয়ে যায়, উহাতে দিয়াত নেই। যেমন ঐ আঘাতে দিয়াত নেই, যাতে হাড় বের হয়ে যায়। মালিক (র) বলেন, এটা আমাদের কাছে একটি সর্বসম্মত বিধান যে, যদি হাজ্জাম খতনা করবার সময় ভুলে অতিরিক্ত জায়গা কেটে ফেলে তবে তার দিয়াত দিতে হবে। এইরূপে যদি চিকিৎসক ভুলে কোন ত্রুটি করে ফেলে, তবে তাতে দিয়াত দিতে হবে (যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে, তবে কিসাস হবে) ।

حدثني مالك أن الأمر المجتمع عليه عندهم في الخطإ أنه لا يعقل حتى يبرأ المجروح ويصح وأنه إن كسر عظم من الإنسان يد أو رجل أو غير ذلك من الجسد خطأ فبرأ وصح وعاد لهيئته فليس فيه عقل فإن نقص أو كان فيه عثل ففيه من عقله بحساب ما نقص منه قال مالك فإن كان ذلك العظم مما جاء فيه عن النبي صلى الله عليه وسلم عقل مسمى فبحساب ما فرض فيه النبي صلى الله عليه وسلم وما كان مما لم يأت فيه عن النبي صلى الله عليه وسلم عقل مسمى ولم تمض فيه سنة ولا عقل مسمى فإنه يجتهد فيه قال مالك وليس في الجراح في الجسد إذا كانت خطأ عقل إذا برأ الجرح وعاد لهيئته فإن كان في شيء من ذلك عثل أو شين فإنه يجتهد فيه إلا الجائفة فإن فيها ثلث دية النفس قال مالك وليس في منقلة الجسد عقل وهي مثل موضحة الجسد قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن الطبيب إذا ختن فقطع الحشفة إن عليه العقل وأن ذلك من الخطإ الذي تحمله العاقلة وأن كل ما أخطأ به الطبيب أو تعدى إذا لم يتعمد ذلك ففيه العقل


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্ত্রীলোকের দিয়াত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول تعاقل المرأة الرجل إلى ثلث الدية إصبعها كإصبعه وسنها كسنه وموضحتها كموضحته ومنقلتها كمنقلته و حدثني عن مالك عن ابن شهاب وبلغه عن عروة بن الزبير أنهما كانا يقولان مثل قول سعيد بن المسيب في المرأة أنها تعاقل الرجل إلى ثلث دية الرجل فإذا بلغت ثلث دية الرجل كانت إلى النصف من دية الرجل قال مالك وتفسير ذلك أنها تعاقله في الموضحة والمنقلة وما دون المأمومة والجائفة وأشباههما مما يكون فيه ثلث الدية فصاعدا فإذا بلغت ذلك كان عقلها في ذلك النصف من عقل الرجل و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول مضت السنة أن الرجل إذا أصاب امرأته بجرح أن عليه عقل ذلك الجرح ولا يقاد منه قال مالك وإنما ذلك في الخطإ أن يضرب الرجل امرأته فيصيبها من ضربه ما لم يتعمد كما يضربها بسوط فيفقأ عينها ونحو ذلك قال مالك في المرأة يكون لها زوج وولد من غير عصبتها ولا قومها فليس على زوجها إذا كان من قبيلة أخرى من عقل جنايتها شيء ولا على ولدها إذا كانوا من غير قومها ولا على إخوتها من أمها إذا كانوا من غير عصبتها ولا قومها فهؤلاء أحق بميراثها والعصبة عليهم العقل منذ زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليوم وكذلك موالي المرأة ميراثهم لولد المرأة وإن كانوا من غير قبيلتها وعقل جناية الموالي على قبيلتها

