মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের মীরাস প্রসঙ্গ যদি আযাদী প্রাপ্ত হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৪
حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن مكاتب كان بين رجلين فأعتق أحدهما نصيبه فمات المكاتب وترك مالا كثيرا فقال يؤدى إلى الذي تماسك بكتابته الذي بقي له ثم يقتسمان ما بقي بالسوية قال مالك إذا كاتب المكاتب فعتق فإنما يرثه أولى الناس بمن كاتبه من الرجال يوم توفي المكاتب من ولد أو عصبة قال وهذا أيضا في كل من أعتق فإنما ميراثه لأقرب الناس ممن أعتقه من ولد أو عصبة من الرجال يوم يموت المعتق بعد أن يعتق ويصير موروثا بالولاء قال مالك الإخوة في الكتابة بمنزلة الولد إذا كوتبوا جميعا كتابة واحدة إذا لم يكن لأحد منهم ولد كاتب عليهم أو ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم ثم هلك أحدهم وترك مالا أدي عنهم جميع ما عليهم من كتابتهم وعتقوا وكان فضل المال بعد ذلك لولده دون إخوته.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল জনৈক মুকাতাব সম্বন্ধে, যে (মুকাতাব) দুই ব্যক্তির যুক্ত মালিকানায় রয়েছে, অতঃপর এক শরীক তার অংশ আযাদ করে দিল। তারপর মুকাতাব মারা গেল এবং সে প্রচুর সম্পদ রেখে গেল, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বললেন যেই শরীক কিতাবাতের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে (অর্থাৎ আযাদ করেনি) সেই শরীকের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করা হবে। তারপর যা থেকে যায় উহা উভয়ে ভাগ করে নিবে সমান সমান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন মুকাতাব কিতাবাত চুক্তি করেছে। তারপর আযাদ হয়েছে ও মারা গিয়েছে। যেই কর্তা কিতাবাত করেছে মুকাতাবের মৃত্যুর দিন সেই কর্তার ছেলে অথবা কর্তার পুরুষ আত্মীয়দের মধ্যে আসাবার ভিতর আত্মীয়তার দিক দিয়ে যে নিকটতম সেই উক্ত মুকাতাবের মীরাস পাবে। [১] মালিক (র) বলেন এই হুকুম আরো জারি হবে সেই সকল ক্রীতদাসের ব্যাপারে যাদেরকে আযাদ করা হয়েছে, উহাদের মীরাস আযাদী দাতার সন্তান অথবা আসাবাদের হতে পুরুষের মধ্যে আযাদী দাতার নিকটতম ব্যক্তি পাবে। এই আত্মীয়তা নির্ধারিত হবে যেই দিন আযাদীপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে সেই দিন আযাদী পাওয়ার এবং উত্তরাধিকারসূত্রে মাওরূস [২] হওয়ার পর। মালিক (র) বলেন কিতাবাতে শরীক ভাইয়েরা সন্তানের মতো, যদি তারা একই কিতাবাতের মাধ্যমে মুকাতাব করে থাকে, তাদের কারো কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সন্তান পয়দা হয়েছে, এইরূপ সন্তান না থাকলে অথবা সন্তানকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত না করে থাকলে (তবে উপরিউক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে) কারণ ভাইয়েরা পরস্পর একে অপরের মীরাস পাবে। পক্ষান্তরে যদি তাদের কোন একজনের সন্তান থাকে যে সন্তান পয়দা হয়েছে কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অথবা উহাদেরকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এবং মাল রেখে গিয়েছে, তবে (সেই মাল হতে) সকলের তরফ হতে কিতাবাতের (অনাদায়ী) অর্থ পরিশোধ করা হবে। এর পর অবশিষ্ট যে মাল থাকবে সে মাল (মৃত ব্যক্তির) সন্তানেরা পাবে, ভাইগণ পাবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল জনৈক মুকাতাব সম্বন্ধে, যে (মুকাতাব) দুই ব্যক্তির যুক্ত মালিকানায় রয়েছে, অতঃপর এক শরীক তার অংশ আযাদ করে দিল। তারপর মুকাতাব মারা গেল এবং সে প্রচুর সম্পদ রেখে গেল, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বললেন যেই শরীক কিতাবাতের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে (অর্থাৎ আযাদ করেনি) সেই শরীকের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করা হবে। তারপর যা থেকে যায় উহা উভয়ে ভাগ করে নিবে সমান সমান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন মুকাতাব কিতাবাত চুক্তি করেছে। তারপর আযাদ হয়েছে ও মারা গিয়েছে। যেই কর্তা কিতাবাত করেছে মুকাতাবের মৃত্যুর দিন সেই কর্তার ছেলে অথবা কর্তার পুরুষ আত্মীয়দের মধ্যে আসাবার ভিতর আত্মীয়তার দিক দিয়ে যে নিকটতম সেই উক্ত মুকাতাবের মীরাস পাবে। [১] মালিক (র) বলেন এই হুকুম আরো জারি হবে সেই সকল ক্রীতদাসের