মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযাদ করা ওয়াজিব এমন দাস-দাসীকে কি কি কারণে বা শর্তে আযাদ করা বৈধ হয় না

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭১

حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر سئل عن الرقبة الواجبة هل تشترى بشرط فقال لا ২৮৮১-قال مالك وذلك أحسن ما سمعت في الرقاب الواجبة أنه لا يشتريها الذي يعتقها فيما وجب عليه بشرط على أن يعتقها لأنه إذا فعل ذلك فليست برقبة تامة لأنه يضع من ثمنها للذي يشترط من عتقها ২৮৮২-قال مالك ولا بأس أن يشتري الرقبة في التطوع ويشترط أن يعتقها. قال مالك إن أحسن ما سمع في الرقاب الواجبة أنه لا يجوز أن يعتق فيها نصراني ولا يهودي ولا يعتق فيها مكاتب ولا مدبر ولا أم ولد ولا معتق إلى سنين ولا أعمى ولا بأس أن يعتق النصراني واليهودي والمجوسي تطوعا لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فإما منا بعد وإما فداء } فالمن العتاقة. قال مالك فأما الرقاب الواجبة التي ذكر الله في الكتاب فإنه لا يعتق فيها إلا رقبة مؤمنة. قال مالك وكذلك في إطعام المساكين في الكفارات لا ينبغي أن يطعم فيها إلا المسلمون ولا يطعم فيها أحد على غير دين الإسلام.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ-ইব্নু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল যেই ক্রীতদাসকে আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে উহাকে (ক্রেতা কর্তৃক আযাদ করার) শর্তে ক্রয় করা যায় কি? তিনি বললেন, না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন ‘রাকাবা ওয়াজিব’ [ক্রীতদাস বা দাসীকে কোন ব্যাপারে আযাদ করা ওয়াজিব হলে উহাকে রাকাবা-ই ‘ওয়াজিবা’ বলা হয়। যেমন মানত এবং কাফফারাতে গোলাম আযাদ করা ওয়াজিব হয়] সম্বন্ধে যা আমি শুনেছি (তন্মধ্যে) সর্বাপেক্ষা সুন্দরতম (এই যে,) ‘রাকাবা-ই ওয়াজিব’-কে যে আযাদ করবে, সে আযাদী দেয়ার শর্ত করে ক্রয় করবে না। কারণ এইরূপ শর্ত করলে এ ‘রাকাবা’ পূর্ণ ‘রাকাবা’ হবে না, কেননা যে এইরূপ শর্ত করবে তার উদ্দেশ্যে বিক্রেতা মূল্য কমিয়ে দিবে (কাজেই রাকাবা অসম্পূর্ণ থাকবে)। মালিক (র) বলেন নফল নিয়্যত আযাদ করার জন্য গোলাম ক্রয় করতে যেয়ে আযাদ করবে বলে শর্ত করে ক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। মালিক (র) বলেন ‘রিকাবে-ওয়াজিবা’ সম্পর্কে সবচাইতে সুন্দর যা আমি শুনেছি, (তা হল এই), উহাতে নাসরানী অথবা ইহুদী গোলাম আযাদ করা যাবে না। মুকাতাব (যে ক্রীতদাসকে অন্য কিছুর বিনিময়ে আযাদ করবে বলে ঠিক করা হয়েছে) ও মুদাব্বার (কর্তার মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস আযাদ)-কে অথবা যাকে কয়েক বৎসরের জন্য আযাদ করা হয়েছে উহাকে আযাদ করা যাবে না (আরও আযাদ করা যাবে না) উম্মু ওয়ালাদকে এবং অন্ধকেও না, তবে নফল রূপে নাসরানী, ইহুদী ও মজুসীকে আযাদ করাতে কোন দোষ নেই। কারণ আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেছেন: **فَإِمَّا مَنًّا بَعْدُ وَإِمَّا فِدَاءً.** এখানে মান্না (مَنًّا) হচ্ছে আযাদ করা। মালিক (র) বলেন ওয়াজিবরূপে যে ব্যাপারে ক্রীতদাসকে আযাদ করা হয়, যার উল্লেখ আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বর্ণনা করেছেন, সেই সকল ব্যাপারে মু‘মিন ‘রাকাবা’-কেই আযাদ করতে হবে। মালিক (র) বলেন কাফফারাতে মিসকীনদেরকে ভোজ দেয়াতে মুসলমান মিসকীন ছাড়া অন্য কাউকেও ভোজ দেয়া ঠিক নয়, এই ব্যাপারে কোন অমুসলিমকে খাওয়াবে না।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ-ইব্নু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল যেই ক্রীতদাসকে আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে উহাকে (ক্রেতা কর্তৃক আযাদ করার) শর্তে ক্রয় করা যায় কি? তিনি বললেন, না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন ‘রাকাবা ওয়াজিব’ [ক্রীতদাস বা দাসীকে কোন ব্যাপারে আযাদ করা ওয়াজিব হলে উহাকে রাকাবা-ই ‘ওয়াজিবা’ বলা হয়। যেমন মানত এবং কাফফারাতে গোলাম আযাদ করা ওয়াজিব হয়] সম্বন্ধে যা আমি শুনেছি (তন্মধ্যে) সর্বাপেক্ষা সুন্দরতম (এই যে,) ‘রাকাবা-ই ওয়াজিব’-কে যে আযাদ করবে, সে আযাদী দেয়ার শর্ত করে ক্রয় করবে না। কারণ এইরূপ শর্ত করলে এ ‘রাকাবা’ পূর্ণ ‘রাকাবা’ হবে না, কেননা যে এইরূপ শর্ত করবে তার উদ্দেশ্যে বিক্রেতা মূল্য কমিয়ে দিবে (কাজেই রাকাবা অসম্পূর্ণ থাকবে)। মালিক (র) বলেন নফল নিয়্যত আযাদ করার জন্য গোলাম ক্রয় করতে যেয়ে আযাদ করবে বলে শর্ত করে ক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। মালিক (র) বলেন ‘রিকাবে-ওয়াজিবা’ সম্পর্কে সবচাইতে সুন্দর যা আমি শুনেছি, (তা হল এই), উহাতে নাসরানী অথবা ইহুদী গোলাম আযাদ করা যাবে না। মুকাতাব (যে ক্রীতদাসকে অন্য কিছুর বিনিময়ে আযাদ করবে বলে ঠিক করা হয়েছে) ও মুদাব্বার (কর্তার মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস আযাদ)-কে অথবা যাকে কয়েক বৎসরের জন্য আযাদ করা হয়েছে উহাকে আযাদ করা যাবে না (আরও আযাদ করা যাবে না) উম্মু ওয়ালাদকে এবং অন্ধকেও না, তবে নফল রূপে নাসরানী, ইহুদী ও মজুসীকে আযাদ করাতে কোন দোষ নেই। কারণ আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেছেন: **فَإِمَّا مَنًّا بَعْدُ وَإِمَّا فِدَاءً.** এখানে মান্না (مَنًّا) হচ্ছে আযাদ করা। মালিক (র) বলেন ওয়াজিবরূপে যে ব্যাপারে ক্রীতদাসকে আযাদ করা হয়, যার উল্লেখ আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বর্ণনা করেছেন, সেই সকল ব্যাপারে মু‘মিন ‘রাকাবা’-কেই আযাদ করতে হবে। মালিক (র) বলেন কাফফারাতে মিসকীনদেরকে ভোজ দেয়াতে মুসলমান মিসকীন ছাড়া অন্য কাউকেও ভোজ দেয়া ঠিক নয়, এই ব্যাপারে কোন অমুসলিমকে খাওয়াবে না।

حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر سئل عن الرقبة الواجبة هل تشترى بشرط فقال لا ২৮৮১-قال مالك وذلك أحسن ما سمعت في الرقاب الواجبة أنه لا يشتريها الذي يعتقها فيما وجب عليه بشرط على أن يعتقها لأنه إذا فعل ذلك فليست برقبة تامة لأنه يضع من ثمنها للذي يشترط من عتقها ২৮৮২-قال مالك ولا بأس أن يشتري الرقبة في التطوع ويشترط أن يعتقها. قال مالك إن أحسن ما سمع في الرقاب الواجبة أنه لا يجوز أن يعتق فيها نصراني ولا يهودي ولا يعتق فيها مكاتب ولا مدبر ولا أم ولد ولا معتق إلى سنين ولا أعمى ولا بأس أن يعتق النصراني واليهودي والمجوسي تطوعا لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فإما منا بعد وإما فداء } فالمن العتاقة. قال مالك فأما الرقاب الواجبة التي ذكر الله في الكتاب فإنه لا يعتق فيها إلا رقبة مؤمنة. قال مالك وكذلك في إطعام المساكين في الكفارات لا ينبغي أن يطعم فيها إلا المسلمون ولا يطعم فيها أحد على غير دين الإسلام.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মৃত ব্যক্তির পক্ষ হতে জীবিত ব্যক্তির দাসদাসী আযাদ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭২

