মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কোন নারীকে হরণ করে বল প্রয়োগে সহবাস করা হলে তার হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
قال مالك الأمر عندنا في المرأة توجد حاملا ولا زوج لها فتقول قد استكرهت أو تقول تزوجت إن ذلك لا يقبل منها وإنها يقام عليها الحد إلا أن يكون لها على ما ادعت من النكاح بينة أو على أنها استكرهت أو جاءت تدمى إن كانت بكرا أو استغاثت حتى أتيت وهي على ذلك الحال أو ما أشبه هذا من الأمر الذي تبلغ فيه فضيحة نفسها قال فإن لم تأت بشيء من هذا أقيم عليها الحد ولم يقبل منها ما ادعت من ذلك قال مالك والمغتصبة لا تنكح حتى تستبرئ نفسها بثلاث حيض قال فإن ارتابت من حيضتها فلا تنكح حتى تستبرئ نفسها من تلك الريبة
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে সমস্ত রমণী গর্ভবতী হয়, অথচ তাদের কোন স্বামী না থাকে আর তাদের কেউ বলে, তার সাথে বলপূর্বক ব্যভিচার করা হয়েছে অথবা বলে, আমি বিবাহ করেছি, তবে তার এই কথা ধর্তব্য নয়, বরং তার উপর শাস্তির কার্যকর করা হবে যতক্ষণ পর্যন্ত সে বিবাহের কোন সাক্ষী উপস্থিত করতে অসমর্থ হবে অথবা তার উপর বল প্রয়োগের জন্য সাক্ষী না আনবে। যেমন এক অবিবাহিতা রমণী এই অবস্থায় কাঁদতে কাঁদতে আসবে যে, তার লজ্জাস্থান হতে রক্ত নির্গত হচ্ছে, আর সে কুমারী ছিল (ব্যভিচারের সময়) অথবা চিৎকার করবে আর লোক একত্র হয়ে তার এই অবস্থা দেখবে অথবা এই ধরনের অন্য কোন নিদর্শন। এই সব কিছুই সে না করলে তাকে শাস্তি দেয়া হবে, আর তার কথা বিশ্বাস করা হবে না। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ কোন রমণীর সাথে বলপূর্বক সহবাস করে, তবে তিন হায়েয অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে সে বিবাহ করবে না। যদি গর্ভ হওয়ার সন্দেহ হয়, তবে গর্ভের সন্দেহ দূর না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ করবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে সমস্ত রমণী গর্ভবতী হয়, অথচ তাদের কোন স্বামী না থাকে আর তাদের কেউ বলে, তার সাথে বলপূর্বক ব্যভিচার করা হয়েছে অথবা বলে, আমি বিবাহ করেছি, তবে তার এই কথা ধর্তব্য নয়, বরং তার উপর শাস্তির কার্যকর করা হবে যতক্ষণ পর্যন্ত সে বিবাহের কোন সাক্ষী উপস্থিত করতে অসমর্থ হবে অথবা তার উপর বল প্রয়োগের জন্য সাক্ষী না আনবে। যেমন এক অবিবাহিতা রমণী এই অবস্থায় কাঁদতে কাঁদতে আসবে যে, তার লজ্জাস্থান হতে রক্ত নির্গত হচ্ছে, আর সে কুমারী ছিল (ব্যভিচারের সময়) অথবা চিৎকার করবে আর লোক একত্র হয়ে তার এই অবস্থা দেখবে অথবা এই ধরনের অন্য কোন নিদর্শন। এই সব কিছুই সে না করলে তাকে শাস্তি দেয়া হবে, আর তার কথা বিশ্বাস করা হবে না। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ কোন রমণীর সাথে বলপূর্বক সহবাস করে, তবে তিন হায়েয অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে সে বিবাহ করবে না। যদি গর্ভ হওয়ার সন্দেহ হয়, তবে গর্ভের সন্দেহ দূর না হওয়া পর্যন্ত বিবাহ করবে না।
قال مالك الأمر عندنا في المرأة توجد حاملا ولا زوج لها فتقول قد استكرهت أو تقول تزوجت إن ذلك لا يقبل منها وإنها يقام عليها الحد إلا أن يكون لها على ما ادعت من النكاح بينة أو على أنها استكرهت أو جاءت تدمى إن كانت بكرا أو استغاثت حتى أتيت وهي على ذلك الحال أو ما أشبه هذا من الأمر الذي تبلغ فيه فضيحة نفسها قال فإن لم تأت بشيء من هذا أقيم عليها الحد ولم يقبل منها ما ادعت من ذلك قال مالك والمغتصبة لا تنكح حتى تستبرئ نفسها بثلاث حيض قال فإن ارتابت من حيضتها فلا تنكح حتى تستبرئ نفسها من تلك الريبة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > অপবাদের শাস্তি, নসব অস্বীকার, ইশারায় কাউকে গালি দেয়া সম্পর্কিত মাস‘আলা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫২৪
