মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উম্মাহাতুল-আওলাদ [১] -এর আযাদী এবং এ সম্পর্কিত বিবিধ হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৫
حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال أيما وليدة ولدت من سيدها فإنه لا يبيعها ولا يهبها ولا يورثها وهو يستمتع بها فإذا مات فهي حرة.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যে ক্রীতদাসী তার কর্তার ঔরসে সন্তান জন্মাইয়াছে, সে কর্তা উহাকে বিক্রয় করতে পারবে না, আর পারবে না উহাকে দান করতে, কেউ উহার স্বত্বাধিকারও লাভ করবে না, মনিব তাকে উপভোগ করবে যখন মনিবের মৃত্যু হবে ক্রীতদাসী তখন আযাদ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যে ক্রীতদাসী তার কর্তার ঔরসে সন্তান জন্মাইয়াছে, সে কর্তা উহাকে বিক্রয় করতে পারবে না, আর পারবে না উহাকে দান করতে, কেউ উহার স্বত্বাধিকারও লাভ করবে না, মনিব তাকে উপভোগ করবে যখন মনিবের মৃত্যু হবে ক্রীতদাসী তখন আযাদ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال أيما وليدة ولدت من سيدها فإنه لا يبيعها ولا يهبها ولا يورثها وهو يستمتع بها فإذا مات فهي حرة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৬
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أتته وليدة قد ضربها سيدها بنار أو أصابها بها فأعتقها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا تجوز عتاقة رجل وعليه دين يحيط بماله وأنه لا تجوز عتاقة الغلام حتى يحتلم أو يبلغ مبلغ المحتلم وأنه لا تجوز عتاقة المولى عليه في ماله وإن بلغ الحلم حتى يلي ماله.
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর নিকট জনৈকা ক্রীতদাসী এল, যাকে তার মনিব আগুন দ্বারা জখম করেছে অথবা তার শরীরে আগুন লাগিয়েছে। উমার (রা) উহাকে আযাদ করে দিলেন (অর্থাৎ আযাদ করে দেয়ার জন্য কর্তাকে নির্দেশ দিলেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত এই যে, যে ব্যক্তির উপর ঋণ আছে এবং ঋণ তার সমস্ত মাল ঘিরে রেখেছে সে ব্যক্তির পক্ষে (ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে) আযাদ করা বৈধ নয়। বালক যতক্ষণ বালেগ না হয় অথবা বালেগ পুরুষের সমপর্যায়ে না পৌঁছে, ততক্ষণ তার পক্ষে গোলাম আযাদ করা বৈধ হবে না, যে ব্যক্তির মালের উপর মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করা হয়েছে (এবং তাকে কার্য পরিচালনা হতে বিরত রাখা হয়েছে) সে বালিগ (সাবালক) হলেও গোলাম আযাদ করতে পারবে না, যাবত সে নিজ সম্পদের পরিচালক না হবে।
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর নিকট জনৈকা ক্রীতদাসী এল, যাকে তার মনিব আগুন দ্বারা জখম করেছে অথবা তার শরীরে আগুন লাগিয়েছে। উমার (রা) উহাকে আযাদ করে দিলেন (অর্থাৎ আযাদ করে দেয়ার জন্য কর্তাকে নির্দেশ দিলেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত এই যে, যে ব্যক্তির উপর ঋণ আছে এবং ঋণ তার সমস্ত মাল ঘিরে রেখেছে সে ব্যক্তির পক্ষে (ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে) আযাদ করা বৈধ নয়। বালক যতক্ষণ বালেগ না হয় অথবা বালেগ পুরুষের সমপর্যায়ে না পৌঁছে, ততক্ষণ তার পক্ষে গোলাম আযাদ করা বৈধ হবে না, যে ব্যক্তির মালের উপর মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করা হয়েছে (এবং তাকে কার্য পরিচালনা হতে বিরত রাখা হয়েছে) সে বালিগ (সাবালক) হলেও গোলাম আযাদ করতে পারবে না, যাবত সে নিজ সম্পদের পরিচালক না হবে।
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أتته وليدة قد ضربها سيدها بنار أو أصابها بها فأعتقها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا تجوز عتاقة رجل وعليه دين يحيط بماله وأنه لا تجوز عتاقة الغلام حتى يحتلم أو يبلغ مبلغ المحتلم وأنه لا تجوز عتاقة المولى عليه في ماله وإن بلغ الحلم حتى يلي ماله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পূর্বে যার উপর দাসমুক্তি ওয়াজিব হয়েছে তার জন্য কি ধরনের দাস মুক্ত করা জায়েয তার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৯
و حدثني مالك أنه بلغه عن المقبري أنه قال سئل أبو هريرة عن الرجل تكون عليه رقبة هل يعتق فيها ابن زنا فقال أبو هريرة نعم ذلك يجزئ عنه.
মাকবুরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর দাস বা দাসীর আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে। প্রশ্নটি হল, সে ব্যক্তি জারজ সন্তান আযাদ করতে পারবে কি? আবূ হুরায়রা (রা) বললেন, হ্যাঁ, উহা তার জন্য যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মাকবুরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর দাস বা দাসীর আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে। প্রশ্নটি হল, সে ব্যক্তি জারজ সন্তান আযাদ করতে পারবে কি? আবূ হুরায়রা (রা) বললেন, হ্যাঁ, উহা তার জন্য যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه عن المقبري أنه قال سئل أبو هريرة عن الرجل تكون عليه رقبة هل يعتق فيها ابن زنا فقال أبو هريرة نعم ذلك يجزئ عنه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৮
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن رجلا من الأنصار جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بجارية له سوداء فقال يا رسول الله إن علي رقبة مؤمنة فإن كنت تراها مؤمنة أعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أتشهدين أن لا إله إلا الله قالت نعم قال أتشهدين أن محمدا رسول الله قالت نعم قال أتوقنين بالبعث بعد الموت قالت نعم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتقها
ওবায়দুল্লাহ্ ইবনু আবদিল্লাহ্ ইবনু উতবা ইবনু মাস‘ঊদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আনসারদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার একটি কৃষ্ণ বর্ণের ক্রীতদাসীকে নিয়ে উপস্থিত হল এবং বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার উপর একটি ঈমানদার ক্রীতদাসী আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে, আপনি যদি একে ঈমানদার মনে করেন তবে আমি তাকে আযাদ করব। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (উদ্দেশ্য করে) বললেন, আল্লাহ্ ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই- তুমি কি এর সাক্ষ্য দাও? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেন মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল- তুমি এই সাক্ষ্য দাও কি? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন (মৃত্যুর পর) পুনরুত্থানে তুমি বিশ্বাস কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি একে আযাদ কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ওবায়দুল্লাহ্ ইবনু আবদিল্লাহ্ ইবনু উতবা ইবনু মাস‘ঊদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আনসারদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার একটি কৃষ্ণ বর্ণের ক্রীতদাসীকে নিয়ে উপস্থিত হল এবং বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার উপর একটি ঈমানদার ক্রীতদাসী আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে, আপনি যদি একে ঈমানদার মনে করেন তবে আমি তাকে আযাদ করব। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (উদ্দেশ্য করে) বললেন, আল্লাহ্ ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই- তুমি কি এর সাক্ষ্য দাও? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেন মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল- তুমি এই সাক্ষ্য দাও কি? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন (মৃত্যুর পর) পুনরুত্থানে তুমি বিশ্বাস কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি একে আযাদ কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن رجلا من الأنصار جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بجارية له سوداء فقال يا رسول الله إن علي رقبة مؤمنة فإن كنت تراها مؤمنة أعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أتشهدين أن لا إله إلا الله قالت نعم قال أتشهدين أن محمدا رسول الله قالت نعم قال أتوقنين بالبعث بعد الموت قالت نعم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتقها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭০
و حدثني مالك أنه بلغه عن فضالة بن عبيد الأنصاري وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سئل عن الرجل تكون عليه رقبة هل يجوز له أن يعتق ولد زنا قال نعم ذلك يجزئ عنه.