حدثني مالك عن عبد الرحمن بن أبي عمرة الأنصاري أن أمه أرادت أن توصي ثم أخرت ذلك إلى أن تصبح فهلكت وقد كانت همت بأن تعتق فقال عبد الرحمن فقلت للقاسم بن محمد أينفعها أن أعتق عنها فقال القاسم إن سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إن أمي هلكت فهل ينفعها أن أعتق عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم.

আবদুর রহমান ইবনু আবি আমরাহ্ আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর মাতা কিছু ওসীয়্যত করার ইচ্ছা করেছিলেন, পরে ভোর হওয়া পর্যন্ত উহাতে বিলম্ব করলেন, অতঃপর ওসীয়্যত করার পূর্বেই তাঁর মৃত্যু হয়, তিনি (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করার সংকল্প করেছিলেন। আবদুর রহমান বলেন আমি কাসিম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে বললাম, তার পক্ষ হতে আমি আযাদ করলে ইহা তাঁর উপকার করবে কি? কাসিম বললেন সা’দ ইব্নু ‘উবাদা (রা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আরয করলেন, আমার মাতার মৃত্যু হয়েছে, আমি তার পক্ষ হতে গোলাম আযাদ করলে এটা তার উপকার করবে কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুর রহমান ইবনু আবি আমরাহ্ আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর মাতা কিছু ওসীয়্যত করার ইচ্ছা করেছিলেন, পরে ভোর হওয়া পর্যন্ত উহাতে বিলম্ব করলেন, অতঃপর ওসীয়্যত করার পূর্বেই তাঁর মৃত্যু হয়, তিনি (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করার সংকল্প করেছিলেন। আবদুর রহমান বলেন আমি কাসিম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে বললাম, তার পক্ষ হতে আমি আযাদ করলে ইহা তাঁর উপকার করবে কি? কাসিম বললেন সা’দ ইব্নু ‘উবাদা (রা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আরয করলেন, আমার মাতার মৃত্যু হয়েছে, আমি তার পক্ষ হতে গোলাম আযাদ করলে এটা তার উপকার করবে কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني مالك عن عبد الرحمن بن أبي عمرة الأنصاري أن أمه أرادت أن توصي ثم أخرت ذلك إلى أن تصبح فهلكت وقد كانت همت بأن تعتق فقال عبد الرحمن فقلت للقاسم بن محمد أينفعها أن أعتق عنها فقال القاسم إن سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إن أمي هلكت فهل ينفعها أن أعتق عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭৩

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال توفي عبد الرحمن بن أبي بكر في نوم نامه فأعتقت عنه عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم رقابا كثيرة قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইব্নু আবী বাকর (র)-এর আকস্মিক ওফাত [১] হয় তাঁর নিদ্রাতে। নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়িশা (রা) তাঁর পক্ষ হতে অনেকগুলো দাস-দাসী আযাদ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এই বিষয়ে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কাছে উত্তম।

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইব্নু আবী বাকর (র)-এর আকস্মিক ওফাত [১] হয় তাঁর নিদ্রাতে। নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়িশা (রা) তাঁর পক্ষ হতে অনেকগুলো দাস-দাসী আযাদ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এই বিষয়ে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কাছে উত্তম।

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال توفي عبد الرحمن بن أبي بكر في نوم نامه فأعتقت عنه عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم رقابا كثيرة قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাস-দাসী আযাদ করার ফযীলত এবং নিষিদ্ধ যৌন সঙ্গমকারিণী ও জারজ সন্তানকে আযাদ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭৫

و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه أعتق ولد زنا وأمه.