حدثني مالك عن أبي الزناد أنه قال جلد عمر بن عبد العزيز عبدا في فرية ثمانين قال أبو الزناد فسألت عبد الله بن عامر بن ربيعة عن ذلك فقال أدركت عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان والخلفاء هلم جرا فما رأيت أحدا جلد عبدا في فرية أكثر من أربعين
আবূ যিনাদ (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) এক দাসকে অপবাদের শাস্তি হিসাবে আশিটি বেত্রাঘাত করেছিলেন। আবূ যিনাদ বলেন, আমি আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আমির (রা)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি উমার ও উসমান (রা)-কে এবং তাদের পর অপর দুই খলীফাকে দেখেছি, কেউই কোন দাসকে অপবাদের শাস্তি হিসেবে চল্লিশ বেত্রাঘাতের বেশি মারেননি। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ যিনাদ (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) এক দাসকে অপবাদের শাস্তি হিসাবে আশিটি বেত্রাঘাত করেছিলেন। আবূ যিনাদ বলেন, আমি আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘আমির (রা)-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমি উমার ও উসমান (রা)-কে এবং তাদের পর অপর দুই খলীফাকে দেখেছি, কেউই কোন দাসকে অপবাদের শাস্তি হিসেবে চল্লিশ বেত্রাঘাতের বেশি মারেননি। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن أبي الزناد أنه قال جلد عمر بن عبد العزيز عبدا في فرية ثمانين قال أبو الزناد فسألت عبد الله بن عامر بن ربيعة عن ذلك فقال أدركت عمر بن الخطاب وعثمان بن عفان والخلفاء هلم جرا فما رأيت أحدا جلد عبدا في فرية أكثر من أربعين
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫২৫
حدثني مالك عن زريق بن حكيم الأيلي أن رجلا يقال له مصباح استعان ابنا له فكأنه استبطأه فلما جاءه قال له يا زان قال زريق فاستعداني عليه فلما أردت أن أجلده قال ابنه والله لئن جلدته لأبوءن على نفسي بالزنا فلما قال ذلك أشكل علي أمره فكتبت فيه إلى عمر بن عبد العزيز وهو الوالي يومئذ أذكر له ذلك فكتب إلي عمر أن أجز عفوه قال زريق وكتبت إلى عمر بن عبد العزيز أيضا أرأيت رجلا افتري عليه أو على أبويه وقد هلكا أو أحدهما قال فكتب إلي عمر إن عفا فأجز عفوه في نفسه وإن افتري على أبويه وقد هلكا أو أحدهما فخذ له بكتاب الله إلا أن يريد سترا قال يحيى سمعت ما لكا يقول وذلك أن يكون الرجل المفترى عليه يخاف إن كشف ذلك منه أن تقوم عليه بينة فإذا كان على ما وصفت فعفا جاز عفوه
যুরাইক ইবনু হাকিম আইলী (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি, যার নাম মিসবাহ, স্বীয় ছেলেকে কোন কাজে ডাকলেন। সে আসতে বিলম্ব করল। সে যখন এল, তখন মিসবাহ তাকে বলল, হে ব্যভিচারী! যুরাইক বলেন, এ ছেলেটি আমার কাছে ফরিয়াদ করল। আমি যখন তার পিতাকে শাস্তি দিতে চাইলাম, সে বলতে লাগল, যদি তুমি আমার পিতাকে বেত্রাঘাত কর, তা হলে আমি ব্যভিচারের স্বীকারোক্তি করব। এটা শুনে আমি মুশকিলে পড়ে গেলাম আর এই ঝগড়ার ফয়সালা করা কষ্টকর হয়ে পড়ল। বিষয়টি আমি উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র)-কে লিখে জানালাম। ঐ সময় তিনি মদীনার শাসনকর্তা ছিলেন। উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) উত্তরে লিখলেন, ছেলেকে ক্ষমা কর। যুরাইক বলেন, আমি উমারকে ইহাও লিখলাম, যদি কোন ব্যক্তি কাউকে অথবা তার পিতাকে অথবা তার মাতাকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয় আর তার মাতাপিতা মৃত্যুবরণ করে অথবা তাদের একজন মৃত্যুবরণ করে থাকে (তা হলে এর বিধান কি?), তখন উমার (রা) উত্তরে লিখলেন, যাকে অপবাদ দেয়া হয়েছে, যদি সে ক্ষমা করে, তবে ক্ষমা ঠিকই হবে। হ্যাঁ, যদি তার মাতাপিতা উভয়ে অথবা কোন একজন মৃত্যুবরণ করে থাকে, তবে আল্লাহ্র কিতাবের বিধান মতে তার শাস্তি হবে। হ্যাঁ, যদি ছেলে স্বীয় পিতার অবস্থা লুকাবার জন্য ক্ষমা করে তবে ক্ষমা বৈধ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি ইহা এজন্য যে, যাকে অপবাদ দেয়া হয়েছে, যদি অপবাদের কথা প্রকাশ পায় শাস্তি দেয়ার কারণে এবং আশংকা করা হয় যে, এতে ব্যভিচারের সাক্ষী প্রকাশ পেয়ে যাবে আর ছেলে তা লুকাতে চাইবে। তাকে ক্ষমা করে দেয়া বৈধ।