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
ফুযালা ইব্নু উবায়দ আনসারী (রা) হতে, তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের একজন। তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর রাকাবা (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করা ওয়াজিব, তার পক্ষে জারজ সন্তান আযাদ করা জায়েয হবে কি? তিনি বললেন হ্যাঁ, উহা তার পক্ষে যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
ফুযালা ইব্নু উবায়দ আনসারী (রা) হতে, তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের একজন। তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর রাকাবা (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করা ওয়াজিব, তার পক্ষে জারজ সন্তান আযাদ করা জায়েয হবে কি? তিনি বললেন হ্যাঁ, উহা তার পক্ষে যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه عن فضالة بن عبيد الأنصاري وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سئل عن الرجل تكون عليه رقبة هل يجوز له أن يعتق ولد زنا قال نعم ذلك يجزئ عنه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৭
حدثني مالك عن هلال بن أسامة عن عطاء بن يسار عن عمر بن الحكم أنه قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن جارية لي كانت ترعى غنما لي فجئتها وقد فقدت شاة من الغنم فسألتها عنها فقالت أكلها الذئب فأسفت عليها وكنت من بني آدم فلطمت وجهها وعلي رقبة أفأعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أين الله فقالت في السماء فقال من أنا فقالت أنت رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتقها.
আতা ইবনু ইয়াসার (র) উমার ইবনু হাকাম [১] (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার এক ক্রীতদাসী আমার ছাগপাল চরাইতেছিল। একদিন আমি তার নিকট গেলাম এবং জানতে পারলাম সে একটি বকরী হারিয়ে ফেলেছে। আমি তাকে বকরীর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। সে বলল, উহাকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে। আমি তার জন্য দুঃখিত হলাম, আর আমি আদম সন্তানের একজন (আমার রাগ হল)। তাই আমি ক্রীতদাসীর মুখের উপর চড় মারলাম। আমার উপর (পূর্বে) একটি দাস বা দাসী আযাদ করা জরুরী ছিল, এখন আমি উহাকে (ক্রীতদাসীকে) আযাদ করব কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (ক্রীতদাসীকে) জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ্ কোথায়? সে বলল, ঊর্ধ্বলোকে। তিনি (রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, আমি কে? সে বলল, আপনি আল্লাহর রসূল। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন একে আযাদ করে দাও। (সহীহ, মুসলিম ৫৩৭)
আতা ইবনু ইয়াসার (র) উমার ইবনু হাকাম [১] (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার এক ক্রীতদাসী আমার ছাগপাল চরাইতেছিল। একদিন আমি তার নিকট গেলাম এবং জানতে পারলাম সে একটি বকরী হারিয়ে ফেলেছে। আমি তাকে বকরীর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। সে বলল, উহাকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে। আমি তার জন্য দুঃখিত হলাম, আর আমি আদম সন্তানের একজন (আমার রাগ হল)। তাই আমি ক্রীতদাসীর মুখের উপর চড় মারলাম। আমার উপর (পূর্বে) একটি দাস বা দাসী আযাদ করা জরুরী ছিল, এখন আমি উহাকে (ক্রীতদাসীকে) আযাদ করব কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (ক্রীতদাসীকে) জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ্ কোথায়? সে বলল, ঊর্ধ্বলোকে। তিনি (রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, আমি কে? সে বলল, আপনি আল্লাহর রসূল। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন একে আযাদ করে দাও। (সহীহ, মুসলিম ৫৩৭)