নাফি‘ (র) আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জারজ সন্তান ও তার মাতাকে আযাদ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি‘ (র) আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি জারজ সন্তান ও তার মাতাকে আযাদ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه أعتق ولد زنا وأمه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭৪

حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الرقاب أيها أفضل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أغلاها ثمنا وأنفسها عند أهلها.

নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করা হল, যেসব ব্যাপারে দাস-দাসী আযাদ করা ওয়াজিব উহাতে কোন প্রকার দাস-দাসী (আযাদ করা) উত্তম? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যার মূল্য বেশি এবং যারা কর্তাদের (এবং তাদের পরিজনের) নিকট মনোরম ও আদরণীয়। (বুখারী ২৫১৮, মুসলিম ৮৪)

নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করা হল, যেসব ব্যাপারে দাস-দাসী আযাদ করা ওয়াজিব উহাতে কোন প্রকার দাস-দাসী (আযাদ করা) উত্তম? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যার মূল্য বেশি এবং যারা কর্তাদের (এবং তাদের পরিজনের) নিকট মনোরম ও আদরণীয়। (বুখারী ২৫১৮, মুসলিম ৮৪)

حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم سئل عن الرقاب أيها أفضل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أغلاها ثمنا وأنفسها عند أهلها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে আযাদ করবে অভিভাবকত্ব ও উত্তরাধিকার তারই জন্য হবে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭৭

و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عائشة أم المؤمنين أرادت أن تشتري جارية تعتقها فقال أهلها نبيعكها على أن ولاءها لنا فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا يمنعنك ذلك فإنما الولاء لمن أعتق.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) জনৈকা ক্রীতদাসীকে খরিদ করে আযাদ করার ইচ্ছা করলেন। ক্রীতদাসীর কর্তারা বলল, আমরা উহাকে আপনার কাছে এই শর্তে বিক্রয় করতে পারি যে, উহার অভিভাবকত্ব আমাদের জন্য থাকবে। আয়িশা (রা) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ইহা উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন, এই শর্তারোপ যেন তোমাকে (উহাকে ক্রয় কয়ে আযাদ করতে) বারণ না করে। অভিভাবকত্ব উহারই হবে, যে আযাদ করবে। (বুখারী ২১৬৯, মুসলিম ১৫০৪)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) জনৈকা ক্রীতদাসীকে খরিদ করে আযাদ করার ইচ্ছা করলেন। ক্রীতদাসীর কর্তারা বলল, আমরা উহাকে আপনার কাছে এই শর্তে বিক্রয় করতে পারি যে, উহার অভিভাবকত্ব আমাদের জন্য থাকবে। আয়িশা (রা) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ইহা উল্লেখ করলেন। তিনি বললেন, এই শর্তারোপ যেন তোমাকে (উহাকে ক্রয় কয়ে আযাদ করতে) বারণ না করে। অভিভাবকত্ব উহারই হবে, যে আযাদ করবে। (বুখারী ২১৬৯, মুসলিম ১৫০৪)

و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عائشة أم المؤمنين أرادت أن تشتري جارية تعتقها فقال أهلها نبيعكها على أن ولاءها لنا فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال لا يمنعنك ذلك فإنما الولاء لمن أعتق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭৮

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن أن بريرة جاءت تستعين عائشة أم المؤمنين فقالت عائشة إن أحب أهلك أن أصب لهم ثمنك صبة واحدة وأعتقك فعلت فذكرت ذلك بريرة لأهلها فقالوا لا إلا أن يكون لنا ولاؤك قال يحيى بن سعيد فزعمت عمرة أن عائشة ذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اشتريها وأعتقيها فإنما الولاء لمن أعتق.

‘আমরাহ বিনত আবদির রহমান (রা) থেকে বর্নিতঃ

বারীরা এলেন উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা)-এর নিকট সাহায্য চাইতে। আয়িশা (রা) বললেন যদি তোমার কর্তারা পছন্দ করে যে আমি তাদেরকে একবারে মূল্য পরিশোধ করব এবং তোমাকে আযাদ করে দিব তবে আমি উহা করব। বারীরা কর্তাদের নিকট এটা পেশ করলেন। তারা বলল, আমরা এতে রাজী নই, তবে যদি তোমার অভিভাবকত্ব আমাদের জন্য থাকে। (সহীহ, বুখারী ২৫৬৪, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইব্নু সাঈদ (র) বলেছেন, ‘আমরাহ মনে করে ধারণা করি যে, আয়িশা (রা) এটা উল্লেখ করেছেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি বারীরাকে খরিদ কর এবং তাকে আযাদ করে দাও, অভিভাবকত্ব অবশ্য তারই জন্য থাকবে যে আযাদ করবে।