যুরাইক ইবনু হাকিম আইলী (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি, যার নাম মিসবাহ, স্বীয় ছেলেকে কোন কাজে ডাকলেন। সে আসতে বিলম্ব করল। সে যখন এল, তখন মিসবাহ তাকে বলল, হে ব্যভিচারী! যুরাইক বলেন, এ ছেলেটি আমার কাছে ফরিয়াদ করল। আমি যখন তার পিতাকে শাস্তি দিতে চাইলাম, সে বলতে লাগল, যদি তুমি আমার পিতাকে বেত্রাঘাত কর, তা হলে আমি ব্যভিচারের স্বীকারোক্তি করব। এটা শুনে আমি মুশকিলে পড়ে গেলাম আর এই ঝগড়ার ফয়সালা করা কষ্টকর হয়ে পড়ল। বিষয়টি আমি উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র)-কে লিখে জানালাম। ঐ সময় তিনি মদীনার শাসনকর্তা ছিলেন। উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) উত্তরে লিখলেন, ছেলেকে ক্ষমা কর। যুরাইক বলেন, আমি উমারকে ইহাও লিখলাম, যদি কোন ব্যক্তি কাউকে অথবা তার পিতাকে অথবা তার মাতাকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয় আর তার মাতাপিতা মৃত্যুবরণ করে অথবা তাদের একজন মৃত্যুবরণ করে থাকে (তা হলে এর বিধান কি?), তখন উমার (রা) উত্তরে লিখলেন, যাকে অপবাদ দেয়া হয়েছে, যদি সে ক্ষমা করে, তবে ক্ষমা ঠিকই হবে। হ্যাঁ, যদি তার মাতাপিতা উভয়ে অথবা কোন একজন মৃত্যুবরণ করে থাকে, তবে আল্লাহ্র কিতাবের বিধান মতে তার শাস্তি হবে। হ্যাঁ, যদি ছেলে স্বীয় পিতার অবস্থা লুকাবার জন্য ক্ষমা করে তবে ক্ষমা বৈধ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া বলেন, আমি মালিক (র)-কে বলতে শুনেছি ইহা এজন্য যে, যাকে অপবাদ দেয়া হয়েছে, যদি অপবাদের কথা প্রকাশ পায় শাস্তি দেয়ার কারণে এবং আশংকা করা হয় যে, এতে ব্যভিচারের সাক্ষী প্রকাশ পেয়ে যাবে আর ছেলে তা লুকাতে চাইবে। তাকে ক্ষমা করে দেয়া বৈধ।
حدثني مالك عن زريق بن حكيم الأيلي أن رجلا يقال له مصباح استعان ابنا له فكأنه استبطأه فلما جاءه قال له يا زان قال زريق فاستعداني عليه فلما أردت أن أجلده قال ابنه والله لئن جلدته لأبوءن على نفسي بالزنا فلما قال ذلك أشكل علي أمره فكتبت فيه إلى عمر بن عبد العزيز وهو الوالي يومئذ أذكر له ذلك فكتب إلي عمر أن أجز عفوه قال زريق وكتبت إلى عمر بن عبد العزيز أيضا أرأيت رجلا افتري عليه أو على أبويه وقد هلكا أو أحدهما قال فكتب إلي عمر إن عفا فأجز عفوه في نفسه وإن افتري على أبويه وقد هلكا أو أحدهما فخذ له بكتاب الله إلا أن يريد سترا قال يحيى سمعت ما لكا يقول وذلك أن يكون الرجل المفترى عليه يخاف إن كشف ذلك منه أن تقوم عليه بينة فإذا كان على ما وصفت فعفا جاز عفوه
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫২৬
حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في رجل قذف قوما جماعة أنه ليس عليه إلا حد واحد قال مالك وإن تفرقوا فليس عليه إلا حد واحد حدثني مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة بن النعمان الأنصاري ثم من بني النجار عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أن رجلين استبا في زمان عمر بن الخطاب فقال أحدهما للآخر والله ما أبي بزان ولا أمي بزانية فاستشار في ذلك عمر بن الخطاب فقال قائل مدح أباه وأمه وقال آخرون قد كان لأبيه وأمه مدح غير هذا نرى أن تجلده الحد فجلده عمر الحد ثمانين قال مالك لا حد عندنا إلا في نفي أو قذف أو تعريض يرى أن قائله إنما أراد بذلك نفيا أو قذفا فعلى من قال ذلك الحد تاما قال مالك الأمر عندنا أنه إذا نفى رجل رجلا من أبيه فإن عليه الحد وإن كانت أم الذي نفي مملوكة فإن عليه الحد
উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি এক কথায়ই অনেক লোকের উপর ব্যভিচারের অপবাদ দেয়, যেমন বলল, তোমরা সকলে ব্যভিচারী অথবা হে ব্যভিচারীর দল, তা হলে তার উপর অপবাদের এক শাস্তিই হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যদি তারা পৃথকও হয়ে যায়, তবুও একই শাস্তি হবে। আমারা বিন্তে আবদুর রহমান (র) বলেন, উমার (রা)-এর সময় দুই ব্যক্তির মধ্যে গালমন্দ হল। একজন অপরজনকে বলল,, আল্লাহ্র কসম, আমার পিতা বদকার ছিল না, আমার মাও বদকার ছিল না। উমার (রা) এ ব্যাপারে পরামর্শ করলেন। এক ব্যক্তি বলল, এতে সে মন্দ কি বলল। সে তো স্বীয় মাতাপিতার ভালই বর্ণনা করল। অন্যরা বলল, তার পিতার কি এই গুণ ছাড়া অন্যকোন গুণ অবশিষ্ট ছিল না? আমাদের মতে তাকে অপবাদের শাস্তি দিতে হবে। অবশেষে উমার (রা) তাকে আশি বেত্রাঘাত লাগালেন। মালিক (র) বলেন, আমাদের মতে অপবাদ, অস্বীকার ও ইশারায় গালি ছাড়া অন্য কোন কথায় শাস্তি অনিবার্য হয় না। মালিক (র) বলেন, আমার মতে যদি কেউ কাউকে তার পিতার বংশের বলে অস্বীকার করে, তা হলে শাস্তি ওয়াজিব হবে, তার মা দাসী হলেও।
উরওয়া ইবনু যুবাইর (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি এক কথায়ই অনেক লোকের উপর ব্যভিচারের অপবাদ দেয়, যেমন বলল, তোমরা সকলে ব্যভিচারী অথবা হে ব্যভিচারীর দল, তা হলে তার উপর অপবাদের এক শাস্তিই হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যদি তারা পৃথকও হয়ে যায়, তবুও একই শাস্তি হবে। আমারা বিন্তে আবদুর রহমান (র) বলেন, উমার (রা)-এর সময় দুই ব্যক্তির মধ্যে গালমন্দ হল। একজন অপরজনকে বলল,, আল্লাহ্র কসম, আমার পিতা বদকার ছিল না, আমার মাও বদকার ছিল না। উমার (রা) এ ব্যাপারে পরামর্শ করলেন। এক ব্যক্তি বলল, এতে সে মন্দ কি বলল। সে তো স্বীয় মাতাপিতার ভালই বর্ণনা করল। অন্যরা বলল, তার পিতার কি এই গুণ ছাড়া অন্যকোন গুণ অবশিষ্ট ছিল না? আমাদের মতে তাকে অপবাদের শাস্তি দিতে হবে। অবশেষে উমার (রা) তাকে আশি বেত্রাঘাত লাগালেন। মালিক (র) বলেন, আমাদের মতে অপবাদ, অস্বীকার ও ইশারায় গালি ছাড়া অন্য কোন কথায় শাস্তি অনিবার্য হয় না। মালিক (র) বলেন, আমার মতে যদি কেউ কাউকে তার পিতার বংশের বলে অস্বীকার করে, তা হলে শাস্তি ওয়াজিব হবে, তার মা দাসী হলেও।
حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال في رجل قذف قوما جماعة أنه ليس عليه إلا حد واحد قال مالك وإن تفرقوا فليس عليه إلا حد واحد حدثني مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة بن النعمان الأنصاري ثم من بني النجار عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أن رجلين استبا في زمان عمر بن الخطاب فقال أحدهما للآخر والله ما أبي بزان ولا أمي بزانية فاستشار في ذلك عمر بن الخطاب فقال قائل مدح أباه وأمه وقال آخرون قد كان لأبيه وأمه مدح غير هذا نرى أن تجلده الحد فجلده عمر الحد ثمانين قال مالك لا حد عندنا إلا في نفي أو قذف أو تعريض يرى أن قائله إنما أراد بذلك نفيا أو قذفا فعلى من قال ذلك الحد تاما قال مالك الأمر عندنا أنه إذا نفى رجل رجلا من أبيه فإن عليه الحد وإن كانت أم الذي نفي مملوكة فإن عليه الحد
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সমস্ত ব্যাপারে কোন শাস্তি নেই
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫২৭
حدثني مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن عمر بن الخطاب قال لرجل خرج بجارية لامرأته معه في سفر فأصابها فغارت امرأته فذكرت ذلك لعمر بن الخطاب فسأله عن ذلك فقال وهبتها لي فقال عمر لتأتيني بالبينة أو لأرمينك بالحجارة قال فاعترفت امرأته أنها وهبتها له
