মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের প্রচেষ্টা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯২
حدثني مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسليمان بن يسار سئلا عن رجل كاتب على نفسه وعلى بنيه ثم مات هل يسعى بنو المكاتب في كتابة أبيهم أم هم عبيد فقالا بل يسعون في كتابة أبيهم ولا يوضع عنهم لموت أبيهم شيء قال مالك وإن كانوا صغارا لا يطيقون السعي لم ينتظر بهم أن يكبروا وكانوا رقيقا لسيد أبيهم إلا أن يكون المكاتب ترك ما يؤدى به عنهم نجومهم إلى أن يتكلفوا السعي فإن كان فيما ترك ما يؤدى عنهم أدي ذلك عنهم وتركوا على حالهم حتى يبلغوا السعي فإن أدوا عتقوا وإن عجزوا رقوا. قال مالك في المكاتب يموت ويترك مالا ليس فيه وفاء الكتابة ويترك ولدا معه في كتابته وأم ولد فأرادت أم ولده أن تسعى عليهم إنه يدفع إليها المال إذا كانت مأمونة على ذلك قوية على السعي وإن لم تكن قوية على السعي ولا مأمونة على المال لم تعط شيئا من ذلك ورجعت هي وولد المكاتب رقيقا لسيد المكاتب. قال مالك إذا كاتب القوم جميعا كتابة واحدة ولا رحم بينهم فعجز بعضهم وسعى بعضهم حتى عتقوا جميعا فإن الذين سعوا يرجعون على الذين عجزوا بحصة ما أدوا عنهم لأن بعضهم حملاء عن بعض.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র ও সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার তাঁদের উভয়কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে ব্যক্তি নিজের এবং তার ছেলেদের মুক্তির জন্য মুকাতাবাত করেছে। তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এমতাবস্থায় মুকাতাবের ছেলেরা তাদের পিতার কিতাবাতে-এর অর্থ আদায় করার জন্য চেষ্টা করবে কি? না তারা ক্রীতদাস থেকে যাবে? তাঁরা (উত্তরে) বললেন, তারা (মুকাতাবের ছেলেরা) তাদের পিতার কিতাবাতের অর্থ পরিশোধের জন্য চেষ্টা করবে। তাদের উপর হতে পিতার মৃত্যু “বদলে কিতাবাত”-এর পরিমাণ বা মূল্য হতে কিছু কমান হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন (মৃত) মুকাতাবের সন্তানগণ যদি ছোট বয়সের থাকে যারা (“বদলে-কিতাবাত আদায় করার”) চেষ্টা করার সামর্থ্য রাখে না, তবে তাদের (বড় হওয়ার) জন্য অপেক্ষা করা হবে না। তারা তাদের পিতার কর্তার ক্রীতদাস থাকবে; কিন্তু মুকাতাব যদি এই পরিমাণ মাল রেখে যায় ছেলেরা চেষ্টা করার উপযোগী হওয়া পর্যন্ত সেই পরিমাণ মালের দ্বারা তাদের (কিতাবাতের) কিস্তি আদায় করা যেতে পারে। যদি তাদের পিতা যে মাল রেখে গিয়েছে তাতে তাদের কিস্তি আদায় করা যায়, তবে (তাদের ছোট থাকাকালে) তাদের কিস্তি আদায় করা হবে; এবং তাদেরকে চেষ্টার উপযোগী বয়সে উপনীত হওয়া পর্যন্ত এইভাবে থাকতে দেয়া হবে। যদি তারা “বদলে কিতাবাত” আদায় করে তবে সকলেই আযাদ হয়ে যাবে। আর তারা তা করতে অক্ষম হলে গোলাম থেকে যাবে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাবের মৃত্যু হয়েছে এবং সে রেখে গিয়েছে সন্তান যারা তার সাথে কিতাবাতে শামিল রয়েছে আর (রেখে গিয়েছে) “উম্মে-ওয়ালাদ” আর (সে রেখে গিয়েছে) মাল যা “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করার জন্য যথেষ্ট নয়। “উম্মে ওয়ালাদ” যদি তাদের আযাদীর নিমিত্তে চেষ্টা চালাতে ইচ্ছা করে, যদি সে চেষ্টা করার উপযুক্ত হয় এবং নির্ভরযোগ্যও হয়, তবে (মৃত মুকাতাবের) মাল তার নিকট সোপর্দ করা হবে। আর সে যদি চেষ্টা চালাবার উপযুক্ত না হয় এবং নির্ভরযোগ্যও নয় তবে মালের কিছুই উহার নিকট সোপর্দ করা হবে না। বরং উম্মু ওয়ালাদ এবং সেই মুকাতাবের সন্তানগণ মুকাতাবের কর্তার ক্রীতদাস থেকে যাবে। মালিক (র) বলেন ক্রীতদাসের একদল যদি একত্রে মুকাতাবাত করে এবং তাদের মধ্যে পরস্পর আত্মীয়তার সম্পর্ক না থাকে, অতঃপর কিছু সংখ্যক অপারগ হয়। আর কিছু লোক চেষ্টা চালায়। ফলে সকলেই আযাদ হয়ে যায়। তাহলে, যারা (আযাদীর জন্য) চেষ্টা করেছে তারা প্রত্যাবর্তন