মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুদাব্বারকে বিক্রয় করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫০৫

قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في المدبر أن صاحبه لا يبيعه ولا يحوله عن موضعه الذي وضعه فيه وأنه إن رهق سيده دين فإن غرماءه لا يقدرون على بيعه ما عاش سيده فإن مات سيده ولا دين عليه فهو في ثلثه لأنه استثنى عليه عمله ما عاش فليس له أن يخدمه حياته ثم يعتقه على ورثته إذا مات من رأس ماله وإن مات سيد المدبر ولا مال له غيره عتق ثلثه وكان ثلثاه لورثته فإن مات سيد المدبر وعليه دين محيط بالمدبر بيع في دينه لأنه إنما يعتق في الثلث قال فإن كان الدين لا يحيط إلا بنصف العبد بيع نصفه للدين ثم عتق ثلث ما بقي بعد الدين قال مالك لا يجوز بيع المدبر ولا يجوز لأحد أن يشتريه إلا أن يشتري المدبر نفسه من سيده فيكون ذلك جائزا له أو يعطي أحد سيد المدبر مالا ويعتقه سيده الذي دبره فذلك يجوز له أيضا قال مالك وولاؤه لسيده الذي دبره قال مالك لا يجوز بيع خدمة المدبر لأنه غرر إذ لا يدرى كم يعيش سيده فذلك غرر لا يصلح و قال مالك في العبد يكون بين الرجلين فيدبر أحدهما حصته إنهما يتقاومانه فإن اشتراه الذي دبره كان مدبرا كله وإن لم يشتره انتقض تدبيره إلا أن يشاء الذي بقي له فيه الرق أن يعطيه شريكه الذي دبره بقيمته فإن أعطاه إياه بقيمته لزمه ذلك وكان مدبرا كله و قال مالك في رجل نصراني دبر عبدا له نصرانيا فأسلم العبد قال مالك يحال بينه وبين العبد ويخارج على سيده النصراني ولا يباع عليه حتى يتبين أمره فإن هلك النصراني وعليه دين قضي دينه من ثمن المدبر إلا أن يكون في ماله ما يحمل الدين فيعتق المدبر

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

মুদাব্বারের ব্যাপারে আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই- তার কর্তা তাকে বিক্রয় করবে না। উহাকে যেই স্থানে মুদাব্বার করেছে সেই স্থান হতে অন্যত্র নিয়ে যাবে না; এবং তার কর্তার উপর যদি ঋণের চাপ থাকে তবে তার কর্তা যতদিন জীবিত থাকবে ততদিন কর্তার ঋণদাতাগণ তাকে বিক্রয় করবে না। কর্তার যদি মৃত্যু হয় এবং তার জিম্মায় ঋণ না থাকে তবে মুদাব্বার কর্তার সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ হতে আযাদ হবে। কারণ সে তার জীবিতকাল পর্যন্ত ক্রীতদাসের আযাদী হতে তার খেদমতকে পৃথক করেছিল, তাই তার জন্য ক্রীতদাস হতে জীবদ্দশায় খেদমত গ্রহণ করা বৈধ নয়। অতঃপর মৃত্যুর সময উপস্থিত হলে (যখন উহা ওয়ারিসদের হক হবার সময় উপস্থিত তখন) তার সম্পূর্ণ সম্পদ হতে ওয়ারিসদের মীরাসের উপর হস্তক্ষেপ করে উহাকে আযাদ করে দিবে। আর যদি মুদাব্বারের কর্তার মৃত্যু হয় এই অবস্থায় যে মুদাব্বার ব্যতীত তার আর কোন সম্পদ নেই, তবে উহার এক-তৃতীয়াংশ আযাদ হবে এবং ওয়ারিসদের জন্য হবে (অবশিষ্ট) দুই-তৃতীয়াংশ, আর যদি মুদাব্বারের কর্তার মৃত্যু হয় এমতাবস্থায় যে তার ঋণ রয়েছে, আর সেই ঋণ মুদাব্বারের (মূল্যের) সমপরিমাণ হয়, তবে উহাকে কর্তার ঋণ পরিশোধের জন্য বিক্রয় করা হবে। কারণ উহাকে আযাদ করা হয় এক-তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে, আর যদি ঋণ মুদাব্বারের অর্ধেক পরিমাণ হয়, তবে উহার অর্ধেক ঋণের জন্য বিক্রয় করা হবে। অতঃপর ঋণের পর যা অবশিষ্ট থাকবে উহার এক-তৃতীয়াংশ হতে তাকে আযাদ করা হবে। মালিক (র) বলেন মুদাব্বারকে বিক্রয় করা জায়েয নয় এবং কারো পক্ষে উহা খরিদ করাও জায়েয নয়, কিন্তু মুদাব্বার যদি নিজেকে কর্তা হতে ক্রয় করে নেয়, তবে উহা জায়েয হবে। অথবা কেউ মুদাব্বারের কর্তাকে অর্থ দিল, মুদাব্বারকারী কর্তা উহাকে আযাদ করে দিল, তবে ইহাও তার জন্য বৈধ হবে। মালিক (র) বলেন, উহার (অর্থাৎ মুদাব্বারের) উত্তরাধিকার হবে সেই কর্তার, যে কর্তা তাকে মুদাব্বার করেছে। মালিক (র) বলেন মুদাব্বারের খেদমত বিক্রয় জায়েয নয় এবং এটা এক প্রকার প্রতারণা। কারণ উহার কর্তা কতদিন জীবিত থাকবে তা অজানা, কাজেই উহা (এক প্রকার) প্রতারণা যা মঙ্গল নয়। মালিক (র) বলেন একটি ক্রীতদাস দুইজনের শরীকানায় রয়েছে। উহাদের একজন তার হিস্সাকে মুদাব্বার করে দিল। তবে তারা উভয়ে উহার মূল্য ধার্য করবে (এর পর) যে মুদাব্বার করেছে সে যদি (অপর অংশী হতে) ক্রয় করে নেয়, তবে উহা পূর্ণ মুদাব্বার হয়ে যাবে। আর যদি উহাকে ক্রয় না করে তবে মুদাব্বার করা বাতিল হয়ে যাবে। কিন্তু যদি যে অংশীর মালিকানা অংশ উহাতে বহাল রয়েছে সে যদি তার যে শরীক মুদাব্বার করেছে সে শরীকের নিকট হতে তার অংশের মূল্য গ্রহণ করে তাকে (ক্রীতদাসকে পূর্ণরূপে) দিয়ে দেয় তবে তার (যে মুদাব্বার করেছে) জন্য উহা গ্রহণ করা জুরুরী হবে। ফলে ক্রীতদাস পূর্ণরূপে মুদাব্বার হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন কোন খ্রিস্টান স্বীয় খ্রিস্টান ক্রীতদাসকে মুদাব্বার করে, অতঃপর ক্রীতদাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। মালিক (র) বলেন পৃথক করা হবে সেই খ্রিস্টান ও তার ক্রীতদাসকে, আর তার কর্তার পক্ষে ক্রীতদাসটি খাজনা আদায় করবে। কর্তার অবস্থা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তাকে (ক্রীতদাসকে) বিক্রয় করা হবে না। আর যদি তার কর্তার মৃত্যু হয় এবং তার ঋণ থাকে তবে তার ঋণ পরিশোধ করা হবে মুদাব্বারের মূল্য হতে। কিন্তু ঋণ পরিশোধ করবার মতো যদি তার সম্পদ থাকে তবে সম্পদ হতে ঋণ পরিশোধ করা হবে এবং মুদাব্বার আযাদ হয়ে যাবে (এক-তৃতীয়াংশ হতে)।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