রবীআ ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর দাসীকে সাথে নিয়ে সফরে যাত্রা করল। তথায় সে তার সাথে সহবাস করে বসল। স্ত্রী হিংসার বশবর্তী হয়ে উমার (রা)-এর কাছে বলে দিল। উমার (রা) তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সে বলল, আমার স্ত্রী এই দাসীটি আমাকে দান করেছে। উমার (রা) বললেন, তুমি দানের সাক্ষী নিয়ে এসো, না হয় তোমাকে প্রস্তরাঘাত করা হবে। তখন স্ত্রীলোকটি বলল, আমি তাকে দান করেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
রবীআ ইবনু আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর দাসীকে সাথে নিয়ে সফরে যাত্রা করল। তথায় সে তার সাথে সহবাস করে বসল। স্ত্রী হিংসার বশবর্তী হয়ে উমার (রা)-এর কাছে বলে দিল। উমার (রা) তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সে বলল, আমার স্ত্রী এই দাসীটি আমাকে দান করেছে। উমার (রা) বললেন, তুমি দানের সাক্ষী নিয়ে এসো, না হয় তোমাকে প্রস্তরাঘাত করা হবে। তখন স্ত্রীলোকটি বলল, আমি তাকে দান করেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن عمر بن الخطاب قال لرجل خرج بجارية لامرأته معه في سفر فأصابها فغارت امرأته فذكرت ذلك لعمر بن الخطاب فسأله عن ذلك فقال وهبتها لي فقال عمر لتأتيني بالبينة أو لأرمينك بالحجارة قال فاعترفت امرأته أنها وهبتها له
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
قال مالك إن أحسن ما سمع في الأمة يقع بها الرجل وله فيها شرك أنه لا يقام عليه الحد وأنه يلحق به الولد وتقوم عليه الجارية حين حملت فيعطى شركاؤه حصصهم من الثمن وتكون الجارية له وعلى هذا الأمر عندنا قال مالك في الرجل يحل للرجل جاريته إنه إن أصابها الذي أحلت له قومت عليه يوم أصابها حملت أو لم تحمل ودرئ عنه الحد بذلك فإن حملت ألحق به الولد قال مالك في الرجل يقع على جارية ابنه أو ابنته أنه يدرأ عنه الحد وتقام عليه الجارية حملت أو لم تحمل
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ এমন দাসীর সাথে সহবাস করে, যাতে সে অংশীদার রয়েছে, তবে তাতে শাস্তি নেই। এতে যে সন্তান জন্মলাভ করবে, সে সন্তান এই সহবাসকারীর বলে ধরা হবে। আর ঐ দাসীর মূল্য নির্ধারিত করে অন্যান্য অংশীদারের অংশ অনুপাতে তাদের মূল্য আদায় করে দিবে। অতঃপর সে দাসীর সে একাই মালিক হয়ে যাবে। এটাই আমাদের মত। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ কাউকে স্বীয় দাসী হালাল করে দেয় (সহবাস করবার অনুমতি দিয়ে দেয়, অথচ তা অবৈধ) আর ঐ ব্যক্তি ঐ দাসীর সাথে সহবাস করে, তা হলে ঐ দাসীর মূল্য দিতে হবে, গর্ভবতী হোক অথবা না হোক। হ্যাঁ, এতে কোন শাস্তি বর্তাবে না। যদি দাসী গর্ভ ধারণ করে, তবে ঐ সন্তানের বংশ এ সহবাসকারীর সাথে সাব্যস্ত হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ স্বীয় ছেলের অথবা কন্যার দাসীর সাথে সহবাস করে তা হলে তাকে ব্যভিচারের শাস্তি দেয়া হবে না। তবে এই দাসীর দাম দিতে হবে, গর্ভবতী হোক অথবা না হোক।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ এমন দাসীর সাথে সহবাস করে, যাতে সে অংশীদার রয়েছে, তবে তাতে শাস্তি নেই। এতে যে সন্তান জন্মলাভ করবে, সে সন্তান এই সহবাসকারীর বলে ধরা হবে। আর ঐ দাসীর মূল্য নির্ধারিত করে অন্যান্য অংশীদারের অংশ অনুপাতে তাদের মূল্য আদায় করে দিবে। অতঃপর সে দাসীর সে একাই মালিক হয়ে যাবে। এটাই আমাদের মত। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ কাউকে স্বীয় দাসী হালাল করে দেয় (সহবাস করবার অনুমতি দিয়ে দেয়, অথচ তা অবৈধ) আর ঐ ব্যক্তি ঐ দাসীর সাথে সহবাস করে, তা হলে ঐ দাসীর মূল্য দিতে হবে, গর্ভবতী হোক অথবা না হোক। হ্যাঁ, এতে কোন শাস্তি বর্তাবে না। যদি দাসী গর্ভ ধারণ করে, তবে ঐ সন্তানের বংশ এ সহবাসকারীর সাথে সাব্যস্ত হবে। মালিক (র) বলেন, যদি কেউ স্বীয় ছেলের অথবা কন্যার দাসীর সাথে সহবাস করে তা হলে তাকে ব্যভিচারের শাস্তি দেয়া হবে না। তবে এই দাসীর দাম দিতে হবে, গর্ভবতী হোক অথবা না হোক।