‘আমরাহ বিনত আবদির রহমান (রা) থেকে বর্নিতঃ

বারীরা এলেন উম্মুল মু‘মিনীন আয়িশা (রা)-এর নিকট সাহায্য চাইতে। আয়িশা (রা) বললেন যদি তোমার কর্তারা পছন্দ করে যে আমি তাদেরকে একবারে মূল্য পরিশোধ করব এবং তোমাকে আযাদ করে দিব তবে আমি উহা করব। বারীরা কর্তাদের নিকট এটা পেশ করলেন। তারা বলল, আমরা এতে রাজী নই, তবে যদি তোমার অভিভাবকত্ব আমাদের জন্য থাকে। (সহীহ, বুখারী ২৫৬৪, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, ইয়াহ্ইয়া ইব্নু সাঈদ (র) বলেছেন, ‘আমরাহ মনে করে ধারণা করি যে, আয়িশা (রা) এটা উল্লেখ করেছেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি বারীরাকে খরিদ কর এবং তাকে আযাদ করে দাও, অভিভাবকত্ব অবশ্য তারই জন্য থাকবে যে আযাদ করবে।

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن عمرة بنت عبد الرحمن أن بريرة جاءت تستعين عائشة أم المؤمنين فقالت عائشة إن أحب أهلك أن أصب لهم ثمنك صبة واحدة وأعتقك فعلت فذكرت ذلك بريرة لأهلها فقالوا لا إلا أن يكون لنا ولاؤك قال يحيى بن سعيد فزعمت عمرة أن عائشة ذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم اشتريها وأعتقيها فإنما الولاء لمن أعتق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭৯

و حدثني مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الولاء وعن هبته قال مالك في العبد يبتاع نفسه من سيده على أنه يوالي من شاء إن ذلك لا يجوز وإنما الولاء لمن أعتق ولو أن رجلا أذن لمولاه أن يوالي من شاء ما جاز ذلك لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الولاء لمن أعتق ونهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء وعن هبته فإذا جاز لسيده أن يشترط ذلك له وأن يأذن له أن يوالي من شاء فتلك الهبة.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিভাবকত্ব বিক্রি ও দান করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২৫৩৫, মুসলিম ১৫০৬) মালিক (র) বলেন যে ক্রীতদাস নিজকে ক্রয় করে নেয় আপন কর্তা হতে এই শর্তে যে, সে যাকে চায় তাকে অভিভাবকত্ব প্রদান করবে। এটা জায়েয হবে না। অভিভাবকত্ব তার জন্য হবে, যে আযাদ করবে। আর যদি কোন ব্যক্তি নিজের মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রীতদাসকে যাকে ইচ্ছা তাকে অভিভাবকত্ব প্রদানের অনুমতি দিয়েদেয় তবে এটা বৈধ হবে না। কারণ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন অভিভাবকত্ব তারই হবে যে আযাদ করবে এবং তিনি স্বত্বাধিকার বিক্রয় ও দান করতে নিষেধ করেছেন। যদি কর্তার পক্ষে ক্রীতদাসের জন্য এইরূপ শর্ত করা বৈধ হয় অথবা সে ক্রীতদাসকে অনুমতি দেয় যে, সে যাকে ইচ্ছা অভিভাবকত্ব প্রদান করবে, তবে ইহা দান করা হল।

