মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাব [১]-এর ব্যাপারে ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮৫

حدثني مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول المكاتب عبد ما بقي عليه من كتابته شيء.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

কিতাবাত নির্ধারিত অর্থের (বা যাহার উপর কিতাবাত হইয়াছে) কিছু অংশও যতক্ষণ অবশিষ্ট থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত মুকাতাব গোলামই থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন। অনুরূপ অর্থে মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন আবূ দাঊদ ৩৯২৭, তিরমিযী ১২৬০, ইবনু মাজাহ ২৫১৯, আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ আল জামে] ৬৭২২)

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

কিতাবাত নির্ধারিত অর্থের (বা যাহার উপর কিতাবাত হইয়াছে) কিছু অংশও যতক্ষণ অবশিষ্ট থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত মুকাতাব গোলামই থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন। অনুরূপ অর্থে মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন আবূ দাঊদ ৩৯২৭, তিরমিযী ১২৬০, ইবনু মাজাহ ২৫১৯, আলবানী হাদীসটি হাসান বলেছেন [সহীহ আল জামে] ৬৭২২)

حدثني مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول المكاتب عبد ما بقي عليه من كتابته شيء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮৬

و حدثني مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسليمان بن يسار كانا يقولان المكاتب عبد ما بقي عليه من كتابته شيء قال مالك وهو رأيي قال مالك فإن هلك المكاتب وترك مالا أكثر مما بقي عليه من كتابته وله ولد ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم ورثوا ما بقي من المال بعد قضاء كتابته.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

বলেন উরওয়াহ্ ইব্নু যুবাইর (র) সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার (রা) উভয়ে বলতেন কিতাবাতের কিছু অংশ যতক্ষণ অবশিষ্ট থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত মুকাতাব গোলামই থেকে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমার মতও তাই। মালিক (র) বলেন যদি মুকাতাবের মৃত্যু হয় এবং “বদল-এ কিতাবাত” হতে যে পরিমাণ (আদায় করা) তার জিম্মায় রয়েছে ততোধিক মাল সে রেখে যায়, আর তার সন্তানাদি থাকে যারা কিতাবাত হওয়ার পর জন্মেছে অথবা উহাদেরসহ কিতাবাত অনুষ্ঠিত হয়েছে তবে কিতাবাতের (নির্ধারিত) মাল শোধ করার পর যা অবশিষ্ট থাকবে উহার উত্তরাধিকারী তারা হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

বলেন উরওয়াহ্ ইব্নু যুবাইর (র) সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার (রা) উভয়ে বলতেন কিতাবাতের কিছু অংশ যতক্ষণ অবশিষ্ট থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত মুকাতাব গোলামই থেকে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমার মতও তাই। মালিক (র) বলেন যদি মুকাতাবের মৃত্যু হয় এবং “বদল-এ কিতাবাত” হতে যে পরিমাণ (আদায় করা) তার জিম্মায় রয়েছে ততোধিক মাল সে রেখে যায়, আর তার সন্তানাদি থাকে যারা কিতাবাত হওয়ার পর জন্মেছে অথবা উহাদেরসহ কিতাবাত অনুষ্ঠিত হয়েছে তবে কিতাবাতের (নির্ধারিত) মাল শোধ করার পর যা অবশিষ্ট থাকবে উহার উত্তরাধিকারী তারা হবে।

و حدثني مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسليمان بن يسار كانا يقولان المكاتب عبد ما بقي عليه من كتابته شيء قال مالك وهو رأيي قال مالك فإن هلك المكاتب وترك مالا أكثر مما بقي عليه من كتابته وله ولد ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم ورثوا ما بقي من المال بعد قضاء كتابته.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮৭

و حدثني مالك عن حميد بن قيس المكي أن مكاتبا كان لابن المتوكل هلك بمكة وترك عليه بقية من كتابته وديونا للناس وترك ابنته فأشكل على عامل مكة القضاء فيه فكتب إلى عبد الملك بن مروان يسأله عن ذلك فكتب إليه عبد الملك أن ابدأ بديون الناس ثم اقض ما بقي من كتابته ثم اقسم ما بقي من ماله بين ابنته ومولاه. قال مالك الأمر عندنا أنه ليس على سيد العبد أن يكاتبه إذا سأله ذلك ولم أسمع أن أحدا من الأئمة أكره رجلا على أن يكاتب عبده وقد سمعت بعض أهل العلم إذا سئل عن ذلك فقيل له إن الله تبارك وتعالى يقول { فكاتبوهم إن علمتم فيهم خيرا } يتلو هاتين الآيتين { وإذا حللتم فاصطادوا }{ فإذا قضيت الصلاة فانتشروا في الأرض وابتغوا من فضل الله } قال مالك وإنما ذلك أمر أذن الله عز وجل فيه للناس وليس بواجب عليهم قال مالك و سمعت بعض أهل العلم يقول في قول الله تبارك وتعالى { وآتوهم من مال الله الذي آتاكم } إن ذلك أن يكاتب الرجل غلامه ثم يضع عنه من آخر كتابته شيئا مسمى قال مالك فهذا الذي سمعت من أهل العلم وأدركت عمل الناس على ذلك عندنا قال مالك وقد بلغني أن عبد الله بن عمر كاتب غلاما له على خمسة وثلاثين ألف درهم ثم وضع عنه من آخر كتابته خمسة آلاف درهم قال مالك الأمر عندنا أن المكاتب إذا كاتبه سيده تبعه ماله ولم يتبعه ولده إلا أن يشترطهم في كتابته قال يحيى سمعت ما لكا يقول في المكاتب يكاتبه سيده وله جارية بها حبل منه لم يعلم به هو ولا سيده يوم كتابته فإنه لا يتبعه ذلك الولد لأنه لم يكن دخل في كتابته وهو لسيده فأما الجارية فإنها للمكاتب لأنها من ماله قال مالك في رجل ورث مكاتبا من امرأته هو وابنها إن المكاتب إن مات قبل أن يقضي كتابته اقتسما ميراثه على كتاب الله وإن أدى كتابته ثم مات فميراثه لابن المرأة وليس للزوج من ميراثه شيء قال مالك في المكاتب يكاتب عبده قال ينظر في ذلك فإن كان إنما أراد المحاباة لعبده وعرف ذلك منه بالتخفيف عنه فلا يجوز ذلك وإن كان إنما كاتبه على وجه الرغبة وطلب المال وابتغاء الفضل والعون على كتابته فذلك جائز له قال مالك في رجل وطئ مكاتبة له إنها إن حملت فهي بالخيار إن شاءت كانت أم ولد وإن شاءت قرت على كتابتها فإن لم تحمل فهي على كتابتها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في العبد يكون بين الرجلين إن أحدهما لا يكاتب نصيبه منه أذن له بذلك صاحبه أو لم يأذن إلا أن يكاتباه جميعا لأن ذلك يعقد له عتقا ويصير إذا أدى العبد ما كوتب عليه إلى أن يعتق نصفه ولا يكون على الذي كاتب بعضه أن يستتم عتقه فذلك خلاف ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أعتق شركا له في عبد قوم عليه قيمة العدل قال مالك فإن جهل ذلك حتى يؤدي المكاتب أو قبل أن يؤدي رد إليه الذي كاتبه ما قبض من المكاتب فاقتسمه هو وشريكه على قدر حصصهما وبطلت كتابته وكان عبدا لهما على حاله الأولى قال مالك في مكاتب بين رجلين فأنظره أحدهما بحقه الذي عليه وأبى الآخر أن ينظره فاقتضى الذي أبى أن ينظره بعض حقه ثم مات المكاتب وترك مالا ليس فيه وفاء من كتابته قال مالك يتحاصان ما ترك بقدر ما بقي لهما عليه يأخذ كل واحد منهما بقدر حصته فإن ترك المكاتب فضلا عن كتابته أخذ كل واحد منهما ما بقي من الكتابة وكان ما بقي بينهما بالسواء فإن عجز المكاتب وقد اقتضى الذي لم ينظره أكثر مما اقتضى صاحبه كان العبد بينهما نصفين ولا يرد على صاحبه فضل ما اقتضى لأنه إنما اقتضى الذي له بإذن صاحبه وإن وضع عنه أحدهما الذي له ثم اقتضى صاحبه بعض الذي له عليه ثم عجز فهو بينهما ولا يرد الذي اقتضى على صاحبه شيئا لأنه إنما اقتضى الذي له عليه وذلك بمنزلة الدين للرجلين بكتاب واحد على رجل واحد فينظره أحدهما ويشح الآخر فيقتضي بعض حقه ثم يفلس الغريم فليس على الذي اقتضى أن يرد شيئا مما أخذ.

হুমায়দ ইবনু কায়স মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

“ইব্নুল মুতাওয়াক্কিল”-এর একজন মুকাতাব মক্কাতে মারা যায় এবং সে রেখে যায় তার বদল-এ কিতাবাত-এর অবশিষ্ট এবং লোকের অনেক ঋণ। আরও রেখে যায় তার এক কন্যাকে। মক্কার শাসনকর্তা এই ব্যাপারে ফয়সালা করতে যেয়ে মুশকিলে পড়েন। (কারণ হুকুম তার জানা ছিল না) তাই তিনি এই ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখলেন আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ানের নিকট। আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ান তার নিকট (উত্তরে) লিখলেন, প্রথমে লোকের ঋণ পরিশোধ কর, তারপর “বদল-এ কিতাবাত”-এর বাকী অংশ পরিশোধ কর। অতঃপর তার যা অবশিষ্ট রইল উহা তার কন্যা ও কর্তার মধ্যে বন্টন করে দাও। (মাকতু, হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের মতে ক্রীতদাস কিতাবাতের প্রার্থনা জানালে কর্তার জন্য উহার সাথে কিতাবাতের চুক্তি করা জরুরী নয় এবং কোন ইমামকে ইহা জরুরী বলে মত প্রকাশ করতে আমি শুনিনি। কোন কোন আলেমকে যখন এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হল এবং (কিতাবাত জরুরী হওয়ার প্রমাণ স্বরূপ) তাঁকে বলা হল আল্লাহ তা‘আলা কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছে: فَكَاتِبُوهُمْ إِنْ عَلِمْتُمْ فِيهِمْ خَيْرًا. অর্থাৎ তাদের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হও, যদি তোমরা জান তাদের মুক্তিদানে কল্যাণ আছে। (২৪:৩৩) আমি শুনেছি তিনি (উত্তরে) তিনি (পরে উল্লেখিত) এই আয়াতদ্বয় তিলাওয়াত করলেন: وَإِذَا حَلَلْتُمْ فَاصْطَادُوا. অর্থাৎ যখন তোমরা ইহরাম মুক্ত হবে শিকার করতে পার। (৫:২) فَإِذَا قُضِيَتْ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللهِ. অর্থাৎ সালাত সমাপ্ত হলে তোমরা বের হয়ে পড়বে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করবে। [১] (৬২:১০) মালিক (র) বলেন এটা একটি হুকুম, আল্লাহ্ তা‘আলা লোকদেরকে এর অনুমতি দিয়েছেন ইহা তাদের জন্য ওয়াজিব নয়। মালিক (র) বলেন, কোন কোন আলিম ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তা‘আলার বাণী, وَآتُوهُمْ مِنْ مَالِ اللهِ الَّذِي آتَاكُمْ. “আল্লাহ্ তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছেন তা হতে তোমরা তাদেরকে দান করবে” (২৪ ৩৩) সম্পর্কে বলতে আমি শুনেছি, এটা এই যে, কোন ব্যক্তি গোলামের সাথে কিতাবাত করেছে কিতাবাতের সময় শেষ হয়ে এলে ক্রীতদাস হতে প্রাপ্য অংশের নির্দিষ্ট কিছু কমিয়ে দেয়া। মালিক (র) বলেন-“আহল ইলম”-এর নিকট হতে (এই ব্যাপারে) আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই অতি উত্তম। আমি মদীনার লোকদেরকে এইরূপ আমল করতে দেখেছি। মালিক (র) বলেন আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) তাঁর এক ক্রীতদাসের সাথে পঁয়ত্রিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে মুকাতাবাত করেছিলেন, অতঃপর কিতাবাতের শেষের দিকে পাঁচ হাজার দিরহাম কমিয়ে দিলেন। মালিক (র) বলেন আমাদের কাছে মাস‘আলা এই, মুকাতাব গোলামের সাথে তার কর্তা কিতাবাত চুক্তি করলে গোলামের মাল তারই গোলামের থাকবে কিন্তু সন্তানগণ তার অধিকারে থাকবে না। যদি কিতাবাত করার সময় সন্তানগণ গোলামের অধিকারে থাকবে বলে শর্ত করে থাকে তবে অন্য কথা। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাবের সাথে তার কর্তা কিতাবাত চুক্তি করেছে চুক্তিকালে তার (ক্রীতদাসের) একটি দাসী ছিল, যে দাসী তার দ্বারা অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। অথচ তখন ইহা গোলাম ও তাঁর কর্তা কারো জানা ছিল না। তবে সে সন্তান ক্রীতদাসের হবে না। কারণ কিতাবাত চুক্তিতে এই সন্তানের কথা শামিল ছিল না। ফলে এই সন্তান কর্তার অধিকারে থাকবে। পক্ষান্তরে ক্রীতদাসটি (সন্তানের জননী) গোলামের মালিকানায় থাকবে। কারণ উহা তারই সম্পদ। মালিক (র) বলেন এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর পক্ষ হতে মীরাস সূত্রে একটি মুকাতাব গোলাম লাভ করেছে, এবং স্বীয় এক ছেলেও আছে তবে সে এবং তারা উভয়ে “বদল-এ কিতাবাত” পরিশোধ করার পূর্বে যদি মুকাতাবের মৃত্যু হয় তবে তারা উভয়ে কুরআনে বর্ণিত মীরাস আইন অনুযায়ী পরস্পর মীরাস বন্টন করে নিবে। আর যদি “বদল-এ কিতাবাত” পরিশোধ করার পর উহার মৃত্যু হয় তবে উহার মীরাস লাভ করবে (স্ত্রীর) পুত্র, উহার মীরাসে স্বামীর কোন হক থাকবে না। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব তার ক্রীতদাসের সাথে কিতাবাত চুক্তি করেছে তার ব্যাপারে লক্ষ্য করতে হবে যে, যদি সে ক্রীতদাসের প্রতি উদারতা ও মমতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে এটা করে থাকে এবং উহা জানাও যায় এভাবে যে, সে ক্রীতদাসের কিতাবাত চুক্তির নির্ধারিত অর্থ হতে কিছু পরিমাণ অর্থ ছেড়ে দেয় তবে এটা বৈধ হবে না। আর যদি উৎসাহ, অর্থ উপার্জন ও অতিরিক্ত অনুসন্ধান এবং তার আযাদীর পথে মদদ লাভের উদ্দেশ্যে স্বীয় এক ক্রীতদাসের সাথে মুকাতাবাত করে থাকে তবে (তার জন্য) এটা বৈধ হবে। মালিক (র) বলেন এক ব্যক্তি নিজের মুকাতাব ক্রীতদাসীর সাথে সঙ্গম করেছে, তাতে যদি সে অন্তঃসত্ত্বা হয়, তবে উহার ইখতিয়ার থাকবে, ইচ্ছা হলে (কর্তার) উম্মে ওয়ালাদ হিসেবে থাকবে, অথবা ইচ্ছা করলে (তার সাবেক) কিতাবাতের প্রতিশ্রুতি মুতাবিক অগ্রসর হতে থাকবে। আর যদি সে অন্তঃসত্ত্বা না হয়, তবে সে কিতাবাতের উপর বহাল থাকবে। মালিক (র) বলেন আমাদের কাছে যে সিদ্ধান্তে মতৈক্য স্থাপিত হয়েছে তা এই, যে ক্রীতদাস দুই ব্যক্তির মালিকানাতে থাকে, তাদের একজন ক্রীতদাস হতে নিজের অংশে কিতাবাত চুক্তি করতে পারবে না, তার অপর শরীক এর অনুমতি দিক বা না দিক। তবে যদি তারা উভয়ে একত্রে ক্রীতদাসের সহিত কিতাবাত চুক্তি করে (তা বৈধ হবে)। কারণ কিতাবাত হল ক্রীতদাসের জন্য আযাদ লাভের চুক্তি, যার উপর কিতাবাত নির্ধারিত হয়েছে-ক্রীতদাস যদি উহা পরিশোধ করে তবে ক্রীতদাস আযাদ হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে যে শরীক কিছু অংশের কিতাবাত করেছে তার পক্ষে ক্রীতদাসের আযাদী পূর্ণরূপে সম্পন্ন করা জরুরী নয়। এটা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তার বিপরীত। (তিনি বলেছেন) যে ব্যক্তি ক্রীতদাসে তার যে অংশ রয়েছে তা আযাদ করে দেয় ন্যায়সঙ্গতভাবে তার উপর (অবশিষ্ট অংশের) মূল্য নির্ধারণ করা হবে (ইহা আযাদীর ব্যাপারে প্রযোজ্য কিন্তু কিতাবাতের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়)। মালিক (র) বলেন যদি এক অংশীদার কিতাবাত করেছে, উহা সম্পর্কে অন্য অংশীদার জ্ঞাত নয়, মুকাতাব হতে সে সম্পূর্ণ বদল-এ কিতাবাত (বিনিময়ের মূল্য) আদায় করেছে অথবা বদল-এ কিতাবাত আদায় করেনি, অথচ অন্য শরীক তখনও ইহা জানে না-এই অবস্থায় সেই শরীক কিতাবাতের অর্থ হতে যা গ্রহণ করেছে উহা ফিরিয়ে দিবে। তারপর সে এবং তার শরীক হিস্সা মুতাবিক উহা ভাগ করে নিবে এবং তার কিতাবাত বাতিল হয়ে যাবে। ক্রীতদাস প্রথম অবস্থায় যেমন ক্রীতদাস ছিল এখনও উভয়ের ক্রীতদাস থাকবে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব ক্রীতদাস দুই কর্তার মালিকানায় রয়েছে। এক কর্তা ক্রীতদাসকে তার হকের ব্যাপারে কিছু অবকাশ দিল। অপর কর্তা অবকাশ দিতে অস্বীকার করল। অতঃপর যে অবকাশ প্রদান করতে অস্বীকার করেছে সে তার কিছু হক (ক্রীতদাস হতে) আদায় করেছে। তারপর মুতাকাব-এর মৃত্যু হল। সে যা মাল রেখে গিয়েছে উহাতে “বদল-এক কিতাবাত” পূর্ণ হওয়ার নয়। মালিক (র) বলেন তারা (দুই শরীক) উভয়ে ভাগ করবে তাদের উভয়ের হিস্সা মুতাবিক। (অর্থাৎ) তাদের প্রত্যেকে নিজ নিজ অংশ পরিমাণ গ্রহণ করবে, আর যদি মুকাতাব “বদল-এ কিতাবাত” হতে অতিরিক্ত মাল রেখে যায়, তবে তাদের প্রত্যেকে ‘বদল-এ কিতাবাত”-এর স্ব-স্ব হিস্সা গ্রহণ করবে, অবশিষ্ট যা থাকে উহা উভয়ের মধ্যে সমভাবে বন্টন করে নিবে। আর যদি মুকাতাব অপারগ হয়, (অপর দিকে) যে অংশীদার অবকাশ দেয়নি সে তার অপর অংশীদার অপেক্ষা অধিক (অর্থ) গ্রহণ করেছে, তবে তাদের উভয়ের মধ্যে ক্রীতদাসের অংশ থাকবে অর্ধেক অর্ধেক। যে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করেছে সে তার অংশীদারকে উহা ফেরত দিবে না। কারণ সে অংশীদারের অনুমতি নিয়ে তার প্রাপ্য হক গ্রহণ করেছে। আর যদি এক অংশীদার তার প্রাপ্য অংশ মাফ করে দেয় অতঃপর তার অপর অংশীদার ক্রীতদাস হতে (তার প্রাপ্য হতে) কিছু অংশ গ্রহণ করেছে। তারপর মুকাতাব গোলাম অপারগ হয়েছে। তবে গোলাম উভয়ের মধ্যে (সমান সমান) হবে। আর যে শরীকদার কিছু অর্থ গ্রহণ করেছে সে আপন অংশীদারকে কিছুই ফেরত দিবে না। কারণ সে ক্রীতদাসের উপর তার যা প্রাপ্য ছিল উহা গ্রহণ করেছে। এর দৃষ্টান্ত এইরূপ, দুই ব্যক্তির এক ব্যক্তির উপর ঋণ রয়েছে একই সূত্রে, তাদের একজন (খাতককে) অবকাশ দিল, অপর ব্যক্তি কৃপণতা করল এবং তার কিছু প্রাপ্য উশুল করল, তারপর খাতক রিক্ত হস্ত হয়ে গেল। (এই অবস্থাতে) যে ব্যক্তি তার হক গ্রহণ করেছে তাকে যা গ্রহণ করেছে উহা হতে (অপর ঋণ তার জন্য) কিছু ফিরিয়ে দিতে হবে না।