ব্যাপারে যাদেরকে আযাদ করা হয়েছে, উহাদের মীরাস আযাদী দাতার সন্তান অথবা আসাবাদের হতে পুরুষের মধ্যে আযাদী দাতার নিকটতম ব্যক্তি পাবে। এই আত্মীয়তা নির্ধারিত হবে যেই দিন আযাদীপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে সেই দিন আযাদী পাওয়ার এবং উত্তরাধিকারসূত্রে মাওরূস [২] হওয়ার পর। মালিক (র) বলেন কিতাবাতে শরীক ভাইয়েরা সন্তানের মতো, যদি তারা একই কিতাবাতের মাধ্যমে মুকাতাব করে থাকে, তাদের কারো কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সন্তান পয়দা হয়েছে, এইরূপ সন্তান না থাকলে অথবা সন্তানকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত না করে থাকলে (তবে উপরিউক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে) কারণ ভাইয়েরা পরস্পর একে অপরের মীরাস পাবে। পক্ষান্তরে যদি তাদের কোন একজনের সন্তান থাকে যে সন্তান পয়দা হয়েছে কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অথবা উহাদেরকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এবং মাল রেখে গিয়েছে, তবে (সেই মাল হতে) সকলের তরফ হতে কিতাবাতের (অনাদায়ী) অর্থ পরিশোধ করা হবে। এর পর অবশিষ্ট যে মাল থাকবে সে মাল (মৃত ব্যক্তির) সন্তানেরা পাবে, ভাইগণ পাবে না।
حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن مكاتب كان بين رجلين فأعتق أحدهما نصيبه فمات المكاتب وترك مالا كثيرا فقال يؤدى إلى الذي تماسك بكتابته الذي بقي له ثم يقتسمان ما بقي بالسوية قال مالك إذا كاتب المكاتب فعتق فإنما يرثه أولى الناس بمن كاتبه من الرجال يوم توفي المكاتب من ولد أو عصبة قال وهذا أيضا في كل من أعتق فإنما ميراثه لأقرب الناس ممن أعتقه من ولد أو عصبة من الرجال يوم يموت المعتق بعد أن يعتق ويصير موروثا بالولاء قال مالك الإخوة في الكتابة بمنزلة الولد إذا كوتبوا جميعا كتابة واحدة إذا لم يكن لأحد منهم ولد كاتب عليهم أو ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم ثم هلك أحدهم وترك مالا أدي عنهم جميع ما عليهم من كتابتهم وعتقوا وكان فضل المال بعد ذلك لولده دون إخوته.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের ব্যাপারে শর্ত আরোপ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৫
حدثني مالك في رجل كاتب عبده بذهب أو ورق واشترط عليه في كتابته سفرا أو خدمة أو ضحية إن كل شيء من ذلك سمى باسمه ثم قوي المكاتب على أداء نجومه كلها قبل محلها قال إذا أدى نجومه كلها وعليه هذا الشرط عتق فتمت حرمته ونظر إلى ما شرط عليه من خدمة أو سفر أو ما أشبه ذلك مما يعالجه هو بنفسه فذلك موضوع عنه ليس لسيده فيه شيء وما كان من ضحية أو كسوة أو شيء يؤديه فإنما هو بمنزلة الدنانير والدراهم يقوم ذلك عليه فيدفعه مع نجومه ولا يعتق حتى يدفع ذلك مع نجومه. قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه أن المكاتب بمنزلة عبد أعتقه سيده بعد خدمة عشر سنين فإذا هلك سيده الذي أعتقه قبل عشر سنين فإن ما بقي عليه من خدمته لورثته وكان ولاؤه للذي عقد عتقه ولولده من الرجال أو العصبة قال مالك في الرجل يشترط على مكاتبه أنك لا تسافر ولا تنكح ولا تخرج من أرضي إلا بإذني فإن فعلت شيئا من ذلك بغير إذني فمحو كتابتك بيدي قال مالك ليس محو كتابته بيده إن فعل المكاتب شيئا من ذلك وليرفع سيده ذلك إلى السلطان وليس للمكاتب أن ينكح ولا يسافر ولا يخرج من أرض سيده إلا بإذنه اشترط ذلك أو لم يشترطه وذلك أن الرجل يكاتب عبده بمائة دينار وله ألف دينار أو أكثر من ذلك فينطلق فينكح المرأة فيصدقها الصداق الذي يجحف بماله ويكون فيه عجزه فيرجع إلى سيده عبدا لا مال له أو يسافر فتحل نجومه وهو غائب فليس ذلك له ولا على ذلك كاتبه وذلك بيد سيده إن شاء أذن له في ذلك وإن شاء منعه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি স্বর্ণ অথবা রৌপ্যের [১] বিনিময়ে আপন ক্রীতদাসের সাথে মুকাতাবাত করেছে এবং ক্রীতদাসের উপর তার কিতাবাতের মধ্যে শর্তারোপ করেছে, সফরের অথবা খেদমতের অথবা কুরবানীর, আর এর প্রত্যেকটির নাম নির্দিষ্ট করে দিয়েছে (যার শর্ত করেছে কিতাবাতের মধ্যে)। অতঃপর মুকাতাব নির্দিষ্ট সময় আসার পূর্বে তার সকল কিস্তি পরিশোধ করতে সমর্থ হয়েছে। মালিক (র) বলেন যখন উহার সকল কিস্তি পরিশোধ করেছে, উহার উপর এই শর্ত (আরোপিত) রয়েছে, সে আযাদ হয়ে যাবে এবং উহার সম্মান পূর্ণ হয়েছে। এখন লক্ষ্য করতে হবে, উহার উপর যে শর্তারোপ করা হয়েছে খেদমত করা অথবা সফর করা অথবা এই জাতীয় অন্য কিছু যা উহাকে নিজেই করতে হবে। তবে এই জাতীয় শর্তাদি উহা হতে সে নিষ্কৃতি পাবে এবং তার কর্তার এই জাতীয় কিছুতে অধিকার থাকবে না। পক্ষান্তরে যে শর্ত হয় কুরবানী; পোশাক অথবা অন্য কোন কিছুর যা আদায় করা হয় (এই জাতীয় শর্ত করে থাকলে) উহা হবে দীনার, দিরহামের মতো। মুকাতাবের উপর উহার মূল্য নির্ধারিত করা হবে। অতঃপর সেই অর্থ কিস্তির মাধ্যমে কর্তাকে পরিশোধ করবে। যতক্ষণ কিস্তির সহিত ইহা আদায় না করবে ততক্ষণ সে আযাদ হবে না। মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যাতে কোন মতভেদ নেই, তা এই- মুকাতাব সেই ক্রীতদাসের মতো যার উপর তার কর্তা শর্তারোপ করেছে যে, দশ বৎসর খেদমত করার পর সে আযাদ হয়ে যাবে। অতঃপর তার কর্তা মৃত্যুবরণ করেছে দশ বৎসর (অতিবাহিত হওয়ার) পূর্বে। তবে যে (কয় বৎসর বা মাসের) খেদমত অবশিষ্ট রয়েছে সে খেদমত কর্তার ওয়ারিসগণের প্রাপ্য হবে; আর (আযাদীর) পর উহার উত্তরাধিকার পাবে যে আযাদীর চুক্তি করেছিল সে এবং তার পুরুষ সন্তানগণ অথবা আসাবাগণ। মালিক (র) বলেন এক ব্যক্তি তার মুকাতাবের উপর শর্তারোপ করেছে, তুমি সফরে যাবে না, বিবাহ করবে না এবং আমার ভূমি (দেশ) হতে আমার অনুমতি ছাড়া বাহিরে যাবে না, যদি আমার অনুমতি ছাড়া এর কোন একটি কর, তবে তোমার কিতাবাত বাতিল করার ক্ষমতা আমার হাতে। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের কিতাবাত বাতিল করার ক্ষমতা সেই ব্যক্তির হাতে নয়। বরং যদি মুকাতাব এই রকম কোন কর্ম করে থাকে তবে উহার কর্তা বিষয়টি হাকিম-এর নিকট উত্থাপন করবে এবং সে বিবাহ করবে না প্রবাসে যাবে না; এবং কর্তার দেশ হতে বাহিরে যাবে না কর্তার অনুমতি ব্যতীত কর্তা শর্তারোপ করুক বা না করুক। ইহা এইজন্য- এক ব্যক্তি তার দাসের সহিত মুকাতাবাত করেছে একশত দীনারের বিনিময়ে। মুকাতাবের নিকট রয়েছে এক হাজার দীনার বা ততোধিক। অতঃপর সে যেয়ে কোন নারীকে বিবাহ করলে এবং উহাকে মহর দিলে যা তার মালকে অনেক কমিয়ে দিবে এবং উহাতে “বদলে কিতাবাত” আদায় করতে যে অপারগ হবে, ফলে তার কর্তার দিকে ফিরবে দাসরূপে। যার নিকট কোন মাল নেই, অথবা সে প্রবাসে যাবে (ইতিমধ্যে) তার কিস্তি আদায়ের সময় উপস্থিত হবে, অথচ সে অনুপস্থিত, এইরূপ করার ইখতিয়ার মুকাতাবের নেই এবং উহার উপর মুকাতাবাত সংঘটিত হয়নি। এই সব ইখতিয়ার তার কর্তার হাতে, সে ইচ্ছা করলে তাকে অনুমতি দিবে যখন, আর ইচ্ছা করলে সে ইহা হতে বারণ করবে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি স্বর্ণ অথবা রৌপ্যের [১] বিনিময়ে আপন ক্রীতদাসের সাথে মুকাতাবাত করেছে এবং ক্রীতদাসের উপর তার কিতাবাতের মধ্যে শর্তারোপ করেছে, সফরের অথবা খেদমতের অথবা কুরবানীর, আর এর প্রত্যেকটির নাম নির্দিষ্ট করে দিয়েছে (যার শর্ত করেছে কিতাবাতের মধ্যে)। অতঃপর মুকাতাব নির্দিষ্ট সময় আসার পূর্বে তার সকল কিস্তি পরিশোধ করতে সমর্থ হয়েছে। মালিক (র) বলেন যখন উহার সকল কিস্তি পরিশোধ করেছে, উহার উপর এই শর্ত (আরোপিত) রয়েছে, সে আযাদ হয়ে যাবে এবং উহার সম্মান পূর্ণ হয়েছে। এখন লক্ষ্য করতে হবে, উহার উপর যে শর্তারোপ করা হয়েছে খেদমত করা অথবা সফর করা অথবা এই জাতীয় অন্য কিছু যা উহাকে নিজেই করতে হবে। তবে এই জাতীয় শর্তাদি উহা হতে সে নিষ্কৃতি পাবে এবং তার কর্তার এই জাতীয় কিছুতে অধিকার থাকবে না। পক্ষান্তরে যে শর্ত হয় কুরবানী; পোশাক অথবা অন্য কোন কিছুর যা আদায় করা হয় (এই জাতীয় শর্ত করে থাকলে) উহা হবে দীনার, দিরহামের মতো। মুকাতাবের উপর উহার মূল্য নির্ধারিত করা হবে। অতঃপর সেই অর্থ কিস্তির মাধ্যমে কর্তাকে পরিশোধ করবে। যতক্ষণ কিস্তির সহিত ইহা আদায় না করবে ততক্ষণ সে আযাদ হবে না। মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যাতে কোন মতভেদ নেই, তা এই- মুকাতাব সেই ক্রীতদাসের মতো যার উপর তার কর্তা শর্তারোপ করেছে যে, দশ বৎসর খেদমত করার পর সে আযাদ হয়ে যাবে। অতঃপর তার কর্তা মৃত্যুবরণ করেছে দশ বৎসর (অতিবাহিত হওয়ার) পূর্বে। তবে যে (কয় বৎসর বা মাসের) খেদমত অবশিষ্ট রয়েছে সে খেদমত কর্তার ওয়ারিসগণের প্রাপ্য হবে; আর (আযাদীর) পর উহার উত্তরাধিকার পাবে যে আযাদীর চুক্তি করেছিল সে এবং তার পুরুষ সন্তানগণ অথবা আসাবাগণ। মালিক (র) বলেন এক ব্যক্তি তার মুকাতাবের উপর শর্তারোপ করেছে, তুমি সফরে যাবে না, বিবাহ করবে না এবং আমার ভূমি (দেশ) হতে আমার অনুমতি ছাড়া বাহিরে যাবে না, যদি আমার অনুমতি ছাড়া এর কোন একটি কর, তবে তোমার কিতাবাত বাতিল করার ক্ষমতা আমার হাতে। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের কিতাবাত বাতিল করার ক্ষমতা সেই ব্যক্তির হাতে নয়। বরং যদি মুকাতাব এই রকম কোন কর্ম করে থাকে তবে উহার কর্তা বিষয়টি হাকিম-এর নিকট উত্থাপন করবে এবং সে বিবাহ করবে না প্রবাসে যাবে না; এবং কর্তার দেশ হতে বাহিরে যাবে না কর্তার অনুমতি ব্যতীত কর্তা শর্তারোপ করুক বা না করুক। ইহা এইজন্য- এক ব্যক্তি তার দাসের সহিত মুকাতাবাত করেছে একশত দীনারের বিনিময়ে। মুকাতাবের নিকট রয়েছে এক হাজার দীনার বা ততোধিক। অতঃপর সে যেয়ে কোন নারীকে বিবাহ করলে এবং উহাকে মহর দিলে যা তার মালকে অনেক কমিয়ে দিবে এবং উহাতে “বদলে কিতাবাত” আদায় করতে যে অপারগ হবে, ফলে তার কর্তার দিকে ফিরবে দাসরূপে। যার নিকট কোন মাল নেই, অথবা সে প্রবাসে যাবে (ইতিমধ্যে) তার কিস্তি আদায়ের সময় উপস্থিত হবে, অথচ সে অনুপস্থিত, এইরূপ করার ইখতিয়ার মুকাতাবের নেই এবং উহার উপর মুকাতাবাত সংঘটিত হয়নি। এই সব ইখতিয়ার তার কর্তার হাতে, সে ইচ্ছা করলে তাকে অনুমতি দিবে যখন, আর ইচ্ছা করলে সে ইহা হতে বারণ করবে।
حدثني مالك في رجل كاتب عبده بذهب أو ورق واشترط عليه في كتابته سفرا أو خدمة أو ضحية إن كل شيء من ذلك سمى باسمه ثم قوي المكاتب على أداء نجومه كلها قبل محلها قال إذا أدى نجومه كلها وعليه هذا الشرط عتق فتمت حرمته ونظر إلى ما شرط عليه من خدمة أو سفر أو ما أشبه ذلك مما يعالجه هو بنفسه فذلك موضوع عنه ليس لسيده فيه شيء وما كان من ضحية أو كسوة أو شيء يؤديه فإنما هو بمنزلة الدنانير والدراهم يقوم ذلك عليه فيدفعه مع نجومه ولا يعتق حتى يدفع ذلك مع نجومه. قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه أن المكاتب بمنزلة عبد أعتقه سيده بعد خدمة عشر سنين فإذا هلك سيده الذي أعتقه قبل عشر سنين فإن ما بقي عليه من خدمته لورثته وكان ولاؤه للذي عقد عتقه ولولده من الرجال أو العصبة قال مالك في الرجل يشترط على مكاتبه أنك لا تسافر ولا تنكح ولا تخرج من أرضي إلا بإذني فإن فعلت شيئا من ذلك بغير إذني فمحو كتابتك بيدي قال مالك ليس محو كتابته بيده إن فعل المكاتب شيئا من ذلك وليرفع سيده ذلك إلى السلطان وليس للمكاتب أن ينكح ولا يسافر ولا يخرج من أرض سيده إلا بإذنه اشترط ذلك أو لم يشترطه وذلك أن الرجل يكاتب عبده بمائة دينار وله ألف دينار أو أكثر من ذلك فينطلق فينكح المرأة فيصدقها الصداق الذي يجحف بماله ويكون فيه عجزه فيرجع إلى سيده عبدا لا مال له أو يسافر فتحل نجومه وهو غائب فليس ذلك له ولا على ذلك كاتبه وذلك بيد سيده إن شاء أذن له في ذلك وإن شاء منعه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাব-এর উত্তরাধিকার যখন যদি সে ক্রীতদাসকে আযাদ করে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৬
قال مالك إن المكاتب إذا أعتق عبده إن ذلك غير جائز له إلا بإذن سيده فإن أجاز ذلك سيده له ثم عتق المكاتب كان ولاؤه للمكاتب وإن مات المكاتب قبل أن يعتق كان ولاء المعتق لسيد المكاتب وإن مات المعتق قبل أن يعتق المكاتب ورثه سيد المكاتب قال مالك وكذلك أيضا لو كاتب المكاتب عبدا فعتق. المكاتب الآخر قبل سيده الذي كاتبه فإن ولاءه لسيد المكاتب ما لم يعتق المكاتب الأول الذي كاتبه فإن عتق الذي كاتبه رجع إليه ولاء مكاتبه الذي كان عتق قبله وإن مات المكاتب الأول قبل أن يؤدي أو عجز عن كتابته وله ولد أحرار لم يرثوا ولاء مكاتب أبيهم لأنه لم يثبت لأبيهم الولاء ولا يكون له الولاء حتى يعتق قال مالك في المكاتب يكون بين الرجلين فيترك أحدهما للمكاتب الذي له عليه ويشح الآخر ثم يموت المكاتب ويترك مالا قال مالك يقضي الذي لم يترك له شيئا ما بقي له عليه ثم يقتسمان المال كهيئته لو مات عبدا لأن الذي صنع ليس بعتاقة وإنما ترك ما كان له عليه قال مالك ومما يبين ذلك أن الرجل إذا مات وترك مكاتبا وترك بنين رجالا ونساء ثم أعتق أحد البنين نصيبه من المكاتب إن ذلك لا يثبت له من الولاء شيئا ولو كانت عتاقة لثبت الولاء لمن أعتق منهم من رجالهم