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিভাবকত্ব বিক্রি ও দান করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২৫৩৫, মুসলিম ১৫০৬) মালিক (র) বলেন যে ক্রীতদাস নিজকে ক্রয় করে নেয় আপন কর্তা হতে এই শর্তে যে, সে যাকে চায় তাকে অভিভাবকত্ব প্রদান করবে। এটা জায়েয হবে না। অভিভাবকত্ব তার জন্য হবে, যে আযাদ করবে। আর যদি কোন ব্যক্তি নিজের মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রীতদাসকে যাকে ইচ্ছা তাকে অভিভাবকত্ব প্রদানের অনুমতি দিয়েদেয় তবে এটা বৈধ হবে না। কারণ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন অভিভাবকত্ব তারই হবে যে আযাদ করবে এবং তিনি স্বত্বাধিকার বিক্রয় ও দান করতে নিষেধ করেছেন। যদি কর্তার পক্ষে ক্রীতদাসের জন্য এইরূপ শর্ত করা বৈধ হয় অথবা সে ক্রীতদাসকে অনুমতি দেয় যে, সে যাকে ইচ্ছা অভিভাবকত্ব প্রদান করবে, তবে ইহা দান করা হল।

و حدثني مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الولاء وعن هبته قال مالك في العبد يبتاع نفسه من سيده على أنه يوالي من شاء إن ذلك لا يجوز وإنما الولاء لمن أعتق ولو أن رجلا أذن لمولاه أن يوالي من شاء ما جاز ذلك لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الولاء لمن أعتق ونهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن بيع الولاء وعن هبته فإذا جاز لسيده أن يشترط ذلك له وأن يأذن له أن يوالي من شاء فتلك الهبة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭৬

حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت جاءت بريرة فقالت إني كاتبت أهلي على تسع أواق في كل عام أوقية فأعينيني فقالت عائشة إن أحب أهلك أن أعدها لهم عنك عددتها ويكون لي ولاؤك فعلت فذهبت بريرة إلى أهلها فقالت لهم ذلك فأبوا عليها فجاءت من عند أهلها ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فقالت لعائشة إني قد عرضت عليهم ذلك فأبوا علي إلا أن يكون الولاء لهم فسمع ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألها فأخبرته عائشة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم خذيها واشترطي لهم الولاء فإنما الولاء لمن أعتق ففعلت عائشة ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد فما بال رجال يشترطون شروطا ليست في كتاب الله ما كان من شرط ليس في كتاب الله فهو باطل وإن كان مائة شرط قضاء الله أحق وشرط الله أوثق وإنما الولاء لمن أعتق.

নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

বারীরা (রা) (তার কাছে) এসে বললেন আমি আমার কর্তাদের সাথে প্রতি বৎসর এক উকীয়া (এক উকীয়াতে চল্লিশ দিরহাম হয়- আওজাস) হিসাবে (সর্বমোট) নয় উকীয়ার বিনিময়ে মুকাতাবত আযাদী লাভের কথা ঠিক) করেছি। আপনি আমাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করুন। আয়িশা (রা) বললেন যদি তোমার কর্তারা পছন্দ করেন যে, আমি উহার ব্যবস্থা করি তবে উহা (আদায়) করব আর তোমার অভিভাবকত্ব আমার জন্য হবে। বারীরা তাঁর কর্তাদের নিকট গেলেন এবং এই বিষয়ে তাদেরকে অবহিত করলেন। তারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলেন। বারীরা তাঁর কর্তাদের নিকট হতে যখন (ফিরে) এলেন তখন (আয়িশার গৃহে) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন। বারীরা আয়িশা (রা)-কে বললেন আমি তাদের নিকট সেই কথা পেশ করেছিলাম। তারা ইহা অস্বীকার করেছে। কিন্তু যদি অভিভাবকত্ব (তাদের জন্য বহাল থাকে তবে তারা রাজী। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা শুনলেন। অতঃপর তাঁকে (আয়িশাকে) জিজ্ঞেস করলেন। আয়িশা ব্যাপারটি তাঁকে জানালেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এটা শুনে) বললেন, তুমি বারীরাকে (মূল্য পরিশোধ করে) গ্রহণ কর এবং তাদের জন্য (অভিভাবকত্বের) শর্ত মেনে নাও, (কিন্তু উহা যেহেতু অবৈধ তাই স্বত্ব তারা পাবে না)। অভিভাবকত্ব হবে যে আযাদ করবে তার। তারপর আয়িশা (রা) তাই করলেন অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের (সাহাবীদের) মাঝে কিছু বলার জন্য দাঁড়ালেন। অতঃপর আল্লাহর হামদ ও গুণ বর্ণনা করলেন, তারপর বললেন লোকদের কি হল? তারা এমন সব শর্ত আরোপ করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই, আর যেই সকল শর্ত আল্লাহর কিতাবে নেই, উহা বাতিল বলে গণ্য হবে। যদিও শত শর্তও হয়ে থাকে। আল্লাহর হুকুমই গ্রহণযোগ্য, আল্লাহর শর্ত অতি দৃঢ়। (জেনে রাখুন) অভিভাবকত্ব তারই হবে যে আযাদ করবে। (বুখারী ২১৬৮, মুসলিম ১৫০৪)

নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

বারীরা (রা) (তার কাছে) এসে বললেন আমি আমার কর্তাদের সাথে প্রতি বৎসর এক উকীয়া (এক উকীয়াতে চল্লিশ দিরহাম হয়- আওজাস) হিসাবে (সর্বমোট) নয় উকীয়ার বিনিময়ে মুকাতাবত আযাদী লাভের কথা ঠিক) করেছি। আপনি আমাকে এই ব্যাপারে সাহায্য করুন। আয়িশা (রা) বললেন যদি তোমার কর্তারা পছন্দ করেন যে, আমি উহার ব্যবস্থা করি তবে উহা (আদায়) করব আর তোমার অভিভাবকত্ব আমার জন্য হবে। বারীরা তাঁর কর্তাদের নিকট গেলেন এবং এই বিষয়ে তাদেরকে অবহিত করলেন। তারা অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলেন। বারীরা তাঁর কর্তাদের নিকট হতে যখন (ফিরে) এলেন তখন (আয়িশার গৃহে) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন। বারীরা আয়িশা (রা)-কে বললেন আমি তাদের নিকট সেই কথা পেশ করেছিলাম। তারা ইহা অস্বীকার করেছে। কিন্তু যদি অভিভাবকত্ব (তাদের জন্য বহাল থাকে তবে তারা রাজী। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহা শুনলেন। অতঃপর তাঁকে (আয়িশাকে) জিজ্ঞেস করলেন। আয়িশা ব্যাপারটি তাঁকে জানালেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এটা শুনে) বললেন, তুমি বারীরাকে (মূল্য পরিশোধ করে) গ্রহণ কর এবং তাদের জন্য (অভিভাবকত্বের) শর্ত মেনে নাও, (কিন্তু উহা যেহেতু অবৈধ তাই স্বত্ব তারা পাবে না)। অভিভাবকত্ব হবে যে আযাদ করবে তার। তারপর আয়িশা (রা) তাই করলেন অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের (সাহাবীদের) মাঝে কিছু বলার জন্য দাঁড়ালেন। অতঃপর আল্লাহর হামদ ও গুণ বর্ণনা করলেন, তারপর বললেন লোকদের কি হল? তারা এমন সব শর্ত আরোপ করে যা আল্লাহর কিতাবে নেই, আর যেই সকল শর্ত আল্লাহর কিতাবে নেই, উহা বাতিল বলে গণ্য হবে। যদিও শত শর্তও হয়ে থাকে। আল্লাহর হুকুমই গ্রহণযোগ্য, আল্লাহর শর্ত অতি দৃঢ়। (জেনে রাখুন) অভিভাবকত্ব তারই হবে যে আযাদ করবে। (বুখারী ২১৬৮, মুসলিম ১৫০৪)

حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت جاءت بريرة فقالت إني كاتبت أهلي على تسع أواق في كل عام أوقية فأعينيني فقالت عائشة إن أحب أهلك أن أعدها لهم عنك عددتها ويكون لي ولاؤك فعلت فذهبت بريرة إلى أهلها فقالت لهم ذلك فأبوا عليها فجاءت من عند أهلها ورسول الله صلى الله عليه وسلم جالس فقالت لعائشة إني قد عرضت عليهم ذلك فأبوا علي إلا أن يكون الولاء لهم فسمع ذلك رسول الله صلى الله عليه وسلم فسألها فأخبرته عائشة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم خذيها واشترطي لهم الولاء فإنما الولاء لمن أعتق ففعلت عائشة ثم قام رسول الله صلى الله عليه وسلم في الناس فحمد الله وأثنى عليه ثم قال أما بعد فما بال رجال يشترطون شروطا ليست في كتاب الله ما كان من شرط ليس في كتاب الله فهو باطل وإن كان مائة شرط قضاء الله أحق وشرط الله أوثق وإنما الولاء لمن أعتق.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00