মুদাব্বারের ব্যাপারে আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই- তার কর্তা তাকে বিক্রয় করবে না। উহাকে যেই স্থানে মুদাব্বার করেছে সেই স্থান হতে অন্যত্র নিয়ে যাবে না; এবং তার কর্তার উপর যদি ঋণের চাপ থাকে তবে তার কর্তা যতদিন জীবিত থাকবে ততদিন কর্তার ঋণদাতাগণ তাকে বিক্রয় করবে না। কর্তার যদি মৃত্যু হয় এবং তার জিম্মায় ঋণ না থাকে তবে মুদাব্বার কর্তার সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ হতে আযাদ হবে। কারণ সে তার জীবিতকাল পর্যন্ত ক্রীতদাসের আযাদী হতে তার খেদমতকে পৃথক করেছিল, তাই তার জন্য ক্রীতদাস হতে জীবদ্দশায় খেদমত গ্রহণ করা বৈধ নয়। অতঃপর মৃত্যুর সময উপস্থিত হলে (যখন উহা ওয়ারিসদের হক হবার সময় উপস্থিত তখন) তার সম্পূর্ণ সম্পদ হতে ওয়ারিসদের মীরাসের উপর হস্তক্ষেপ করে উহাকে আযাদ করে দিবে। আর যদি মুদাব্বারের কর্তার মৃত্যু হয় এই অবস্থায় যে মুদাব্বার ব্যতীত তার আর কোন সম্পদ নেই, তবে উহার এক-তৃতীয়াংশ আযাদ হবে এবং ওয়ারিসদের জন্য হবে (অবশিষ্ট) দুই-তৃতীয়াংশ, আর যদি মুদাব্বারের কর্তার মৃত্যু হয় এমতাবস্থায় যে তার ঋণ রয়েছে, আর সেই ঋণ মুদাব্বারের (মূল্যের) সমপরিমাণ হয়, তবে উহাকে কর্তার ঋণ পরিশোধের জন্য বিক্রয় করা হবে। কারণ উহাকে আযাদ করা হয় এক-তৃতীয়াংশ সম্পদ হতে, আর যদি ঋণ মুদাব্বারের অর্ধেক পরিমাণ হয়, তবে উহার অর্ধেক ঋণের জন্য বিক্রয় করা হবে। অতঃপর ঋণের পর যা অবশিষ্ট থাকবে উহার এক-তৃতীয়াংশ হতে তাকে আযাদ করা হবে। মালিক (র) বলেন মুদাব্বারকে বিক্রয় করা জায়েয নয় এবং কারো পক্ষে উহা খরিদ করাও জায়েয নয়, কিন্তু মুদাব্বার যদি নিজেকে কর্তা হতে ক্রয় করে নেয়, তবে উহা জায়েয হবে। অথবা কেউ মুদাব্বারের কর্তাকে অর্থ দিল, মুদাব্বারকারী কর্তা উহাকে আযাদ করে দিল, তবে ইহাও তার জন্য বৈধ হবে। মালিক (র) বলেন, উহার (অর্থাৎ মুদাব্বারের) উত্তরাধিকার হবে সেই কর্তার, যে কর্তা তাকে মুদাব্বার করেছে। মালিক (র) বলেন মুদাব্বারের খেদমত বিক্রয় জায়েয নয় এবং এটা এক প্রকার প্রতারণা। কারণ উহার কর্তা কতদিন জীবিত থাকবে তা অজানা, কাজেই উহা (এক প্রকার) প্রতারণা যা মঙ্গল নয়। মালিক (র) বলেন একটি ক্রীতদাস দুইজনের শরীকানায় রয়েছে। উহাদের একজন তার হিস্সাকে মুদাব্বার করে দিল। তবে তারা উভয়ে উহার মূল্য ধার্য করবে (এর পর) যে মুদাব্বার করেছে সে যদি (অপর অংশী হতে) ক্রয় করে নেয়, তবে উহা পূর্ণ মুদাব্বার হয়ে যাবে। আর যদি উহাকে ক্রয় না করে তবে মুদাব্বার করা বাতিল হয়ে যাবে। কিন্তু যদি যে অংশীর মালিকানা অংশ উহাতে বহাল রয়েছে সে যদি তার যে শরীক মুদাব্বার করেছে সে শরীকের নিকট হতে তার অংশের মূল্য গ্রহণ করে তাকে (ক্রীতদাসকে পূর্ণরূপে) দিয়ে দেয় তবে তার (যে মুদাব্বার করেছে) জন্য উহা গ্রহণ করা জুরুরী হবে। ফলে ক্রীতদাস পূর্ণরূপে মুদাব্বার হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন কোন খ্রিস্টান স্বীয় খ্রিস্টান ক্রীতদাসকে মুদাব্বার করে, অতঃপর ক্রীতদাস ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে। মালিক (র) বলেন পৃথক করা হবে সেই খ্রিস্টান ও তার ক্রীতদাসকে, আর তার কর্তার পক্ষে ক্রীতদাসটি খাজনা আদায় করবে। কর্তার অবস্থা স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত তাকে (ক্রীতদাসকে) বিক্রয় করা হবে না। আর যদি তার কর্তার মৃত্যু হয় এবং তার ঋণ থাকে তবে তার ঋণ পরিশোধ করা হবে মুদাব্বারের মূল্য হতে। কিন্তু ঋণ পরিশোধ করবার মতো যদি তার সম্পদ থাকে তবে সম্পদ হতে ঋণ পরিশোধ করা হবে এবং মুদাব্বার আযাদ হয়ে যাবে (এক-তৃতীয়াংশ হতে)।

قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في المدبر أن صاحبه لا يبيعه ولا يحوله عن موضعه الذي وضعه فيه وأنه إن رهق سيده دين فإن غرماءه لا يقدرون على بيعه ما عاش سيده فإن مات سيده ولا دين عليه فهو في ثلثه لأنه استثنى عليه عمله ما عاش فليس له أن يخدمه حياته ثم يعتقه على ورثته إذا مات من رأس ماله وإن مات سيد المدبر ولا مال له غيره عتق ثلثه وكان ثلثاه لورثته فإن مات سيد المدبر وعليه دين محيط بالمدبر بيع في دينه لأنه إنما يعتق في الثلث قال فإن كان الدين لا يحيط إلا بنصف العبد بيع نصفه للدين ثم عتق ثلث ما بقي بعد الدين قال مالك لا يجوز بيع المدبر ولا يجوز لأحد أن يشتريه إلا أن يشتري المدبر نفسه من سيده فيكون ذلك جائزا له أو يعطي أحد سيد المدبر مالا ويعتقه سيده الذي دبره فذلك يجوز له أيضا قال مالك وولاؤه لسيده الذي دبره قال مالك لا يجوز بيع خدمة المدبر لأنه غرر إذ لا يدرى كم يعيش سيده فذلك غرر لا يصلح و قال مالك في العبد يكون بين الرجلين فيدبر أحدهما حصته إنهما يتقاومانه فإن اشتراه الذي دبره كان مدبرا كله وإن لم يشتره انتقض تدبيره إلا أن يشاء الذي بقي له فيه الرق أن يعطيه شريكه الذي دبره بقيمته فإن أعطاه إياه بقيمته لزمه ذلك وكان مدبرا كله و قال مالك في رجل نصراني دبر عبدا له نصرانيا فأسلم العبد قال مالك يحال بينه وبين العبد ويخارج على سيده النصراني ولا يباع عليه حتى يتبين أمره فإن هلك النصراني وعليه دين قضي دينه من ثمن المدبر إلا أن يكون في ماله ما يحمل الدين فيعتق المدبر


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুদাব্বারের (অন্যকে) জখম করা প্রসঙ্গে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫০৬

حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى في المدبر إذا جرح أن لسيده أن يسلم ما يملك منه إلى المجروح فيختدمه المجروح ويقاصه بجراحه من دية جرحه فإن أدى قبل أن يهلك سيده رجع إلى سيده قال مالك والأمر عندنا في المدبر إذا جرح ثم هلك سيده وليس له مال غيره أنه يعتق ثلثه ثم يقسم عقل الجرح أثلاثا فيكون ثلث العقل على الثلث الذي عتق منه ويكون ثلثاه على الثلثين اللذين بأيدي الورثة إن شاءوا أسلموا الذي لهم منه إلى صاحب الجرح وإن شاءوا أعطوه ثلثي العقل وأمسكوا نصيبهم من العبد وذلك أن عقل ذلك الجرح إنما كانت جنايته من العبد ولم تكن دينا على السيد فلم يكن ذلك الذي أحدث العبد بالذي يبطل ما صنع السيد من عتقه وتدبيره فإن كان على سيد العبد دين للناس مع جناية العبد بيع من المدبر بقدر عقل الجرح وقدر الدين ثم يبدأ بالعقل الذي كان في جناية العبد فيقضى من ثمن العبد ثم يقضى دين سيده ثم ينظر إلى ما بقي بعد ذلك من العبد فيعتق ثلثه ويبقى ثلثاه للورثة وذلك أن جناية العبد هي أولى من دين سيده وذلك أن الرجل إذا هلك وترك عبدا مدبرا قيمته خمسون ومائة دينار وكان العبد قد شج رجلا حرا موضحة عقلها خمسون دينارا وكان على سيد العبد من الدين خمسون دينارا قال مالك فإنه يبدأ بالخمسين دينارا التي في عقل الشجة فتقضى من ثمن العبد ثم يقضى دين سيده ثم ينظر إلى ما بقي من العبد فيعتق ثلثه ويبقى ثلثاه للورثة فالعقل أوجب في رقبته من دين سيده ودين سيده أوجب من التدبير الذي إنما هو وصية في ثلث مال الميت فلا ينبغي أن يجوز شيء من التدبير وعلى سيد المدبر دين لم يقض وإنما هو وصية وذلك أن الله تبارك وتعالى قال { من بعد وصية يوصى بها أو دين } قال مالك فإن كان في ثلث الميت ما يعتق فيه المدبر كله عتق وكان عقل جنايته دينا عليه يتبع به بعد عتقه وإن كان ذلك العقل الدية كاملة وذلك إذا لم يكن على سيده دين و قال مالك في المدبر إذا جرح رجلا فأسلمه سيده إلى المجروح ثم هلك سيده وعليه دين ولم يترك مالا غيره فقال الورثة نحن نسلمه إلى صاحب الجرح وقال صاحب الدين أنا أزيد على ذلك إنه إذا زاد الغريم شيئا فهو أولى به ويحط عن الذي عليه الدين قدر ما زاد الغريم على دية الجرح فإن لم يزد شيئا لم يأخذ العبد و قال مالك في المدبر إذا جرح وله مال فأبى سيده أن يفتديه فإن المجروح يأخذ مال المدبر في دية جرحه فإن كان فيه وفاء استوفى المجروح دية جرحه ورد المدبر إلى سيده وإن لم يكن فيه وفاء اقتضاه من دية جرحه واستعمل المدبر بما بقي له من دية جرحه

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) মুদাব্বারের ব্যাপারে ফয়সালা করেছেন যে, সে জখম করলে তার কর্তার জন্য ওয়াজিব হবে উহা হতে, সে যে বস্তুর মালিক [অর্থাৎ ক্রীতদাসের খেদমত] তা জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করে দেয়া। জখমী ব্যক্তি উহা (মুদাব্বার ক্রীতদাস) হতে আদায় করবে এবং উহাকে জখমের কিসাস গণ্য করবে জখমের দীয়্যত [খেসারত] বাবদ। অতঃপর খেদমত দ্বারা তার কর্তার মৃত্যুর পূর্বে যদি দীয়্যত পরিশোধ হয়ে যায় তবে (পরিশোধের পর) তার কর্তার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন মুদাব্বারের ব্যাপারে আমাদের নিকট মাসআলা এই, মুদাব্বার যদি (কাউকেও) জখম করে তারপর তার কর্তা পরলোকগমন করে এবং তার কর্তার নিকট সে ব্যতীত অন্য কোন মাল নেই, তবে মুদাব্বারের এক-তৃতীয়াংশ আযাদ হবে। অতঃপর জখমের দীয়্যতকে তিন অংশে ভাগ করা হবে। তারপর দীয়্যতের এক-তৃতীয়াংশ হবে মুদাব্বারের যে এক-তৃতীয়াংশ আযাদ হয়েছে সেই অংশের ভাগে [অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশ মুদাব্বার আদায় করবে] অবশিষ্ট দুই-তৃতীয়াংশ হবে ওয়ারিসদের হস্তে যে দুই-তৃতীয়াংশ (মুদাব্বারের) রয়েছে সেই দুই-তৃতীয়াংশের ভাগে। তাদের ইচ্ছা হলে তারা তাদের অংশ জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করবে [সে দুই-তৃতীয়াংশ হতে দীয়্যত পরিমাণ খেদমত আদায় করবে] কিংবা ইচ্ছা করলে তারা দীয়্যতের দুই-তৃতীয়াংশ জখমী ব্যক্তিকে প্রদান করবে এবং ক্রীতদাস হতে নিজেদের অংশ ২/৩ নিজেদের দখলে রাখবে। ইহার কারণ এই, জখম করাটা অপরাধ ছিল ক্রীতদাসের, এই জখমের দীয়্যত গোলামের কর্তার উপর ঋণ হবে না (এই দীয়্যত গোলামকেই আদায় করতে হবে)। তাই তার কর্তা যে কার্য সম্পাদন করেছে তাকে মুদাব্বার করে ও তার আযাদীর ব্যবস্থা করে উহা মুদাব্বারের সদ্য অপরাধের ফলে বাতিল হয়ে যাবে না। যদি ক্রীতদাসের কর্তার জিম্মায় লোকের ঋণ থাকে- ক্রীতদাসের অপরাধের খেসারতসহ, তবে জখমের দীয়্যত ও (কর্তার) ঋণ পরিমাণ অংশ দাস হতে বিক্রয় করা হবে তারপর সর্বপ্রথম গোলামের অপরাধের খেসারত আদায় করা হবে গোলামের মূল্য হতে; তারপর তার কর্তার ঋণ পরিশোধ করা হবে। তারপর গোলাম হতে অবশিষ্ট যা রইল উহার ব্যবস্থা হবে এরূপ- উহা হতে এক-তৃতীয়াংশ আযাদ হয়ে যাবে এবং অবশিষ্ট দুই-তৃতীয়াংশ হবে কর্তার ওয়ারিসদের জন্য। মোটকথা, গোলামের অপরাধের খেসারত কর্তার ঋণের আগে পরিশোধ করতে হবে, যেমন কোন এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, সে একজন মুদাব্বার দাস রেখে গিয়েছে যার মূল্য দেড়শত দীনার। সে একজন আযাদ ব্যক্তিকে এইরূপ জখম করেছে যাতে হাড় দৃষ্ট হয়, উহার দীয়্যত হচ্ছে পঞ্চাশ দীনার, আর দাসের কর্তার ঋণ ছিল পঞ্চাশ দীনার। মালিক (র) বলেন, এই অবস্থায় সর্বপ্রথম জখমের দীয়্যত পঞ্চাশ দীনার পরিশোধ করা হবে গোলামের মূল্য হতে, অতঃপর তার কর্তার ঋণ শোধ করা হবে, তারপর গোলাম হতে (৫০ দীনার) যা অবশিষ্ট রইল উহার ব্যবস্থা করা হবে এইভাবে যে, উহা হতে গোলামের এক-তৃতীয়াংশ আযাদ করা হবে, অবশিষ্ট দুই-তৃতীয়াংশ থাকবে কর্তার ওয়ারিসদের জন্য। দীয়্যত মুদাব্বারের জিম্বায় কর্তার ঋণের তুলনায় বেশি দরকারী, আর মুদাব্বারের কর্তার ঋণ মুদাব্বারের তদবীর (অর্থাৎ আযাদী) হতে বেশি জরুরী; যা মৃত ব্যক্তির এক-তৃতীয়াংশ মাল হতে ওসীয়্যত বটে, তাই মুদাব্বারের কর্তার জিম্মায় ঋণ অপরিশোধিত রেখে মুদাব্বারের তদবীর (আযাদী) কার্যকর করা জায়েয হবে না। কারণ আযাদী প্রদানের চুক্তি হচ্ছে ওসীয়্যত। এই সম্পর্কে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصَى بِهَا أَوْ دَيْنٍ ওসীয়্যত অথবা ঋণ পরিশোধের পর (ঋণ সর্বসম্মতভাবে ওসীয়্যতের উপর অগ্রাধিকার লাভ করে)। মালিক (র) বলেন যদি মৃত ব্যক্তির এক-তৃতীয়াংশে মুদাব্বারের সম্পূর্ণ আযাদ হওয়ার সংকুলান হয় তবে (মুদাব্বার সম্পূর্ণ) আযাদ হয়ে যাবে, তার অপরাধের খেসারত তার উপর ঋণ থাকবে। জখমী ব্যক্তি আযাদী লাভের পর (খেসারত আদায়ের জন্য) তাকে বাধ্য করবে, যদিওবা সেই খেসারত পূর্ণ দীয়্যত হয়ে থাকে। কিন্তু কর্তার জিম্মায় ঋণ না থাকলে তখন এই ব্যবস্থা (অন্যথায় ঋণ পরিশোধের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে)। মালিক (র) বলেন যে মুদাব্বার কোন ব্যক্তিকে জখম করেছে, অতঃপর তার কর্তা তাকে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করেছে, তারপর তার কর্তার মৃত্যু হয়েছে। কর্তার উপর রয়েছে ঋণ আর সে এই দাস ব্যতীত অন্য কোন মাল রেখে যায়নি। অতঃপর ওয়ারিসগণ বলল- আমরা একে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করব। ঋণদাতা বলল, আমি এর মূল্য বাড়িয়ে দিব। মালিক (র) বলেন, ঋণদাতা যখন মূল্য বাড়িয়ে দিল, তখন মুদাব্বারকে পাওয়ার অধিক উপযুক্ত পাত্র সেই। জখমের দীয়্যতের উপর ঋণদাতা যা বৃদ্ধি করল উহা যার উপর ঋণ রয়েছে [ঋণগ্রহীতা কর্তা] তার ঋণ হতে কমানো হবে। আর যদি মূল্য বৃদ্ধি না করে তবে সে দাস গ্রহণ করবে না। মালিক (র) বলেন মুদাব্বার যদি কাউকেও জখম করে এবং তার নিকট মাল থাকে, অতঃপর তার কর্তা তার খেসারত বহন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তবে জখমী ব্যক্তি জখমের দীয়্যত বাবদ মুদাব্বারের মাল কব্জা করবে। যদি সেই মালে খেসারত পূর্ণভাবে আদায় হয়ে যায় তবে জখমী ব্যক্তি (তথা হতে) জখমের দীয়্যত পূর্ণ গ্রহণ করবে এবং মুদাব্বারের মাল কব্জা করবে। এবং মুদাব্বারকে তার কর্তার নিকট ফিরিয়ে দিবে। আর যদি উহা খেসারত পূর্ণ আদায় হওয়ার মতো সম্পদ না হয় তবে যা উশুল হয় সেই পরিমাণ খেসারত বাবদ গ্রহণ করে অবশিষ্টের জন্য ক্রীতদাস হতে খেদমত নিবে।