ونسائهم قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أنهم إذا أعتق أحدهم نصيبه ثم عجز المكاتب لم يقوم على الذي أعتق نصيبه ما بقي من المكاتب ولو كانت عتاقة قوم عليه حتى يعتق في ماله كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أعتق شركا له في عبد قوم عليه قيمة العدل فإن لم يكن له مال عتق منه ما عتق قال ومما يبين ذلك أيضا أن من سنة المسلمين التي لا اختلاف فيها أن من أعتق شركا له في مكاتب لم يعتق عليه في ماله ولو عتق عليه كان الولاء له دون شركائه ومما يبين ذلك أيضا أن من سنة المسلمين أن الولاء لمن عقد الكتابة وأنه ليس لمن ورث سيد المكاتب من النساء من ولاء المكاتب وإن أعتقن نصيبهن شيء إنما ولاؤه لولد سيد المكاتب الذكور أو عصبته من الرجال
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মুকাতাবের পক্ষে আপন গোলামকে কর্তার অনুমতি ব্যতীত আযাদ করা জায়েয নয়। অতঃপর কর্তা যদি তাকে এই কার্যের অনুমতি দান করে তারপর মুকাতাব আযাদ হয়ে যায়, তবে উহার (মুকাতাব কর্তৃক আযাদকৃত গোলামের) উত্তরাধিকারিত্ব হবে মুকাতাবের জন্য। আর মুকাতাব যদি আযাদী লাভের পূর্বে মারা যায় মু‘তাক (- যাকে কিতাবাত চুক্তির মাধ্যমে আযাদ করা হয়েছে)-এর স্বত্বাধিকারিত্ব মুকাতাব (প্রথম)-এর কর্তার জন্য হবে। আর যদি মুকাতাব-এর মৃত্যু হয় (তার কর্তা) মুকাতাবের আযাদী লাভের পূর্বে তবে মুকাতাবের কর্তা উহার মীরাস পাবে। [মুকাতাব পাবে না। কারণ গোলাম উত্তরাধিকার লাভ করে না।] মালিক (র) বলেন অনুরূপ মুকাতাব তার গোলামের সাথে যদি কিতাবাত চুক্তি করে এবং পরবর্তী মুকাতাব উহার সাথে কিতাবাত চুক্তি সম্পাদনকারী কর্তার পূর্বে আযাদী লাভ করে, তবে উহার স্বত্বাধিকার وَلَاءُ হবে তার মুকাতাবের কর্তার জন্য যাবত প্রথম মুকাতাব (যে উহার সাথে কিতাবাত করেছে) আযাদী লাভ না করে। অতঃপর উহার কিতাবাত সম্পাদনকারী যদি আযাদ হয়ে যায় তার পূর্বে আযাদী লাভকারী তার মুকাতাব-এর স্বত্বাধিকার “ وَلَاءُ ” তার দিকে রুজু করা হবে। আর যদি প্রথম মুকাতাবের মৃত্যু হয় “বদলে কিতাবাত” আদায়ের পূর্বে অথবা “বদলে-কিতাবাত” পরিশোধ করতে অপারগ হয় এবং তার আযাদ সন্তান রয়েছে তবে উহারা তাদের পিতার মুকাতাবের স্বত্বাধিকার “ وَلَاءُ ”-এর অধিকারী হবে না। কারণ উহাদের পিতার জন্য স্বত্বাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আর স্বত্বাধিকার লাভ করা হয় না আযাদী লাভ না করা পর্যন্ত। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব দুই ব্যক্তির মালিকানায় থাকে তাদের দুইজনের একজন মুকাতাবের উপর তার যে “বদলে কিতাবাত” প্রাপ্য রয়েছে উহা মাফ করে দিল, অপরজন ইহা করতে কার্পণ্য প্রদর্শন করল। অতঃপর মুকাতাব-এর মৃত্যু হল এবং সে সম্পদ রেখে গেল। মালিক (র) বলেন যে শরীক তার প্রাপ্য “বদলে কিতাবাত” ত্যাগ করেনি মুকাতাবের রেখে যাওয়া সম্পদ হতে তার প্রাপ্য “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করা হবে। তারপর ক্রীতদাস অবস্থায় মারা গেলে যেইভাবে উহার সম্পদ উভয়ের মধ্যে বন্টন করা হত, সেইভাবে উভয়ের মধ্যে অবশিষ্ট সম্পদ বন্টন করা হবে। কারণ যে শরীক প্রাপ্য ছেড়েছে উহা আযাদ করা নয়, বরং তার প্রাপ্য হক মাফ করেছে। মালিক (র) বলেন উপরিউক্ত মাসআলার বিশদ ব্যাখ্যা এইরূপ এক ব্যক্তির মৃত্যু হইল। সে রেখে গেল একজন মুকাতাব এবং কয়েকজন ছেলে ও মেয়ে, অতঃপর সন্তানদের একজন মুকাতাবের নিকট (প্রাপ্য) অংশ আযাদ করে দিল, এতে তার জন্য উত্তরাধিকার “ وَلَاءُ ” প্রতিষ্ঠিত হবে না। পক্ষান্তরে উহা যদি আযাদকৃত বলে গণ্য হত তবে নারী-পুরুষের মধ্যে যে সন্তান মুকাতাবকে আযাদ করেছে সে সন্তানের স্বত্বাধিকারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হতে। মালিক (র) বলেন এর আরেক বর্ণনা এই, তাদের একজন নিজের অংশ আযাদ করে দিল, তারপর মুকাতাব অপারগ হল তবে মুকাতাবের উপর যে “বদলে-কিতাবাত” অবশিষ্ট রয়েছে উহার জন্য যে (মুকাতাবের মধ্য হতে) তার প্রাপ্য অংশ আযাদ করেছে তার উপর মূল্য নির্ধারিত করা হবে না (অংশ আযাদ করে দেয়ার জন্য)। যদি আযাদী প্রদান বলে গণ্য হত তবে তার উপর উহার মূল্য নির্ধারণ করা হত এবং তার মাল হতে মুকাতাব আযাদ হয়ে যেত। যেমন বলেছেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, যে গোলামের নিকট হতে তার প্রাপ্য অংশ ছেড়ে দেয়, ন্যায়সঙ্গতভাবে