করবে, উহাদের দিকে যারা অক্ষম হয়েছিল সেই অংশ অনুযায়ী যেই অংশ উহাদের তরফ হতে পরিশোধ করা হয়েছে। কারণ উহারা একে অপরের জামিন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র ও সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার তাঁদের উভয়কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে ব্যক্তি নিজের এবং তার ছেলেদের মুক্তির জন্য মুকাতাবাত করেছে। তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এমতাবস্থায় মুকাতাবের ছেলেরা তাদের পিতার কিতাবাতে-এর অর্থ আদায় করার জন্য চেষ্টা করবে কি? না তারা ক্রীতদাস থেকে যাবে? তাঁরা (উত্তরে) বললেন, তারা (মুকাতাবের ছেলেরা) তাদের পিতার কিতাবাতের অর্থ পরিশোধের জন্য চেষ্টা করবে। তাদের উপর হতে পিতার মৃত্যু “বদলে কিতাবাত”-এর পরিমাণ বা মূল্য হতে কিছু কমান হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন (মৃত) মুকাতাবের সন্তানগণ যদি ছোট বয়সের থাকে যারা (“বদলে-কিতাবাত আদায় করার”) চেষ্টা করার সামর্থ্য রাখে না, তবে তাদের (বড় হওয়ার) জন্য অপেক্ষা করা হবে না। তারা তাদের পিতার কর্তার ক্রীতদাস থাকবে; কিন্তু মুকাতাব যদি এই পরিমাণ মাল রেখে যায় ছেলেরা চেষ্টা করার উপযোগী হওয়া পর্যন্ত সেই পরিমাণ মালের দ্বারা তাদের (কিতাবাতের) কিস্তি আদায় করা যেতে পারে। যদি তাদের পিতা যে মাল রেখে গিয়েছে তাতে তাদের কিস্তি আদায় করা যায়, তবে (তাদের ছোট থাকাকালে) তাদের কিস্তি আদায় করা হবে; এবং তাদেরকে চেষ্টার উপযোগী বয়সে উপনীত হওয়া পর্যন্ত এইভাবে থাকতে দেয়া হবে। যদি তারা “বদলে কিতাবাত” আদায় করে তবে সকলেই আযাদ হয়ে যাবে। আর তারা তা করতে অক্ষম হলে গোলাম থেকে যাবে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাবের মৃত্যু হয়েছে এবং সে রেখে গিয়েছে সন্তান যারা তার সাথে কিতাবাতে শামিল রয়েছে আর (রেখে গিয়েছে) “উম্মে-ওয়ালাদ” আর (সে রেখে গিয়েছে) মাল যা “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করার জন্য যথেষ্ট নয়। “উম্মে ওয়ালাদ” যদি তাদের আযাদীর নিমিত্তে চেষ্টা চালাতে ইচ্ছা করে, যদি সে চেষ্টা করার উপযুক্ত হয় এবং নির্ভরযোগ্যও হয়, তবে (মৃত মুকাতাবের) মাল তার নিকট সোপর্দ করা হবে। আর সে যদি চেষ্টা চালাবার উপযুক্ত না হয় এবং নির্ভরযোগ্যও নয় তবে মালের কিছুই উহার নিকট সোপর্দ করা হবে না। বরং উম্মু ওয়ালাদ এবং সেই মুকাতাবের সন্তানগণ মুকাতাবের কর্তার ক্রীতদাস থেকে যাবে। মালিক (র) বলেন ক্রীতদাসের একদল যদি একত্রে মুকাতাবাত করে এবং তাদের মধ্যে পরস্পর আত্মীয়তার সম্পর্ক না থাকে, অতঃপর কিছু সংখ্যক অপারগ হয়। আর কিছু লোক চেষ্টা চালায়। ফলে সকলেই আযাদ হয়ে যায়। তাহলে, যারা (আযাদীর জন্য) চেষ্টা করেছে তারা প্রত্যাবর্তন করবে, উহাদের দিকে যারা অক্ষম হয়েছিল সেই অংশ অনুযায়ী যেই অংশ উহাদের তরফ হতে পরিশোধ করা হয়েছে। কারণ উহারা একে অপরের জামিন।
حدثني مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسليمان بن يسار سئلا عن رجل كاتب على نفسه وعلى بنيه ثم مات هل يسعى بنو المكاتب في كتابة أبيهم أم هم عبيد فقالا بل يسعون في كتابة أبيهم ولا يوضع عنهم لموت أبيهم شيء قال مالك وإن كانوا صغارا لا يطيقون السعي لم ينتظر بهم أن يكبروا وكانوا رقيقا لسيد أبيهم إلا أن يكون المكاتب ترك ما يؤدى به عنهم نجومهم إلى أن يتكلفوا السعي فإن كان فيما ترك ما يؤدى عنهم أدي ذلك عنهم وتركوا على حالهم حتى يبلغوا السعي فإن أدوا عتقوا وإن عجزوا رقوا. قال مالك في المكاتب يموت ويترك مالا ليس فيه وفاء الكتابة ويترك ولدا معه في كتابته وأم ولد فأرادت أم ولده أن تسعى عليهم إنه يدفع إليها المال إذا كانت مأمونة على ذلك قوية على السعي وإن لم تكن قوية على السعي ولا مأمونة على المال لم تعط شيئا من ذلك ورجعت هي وولد المكاتب رقيقا لسيد المكاتب. قال مالك إذا كاتب القوم جميعا كتابة واحدة ولا رحم بينهم فعجز بعضهم وسعى بعضهم حتى عتقوا جميعا فإن الذين سعوا يرجعون على الذين عجزوا بحصة ما أدوا عنهم لأن بعضهم حملاء عن بعض.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের আযাদী যখন সে নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৩
حدثني مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن وغيره يذكرون أن مكاتبا كان للفرافصة بن عمير الحنفي وأنه عرض عليه أن يدفع إليه جميع ما عليه من كتابته فأبى الفرافصة فأتى المكاتب مروان بن الحكم وهو أمير المدينة فذكر ذلك له فدعا مروان الفرافصة فقال له ذلك فأبى فأمر مروان بذلك المال أن يقبض من المكاتب فيوضع في بيت المال وقال للمكاتب اذهب فقد عتقت فلما رأى ذلك الفرافصة قبض المال. قال مالك فالأمر عندنا أن المكاتب إذا أدى جميع ما عليه من نجومه قبل محلها جاز ذلك له ولم يكن لسيده أن يأبى ذلك عليه وذلك أنه يضع عن المكاتب بذلك كل شرط أو خدمة أو سفر لأنه لا تتم عتاقة رجل وعليه بقية من رق ولا تتم حرمته ولا تجوز شهادته ولا يجب ميراثه ولا أشباه هذا من أمره ولا ينبغي لسيده أن يشترط عليه خدمة بعد عتاقته. قال مالك في مكاتب مرض مرضا شديدا فأراد أن يدفع نجومه كلها إلى سيده لأن يرثه ورثة له أحرار وليس معه في كتابته ولد له. قال مالك ذلك جائز له لأنه تتم بذلك حرمته وتجوز شهادته ويجوز اعترافه بما عليه من ديون الناس وتجوز وصيته وليس لسيده أن يأبى ذلك عليه بأن يقول فر مني بماله.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রবী‘আ ইব্নু আবি ‘আবদির রহমান এবং আরও কিছু ‘আলিমকে বলতে শুনেছেন ফুরাফিসা ইব্নু উমাইর আল হানাফী (র)-এর একজন মুকাতাব ছিল। সে “বদলে কিতাবাতের” সম্পূর্ণ অর্থ যা তাহার জিম্মায় রয়েছে, তা এক সঙ্গে তার নিকট পেশ করল। ফুরাফিসা উহা গ্রহণ করতে অস্বীকার করল। মুকাতাব লোকটি আমীরে মদীনা মারওয়ান ইব্নু হাকামের কাছে উপস্থিত হল এবং বিষয়টি তাঁকে জানাল। মারওয়ান ফুরাফিসা ইব্নু উমাইরকে ডেকে পাঠালেন। তিনি উপস্থিত হলে তাঁকে উহা গ্রহণ করার কথা বললেন, কিন্তু ফুরাফিসা অস্বীকার করল, মারওয়ান সেই মাল মুকাতাব হতে গ্রহণ করে বায়তুলমালে রাখার নির্দেশ দিলেন; এবং (সাথে সাথে) মুকাতাবকে বলে দিলেন যাও, তুমি আযাদ হয়ে গিয়েছ। ফুরাফিসা ইহা লক্ষ্য করে মাল (নিজে) গ্রহণ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট এর মীমাংসা এই- মুকাতাব যদি তার জিম্মার সব কিস্তি উহার (নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে) আদায় করে দেয় তা তার জন্য জায়েয হবে, তার কর্তার পক্ষে তা অস্বীকার করবার অধিকার নাই। ইহা এইজন্য যে, কর্তা এর দ্বারা মুকাতাবকে সর্বপ্রকার শর্ত অথবা খেদমত অথবা সফর হতে অব্যাহতি প্রদান করিতেছে। কারণ সামান্য দাসত্ব বহাল থাকলেও কোন ব্যক্তির আযাদী পূর্ণ হয় না এবং (এমতাবস্থায়) উহার ব্যক্তিমর্যাদা পূর্ণতা লাভ করে না, আর উহার সাক্ষ্যও বৈধ হয় না, উহার জন্য মীরাস ওয়াজিব হয় না এবং এই জাতীয় আরও অন্যান্য আহকাম যা মুকাতাব সম্পর্কে রয়েছে। পক্ষান্তরে (ইহার পর) মুকাতাবের কর্তা কর্তৃক মুকাতাবের উপর কোন শর্ত আরোপ করা এবং আযাদীর পর কোন খেদমত গ্রহণ করা সঙ্গত নয়। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব গুরুতর অসুস্থ হয়েছে সে তার যাবতীয় কিস্তি একত্রে কর্তাকে দেবার ইচ্ছা করল, যেন তার আযাদ উত্তরাধিকারিগণ তার মীরাস লাভ করে এবং তার কোন সন্তান কিতাবাতে তার সঙ্গে শামিল নাই। মালিক (র) বলেন ইহা তার জন্য জায়েয হবে। কেননা এর দ্বারা তার ব্যক্তিমর্যাদা পূর্ণত্ব লাভ করবে এবং তার সাক্ষ্য জায়েয হবে, আর তার উপর লোকের যে সকল ঋণ রয়েছে সেই সকল ঋণের স্বীকারোক্তি করাও জায়েজ হবে এবং তার পক্ষে ওসীয়ত করাও জায়েয হবে তার কর্তার পক্ষে ইহা অস্বীকার করার অধিকার নাই “এ দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে যে, (মুকাতাব) তার মাল বাঁচাবার প্রচেষ্টা করেছে।”