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র) মুদাব্বারের ব্যাপারে ফয়সালা করেছেন যে, সে জখম করলে তার কর্তার জন্য ওয়াজিব হবে উহা হতে, সে যে বস্তুর মালিক [অর্থাৎ ক্রীতদাসের খেদমত] তা জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করে দেয়া। জখমী ব্যক্তি উহা (মুদাব্বার ক্রীতদাস) হতে আদায় করবে এবং উহাকে জখমের কিসাস গণ্য করবে জখমের দীয়্যত [খেসারত] বাবদ। অতঃপর খেদমত দ্বারা তার কর্তার মৃত্যুর পূর্বে যদি দীয়্যত পরিশোধ হয়ে যায় তবে (পরিশোধের পর) তার কর্তার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন মুদাব্বারের ব্যাপারে আমাদের নিকট মাসআলা এই, মুদাব্বার যদি (কাউকেও) জখম করে তারপর তার কর্তা পরলোকগমন করে এবং তার কর্তার নিকট সে ব্যতীত অন্য কোন মাল নেই, তবে মুদাব্বারের এক-তৃতীয়াংশ আযাদ হবে। অতঃপর জখমের দীয়্যতকে তিন অংশে ভাগ করা হবে। তারপর দীয়্যতের এক-তৃতীয়াংশ হবে মুদাব্বারের যে এক-তৃতীয়াংশ আযাদ হয়েছে সেই অংশের ভাগে [অর্থাৎ এক-তৃতীয়াংশ মুদাব্বার আদায় করবে] অবশিষ্ট দুই-তৃতীয়াংশ হবে ওয়ারিসদের হস্তে যে দুই-তৃতীয়াংশ (মুদাব্বারের) রয়েছে সেই দুই-তৃতীয়াংশের ভাগে। তাদের ইচ্ছা হলে তারা তাদের অংশ জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করবে [সে দুই-তৃতীয়াংশ হতে দীয়্যত পরিমাণ খেদমত আদায় করবে] কিংবা ইচ্ছা করলে তারা দীয়্যতের দুই-তৃতীয়াংশ জখমী ব্যক্তিকে প্রদান করবে এবং ক্রীতদাস হতে নিজেদের অংশ ২/৩ নিজেদের দখলে রাখবে। ইহার কারণ এই, জখম করাটা অপরাধ ছিল ক্রীতদাসের, এই জখমের দীয়্যত গোলামের কর্তার উপর ঋণ হবে না (এই দীয়্যত গোলামকেই আদায় করতে হবে)। তাই তার কর্তা যে কার্য সম্পাদন করেছে তাকে মুদাব্বার করে ও তার আযাদীর ব্যবস্থা করে উহা মুদাব্বারের সদ্য অপরাধের ফলে বাতিল হয়ে যাবে না। যদি ক্রীতদাসের কর্তার জিম্মায় লোকের ঋণ থাকে- ক্রীতদাসের অপরাধের খেসারতসহ, তবে জখমের দীয়্যত ও (কর্তার) ঋণ পরিমাণ অংশ দাস হতে বিক্রয় করা হবে তারপর সর্বপ্রথম গোলামের অপরাধের খেসারত আদায় করা হবে গোলামের মূল্য হতে; তারপর তার কর্তার ঋণ পরিশোধ করা হবে। তারপর গোলাম হতে অবশিষ্ট যা রইল উহার ব্যবস্থা হবে এরূপ- উহা হতে এক-তৃতীয়াংশ আযাদ হয়ে যাবে এবং অবশিষ্ট দুই-তৃতীয়াংশ হবে কর্তার ওয়ারিসদের জন্য। মোটকথা, গোলামের অপরাধের খেসারত কর্তার ঋণের আগে পরিশোধ করতে হবে, যেমন কোন এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, সে একজন মুদাব্বার দাস রেখে গিয়েছে যার মূল্য দেড়শত দীনার। সে একজন আযাদ ব্যক্তিকে এইরূপ জখম করেছে যাতে হাড় দৃষ্ট হয়, উহার দীয়্যত হচ্ছে পঞ্চাশ দীনার, আর দাসের কর্তার ঋণ ছিল পঞ্চাশ দীনার। মালিক (র) বলেন, এই অবস্থায় সর্বপ্রথম জখমের দীয়্যত পঞ্চাশ দীনার পরিশোধ করা হবে গোলামের মূল্য হতে, অতঃপর তার কর্তার ঋণ শোধ করা হবে, তারপর গোলাম হতে (৫০ দীনার) যা অবশিষ্ট রইল উহার ব্যবস্থা করা হবে এইভাবে যে, উহা হতে গোলামের এক-তৃতীয়াংশ আযাদ করা হবে, অবশিষ্ট দুই-তৃতীয়াংশ থাকবে কর্তার ওয়ারিসদের জন্য। দীয়্যত মুদাব্বারের জিম্বায় কর্তার ঋণের তুলনায় বেশি দরকারী, আর মুদাব্বারের কর্তার ঋণ মুদাব্বারের তদবীর (অর্থাৎ আযাদী) হতে বেশি জরুরী; যা মৃত ব্যক্তির এক-তৃতীয়াংশ মাল হতে ওসীয়্যত বটে, তাই মুদাব্বারের কর্তার জিম্মায় ঋণ অপরিশোধিত রেখে মুদাব্বারের তদবীর (আযাদী) কার্যকর করা জায়েয হবে না। কারণ আযাদী প্রদানের চুক্তি হচ্ছে ওসীয়্যত। এই সম্পর্কে আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন مِنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصَى بِهَا أَوْ دَيْنٍ ওসীয়্যত অথবা ঋণ পরিশোধের পর (ঋণ সর্বসম্মতভাবে ওসীয়্যতের উপর অগ্রাধিকার লাভ করে)। মালিক (র) বলেন যদি মৃত ব্যক্তির এক-তৃতীয়াংশে মুদাব্বারের সম্পূর্ণ আযাদ হওয়ার সংকুলান হয় তবে (মুদাব্বার সম্পূর্ণ) আযাদ হয়ে যাবে, তার অপরাধের খেসারত তার উপর ঋণ থাকবে। জখমী ব্যক্তি আযাদী লাভের পর (খেসারত আদায়ের জন্য) তাকে বাধ্য করবে, যদিওবা সেই খেসারত পূর্ণ দীয়্যত হয়ে থাকে। কিন্তু কর্তার জিম্মায় ঋণ না থাকলে তখন এই ব্যবস্থা (অন্যথায় ঋণ পরিশোধের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে)। মালিক (র) বলেন যে মুদাব্বার কোন ব্যক্তিকে জখম করেছে, অতঃপর তার কর্তা তাকে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করেছে, তারপর তার কর্তার মৃত্যু হয়েছে। কর্তার উপর রয়েছে ঋণ আর সে এই দাস ব্যতীত অন্য কোন মাল রেখে যায়নি। অতঃপর ওয়ারিসগণ বলল- আমরা একে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করব। ঋণদাতা বলল, আমি এর মূল্য বাড়িয়ে দিব। মালিক (র) বলেন, ঋণদাতা যখন মূল্য বাড়িয়ে দিল, তখন মুদাব্বারকে পাওয়ার অধিক উপযুক্ত পাত্র সেই। জখমের দীয়্যতের উপর ঋণদাতা যা বৃদ্ধি করল উহা যার উপর ঋণ রয়েছে [ঋণগ্রহীতা কর্তা] তার ঋণ হতে কমানো হবে। আর যদি মূল্য বৃদ্ধি না করে তবে সে দাস গ্রহণ করবে না। মালিক (র) বলেন মুদাব্বার যদি কাউকেও জখম করে এবং তার নিকট মাল থাকে, অতঃপর তার কর্তা তার খেসারত বহন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে তবে জখমী ব্যক্তি জখমের দীয়্যত বাবদ মুদাব্বারের মাল কব্জা করবে। যদি সেই মালে খেসারত পূর্ণভাবে আদায় হয়ে যায় তবে জখমী ব্যক্তি (তথা হতে) জখমের দীয়্যত পূর্ণ গ্রহণ করবে এবং মুদাব্বারের মাল কব্জা করবে। এবং মুদাব্বারকে তার কর্তার নিকট ফিরিয়ে দিবে। আর যদি উহা খেসারত পূর্ণ আদায় হওয়ার মতো সম্পদ না হয় তবে যা উশুল হয় সেই পরিমাণ খেসারত বাবদ গ্রহণ করে অবশিষ্টের জন্য ক্রীতদাস হতে খেদমত নিবে।

حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى في المدبر إذا جرح أن لسيده أن يسلم ما يملك منه إلى المجروح فيختدمه المجروح ويقاصه بجراحه من دية جرحه فإن أدى قبل أن يهلك سيده رجع إلى سيده قال مالك والأمر عندنا في المدبر إذا جرح ثم هلك سيده وليس له مال غيره أنه يعتق ثلثه ثم يقسم عقل الجرح أثلاثا فيكون ثلث العقل على الثلث الذي عتق منه ويكون ثلثاه على الثلثين اللذين بأيدي الورثة إن شاءوا أسلموا الذي لهم منه إلى صاحب الجرح وإن شاءوا أعطوه ثلثي العقل وأمسكوا نصيبهم من العبد وذلك أن عقل ذلك الجرح إنما كانت جنايته من العبد ولم تكن دينا على السيد فلم يكن ذلك الذي أحدث العبد بالذي يبطل ما صنع السيد من عتقه وتدبيره فإن كان على سيد العبد دين للناس مع جناية العبد بيع من المدبر بقدر عقل الجرح وقدر الدين ثم يبدأ بالعقل الذي كان في جناية العبد فيقضى من ثمن العبد ثم يقضى دين سيده ثم ينظر إلى ما بقي بعد ذلك من العبد فيعتق ثلثه ويبقى ثلثاه للورثة وذلك أن جناية العبد هي أولى من دين سيده وذلك أن الرجل إذا هلك وترك عبدا مدبرا قيمته خمسون ومائة دينار وكان العبد قد شج رجلا حرا موضحة عقلها خمسون دينارا وكان على سيد العبد من الدين خمسون دينارا قال مالك فإنه يبدأ بالخمسين دينارا التي في عقل الشجة فتقضى من ثمن العبد ثم يقضى دين سيده ثم ينظر إلى ما بقي من العبد فيعتق ثلثه ويبقى ثلثاه للورثة فالعقل أوجب في رقبته من دين سيده ودين سيده أوجب من التدبير الذي إنما هو وصية في ثلث مال الميت فلا ينبغي أن يجوز شيء من التدبير وعلى سيد المدبر دين لم يقض وإنما هو وصية وذلك أن الله تبارك وتعالى قال { من بعد وصية يوصى بها أو دين } قال مالك فإن كان في ثلث الميت ما يعتق فيه المدبر كله عتق وكان عقل جنايته دينا عليه يتبع به بعد عتقه وإن كان ذلك العقل الدية كاملة وذلك إذا لم يكن على سيده دين و قال مالك في المدبر إذا جرح رجلا فأسلمه سيده إلى المجروح ثم هلك سيده وعليه دين ولم يترك مالا غيره فقال الورثة نحن نسلمه إلى صاحب الجرح وقال صاحب الدين أنا أزيد على ذلك إنه إذا زاد الغريم شيئا فهو أولى به ويحط عن الذي عليه الدين قدر ما زاد الغريم على دية الجرح فإن لم يزد شيئا لم يأخذ العبد و قال مالك في المدبر إذا جرح وله مال فأبى سيده أن يفتديه فإن المجروح يأخذ مال المدبر في دية جرحه فإن كان فيه وفاء استوفى المجروح دية جرحه ورد المدبر إلى سيده وإن لم يكن فيه وفاء اقتضاه من دية جرحه واستعمل المدبر بما بقي له من دية جرحه


