মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিত্রতার কারণে মীরাস লাভ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮৩
و حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب قال في رجل هلك وترك بنين له ثلاثة وترك موالي أعتقهم هو عتاقة ثم إن الرجلين من بنيه هلكا وتركا أولادا فقال سعيد بن المسيب يرث الموالي الباقي من الثلاثة فإذا هلك هو فولده وولد إخوته في ولاء الموالي شرع سواء.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বলেছেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি পরলোকগমন করেছে তিন পুত্র রেখে, আর রেখে গিয়েছে কতিপয় মাওয়ালী (ক্রীতদাস) যাদেরকে সে আযাদ করেছে। তারপর তার দুই পুত্র মারা যায়। তারা উভয়ে রেখে যায় (তাদের) সন্তান। সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বললেন তার তিন পুত্রের মধ্যে জীবিত পুত্র মাওয়ালীগণের অভিভাবকত্ব ও উত্তরাধিকার লাভ করবে। সেও পরলোকগমন করলে তখন তার সন্তান ও তার (মৃত) দুই ভাইয়ের সন্তানগণ মাওয়ালীগণের সম্পদের উত্তরাধিকারের ব্যাপারে বরাবর হকদার হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বলেছেন সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি পরলোকগমন করেছে তিন পুত্র রেখে, আর রেখে গিয়েছে কতিপয় মাওয়ালী (ক্রীতদাস) যাদেরকে সে আযাদ করেছে। তারপর তার দুই পুত্র মারা যায়। তারা উভয়ে রেখে যায় (তাদের) সন্তান। সাঈদ ইব্নু মুসায়্যাব (র) বললেন তার তিন পুত্রের মধ্যে জীবিত পুত্র মাওয়ালীগণের অভিভাবকত্ব ও উত্তরাধিকার লাভ করবে। সেও পরলোকগমন করলে তখন তার সন্তান ও তার (মৃত) দুই ভাইয়ের সন্তানগণ মাওয়ালীগণের সম্পদের উত্তরাধিকারের ব্যাপারে বরাবর হকদার হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب قال في رجل هلك وترك بنين له ثلاثة وترك موالي أعتقهم هو عتاقة ثم إن الرجلين من بنيه هلكا وتركا أولادا فقال سعيد بن المسيب يرث الموالي الباقي من الثلاثة فإذا هلك هو فولده وولد إخوته في ولاء الموالي شرع سواء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮১
حدثني مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبيه أنه أخبره أن العاصي بن هشام هلك وترك بنين له ثلاثة اثنان لأم ورجل لعلة فهلك أحد اللذين لأم وترك مالا وموالي فورثه أخوه لأبيه وأمه ماله وولاءه مواليه ثم هلك الذي ورث المال وولاء الموالي وترك ابنه وأخاه لأبيه فقال ابنه قد أحرزت ما كان أبي أحرز من المال وولاء الموالي وقال أخوه ليس كذلك إنما أحرزت المال وأما ولاء الموالي فلا أرأيت لو هلك أخي اليوم ألست أرثه أنا فاختصما إلى عثمان بن عفان فقضى لأخيه بولاء الموالي.
আবদুল মালিক ইবনু আবী বাকর ইবনু আবদির রহমান তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুল মালিক-এর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আসী ইব্নু হিশাম পরলোকগমন করেন এবং তিনি রেখে যান তাঁর তিন পুত্র, দুইজন (তাদের মধ্যে) সহোদর ও একজন ছিল বৈমাত্রের ভ্রাতা। পরে সহোদরদ্বয়ের একজনের মৃত্যু হয়। সে রেখে যায় সম্পদ ও মাওয়ালী। [যে সকল ক্রীতদাসকে মুক্তি দিয়েছে, সেই সব ক্রীতদাস মুক্তিদাতার মাওয়ালী।] তার সহোদর ভাই তার সম্পদ ও মাওয়ালীদের অভিভাবকত্বের উত্তরাধিকারী হল। অতঃপর যিনি সম্পদ ও অভিভাবকত্বের উত্তরাধিকার লাভ করবেন তিনি মৃত্যুবরণ করলেন এবং রেখে গেলেন তার পুত্রও বৈমাত্রেয় ভ্রাতা; তার পুত্র বলল আমার পিতা যে সম্পদ ও অভিভাবকত্বের মালিক হয়েছিলেন (বর্তমানে) আমি সেই সবের উত্তরাধিকারী হয়েছি। তার ভাই (অর্থাৎ পুত্রের চাচা) বলল, এইরূপ নয়। তুমি সম্পদের উত্তরাধিকারী হয়েছ। কিন্তু মাওয়ালীদের অভিভাবকত্বের উত্তরাধিকারী তুমি নও। তুমি কি ভেবে দেখ না যদি আমার ভাই আজ পরলোকগমন করত, আমি কি উহার উত্তরাধিকারী হতাম না? অতঃপর তারা উভয়ে বিবাদ নিয়ে উসমান ইব্নু আফফান (রা)-এর নিকট উপস্থিত হল। তিনি [উসমান (রা)] মাওয়ালীগণের স্বত্বাধিকার তার ভাইকে প্রদান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল মালিক ইবনু আবী বাকর ইবনু আবদির রহমান তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবদুল মালিক-এর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, আসী ইব্নু হিশাম পরলোকগমন করেন এবং তিনি রেখে যান তাঁর তিন পুত্র, দুইজন (তাদের মধ্যে) সহোদর ও একজন ছিল বৈমাত্রের ভ্রাতা। পরে সহোদরদ্বয়ের একজনের মৃত্যু হয়। সে রেখে যায় সম্পদ ও মাওয়ালী। [যে সকল ক্রীতদাসকে মুক্তি দিয়েছে, সেই সব ক্রীতদাস মুক্তিদাতার মাওয়ালী।] তার সহোদর ভাই তার সম্পদ ও মাওয়ালীদের অভিভাবকত্বের উত্তরাধিকারী হল। অতঃপর যিনি সম্পদ ও অভিভাবকত্বের উত্তরাধিকার লাভ করবেন তিনি মৃত্যুবরণ করলেন এবং রেখে গেলেন তার পুত্রও বৈমাত্রেয় ভ্রাতা; তার পুত্র বলল আমার পিতা যে সম্পদ ও অভিভাবকত্বের মালিক হয়েছিলেন (বর্তমানে) আমি সেই সবের উত্তরাধিকারী হয়েছি। তার ভাই (অর্থাৎ পুত্রের চাচা) বলল, এইরূপ নয়। তুমি সম্পদের উত্তরাধিকারী হয়েছ। কিন্তু মাওয়ালীদের অভিভাবকত্বের উত্তরাধিকারী তুমি নও। তুমি কি ভেবে দেখ না যদি আমার ভাই আজ পরলোকগমন করত, আমি কি উহার উত্তরাধিকারী হতাম না? অতঃপর তারা উভয়ে বিবাদ নিয়ে উসমান ইব্নু আফফান (রা)-এর নিকট উপস্থিত হল। তিনি [উসমান (রা)] মাওয়ালীগণের স্বত্বাধিকার তার ভাইকে প্রদান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن عبد الملك بن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبيه أنه أخبره أن العاصي بن هشام هلك وترك بنين له ثلاثة اثنان لأم ورجل لعلة فهلك أحد اللذين لأم وترك مالا وموالي فورثه أخوه لأبيه وأمه ماله وولاءه مواليه ثم هلك الذي ورث المال وولاء الموالي وترك ابنه وأخاه لأبيه فقال ابنه قد أحرزت ما كان أبي أحرز من المال وولاء الموالي وقال أخوه ليس كذلك إنما أحرزت المال وأما ولاء الموالي فلا أرأيت لو هلك أخي اليوم ألست أرثه أنا فاختصما إلى عثمان بن عفان فقضى لأخيه بولاء الموالي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮২
و حدثني مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم أنه أخبره أبوه أنه كان جالسا عند أبان بن عثمان فاختصم إليه نفر من جهينة ونفر من بني الحارث بن الخزرج وكانت امرأة من جهينة عند رجل من بني الحارث بن الخزرج يقال له إبراهيم بن كليب فماتت المرأة وتركت مالا وموالي فورثها ابنها وزوجها ثم مات ابنها فقال ورثته لنا ولاء الموالي قد كان ابنها أحرزه فقال الجهنيون ليس كذلك إنما هم موالي صاحبتنا فإذا مات ولدها فلنا ولاؤهم ونحن نرثهم فقضى أبان بن عثمان للجهنيين بولاء الموالي.
আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী বাকর ইবনু হাযম (র) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবান ইব্নু উসমান (রা) [১]-এর নিকট বসা ছিলেন (এমন সময়) জুহাইনা (গোত্রের) কিছু লোক এবং বনী হারিস ইব্নু খাযরাজ (গোত্রের) কিছু লোক বিবাদ নিয়ে তাঁর কাছে এল। আর জুহাইনা গোত্রের জনৈকা নারী বনী হারিস ইব্নু খাযরাজ-এর এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিল, তাকে বলা হত ইবরাহীম ইব্নু কুলাইব। (তার) স্ত্রী মারা যায় এবং রেখে যায় ধন-সম্পদ ও আযাদ করা ক্রীতদাস উহার মীরাস পেল তার স্বামী ও পুত্র। অতঃপর স্ত্রীলোকটির পুত্রটি মারা গেল। তখন স্বামীটি বলল, মাওয়ালীগণের স্বত্বাধিকার আমার প্রাপ্য। কারণ তার পুত্র (উত্তরাধিকারসূত্রে) উহার মালিক হয়েছে। জুহাইনীয়া গোত্রের লোকেরা বলল, এইরূপ নয়। উহারা (আযাদী প্রাপ্ত ক্রীতদাসগণ) হচ্ছে আমাদের (গোত্রের) স্ত্রীলোকের ক্রীতদাস। [যাদেরকে এই স্ত্রীলোক আযাদ করেছে।] তার পুত্র যখন মারা গেল তবে এই মাওয়ালীগণের স্বত্বাধিকার আমরাই পাব। আমরা উহাদের মীরাস লাভ করব। সব শুনে আবান ইব্নু উসমান (র) মাওয়ালীগণের অভিভাবকত্ব প্রদান করলেন জুহাইনীয়দের জন্য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী বাকর ইবনু হাযম (র) থেকে বর্নিতঃ
তার পিতা তাঁর নিকট বর্ণনা করেছেন যে, তিনি আবান ইব্নু উসমান (রা) [১]-এর নিকট বসা ছিলেন (এমন সময়) জুহাইনা (গোত্রের) কিছু লোক এবং বনী হারিস ইব্নু খাযরাজ (গোত্রের) কিছু লোক বিবাদ নিয়ে তাঁর কাছে এল। আর জুহাইনা গোত্রের জনৈকা নারী বনী হারিস ইব্নু খাযরাজ-এর এক ব্যক্তির স্ত্রী ছিল, তাকে বলা হত ইবরাহীম ইব্নু কুলাইব। (তার) স্ত্রী মারা যায় এবং রেখে যায় ধন-সম্পদ ও আযাদ করা ক্রীতদাস উহার মীরাস পেল তার স্বামী ও পুত্র। অতঃপর স্ত্রীলোকটির পুত্রটি মারা গেল। তখন স্বামীটি বলল, মাওয়ালীগণের স্বত্বাধিকার আমার প্রাপ্য। কারণ তার পুত্র (উত্তরাধিকারসূত্রে) উহার মালিক হয়েছে। জুহাইনীয়া গোত্রের লোকেরা বলল, এইরূপ নয়। উহারা (আযাদী প্রাপ্ত ক্রীতদাসগণ) হচ্ছে আমাদের (গোত্রের) স্ত্রীলোকের ক্রীতদাস। [যাদেরকে এই স্ত্রীলোক আযাদ করেছে।] তার পুত্র যখন মারা গেল তবে এই মাওয়ালীগণের স্বত্বাধিকার আমরাই পাব। আমরা উহাদের মীরাস লাভ করব। সব শুনে আবান ইব্নু উসমান (র) মাওয়ালীগণের অভিভাবকত্ব প্রদান করলেন জুহাইনীয়দের জন্য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم أنه أخبره أبوه أنه كان جالسا عند أبان بن عثمان فاختصم إليه نفر من جهينة ونفر من بني الحارث بن الخزرج وكانت امرأة من جهينة عند رجل من بني الحارث بن الخزرج يقال له إبراهيم بن كليب فماتت المرأة وتركت مالا وموالي فورثها ابنها وزوجها ثم مات ابنها فقال ورثته لنا ولاء الموالي قد كان ابنها أحرزه فقال الجهنيون ليس كذلك إنما هم موالي صاحبتنا فإذا مات ولدها فلنا ولاؤهم ونحن نرثهم فقضى أبان بن عثمان للجهنيين بولاء الموالي.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সায়িবা [১]-এর মীরাস এবং ইহুদী ও নাসরানী ক্রীতদাসকে যে আযাদ করেছে তাহার অভিভাবকত্ব ও উত্তরাধিকার