হুমায়দ ইবনু কায়স মক্কী (র) থেকে বর্নিতঃ

“ইব্নুল মুতাওয়াক্কিল”-এর একজন মুকাতাব মক্কাতে মারা যায় এবং সে রেখে যায় তার বদল-এ কিতাবাত-এর অবশিষ্ট এবং লোকের অনেক ঋণ। আরও রেখে যায় তার এক কন্যাকে। মক্কার শাসনকর্তা এই ব্যাপারে ফয়সালা করতে যেয়ে মুশকিলে পড়েন। (কারণ হুকুম তার জানা ছিল না) তাই তিনি এই ব্যাপারে প্রশ্ন করে পত্র লিখলেন আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ানের নিকট। আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ান তার নিকট (উত্তরে) লিখলেন, প্রথমে লোকের ঋণ পরিশোধ কর, তারপর “বদল-এ কিতাবাত”-এর বাকী অংশ পরিশোধ কর। অতঃপর তার যা অবশিষ্ট রইল উহা তার কন্যা ও কর্তার মধ্যে বন্টন করে দাও। (মাকতু, হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের মতে ক্রীতদাস কিতাবাতের প্রার্থনা জানালে কর্তার জন্য উহার সাথে কিতাবাতের চুক্তি করা জরুরী নয় এবং কোন ইমামকে ইহা জরুরী বলে মত প্রকাশ করতে আমি শুনিনি। কোন কোন আলেমকে যখন এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হল এবং (কিতাবাত জরুরী হওয়ার প্রমাণ স্বরূপ) তাঁকে বলা হল আল্লাহ তা‘আলা কুরআনুল কারীমে ইরশাদ করেছে: فَكَاتِبُوهُمْ إِنْ عَلِمْتُمْ فِيهِمْ خَيْرًا. অর্থাৎ তাদের সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হও, যদি তোমরা জান তাদের মুক্তিদানে কল্যাণ আছে। (২৪:৩৩) আমি শুনেছি তিনি (উত্তরে) তিনি (পরে উল্লেখিত) এই আয়াতদ্বয় তিলাওয়াত করলেন: وَإِذَا حَلَلْتُمْ فَاصْطَادُوا. অর্থাৎ যখন তোমরা ইহরাম মুক্ত হবে শিকার করতে পার। (৫:২) فَإِذَا قُضِيَتْ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللهِ. অর্থাৎ সালাত সমাপ্ত হলে তোমরা বের হয়ে পড়বে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান করবে। [১] (৬২:১০) মালিক (র) বলেন এটা একটি হুকুম, আল্লাহ্ তা‘আলা লোকদেরকে এর অনুমতি দিয়েছেন ইহা তাদের জন্য ওয়াজিব নয়। মালিক (র) বলেন, কোন কোন আলিম ব্যক্তিকে আল্লাহ্ তা‘আলার বাণী, وَآتُوهُمْ مِنْ مَالِ اللهِ الَّذِي آتَاكُمْ. “আল্লাহ্ তোমাদেরকে যে সম্পদ দিয়েছেন তা হতে তোমরা তাদেরকে দান করবে” (২৪ ৩৩) সম্পর্কে বলতে আমি শুনেছি, এটা এই যে, কোন ব্যক্তি গোলামের সাথে কিতাবাত করেছে কিতাবাতের সময় শেষ হয়ে এলে ক্রীতদাস হতে প্রাপ্য অংশের নির্দিষ্ট কিছু কমিয়ে দেয়া। মালিক (র) বলেন-“আহল ইলম”-এর নিকট হতে (এই ব্যাপারে) আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই অতি উত্তম। আমি মদীনার লোকদেরকে এইরূপ আমল করতে দেখেছি। মালিক (র) বলেন আমার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইব্নু উমার (রা) তাঁর এক ক্রীতদাসের সাথে পঁয়ত্রিশ হাজার দিরহামের বিনিময়ে মুকাতাবাত করেছিলেন, অতঃপর কিতাবাতের শেষের দিকে পাঁচ হাজার দিরহাম কমিয়ে দিলেন। মালিক (র) বলেন আমাদের কাছে মাস‘আলা এই, মুকাতাব গোলামের সাথে তার কর্তা কিতাবাত চুক্তি করলে গোলামের মাল তারই গোলামের থাকবে কিন্তু সন্তানগণ তার অধিকারে থাকবে না। যদি কিতাবাত করার সময় সন্তানগণ গোলামের অধিকারে থাকবে বলে শর্ত করে থাকে তবে অন্য কথা। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাবের সাথে তার কর্তা কিতাবাত চুক্তি করেছে চুক্তিকালে তার (ক্রীতদাসের) একটি দাসী ছিল, যে দাসী তার দ্বারা অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। অথচ তখন ইহা গোলাম ও তাঁর কর্তা কারো জানা ছিল না। তবে সে সন্তান ক্রীতদাসের হবে না। কারণ কিতাবাত চুক্তিতে এই সন্তানের কথা শামিল ছিল না। ফলে এই সন্তান কর্তার অধিকারে থাকবে। পক্ষান্তরে ক্রীতদাসটি (সন্তানের জননী) গোলামের মালিকানায় থাকবে। কারণ উহা তারই সম্পদ। মালিক (র) বলেন এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর পক্ষ হতে মীরাস সূত্রে একটি মুকাতাব গোলাম লাভ করেছে, এবং স্বীয় এক ছেলেও আছে তবে সে এবং তারা উভয়ে “বদল-এ কিতাবাত” পরিশোধ করার পূর্বে যদি মুকাতাবের মৃত্যু হয় তবে তারা উভয়ে কুরআনে বর্ণিত মীরাস আইন অনুযায়ী পরস্পর মীরাস বন্টন করে নিবে। আর যদি “বদল-এ কিতাবাত” পরিশোধ করার পর উহার মৃত্যু হয় তবে উহার মীরাস লাভ করবে (স্ত্রীর) পুত্র, উহার মীরাসে স্বামীর কোন হক থাকবে না। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব তার ক্রীতদাসের সাথে কিতাবাত চুক্তি করেছে তার ব্যাপারে লক্ষ্য করতে হবে যে, যদি সে ক্রীতদাসের প্রতি উদারতা ও মমতা প্রকাশের উদ্দেশ্যে এটা করে থাকে এবং উহা জানাও যায় এভাবে যে, সে ক্রীতদাসের কিতাবাত চুক্তির নির্ধারিত অর্থ হতে কিছু পরিমাণ অর্থ ছেড়ে দেয় তবে এটা বৈধ হবে না। আর যদি উৎসাহ, অর্থ উপার্জন ও অতিরিক্ত অনুসন্ধান এবং তার আযাদীর পথে মদদ লাভের উদ্দেশ্যে স্বীয় এক ক্রীতদাসের সাথে মুকাতাবাত করে থাকে তবে (তার জন্য) এটা বৈধ হবে। মালিক (র) বলেন এক ব্যক্তি নিজের মুকাতাব ক্রীতদাসীর সাথে সঙ্গম করেছে, তাতে যদি সে অন্তঃসত্ত্বা হয়, তবে উহার ইখতিয়ার থাকবে, ইচ্ছা হলে (কর্তার) উম্মে ওয়ালাদ হিসেবে থাকবে, অথবা ইচ্ছা করলে (তার সাবেক) কিতাবাতের প্রতিশ্রুতি মুতাবিক অগ্রসর হতে থাকবে। আর যদি সে অন্তঃসত্ত্বা না হয়, তবে সে কিতাবাতের উপর বহাল থাকবে। মালিক (র) বলেন আমাদের কাছে যে সিদ্ধান্তে মতৈক্য স্থাপিত হয়েছে তা এই, যে ক্রীতদাস দুই ব্যক্তির মালিকানাতে থাকে, তাদের একজন ক্রীতদাস হতে নিজের অংশে কিতাবাত চুক্তি করতে পারবে না, তার অপর শরীক এর অনুমতি দিক বা না দিক। তবে যদি তারা উভয়ে একত্রে ক্রীতদাসের সহিত কিতাবাত চুক্তি করে (তা বৈধ হবে)। কারণ কিতাবাত হল ক্রীতদাসের জন্য আযাদ লাভের চুক্তি, যার উপর কিতাবাত নির্ধারিত হয়েছে-ক্রীতদাস যদি উহা পরিশোধ করে তবে ক্রীতদাস আযাদ হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে যে শরীক কিছু অংশের কিতাবাত করেছে তার পক্ষে ক্রীতদাসের আযাদী পূর্ণরূপে সম্পন্ন করা জরুরী নয়। এটা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তার বিপরীত। (তিনি বলেছেন) যে ব্যক্তি ক্রীতদাসে তার যে অংশ রয়েছে তা আযাদ করে দেয় ন্যায়সঙ্গতভাবে তার উপর (অবশিষ্ট অংশের) মূল্য নির্ধারণ করা হবে (ইহা আযাদীর ব্যাপারে প্রযোজ্য কিন্তু কিতাবাতের ব্যাপারে প্রযোজ্য নয়)। মালিক (র) বলেন যদি এক অংশীদার কিতাবাত করেছে, উহা সম্পর্কে অন্য অংশীদার জ্ঞাত নয়, মুকাতাব হতে সে সম্পূর্ণ বদল-এ কিতাবাত (বিনিময়ের মূল্য) আদায় করেছে অথবা বদল-এ কিতাবাত আদায় করেনি, অথচ অন্য শরীক তখনও ইহা জানে না-এই অবস্থায় সেই শরীক কিতাবাতের অর্থ হতে যা গ্রহণ করেছে উহা ফিরিয়ে দিবে। তারপর সে এবং তার শরীক হিস্সা মুতাবিক উহা ভাগ করে নিবে এবং তার কিতাবাত বাতিল হয়ে যাবে। ক্রীতদাস প্রথম অবস্থায় যেমন ক্রীতদাস ছিল এখনও উভয়ের ক্রীতদাস থাকবে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব ক্রীতদাস দুই কর্তার মালিকানায় রয়েছে। এক কর্তা ক্রীতদাসকে তার হকের ব্যাপারে কিছু অবকাশ দিল। অপর কর্তা অবকাশ দিতে অস্বীকার করল। অতঃপর যে অবকাশ প্রদান করতে অস্বীকার করেছে সে তার কিছু হক (ক্রীতদাস হতে) আদায় করেছে। তারপর মুতাকাব-এর মৃত্যু হল। সে যা মাল রেখে গিয়েছে উহাতে “বদল-এক কিতাবাত” পূর্ণ হওয়ার নয়। মালিক (র) বলেন তারা (দুই শরীক) উভয়ে ভাগ করবে তাদের উভয়ের হিস্সা মুতাবিক। (অর্থাৎ) তাদের প্রত্যেকে নিজ নিজ অংশ পরিমাণ গ্রহণ করবে, আর যদি মুকাতাব “বদল-এ কিতাবাত” হতে অতিরিক্ত মাল রেখে যায়, তবে তাদের প্রত্যেকে ‘বদল-এ কিতাবাত”-এর স্ব-স্ব হিস্সা গ্রহণ করবে, অবশিষ্ট যা থাকে উহা উভয়ের মধ্যে সমভাবে বন্টন করে নিবে। আর যদি মুকাতাব অপারগ হয়, (অপর দিকে) যে অংশীদার অবকাশ দেয়নি সে তার অপর অংশীদার অপেক্ষা অধিক (অর্থ) গ্রহণ করেছে, তবে তাদের উভয়ের মধ্যে ক্রীতদাসের অংশ থাকবে অর্ধেক অর্ধেক। যে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করেছে সে তার অংশীদারকে উহা ফেরত দিবে না। কারণ সে অংশীদারের অনুমতি নিয়ে তার প্রাপ্য হক গ্রহণ করেছে। আর যদি এক অংশীদার তার প্রাপ্য অংশ মাফ করে দেয় অতঃপর তার অপর অংশীদার ক্রীতদাস হতে (তার প্রাপ্য হতে) কিছু অংশ গ্রহণ করেছে। তারপর মুকাতাব গোলাম অপারগ হয়েছে। তবে গোলাম উভয়ের মধ্যে (সমান সমান) হবে। আর যে শরীকদার কিছু অর্থ গ্রহণ করেছে সে আপন অংশীদারকে কিছুই ফেরত দিবে না। কারণ সে ক্রীতদাসের উপর তার যা প্রাপ্য ছিল উহা গ্রহণ করেছে। এর দৃষ্টান্ত এইরূপ, দুই ব্যক্তির এক ব্যক্তির উপর ঋণ রয়েছে একই সূত্রে, তাদের একজন (খাতককে) অবকাশ দিল, অপর ব্যক্তি কৃপণতা করল এবং তার কিছু প্রাপ্য উশুল করল, তারপর খাতক রিক্ত হস্ত হয়ে গেল। (এই অবস্থাতে) যে ব্যক্তি তার হক গ্রহণ করেছে তাকে যা গ্রহণ করেছে উহা হতে (অপর ঋণ তার জন্য) কিছু ফিরিয়ে দিতে হবে না।

و حدثني مالك عن حميد بن قيس المكي أن مكاتبا كان لابن المتوكل هلك بمكة وترك عليه بقية من كتابته وديونا للناس وترك ابنته فأشكل على عامل مكة القضاء فيه فكتب إلى عبد الملك بن مروان يسأله عن ذلك فكتب إليه عبد الملك أن ابدأ بديون الناس ثم اقض ما بقي من كتابته ثم اقسم ما بقي من ماله بين ابنته ومولاه. قال مالك الأمر عندنا أنه ليس على سيد العبد أن يكاتبه إذا سأله ذلك ولم أسمع أن أحدا من الأئمة أكره رجلا على أن يكاتب عبده وقد سمعت بعض أهل العلم إذا سئل عن ذلك فقيل له إن الله تبارك وتعالى يقول { فكاتبوهم إن علمتم فيهم خيرا } يتلو هاتين الآيتين { وإذا حللتم فاصطادوا }{ فإذا قضيت الصلاة فانتشروا في الأرض وابتغوا من فضل الله } قال مالك وإنما ذلك أمر أذن الله عز وجل فيه للناس وليس بواجب عليهم قال مالك و سمعت بعض أهل العلم يقول في قول الله تبارك وتعالى { وآتوهم من مال الله الذي آتاكم } إن ذلك أن يكاتب الرجل غلامه ثم يضع عنه من آخر كتابته شيئا مسمى قال مالك فهذا الذي سمعت من أهل العلم وأدركت عمل الناس على ذلك عندنا قال مالك وقد بلغني أن عبد الله بن عمر كاتب غلاما له على خمسة وثلاثين ألف درهم ثم وضع عنه من آخر كتابته خمسة آلاف درهم قال مالك الأمر عندنا أن المكاتب إذا كاتبه سيده تبعه ماله ولم يتبعه ولده إلا أن يشترطهم في كتابته قال يحيى سمعت ما لكا يقول في المكاتب يكاتبه سيده وله جارية بها حبل منه لم يعلم به هو ولا سيده يوم كتابته فإنه لا يتبعه ذلك الولد لأنه لم يكن دخل في كتابته وهو لسيده فأما الجارية فإنها للمكاتب لأنها من ماله قال مالك في رجل ورث مكاتبا من امرأته هو وابنها إن المكاتب إن مات قبل أن يقضي كتابته اقتسما ميراثه على كتاب الله وإن أدى كتابته ثم مات فميراثه لابن المرأة وليس للزوج من ميراثه شيء قال مالك في المكاتب يكاتب عبده قال ينظر في ذلك فإن كان إنما أراد المحاباة لعبده وعرف ذلك منه بالتخفيف عنه فلا يجوز ذلك وإن كان إنما كاتبه على وجه الرغبة وطلب المال وابتغاء الفضل والعون على كتابته فذلك جائز له قال مالك في رجل وطئ مكاتبة له إنها إن حملت فهي بالخيار إن شاءت كانت أم ولد وإن شاءت قرت على كتابتها فإن لم تحمل فهي على كتابتها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في العبد يكون بين الرجلين إن أحدهما لا يكاتب نصيبه منه أذن له بذلك صاحبه أو لم يأذن إلا أن يكاتباه جميعا لأن ذلك يعقد له عتقا ويصير إذا أدى العبد ما كوتب عليه إلى أن يعتق نصفه ولا يكون على الذي كاتب بعضه أن يستتم عتقه فذلك خلاف ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أعتق شركا له في عبد قوم عليه قيمة العدل قال مالك فإن جهل ذلك حتى يؤدي المكاتب أو قبل أن يؤدي رد إليه الذي كاتبه ما قبض من المكاتب فاقتسمه هو وشريكه على قدر حصصهما وبطلت كتابته وكان عبدا لهما على حاله الأولى قال مالك في مكاتب بين رجلين فأنظره أحدهما بحقه الذي عليه وأبى الآخر أن ينظره فاقتضى الذي أبى أن ينظره بعض حقه ثم مات المكاتب وترك مالا ليس فيه وفاء من كتابته قال مالك يتحاصان ما ترك بقدر ما بقي لهما عليه يأخذ كل واحد منهما بقدر حصته فإن ترك المكاتب فضلا عن كتابته أخذ كل واحد منهما ما بقي من الكتابة وكان ما بقي بينهما بالسواء فإن عجز المكاتب وقد اقتضى الذي لم ينظره أكثر مما اقتضى صاحبه كان العبد بينهما نصفين ولا يرد على صاحبه فضل ما اقتضى لأنه إنما اقتضى الذي له بإذن صاحبه وإن وضع عنه أحدهما الذي له ثم اقتضى صاحبه بعض الذي له عليه ثم عجز فهو بينهما ولا يرد الذي اقتضى على صاحبه شيئا لأنه إنما اقتضى الذي له عليه وذلك بمنزلة الدين للرجلين بكتاب واحد على رجل واحد فينظره أحدهما ويشح الآخر فيقتضي بعض حقه ثم يفلس الغريم فليس على الذي اقتضى أن يرد شيئا مما أخذ.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > “কিতাবাত” (চুক্তির অর্থ আদায়ের)-এর ব্যাপারে জামিন [১]