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উম্মে ওয়ালাদ কর্তৃক জখম প্রসঙ্গ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৫০৭

قال مالك في أم الولد تجرح إن عقل ذلك الجرح ضامن على سيدها في ماله إلا أن يكون عقل ذلك الجرح أكثر من قيمة أم الولد فليس على سيدها أن يخرج أكثر من قيمتها وذلك أن رب العبد أو الوليدة إذا أسلم غلامه أو وليدته بجرح أصابه واحد منهما فليس عليه أكثر من ذلك وإن كثر العقل فإذا لم يستطع سيد أم الولد أن يسلمها لما مضى في ذلك من السنة فإنه إذا أخرج قيمتها فكأنه أسلمها فليس عليه أكثر من ذلك وهذا أحسن ما سمعت وليس عليه أن يحمل من جنايتها أكثر من قيمتها

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মে ওয়ালাদ যদি কাউকেও জখম করে তবে এই জখমের দীয়্যত কর্তাকে নিজ মাল হতে পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু উম্মে ওয়ালাদের মূল্য হতে জখমের দীয়্যত যদি অধিক হয়, তবে কর্তার জিম্মায় উহার মূল্যের অধিক দেয়া জরুরী হবে না। কারণ ক্রীতদাস এবং দাসীর কর্তা উহাদের একজন কর্তৃক কাউকেও জখম করার দরুন যদি দাস বা দাসীকে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করে দেয় তবে এর অতিরিক্ত তার উপর আর কিছু জরুরী হবে না। জখমের দীয়্যত বেশি হয়ে থাকলেও। কর্তা উম্মে ওয়ালাদকে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করতে পারবে না, এটাই নিয়ম। আর যখন সে উম্মে ওয়ালাদের মূল্য দিয়ে দিল, তবে যেন সে উম্মে ওয়ালাদকেই সোপর্দ করে দিল, তার উপর এর অধিক কিছু জরুরী নয়। এটাই সুন্দরতম যা (এই বিষয়ে) আমি শুনেছি। কর্তার জিম্মায় উম্মে ওয়ালাদের মূল্যের অধিক কোন খেসারত বহন করার দায়িত্ব নেই।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

উম্মে ওয়ালাদ যদি কাউকেও জখম করে তবে এই জখমের দীয়্যত কর্তাকে নিজ মাল হতে পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু উম্মে ওয়ালাদের মূল্য হতে জখমের দীয়্যত যদি অধিক হয়, তবে কর্তার জিম্মায় উহার মূল্যের অধিক দেয়া জরুরী হবে না। কারণ ক্রীতদাস এবং দাসীর কর্তা উহাদের একজন কর্তৃক কাউকেও জখম করার দরুন যদি দাস বা দাসীকে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করে দেয় তবে এর অতিরিক্ত তার উপর আর কিছু জরুরী হবে না। জখমের দীয়্যত বেশি হয়ে থাকলেও। কর্তা উম্মে ওয়ালাদকে জখমী ব্যক্তির নিকট সোপর্দ করতে পারবে না, এটাই নিয়ম। আর যখন সে উম্মে ওয়ালাদের মূল্য দিয়ে দিল, তবে যেন সে উম্মে ওয়ালাদকেই সোপর্দ করে দিল, তার উপর এর অধিক কিছু জরুরী নয়। এটাই সুন্দরতম যা (এই বিষয়ে) আমি শুনেছি। কর্তার জিম্মায় উম্মে ওয়ালাদের মূল্যের অধিক কোন খেসারত বহন করার দায়িত্ব নেই।

قال مالك في أم الولد تجرح إن عقل ذلك الجرح ضامن على سيدها في ماله إلا أن يكون عقل ذلك الجرح أكثر من قيمة أم الولد فليس على سيدها أن يخرج أكثر من قيمتها وذلك أن رب العبد أو الوليدة إذا أسلم غلامه أو وليدته بجرح أصابه واحد منهما فليس عليه أكثر من ذلك وإن كثر العقل فإذا لم يستطع سيد أم الولد أن يسلمها لما مضى في ذلك من السنة فإنه إذا أخرج قيمتها فكأنه أسلمها فليس عليه أكثر من ذلك وهذا أحسن ما سمعت وليس عليه أن يحمل من جنايتها أكثر من قيمتها


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00