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রবী‘আ ইব্নু আবি ‘আবদির রহমান এবং আরও কিছু ‘আলিমকে বলতে শুনেছেন ফুরাফিসা ইব্নু উমাইর আল হানাফী (র)-এর একজন মুকাতাব ছিল। সে “বদলে কিতাবাতের” সম্পূর্ণ অর্থ যা তাহার জিম্মায় রয়েছে, তা এক সঙ্গে তার নিকট পেশ করল। ফুরাফিসা উহা গ্রহণ করতে অস্বীকার করল। মুকাতাব লোকটি আমীরে মদীনা মারওয়ান ইব্নু হাকামের কাছে উপস্থিত হল এবং বিষয়টি তাঁকে জানাল। মারওয়ান ফুরাফিসা ইব্নু উমাইরকে ডেকে পাঠালেন। তিনি উপস্থিত হলে তাঁকে উহা গ্রহণ করার কথা বললেন, কিন্তু ফুরাফিসা অস্বীকার করল, মারওয়ান সেই মাল মুকাতাব হতে গ্রহণ করে বায়তুলমালে রাখার নির্দেশ দিলেন; এবং (সাথে সাথে) মুকাতাবকে বলে দিলেন যাও, তুমি আযাদ হয়ে গিয়েছ। ফুরাফিসা ইহা লক্ষ্য করে মাল (নিজে) গ্রহণ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট এর মীমাংসা এই- মুকাতাব যদি তার জিম্মার সব কিস্তি উহার (নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে) আদায় করে দেয় তা তার জন্য জায়েয হবে, তার কর্তার পক্ষে তা অস্বীকার করবার অধিকার নাই। ইহা এইজন্য যে, কর্তা এর দ্বারা মুকাতাবকে সর্বপ্রকার শর্ত অথবা খেদমত অথবা সফর হতে অব্যাহতি প্রদান করিতেছে। কারণ সামান্য দাসত্ব বহাল থাকলেও কোন ব্যক্তির আযাদী পূর্ণ হয় না এবং (এমতাবস্থায়) উহার ব্যক্তিমর্যাদা পূর্ণতা লাভ করে না, আর উহার সাক্ষ্যও বৈধ হয় না, উহার জন্য মীরাস ওয়াজিব হয় না এবং এই জাতীয় আরও অন্যান্য আহকাম যা মুকাতাব সম্পর্কে রয়েছে। পক্ষান্তরে (ইহার পর) মুকাতাবের কর্তা কর্তৃক মুকাতাবের উপর কোন শর্ত আরোপ করা এবং আযাদীর পর কোন খেদমত গ্রহণ করা সঙ্গত নয়। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব গুরুতর অসুস্থ হয়েছে সে তার যাবতীয় কিস্তি একত্রে কর্তাকে দেবার ইচ্ছা করল, যেন তার আযাদ উত্তরাধিকারিগণ তার মীরাস লাভ করে এবং তার কোন সন্তান কিতাবাতে তার সঙ্গে শামিল নাই। মালিক (র) বলেন ইহা তার জন্য জায়েয হবে। কেননা এর দ্বারা তার ব্যক্তিমর্যাদা পূর্ণত্ব লাভ করবে এবং তার সাক্ষ্য জায়েয হবে, আর তার উপর লোকের যে সকল ঋণ রয়েছে সেই সকল ঋণের স্বীকারোক্তি করাও জায়েজ হবে এবং তার পক্ষে ওসীয়ত করাও জায়েয হবে তার কর্তার পক্ষে ইহা অস্বীকার করার অধিকার নাই “এ দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে যে, (মুকাতাব) তার মাল বাঁচাবার প্রচেষ্টা করেছে।”
حدثني مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن وغيره يذكرون أن مكاتبا كان للفرافصة بن عمير الحنفي وأنه عرض عليه أن يدفع إليه جميع ما عليه من كتابته فأبى الفرافصة فأتى المكاتب مروان بن الحكم وهو أمير المدينة فذكر ذلك له فدعا مروان الفرافصة فقال له ذلك فأبى فأمر مروان بذلك المال أن يقبض من المكاتب فيوضع في بيت المال وقال للمكاتب اذهب فقد عتقت فلما رأى ذلك الفرافصة قبض المال. قال مالك فالأمر عندنا أن المكاتب إذا أدى جميع ما عليه من نجومه قبل محلها جاز ذلك له ولم يكن لسيده أن يأبى ذلك عليه وذلك أنه يضع عن المكاتب بذلك كل شرط أو خدمة أو سفر لأنه لا تتم عتاقة رجل وعليه بقية من رق ولا تتم حرمته ولا تجوز شهادته ولا يجب ميراثه ولا أشباه هذا من أمره ولا ينبغي لسيده أن يشترط عليه خدمة بعد عتاقته. قال مالك في مكاتب مرض مرضا شديدا فأراد أن يدفع نجومه كلها إلى سيده لأن يرثه ورثة له أحرار وليس معه في كتابته ولد له. قال مالك ذلك جائز له لأنه تتم بذلك حرمته وتجوز شهادته ويجوز اعترافه بما عليه من ديون الناس وتجوز وصيته وليس لسيده أن يأبى ذلك عليه بأن يقول فر مني بماله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের মীরাস প্রসঙ্গ যদি আযাদী প্রাপ্ত হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৪
حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن مكاتب كان بين رجلين فأعتق أحدهما نصيبه فمات المكاتب وترك مالا كثيرا فقال يؤدى إلى الذي تماسك بكتابته الذي بقي له ثم يقتسمان ما بقي بالسوية قال مالك إذا كاتب المكاتب فعتق فإنما يرثه أولى الناس بمن كاتبه من الرجال يوم توفي المكاتب من ولد أو عصبة قال وهذا أيضا في كل من أعتق فإنما ميراثه لأقرب الناس ممن أعتقه من ولد أو عصبة من الرجال يوم يموت المعتق بعد أن يعتق ويصير موروثا بالولاء قال مالك الإخوة في الكتابة بمنزلة الولد إذا كوتبوا جميعا كتابة واحدة إذا لم يكن لأحد منهم ولد كاتب عليهم أو ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم ثم هلك أحدهم وترك مالا أدي عنهم جميع ما عليهم من كتابتهم وعتقوا وكان فضل المال بعد ذلك لولده دون إخوته.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল জনৈক মুকাতাব সম্বন্ধে, যে (মুকাতাব) দুই ব্যক্তির যুক্ত মালিকানায় রয়েছে, অতঃপর এক শরীক তার অংশ আযাদ করে দিল। তারপর মুকাতাব মারা গেল এবং সে প্রচুর সম্পদ রেখে গেল, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বললেন যেই শরীক কিতাবাতের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে (অর্থাৎ আযাদ করেনি) সেই শরীকের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করা হবে। তারপর যা থেকে যায় উহা উভয়ে ভাগ করে নিবে সমান সমান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন মুকাতাব কিতাবাত চুক্তি করেছে। তারপর আযাদ হয়েছে ও মারা গিয়েছে। যেই কর্তা কিতাবাত করেছে মুকাতাবের মৃত্যুর দিন সেই কর্তার ছেলে অথবা কর্তার পুরুষ আত্মীয়দের মধ্যে আসাবার ভিতর আত্মীয়তার দিক দিয়ে যে নিকটতম সেই উক্ত মুকাতাবের মীরাস পাবে। [১] মালিক (র) বলেন এই হুকুম আরো জারি হবে সেই সকল ক্রীতদাসের ব্যাপারে যাদেরকে আযাদ করা হয়েছে, উহাদের মীরাস আযাদী দাতার সন্তান অথবা আসাবাদের হতে পুরুষের মধ্যে আযাদী দাতার নিকটতম ব্যক্তি পাবে। এই আত্মীয়তা নির্ধারিত হবে যেই দিন আযাদীপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে সেই দিন আযাদী পাওয়ার এবং উত্তরাধিকারসূত্রে মাওরূস [২] হওয়ার পর। মালিক (র) বলেন কিতাবাতে শরীক ভাইয়েরা সন্তানের মতো, যদি তারা একই কিতাবাতের মাধ্যমে মুকাতাব করে থাকে, তাদের কারো কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সন্তান পয়দা হয়েছে, এইরূপ সন্তান না থাকলে অথবা সন্তানকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত না করে থাকলে (তবে উপরিউক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে) কারণ ভাইয়েরা পরস্পর একে অপরের মীরাস পাবে। পক্ষান্তরে যদি তাদের কোন একজনের সন্তান থাকে যে সন্তান পয়দা হয়েছে কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অথবা উহাদেরকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এবং মাল রেখে গিয়েছে, তবে (সেই মাল হতে) সকলের তরফ হতে কিতাবাতের (অনাদায়ী) অর্থ পরিশোধ করা হবে। এর পর অবশিষ্ট যে মাল থাকবে সে মাল (মৃত ব্যক্তির) সন্তানেরা পাবে, ভাইগণ পাবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল জনৈক মুকাতাব সম্বন্ধে, যে (মুকাতাব) দুই ব্যক্তির যুক্ত মালিকানায় রয়েছে, অতঃপর এক শরীক তার অংশ আযাদ করে দিল। তারপর মুকাতাব মারা গেল এবং সে প্রচুর সম্পদ রেখে গেল, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বললেন যেই শরীক কিতাবাতের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে (অর্থাৎ আযাদ করেনি) সেই শরীকের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করা হবে। তারপর যা থেকে যায় উহা উভয়ে ভাগ করে নিবে সমান সমান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন মুকাতাব কিতাবাত চুক্তি করেছে। তারপর আযাদ হয়েছে ও মারা গিয়েছে। যেই কর্তা কিতাবাত করেছে মুকাতাবের মৃত্যুর দিন সেই কর্তার ছেলে অথবা কর্তার পুরুষ আত্মীয়দের মধ্যে আসাবার ভিতর আত্মীয়তার দিক দিয়ে যে নিকটতম সেই উক্ত মুকাতাবের মীরাস পাবে। [১] মালিক (র) বলেন এই হুকুম আরো জারি হবে সেই সকল ক্রীতদাসের ব্যাপারে যাদেরকে আযাদ করা হয়েছে, উহাদের মীরাস আযাদী দাতার সন্তান অথবা আসাবাদের হতে পুরুষের মধ্যে আযাদী দাতার নিকটতম ব্যক্তি পাবে। এই আত্মীয়তা নির্ধারিত হবে যেই দিন আযাদীপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে সেই দিন আযাদী পাওয়ার এবং উত্তরাধিকারসূত্রে মাওরূস [২] হওয়ার পর। মালিক (র) বলেন কিতাবাতে শরীক ভাইয়েরা সন্তানের মতো, যদি তারা একই কিতাবাতের মাধ্যমে মুকাতাব করে থাকে, তাদের কারো কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সন্তান পয়দা হয়েছে, এইরূপ সন্তান না থাকলে অথবা সন্তানকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত না করে থাকলে (তবে উপরিউক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে) কারণ ভাইয়েরা পরস্পর একে অপরের মীরাস পাবে। পক্ষান্তরে যদি তাদের কোন একজনের সন্তান থাকে যে সন্তান পয়দা হয়েছে কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অথবা উহাদেরকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এবং মাল রেখে গিয়েছে, তবে (সেই মাল হতে) সকলের তরফ হতে কিতাবাতের (অনাদায়ী) অর্থ পরিশোধ করা হবে। এর পর অবশিষ্ট যে মাল থাকবে সে মাল (মৃত ব্যক্তির) সন্তানেরা পাবে, ভাইগণ পাবে না।
حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن مكاتب كان بين رجلين فأعتق أحدهما نصيبه فمات المكاتب وترك مالا كثيرا فقال يؤدى إلى الذي تماسك بكتابته الذي بقي له ثم يقتسمان ما بقي بالسوية قال مالك إذا كاتب المكاتب فعتق فإنما يرثه أولى الناس بمن كاتبه من الرجال يوم توفي المكاتب من ولد أو عصبة قال وهذا أيضا في كل من أعتق فإنما ميراثه لأقرب الناس ممن أعتقه من ولد أو عصبة من الرجال يوم يموت المعتق بعد أن يعتق ويصير موروثا بالولاء قال مالك الإخوة في الكتابة بمنزلة الولد إذا كوتبوا جميعا كتابة واحدة إذا لم يكن لأحد منهم ولد كاتب عليهم أو ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم ثم هلك أحدهم وترك مالا أدي عنهم جميع ما عليهم من كتابتهم وعتقوا وكان فضل المال بعد ذلك لولده دون إخوته.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের ব্যাপারে শর্ত আরোপ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৫
حدثني مالك في رجل كاتب عبده بذهب أو ورق واشترط عليه في كتابته سفرا أو خدمة أو ضحية إن كل شيء من ذلك سمى باسمه ثم قوي المكاتب على أداء نجومه كلها قبل محلها قال إذا أدى نجومه كلها وعليه هذا الشرط عتق فتمت حرمته ونظر إلى ما شرط عليه من خدمة أو سفر أو ما أشبه ذلك مما يعالجه هو بنفسه فذلك موضوع عنه ليس لسيده فيه شيء وما كان من ضحية أو كسوة أو شيء يؤديه فإنما هو بمنزلة الدنانير والدراهم يقوم ذلك عليه فيدفعه مع نجومه ولا يعتق حتى يدفع ذلك مع نجومه. قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه أن المكاتب بمنزلة عبد أعتقه سيده بعد خدمة عشر سنين فإذا هلك سيده الذي أعتقه قبل عشر سنين فإن ما بقي عليه من خدمته لورثته وكان ولاؤه للذي عقد عتقه ولولده من الرجال أو العصبة قال مالك في الرجل يشترط على مكاتبه أنك لا تسافر ولا تنكح ولا تخرج من أرضي إلا بإذني فإن فعلت شيئا من ذلك بغير إذني فمحو كتابتك بيدي قال مالك ليس محو كتابته بيده إن فعل المكاتب شيئا من ذلك وليرفع سيده ذلك إلى السلطان وليس للمكاتب أن ينكح ولا يسافر ولا يخرج من أرض سيده إلا بإذنه اشترط ذلك أو لم يشترطه وذلك أن الرجل يكاتب عبده بمائة دينار وله ألف دينار أو أكثر من ذلك فينطلق فينكح المرأة فيصدقها الصداق الذي يجحف بماله ويكون فيه عجزه فيرجع إلى سيده عبدا لا مال له أو يسافر فتحل نجومه وهو غائب فليس ذلك له ولا على ذلك كاتبه وذلك بيد سيده إن شاء أذن له في ذلك وإن شاء منعه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি স্বর্ণ অথবা রৌপ্যের [১] বিনিময়ে আপন ক্রীতদাসের সাথে মুকাতাবাত করেছে এবং ক্রীতদাসের উপর তার কিতাবাতের মধ্যে শর্তারোপ করেছে, সফরের অথবা খেদমতের অথবা কুরবানীর, আর এর প্রত্যেকটির নাম নির্দিষ্ট করে দিয়েছে (যার শর্ত করেছে কিতাবাতের মধ্যে)। অতঃপর মুকাতাব নির্দিষ্ট সময় আসার পূর্বে তার সকল কিস্তি পরিশোধ করতে সমর্থ হয়েছে। মালিক (র) বলেন যখন উহার সকল কিস্তি পরিশোধ করেছে, উহার উপর এই শর্ত (আরোপিত) রয়েছে, সে আযাদ হয়ে যাবে এবং উহার সম্মান পূর্ণ হয়েছে। এখন লক্ষ্য করতে হবে, উহার উপর যে শর্তারোপ করা হয়েছে খেদমত করা অথবা সফর করা অথবা এই জাতীয় অন্য কিছু যা উহাকে নিজেই করতে হবে। তবে এই জাতীয় শর্তাদি উহা হতে সে নিষ্কৃতি পাবে এবং তার কর্তার এই জাতীয় কিছুতে অধিকার থাকবে না। পক্ষান্তরে যে শর্ত হয় কুরবানী; পোশাক অথবা অন্য কোন কিছুর যা আদায় করা হয় (এই জাতীয় শর্ত করে থাকলে) উহা হবে দীনার, দিরহামের মতো। মুকাতাবের উপর উহার মূল্য নির্ধারিত করা হবে। অতঃপর সেই অর্থ কিস্তির মাধ্যমে কর্তাকে পরিশোধ করবে। যতক্ষণ কিস্তির সহিত ইহা আদায় না করবে ততক্ষণ সে আযাদ হবে না। মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যাতে কোন মতভেদ নেই, তা এই- মুকাতাব সেই ক্রীতদাসের মতো যার উপর তার কর্তা শর্তারোপ করেছে যে, দশ বৎসর খেদমত করার পর সে আযাদ হয়ে যাবে। অতঃপর তার কর্তা মৃত্যুবরণ করেছে দশ বৎসর (অতিবাহিত হওয়ার) পূর্বে। তবে যে (কয় বৎসর বা মাসের) খেদমত অবশিষ্ট রয়েছে সে খেদমত কর্তার ওয়ারিসগণের প্রাপ্য হবে; আর (আযাদীর) পর উহার উত্তরাধিকার পাবে যে আযাদীর চুক্তি করেছিল সে এবং তার পুরুষ সন্তানগণ অথবা আসাবাগণ। মালিক (র) বলেন এক ব্যক্তি তার মুকাতাবের উপর শর্তারোপ করেছে, তুমি সফরে যাবে না, বিবাহ করবে না এবং আমার ভূমি (দেশ) হতে আমার অনুমতি ছাড়া বাহিরে যাবে না, যদি আমার অনুমতি ছাড়া এর কোন একটি কর, তবে তোমার কিতাবাত বাতিল করার ক্ষমতা আমার হাতে। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের কিতাবাত বাতিল করার ক্ষমতা সেই ব্যক্তির হাতে নয়। বরং যদি মুকাতাব এই রকম কোন কর্ম করে থাকে তবে উহার কর্তা বিষয়টি হাকিম-এর নিকট উত্থাপন করবে এবং সে বিবাহ করবে না প্রবাসে যাবে না; এবং কর্তার দেশ হতে বাহিরে যাবে না কর্তার অনুমতি ব্যতীত কর্তা শর্তারোপ করুক বা না করুক। ইহা এইজন্য- এক ব্যক্তি তার দাসের সহিত মুকাতাবাত করেছে একশত দীনারের বিনিময়ে। মুকাতাবের নিকট রয়েছে এক হাজার দীনার বা ততোধিক। অতঃপর সে যেয়ে কোন নারীকে বিবাহ করলে এবং উহাকে মহর দিলে যা তার মালকে অনেক কমিয়ে দিবে এবং উহাতে “বদলে কিতাবাত” আদায় করতে যে অপারগ হবে, ফলে তার কর্তার দিকে ফিরবে দাসরূপে। যার নিকট কোন মাল নেই, অথবা সে প্রবাসে যাবে (ইতিমধ্যে) তার কিস্তি আদায়ের সময় উপস্থিত হবে, অথচ সে অনুপস্থিত, এইরূপ করার ইখতিয়ার মুকাতাবের নেই এবং উহার উপর মুকাতাবাত সংঘটিত হয়নি। এই সব ইখতিয়ার তার কর্তার হাতে, সে ইচ্ছা করলে তাকে অনুমতি দিবে যখন, আর ইচ্ছা করলে সে ইহা হতে বারণ করবে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি স্বর্ণ অথবা রৌপ্যের [১] বিনিময়ে আপন ক্রীতদাসের সাথে মুকাতাবাত করেছে এবং ক্রীতদাসের উপর তার কিতাবাতের মধ্যে শর্তারোপ করেছে, সফরের অথবা খেদমতের অথবা কুরবানীর, আর এর প্রত্যেকটির নাম নির্দিষ্ট করে দিয়েছে (যার শর্ত করেছে কিতাবাতের মধ্যে)। অতঃপর মুকাতাব নির্দিষ্ট সময় আসার পূর্বে তার সকল কিস্তি পরিশোধ করতে সমর্থ হয়েছে। মালিক (র) বলেন যখন উহার সকল কিস্তি পরিশোধ করেছে, উহার উপর এই শর্ত (আরোপিত) রয়েছে, সে আযাদ হয়ে যাবে এবং উহার সম্মান পূর্ণ হয়েছে। এখন লক্ষ্য করতে হবে, উহার উপর যে শর্তারোপ করা হয়েছে খেদমত করা অথবা সফর করা অথবা এই জাতীয় অন্য কিছু যা উহাকে নিজেই করতে হবে। তবে এই জাতীয় শর্তাদি উহা হতে সে নিষ্কৃতি পাবে এবং তার কর্তার এই জাতীয় কিছুতে অধিকার থাকবে না। পক্ষান্তরে যে শর্ত হয় কুরবানী; পোশাক অথবা অন্য কোন কিছুর যা আদায় করা হয় (এই জাতীয় শর্ত করে থাকলে) উহা হবে দীনার, দিরহামের মতো। মুকাতাবের উপর উহার মূল্য নির্ধারিত করা হবে। অতঃপর সেই অর্থ কিস্তির মাধ্যমে কর্তাকে পরিশোধ করবে। যতক্ষণ কিস্তির সহিত ইহা আদায় না করবে ততক্ষণ সে আযাদ হবে না। মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত যাতে কোন মতভেদ নেই, তা এই- মুকাতাব সেই ক্রীতদাসের মতো যার উপর তার কর্তা শর্তারোপ করেছে যে, দশ বৎসর খেদমত করার পর সে আযাদ হয়ে যাবে। অতঃপর তার কর্তা মৃত্যুবরণ করেছে দশ বৎসর (অতিবাহিত হওয়ার) পূর্বে। তবে যে (কয় বৎসর বা মাসের) খেদমত অবশিষ্ট রয়েছে সে খেদমত কর্তার ওয়ারিসগণের প্রাপ্য হবে; আর (আযাদীর) পর উহার উত্তরাধিকার পাবে যে আযাদীর চুক্তি করেছিল সে এবং তার পুরুষ সন্তানগণ অথবা আসাবাগণ। মালিক (র) বলেন এক ব্যক্তি তার মুকাতাবের উপর শর্তারোপ করেছে, তুমি সফরে যাবে না, বিবাহ করবে না এবং আমার ভূমি (দেশ) হতে আমার অনুমতি ছাড়া বাহিরে যাবে না, যদি আমার অনুমতি ছাড়া এর কোন একটি কর, তবে তোমার কিতাবাত বাতিল করার ক্ষমতা আমার হাতে। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের কিতাবাত বাতিল করার ক্ষমতা সেই ব্যক্তির হাতে নয়। বরং যদি মুকাতাব এই রকম কোন কর্ম করে থাকে তবে উহার কর্তা বিষয়টি হাকিম-এর নিকট উত্থাপন করবে এবং সে বিবাহ করবে না প্রবাসে যাবে না; এবং কর্তার দেশ হতে বাহিরে যাবে না কর্তার অনুমতি ব্যতীত কর্তা শর্তারোপ করুক বা না করুক। ইহা এইজন্য- এক ব্যক্তি তার দাসের সহিত মুকাতাবাত করেছে একশত দীনারের বিনিময়ে। মুকাতাবের নিকট রয়েছে এক হাজার দীনার বা ততোধিক। অতঃপর সে যেয়ে কোন নারীকে বিবাহ করলে এবং উহাকে মহর দিলে যা তার মালকে অনেক কমিয়ে দিবে এবং উহাতে “বদলে কিতাবাত” আদায় করতে যে অপারগ হবে, ফলে তার কর্তার দিকে ফিরবে দাসরূপে। যার নিকট কোন মাল নেই, অথবা সে প্রবাসে যাবে (ইতিমধ্যে) তার কিস্তি আদায়ের সময় উপস্থিত হবে, অথচ সে অনুপস্থিত, এইরূপ করার ইখতিয়ার মুকাতাবের নেই এবং উহার উপর মুকাতাবাত সংঘটিত হয়নি। এই সব ইখতিয়ার তার কর্তার হাতে, সে ইচ্ছা করলে তাকে অনুমতি দিবে যখন, আর ইচ্ছা করলে সে ইহা হতে বারণ করবে।
حدثني مالك في رجل كاتب عبده بذهب أو ورق واشترط عليه في كتابته سفرا أو خدمة أو ضحية إن كل شيء من ذلك سمى باسمه ثم قوي المكاتب على أداء نجومه كلها قبل محلها قال إذا أدى نجومه كلها وعليه هذا الشرط عتق فتمت حرمته ونظر إلى ما شرط عليه من خدمة أو سفر أو ما أشبه ذلك مما يعالجه هو بنفسه فذلك موضوع عنه ليس لسيده فيه شيء وما كان من ضحية أو كسوة أو شيء يؤديه فإنما هو بمنزلة الدنانير والدراهم يقوم ذلك عليه فيدفعه مع نجومه ولا يعتق حتى يدفع ذلك مع نجومه. قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا الذي لا اختلاف فيه أن المكاتب بمنزلة عبد أعتقه سيده بعد خدمة عشر سنين فإذا هلك سيده الذي أعتقه قبل عشر سنين فإن ما بقي عليه من خدمته لورثته وكان ولاؤه للذي عقد عتقه ولولده من الرجال أو العصبة قال مالك في الرجل يشترط على مكاتبه أنك لا تسافر ولا تنكح ولا تخرج من أرضي إلا بإذني فإن فعلت شيئا من ذلك بغير إذني فمحو كتابتك بيدي قال مالك ليس محو كتابته بيده إن فعل المكاتب شيئا من ذلك وليرفع سيده ذلك إلى السلطان وليس للمكاتب أن ينكح ولا يسافر ولا يخرج من أرض سيده إلا بإذنه اشترط ذلك أو لم يشترطه وذلك أن الرجل يكاتب عبده بمائة دينار وله ألف دينار أو أكثر من ذلك فينطلق فينكح المرأة فيصدقها الصداق الذي يجحف بماله ويكون فيه عجزه فيرجع إلى سيده عبدا لا مال له أو يسافر فتحل نجومه وهو غائب فليس ذلك له ولا على ذلك كاتبه وذلك بيد سيده إن شاء أذن له في ذلك وإن شاء منعه.