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮৮

قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن العبيد إذا كوتبوا جميعا كتابة واحدة فإن بعضهم حملاء عن بعض وإنه لا يوضع عنهم لموت أحدهم شيء وإن قال أحدهم قد عجزت وألقى بيديه فإن لأصحابه أن يستعملوه فيما يطيق من العمل ويتعاونون بذلك في كتابتهم حتى يعتق بعتقهم إن عتقوا ويرق برقهم إن رقوا قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن العبد إذا كاتبه سيده لم ينبغ لسيده أن يتحمل له بكتابة عبده أحد إن مات العبد أو عجز وليس هذا من سنة المسلمين وذلك أنه إن تحمل رجل لسيد المكاتب بما عليه من كتابته ثم اتبع ذلك سيد المكاتب قبل الذي تحمل له أخذ ماله باطلا لا هو ابتاع المكاتب فيكون ما أخذ منه من. ثمن شيء هو له ولا المكاتب عتق فيكون في ثمن حرمة ثبتت له فإن عجز المكاتب رجع إلى سيده وكان عبدا مملوكا له وذلك أن الكتابة ليست بدين ثابت يتحمل لسيد المكاتب بها إنما هي شيء إن أداه المكاتب عتق وإن مات المكاتب وعليه دين لم يحاص الغرماء سيده بكتابته وكان الغرماء أولى بذلك من سيده وإن عجز المكاتب وعليه دين للناس رد عبدا مملوكا لسيده وكانت ديون الناس في ذمة المكاتب لا يدخلون مع سيده في شيء من ثمن رقبته قال مالك إذا كاتب القوم جميعا كتابة واحدة ولا رحم بينهم يتوارثون بها فإن بعضهم حملاء عن بعض ولا يعتق بعضهم دون بعض حتى يؤدوا الكتابة كلها فإن مات أحد منهم وترك مالا هو أكثر من جميع ما عليهم أدي عنهم جميع ما عليهم وكان فضل المال لسيده ولم يكن لمن كاتب معه من فضل المال شيء ويتبعهم السيد بحصصهم التي بقيت عليهم من الكتابة التي قضيت من مال الهالك لأن الهالك إنما كان تحمل عنهم فعليهم أن يؤدوا ما عتقوا به من ماله وإن كان للمكاتب الهالك ولد حر لم يولد في الكتابة ولم يكاتب عليه لم يرثه لأن المكاتب لم يعتق حتى مات.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের কাছে এ ব্যাপারে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত হল এই- কয়েকজন ক্রীতদাসের সাথে একই চুক্তিতে কিতাবাত করা হলে তবে তাদের একজন অপরজনের জামিন হবে, তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যুর কারণে তাদের উপর হতে কিছু কমানো হবে না। উহাদের একজন যদি বলে, আমি অপারগ হয়েছি এবং হাত ছেড়ে দেয়, তবে তার সাথীগণের অধিকার থাকবে তাকে সাধ্যমতে কাজে লাগানো এবং তার দ্বারা তারা তাদের কিতাবাতের (বিনিময় মূল্য পরিশোধ) ব্যাপারে সহযোগিতা করবে যেন তারা আযাদ হলে সেও আযাদ হয়ে যায়। আর তারা গোলাম থেকে গেলে সেও গোলাম থাকবে। মালিক (র) বলেন এই ব্যাপারে আমাদের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত অভিমত হল, কর্তা ক্রীতদাসের সহিত কিতাবাত চুক্তি করলে তবে ক্রীতদাসের কিতাবাতের ব্যাপারে কর্তা অন্য কাউকেও জামিন করবে না। এমন কি গোলাম মারা গেলেও অথবা অপারগ হলেও। ইহা মুসলমানদের তরীকা নয়। কারণ যদি কোন ব্যক্তি ‘বদল-এ কিতাবাতের” ব্যাপারে মুকাতাব-এর পক্ষে কর্তার নিকট জামিন হয়, তারপর মুকাতাব-এর কর্তা সেই মাল জামিনদারের নিকট হতে আদায় করে তবে এই মাল অন্যায়ভাবে সে গ্রহণ করল। যেহেতু সে ব্যক্তি মুকাতাবকে খরিদও করেনি, খরিদ করলে তা মূল্য হতে গ্রহণ করা হয়েছে বলে ধরা যেত। পক্ষান্তরে মুকাতাব আযাদও হয়নি, আযাদ হলে যা জামিনদার হতে গ্রহণ করা হয়েছে উহা ক্রীতদাসের আযাদীর বিনিময় হিসাবে ধরা যেত, মুকাতাব অক্ষম হলে সে কর্তার দিকে ফিরবে এবং সে কর্তার মালিকানায় দাস থেকে যাবে। এটা এইজন্য যে, কিতাবাত কোন দরকারী ঋণ নয় যার জন্য মুকাতাবের কর্তাকে কিতাবাতের জামানত দেয়া যায়, বরং কিতাবাত হচ্ছে এমন একটি বস্তু মুকাতাব তা আদায় করলে আযাদ হয়ে যাবে। আর যদি মুকাতাব-এর মৃত্যু হয় এবং তার জিম্বায় ঋণ থাকে তবে ঋণদাতাগণ মুকাতাব-এর কর্তার জন্য কিতাবাতের কারণে কোন হিস্সা বরাদ্দ করবে না। ঋণদাতাগণ কর্তা অপেক্ষা মুকাতাবের মালের অধিক হকদার, আর যদি মুকাতাব অপারগ হয় এবং তার উপর লোকের ঋণ থাকে তবে উহাকে, কর্তার গোলামির দিকে ফিরিয়ে দেয়া হবে। লোকদের ঋণসমূহ মুকাতাব-এর জিম্মায় থাকবে। ঋণদাতাগণ ক্রীতদাসের কর্তার সাথে তাঁর মূল্যের মধ্যে অংশীদার হবে না। মালিক (র) বলেন যখন কোন ব্যক্তি (ক্রীতদাসদের) এক দলের সাথে মুকাতাবাত করে (সকলের সাথে) একই কিতাবাতের মাধ্যমে এবং তাদের মধ্যে আত্মীয়তার কোন বন্ধন না থাকে, যদ্দরুন তারা পরস্পর মীরাসের অধিকারী হয়, তবে তারা একে অপরের জামিন হবে, একজনকে ছেড়ে অন্যজন আযাদ হবে না, যতক্ষণ না সম্পূর্ণ “বদল-এ কিতাবাত” সকলে পরিশোধ না করে। যদি তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হয় এবং সে মাল রেখে যায়, যে মাল তাদের সকলের জিম্মায় যে “বদল-এ কিতাবাত” রয়েছে তা তার কর্তা পাবে। মৃত ব্যক্তির সাথে কিতাবাতে যারা শরীক ছিল তারা অবশিষ্ট মালের কোন অংশ পাবে না। কর্তা তাদের নিকট হতে “বদল-এ কিতাবাতে” তাদের যে হিস্সাসমূহ রয়েছে সেই সব উশুল করবে। তাদের নিকট হতে যে সব মাল মৃত (মুকাতাব) ব্যক্তির মাল হতে শোধ করা হয়েছিল। কারণ মৃত ব্যক্তি তাদের দায়িত্ব উঠিয়েছে (কিতাবাত এক হওয়ার দরুন) উহাদের দায়িত্ব হবে উহারা সকলে উহার (মৃত ব্যক্তির) মাল পরিশোধ করে দেয়া যদ্ধারা তারা আযাদী লাভ করেছে। আর যদি মৃত মুকাতাবেরে কোন আযাদ সন্তান থাকে যে কিতাবাতকালীন সময়ে পয়দা হয়নি এবং উহাকে অন্তর্ভুক্ত করে কিতাবাত করা হয়নি, তবে এই ছেলে তার মৃত পিতার মীরাসের কোন কিছু পাবে না। কারণ মুকাতাব (তার পিতা) মৃত্যুর সময় আযাদী লাভ করেনি।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের কাছে এ ব্যাপারে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত সিদ্ধান্ত হল এই- কয়েকজন ক্রীতদাসের সাথে একই চুক্তিতে কিতাবাত করা হলে তবে তাদের একজন অপরজনের জামিন হবে, তাদের মধ্যে একজনের মৃত্যুর কারণে তাদের উপর হতে কিছু কমানো হবে না। উহাদের একজন যদি বলে, আমি অপারগ হয়েছি এবং হাত ছেড়ে দেয়, তবে তার সাথীগণের অধিকার থাকবে তাকে সাধ্যমতে কাজে লাগানো এবং তার দ্বারা তারা তাদের কিতাবাতের (বিনিময় মূল্য পরিশোধ) ব্যাপারে সহযোগিতা করবে যেন তারা আযাদ হলে সেও আযাদ হয়ে যায়। আর তারা গোলাম থেকে গেলে সেও গোলাম থাকবে। মালিক (র) বলেন এই ব্যাপারে আমাদের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত অভিমত হল, কর্তা ক্রীতদাসের সহিত কিতাবাত চুক্তি করলে তবে ক্রীতদাসের কিতাবাতের ব্যাপারে কর্তা অন্য কাউকেও জামিন করবে না। এমন কি গোলাম মারা গেলেও অথবা অপারগ হলেও। ইহা মুসলমানদের তরীকা নয়। কারণ যদি কোন ব্যক্তি ‘বদল-এ কিতাবাতের” ব্যাপারে মুকাতাব-এর পক্ষে কর্তার নিকট জামিন হয়, তারপর মুকাতাব-এর কর্তা সেই মাল জামিনদারের নিকট হতে আদায় করে তবে এই মাল অন্যায়ভাবে সে গ্রহণ করল। যেহেতু সে ব্যক্তি মুকাতাবকে খরিদও করেনি, খরিদ করলে তা মূল্য হতে গ্রহণ করা হয়েছে বলে ধরা যেত। পক্ষান্তরে মুকাতাব আযাদও হয়নি, আযাদ হলে যা জামিনদার হতে গ্রহণ করা হয়েছে উহা ক্রীতদাসের আযাদীর বিনিময় হিসাবে ধরা যেত, মুকাতাব অক্ষম হলে সে কর্তার দিকে ফিরবে এবং সে কর্তার মালিকানায় দাস থেকে যাবে। এটা এইজন্য যে, কিতাবাত কোন দরকারী ঋণ নয় যার জন্য মুকাতাবের কর্তাকে কিতাবাতের জামানত দেয়া যায়, বরং কিতাবাত হচ্ছে এমন একটি বস্তু মুকাতাব তা আদায় করলে আযাদ হয়ে যাবে। আর যদি মুকাতাব-এর মৃত্যু হয় এবং তার জিম্বায় ঋণ থাকে তবে ঋণদাতাগণ মুকাতাব-এর কর্তার জন্য কিতাবাতের কারণে কোন হিস্সা বরাদ্দ করবে না। ঋণদাতাগণ কর্তা অপেক্ষা মুকাতাবের মালের অধিক হকদার, আর যদি মুকাতাব অপারগ হয় এবং তার উপর লোকের ঋণ থাকে তবে উহাকে, কর্তার গোলামির দিকে ফিরিয়ে দেয়া হবে। লোকদের ঋণসমূহ মুকাতাব-এর জিম্মায় থাকবে। ঋণদাতাগণ ক্রীতদাসের কর্তার সাথে তাঁর মূল্যের মধ্যে অংশীদার হবে না। মালিক (র) বলেন যখন কোন ব্যক্তি (ক্রীতদাসদের) এক দলের সাথে মুকাতাবাত করে (সকলের সাথে) একই কিতাবাতের মাধ্যমে এবং তাদের মধ্যে আত্মীয়তার কোন বন্ধন না থাকে, যদ্দরুন তারা পরস্পর মীরাসের অধিকারী হয়, তবে তারা একে অপরের জামিন হবে, একজনকে ছেড়ে অন্যজন আযাদ হবে না, যতক্ষণ না সম্পূর্ণ “বদল-এ কিতাবাত” সকলে পরিশোধ না করে। যদি তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হয় এবং সে মাল রেখে যায়, যে মাল তাদের সকলের জিম্মায় যে “বদল-এ কিতাবাত” রয়েছে তা তার কর্তা পাবে। মৃত ব্যক্তির সাথে কিতাবাতে যারা শরীক ছিল তারা অবশিষ্ট মালের কোন অংশ পাবে না। কর্তা তাদের নিকট হতে “বদল-এ কিতাবাতে” তাদের যে হিস্সাসমূহ রয়েছে সেই সব উশুল করবে। তাদের নিকট হতে যে সব মাল মৃত (মুকাতাব) ব্যক্তির মাল হতে শোধ করা হয়েছিল। কারণ মৃত ব্যক্তি তাদের দায়িত্ব উঠিয়েছে (কিতাবাত এক হওয়ার দরুন) উহাদের দায়িত্ব হবে উহারা সকলে উহার (মৃত ব্যক্তির) মাল পরিশোধ করে দেয়া যদ্ধারা তারা আযাদী লাভ করেছে। আর যদি মৃত মুকাতাবেরে কোন আযাদ সন্তান থাকে যে কিতাবাতকালীন সময়ে পয়দা হয়নি এবং উহাকে অন্তর্ভুক্ত করে কিতাবাত করা হয়নি, তবে এই ছেলে তার মৃত পিতার মীরাসের কোন কিছু পাবে না। কারণ মুকাতাব (তার পিতা) মৃত্যুর সময় আযাদী লাভ করেনি।

قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن العبيد إذا كوتبوا جميعا كتابة واحدة فإن بعضهم حملاء عن بعض وإنه لا يوضع عنهم لموت أحدهم شيء وإن قال أحدهم قد عجزت وألقى بيديه فإن لأصحابه أن يستعملوه فيما يطيق من العمل ويتعاونون بذلك في كتابتهم حتى يعتق بعتقهم إن عتقوا ويرق برقهم إن رقوا قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن العبد إذا كاتبه سيده لم ينبغ لسيده أن يتحمل له بكتابة عبده أحد إن مات العبد أو عجز وليس هذا من سنة المسلمين وذلك أنه إن تحمل رجل لسيد المكاتب بما عليه من كتابته ثم اتبع ذلك سيد المكاتب قبل الذي تحمل له أخذ ماله باطلا لا هو ابتاع المكاتب فيكون ما أخذ منه من. ثمن شيء هو له ولا المكاتب عتق فيكون في ثمن حرمة ثبتت له فإن عجز المكاتب رجع إلى سيده وكان عبدا مملوكا له وذلك أن الكتابة ليست بدين ثابت يتحمل لسيد المكاتب بها إنما هي شيء إن أداه المكاتب عتق وإن مات المكاتب وعليه دين لم يحاص الغرماء سيده بكتابته وكان الغرماء أولى بذلك من سيده وإن عجز المكاتب وعليه دين للناس رد عبدا مملوكا لسيده وكانت ديون الناس في ذمة المكاتب لا يدخلون مع سيده في شيء من ثمن رقبته قال مالك إذا كاتب القوم جميعا كتابة واحدة ولا رحم بينهم يتوارثون بها فإن بعضهم حملاء عن بعض ولا يعتق بعضهم دون بعض حتى يؤدوا الكتابة كلها فإن مات أحد منهم وترك مالا هو أكثر من جميع ما عليهم أدي عنهم جميع ما عليهم وكان فضل المال لسيده ولم يكن لمن كاتب معه من فضل المال شيء ويتبعهم السيد بحصصهم التي بقيت عليهم من الكتابة التي قضيت من مال الهالك لأن الهالك إنما كان تحمل عنهم فعليهم أن يؤدوا ما عتقوا به من ماله وإن كان للمكاتب الهالك ولد حر لم يولد في الكتابة ولم يكاتب عليه لم يرثه لأن المكاتب لم يعتق حتى مات.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বদল-এ কিতাবাত (বিনিময় মূল্য) হতে (কিতা‘আ [১]) কর্তণ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮৯

حدثني مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقاطع مكاتبيها بالذهب والورق قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في المكاتب يكون بين الشريكين فإنه لا يجوز لأحدهما أن يقاطعه على حصته إلا بإذن شريكه وذلك أن العبد وماله بينهما فلا يجوز لأحدهما أن يأخذ شيئا من ماله إلا بإذن شريكه. ولو قاطعه أحدهما دون صاحبه ثم حاز ذلك ثم مات المكاتب وله مال أو عجز لم يكن لمن قاطعه شيء من ماله ولم يكن له أن يرد ما قاطعه عليه ويرجع حقه في رقبته ولكن من قاطع مكاتبا بإذن شريكه ثم عجز المكاتب فإن أحب الذي قاطعه أن يرد الذي أخذ منه من القطاعة ويكون على نصيبه من رقبة المكاتب كان ذلك له وإن مات المكاتب وترك مالا استوفى الذي بقيت له الكتابة حقه الذي بقي له على المكاتب من ماله ثم كان ما بقي من مال المكاتب بين الذي قاطعه وبين شريكه على قدر حصصهما في المكاتب وإن كان أحدهما قاطعه وتماسك صاحبه بالكتابة ثم عجز المكاتب قيل للذي قاطعه إن شئت أن ترد على صاحبك نصف الذي أخذت ويكون العبد بينكما شطرين وإن أبيت فجميع العبد للذي تمسك بالرق خالصا قال مالك في المكاتب يكون بين الرجلين فيقاطعه أحدهما بإذن صاحبه ثم يقتضي الذي تمسك بالرق مثل ما قاطع عليه صاحبه أو أكثر من ذلك ثم يعجز المكاتب قال مالك فهو بينهما لأنه إنما اقتضى الذي له عليه وإن اقتضى أقل مما أخذ الذي قاطعه ثم عجز المكاتب فأحب الذي قاطعه أن يرد على صاحبه نصف ما تفضله به ويكون العبد بينهما نصفين فذلك له وإن أبى فجميع العبد للذي لم يقاطعه وإن مات المكاتب وترك مالا فأحب الذي قاطعه أن يرد على صاحبه نصف ما تفضله به ويكون الميراث بينهما فذلك له وإن كان الذي تمسك بالكتابة قد أخذ مثل ما قاطع عليه شريكه أو أفضل فالميراث بينهما بقدر ملكهما لأنه إنما أخذ حقه قال مالك في المكاتب يكون بين الرجلين فيقاطع أحدهما على نصف حقه بإذن صاحبه ثم يقبض الذي تمسك بالرق أقل مما قاطع عليه صاحبه ثم يعجز المكاتب قال مالك إن أحب الذي قاطع العبد أن يرد على صاحبه نصف ما تفضله به كان العبد بينهما شطرين وإن أبى أن يرد فللذي تمسك بالرق حصة صاحبه الذي كان قاطع عليه المكاتب قال مالك وتفسير ذلك أن العبد يكون بينهما شطرين فيكاتبانه جميعا ثم يقاطع أحدهما المكاتب على نصف حقه بإذن صاحبه وذلك الربع من جميع العبد ثم يعجز المكاتب فيقال للذي قاطعه إن شئت فاردد على صاحبك نصف ما فضلته به ويكون العبد بينكما شطرين وإن أبى كان للذي تمسك بالكتابة ربع صاحبه الذي قاطع المكاتب عليه خالصا وكان له نصف العبد فذلك ثلاثة أرباع العبد وكان للذي قاطع ربع العبد لأنه أبى أن يرد ثمن ربعه الذي قاطع عليه قال مالك في المكاتب يقاطعه سيده فيعتق ويكتب عليه.ما بقي من قطاعته دينا عليه ثم يموت المكاتب وعليه دين للناس قال مالك فإن سيده لا يحاص غرماءه بالذي عليه من قطاعته ولغرمائه أن يبدءوا عليه قال مالك ليس للمكاتب أن يقاطع سيده إذا كان عليه دين للناس فيعتق ويصير لا شيء له لأن أهل الدين أحق بماله من سيده فليس ذلك بجائز له قال مالك الأمر عندنا في الرجل يكاتب عبده ثم يقاطعه بالذهب فيضع عنه مما عليه من الكتابة على أن يعجل له ما قاطعه عليه أنه ليس بذلك بأس وإنما كره ذلك من كرهه لأنه أنزله بمنزلة الدين يكون للرجل على الرجل إلى أجل فيضع عنه وينقده وليس هذا مثل الدين إنما كانت قطاعة المكاتب سيده على أن يعطيه مالا في أن يتعجل العتق فيجب له الميراث والشهادة والحدود وتثبت له حرمة العتاقة ولم يشتر دراهم بدراهم ولا ذهبا بذهب وإنما مثل ذلك مثل رجل قال لغلامه ائتني بكذا وكذا دينارا وأنت حر فوضع عنه من ذلك فقال إن جئتني بأقل من ذلك فأنت حر فليس هذا دينا ثابتا ولو كان دينا ثابتا لحاص به السيد غرماء المكاتب إذا مات أو أفلس فدخل معهم في مال مكاتبه.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রা) স্বর্ণ এবং রৌপ্যের বিনিময়ে তাঁর মুকাতাবদের সঙ্গে মুকাতা‘আহ্ (কমানোর চুক্তি) করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের কাছে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল এই- যে মুকাতাব দুই শরীকের মালিকানাতে রয়েছে, অপর শরীকের অনুমতি ছাড়া এক শরীকের জন্য তার হিস্সাতে মুকাতা‘আহ্ করা বৈধ নয়। এটা এইজন্য যে, ক্রীতদাস এবং তার মাল উভয়ের মধ্যে মিলিত, কাজেই তাদের একজনের জন্য উহার মাল হতে কিছু অংশ গ্রহণ করা জায়েয নয়, কিন্তু অপর শরীক যদি অনুমতি দেয় (তবে বৈধ হবে)। আর যদি তাদের একজন মুকাতাবের সাথে মুকাতা‘আহ্ (“বদল-এ কিতাবাত হতে কমাবার চুক্তি”) করে অপর শরীক ছাড়া, অতঃপর উহা সে গ্রহণ করে। তারপর মুকাতাবের মৃত্যু হয় এবং উহার নিকট মাল থাকে অথবা সে (অর্থ আদায়ে) অক্ষম হয়ে যায়, তবে যে (শরীক) মুকাতা‘আহ্ করেছে সে মুকাতাবের মাল হতে কিছুই পাবে না। আর বিনিময় অর্থের যে অংশ সে মুকাতা‘আহ্ করেছে অর্থাৎ কমিয়ে দিয়েছে সে উহা ফেরত দিয়ে মুকাতাবের রাকাবা (গর্দান অর্থাৎ দাসত্বের অধিকারী হওয়া)-তে তার (সাবেক) হকের দিকে ফিরে যাওয়ার করার ইখতিয়ারও তার থাকবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার শরীকের অনুমতি নিয়ে মুকাতাবের সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে, অতঃপর মুকাতাব অপারগ হয়েছে, তবে যে মুকাতা‘আহ্ (কমাবার চুক্তি) করেছে সে মুকাতা‘আহ্ অনুযায়ী যে অর্থ মুকাতাব হতে গ্রহণ করেছে সে অর্থ ফেরত দিয়ে পুনরায় মুকাতাবের মধ্যে তার অংশের অধিকারী হতে পছন্দ করলে এটা তার জন্য বৈধ হবে। আর যদি মুকাতাব মাল রেখে মারা যায় তবে যার কিতাবাত অবশিষ্ট রয়েছে (অর্থাৎ যে মুকাতা‘আহ্ করেনিই সে) মুকাতাব-এর উপর তার যে হক রয়েছে তা মুকাতাবের মাল হতে পূর্ণভাবে উশুল করবে। অতঃপর মুকাতাবের যে মাল অবশিষ্ট থাকে উহা যে মুকাতা‘আহ্ করেছে তার এবং তার অপর শরীকের মধ্যে বন্টন করা হবে মুকাতাবের উভয়ের মধ্যে হিস্সা অনুযায়ী। আর যদি দুই জনের এক জন মুকাতাবের সাথে মুতাকা‘আহ্ করে, অন্য শরীক তার সাথী কিতাবাতের উপর স্থির থাকে, অতঃপর মুকাতাব অর্থ আদায়ে অপারগ হয়, তবে যে মুকাতা‘আহ্ করেছে তাকে বলা হবে যে, আপনি ইচ্ছা করলে যা আপনি গ্রহণ করেছেন উহার অর্ধেক আপনার সাথীকে দিয়ে দিতে পারেন, গোলাম আপনাদের উভয়ের মধ্যে থাকবে অর্ধেক অর্ধেক। আর যদি আপনি এটা অস্বীকার করেন তবে গোলাম সম্পূর্ণ সেই শরীকের হবে, যে শরীক মুকাতা‘আহ্ না করে মুকাতাবকে যেমন ছিল তেমনি রেখে দিয়েছে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব দুই ব্যক্তির শরীকানাতে রয়েছে, তাদের একজন তার সাথীর (শরীক) অনুমতি নিয়ে মুকাতাবের সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে, অতঃপর যে শরীক দাস রেখে দিয়েছে সে গ্রহণ করল (মুকাতাব হতে) ততটুকু যতটুকুর উপর তার সাথী শরীক মুকাতা‘আহ্ করেছে অথবা ততোধিক। তারপর মুকাতাব অক্ষম হল, মালিক (র) বলেন গোলাম তাদের উভয়ের মধ্যে থাকবে। কারণ সে মুকাতাবের উপর তার যে হক রয়েছে উহা গ্রহণ করেছে, [কাজেই মুকাতা‘আহ্ যে করেনি সে, মুকুতা‘আহ্ যে করেছে তার নিকট হতে কিছুই পাবে না] আর যে মুকাতা‘আহ্ করেনি সে যদি মুকাতাআ‘কারী অপেক্ষা কম গ্রহণ করে থাকে, অতঃপর মুকাতাব অপারগ হয়ে পড়ে, আর যে মুকাতা‘আহ্ করেছে সে যা অতিরিক্ত পেয়েছে উহা হতে তার সাথী (শরীক)-কে অর্ধেক ফিরিয়ে দেয়াকে পছন্দ করে, এতে গোলাম উভয়ের মধ্যে হবে অর্ধেক অর্ধেক, তবে তার জন্য এর ইখতিয়ার রয়েছে। আর সে যদি এটা অস্বীকার করে তবে মুকাতা‘আহ্ যে (শরীক) করে নি গোলাম সম্পূর্ণ সে শরীকের জন্য হবে। আর যদি মুকাতাবের মৃত্যু হয় এবং সে মাল রেখে যায় এবং যে (শরীক) মুকাতা‘আহ্ করেছে সে যা বেশি পেয়েছে এটা হতে তার সাথী (শরীক)-কে অর্ধেক ফিরিয়ে দিতে পছন্দ করে তবে মীরাস তাদের উভয়ের মধ্যে মুশতারাক বা সমান অংশ থাকবে, তবে ইহা করবার ইখতিয়ার রয়েছে। আর যে মুকাতা‘আহ্ করেনি কিতাবাতকে বহাল রেখেছে সে যদি তার শরীক মুকাতা‘আকারী যতটুকুর উপর মুকাতা‘আহ্ করেছে ততটুকু গ্রহণ করে বা তার চাইতে বেশি। তবে মীরাস তাদের উভয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। কারণ সে তার প্রাপ্য গ্রহণ করেছে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব দুই ব্যক্তির মধ্যে (মিলিত মালিকানায়) রয়েছে। অতঃপর তাদের একজন তার অর্ধেক হকের উপর তার সাথীর অনুমতি নিয়ে মুকাতা‘আহ্ করেছে। অতঃপর যে শরীক দাসত্ব বহাল রাখার উপর অটল রয়েছে সে তার সাথী যতটুকুর উপর মুকাতা‘আহ্ করেছে ততটুকু হতে কম (অর্থ) গ্রহণ করেছে। তারপর গোলাম হয়েছে অপারক। মালিক (র) বলেন যে শরীক গোলামের সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে সে যা অতিরিক্ত নিয়েছে উহার অর্ধেক যদি তার সাথী (শরীক)-কে ফিরিয়ে দেয়া ভাল মনে করে তবে গোলাম তাদের উভয়ের মধ্যে সমভাবে বহাল থাকবে। আর যদি ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করে তবে মুকাতাবের সাথে তার যে সাথী (শরীক) মুকাতা‘আত করেছে তার হিস্সা পাবে দাসত্বকে যে বহাল রেখেছে সে। মালিক (র) বলেন এর ব্যাখ্যা হচ্ছে এই, (দৃষ্টান্তস্বরূপ) ক্রীতদাস দুই কর্তার মালিকানায় রয়েছে অর্ধেক অর্ধেক ভাগে। তারা উভয়ে উহার সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে। অতঃপর তাদের একজন তার হকের অর্ধেকের উপর মুকাতাবের সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে সাথীর অনুমতি নিয়ে আর এই অংশ হচ্ছে ক্রীতদাসের পূর্ণ মূল্যের এক-চতুর্থাংশ। অতঃপর মুকাতাব অপারগ হলে (এই অবস্থায়) মুকাতা‘আকারী শরীককে বলা হবে, তুমি যদি ইচ্ছা কর যা তুমি অতিরিক্ত গ্রহণ করেছ মুকাতা‘আহ্ দ্বারা উহার অর্ধেক তোমার সাথীকে ফিরিয়ে দাও, গোলাম তোমাদের উভয়ের মধ্যে থাকবে দুই ভাগে (অর্ধেক অর্ধেক)। আর সে ইহা না মানলে তবে যে শরীক কিতাবাতকে ধারণ করে রেখেছে (অর্থাৎ কিতাবাত চুক্তির উপর বহাল রয়েছে, মুকাতা‘আহ্ করেনি) সে তার সাথীর যেই অংশের উপর মুকাতা‘আহ্ করেনি, সে তার সাথীর যেই অংশের উপর মুকাতাবের সঙ্গে মুকাতা‘আহ্ করেছে উহার এক-চতুর্থাংশ পাবে, (পূর্বে) তার (মালিকানায়) ছিল গোলামের অর্ধেকাংশ, এইরূপে তার (মালিকানায়) এসে যাবে তিন-চতুর্থাংশ, আর মুকাতা‘আকারী শরীকের থাকবে গোলামের এক -চতুর্থাংশ। কারণ সে, যেই চতুর্থাংশের উপর মুকাতা‘আহ্ করেছিল উহার মূল্য ফেরত দিতে অস্বীকার করেছে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাবের সাথে তার কর্তা মুকাতা‘আহ্ করেছে এবং উহাকে আযাদ করে দিয়েছে এবং কিতা‘আঃ বাবদ অবশিষ্ট যা অনাদায়ী রয়েছে উহা ক্রীতদাসের উপর ঋণ স্বরূপ লিখে দিয়েছে, তারপর মুকাতাবের মৃত্যু হয়েছে এবং তার উপর আরও লোকের ঋণ রয়েছে। মালিক (র) বলেন ক্রীতদাসের উপর কিতা‘আত বাবদ কর্তা যা পাবে উহার জন্য তার কর্তা অন্যান্য ঋণদাতাদের সঙ্গে শরীক হয়ে অংশ ভাগ করতে পারবে না, বরং ঋণদাতাগণ আগে তাদের হক উশুল করে নিবে সেই অধিকার তাদের রয়েছে। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের উপর লোকের ঋণ থাকলে তার জন্য কর্তার সাথে মুকাতা‘আহ্ করা ঠিক নয়, (এইরূপ করলে) সে আযাদ হয়ে যাবে, অথচ তার কোন মাল নাই। (কারণ তার যাবতীয় মাল ঋণদাতাদের প্রাপ্য হয়েছে)। কারণ ঋণদাতাগণ তার কর্তা অপেক্ষা তার মালের বেশি হকদার, তাই এইরূপ করা মুকাতাবের জন্য জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট মাসআলা এই, যে ব্যক্তি গোলামের সাথে মুকাতাবাত করেছে, অতঃপর স্বর্ণের বিনিময়ে উহার সাথে মুকাতা‘আহ্ করল এবং ক্রীতদাসের জিম্মায় যে “বদল-এ কিতাবাত” (আদায়যোগ্য অর্থ) রয়েছে তা মাফ করে দিল এই শর্তে যে, যে স্বর্ণের উপর মুকাতা‘আহ্ হয়েছে উহা সে কর্তাকে নগদ পরিশোধ করবে এইরূপ করাতে কোন দোষনেই। একে যিনি মাকরূহ্ বলেছেন, তিনি এই জন্য মাকরূহ বলেছেন যে, তিনি একে ঋণের মতো গণ্য করেছেন। এক ব্যক্তির উপর অন্য ব্যক্তির নির্দিষ্ট সময়ে আদায়যোগ্য ঋণ রয়েছে, ঋণদাতা ঋণের কিছু অংশ মাফ করে দিল নগদ অর্থ নিয়ে (এটা জায়েয নয়, কাজেই মুকাতা‘আতেও নগদ অর্থের শর্তে কিছু মাফ করে দিলে উহা জায়েয হবে না)। মালিক (র) বলেন এটা ঋণের মতো নয়, কারণ কর্তার সাথে মুকাতাবের কিতা‘আত করার উদ্দেশ্য হচ্ছে, কর্তাকে কিছু মাল সে দিবে যেন সে আযাদী ত্বরান্বিত করে। ফলে তার জন্য মীরাস এবং সাক্ষ্যদান ও হুদূদের অধিকার ওয়াজিব হবে এবং সাব্যস্ত হবে তার জন্য আযাদী ও সম্মান। সে কোন দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম বা স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ খরিদ করেনি। এর দৃষ্টান্ত এইরূপ যেমন এক ব্যক্তি তার গোলামকে বলল- তুমি এত দীনার যদি নিয়ে আস, তবে তুমি আযাদ, তারপর ইহা হতে কিছু কমিয়ে দিল এবং বলল, আমার নিকট নির্ধারিত অর্থ হতে কিছু কম উপস্থিত করলেও তুমি আযাদ। ইহা গোলামের জিম্মায় জরুরী হয়েছে এমন কোন ঋণ নয়, যদি উহা (মুকাতা‘আহ্) ঋণ হত তবে মুকাতাব মারা গেলে অথবা মুফলিস (রিক্ত হস্ত) হলে কর্তা অন্যান্য ঋণদাতার সাথে মিলিত হয়ে তার অংশ আদায় করত এবং তাদের সাথে “বদল-এ কিতাবাত” আদায়ের ব্যাপারে শামিল হয়ে যেত।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মু সালামাহ (রা) স্বর্ণ এবং রৌপ্যের বিনিময়ে তাঁর মুকাতাবদের সঙ্গে মুকাতা‘আহ্ (কমানোর চুক্তি) করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের কাছে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হল এই- যে মুকাতাব দুই শরীকের মালিকানাতে রয়েছে, অপর শরীকের অনুমতি ছাড়া এক শরীকের জন্য তার হিস্সাতে মুকাতা‘আহ্ করা বৈধ নয়। এটা এইজন্য যে, ক্রীতদাস এবং তার মাল উভয়ের মধ্যে মিলিত, কাজেই তাদের একজনের জন্য উহার মাল হতে কিছু অংশ গ্রহণ করা জায়েয নয়, কিন্তু অপর শরীক যদি অনুমতি দেয় (তবে বৈধ হবে)। আর যদি তাদের একজন মুকাতাবের সাথে মুকাতা‘আহ্ (“বদল-এ কিতাবাত হতে কমাবার চুক্তি”) করে অপর শরীক ছাড়া, অতঃপর উহা সে গ্রহণ করে। তারপর মুকাতাবের মৃত্যু হয় এবং উহার নিকট মাল থাকে অথবা সে (অর্থ আদায়ে) অক্ষম হয়ে যায়, তবে যে (শরীক) মুকাতা‘আহ্ করেছে সে মুকাতাবের মাল হতে কিছুই পাবে না। আর বিনিময় অর্থের যে অংশ সে মুকাতা‘আহ্ করেছে অর্থাৎ কমিয়ে দিয়েছে সে উহা ফেরত দিয়ে মুকাতাবের রাকাবা (গর্দান অর্থাৎ দাসত্বের অধিকারী হওয়া)-তে তার (সাবেক) হকের দিকে ফিরে যাওয়ার করার ইখতিয়ারও তার থাকবে না। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার শরীকের অনুমতি নিয়ে মুকাতাবের সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে, অতঃপর মুকাতাব অপারগ হয়েছে, তবে যে মুকাতা‘আহ্ (কমাবার চুক্তি) করেছে সে মুকাতা‘আহ্ অনুযায়ী যে অর্থ মুকাতাব হতে গ্রহণ করেছে সে অর্থ ফেরত দিয়ে পুনরায় মুকাতাবের মধ্যে তার অংশের অধিকারী হতে পছন্দ করলে এটা তার জন্য বৈধ হবে। আর যদি মুকাতাব মাল রেখে মারা যায় তবে যার কিতাবাত অবশিষ্ট রয়েছে (অর্থাৎ যে মুকাতা‘আহ্ করেনিই সে) মুকাতাব-এর উপর তার যে হক রয়েছে তা মুকাতাবের মাল হতে পূর্ণভাবে উশুল করবে। অতঃপর মুকাতাবের যে মাল অবশিষ্ট থাকে উহা যে মুকাতা‘আহ্ করেছে তার এবং তার অপর শরীকের মধ্যে বন্টন করা হবে মুকাতাবের উভয়ের মধ্যে হিস্সা অনুযায়ী। আর যদি দুই জনের এক জন মুকাতাবের সাথে মুতাকা‘আহ্ করে, অন্য শরীক তার সাথী কিতাবাতের উপর স্থির থাকে, অতঃপর মুকাতাব অর্থ আদায়ে অপারগ হয়, তবে যে মুকাতা‘আহ্ করেছে তাকে বলা হবে যে, আপনি ইচ্ছা করলে যা আপনি গ্রহণ করেছেন উহার অর্ধেক আপনার সাথীকে দিয়ে দিতে পারেন, গোলাম আপনাদের উভয়ের মধ্যে থাকবে অর্ধেক অর্ধেক। আর যদি আপনি এটা অস্বীকার করেন তবে গোলাম সম্পূর্ণ সেই শরীকের হবে, যে শরীক মুকাতা‘আহ্ না করে মুকাতাবকে যেমন ছিল তেমনি রেখে দিয়েছে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব দুই ব্যক্তির শরীকানাতে রয়েছে, তাদের একজন তার সাথীর (শরীক) অনুমতি নিয়ে মুকাতাবের সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে, অতঃপর যে শরীক দাস রেখে দিয়েছে সে গ্রহণ করল (মুকাতাব হতে) ততটুকু যতটুকুর উপর তার সাথী শরীক মুকাতা‘আহ্ করেছে অথবা ততোধিক। তারপর মুকাতাব অক্ষম হল, মালিক (র) বলেন গোলাম তাদের উভয়ের মধ্যে থাকবে। কারণ সে মুকাতাবের উপর তার যে হক রয়েছে উহা গ্রহণ করেছে, [কাজেই মুকাতা‘আহ্ যে করেনি সে, মুকুতা‘আহ্ যে করেছে তার নিকট হতে কিছুই পাবে না] আর যে মুকাতা‘আহ্ করেনি সে যদি মুকাতাআ‘কারী অপেক্ষা কম গ্রহণ করে থাকে, অতঃপর মুকাতাব অপারগ হয়ে পড়ে, আর যে মুকাতা‘আহ্ করেছে সে যা অতিরিক্ত পেয়েছে উহা হতে তার সাথী (শরীক)-কে অর্ধেক ফিরিয়ে দেয়াকে পছন্দ করে, এতে গোলাম উভয়ের মধ্যে হবে অর্ধেক অর্ধেক, তবে তার জন্য এর ইখতিয়ার রয়েছে। আর সে যদি এটা অস্বীকার করে তবে মুকাতা‘আহ্ যে (শরীক) করে নি গোলাম সম্পূর্ণ সে শরীকের জন্য হবে। আর যদি মুকাতাবের মৃত্যু হয় এবং সে মাল রেখে যায় এবং যে (শরীক) মুকাতা‘আহ্ করেছে সে যা বেশি পেয়েছে এটা হতে তার সাথী (শরীক)-কে অর্ধেক ফিরিয়ে দিতে পছন্দ করে তবে মীরাস তাদের উভয়ের মধ্যে মুশতারাক বা সমান অংশ থাকবে, তবে ইহা করবার ইখতিয়ার রয়েছে। আর যে মুকাতা‘আহ্ করেনি কিতাবাতকে বহাল রেখেছে সে যদি তার শরীক মুকাতা‘আকারী যতটুকুর উপর মুকাতা‘আহ্ করেছে ততটুকু গ্রহণ করে বা তার চাইতে বেশি। তবে মীরাস তাদের উভয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। কারণ সে তার প্রাপ্য গ্রহণ করেছে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব দুই ব্যক্তির মধ্যে (মিলিত মালিকানায়) রয়েছে। অতঃপর তাদের একজন তার অর্ধেক হকের উপর তার সাথীর অনুমতি নিয়ে মুকাতা‘আহ্ করেছে। অতঃপর যে শরীক দাসত্ব বহাল রাখার উপর অটল রয়েছে সে তার সাথী যতটুকুর উপর মুকাতা‘আহ্ করেছে ততটুকু হতে কম (অর্থ) গ্রহণ করেছে। তারপর গোলাম হয়েছে অপারক। মালিক (র) বলেন যে শরীক গোলামের সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে সে যা অতিরিক্ত নিয়েছে উহার অর্ধেক যদি তার সাথী (শরীক)-কে ফিরিয়ে দেয়া ভাল মনে করে তবে গোলাম তাদের উভয়ের মধ্যে সমভাবে বহাল থাকবে। আর যদি ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করে তবে মুকাতাবের সাথে তার যে সাথী (শরীক) মুকাতা‘আত করেছে তার হিস্সা পাবে দাসত্বকে যে বহাল রেখেছে সে। মালিক (র) বলেন এর ব্যাখ্যা হচ্ছে এই, (দৃষ্টান্তস্বরূপ) ক্রীতদাস দুই কর্তার মালিকানায় রয়েছে অর্ধেক অর্ধেক ভাগে। তারা উভয়ে উহার সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে। অতঃপর তাদের একজন তার হকের অর্ধেকের উপর মুকাতাবের সাথে মুকাতা‘আহ্ করেছে সাথীর অনুমতি নিয়ে আর এই অংশ হচ্ছে ক্রীতদাসের পূর্ণ মূল্যের এক-চতুর্থাংশ। অতঃপর মুকাতাব অপারগ হলে (এই অবস্থায়) মুকাতা‘আকারী শরীককে বলা হবে, তুমি যদি ইচ্ছা কর যা তুমি অতিরিক্ত গ্রহণ করেছ মুকাতা‘আহ্ দ্বারা উহার অর্ধেক তোমার সাথীকে ফিরিয়ে দাও, গোলাম তোমাদের উভয়ের মধ্যে থাকবে দুই ভাগে (অর্ধেক অর্ধেক)। আর সে ইহা না মানলে তবে যে শরীক কিতাবাতকে ধারণ করে রেখেছে (অর্থাৎ কিতাবাত চুক্তির উপর বহাল রয়েছে, মুকাতা‘আহ্ করেনি) সে তার সাথীর যেই অংশের উপর মুকাতা‘আহ্ করেনি, সে তার সাথীর যেই অংশের উপর মুকাতাবের সঙ্গে মুকাতা‘আহ্ করেছে উহার এক-চতুর্থাংশ পাবে, (পূর্বে) তার (মালিকানায়) ছিল গোলামের অর্ধেকাংশ, এইরূপে তার (মালিকানায়) এসে যাবে তিন-চতুর্থাংশ, আর মুকাতা‘আকারী শরীকের থাকবে গোলামের এক -চতুর্থাংশ। কারণ সে, যেই চতুর্থাংশের উপর মুকাতা‘আহ্ করেছিল উহার মূল্য ফেরত দিতে অস্বীকার করেছে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাবের সাথে তার কর্তা মুকাতা‘আহ্ করেছে এবং উহাকে আযাদ করে দিয়েছে এবং কিতা‘আঃ বাবদ অবশিষ্ট যা অনাদায়ী রয়েছে উহা ক্রীতদাসের উপর ঋণ স্বরূপ লিখে দিয়েছে, তারপর মুকাতাবের মৃত্যু হয়েছে এবং তার উপর আরও লোকের ঋণ রয়েছে। মালিক (র) বলেন ক্রীতদাসের উপর কিতা‘আত বাবদ কর্তা যা পাবে উহার জন্য তার কর্তা অন্যান্য ঋণদাতাদের সঙ্গে শরীক হয়ে অংশ ভাগ করতে পারবে না, বরং ঋণদাতাগণ আগে তাদের হক উশুল করে নিবে সেই অধিকার তাদের রয়েছে। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের উপর লোকের ঋণ থাকলে তার জন্য কর্তার সাথে মুকাতা‘আহ্ করা ঠিক নয়, (এইরূপ করলে) সে আযাদ হয়ে যাবে, অথচ তার কোন মাল নাই। (কারণ তার যাবতীয় মাল ঋণদাতাদের প্রাপ্য হয়েছে)। কারণ ঋণদাতাগণ তার কর্তা অপেক্ষা তার মালের বেশি হকদার, তাই এইরূপ করা মুকাতাবের জন্য জায়েয নয়। মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট মাসআলা এই, যে ব্যক্তি গোলামের সাথে মুকাতাবাত করেছে, অতঃপর স্বর্ণের বিনিময়ে উহার সাথে মুকাতা‘আহ্ করল এবং ক্রীতদাসের জিম্মায় যে “বদল-এ কিতাবাত” (আদায়যোগ্য অর্থ) রয়েছে তা মাফ করে দিল এই শর্তে যে, যে স্বর্ণের উপর মুকাতা‘আহ্ হয়েছে উহা সে কর্তাকে নগদ পরিশোধ করবে এইরূপ করাতে কোন দোষনেই। একে যিনি মাকরূহ্ বলেছেন, তিনি এই জন্য মাকরূহ বলেছেন যে, তিনি একে ঋণের মতো গণ্য করেছেন। এক ব্যক্তির উপর অন্য ব্যক্তির নির্দিষ্ট সময়ে আদায়যোগ্য ঋণ রয়েছে, ঋণদাতা ঋণের কিছু অংশ মাফ করে দিল নগদ অর্থ নিয়ে (এটা জায়েয নয়, কাজেই মুকাতা‘আতেও নগদ অর্থের শর্তে কিছু মাফ করে দিলে উহা জায়েয হবে না)। মালিক (র) বলেন এটা ঋণের মতো নয়, কারণ কর্তার সাথে মুকাতাবের কিতা‘আত করার উদ্দেশ্য হচ্ছে, কর্তাকে কিছু মাল সে দিবে যেন সে আযাদী ত্বরান্বিত করে। ফলে তার জন্য মীরাস এবং সাক্ষ্যদান ও হুদূদের অধিকার ওয়াজিব হবে এবং সাব্যস্ত হবে তার জন্য আযাদী ও সম্মান। সে কোন দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম বা স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ খরিদ করেনি। এর দৃষ্টান্ত এইরূপ যেমন এক ব্যক্তি তার গোলামকে বলল- তুমি এত দীনার যদি নিয়ে আস, তবে তুমি আযাদ, তারপর ইহা হতে কিছু কমিয়ে দিল এবং বলল, আমার নিকট নির্ধারিত অর্থ হতে কিছু কম উপস্থিত করলেও তুমি আযাদ। ইহা গোলামের জিম্মায় জরুরী হয়েছে এমন কোন ঋণ নয়, যদি উহা (মুকাতা‘আহ্) ঋণ হত তবে মুকাতাব মারা গেলে অথবা মুফলিস (রিক্ত হস্ত) হলে কর্তা অন্যান্য ঋণদাতার সাথে মিলিত হয়ে তার অংশ আদায় করত এবং তাদের সাথে “বদল-এ কিতাবাত” আদায়ের ব্যাপারে শামিল হয়ে যেত।

حدثني مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقاطع مكاتبيها بالذهب والورق قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في المكاتب يكون بين الشريكين فإنه لا يجوز لأحدهما أن يقاطعه على حصته إلا بإذن شريكه وذلك أن العبد وماله بينهما فلا يجوز لأحدهما أن يأخذ شيئا من ماله إلا بإذن شريكه. ولو قاطعه أحدهما دون صاحبه ثم حاز ذلك ثم مات المكاتب وله مال أو عجز لم يكن لمن قاطعه شيء من ماله ولم يكن له أن يرد ما قاطعه عليه ويرجع حقه في رقبته ولكن من قاطع مكاتبا بإذن شريكه ثم عجز المكاتب فإن أحب الذي قاطعه أن يرد الذي أخذ منه من القطاعة ويكون على نصيبه من رقبة المكاتب كان ذلك له وإن مات المكاتب وترك مالا استوفى الذي بقيت له الكتابة حقه الذي بقي له على المكاتب من ماله ثم كان ما بقي من مال المكاتب بين الذي قاطعه وبين شريكه على قدر حصصهما في المكاتب وإن كان أحدهما قاطعه وتماسك صاحبه بالكتابة ثم عجز المكاتب قيل للذي قاطعه إن شئت أن ترد على صاحبك نصف الذي أخذت ويكون العبد بينكما شطرين وإن أبيت فجميع العبد للذي تمسك بالرق خالصا قال مالك في المكاتب يكون بين الرجلين فيقاطعه أحدهما بإذن صاحبه ثم يقتضي الذي تمسك بالرق مثل ما قاطع عليه صاحبه أو أكثر من ذلك ثم يعجز المكاتب قال مالك فهو بينهما لأنه إنما اقتضى الذي له عليه وإن اقتضى أقل مما أخذ الذي قاطعه ثم عجز المكاتب فأحب الذي قاطعه أن يرد على صاحبه نصف ما تفضله به ويكون العبد بينهما نصفين فذلك له وإن أبى فجميع العبد للذي لم يقاطعه وإن مات المكاتب وترك مالا فأحب الذي قاطعه أن يرد على صاحبه نصف ما تفضله به ويكون الميراث بينهما فذلك له وإن كان الذي تمسك بالكتابة قد أخذ مثل ما قاطع عليه شريكه أو أفضل فالميراث بينهما بقدر ملكهما لأنه إنما أخذ حقه قال مالك في المكاتب يكون بين الرجلين فيقاطع أحدهما على نصف حقه بإذن صاحبه ثم يقبض الذي تمسك بالرق أقل مما قاطع عليه صاحبه ثم يعجز المكاتب قال مالك إن أحب الذي قاطع العبد أن يرد على صاحبه نصف ما تفضله به كان العبد بينهما شطرين وإن أبى أن يرد فللذي تمسك بالرق حصة صاحبه الذي كان قاطع عليه المكاتب قال مالك وتفسير ذلك أن العبد يكون بينهما شطرين فيكاتبانه جميعا ثم يقاطع أحدهما المكاتب على نصف حقه بإذن صاحبه وذلك الربع من جميع العبد ثم يعجز المكاتب فيقال للذي قاطعه إن شئت فاردد على صاحبك نصف ما فضلته به ويكون العبد بينكما شطرين وإن أبى كان للذي تمسك بالكتابة ربع صاحبه الذي قاطع المكاتب عليه خالصا وكان له نصف العبد فذلك ثلاثة أرباع العبد وكان للذي قاطع ربع العبد لأنه أبى أن يرد ثمن ربعه الذي قاطع عليه قال مالك في المكاتب يقاطعه سيده فيعتق ويكتب عليه.ما بقي من قطاعته دينا عليه ثم يموت المكاتب وعليه دين للناس قال مالك فإن سيده لا يحاص غرماءه بالذي عليه من قطاعته ولغرمائه أن يبدءوا عليه قال مالك ليس للمكاتب أن يقاطع سيده إذا كان عليه دين للناس فيعتق ويصير لا شيء له لأن أهل الدين أحق بماله من سيده فليس ذلك بجائز له قال مالك الأمر عندنا في الرجل يكاتب عبده ثم يقاطعه بالذهب فيضع عنه مما عليه من الكتابة على أن يعجل له ما قاطعه عليه أنه ليس بذلك بأس وإنما كره ذلك من كرهه لأنه أنزله بمنزلة الدين يكون للرجل على الرجل إلى أجل فيضع عنه وينقده وليس هذا مثل الدين إنما كانت قطاعة المكاتب سيده على أن يعطيه مالا في أن يتعجل العتق فيجب له الميراث والشهادة والحدود وتثبت له حرمة العتاقة ولم يشتر دراهم بدراهم ولا ذهبا بذهب وإنما مثل ذلك مثل رجل قال لغلامه ائتني بكذا وكذا دينارا وأنت حر فوضع عنه من ذلك فقال إن جئتني بأقل من ذلك فأنت حر فليس هذا دينا ثابتا ولو كان دينا ثابتا لحاص به السيد غرماء المكاتب إذا مات أو أفلس فدخل معهم في مال مكاتبه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাব কর্তৃক কাউকে আঘাত করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯০

قال مالك أحسن ما سمعت في المكاتب يجرح الرجل جرحا يقع فيه العقل عليه أن المكاتب إن قوي على أن يؤدي عقل ذلك الجرح مع كتابته أداه وكان على كتابته فإن لم يقو على ذلك فقد عجز عن كتابته وذلك أنه ينبغي أن يؤدي عقل ذلك الجرح قبل الكتابة فإن هو عجز عن أداء عقل ذلك الجرح خير سيده فإن أحب أن يؤدي عقل ذلك الجرح فعل وأمسك غلامه وصار عبدا مملوكا وإن شاء أن يسلم العبد إلى المجروح أسلمه وليس على السيد أكثر من أن يسلم عبده. قال مالك في القوم يكاتبون جميعا فيجرح أحدهم جرحا فيه عقل قال مالك من جرح منهم جرحا فيه عقل قيل له وللذين معه في الكتابة أدوا جميعا عقل ذلك الجرح فإن أدوا ثبتوا على كتابتهم وإن لم يؤدوا فقد عجزوا ويخير سيدهم فإن شاء أدى عقل ذلك الجرح ورجعوا عبيدا له جميعا وإن شاء أسلم الجارح وحده ورجع الآخرون عبيدا له جميعا بعجزهم عن أداء عقل ذلك الجرح الذي جرح صاحبهم. قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أن المكاتب إذا أصيب بجرح يكون له فيه عقل أو أصيب أحد من ولد المكاتب الذين معه في كتابته فإن عقلهم عقل العبيد في قيمتهم وأن ما أخذ لهم من عقلهم يدفع إلى سيدهم الذي له الكتابة ويحسب ذلك للمكاتب في آخر كتابته فيوضع عنه ما أخذ سيده من دية جرحه. قال مالك وتفسير ذلك أنه كأنه كاتبه على ثلاثة آلاف درهم وكان دية جرحه الذي أخذها سيده ألف درهم فإذا أدى. المكاتب إلى سيده ألفي درهم فهو حر وإن كان الذي بقي عليه من كتابته ألف درهم وكان الذي أخذ من دية جرحه ألف درهم فقد عتق وإن كان عقل جرحه أكثر مما بقي على المكاتب أخذ سيد المكاتب ما بقي من كتابته وعتق وكان ما فضل بعد أداء كتابته للمكاتب ولا ينبغي أن يدفع إلى المكاتب شيء من دية جرحه فيأكله ويستهلكه فإن عجز رجع إلى سيده أعور أو مقطوع اليد أو معضوب الجسد وإنما كاتبه سيده على ماله وكسبه ولم يكاتبه على أن يأخذ ثمن ولده ولا ما أصيب من عقل جسده فيأكله ويستهلكه ولكن عقل جراحات المكاتب وولده الذين ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم يدفع إلى سيده ويحسب ذلك له في آخر كتابته.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

এই বিষয়ে অতি উত্তম কথা যা শুনেছি তা এই যে, মুকাতাব কোন ব্যক্তিকে আঘাত করেছে যাতে দীয়্যত (খেসারত) ওয়াজিব। মুকাতাব যদি “বদল-এ কিতাবাত”-সহ এই জখমের ক্ষতিপূরণ দিতে সক্ষম থাকে তবে উহা আদায় করবে এবং সে কিতাবাতের উপর (বহাল) থাকবে। আর যদি সে সমর্থ না হয়, তবে সে কিতাবাত বহাল রাখতে অক্ষম হল। কারণ কিতাবাতের (অর্থ পরিশোধের) পূর্বে এই আঘাতের দীয়্যত পরিশোধ করা ওয়াজিব। সে যদি আঘাতের দীয়্যত পরিশোধ করতে অক্ষম হয় তবে তার কর্তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে, যদি সে পছন্দ করে তবে আঘাতের ক্ষতিপূরণ দিবে এবং গোলাম তার দাস হিসেবেই থাকবে। আর যদি ইচ্ছা করে গোলামকে জখমি ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করবে তাহলে তাই করবে। আর কর্তার উপর গোলামকে সোপার্দ করে দেয়া ছাড়া অন্য কোন দায়িত্বনেই। মালিক (র) বলেন ক্রীতদাসদের একদল সকলে একত্রে মুকাতাবাত করেছে। তারপর তাদের একজন কাউকেও এমন আঘাত করেছে যাতে দীয়্যত ওয়াজিব হয়। মালিক (র) বলেন ক্ষতিপূরণ ওয়াজিব হয় এমন আঘাত এদের মধ্যে যে ক্রীতদাস করেছে সে ক্রীতদাসকে এবং কিতাবাত চুক্তিতে উহার সাথে আর যারা রয়েছে তাদেরকে বলা হবে, তোমরা সকলে এই আঘাতের ক্ষতিপূরণ দাও, তারা যদি ক্ষতিপূরণ আদায় করে তবে সকলে কিতাবাতের উপর বহাল থাকবে। আর তারা তা আদায় না করলে তারা অপারগ বলে প্রমাণিত হল। তাদের কর্তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে। যদি সে ইচ্ছা করে এই আঘাতের ক্ষতিপূরণ দিবে, ক্রীতদাস সকলেই তার গোলাম থাকবে। আর সে যদি ইচ্ছা করে কেবলমাত্র আঘাতকারীকে জখমি ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করবে। তাদের সাথী যে আঘাত করেছিল সেই আঘাতের ক্ষতিপূরণ দিতে তারা অক্ষম হওয়ায় তাদের সকলেই কর্তার ক্রীতদাসরূপে থাকবে। মালিক (র) বলেন যে মাসআলাতে আমাদের মধ্যে কোন মতভেদ নেই, তা এই মুকাতাব নিজে যদি এমন কোন আঘাত অন্যের দ্বারা পায় যাতে ক্ষতিপূরণ পেতে পারে। অথবা মুকাতাবের সন্তানদের কেউ এইরূপ আঘাত পায় যারা কিতাবাতে মুকাতাবের সাথে শামিল রয়েছে। তবে উহাদের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্য হবে ক্রীতদাসের ক্ষতিপূরণ তাদের মূল্য অনুসারে, আর তাদের জন্য গৃহীত ক্ষতিপূরণ হবে তাদের কর্তার জন্য যিনি কিতাবাত করেছেন। আর মুকাতাব যে মাল (কর্তাকে) দিয়েছে উহা কিতাবাতের শেষে হিসাব করা হবে, অতঃপর আঘাতের ক্ষতিপূরণ হতে কর্তা যা গ্রহণ করেছে উহা মুকাতাব হতে বাদ দেয়া হবে। মালিক (র) বলেন এর ব্যাখ্যা এই যে, কর্তা ক্রীতদাসের সাথে মুকাতাবাত করেছে তিন হাজার দিরহামের বিনিময়ে, আর ক্রীতদাসের আঘাতের খেসারত হচ্ছে এক হাজার দিরহাম যা তার কর্তা গ্রহণ করেছে। অতঃপর মুকাতাব যদি তার কর্তাকে দুই হাজার দিরহাম আদায় করে তবে সে আযাদ হয়ে যাবে। আর যদি এমন হয় যে, তার কিতাবাতের অবশিষ্ট রয়েছে এক হাজার দিরহাম, পক্ষান্তরে তার আঘাতের দীয়্যত যা গ্রহণ করেছিল উহা ছিল দুই হাজার দিরহাম তবে মুকাতাব আযাদ হয়ে গিয়েছে। কিতাবাত-এর অর্থ পরিশোধ করার পর যা অবশিষ্ট থাকবে তা মুকাতাব ফেরত পাবে। আর মুকাতাবকে তার আঘাতের দীয়্যত হতে কোন কিছু দেয়া জায়েয নয়। কারণ সে উহা ব্যয় করে ফেলবে, বরবাদ করে ফেলবে; যখন অপারগ হবে তখন তার কর্তার দিকে ফিরবে টেরা চক্ষু, হাত কাটা, ক্ষত দেহ অবস্থায়। কারণ কর্তা তার সাথে মুকাতাবাত করেছে তার মাল ও উপার্জনের উপর। কর্তা তার সাথে এই ব্যাপারে মুকাতাবাত করেনি, সন্তানের মূল্য গ্রহণ করবে এবং সে তার দেহের আঘাতের যে খেসারত পেয়েছে ও উহা ব্যয় করেছে এবং বরবাদ করে ফেলেছে তার উপরও মুকাতাবাত করা হয়নি। তবে খেসারত দেয়া হবে মুকাতাবের জখমের এবং মুকাতাবের সন্তানদের জখমের ও সেই সন্তানদের যারা কিতাবাত কার্যকর হওয়াকালীন জন্মগ্রহণ করেছে অথবা যেই সন্তানদের উল্লেখ করে কিতাবাত হয়েছিল। সেই দীয়্যত কর্তাকে দেয়া হবে বটে তবে কিতাবাতের শেষ দিকে উহা হিসাব করা হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

এই বিষয়ে অতি উত্তম কথা যা শুনেছি তা এই যে, মুকাতাব কোন ব্যক্তিকে আঘাত করেছে যাতে দীয়্যত (খেসারত) ওয়াজিব। মুকাতাব যদি “বদল-এ কিতাবাত”-সহ এই জখমের ক্ষতিপূরণ দিতে সক্ষম থাকে তবে উহা আদায় করবে এবং সে কিতাবাতের উপর (বহাল) থাকবে। আর যদি সে সমর্থ না হয়, তবে সে কিতাবাত বহাল রাখতে অক্ষম হল। কারণ কিতাবাতের (অর্থ পরিশোধের) পূর্বে এই আঘাতের দীয়্যত পরিশোধ করা ওয়াজিব। সে যদি আঘাতের দীয়্যত পরিশোধ করতে অক্ষম হয় তবে তার কর্তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে, যদি সে পছন্দ করে তবে আঘাতের ক্ষতিপূরণ দিবে এবং গোলাম তার দাস হিসেবেই থাকবে। আর যদি ইচ্ছা করে গোলামকে জখমি ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করবে তাহলে তাই করবে। আর কর্তার উপর গোলামকে সোপার্দ করে দেয়া ছাড়া অন্য কোন দায়িত্বনেই। মালিক (র) বলেন ক্রীতদাসদের একদল সকলে একত্রে মুকাতাবাত করেছে। তারপর তাদের একজন কাউকেও এমন আঘাত করেছে যাতে দীয়্যত ওয়াজিব হয়। মালিক (র) বলেন ক্ষতিপূরণ ওয়াজিব হয় এমন আঘাত এদের মধ্যে যে ক্রীতদাস করেছে সে ক্রীতদাসকে এবং কিতাবাত চুক্তিতে উহার সাথে আর যারা রয়েছে তাদেরকে বলা হবে, তোমরা সকলে এই আঘাতের ক্ষতিপূরণ দাও, তারা যদি ক্ষতিপূরণ আদায় করে তবে সকলে কিতাবাতের উপর বহাল থাকবে। আর তারা তা আদায় না করলে তারা অপারগ বলে প্রমাণিত হল। তাদের কর্তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে। যদি সে ইচ্ছা করে এই আঘাতের ক্ষতিপূরণ দিবে, ক্রীতদাস সকলেই তার গোলাম থাকবে। আর সে যদি ইচ্ছা করে কেবলমাত্র আঘাতকারীকে জখমি ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করবে। তাদের সাথী যে আঘাত করেছিল সেই আঘাতের ক্ষতিপূরণ দিতে তারা অক্ষম হওয়ায় তাদের সকলেই কর্তার ক্রীতদাসরূপে থাকবে। মালিক (র) বলেন যে মাসআলাতে আমাদের মধ্যে কোন মতভেদ নেই, তা এই মুকাতাব নিজে যদি এমন কোন আঘাত অন্যের দ্বারা পায় যাতে ক্ষতিপূরণ পেতে পারে। অথবা মুকাতাবের সন্তানদের কেউ এইরূপ আঘাত পায় যারা কিতাবাতে মুকাতাবের সাথে শামিল রয়েছে। তবে উহাদের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্য হবে ক্রীতদাসের ক্ষতিপূরণ তাদের মূল্য অনুসারে, আর তাদের জন্য গৃহীত ক্ষতিপূরণ হবে তাদের কর্তার জন্য যিনি কিতাবাত করেছেন। আর মুকাতাব যে মাল (কর্তাকে) দিয়েছে উহা কিতাবাতের শেষে হিসাব করা হবে, অতঃপর আঘাতের ক্ষতিপূরণ হতে কর্তা যা গ্রহণ করেছে উহা মুকাতাব হতে বাদ দেয়া হবে। মালিক (র) বলেন এর ব্যাখ্যা এই যে, কর্তা ক্রীতদাসের সাথে মুকাতাবাত করেছে তিন হাজার দিরহামের বিনিময়ে, আর ক্রীতদাসের আঘাতের খেসারত হচ্ছে এক হাজার দিরহাম যা তার কর্তা গ্রহণ করেছে। অতঃপর মুকাতাব যদি তার কর্তাকে দুই হাজার দিরহাম আদায় করে তবে সে আযাদ হয়ে যাবে। আর যদি এমন হয় যে, তার কিতাবাতের অবশিষ্ট রয়েছে এক হাজার দিরহাম, পক্ষান্তরে তার আঘাতের দীয়্যত যা গ্রহণ করেছিল উহা ছিল দুই হাজার দিরহাম তবে মুকাতাব আযাদ হয়ে গিয়েছে। কিতাবাত-এর অর্থ পরিশোধ করার পর যা অবশিষ্ট থাকবে তা মুকাতাব ফেরত পাবে। আর মুকাতাবকে তার আঘাতের দীয়্যত হতে কোন কিছু দেয়া জায়েয নয়। কারণ সে উহা ব্যয় করে ফেলবে, বরবাদ করে ফেলবে; যখন অপারগ হবে তখন তার কর্তার দিকে ফিরবে টেরা চক্ষু, হাত কাটা, ক্ষত দেহ অবস্থায়। কারণ কর্তা তার সাথে মুকাতাবাত করেছে তার মাল ও উপার্জনের উপর। কর্তা তার সাথে এই ব্যাপারে মুকাতাবাত করেনি, সন্তানের মূল্য গ্রহণ করবে এবং সে তার দেহের আঘাতের যে খেসারত পেয়েছে ও উহা ব্যয় করেছে এবং বরবাদ করে ফেলেছে তার উপরও মুকাতাবাত করা হয়নি। তবে খেসারত দেয়া হবে মুকাতাবের জখমের এবং মুকাতাবের সন্তানদের জখমের ও সেই সন্তানদের যারা কিতাবাত কার্যকর হওয়াকালীন জন্মগ্রহণ করেছে অথবা যেই সন্তানদের উল্লেখ করে কিতাবাত হয়েছিল। সেই দীয়্যত কর্তাকে দেয়া হবে বটে তবে কিতাবাতের শেষ দিকে উহা হিসাব করা হবে।

قال مالك أحسن ما سمعت في المكاتب يجرح الرجل جرحا يقع فيه العقل عليه أن المكاتب إن قوي على أن يؤدي عقل ذلك الجرح مع كتابته أداه وكان على كتابته فإن لم يقو على ذلك فقد عجز عن كتابته وذلك أنه ينبغي أن يؤدي عقل ذلك الجرح قبل الكتابة فإن هو عجز عن أداء عقل ذلك الجرح خير سيده فإن أحب أن يؤدي عقل ذلك الجرح فعل وأمسك غلامه وصار عبدا مملوكا وإن شاء أن يسلم العبد إلى المجروح أسلمه وليس على السيد أكثر من أن يسلم عبده. قال مالك في القوم يكاتبون جميعا فيجرح أحدهم جرحا فيه عقل قال مالك من جرح منهم جرحا فيه عقل قيل له وللذين معه في الكتابة أدوا جميعا عقل ذلك الجرح فإن أدوا ثبتوا على كتابتهم وإن لم يؤدوا فقد عجزوا ويخير سيدهم فإن شاء أدى عقل ذلك الجرح ورجعوا عبيدا له جميعا وإن شاء أسلم الجارح وحده ورجع الآخرون عبيدا له جميعا بعجزهم عن أداء عقل ذلك الجرح الذي جرح صاحبهم. قال مالك الأمر الذي لا اختلاف فيه عندنا أن المكاتب إذا أصيب بجرح يكون له فيه عقل أو أصيب أحد من ولد المكاتب الذين معه في كتابته فإن عقلهم عقل العبيد في قيمتهم وأن ما أخذ لهم من عقلهم يدفع إلى سيدهم الذي له الكتابة ويحسب ذلك للمكاتب في آخر كتابته فيوضع عنه ما أخذ سيده من دية جرحه. قال مالك وتفسير ذلك أنه كأنه كاتبه على ثلاثة آلاف درهم وكان دية جرحه الذي أخذها سيده ألف درهم فإذا أدى. المكاتب إلى سيده ألفي درهم فهو حر وإن كان الذي بقي عليه من كتابته ألف درهم وكان الذي أخذ من دية جرحه ألف درهم فقد عتق وإن كان عقل جرحه أكثر مما بقي على المكاتب أخذ سيد المكاتب ما بقي من كتابته وعتق وكان ما فضل بعد أداء كتابته للمكاتب ولا ينبغي أن يدفع إلى المكاتب شيء من دية جرحه فيأكله ويستهلكه فإن عجز رجع إلى سيده أعور أو مقطوع اليد أو معضوب الجسد وإنما كاتبه سيده على ماله وكسبه ولم يكاتبه على أن يأخذ ثمن ولده ولا ما أصيب من عقل جسده فيأكله ويستهلكه ولكن عقل جراحات المكاتب وولده الذين ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم يدفع إلى سيده ويحسب ذلك له في آخر كتابته.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00