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৮৪
و حدثني مالك أنه سأل ابن شهاب عن السائبة قال يوالي من شاء فإن مات ولم يوالي أحدا فميراثه للمسلمين وعقله عليهم. قال مالك إن أحسن ما سمع في السائبة أنه لا يوالي أحدا وأن ميراثه للمسلمين وعقله عليهم. قال مالك في اليهودي والنصراني يسلم عبد أحدهما فيعتقه قبل أن يباع عليه إن ولاء العبد المعتق للمسلمين وإن أسلم اليهودي أو النصراني بعد ذلك لم يرجع إليه الولاء أبدا قال ولكن إذا أعتق اليهودي أو النصراني عبدا على دينهما ثم أسلم المعتق قبل أن يسلم اليهودي أو النصراني الذي أعتقه ثم أسلم الذي أعتقه رجع إليه الولاء لأنه قد كان ثبت له الولاء يوم أعتقه. قال مالك وإن كان لليهودي أو النصراني ولد مسلم ورث موالي أبيه اليهودي أو النصراني إذا أسلم المولى المعتق قبل أن يسلم الذي أعتقه وإن كان المعتق حين أعتق مسلما لم يكن لولد النصراني أو اليهودي المسلمين من ولاء العبد المسلم شيء لأنه ليس لليهودي ولا للنصراني ولاء فولاء العبد المسلم لجماعة المسلمين.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করেছেন সায়িবা সম্বন্ধে। তিনি বলেছেন, সে যার সাথে ইচ্ছা মিত্রতার বন্ধন করতে পারে আর যদি তার মৃত্যু হয় অথচ সে কাউকেও ওয়ালী (অভিভাবক) নিযুক্ত করেনি, তবে তার মীরাস হবে মুসলমানদের জন্য এবং তার খেসারতও মুসলমানদের উপর হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন সায়িবা সম্বন্ধে যা শোনা গিয়েছে তা হল সে কারো সাথে মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ হবে না এবং তার মীরাস মুসলমানদের জন্য হবে, আর তার খেসারত তাদের উপর আসবে। ইহুদী ও নাসরানী সম্বন্ধে মালিক (র) বলেন তাদের একজনের ক্রীতদাস মুসলমান হয়েছে এবং তার পক্ষ হতে ক্রীতদাস বিক্রি হওয়ার পূর্বে সে উহাকে আযাদ করে দিয়েছে (এইরূপ) মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব মুসলমানদের জন্য হবে। এর পর যদি ইহুদী ও নাসরানী মুসলমান হয় স্বত্বাধিকার তাদের দিকে আর ফিরবে না। মালিক (র) বলেন, যদি ইহুদী অথবা নাসরানী তাদের সহধর্মী কোন ক্রীতদাসকে আযাদ করে, তারপর যে ইহুদী অথবা নাসরানী একে আযাদ করেছে তার ইসলাম গ্রহণের পূর্বে সেই ক্রীতদাস মুসলমান হয়, তারপর যে আযাদ করেছে সেও মুসলমান হয় তবে অভিভাবকত্ব তার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। কারণ যেই দিন আযাদ করেছিল সেই দিন স্বত্বাধিকার তারই প্রাপ্য ছিল। মালিক (র) বলেন যদি ইহুদী অথবা নাসরানীর মুসলিম সন্তান থাকে, আর সে (কর্তা) তাকে আযাদ করেছে তার ইসলাম গ্রহণের পূর্বে যদি আযাদী প্রাপ্ত ক্রীতদাস মুসলমান হয়ে যায়, তবে সে (সন্তান) ইহুদী অথবা নাসরানী পিতার আযাদী প্রদত্ত ক্রীতদাসদের মীরাসের অধিকারী হবে। আর যদি আযাদী প্রাপ্তির সময় ক্রীতদাস মুসলমান হয়ে থাকে তবে ইহুদী অথবা নাসরানীর মুসলিম সন্তানরা মুসলিম ক্রীতদাসের স্বত্বাধিকারের কোন কিছু প্রাপ্য হবে না। কারণ ইহুদী অথবা নাসরানীর জন্য কোন অভিভাবকত্ব নেই। তাই মুসলিম ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রাপ্য হবে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইব্নু শিহাব (র)-কে প্রশ্ন করেছেন সায়িবা সম্বন্ধে। তিনি বলেছেন, সে যার সাথে ইচ্ছা মিত্রতার বন্ধন করতে পারে আর যদি তার মৃত্যু হয় অথচ সে কাউকেও ওয়ালী (অভিভাবক) নিযুক্ত করেনি, তবে তার মীরাস হবে মুসলমানদের জন্য এবং তার খেসারতও মুসলমানদের উপর হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন সায়িবা সম্বন্ধে যা শোনা গিয়েছে তা হল সে কারো সাথে মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ হবে না এবং তার মীরাস মুসলমানদের জন্য হবে, আর তার খেসারত তাদের উপর আসবে। ইহুদী ও নাসরানী সম্বন্ধে মালিক (র) বলেন তাদের একজনের ক্রীতদাস মুসলমান হয়েছে এবং তার পক্ষ হতে ক্রীতদাস বিক্রি হওয়ার পূর্বে সে উহাকে আযাদ করে দিয়েছে (এইরূপ) মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব মুসলমানদের জন্য হবে। এর পর যদি ইহুদী ও নাসরানী মুসলমান হয় স্বত্বাধিকার তাদের দিকে আর ফিরবে না। মালিক (র) বলেন, যদি ইহুদী অথবা নাসরানী তাদের সহধর্মী কোন ক্রীতদাসকে আযাদ করে, তারপর যে ইহুদী অথবা নাসরানী একে আযাদ করেছে তার ইসলাম গ্রহণের পূর্বে সেই ক্রীতদাস মুসলমান হয়, তারপর যে আযাদ করেছে সেও মুসলমান হয় তবে অভিভাবকত্ব তার দিকে প্রত্যাবর্তন করবে। কারণ যেই দিন আযাদ করেছিল সেই দিন স্বত্বাধিকার তারই প্রাপ্য ছিল। মালিক (র) বলেন যদি ইহুদী অথবা নাসরানীর মুসলিম সন্তান থাকে, আর সে (কর্তা) তাকে আযাদ করেছে তার ইসলাম গ্রহণের পূর্বে যদি আযাদী প্রাপ্ত ক্রীতদাস মুসলমান হয়ে যায়, তবে সে (সন্তান) ইহুদী অথবা নাসরানী পিতার আযাদী প্রদত্ত ক্রীতদাসদের মীরাসের অধিকারী হবে। আর যদি আযাদী প্রাপ্তির সময় ক্রীতদাস মুসলমান হয়ে থাকে তবে ইহুদী অথবা নাসরানীর মুসলিম সন্তানরা মুসলিম ক্রীতদাসের স্বত্বাধিকারের কোন কিছু প্রাপ্য হবে না। কারণ ইহুদী অথবা নাসরানীর জন্য কোন অভিভাবকত্ব নেই। তাই মুসলিম ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের প্রাপ্য হবে।
و حدثني مالك أنه سأل ابن شهاب عن السائبة قال يوالي من شاء فإن مات ولم يوالي أحدا فميراثه للمسلمين وعقله عليهم. قال مالك إن أحسن ما سمع في السائبة أنه لا يوالي أحدا وأن ميراثه للمسلمين وعقله عليهم. قال مالك في اليهودي والنصراني يسلم عبد أحدهما فيعتقه قبل أن يباع عليه إن ولاء العبد المعتق للمسلمين وإن أسلم اليهودي أو النصراني بعد ذلك لم يرجع إليه الولاء أبدا قال ولكن إذا أعتق اليهودي أو النصراني عبدا على دينهما ثم أسلم المعتق قبل أن يسلم اليهودي أو النصراني الذي أعتقه ثم أسلم الذي أعتقه رجع إليه الولاء لأنه قد كان ثبت له الولاء يوم أعتقه. قال مالك وإن كان لليهودي أو النصراني ولد مسلم ورث موالي أبيه اليهودي أو النصراني إذا أسلم المولى المعتق قبل أن يسلم الذي أعتقه وإن كان المعتق حين أعتق مسلما لم يكن لولد النصراني أو اليهودي المسلمين من ولاء العبد المسلم شيء لأنه ليس لليهودي ولا للنصراني ولاء فولاء العبد المسلم لجماعة المسلمين.