قال مالك إن أحسن ما سمع في الأمة يقع بها الرجل وله فيها شرك أنه لا يقام عليه الحد وأنه يلحق به الولد وتقوم عليه الجارية حين حملت فيعطى شركاؤه حصصهم من الثمن وتكون الجارية له وعلى هذا الأمر عندنا قال مالك في الرجل يحل للرجل جاريته إنه إن أصابها الذي أحلت له قومت عليه يوم أصابها حملت أو لم تحمل ودرئ عنه الحد بذلك فإن حملت ألحق به الولد قال مالك في الرجل يقع على جارية ابنه أو ابنته أنه يدرأ عنه الحد وتقام عليه الجارية حملت أو لم تحمل
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কোন্ প্রকারের বস্তু চুরি করলে হাত কাটা ওয়াজিব হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫২৮
حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قطع في مجن ثمنه ثلاثة دراهم
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঢালের মূল্যের বিনিময়ে, যার মূল্য তিন দিরহাম ছিল, হাত কাটার আদেশ করেছেন। (বুখারী ৬৭৯৫, মুসলিম ১৬৮৬)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঢালের মূল্যের বিনিময়ে, যার মূল্য তিন দিরহাম ছিল, হাত কাটার আদেশ করেছেন। (বুখারী ৬৭৯৫, মুসলিম ১৬৮৬)
حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قطع في مجن ثمنه ثلاثة دراهم
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৩০
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن أن سارقا سرق في زمان عثمان أترجة فأمر بها عثمان بن عفان أن تقوم فقومت بثلاثة دراهم من صرف اثني عشر درهما بدينار فقطع عثمان يده
আমরাহ্ বিন্তে আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
উসমান (রা)-এর সময় এক ব্যক্তি একটি উতরজ (স্বর্ণনির্মিত শিশুদের গলার জাব) চুরি করেছিল। উসমান (রা) তার মূল্য তিন দিরহাম ধার্য করলেন, যা এক দীনারের এক চতুর্থাংশ ছিল। উসমান (রা) এর জন্য হাত কেটেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আমরাহ্ বিন্তে আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
উসমান (রা)-এর সময় এক ব্যক্তি একটি উতরজ (স্বর্ণনির্মিত শিশুদের গলার জাব) চুরি করেছিল। উসমান (রা) তার মূল্য তিন দিরহাম ধার্য করলেন, যা এক দীনারের এক চতুর্থাংশ ছিল। উসমান (রা) এর জন্য হাত কেটেছিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر عن أبيه عن عمرة بنت عبد الرحمن أن سارقا سرق في زمان عثمان أترجة فأمر بها عثمان بن عفان أن تقوم فقومت بثلاثة دراهم من صرف اثني عشر درهما بدينار فقطع عثمان يده
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৩১
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت ما طال علي وما نسيت القطع في ربع دينار فصاعدا
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
এখনও এত বেশি দিন হয়নি, আমিও ভুলিনি। চোরের হাত এক-চতুর্থাংশ দীনার বা তদূর্ধ্বের জন্য কাটা যাবে। [১] (মারফু, বুখারী ৬৭৮৯, মুসলিম ১৬৮৪)
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
এখনও এত বেশি দিন হয়নি, আমিও ভুলিনি। চোরের হাত এক-চতুর্থাংশ দীনার বা তদূর্ধ্বের জন্য কাটা যাবে। [১] (মারফু, বুখারী ৬৭৮৯, মুসলিম ১৬৮৪)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت ما طال علي وما نسيت القطع في ربع دينار فصاعدا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫২৯