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব ( থেকে বর্নিতঃ

১/৩ পর্যন্ত পুরুষ স্ত্রী উভয়ের দিয়াত সমান। যেমন দিয়াত সাব্যস্ত করার ব্যাপারে স্ত্রীলোকের অঙ্গুলি পুরুষের অঙ্গুলির মতো, স্ত্রীলোকের দাঁত পুরুষের দাঁতের মতো। স্ত্রীদের মোওযেহা (ঐ যখম যাতে হাড় দেখা যায়) পুরুষদের মোওযেহার মতো, অনুরূপভাবে স্ত্রীলোকের মুনকিলাহ (ঐ যখম যাতে হাড় স্থানচ্যুত হয়ে যায়) পুরুষের মুনকিলাহ্র মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইব্নু শিহাব ও উরওয়া ইব্নু যুবাইর (র) স্ত্রীদের ব্যাপারে সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাবের মতো বলতেন যে, স্ত্রীগণ ১/৩ দিয়াত পর্যন্ত পুরুষদের মতো হবে, অতঃপর পুরুষদের অর্ধ দিয়াতের সমপরিমাণ হবে। মালিক (র) বলেন, এর ব্যাখ্যা এই যে, মোযিহাহ্ এবং মুনাক্কিলাতে মহিলাদের দিয়াত পুরুষের অনুরূপ। কিন্তু মুযিহাহ এবং জারিফাহ্ যার দিয়াত ১/৩ অথবা তার বেশী এ ক্ষেত্রে মহিলার দিয়াত পুরুষের অর্ধেক। ইব্নু শিহাব (র) বলতেন, এই নিয়ম চলে এসেছে যে, যদি পুরুষ নিজের স্ত্রীকে আঘাত দ্বারা ক্ষতি করে দেয়, তবে তা হতে দিয়াত নেয়া হবে, কিন্তু কিসাস হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই ব্যবস্থা তখনই হবে যখন পুরুষ ভুলে আঘাত করে। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে তবে কিসাস অনিবার্য হবে। যেমন স্ত্রীকে বেত দ্বারা আঘাত করাতে তার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। মালিক (র) বলেন, যে স্ত্রীলোকের স্বামী বা সন্তান তার সম্প্রদায়ের না হয়ে অন্য সম্প্রদায়ের হয়, সেই স্ত্রীলোকদের অপরাধের দিয়াতে স্বামী শরীক হবে না। এইরূপে তার বাচ্চা ও বৈমাত্রেয় ভাই যখন ভিন্ন গোত্রের হবে, সেও দিয়াতে শরীক হবে না। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় হতে আজ পর্যন্ত সমগোত্রের উপরই দিয়াত হয়ে থাকে। কিন্তু মীরাসে সন্তান ও বৈমাত্রের ভাই মালিক হবে। যেমন স্ত্রীলোকের মুক্ত দাসের মীরাস তার সন্তানকে দেয়া হবে, যদিও তার গোত্রের না হয়। কিন্তু তাদের অপরাধের দিয়াত স্ত্রীর স্বগোত্রের উপর বর্তাবে।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব ( থেকে বর্নিতঃ

১/৩ পর্যন্ত পুরুষ স্ত্রী উভয়ের দিয়াত সমান। যেমন দিয়াত সাব্যস্ত করার ব্যাপারে স্ত্রীলোকের অঙ্গুলি পুরুষের অঙ্গুলির মতো, স্ত্রীলোকের দাঁত পুরুষের দাঁতের মতো। স্ত্রীদের মোওযেহা (ঐ যখম যাতে হাড় দেখা যায়) পুরুষদের মোওযেহার মতো, অনুরূপভাবে স্ত্রীলোকের মুনকিলাহ (ঐ যখম যাতে হাড় স্থানচ্যুত হয়ে যায়) পুরুষের মুনকিলাহ্র মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইব্নু শিহাব ও উরওয়া ইব্নু যুবাইর (র) স্ত্রীদের ব্যাপারে সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাবের মতো বলতেন যে, স্ত্রীগণ ১/৩ দিয়াত পর্যন্ত পুরুষদের মতো হবে, অতঃপর পুরুষদের অর্ধ দিয়াতের সমপরিমাণ হবে। মালিক (র) বলেন, এর ব্যাখ্যা এই যে, মোযিহাহ্ এবং মুনাক্কিলাতে মহিলাদের দিয়াত পুরুষের অনুরূপ। কিন্তু মুযিহাহ এবং জারিফাহ্ যার দিয়াত ১/৩ অথবা তার বেশী এ ক্ষেত্রে মহিলার দিয়াত পুরুষের অর্ধেক। ইব্নু শিহাব (র) বলতেন, এই নিয়ম চলে এসেছে যে, যদি পুরুষ নিজের স্ত্রীকে আঘাত দ্বারা ক্ষতি করে দেয়, তবে তা হতে দিয়াত নেয়া হবে, কিন্তু কিসাস হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই ব্যবস্থা তখনই হবে যখন পুরুষ ভুলে আঘাত করে। যদি ইচ্ছাকৃতভাবে এইরূপ করে তবে কিসাস অনিবার্য হবে। যেমন স্ত্রীকে বেত দ্বারা আঘাত করাতে তার চোখ নষ্ট হয়ে গেছে। মালিক (র) বলেন, যে স্ত্রীলোকের স্বামী বা সন্তান তার সম্প্রদায়ের না হয়ে অন্য সম্প্রদায়ের হয়, সেই স্ত্রীলোকদের অপরাধের দিয়াতে স্বামী শরীক হবে না। এইরূপে তার বাচ্চা ও বৈমাত্রেয় ভাই যখন ভিন্ন গোত্রের হবে, সেও দিয়াতে শরীক হবে না। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় হতে আজ পর্যন্ত সমগোত্রের উপরই দিয়াত হয়ে থাকে। কিন্তু মীরাসে সন্তান ও বৈমাত্রের ভাই মালিক হবে। যেমন স্ত্রীলোকের মুক্ত দাসের মীরাস তার সন্তানকে দেয়া হবে, যদিও তার গোত্রের না হয়। কিন্তু তাদের অপরাধের দিয়াত স্ত্রীর স্বগোত্রের উপর বর্তাবে।

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول تعاقل المرأة الرجل إلى ثلث الدية إصبعها كإصبعه وسنها كسنه وموضحتها كموضحته ومنقلتها كمنقلته و حدثني عن مالك عن ابن شهاب وبلغه عن عروة بن الزبير أنهما كانا يقولان مثل قول سعيد بن المسيب في المرأة أنها تعاقل الرجل إلى ثلث دية الرجل فإذا بلغت ثلث دية الرجل كانت إلى النصف من دية الرجل قال مالك وتفسير ذلك أنها تعاقله في الموضحة والمنقلة وما دون المأمومة والجائفة وأشباههما مما يكون فيه ثلث الدية فصاعدا فإذا بلغت ذلك كان عقلها في ذلك النصف من عقل الرجل و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول مضت السنة أن الرجل إذا أصاب امرأته بجرح أن عليه عقل ذلك الجرح ولا يقاد منه قال مالك وإنما ذلك في الخطإ أن يضرب الرجل امرأته فيصيبها من ضربه ما لم يتعمد كما يضربها بسوط فيفقأ عينها ونحو ذلك قال مالك في المرأة يكون لها زوج وولد من غير عصبتها ولا قومها فليس على زوجها إذا كان من قبيلة أخرى من عقل جنايتها شيء ولا على ولدها إذا كانوا من غير قومها ولا على إخوتها من أمها إذا كانوا من غير عصبتها ولا قومها فهؤلاء أحق بميراثها والعصبة عليهم العقل منذ زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليوم وكذلك موالي المرأة ميراثهم لولد المرأة وإن كانوا من غير قبيلتها وعقل جناية الموالي على قبيلتها


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00