মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাব গোলাম বিক্রয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯১
قال مالك إن أحسن ما سمع في الرجل يشتري مكاتب الرجل أنه لا يبيعه إذا كان كاتبه بدنانير أو دراهم إلا بعرض من العروض يعجله ولا يؤخره لأنه إذا أخره كان دينا بدين وقد نهي عن الكالئ بالكالئ قال وإن كاتب المكاتب سيده بعرض من العروض من الإبل أو البقر أو الغنم أو الرقيق فإنه يصلح للمشتري أن يشتريه بذهب أو فضة أو عرض مخالف للعروض التي كاتبه سيده عليها يعجل ذلك ولا يؤخره. قال مالك أحسن ما سمعت في المكاتب أنه إذا بيع كان أحق باشتراء كتابته ممن اشتراها إذا قوي أن يؤدي إلى سيده الثمن الذي باعه به نقدا وذلك أن اشتراءه نفسه عتاقة والعتاقة تبدأ على ما كان معها من الوصايا وإن باع بعض من كاتب المكاتب نصيبه منه فباع نصف المكاتب أو ثلثه أو ربعه أو سهما من أسهم المكاتب فليس للمكاتب فيما بيع منه شفعة وذلك أنه يصير بمنزلة القطاعة وليس له أن يقاطع بعض من كاتبه إلا بإذن شركائه وأن ما بيع منه ليست له به حرمة تامة وأن ماله محجور عنه وأن اشتراءه بعضه يخاف عليه منه العجز لما يذهب من ماله وليس ذلك بمنزلة اشتراء المكاتب نفسه كاملا إلا أن يأذن له من بقي له فيه كتابة فإن أذنوا له كان أحق بما بيع منه قال مالك لا يحل بيع نجم من نجوم المكاتب وذلك أنه غرر إن عجز المكاتب بطل ما عليه وإن مات أو أفلس وعليه ديون للناس لم يأخذ الذي اشترى نجمه بحصته مع غرمائه شيئا وإنما الذي يشتري نجما من نجوم المكاتب بمنزلة سيد المكاتب فسيد المكاتب لا يحاص بكتابة غلامه غرماء المكاتب وكذلك الخراج أيضا يجتمع له على غلامه فلا يحاص بما اجتمع له من الخراج غرماء غلامه قال مالك لا بأس بأن يشتري المكاتب كتابته بعين أو عرض مخالف لما كوتب به من العين أو العرض أو غير مخالف معجل أو مؤخر قال مالك في المكاتب يهلك ويترك أم ولد وأولادا له صغارا منها أو من غيرها فلا يقوون على السعي ويخاف عليهم العجز عن كتابتهم قال تباع أم ولد أبيهم إذا كان في ثمنها ما يؤدى به عنهم جميع كتابتهم أمهم كانت أو غير أمهم يؤدى عنهم ويعتقون لأن أباهم كان لا يمنع بيعها إذا خاف العجز عن كتابته فهؤلاء إذا خيف عليهم العجز بيعت أم ولد أبيهم فيؤدى عنهم ثمنها فإن لم يكن في ثمنها ما يؤدى عنهم ولم تقو هي ولا هم على السعي رجعوا جميعا رقيقا لسيدهم -قال مالك الأمر عندنا في الذي يبتاع كتابة المكاتب ثم يهلك المكاتب قبل أن يؤدي كتابته أنه يرثه الذي اشترى كتابته وإن عجز فله رقبته وإن أدى المكاتب كتابته إلى الذي اشتراها وعتق فولاؤه للذي عقد كتابته ليس للذي اشترى كتابته من ولائه شيء.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সার্বোত্তম যা আমি শুনেছি সে ব্যক্তি সম্পর্কে- যে কোন লোকের মুকাতাবকে খরিদ করে। সেই মুকাতাব-এর সাথে দিরহাম বা দীনারের বিনিময়ে কিতাবাত করা হলে তবে উহাকে (দিরহাম বা দীনার ব্যতীত) অন্য কোন পণ্যের বিনিময়ে বাকীতে নয় নগদ বিক্রি করতে পারবে। কারণ বাকী বিক্রি করা হলে তবে তা ঋণের বিনিময়ে বিক্রয় করা হবে। আর ঋণের বিনিময়ে ঋণ বিক্রয় করা নিষিদ্ধ। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের কর্তা যদি উহার সাথে কোন মালের যথা উট, গরু, ছাগল অথবা ক্রীতদাসের উপর মুকাতাবাত করে থাকে, তবে ক্রেতা মুকাতাবকে স্বর্ণ কিংবা রৌপ্য অথবা যে পণ্যের দ্রব্যের বিনিময়ে কর্তা উহার সাথে মুকাতাবাত করেছে সে পণ্যের বিপরীত পণ্যের বিনিময়ে ক্রয় করতে পারবে, তবে মূল্য নগদ পরিশোধ করতে হবে, বাকী নয়। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের ব্যাপারে অতি ভাল অভিমত আমি যা শুনেছি তা এই- যদি উহাকে বিক্রয় করা হয়, তবে যে উহাকে খরিদ করেছে তার অপেক্ষা মুকাতাবই আপন কিতাবাত ক্রয় করার অধিক হকদার, যে মূল্যে উহাকে তার কর্তা বিক্রয় করেছে সেই মূল্য নগদ পরিশোধ করতে মুকাতাব যদি সক্ষম হয়, কারণ মুকাতাব কর্তৃক তার নিজেকে ক্রয় করা আযাদী বটে, (মুকাতাব ক্রয় করলে সাথে সাথে আযাদ হয়ে যাবে, অন্য কেউ খরিদ করলে হয়ত গোলাম বানিয়ে রাখবে) [আরও এই জন্য যে,] কিতাবাতের সঙ্গে অন্যান্য যে সব ওসীয়ত থাকে সেই সবের যারা কিতাবাত করেছে তাদের কোন শরীক যদি নিজের অংশ বিক্রি করে যথা- মুকাতাবের অর্ধেকাংশ অথবা এক-তৃতীয়াংশ অথবা এক-চতুর্থাংশ অথবা মুকতাবের অংশসমূহ হতে যেকোন অংশ তবে বিক্রীত অংশে মুকাতাবের জন্য শুফ‘আ-এর দাবি করার হক থাকবে না। কারণ (অংশ বিক্রয় করা) ইহা কিতা‘আতের মত। আর মুকাতাবের কিছু অংশে কিতা‘আত করা অন্যান্য শরীকদের অনুমতি ব্যতীত জায়েয নয়। আর মুকাতারের যে অংশ বিক্রি করা হয়েছে উহার দ্বারা তার জন্য সম্পূর্ণ হুরমত [আযাদ ব্যক্তির মর্যাদা লাভ] প্রতিষ্ঠিত হবে না। মুকাতাবের মালে তিনি অধিকার বর্জিত। পক্ষান্তরে আংশিক খরিদের পর তার অপারগ হওয়ার আশংকাও করা যেতে পারে, যদ্দরুন যে অংশ সে খরিদ করেছিল তার অপারগ হওয়াতে সেই অর্থও বিফলে যেতে পারে। ইহা মুকাতাব কর্তৃক নিজেকে সম্পূর্ণ ক্রয় করার মতো (ব্যাপার) নয়। তবে যদি তার কিতাবাতে যার অংশ অবশিষ্ট রয়েছে সে যদি অনুমতি দেয় (তা হলে বৈধ হবে) শরীকদারগণ যদি তার অংশ (যা বিক্রয় করা হবে) খরিদ করার তাকে অনুমতি দেয় তবে সে ইহার অধিক হকদার হবে। মালিক (র) বলেন মুকাতাব-এর কিস্তিসমূহের কোন কিস্তির বিক্রয় জায়েয নয়, কারণ এতে ধোঁকা আছে। মুকাতাব অপারগ হয়ে গেলে উহার জিম্মায় যে অর্থ (বদলে-কিতাবাতের) রয়েছে তা বাতিল হয়ে যাবে। আর যদি মুকাতাব-এর মৃত্যু হয় অথবা সে মুফলিস (রিক্তহস্ত) হয়ে যায় এবং তার উপর লোকের ঋণ থাকে তবে যে কিস্তি খরিদ করেছে তার জন্য ঋণদাতাদের সঙ্গে শামিল হয়ে তার অংশ আদায় করা জায়েয হবে না। পক্ষান্তরে যে মুকাতাবের কোন কিস্তি খরিদ করেছে সে মুকাতাবের কর্তার মতো হবে। মুকাতাবের কর্তা ক্রীতদাসের কিতাবাতের অর্থের জন্য মুকাতাবের ঋণদাতাদের সাথে শামিল বা শরীক হবে না (তদ্রুপ যে কিস্তি খরিদ করেছে সেও না)। অনুরূপ (কর্তার) খাজনা যা গোলামের উপর (অনাদায়ের কারণে) একত্র হয়েছে এই খাজনা একত্র হওয়ার দরুন মুকাতাবের কর্তা উহার ঋনদাতাদের সাথে শামিল বা শরীক হবে না। মালিক (র) বলেন যদি মুকাতাব স্বর্ণমুদ্রা অথবা রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে নিজের কিতাবাতকে খরিদ করে অথবা পণ্যের বিনিময়ে। আর কিতাবাত যে স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রার অথবা পণ্যের বিনিময়ে হয়েছে, সে মুদ্রা বা পণ্য হতে ভিন্ন পণ্য দ্বারা অথবা অভিন্ন পণ্য দ্বারা নগদ অথবা বাকী উহা ক্রয় করতে কোন দোষ নেই। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব উম্মু ওয়ালাদ এবং ছোট সন্তান রেখে মারা যায় ঐ সন্তান এ উম্মুওয়ালাদের গর্ভের হোক অথবা অন্যের গর্ভের হোক আর ঐ সন্তানগণ কিতাবাতের বিনিময় পরিশোধ করতে অপারগ হয় তবে তাদের পিতার উম্মে ওয়ালাদকে বিক্রয় করা হবে, যদি তার মূল্য এই পরিমাণ হয় যদ্দারা তাদের সকলের “বদলে কিতাবাত” পূর্ণরূপে শোধ করা যায়। এই “উম্মে-ওয়ালাদ” উক্ত সন্তানদের হোক অথবা ভিন্ন কেউ হোক (উহাকে বিক্রি করে) সকলের “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করা হবে এবং তারা সকলে আযাদ হয়ে যাবে। কারণ তাদের পিতা নিজের “বদলে-কিতাবাত” আযাদ করতে অপারগ হলে উম্মে-ওয়ালাদকে বিক্রি করতে নিষেধ করত না। তাই এরা “বদলে কিতাবাত” আদায় করতে যখন তাদের অপারগতার আশংকা করা হবে তখন তাদের পিতার “উম্মে ওয়ালাদ”-কে বিক্রয় করা হবে এবং তাদের (কিতাবাতের) মূল্য পরিশোধ করা হবে। আর যদি তাদের পক্ষে “বদলে কিতাবাত” আদায় করা যায় এমন কিছু না থাকে এবং “উম্মে ওয়ালাদ” ও উহারা (সন্তানগণ) পরিশ্রম করতেও সামর্থ্য না রাখে, তবে তারা সকলে উহাদের কর্তার দাস হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন আমাদের সর্বসম্মত অভিমত এই, যে ব্যক্তি মুকাতাবের কিতাবাতকে খরিদ করে, অতঃপর “বদলে-কিতাবাত” পরিশোধ করার পূর্বে মুকাতাবের মৃত্যু হয়, তবে যে, “কিতাবাত” ক্রয় করেছে সে (মৃত) মুকাতাবের মীরাস পাবে। আর যদি মুকাতাব অক্ষম হয়, তার ক্রেতা উহার মালিক হবে (অর্থাৎ সে ক্রেতার দাসরূপে থাকবে)। আর মুকাতাব যদি “বদলে কিতাবাত” উহার ক্রেতার নিকট আদায় করেছে এবং এতে সে আযাদ হয়ে গিয়েছে তখন তার মুকাতাব যে আযাদী লাভ করেছে। উত্তরাধিকার কিতাবাত চুক্তি যে করেছিল সে পাবে। যে কিতাবাত ক্রয় করেছে সে উহার কোন প্রকার উত্তরাধিকার লাভ করবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
সার্বোত্তম যা আমি শুনেছি সে ব্যক্তি সম্পর্কে- যে কোন লোকের মুকাতাবকে খরিদ করে। সেই মুকাতাব-এর সাথে দিরহাম বা দীনারের বিনিময়ে কিতাবাত করা হলে তবে উহাকে (দিরহাম বা দীনার ব্যতীত) অন্য কোন পণ্যের বিনিময়ে বাকীতে নয় নগদ বিক্রি করতে পারবে। কারণ বাকী বিক্রি করা হলে তবে তা ঋণের বিনিময়ে বিক্রয় করা হবে। আর ঋণের বিনিময়ে ঋণ বিক্রয় করা নিষিদ্ধ। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের কর্তা যদি উহার সাথে কোন মালের যথা উট, গরু, ছাগল অথবা ক্রীতদাসের উপর মুকাতাবাত করে থাকে, তবে ক্রেতা মুকাতাবকে স্বর্ণ কিংবা রৌপ্য অথবা যে পণ্যের দ্রব্যের বিনিময়ে কর্তা উহার সাথে মুকাতাবাত করেছে সে পণ্যের বিপরীত পণ্যের বিনিময়ে ক্রয় করতে পারবে, তবে মূল্য নগদ পরিশোধ করতে হবে, বাকী নয়। মালিক (র) বলেন মুকাতাবের ব্যাপারে অতি ভাল অভিমত আমি যা শুনেছি তা এই- যদি উহাকে বিক্রয় করা হয়, তবে যে উহাকে খরিদ করেছে তার অপেক্ষা মুকাতাবই আপন কিতাবাত ক্রয় করার অধিক হকদার, যে মূল্যে উহাকে তার কর্তা বিক্রয় করেছে সেই মূল্য নগদ পরিশোধ করতে মুকাতাব যদি সক্ষম হয়, কারণ মুকাতাব কর্তৃক তার নিজেকে ক্রয় করা আযাদী বটে, (মুকাতাব ক্রয় করলে সাথে সাথে আযাদ হয়ে যাবে, অন্য কেউ খরিদ করলে হয়ত গোলাম বানিয়ে রাখবে) [আরও এই জন্য যে,] কিতাবাতের সঙ্গে অন্যান্য যে সব ওসীয়ত থাকে সেই সবের যারা কিতাবাত করেছে তাদের কোন শরীক যদি নিজের অংশ বিক্রি করে যথা- মুকাতাবের অর্ধেকাংশ অথবা এক-তৃতীয়াংশ অথবা এক-চতুর্থাংশ অথবা মুকতাবের অংশসমূহ হতে যেকোন অংশ তবে বিক্রীত অংশে মুকাতাবের জন্য শুফ‘আ-এর দাবি করার হক থাকবে না। কারণ (অংশ বিক্রয় করা) ইহা কিতা‘আতের মত। আর মুকাতাবের কিছু অংশে কিতা‘আত করা অন্যান্য শরীকদের অনুমতি ব্যতীত জায়েয নয়। আর মুকাতারের যে অংশ বিক্রি করা হয়েছে উহার দ্বারা তার জন্য সম্পূর্ণ হুরমত [আযাদ ব্যক্তির মর্যাদা লাভ] প্রতিষ্ঠিত হবে না। মুকাতাবের মালে তিনি অধিকার বর্জিত। পক্ষান্তরে আংশিক খরিদের পর তার অপারগ হওয়ার আশংকাও করা যেতে পারে, যদ্দরুন যে অংশ সে খরিদ করেছিল তার অপারগ হওয়াতে সেই অর্থও বিফলে যেতে পারে। ইহা মুকাতাব কর্তৃক নিজেকে সম্পূর্ণ ক্রয় করার মতো (ব্যাপার) নয়। তবে যদি তার কিতাবাতে যার অংশ অবশিষ্ট রয়েছে সে যদি অনুমতি দেয় (তা হলে বৈধ হবে) শরীকদারগণ যদি তার অংশ (যা বিক্রয় করা হবে) খরিদ করার তাকে অনুমতি দেয় তবে সে ইহার অধিক হকদার হবে। মালিক (র) বলেন মুকাতাব-এর কিস্তিসমূহের কোন কিস্তির বিক্রয় জায়েয নয়, কারণ এতে ধোঁকা আছে। মুকাতাব অপারগ হয়ে গেলে উহার জিম্মায় যে অর্থ (বদলে-কিতাবাতের) রয়েছে তা বাতিল হয়ে যাবে। আর যদি মুকাতাব-এর মৃত্যু হয় অথবা সে মুফলিস (রিক্তহস্ত) হয়ে যায় এবং তার উপর লোকের ঋণ থাকে তবে যে কিস্তি খরিদ করেছে তার জন্য ঋণদাতাদের সঙ্গে শামিল হয়ে তার অংশ আদায় করা জায়েয হবে না। পক্ষান্তরে যে মুকাতাবের কোন কিস্তি খরিদ করেছে সে মুকাতাবের কর্তার মতো হবে। মুকাতাবের কর্তা ক্রীতদাসের কিতাবাতের অর্থের জন্য মুকাতাবের ঋণদাতাদের সাথে শামিল বা শরীক হবে না (তদ্রুপ যে কিস্তি খরিদ করেছে সেও না)। অনুরূপ (কর্তার) খাজনা যা গোলামের উপর (অনাদায়ের কারণে) একত্র হয়েছে এই খাজনা একত্র হওয়ার দরুন মুকাতাবের কর্তা উহার ঋনদাতাদের সাথে শামিল বা শরীক হবে না। মালিক (র) বলেন যদি মুকাতাব স্বর্ণমুদ্রা অথবা রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে নিজের কিতাবাতকে খরিদ করে অথবা পণ্যের বিনিময়ে। আর কিতাবাত যে স্বর্ণ বা রৌপ্য মুদ্রার অথবা পণ্যের বিনিময়ে হয়েছে, সে মুদ্রা বা পণ্য হতে ভিন্ন পণ্য দ্বারা অথবা অভিন্ন পণ্য দ্বারা নগদ অথবা বাকী উহা ক্রয় করতে কোন দোষ নেই। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব উম্মু ওয়ালাদ এবং ছোট সন্তান রেখে মারা যায় ঐ সন্তান এ উম্মুওয়ালাদের গর্ভের হোক অথবা অন্যের গর্ভের হোক আর ঐ সন্তানগণ কিতাবাতের বিনিময় পরিশোধ করতে অপারগ হয় তবে তাদের পিতার উম্মে ওয়ালাদকে বিক্রয় করা হবে, যদি তার মূল্য এই পরিমাণ হয় যদ্দারা তাদের সকলের “বদলে কিতাবাত” পূর্ণরূপে শোধ করা যায়। এই “উম্মে-ওয়ালাদ” উক্ত সন্তানদের হোক অথবা ভিন্ন কেউ হোক (উহাকে বিক্রি করে) সকলের “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করা হবে এবং তারা সকলে আযাদ হয়ে যাবে। কারণ তাদের পিতা নিজের “বদলে-কিতাবাত” আযাদ করতে অপারগ হলে উম্মে-ওয়ালাদকে বিক্রি করতে নিষেধ করত না। তাই এরা “বদলে কিতাবাত” আদায় করতে যখন তাদের অপারগতার আশংকা করা হবে তখন তাদের পিতার “উম্মে ওয়ালাদ”-কে বিক্রয় করা হবে এবং তাদের (কিতাবাতের) মূল্য পরিশোধ করা হবে। আর যদি তাদের পক্ষে “বদলে কিতাবাত” আদায় করা যায় এমন কিছু না থাকে এবং “উম্মে ওয়ালাদ” ও উহারা (সন্তানগণ) পরিশ্রম করতেও সামর্থ্য না রাখে, তবে তারা সকলে উহাদের কর্তার দাস হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন আমাদের সর্বসম্মত অভিমত এই, যে ব্যক্তি মুকাতাবের কিতাবাতকে খরিদ করে, অতঃপর “বদলে-কিতাবাত” পরিশোধ করার পূর্বে মুকাতাবের মৃত্যু হয়, তবে যে, “কিতাবাত” ক্রয় করেছে সে (মৃত) মুকাতাবের মীরাস পাবে। আর যদি মুকাতাব অক্ষম হয়, তার ক্রেতা উহার মালিক হবে (অর্থাৎ সে ক্রেতার দাসরূপে থাকবে)। আর মুকাতাব যদি “বদলে কিতাবাত” উহার ক্রেতার নিকট আদায় করেছে এবং এতে সে আযাদ হয়ে গিয়েছে তখন তার মুকাতাব যে আযাদী লাভ করেছে। উত্তরাধিকার কিতাবাত চুক্তি যে করেছিল সে পাবে। যে কিতাবাত ক্রয় করেছে সে উহার কোন প্রকার উত্তরাধিকার লাভ করবে না।
قال مالك إن أحسن ما سمع في الرجل يشتري مكاتب الرجل أنه لا يبيعه إذا كان كاتبه بدنانير أو دراهم إلا بعرض من العروض يعجله ولا يؤخره لأنه إذا أخره كان دينا بدين وقد نهي عن الكالئ بالكالئ قال وإن كاتب المكاتب سيده بعرض من العروض من الإبل أو البقر أو الغنم أو الرقيق فإنه يصلح للمشتري أن يشتريه بذهب أو فضة أو عرض مخالف للعروض التي كاتبه سيده عليها يعجل ذلك ولا يؤخره. قال مالك أحسن ما سمعت في المكاتب أنه إذا بيع كان أحق باشتراء كتابته ممن اشتراها إذا قوي أن يؤدي إلى سيده الثمن الذي باعه به نقدا وذلك أن اشتراءه نفسه عتاقة والعتاقة تبدأ على ما كان معها من الوصايا وإن باع بعض من كاتب المكاتب نصيبه منه فباع نصف المكاتب أو ثلثه أو ربعه أو سهما من أسهم المكاتب فليس للمكاتب فيما بيع منه شفعة وذلك أنه يصير بمنزلة القطاعة وليس له أن يقاطع بعض من كاتبه إلا بإذن شركائه وأن ما بيع منه ليست له به حرمة تامة وأن ماله محجور عنه وأن اشتراءه بعضه يخاف عليه منه العجز لما يذهب من ماله وليس ذلك بمنزلة اشتراء المكاتب نفسه كاملا إلا أن يأذن له من بقي له فيه كتابة فإن أذنوا له كان أحق بما بيع منه قال مالك لا يحل بيع نجم من نجوم المكاتب وذلك أنه غرر إن عجز المكاتب بطل ما عليه وإن مات أو أفلس وعليه ديون للناس لم يأخذ الذي اشترى نجمه بحصته مع غرمائه شيئا وإنما الذي يشتري نجما من نجوم المكاتب بمنزلة سيد المكاتب فسيد المكاتب لا يحاص بكتابة غلامه غرماء المكاتب وكذلك الخراج أيضا يجتمع له على غلامه فلا يحاص بما اجتمع له من الخراج غرماء غلامه قال مالك لا بأس بأن يشتري المكاتب كتابته بعين أو عرض مخالف لما كوتب به من العين أو العرض أو غير مخالف معجل أو مؤخر قال مالك في المكاتب يهلك ويترك أم ولد وأولادا له صغارا منها أو من غيرها فلا يقوون على السعي ويخاف عليهم العجز عن كتابتهم قال تباع أم ولد أبيهم إذا كان في ثمنها ما يؤدى به عنهم جميع كتابتهم أمهم كانت أو غير أمهم يؤدى عنهم ويعتقون لأن أباهم كان لا يمنع بيعها إذا خاف العجز عن كتابته فهؤلاء إذا خيف عليهم العجز بيعت أم ولد أبيهم فيؤدى عنهم ثمنها فإن لم يكن في ثمنها ما يؤدى عنهم ولم تقو هي ولا هم على السعي رجعوا جميعا رقيقا لسيدهم -قال مالك الأمر عندنا في الذي يبتاع كتابة المكاتب ثم يهلك المكاتب قبل أن يؤدي كتابته أنه يرثه الذي اشترى كتابته وإن عجز فله رقبته وإن أدى المكاتب كتابته إلى الذي اشتراها وعتق فولاؤه للذي عقد كتابته ليس للذي اشترى كتابته من ولائه شيء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের প্রচেষ্টা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯২
حدثني مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسليمان بن يسار سئلا عن رجل كاتب على نفسه وعلى بنيه ثم مات هل يسعى بنو المكاتب في كتابة أبيهم أم هم عبيد فقالا بل يسعون في كتابة أبيهم ولا يوضع عنهم لموت أبيهم شيء قال مالك وإن كانوا صغارا لا يطيقون السعي لم ينتظر بهم أن يكبروا وكانوا رقيقا لسيد أبيهم إلا أن يكون المكاتب ترك ما يؤدى به عنهم نجومهم إلى أن يتكلفوا السعي فإن كان فيما ترك ما يؤدى عنهم أدي ذلك عنهم وتركوا على حالهم حتى يبلغوا السعي فإن أدوا عتقوا وإن عجزوا رقوا. قال مالك في المكاتب يموت ويترك مالا ليس فيه وفاء الكتابة ويترك ولدا معه في كتابته وأم ولد فأرادت أم ولده أن تسعى عليهم إنه يدفع إليها المال إذا كانت مأمونة على ذلك قوية على السعي وإن لم تكن قوية على السعي ولا مأمونة على المال لم تعط شيئا من ذلك ورجعت هي وولد المكاتب رقيقا لسيد المكاتب. قال مالك إذا كاتب القوم جميعا كتابة واحدة ولا رحم بينهم فعجز بعضهم وسعى بعضهم حتى عتقوا جميعا فإن الذين سعوا يرجعون على الذين عجزوا بحصة ما أدوا عنهم لأن بعضهم حملاء عن بعض.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র ও সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার তাঁদের উভয়কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে ব্যক্তি নিজের এবং তার ছেলেদের মুক্তির জন্য মুকাতাবাত করেছে। তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এমতাবস্থায় মুকাতাবের ছেলেরা তাদের পিতার কিতাবাতে-এর অর্থ আদায় করার জন্য চেষ্টা করবে কি? না তারা ক্রীতদাস থেকে যাবে? তাঁরা (উত্তরে) বললেন, তারা (মুকাতাবের ছেলেরা) তাদের পিতার কিতাবাতের অর্থ পরিশোধের জন্য চেষ্টা করবে। তাদের উপর হতে পিতার মৃত্যু “বদলে কিতাবাত”-এর পরিমাণ বা মূল্য হতে কিছু কমান হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন (মৃত) মুকাতাবের সন্তানগণ যদি ছোট বয়সের থাকে যারা (“বদলে-কিতাবাত আদায় করার”) চেষ্টা করার সামর্থ্য রাখে না, তবে তাদের (বড় হওয়ার) জন্য অপেক্ষা করা হবে না। তারা তাদের পিতার কর্তার ক্রীতদাস থাকবে; কিন্তু মুকাতাব যদি এই পরিমাণ মাল রেখে যায় ছেলেরা চেষ্টা করার উপযোগী হওয়া পর্যন্ত সেই পরিমাণ মালের দ্বারা তাদের (কিতাবাতের) কিস্তি আদায় করা যেতে পারে। যদি তাদের পিতা যে মাল রেখে গিয়েছে তাতে তাদের কিস্তি আদায় করা যায়, তবে (তাদের ছোট থাকাকালে) তাদের কিস্তি আদায় করা হবে; এবং তাদেরকে চেষ্টার উপযোগী বয়সে উপনীত হওয়া পর্যন্ত এইভাবে থাকতে দেয়া হবে। যদি তারা “বদলে কিতাবাত” আদায় করে তবে সকলেই আযাদ হয়ে যাবে। আর তারা তা করতে অক্ষম হলে গোলাম থেকে যাবে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাবের মৃত্যু হয়েছে এবং সে রেখে গিয়েছে সন্তান যারা তার সাথে কিতাবাতে শামিল রয়েছে আর (রেখে গিয়েছে) “উম্মে-ওয়ালাদ” আর (সে রেখে গিয়েছে) মাল যা “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করার জন্য যথেষ্ট নয়। “উম্মে ওয়ালাদ” যদি তাদের আযাদীর নিমিত্তে চেষ্টা চালাতে ইচ্ছা করে, যদি সে চেষ্টা করার উপযুক্ত হয় এবং নির্ভরযোগ্যও হয়, তবে (মৃত মুকাতাবের) মাল তার নিকট সোপর্দ করা হবে। আর সে যদি চেষ্টা চালাবার উপযুক্ত না হয় এবং নির্ভরযোগ্যও নয় তবে মালের কিছুই উহার নিকট সোপর্দ করা হবে না। বরং উম্মু ওয়ালাদ এবং সেই মুকাতাবের সন্তানগণ মুকাতাবের কর্তার ক্রীতদাস থেকে যাবে। মালিক (র) বলেন ক্রীতদাসের একদল যদি একত্রে মুকাতাবাত করে এবং তাদের মধ্যে পরস্পর আত্মীয়তার সম্পর্ক না থাকে, অতঃপর কিছু সংখ্যক অপারগ হয়। আর কিছু লোক চেষ্টা চালায়। ফলে সকলেই আযাদ হয়ে যায়। তাহলে, যারা (আযাদীর জন্য) চেষ্টা করেছে তারা প্রত্যাবর্তন করবে, উহাদের দিকে যারা অক্ষম হয়েছিল সেই অংশ অনুযায়ী যেই অংশ উহাদের তরফ হতে পরিশোধ করা হয়েছে। কারণ উহারা একে অপরের জামিন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উরওয়াহ ইব্নু যুবায়র ও সুলায়মান ইব্নু ইয়াসার তাঁদের উভয়কে প্রশ্ন করা হল এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে ব্যক্তি নিজের এবং তার ছেলেদের মুক্তির জন্য মুকাতাবাত করেছে। তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এমতাবস্থায় মুকাতাবের ছেলেরা তাদের পিতার কিতাবাতে-এর অর্থ আদায় করার জন্য চেষ্টা করবে কি? না তারা ক্রীতদাস থেকে যাবে? তাঁরা (উত্তরে) বললেন, তারা (মুকাতাবের ছেলেরা) তাদের পিতার কিতাবাতের অর্থ পরিশোধের জন্য চেষ্টা করবে। তাদের উপর হতে পিতার মৃত্যু “বদলে কিতাবাত”-এর পরিমাণ বা মূল্য হতে কিছু কমান হবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন (মৃত) মুকাতাবের সন্তানগণ যদি ছোট বয়সের থাকে যারা (“বদলে-কিতাবাত আদায় করার”) চেষ্টা করার সামর্থ্য রাখে না, তবে তাদের (বড় হওয়ার) জন্য অপেক্ষা করা হবে না। তারা তাদের পিতার কর্তার ক্রীতদাস থাকবে; কিন্তু মুকাতাব যদি এই পরিমাণ মাল রেখে যায় ছেলেরা চেষ্টা করার উপযোগী হওয়া পর্যন্ত সেই পরিমাণ মালের দ্বারা তাদের (কিতাবাতের) কিস্তি আদায় করা যেতে পারে। যদি তাদের পিতা যে মাল রেখে গিয়েছে তাতে তাদের কিস্তি আদায় করা যায়, তবে (তাদের ছোট থাকাকালে) তাদের কিস্তি আদায় করা হবে; এবং তাদেরকে চেষ্টার উপযোগী বয়সে উপনীত হওয়া পর্যন্ত এইভাবে থাকতে দেয়া হবে। যদি তারা “বদলে কিতাবাত” আদায় করে তবে সকলেই আযাদ হয়ে যাবে। আর তারা তা করতে অক্ষম হলে গোলাম থেকে যাবে। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাবের মৃত্যু হয়েছে এবং সে রেখে গিয়েছে সন্তান যারা তার সাথে কিতাবাতে শামিল রয়েছে আর (রেখে গিয়েছে) “উম্মে-ওয়ালাদ” আর (সে রেখে গিয়েছে) মাল যা “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করার জন্য যথেষ্ট নয়। “উম্মে ওয়ালাদ” যদি তাদের আযাদীর নিমিত্তে চেষ্টা চালাতে ইচ্ছা করে, যদি সে চেষ্টা করার উপযুক্ত হয় এবং নির্ভরযোগ্যও হয়, তবে (মৃত মুকাতাবের) মাল তার নিকট সোপর্দ করা হবে। আর সে যদি চেষ্টা চালাবার উপযুক্ত না হয় এবং নির্ভরযোগ্যও নয় তবে মালের কিছুই উহার নিকট সোপর্দ করা হবে না। বরং উম্মু ওয়ালাদ এবং সেই মুকাতাবের সন্তানগণ মুকাতাবের কর্তার ক্রীতদাস থেকে যাবে। মালিক (র) বলেন ক্রীতদাসের একদল যদি একত্রে মুকাতাবাত করে এবং তাদের মধ্যে পরস্পর আত্মীয়তার সম্পর্ক না থাকে, অতঃপর কিছু সংখ্যক অপারগ হয়। আর কিছু লোক চেষ্টা চালায়। ফলে সকলেই আযাদ হয়ে যায়। তাহলে, যারা (আযাদীর জন্য) চেষ্টা করেছে তারা প্রত্যাবর্তন করবে, উহাদের দিকে যারা অক্ষম হয়েছিল সেই অংশ অনুযায়ী যেই অংশ উহাদের তরফ হতে পরিশোধ করা হয়েছে। কারণ উহারা একে অপরের জামিন।
حدثني مالك أنه بلغه أن عروة بن الزبير وسليمان بن يسار سئلا عن رجل كاتب على نفسه وعلى بنيه ثم مات هل يسعى بنو المكاتب في كتابة أبيهم أم هم عبيد فقالا بل يسعون في كتابة أبيهم ولا يوضع عنهم لموت أبيهم شيء قال مالك وإن كانوا صغارا لا يطيقون السعي لم ينتظر بهم أن يكبروا وكانوا رقيقا لسيد أبيهم إلا أن يكون المكاتب ترك ما يؤدى به عنهم نجومهم إلى أن يتكلفوا السعي فإن كان فيما ترك ما يؤدى عنهم أدي ذلك عنهم وتركوا على حالهم حتى يبلغوا السعي فإن أدوا عتقوا وإن عجزوا رقوا. قال مالك في المكاتب يموت ويترك مالا ليس فيه وفاء الكتابة ويترك ولدا معه في كتابته وأم ولد فأرادت أم ولده أن تسعى عليهم إنه يدفع إليها المال إذا كانت مأمونة على ذلك قوية على السعي وإن لم تكن قوية على السعي ولا مأمونة على المال لم تعط شيئا من ذلك ورجعت هي وولد المكاتب رقيقا لسيد المكاتب. قال مالك إذا كاتب القوم جميعا كتابة واحدة ولا رحم بينهم فعجز بعضهم وسعى بعضهم حتى عتقوا جميعا فإن الذين سعوا يرجعون على الذين عجزوا بحصة ما أدوا عنهم لأن بعضهم حملاء عن بعض.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের আযাদী যখন সে নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে “বদলে কিতাবাত” পরিশোধ করে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৩
حدثني مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن وغيره يذكرون أن مكاتبا كان للفرافصة بن عمير الحنفي وأنه عرض عليه أن يدفع إليه جميع ما عليه من كتابته فأبى الفرافصة فأتى المكاتب مروان بن الحكم وهو أمير المدينة فذكر ذلك له فدعا مروان الفرافصة فقال له ذلك فأبى فأمر مروان بذلك المال أن يقبض من المكاتب فيوضع في بيت المال وقال للمكاتب اذهب فقد عتقت فلما رأى ذلك الفرافصة قبض المال. قال مالك فالأمر عندنا أن المكاتب إذا أدى جميع ما عليه من نجومه قبل محلها جاز ذلك له ولم يكن لسيده أن يأبى ذلك عليه وذلك أنه يضع عن المكاتب بذلك كل شرط أو خدمة أو سفر لأنه لا تتم عتاقة رجل وعليه بقية من رق ولا تتم حرمته ولا تجوز شهادته ولا يجب ميراثه ولا أشباه هذا من أمره ولا ينبغي لسيده أن يشترط عليه خدمة بعد عتاقته. قال مالك في مكاتب مرض مرضا شديدا فأراد أن يدفع نجومه كلها إلى سيده لأن يرثه ورثة له أحرار وليس معه في كتابته ولد له. قال مالك ذلك جائز له لأنه تتم بذلك حرمته وتجوز شهادته ويجوز اعترافه بما عليه من ديون الناس وتجوز وصيته وليس لسيده أن يأبى ذلك عليه بأن يقول فر مني بماله.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রবী‘আ ইব্নু আবি ‘আবদির রহমান এবং আরও কিছু ‘আলিমকে বলতে শুনেছেন ফুরাফিসা ইব্নু উমাইর আল হানাফী (র)-এর একজন মুকাতাব ছিল। সে “বদলে কিতাবাতের” সম্পূর্ণ অর্থ যা তাহার জিম্মায় রয়েছে, তা এক সঙ্গে তার নিকট পেশ করল। ফুরাফিসা উহা গ্রহণ করতে অস্বীকার করল। মুকাতাব লোকটি আমীরে মদীনা মারওয়ান ইব্নু হাকামের কাছে উপস্থিত হল এবং বিষয়টি তাঁকে জানাল। মারওয়ান ফুরাফিসা ইব্নু উমাইরকে ডেকে পাঠালেন। তিনি উপস্থিত হলে তাঁকে উহা গ্রহণ করার কথা বললেন, কিন্তু ফুরাফিসা অস্বীকার করল, মারওয়ান সেই মাল মুকাতাব হতে গ্রহণ করে বায়তুলমালে রাখার নির্দেশ দিলেন; এবং (সাথে সাথে) মুকাতাবকে বলে দিলেন যাও, তুমি আযাদ হয়ে গিয়েছ। ফুরাফিসা ইহা লক্ষ্য করে মাল (নিজে) গ্রহণ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট এর মীমাংসা এই- মুকাতাব যদি তার জিম্মার সব কিস্তি উহার (নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে) আদায় করে দেয় তা তার জন্য জায়েয হবে, তার কর্তার পক্ষে তা অস্বীকার করবার অধিকার নাই। ইহা এইজন্য যে, কর্তা এর দ্বারা মুকাতাবকে সর্বপ্রকার শর্ত অথবা খেদমত অথবা সফর হতে অব্যাহতি প্রদান করিতেছে। কারণ সামান্য দাসত্ব বহাল থাকলেও কোন ব্যক্তির আযাদী পূর্ণ হয় না এবং (এমতাবস্থায়) উহার ব্যক্তিমর্যাদা পূর্ণতা লাভ করে না, আর উহার সাক্ষ্যও বৈধ হয় না, উহার জন্য মীরাস ওয়াজিব হয় না এবং এই জাতীয় আরও অন্যান্য আহকাম যা মুকাতাব সম্পর্কে রয়েছে। পক্ষান্তরে (ইহার পর) মুকাতাবের কর্তা কর্তৃক মুকাতাবের উপর কোন শর্ত আরোপ করা এবং আযাদীর পর কোন খেদমত গ্রহণ করা সঙ্গত নয়। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব গুরুতর অসুস্থ হয়েছে সে তার যাবতীয় কিস্তি একত্রে কর্তাকে দেবার ইচ্ছা করল, যেন তার আযাদ উত্তরাধিকারিগণ তার মীরাস লাভ করে এবং তার কোন সন্তান কিতাবাতে তার সঙ্গে শামিল নাই। মালিক (র) বলেন ইহা তার জন্য জায়েয হবে। কেননা এর দ্বারা তার ব্যক্তিমর্যাদা পূর্ণত্ব লাভ করবে এবং তার সাক্ষ্য জায়েয হবে, আর তার উপর লোকের যে সকল ঋণ রয়েছে সেই সকল ঋণের স্বীকারোক্তি করাও জায়েজ হবে এবং তার পক্ষে ওসীয়ত করাও জায়েয হবে তার কর্তার পক্ষে ইহা অস্বীকার করার অধিকার নাই “এ দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে যে, (মুকাতাব) তার মাল বাঁচাবার প্রচেষ্টা করেছে।”
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রবী‘আ ইব্নু আবি ‘আবদির রহমান এবং আরও কিছু ‘আলিমকে বলতে শুনেছেন ফুরাফিসা ইব্নু উমাইর আল হানাফী (র)-এর একজন মুকাতাব ছিল। সে “বদলে কিতাবাতের” সম্পূর্ণ অর্থ যা তাহার জিম্মায় রয়েছে, তা এক সঙ্গে তার নিকট পেশ করল। ফুরাফিসা উহা গ্রহণ করতে অস্বীকার করল। মুকাতাব লোকটি আমীরে মদীনা মারওয়ান ইব্নু হাকামের কাছে উপস্থিত হল এবং বিষয়টি তাঁকে জানাল। মারওয়ান ফুরাফিসা ইব্নু উমাইরকে ডেকে পাঠালেন। তিনি উপস্থিত হলে তাঁকে উহা গ্রহণ করার কথা বললেন, কিন্তু ফুরাফিসা অস্বীকার করল, মারওয়ান সেই মাল মুকাতাব হতে গ্রহণ করে বায়তুলমালে রাখার নির্দেশ দিলেন; এবং (সাথে সাথে) মুকাতাবকে বলে দিলেন যাও, তুমি আযাদ হয়ে গিয়েছ। ফুরাফিসা ইহা লক্ষ্য করে মাল (নিজে) গ্রহণ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট এর মীমাংসা এই- মুকাতাব যদি তার জিম্মার সব কিস্তি উহার (নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে) আদায় করে দেয় তা তার জন্য জায়েয হবে, তার কর্তার পক্ষে তা অস্বীকার করবার অধিকার নাই। ইহা এইজন্য যে, কর্তা এর দ্বারা মুকাতাবকে সর্বপ্রকার শর্ত অথবা খেদমত অথবা সফর হতে অব্যাহতি প্রদান করিতেছে। কারণ সামান্য দাসত্ব বহাল থাকলেও কোন ব্যক্তির আযাদী পূর্ণ হয় না এবং (এমতাবস্থায়) উহার ব্যক্তিমর্যাদা পূর্ণতা লাভ করে না, আর উহার সাক্ষ্যও বৈধ হয় না, উহার জন্য মীরাস ওয়াজিব হয় না এবং এই জাতীয় আরও অন্যান্য আহকাম যা মুকাতাব সম্পর্কে রয়েছে। পক্ষান্তরে (ইহার পর) মুকাতাবের কর্তা কর্তৃক মুকাতাবের উপর কোন শর্ত আরোপ করা এবং আযাদীর পর কোন খেদমত গ্রহণ করা সঙ্গত নয়। মালিক (র) বলেন যে মুকাতাব গুরুতর অসুস্থ হয়েছে সে তার যাবতীয় কিস্তি একত্রে কর্তাকে দেবার ইচ্ছা করল, যেন তার আযাদ উত্তরাধিকারিগণ তার মীরাস লাভ করে এবং তার কোন সন্তান কিতাবাতে তার সঙ্গে শামিল নাই। মালিক (র) বলেন ইহা তার জন্য জায়েয হবে। কেননা এর দ্বারা তার ব্যক্তিমর্যাদা পূর্ণত্ব লাভ করবে এবং তার সাক্ষ্য জায়েয হবে, আর তার উপর লোকের যে সকল ঋণ রয়েছে সেই সকল ঋণের স্বীকারোক্তি করাও জায়েজ হবে এবং তার পক্ষে ওসীয়ত করাও জায়েয হবে তার কর্তার পক্ষে ইহা অস্বীকার করার অধিকার নাই “এ দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে যে, (মুকাতাব) তার মাল বাঁচাবার প্রচেষ্টা করেছে।”
حدثني مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن وغيره يذكرون أن مكاتبا كان للفرافصة بن عمير الحنفي وأنه عرض عليه أن يدفع إليه جميع ما عليه من كتابته فأبى الفرافصة فأتى المكاتب مروان بن الحكم وهو أمير المدينة فذكر ذلك له فدعا مروان الفرافصة فقال له ذلك فأبى فأمر مروان بذلك المال أن يقبض من المكاتب فيوضع في بيت المال وقال للمكاتب اذهب فقد عتقت فلما رأى ذلك الفرافصة قبض المال. قال مالك فالأمر عندنا أن المكاتب إذا أدى جميع ما عليه من نجومه قبل محلها جاز ذلك له ولم يكن لسيده أن يأبى ذلك عليه وذلك أنه يضع عن المكاتب بذلك كل شرط أو خدمة أو سفر لأنه لا تتم عتاقة رجل وعليه بقية من رق ولا تتم حرمته ولا تجوز شهادته ولا يجب ميراثه ولا أشباه هذا من أمره ولا ينبغي لسيده أن يشترط عليه خدمة بعد عتاقته. قال مالك في مكاتب مرض مرضا شديدا فأراد أن يدفع نجومه كلها إلى سيده لأن يرثه ورثة له أحرار وليس معه في كتابته ولد له. قال مالك ذلك جائز له لأنه تتم بذلك حرمته وتجوز شهادته ويجوز اعترافه بما عليه من ديون الناس وتجوز وصيته وليس لسيده أن يأبى ذلك عليه بأن يقول فر مني بماله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুকাতাবের মীরাস প্রসঙ্গ যদি আযাদী প্রাপ্ত হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৯৪
حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن مكاتب كان بين رجلين فأعتق أحدهما نصيبه فمات المكاتب وترك مالا كثيرا فقال يؤدى إلى الذي تماسك بكتابته الذي بقي له ثم يقتسمان ما بقي بالسوية قال مالك إذا كاتب المكاتب فعتق فإنما يرثه أولى الناس بمن كاتبه من الرجال يوم توفي المكاتب من ولد أو عصبة قال وهذا أيضا في كل من أعتق فإنما ميراثه لأقرب الناس ممن أعتقه من ولد أو عصبة من الرجال يوم يموت المعتق بعد أن يعتق ويصير موروثا بالولاء قال مالك الإخوة في الكتابة بمنزلة الولد إذا كوتبوا جميعا كتابة واحدة إذا لم يكن لأحد منهم ولد كاتب عليهم أو ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم ثم هلك أحدهم وترك مالا أدي عنهم جميع ما عليهم من كتابتهم وعتقوا وكان فضل المال بعد ذلك لولده دون إخوته.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল জনৈক মুকাতাব সম্বন্ধে, যে (মুকাতাব) দুই ব্যক্তির যুক্ত মালিকানায় রয়েছে, অতঃপর এক শরীক তার অংশ আযাদ করে দিল। তারপর মুকাতাব মারা গেল এবং সে প্রচুর সম্পদ রেখে গেল, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বললেন যেই শরীক কিতাবাতের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে (অর্থাৎ আযাদ করেনি) সেই শরীকের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করা হবে। তারপর যা থেকে যায় উহা উভয়ে ভাগ করে নিবে সমান সমান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন মুকাতাব কিতাবাত চুক্তি করেছে। তারপর আযাদ হয়েছে ও মারা গিয়েছে। যেই কর্তা কিতাবাত করেছে মুকাতাবের মৃত্যুর দিন সেই কর্তার ছেলে অথবা কর্তার পুরুষ আত্মীয়দের মধ্যে আসাবার ভিতর আত্মীয়তার দিক দিয়ে যে নিকটতম সেই উক্ত মুকাতাবের মীরাস পাবে। [১] মালিক (র) বলেন এই হুকুম আরো জারি হবে সেই সকল ক্রীতদাসের ব্যাপারে যাদেরকে আযাদ করা হয়েছে, উহাদের মীরাস আযাদী দাতার সন্তান অথবা আসাবাদের হতে পুরুষের মধ্যে আযাদী দাতার নিকটতম ব্যক্তি পাবে। এই আত্মীয়তা নির্ধারিত হবে যেই দিন আযাদীপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে সেই দিন আযাদী পাওয়ার এবং উত্তরাধিকারসূত্রে মাওরূস [২] হওয়ার পর। মালিক (র) বলেন কিতাবাতে শরীক ভাইয়েরা সন্তানের মতো, যদি তারা একই কিতাবাতের মাধ্যমে মুকাতাব করে থাকে, তাদের কারো কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সন্তান পয়দা হয়েছে, এইরূপ সন্তান না থাকলে অথবা সন্তানকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত না করে থাকলে (তবে উপরিউক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে) কারণ ভাইয়েরা পরস্পর একে অপরের মীরাস পাবে। পক্ষান্তরে যদি তাদের কোন একজনের সন্তান থাকে যে সন্তান পয়দা হয়েছে কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অথবা উহাদেরকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এবং মাল রেখে গিয়েছে, তবে (সেই মাল হতে) সকলের তরফ হতে কিতাবাতের (অনাদায়ী) অর্থ পরিশোধ করা হবে। এর পর অবশিষ্ট যে মাল থাকবে সে মাল (মৃত ব্যক্তির) সন্তানেরা পাবে, ভাইগণ পাবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র)-কে প্রশ্ন করা হল জনৈক মুকাতাব সম্বন্ধে, যে (মুকাতাব) দুই ব্যক্তির যুক্ত মালিকানায় রয়েছে, অতঃপর এক শরীক তার অংশ আযাদ করে দিল। তারপর মুকাতাব মারা গেল এবং সে প্রচুর সম্পদ রেখে গেল, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বললেন যেই শরীক কিতাবাতের উপর প্রতিষ্ঠিত রয়েছে (অর্থাৎ আযাদ করেনি) সেই শরীকের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করা হবে। তারপর যা থেকে যায় উহা উভয়ে ভাগ করে নিবে সমান সমান। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন মুকাতাব কিতাবাত চুক্তি করেছে। তারপর আযাদ হয়েছে ও মারা গিয়েছে। যেই কর্তা কিতাবাত করেছে মুকাতাবের মৃত্যুর দিন সেই কর্তার ছেলে অথবা কর্তার পুরুষ আত্মীয়দের মধ্যে আসাবার ভিতর আত্মীয়তার দিক দিয়ে যে নিকটতম সেই উক্ত মুকাতাবের মীরাস পাবে। [১] মালিক (র) বলেন এই হুকুম আরো জারি হবে সেই সকল ক্রীতদাসের ব্যাপারে যাদেরকে আযাদ করা হয়েছে, উহাদের মীরাস আযাদী দাতার সন্তান অথবা আসাবাদের হতে পুরুষের মধ্যে আযাদী দাতার নিকটতম ব্যক্তি পাবে। এই আত্মীয়তা নির্ধারিত হবে যেই দিন আযাদীপ্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে সেই দিন আযাদী পাওয়ার এবং উত্তরাধিকারসূত্রে মাওরূস [২] হওয়ার পর। মালিক (র) বলেন কিতাবাতে শরীক ভাইয়েরা সন্তানের মতো, যদি তারা একই কিতাবাতের মাধ্যমে মুকাতাব করে থাকে, তাদের কারো কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সন্তান পয়দা হয়েছে, এইরূপ সন্তান না থাকলে অথবা সন্তানকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত না করে থাকলে (তবে উপরিউক্ত হুকুম প্রযোজ্য হবে) কারণ ভাইয়েরা পরস্পর একে অপরের মীরাস পাবে। পক্ষান্তরে যদি তাদের কোন একজনের সন্তান থাকে যে সন্তান পয়দা হয়েছে কিতাবাতের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে অথবা উহাদেরকে কিতাবাতের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, তারপর তার মৃত্যু হয়েছে এবং মাল রেখে গিয়েছে, তবে (সেই মাল হতে) সকলের তরফ হতে কিতাবাতের (অনাদায়ী) অর্থ পরিশোধ করা হবে। এর পর অবশিষ্ট যে মাল থাকবে সে মাল (মৃত ব্যক্তির) সন্তানেরা পাবে, ভাইগণ পাবে না।
حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب سئل عن مكاتب كان بين رجلين فأعتق أحدهما نصيبه فمات المكاتب وترك مالا كثيرا فقال يؤدى إلى الذي تماسك بكتابته الذي بقي له ثم يقتسمان ما بقي بالسوية قال مالك إذا كاتب المكاتب فعتق فإنما يرثه أولى الناس بمن كاتبه من الرجال يوم توفي المكاتب من ولد أو عصبة قال وهذا أيضا في كل من أعتق فإنما ميراثه لأقرب الناس ممن أعتقه من ولد أو عصبة من الرجال يوم يموت المعتق بعد أن يعتق ويصير موروثا بالولاء قال مالك الإخوة في الكتابة بمنزلة الولد إذا كوتبوا جميعا كتابة واحدة إذا لم يكن لأحد منهم ولد كاتب عليهم أو ولدوا في كتابته أو كاتب عليهم ثم هلك أحدهم وترك مالا أدي عنهم جميع ما عليهم من كتابتهم وعتقوا وكان فضل المال بعد ذلك لولده دون إخوته.