অবশিষ্ট অংশের মূল্য নির্ধারণ করে তার উপর উহা আরোপ করা হবে। যদি তার মাল না থাকে তবে যতটুকু আযাদ করেছে ততটুকু আযাদ হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন এর অপর ব্যাখ্যা এই মুসলমানদের সুন্নত (পদ্ধতি) এই যে, যাতে কোন দ্বিমত নেই, যে ব্যক্তি মুকাতাব হতে তার অংশ আযাদ করে দেয়, তবে তার মাল হতে বাকী “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করে মুকাতাবকে পূর্ণরূপে আযাদী দেয়া হবে না, যদি উহার মাল হতে আযাদ করা হত তবে উত্তরাধিকার (وَلَاءُ) তারই প্রাপ্য হত, তার অংশিদারগণের প্রাপ্য হত না। মালিক (র) বলেন ইহার আর এক ব্যাখ্যা এই- মুসলমানদের নিয়ম হচ্ছে, উত্তরাধিকার (وَلَاءُ) সেই ব্যক্তির জন্য হবে, যে ব্যক্তি কিতাবাত চুক্তি করেছে। আর স্ত্রীলোকদের মধ্যে যে মহিলা মুকাতাবের কর্তার মীরাসের অধিকারী তার জন্য মুকাতাবের উত্তরাধিকারের কিছুই সাব্যস্থ হবে না যদিও সে নিজের অংশ আযাদ করে দেয়। মুকাতাবের উত্তরাধিকার লাভ করবে মুকাতাবের পুত্র সন্তানগণ কিংবা পুরুষ আসাবা।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
মুকাতাবের পক্ষে আপন গোলামকে কর্তার অনুমতি ব্যতীত আযাদ করা জায়েয নয়। অতঃপর কর্তা যদি তাকে এই কার্যের অনুমতি দান করে তারপর মুকাতাব আযাদ হয়ে যায়, তবে উহার (মুকাতাব কর্তৃক আযাদকৃত গোলামের) উত্তরাধিকারিত্ব হবে মুকাতাবের জন্য। আর মুকাতাব যদি আযাদী লাভের পূর্বে মারা যায় মু‘তাক (- যাকে কিতাবাত চুক্তির মাধ্যমে আযাদ করা হয়েছে)-এর স্বত্বাধিকারিত্ব মুকাতাব (প্রথম)-এর কর্তার জন্য হবে। আর যদি মুকাতাব-এর মৃত্যু হয় (তার কর্তা) মুকাতাবের আযাদী লাভের পূর্বে তবে মুকাতাবের কর্তা উহার মীরাস পাবে। [মুকাতাব পাবে না। কারণ গোলাম উত্তরাধিকার লাভ করে না।] মালিক (র) বলেন অনুরূপ মুকাতাব তার গোলামের সাথে যদি কিতাবাত চুক্তি করে এবং পরবর্তী মুকাতাব উহার সাথে কিতাবাত চুক্তি সম্পাদনকারী কর্তার পূর্বে আযাদী লাভ করে, তবে উহার স্বত্বাধিকার وَلَاءُ হবে তার মুকাতাবের কর্তার জন্য যাবত প্রথম মুকাতাব (যে উহার সাথে কিতাবাত করেছে) আযাদী লাভ না করে। অতঃপর উহার কিতাবাত সম্পাদনকারী যদি আযাদ হয়ে যায় তার পূর্বে আযাদী লাভকারী তার মুকাতাব-এর স্বত্বাধিকার “ وَلَاءُ ” তার দিকে রুজু করা হবে। আর যদি প্রথম মুকাতাবের মৃত্যু হয় “বদলে কিতাবাত” আদায়ের পূর্বে অথবা “বদলে-কিতাবাত” পরিশোধ করতে অপারগ হয় এবং তার আযাদ সন্তান রয়েছে তবে উহারা তাদের পিতার মুকাতাবের স্বত্বাধিকার “ وَلَاءُ ”-এর অধিকারী হবে না। কারণ উহাদের পিতার জন্য স্বত্বাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। আর স্বত্বাধিকার লাভ করা হয় না আযাদী লাভ না করা পর্যন্ত। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব দুই ব্যক্তির মালিকানায় থাকে তাদের দুইজনের একজন মুকাতাবের উপর তার যে “বদলে কিতাবাত” প্রাপ্য রয়েছে উহা মাফ করে দিল, অপরজন ইহা করতে কার্পণ্য প্রদর্শন করল। অতঃপর মুকাতাব-এর মৃত্যু হল এবং সে সম্পদ রেখে গেল। মালিক (র) বলেন যে শরীক তার প্রাপ্য “বদলে কিতাবাত” ত্যাগ করেনি মুকাতাবের রেখে যাওয়া সম্পদ হতে তার প্রাপ্য “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করা হবে। তারপর ক্রীতদাস অবস্থায় মারা গেলে যেইভাবে উহার সম্পদ উভয়ের মধ্যে বন্টন করা হত, সেইভাবে উভয়ের মধ্যে অবশিষ্ট সম্পদ বন্টন করা হবে। কারণ যে শরীক প্রাপ্য ছেড়েছে উহা আযাদ করা নয়, বরং তার প্রাপ্য হক মাফ করেছে। মালিক (র) বলেন উপরিউক্ত মাসআলার বিশদ ব্যাখ্যা এইরূপ এক ব্যক্তির মৃত্যু হইল। সে রেখে গেল একজন মুকাতাব এবং কয়েকজন ছেলে ও মেয়ে, অতঃপর সন্তানদের একজন মুকাতাবের নিকট (প্রাপ্য) অংশ আযাদ করে দিল, এতে তার জন্য উত্তরাধিকার “ وَلَاءُ ” প্রতিষ্ঠিত হবে না। পক্ষান্তরে উহা যদি আযাদকৃত বলে গণ্য হত তবে নারী-পুরুষের মধ্যে যে সন্তান মুকাতাবকে আযাদ করেছে সে সন্তানের স্বত্বাধিকারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হতে। মালিক (র) বলেন এর আরেক বর্ণনা এই, তাদের একজন নিজের অংশ আযাদ করে দিল, তারপর মুকাতাব অপারগ হল তবে মুকাতাবের উপর যে “বদলে-কিতাবাত” অবশিষ্ট রয়েছে উহার জন্য যে (মুকাতাবের মধ্য হতে) তার প্রাপ্য অংশ আযাদ করেছে তার উপর মূল্য নির্ধারিত করা হবে না (অংশ আযাদ করে দেয়ার জন্য)। যদি আযাদী প্রদান বলে গণ্য হত তবে তার উপর উহার মূল্য নির্ধারণ করা হত এবং তার মাল হতে মুকাতাব আযাদ হয়ে যেত। যেমন বলেছেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, যে গোলামের নিকট হতে তার প্রাপ্য অংশ ছেড়ে দেয়, ন্যায়সঙ্গতভাবে অবশিষ্ট অংশের মূল্য নির্ধারণ করে তার উপর উহা আরোপ করা হবে। যদি তার মাল না থাকে তবে যতটুকু আযাদ করেছে ততটুকু আযাদ হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন এর অপর ব্যাখ্যা এই মুসলমানদের সুন্নত (পদ্ধতি) এই যে, যাতে কোন দ্বিমত নেই, যে ব্যক্তি মুকাতাব হতে তার অংশ আযাদ করে দেয়, তবে তার মাল হতে বাকী “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করে মুকাতাবকে পূর্ণরূপে আযাদী দেয়া হবে না, যদি উহার মাল হতে আযাদ করা হত তবে উত্তরাধিকার (وَلَاءُ) তারই প্রাপ্য হত, তার অংশিদারগণের প্রাপ্য হত না। মালিক (র) বলেন ইহার আর এক ব্যাখ্যা এই- মুসলমানদের নিয়ম হচ্ছে, উত্তরাধিকার (وَلَاءُ) সেই ব্যক্তির জন্য হবে, যে ব্যক্তি কিতাবাত চুক্তি করেছে। আর স্ত্রীলোকদের মধ্যে যে মহিলা মুকাতাবের কর্তার মীরাসের অধিকারী তার জন্য মুকাতাবের উত্তরাধিকারের কিছুই সাব্যস্থ হবে না যদিও সে নিজের অংশ আযাদ করে দেয়। মুকাতাবের উত্তরাধিকার লাভ করবে মুকাতাবের পুত্র সন্তানগণ কিংবা পুরুষ আসাবা।
قال مالك إن المكاتب إذا أعتق عبده إن ذلك غير جائز له إلا بإذن سيده فإن أجاز ذلك سيده له ثم عتق المكاتب كان ولاؤه للمكاتب وإن مات المكاتب قبل أن يعتق كان ولاء المعتق لسيد المكاتب وإن مات المعتق قبل أن يعتق المكاتب ورثه سيد المكاتب قال مالك وكذلك أيضا لو كاتب المكاتب عبدا فعتق. المكاتب الآخر قبل سيده الذي كاتبه فإن ولاءه لسيد المكاتب ما لم يعتق المكاتب الأول الذي كاتبه فإن عتق الذي كاتبه رجع إليه ولاء مكاتبه الذي كان عتق قبله وإن مات المكاتب الأول قبل أن يؤدي أو عجز عن كتابته وله ولد أحرار لم يرثوا ولاء مكاتب أبيهم لأنه لم يثبت لأبيهم الولاء ولا يكون له الولاء حتى يعتق قال مالك في المكاتب يكون بين الرجلين فيترك أحدهما للمكاتب الذي له عليه ويشح الآخر ثم يموت المكاتب ويترك مالا قال مالك يقضي الذي لم يترك له شيئا ما بقي له عليه ثم يقتسمان المال كهيئته لو مات عبدا لأن الذي صنع ليس بعتاقة وإنما ترك ما كان له عليه قال مالك ومما يبين ذلك أن الرجل إذا مات وترك مكاتبا وترك بنين رجالا ونساء ثم أعتق أحد البنين نصيبه من المكاتب إن ذلك لا يثبت له من الولاء شيئا ولو كانت عتاقة لثبت الولاء لمن أعتق منهم من رجالهم ونسائهم قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أنهم إذا أعتق أحدهم نصيبه ثم عجز المكاتب لم يقوم على الذي أعتق نصيبه ما بقي من المكاتب ولو كانت عتاقة قوم عليه حتى يعتق في ماله كما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من أعتق شركا له في عبد قوم عليه قيمة العدل فإن لم يكن له مال عتق منه ما عتق قال ومما يبين ذلك أيضا أن من سنة المسلمين التي لا اختلاف فيها أن من أعتق شركا له في مكاتب لم يعتق عليه في ماله ولو عتق عليه كان الولاء له دون شركائه ومما يبين ذلك أيضا أن من سنة المسلمين أن الولاء لمن عقد الكتابة وأنه ليس لمن ورث سيد المكاتب من النساء من ولاء المكاتب وإن أعتقن نصيبهن شيء إنما ولاؤه لولد سيد المكاتب الذكور أو عصبته من الرجال
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের আযাদী প্রদানের যে যে পন্থা বৈধ নয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৭
قال مالك إذا كان القوم جميعا في كتابة واحدة لم يعتق سيدهم أحدا منهم دون مؤامرة أصحابه الذين معه في الكتابة ورضا منهم وإن كانوا صغارا فليس مؤامرتهم بشيء ولا يجوز ذلك عليهم قال وذلك أن الرجل ربما كان يسعى على جميع القوم ويؤدي عنهم كتابتهم لتتم به عتاقتهم فيعمد السيد إلى الذي يؤدي عنهم وبه نجاتهم من الرق فيعتقه فيكون ذلك عجزا لمن بقي منهم وإنما أراد بذلك الفضل والزيادة لنفسه فلا يجوز ذلك على من بقي منهم وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا ضرر ولا ضرار وهذا أشد الضرر قال مالك في العبيد يكاتبون جميعا إن لسيدهم أن يعتق منهم الكبير الفاني والصغير الذي لا يؤدي واحد منهما شيئا وليس عند واحد منهما عون ولا قوة في كتابتهم فذلك جائز له