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين المكي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا قطع في ثمر معلق ولا في حريسة جبل فإذا آواه المراح أو الجرين فالقطع فيما يبلغ ثمن المجن
আবদুল্লাহ্ ইবনু আবদুর রহমান মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গাছে যে ফল ঝুলিতেছে অথবা যে ছাগল পাহাড়ে উঠে আছে উহা চুরি করলে হাত কাটা যাবে না। যখন ছাগল ঘরে আসে অথবা ফল শুকাবার জায়গায় রাখা হয়, অতঃপর উহাকে কেউ চুরি করে, তখন হাত কাটা যাবে, যদি উহার মূল্য ঢালের মূল্যের সমান হয়। (হাসান, হাদীসটি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করা হয়েছে, নাসাঈ ৪৭৫৭, ৪৯৫৯, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সহীহ, আল জ্বামে] ৭৩৯৮, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) (ইহা ঐ সময়ে প্রযোজ্য, যখন ছাগলের কোন রক্ষক না থাকে এবং উহাদের নষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে)।
আবদুল্লাহ্ ইবনু আবদুর রহমান মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, গাছে যে ফল ঝুলিতেছে অথবা যে ছাগল পাহাড়ে উঠে আছে উহা চুরি করলে হাত কাটা যাবে না। যখন ছাগল ঘরে আসে অথবা ফল শুকাবার জায়গায় রাখা হয়, অতঃপর উহাকে কেউ চুরি করে, তখন হাত কাটা যাবে, যদি উহার মূল্য ঢালের মূল্যের সমান হয়। (হাসান, হাদীসটি আবদুল্লাহ বিন আমর থেকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করা হয়েছে, নাসাঈ ৪৭৫৭, ৪৯৫৯, আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন [সহীহ, আল জ্বামে] ৭৩৯৮, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) (ইহা ঐ সময়ে প্রযোজ্য, যখন ছাগলের কোন রক্ষক না থাকে এবং উহাদের নষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে)।
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن عبد الرحمن بن أبي حسين المكي أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا قطع في ثمر معلق ولا في حريسة جبل فإذا آواه المراح أو الجرين فالقطع فيما يبلغ ثمن المجن
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫৩২
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها قالت خرجت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم إلى مكة ومعها مولاتان لها ومعها غلام لبني عبد الله بن أبي بكر الصديق فبعثت مع المولاتين ببرد مرجل قد خيط عليه خرقة خضراء قالت فأخذ الغلام البرد ففتق عنه فاستخرجه وجعل مكانه لبدا أو فروة وخاط عليه فلما قدمت المولاتان المدينة دفعتا ذلك إلى أهله فلما فتقوا عنه وجدوا فيه اللبد ولم يجدوا البرد فكلموا المرأتين فكلمتا عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو كتبتا إليها واتهمتا العبد فسئل العبد عن ذلك فاعترف فأمرت به عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقطعت يده وقالت عائشة القطع في ربع دينار فصاعدا و قال مالك أحب ما يجب فيه القطع إلي ثلاثة دراهم وإن ارتفع الصرف أو اتضع وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قطع في مجن قيمته ثلاثة دراهم وأن عثمان بن عفان قطع في أترجة قومت بثلاثة دراهم وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك
আমরাহ্ বিনতে আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) মক্কাভিমুখে যাত্রা করলেন। তাঁর সাথে তাঁর দুইটি দাসীও ছিল, যাদেরকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। আর আবদুল্লাহ্ ইব্নু আবূ বাকরের একজন দাসও তাঁর সাথে ছিল। তিনি ঐ দাসীদের হাতে মক্কা হতে একখানা চাদর পাঠালেন, যাতে পুরুষের ছবি অঙ্কিত ছিল এবং উহাকে একখানা সবুজ কাপড়ে জড়িয়ে সেলাই করে দেয়া হয়েছিল। ঐ দাসটি ঐ সেলাই খুলে তা হতে চাদর বের করে নিল আর তদস্থলে একটা চামড়া রেখে উহাকে পুনরায় সেলাই করে দিল। দাসীদ্বয় মদীনায় এসে উহার মালিকের নিকট উহা অর্পণ করল। তারা উহা খুলে দেখল চাদরের পরিবর্তে একখানা চামড়া, পরে ঐ দাসীদের নিকট জিজ্ঞেস করা হলে তারা আয়িশা (রা)-এর নিকট লিখে দিল যে, উহা ঐ দাস নিয়ে গিয়েছে। ঐ দাসকে প্রশ্ন করা হল, সে স্বীকার করল। অতঃপর আয়িশা (রা)-এর আদেশে তার হাত কাটা হল। আয়িশা (রা) বলেন, দীনারের চতুর্থাংশ বা তদূর্ধ্বের পরিবর্তে হাত কর্তন করা হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের মতে যদি চোর তিন দিরহাম বা তদূর্ধ্ব মূল্যের মাল চুরি করে, তখন তার হাত কর্তন করা অনিবার্য হয়ে পড়ে। যদিও দীনারের তুলনায় বেড়ে অথবা কমে যায়। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঢালের বিনিময়ে হাত কর্তনের আদেশ দিয়েছেন, যার মূল্য তিন দিরহাম ছিল। উসমান (রা) একটি সাতরানজের বিনিময়ে হাত কেটেছিলেন যার মূল্য তিন দিরহাম ছিল। আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এই মতই উত্তম বলে গণ্য।
আমরাহ্ বিনতে আবদুর রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা) মক্কাভিমুখে যাত্রা করলেন। তাঁর সাথে তাঁর দুইটি দাসীও ছিল, যাদেরকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। আর আবদুল্লাহ্ ইব্নু আবূ বাকরের একজন দাসও তাঁর সাথে ছিল। তিনি ঐ দাসীদের হাতে মক্কা হতে একখানা চাদর পাঠালেন, যাতে পুরুষের ছবি অঙ্কিত ছিল এবং উহাকে একখানা সবুজ কাপড়ে জড়িয়ে সেলাই করে দেয়া হয়েছিল। ঐ দাসটি ঐ সেলাই খুলে তা হতে চাদর বের করে নিল আর তদস্থলে একটা চামড়া রেখে উহাকে পুনরায় সেলাই করে দিল। দাসীদ্বয় মদীনায় এসে উহার মালিকের নিকট উহা অর্পণ করল। তারা উহা খুলে দেখল চাদরের পরিবর্তে একখানা চামড়া, পরে ঐ দাসীদের নিকট জিজ্ঞেস করা হলে তারা আয়িশা (রা)-এর নিকট লিখে দিল যে, উহা ঐ দাস নিয়ে গিয়েছে। ঐ দাসকে প্রশ্ন করা হল, সে স্বীকার করল। অতঃপর আয়িশা (রা)-এর আদেশে তার হাত কাটা হল। আয়িশা (রা) বলেন, দীনারের চতুর্থাংশ বা তদূর্ধ্বের পরিবর্তে হাত কর্তন করা হবে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের মতে যদি চোর তিন দিরহাম বা তদূর্ধ্ব মূল্যের মাল চুরি করে, তখন তার হাত কর্তন করা অনিবার্য হয়ে পড়ে। যদিও দীনারের তুলনায় বেড়ে অথবা কমে যায়। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ঢালের বিনিময়ে হাত কর্তনের আদেশ দিয়েছেন, যার মূল্য তিন দিরহাম ছিল। উসমান (রা) একটি সাতরানজের বিনিময়ে হাত কেটেছিলেন যার মূল্য তিন দিরহাম ছিল। আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এই মতই উত্তম বলে গণ্য।
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن عمرة بنت عبد الرحمن أنها قالت خرجت عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم إلى مكة ومعها مولاتان لها ومعها غلام لبني عبد الله بن أبي بكر الصديق فبعثت مع المولاتين ببرد مرجل قد خيط عليه خرقة خضراء قالت فأخذ الغلام البرد ففتق عنه فاستخرجه وجعل مكانه لبدا أو فروة وخاط عليه فلما قدمت المولاتان المدينة دفعتا ذلك إلى أهله فلما فتقوا عنه وجدوا فيه اللبد ولم يجدوا البرد فكلموا المرأتين فكلمتا عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو كتبتا إليها واتهمتا العبد فسئل العبد عن ذلك فاعترف فأمرت به عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقطعت يده وقالت عائشة القطع في ربع دينار فصاعدا و قال مالك أحب ما يجب فيه القطع إلي ثلاثة دراهم وإن ارتفع الصرف أو اتضع وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قطع في مجن قيمته ثلاثة دراهم وأن عثمان بن عفان قطع في أترجة قومت بثلاثة دراهم وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك