মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদ্য পানের শাস্তি
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৪৩
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد أنه أخبره أن عمر بن الخطاب خرج عليهم فقال إني وجدت من فلان ريح شراب فزعم أنه شراب الطلاء وأنا سائل عما شرب فإن كان يسكر جلدته فجلده عمر الحد تاما
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁকে সংবাদ দেয়া হয়েছে, উমার (রা) তাদের কাছে এসে বললেন, আমি অমুকের (উমার-তনয় উবায়দুল্লাহর) মুখ হতে মদের গন্ধ পেলাম। সে বলে, আমি আঙ্গুরের রস পান করেছি। আমি বললাম, যদি তাতে মাদকতা থাকে তা হলে শাস্তি দিব। অতঃপর উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) তাকে পূর্ণ শাস্তি প্রদান করলেন। [১] (ইমাম বুখারী মুয়াল্লাক সনদে বর্ণনা করেন ৭/১৩৯, এবং আল্লামা হাফেজ ইবনু হাজার আসকালানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁকে সংবাদ দেয়া হয়েছে, উমার (রা) তাদের কাছে এসে বললেন, আমি অমুকের (উমার-তনয় উবায়দুল্লাহর) মুখ হতে মদের গন্ধ পেলাম। সে বলে, আমি আঙ্গুরের রস পান করেছি। আমি বললাম, যদি তাতে মাদকতা থাকে তা হলে শাস্তি দিব। অতঃপর উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) তাকে পূর্ণ শাস্তি প্রদান করলেন। [১] (ইমাম বুখারী মুয়াল্লাক সনদে বর্ণনা করেন ৭/১৩৯, এবং আল্লামা হাফেজ ইবনু হাজার আসকালানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن السائب بن يزيد أنه أخبره أن عمر بن الخطاب خرج عليهم فقال إني وجدت من فلان ريح شراب فزعم أنه شراب الطلاء وأنا سائل عما شرب فإن كان يسكر جلدته فجلده عمر الحد تاما
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৪৪
و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي أن عمر بن الخطاب استشار في الخمر يشربها الرجل فقال له علي بن أبي طالب نرى أن تجلده ثمانين فإنه إذا شرب سكر وإذا سكر هذى وإذا هذى افترى أو كما قال فجلد عمر في الخمر ثمانين
সাওর ইবনু যাইদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) মদ্য পানের শাস্তির ব্যাপারে সাহাবীদের কাছে পরামর্শ চেয়েছিলেন। আলী (রা) বললেন, আমার মতে তাকে আশিটি বেত্রাঘাত লাগান যেতে পারে। কেননা মানুষ মদ্য পান করে মাতাল হবে আর মাতাল হলে অকথ্য কথা বলবে। অতঃপর উমার (রা) মদ্য পানের শাস্তি আশি বেত্রাঘাত নির্ধারিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাওর ইবনু যাইদ (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) মদ্য পানের শাস্তির ব্যাপারে সাহাবীদের কাছে পরামর্শ চেয়েছিলেন। আলী (রা) বললেন, আমার মতে তাকে আশিটি বেত্রাঘাত লাগান যেতে পারে। কেননা মানুষ মদ্য পান করে মাতাল হবে আর মাতাল হলে অকথ্য কথা বলবে। অতঃপর উমার (রা) মদ্য পানের শাস্তি আশি বেত্রাঘাত নির্ধারিত করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي أن عمر بن الخطاب استشار في الخمر يشربها الرجل فقال له علي بن أبي طالب نرى أن تجلده ثمانين فإنه إذا شرب سكر وإذا سكر هذى وإذا هذى افترى أو كما قال فجلد عمر في الخمر ثمانين
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৪৬
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول ما من شيء إلا الله يحب أن يعفى عنه ما لم يكن حدا قال يحيى قال مالك والسنة عندنا أن كل من شرب شرابا مسكرا فسكر أو لم يسكر فقد وجب عليه الحد
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব বলতেন, হদ্দ বা নির্ধারিত শাস্তি ব্যতীত এমন কোন গুনাহ নেই যা আল্লাহ্ ক্ষমা করতে ইচ্ছা করেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের মতে, যে মদের মধ্যে মাদকতা রয়েছে, তা পানকারী মাতাল হোক বা না হোক তার জন্য শাস্তি আবশ্যক।
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব বলতেন, হদ্দ বা নির্ধারিত শাস্তি ব্যতীত এমন কোন গুনাহ নেই যা আল্লাহ্ ক্ষমা করতে ইচ্ছা করেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের মতে, যে মদের মধ্যে মাদকতা রয়েছে, তা পানকারী মাতাল হোক বা না হোক তার জন্য শাস্তি আবশ্যক।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول ما من شيء إلا الله يحب أن يعفى عنه ما لم يكن حدا قال يحيى قال مالك والسنة عندنا أن كل من شرب شرابا مسكرا فسكر أو لم يسكر فقد وجب عليه الحد
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৪৫
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه سئل عن حد العبد في الخمر فقال بلغني أن عليه نصف حد الحر في الخمر وأن عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان وعبد الله بن عمر قد جلدوا عبيدهم نصف حد الحر في الخمر
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু শিহাবকে প্রশ্ন করা হল, যদি কোন দাস মদ্য পান করে, তবে তার শাস্তি কি ? তিনি বললেন, আমি জানি মদ্য পানে দাসের শাস্তি স্বাধীন লোকের অর্ধেক। আর উমার ইব্নু খাত্তাব, উসমান ইব্নু আফফান ও আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) মদ্য পানের জন্য নিজেদের দাসদেরকে অর্ধেক শাস্তি দিয়েছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু শিহাবকে প্রশ্ন করা হল, যদি কোন দাস মদ্য পান করে, তবে তার শাস্তি কি ? তিনি বললেন, আমি জানি মদ্য পানে দাসের শাস্তি স্বাধীন লোকের অর্ধেক। আর উমার ইব্নু খাত্তাব, উসমান ইব্নু আফফান ও আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) মদ্য পানের জন্য নিজেদের দাসদেরকে অর্ধেক শাস্তি দিয়েছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه سئل عن حد العبد في الخمر فقال بلغني أن عليه نصف حد الحر في الخمر وأن عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان وعبد الله بن عمر قد جلدوا عبيدهم نصف حد الحر في الخمر
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে পাত্রে নাবীয প্রস্তুত করা নিষেধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৪৮
و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن ينبذ في الدباء والمزفت
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউয়ের খোল ও বহিরাংশে আলকাতরা মাখা পাত্রে নাবীয প্রস্তুত করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ৫৫৮৭, মুসলিম ১৯৯২)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউয়ের খোল ও বহিরাংশে আলকাতরা মাখা পাত্রে নাবীয প্রস্তুত করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ৫৫৮৭, মুসলিম ১৯৯২)
و حدثني عن مالك عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب عن أبيه عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن ينبذ في الدباء والمزفت
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৪৭
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس في بعض مغازيه قال عبد الله بن عمر فأقبلت نحوه فانصرف قبل أن أبلغه فسألت ماذا قال فقيل لي نهى أن ينبذ في الدباء والمزفت
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন যুদ্ধে ভাষণ দান করছিলেন। আমিও তা শ্রবণের নিমিত্তে সেই দিকে রওয়ানা হলাম। কিন্তু আমার তথায় উপস্থিত হওয়ার পূর্বেই তিনি ভাষণ শেষ করে ফেললেন। আমি অন্যান্য লোকের কাছে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন? তারা বলল, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউয়ের খোল এবং বাহিরে আলকাতরা মাখা পাত্রে নাবীয প্রস্তুত করতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ, মুসলিম ১৯৯৭, মুলত হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম শরীফে রয়েছে)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন যুদ্ধে ভাষণ দান করছিলেন। আমিও তা শ্রবণের নিমিত্তে সেই দিকে রওয়ানা হলাম। কিন্তু আমার তথায় উপস্থিত হওয়ার পূর্বেই তিনি ভাষণ শেষ করে ফেললেন। আমি অন্যান্য লোকের কাছে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি বলেছেন? তারা বলল, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লাউয়ের খোল এবং বাহিরে আলকাতরা মাখা পাত্রে নাবীয প্রস্তুত করতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ, মুসলিম ১৯৯৭, মুলত হাদীসটি বুখারী ও মুসলিম শরীফে রয়েছে)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم خطب الناس في بعض مغازيه قال عبد الله بن عمر فأقبلت نحوه فانصرف قبل أن أبلغه فسألت ماذا قال فقيل لي نهى أن ينبذ في الدباء والمزفت
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে দুই বস্তু মিলিয়ে নাবীয বানান নিষিদ্ধ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৪৯
و حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن ينبذ البسر والرطب جميعا والتمر والزبيب جميعا
আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে ভিজিয়ে রাখতে এবং আঙ্গুর ও খেজুর একত্রে ভিজিয়ে রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা এতে সত্বর মাদকতা আসার সন্দেহ রয়েছে। (বুখারী ৫৬০, মুসলিম ১৯৮৬, জাবের (রা) থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
আতা ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঁচা ও পাকা খেজুর একত্রে ভিজিয়ে রাখতে এবং আঙ্গুর ও খেজুর একত্রে ভিজিয়ে রাখতে নিষেধ করেছেন। কেননা এতে সত্বর মাদকতা আসার সন্দেহ রয়েছে। (বুখারী ৫৬০, মুসলিম ১৯৮৬, জাবের (রা) থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن ينبذ البسر والرطب جميعا والتمر والزبيب جميعا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৫০
و حدثني عن مالك عن الثقة عنده عن بكير بن عبد الله بن الأشج عن عبد الرحمن بن الحباب الأنصاري عن أبي قتادة الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يشرب التمر والزبيب جميعا والزهو والرطب جميعا قال مالك وهو الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم ببلدنا أنه يكره ذلك لنهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عنه
আবূ কাতাদা আনসারী থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙ্গুর ও খেজুর মিলিয়ে নাবীয তৈরি করে পান করতে নিষেধ করেছেন এবং কাঁচা ও পাকা খেজুর মিলিয়ে নাবীয তৈরী করে পান করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ৫৬০২, মুসলিম ১৯৮৮) মালিক (র) বলেন, আমাদের এতদঞ্চলের আলিমগণ ইহাকে মাকরূহ্ মনে করেন। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা নিষেধ করেছেন।
আবূ কাতাদা আনসারী থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঙ্গুর ও খেজুর মিলিয়ে নাবীয তৈরি করে পান করতে নিষেধ করেছেন এবং কাঁচা ও পাকা খেজুর মিলিয়ে নাবীয তৈরী করে পান করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ৫৬০২, মুসলিম ১৯৮৮) মালিক (র) বলেন, আমাদের এতদঞ্চলের আলিমগণ ইহাকে মাকরূহ্ মনে করেন। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা নিষেধ করেছেন।
و حدثني عن مالك عن الثقة عنده عن بكير بن عبد الله بن الأشج عن عبد الرحمن بن الحباب الأنصاري عن أبي قتادة الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى أن يشرب التمر والزبيب جميعا والزهو والرطب جميعا قال مالك وهو الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم ببلدنا أنه يكره ذلك لنهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عنه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মদ্য পান হারাম হওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৫১
و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت سئل رسول صلى الله عليه وسلم عن البتع فقال كل شراب أسكر فهو حرام
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট মধু দ্বারা প্রস্তুত নাবীয সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, যে পানীয় মাদকতা আনয়ন করে তাই হারাম। (বুখারী ৫৫৮৬, মুসলিম ২০০১)
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট মধু দ্বারা প্রস্তুত নাবীয সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, যে পানীয় মাদকতা আনয়ন করে তাই হারাম। (বুখারী ৫৫৮৬, মুসলিম ২০০১)
و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت سئل رسول صلى الله عليه وسلم عن البتع فقال كل شراب أسكر فهو حرام
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৫২
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الغبيراء فقال لا خير فيها ونهى عنها قال مالك فسألت زيد بن أسلم ما الغبيراء فقال هي الأسكركة
আতা ইবনু ইয়াসার (রা) থেকে বর্নিতঃ
গুবায়রা (জোয়ার হতে প্রস্তুত) শরাব সম্বন্ধে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, উহাতে কোন উপকারিতা নেই। তিনি উহা পান করতে নিষেধ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আতা ইবনু ইয়াসার (রা) থেকে বর্নিতঃ
গুবায়রা (জোয়ার হতে প্রস্তুত) শরাব সম্বন্ধে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশ্ন করা হলে তিনি বললেন, উহাতে কোন উপকারিতা নেই। তিনি উহা পান করতে নিষেধ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الغبيراء فقال لا خير فيها ونهى عنها قال مالك فسألت زيد بن أسلم ما الغبيراء فقال هي الأسكركة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৫৩
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من شرب الخمر في الدنيا ثم لم يتب منها حرمها في الآخرة
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পৃথিবীতে মদ্য পান করবে, অতঃপর তাওবা না করবে, সেই ব্যক্তি আখেরাতের শরাব হতে বঞ্চিত থাকবে। (বুখারী ৫৫৭৫, মুসলিম ২০০৩)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি পৃথিবীতে মদ্য পান করবে, অতঃপর তাওবা না করবে, সেই ব্যক্তি আখেরাতের শরাব হতে বঞ্চিত থাকবে। (বুখারী ৫৫৭৫, মুসলিম ২০০৩)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من شرب الخمر في الدنيا ثم لم يتب منها حرمها في الآخرة