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ক্রীতদাসদের একদল যদি একই কিতাবাতে সংযুক্ত থাকে, তবে কিতাবাতে শামিল অন্যান্য সাথীর পরামর্শ ও সম্মতি ব্যতীত তাদের একজনকে কর্তা আযাদী দিতে পারবে না, আর উহারা যদি অল্প বয়সের হয়, তবে উহাদের পরামর্শ গ্রহণযোগ্য নয় এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা বৈধ নয়। মালিক (র) বলেন, ইহা এইজন্য যে, কোন ব্যক্তি হয়ত সকলের পক্ষে চেষ্টা বা পরিশ্রম করতে পারে এবং (চেষ্টা করে) সকলের পক্ষ হতে “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করতে পারে যেন সকলের আযাদী এর দ্বারা পূর্ণতা লাভ করে। আর যে ব্যক্তি সকলের পক্ষ হতে “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করবে এবং গোলামি হতে উহাদের মুক্তি পাওয়া যার উপর নির্ভরশীল কর্তা সেই ব্যক্তিকে আযাদ করে দিচ্ছে যেন অন্যান্য ক্রীতদাস অপারগ হয়ে পড়ে (ফলে যেন উহারা গোলাম থেকে যায়)। কর্তা এইরূপ করে নিজের জন্য কিছু অতিরিক্ত সুবিধা আদায় করতে প্রয়াসী। তাই যারা অবশিষ্ট রয়েছে উহাদের স্বার্থে এইরূপ করা জায়েয হবে না। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ইসলামে কারো ক্ষতি সাধন বৈধ নয়। (এমনকি) প্রতিশোধমূলক কারো ক্ষতি সাধনও বৈধ নয়। (অন্যদেরকে ক্রীতদাস রাখার জন্য দলের একজনকে আযাদ করে দেয়া) এতে অন্যদের উপর জঘন্য ধরনের ক্ষতি করা হল। মালিক (র) বলেন কয়েকজন ক্রীতদাস একত্রে কিতাবাত করেছে (তাদের মধ্য হতে) অশীতিপর বৃদ্ধ এবং বালককে আযাদ করে দেয়ার ইখতিয়ার কর্তার রয়েছে যারা কিছু দেয়ার ক্ষমতা রাখে না এবং উহাদের কিতাবাতের মূল্য আদায়ের ব্যাপারে কোন সহযোগী বা সাহায্যকারীও তাদের নেই, তবে (এইরূপ ব্যক্তিকে) আযাদ করা কর্তার জন্য জায়েয আছে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ক্রীতদাসদের একদল যদি একই কিতাবাতে সংযুক্ত থাকে, তবে কিতাবাতে শামিল অন্যান্য সাথীর পরামর্শ ও সম্মতি ব্যতীত তাদের একজনকে কর্তা আযাদী দিতে পারবে না, আর উহারা যদি অল্প বয়সের হয়, তবে উহাদের পরামর্শ গ্রহণযোগ্য নয় এবং তাদের পরামর্শ গ্রহণ করা বৈধ নয়। মালিক (র) বলেন, ইহা এইজন্য যে, কোন ব্যক্তি হয়ত সকলের পক্ষে চেষ্টা বা পরিশ্রম করতে পারে এবং (চেষ্টা করে) সকলের পক্ষ হতে “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করতে পারে যেন সকলের আযাদী এর দ্বারা পূর্ণতা লাভ করে। আর যে ব্যক্তি সকলের পক্ষ হতে “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করবে এবং গোলামি হতে উহাদের মুক্তি পাওয়া যার উপর নির্ভরশীল কর্তা সেই ব্যক্তিকে আযাদ করে দিচ্ছে যেন অন্যান্য ক্রীতদাস অপারগ হয়ে পড়ে (ফলে যেন উহারা গোলাম থেকে যায়)। কর্তা এইরূপ করে নিজের জন্য কিছু অতিরিক্ত সুবিধা আদায় করতে প্রয়াসী। তাই যারা অবশিষ্ট রয়েছে উহাদের স্বার্থে এইরূপ করা জায়েয হবে না। কেননা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ইসলামে কারো ক্ষতি সাধন বৈধ নয়। (এমনকি) প্রতিশোধমূলক কারো ক্ষতি সাধনও বৈধ নয়। (অন্যদেরকে ক্রীতদাস রাখার জন্য দলের একজনকে আযাদ করে দেয়া) এতে অন্যদের উপর জঘন্য ধরনের ক্ষতি করা হল। মালিক (র) বলেন কয়েকজন ক্রীতদাস একত্রে কিতাবাত করেছে (তাদের মধ্য হতে) অশীতিপর বৃদ্ধ এবং বালককে আযাদ করে দেয়ার ইখতিয়ার কর্তার রয়েছে যারা কিছু দেয়ার ক্ষমতা রাখে না এবং উহাদের কিতাবাতের মূল্য আদায়ের ব্যাপারে কোন সহযোগী বা সাহায্যকারীও তাদের নেই, তবে (এইরূপ ব্যক্তিকে) আযাদ করা কর্তার জন্য জায়েয আছে।
قال مالك إذا كان القوم جميعا في كتابة واحدة لم يعتق سيدهم أحدا منهم دون مؤامرة أصحابه الذين معه في الكتابة ورضا منهم وإن كانوا صغارا فليس مؤامرتهم بشيء ولا يجوز ذلك عليهم قال وذلك أن الرجل ربما كان يسعى على جميع القوم ويؤدي عنهم كتابتهم لتتم به عتاقتهم فيعمد السيد إلى الذي يؤدي عنهم وبه نجاتهم من الرق فيعتقه فيكون ذلك عجزا لمن بقي منهم وإنما أراد بذلك الفضل والزيادة لنفسه فلا يجوز ذلك على من بقي منهم وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا ضرر ولا ضرار وهذا أشد الضرر قال مالك في العبيد يكاتبون جميعا إن لسيدهم أن يعتق منهم الكبير الفاني والصغير الذي لا يؤدي واحد منهما شيئا وليس عند واحد منهما عون ولا قوة في كتابتهم فذلك جائز له