حدثني مالك عن هلال بن أسامة عن عطاء بن يسار عن عمر بن الحكم أنه قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن جارية لي كانت ترعى غنما لي فجئتها وقد فقدت شاة من الغنم فسألتها عنها فقالت أكلها الذئب فأسفت عليها وكنت من بني آدم فلطمت وجهها وعلي رقبة أفأعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أين الله فقالت في السماء فقال من أنا فقالت أنت رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتقها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযাদ করা ওয়াজিব এমন দাস-দাসীকে কি কি কারণে বা শর্তে আযাদ করা বৈধ হয় না
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭১
حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر سئل عن الرقبة الواجبة هل تشترى بشرط فقال لا ২৮৮১-قال مالك وذلك أحسن ما سمعت في الرقاب الواجبة أنه لا يشتريها الذي يعتقها فيما وجب عليه بشرط على أن يعتقها لأنه إذا فعل ذلك فليست برقبة تامة لأنه يضع من ثمنها للذي يشترط من عتقها ২৮৮২-قال مالك ولا بأس أن يشتري الرقبة في التطوع ويشترط أن يعتقها. قال مالك إن أحسن ما سمع في الرقاب الواجبة أنه لا يجوز أن يعتق فيها نصراني ولا يهودي ولا يعتق فيها مكاتب ولا مدبر ولا أم ولد ولا معتق إلى سنين ولا أعمى ولا بأس أن يعتق النصراني واليهودي والمجوسي تطوعا لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فإما منا بعد وإما فداء } فالمن العتاقة. قال مالك فأما الرقاب الواجبة التي ذكر الله في الكتاب فإنه لا يعتق فيها إلا رقبة مؤمنة. قال مالك وكذلك في إطعام المساكين في الكفارات لا ينبغي أن يطعم فيها إلا المسلمون ولا يطعم فيها أحد على غير دين الإسلام.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ-ইব্নু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল যেই ক্রীতদাসকে আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে উহাকে (ক্রেতা কর্তৃক আযাদ করার) শর্তে ক্রয় করা যায় কি? তিনি বললেন, না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন ‘রাকাবা ওয়াজিব’ [ক্রীতদাস বা দাসীকে কোন ব্যাপারে আযাদ করা ওয়াজিব হলে উহাকে রাকাবা-ই ‘ওয়াজিবা’ বলা হয়। যেমন মানত এবং কাফফারাতে গোলাম আযাদ করা ওয়াজিব হয়] সম্বন্ধে যা আমি শুনেছি (তন্মধ্যে) সর্বাপেক্ষা সুন্দরতম (এই যে,) ‘রাকাবা-ই ওয়াজিব’-কে যে আযাদ করবে, সে আযাদী দেয়ার শর্ত করে ক্রয় করবে না। কারণ এইরূপ শর্ত করলে এ ‘রাকাবা’ পূর্ণ ‘রাকাবা’ হবে না, কেননা যে এইরূপ শর্ত করবে তার উদ্দেশ্যে বিক্রেতা মূল্য কমিয়ে দিবে (কাজেই রাকাবা অসম্পূর্ণ থাকবে)। মালিক (র) বলেন নফল নিয়্যত আযাদ করার জন্য গোলাম ক্রয় করতে যেয়ে আযাদ করবে বলে শর্ত করে ক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। মালিক (র) বলেন ‘রিকাবে-ওয়াজিবা’ সম্পর্কে সবচাইতে সুন্দর যা আমি শুনেছি, (তা হল এই), উহাতে নাসরানী অথবা ইহুদী গোলাম আযাদ করা যাবে না। মুকাতাব (যে ক্রীতদাসকে অন্য কিছুর বিনিময়ে আযাদ করবে বলে ঠিক করা হয়েছে) ও মুদাব্বার (কর্তার মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস আযাদ)-কে অথবা যাকে কয়েক বৎসরের জন্য আযাদ করা হয়েছে উহাকে আযাদ করা যাবে না (আরও আযাদ করা যাবে না) উম্মু ওয়ালাদকে এবং অন্ধকেও না, তবে নফল রূপে নাসরানী, ইহুদী ও মজুসীকে আযাদ করাতে কোন দোষ নেই। কারণ আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেছেন: **فَإِمَّا مَنًّا بَعْدُ وَإِمَّا فِدَاءً.** এখানে মান্না (مَنًّا) হচ্ছে আযাদ করা। মালিক (র) বলেন ওয়াজিবরূপে যে ব্যাপারে ক্রীতদাসকে আযাদ করা হয়, যার উল্লেখ আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বর্ণনা করেছেন, সেই সকল ব্যাপারে মু‘মিন ‘রাকাবা’-কেই আযাদ করতে হবে। মালিক (র) বলেন কাফফারাতে মিসকীনদেরকে ভোজ দেয়াতে মুসলমান মিসকীন ছাড়া অন্য কাউকেও ভোজ দেয়া ঠিক নয়, এই ব্যাপারে কোন অমুসলিমকে খাওয়াবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ-ইব্নু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল যেই ক্রীতদাসকে আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে উহাকে (ক্রেতা কর্তৃক আযাদ করার) শর্তে ক্রয় করা যায় কি? তিনি বললেন, না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন ‘রাকাবা ওয়াজিব’ [ক্রীতদাস বা দাসীকে কোন ব্যাপারে আযাদ করা ওয়াজিব হলে উহাকে রাকাবা-ই ‘ওয়াজিবা’ বলা হয়। যেমন মানত এবং কাফফারাতে গোলাম আযাদ করা ওয়াজিব হয়] সম্বন্ধে যা আমি শুনেছি (তন্মধ্যে) সর্বাপেক্ষা সুন্দরতম (এই যে,) ‘রাকাবা-ই ওয়াজিব’-কে যে আযাদ করবে, সে আযাদী দেয়ার শর্ত করে ক্রয় করবে না। কারণ এইরূপ শর্ত করলে এ ‘রাকাবা’ পূর্ণ ‘রাকাবা’ হবে না, কেননা যে এইরূপ শর্ত করবে তার উদ্দেশ্যে বিক্রেতা মূল্য কমিয়ে দিবে (কাজেই রাকাবা অসম্পূর্ণ থাকবে)। মালিক (র) বলেন নফল নিয়্যত আযাদ করার জন্য গোলাম ক্রয় করতে যেয়ে আযাদ করবে বলে শর্ত করে ক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। মালিক (র) বলেন ‘রিকাবে-ওয়াজিবা’ সম্পর্কে সবচাইতে সুন্দর যা আমি শুনেছি, (তা হল এই), উহাতে নাসরানী অথবা ইহুদী গোলাম আযাদ করা যাবে না। মুকাতাব (যে ক্রীতদাসকে অন্য কিছুর বিনিময়ে আযাদ করবে বলে ঠিক করা হয়েছে) ও মুদাব্বার (কর্তার মৃত্যুর পর যে ক্রীতদাস আযাদ)-কে অথবা যাকে কয়েক বৎসরের জন্য আযাদ করা হয়েছে উহাকে আযাদ করা যাবে না (আরও আযাদ করা যাবে না) উম্মু ওয়ালাদকে এবং অন্ধকেও না, তবে নফল রূপে নাসরানী, ইহুদী ও মজুসীকে আযাদ করাতে কোন দোষ নেই। কারণ আল্লাহ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বলেছেন: **فَإِمَّا مَنًّا بَعْدُ وَإِمَّا فِدَاءً.** এখানে মান্না (مَنًّا) হচ্ছে আযাদ করা। মালিক (র) বলেন ওয়াজিবরূপে যে ব্যাপারে ক্রীতদাসকে আযাদ করা হয়, যার উল্লেখ আল্লাহ্ তা‘আলা কুরআন মাজীদে বর্ণনা করেছেন, সেই সকল ব্যাপারে মু‘মিন ‘রাকাবা’-কেই আযাদ করতে হবে। মালিক (র) বলেন কাফফারাতে মিসকীনদেরকে ভোজ দেয়াতে মুসলমান মিসকীন ছাড়া অন্য কাউকেও ভোজ দেয়া ঠিক নয়, এই ব্যাপারে কোন অমুসলিমকে খাওয়াবে না।
حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن عمر سئل عن الرقبة الواجبة هل تشترى بشرط فقال لا ২৮৮১-قال مالك وذلك أحسن ما سمعت في الرقاب الواجبة أنه لا يشتريها الذي يعتقها فيما وجب عليه بشرط على أن يعتقها لأنه إذا فعل ذلك فليست برقبة تامة لأنه يضع من ثمنها للذي يشترط من عتقها ২৮৮২-قال مالك ولا بأس أن يشتري الرقبة في التطوع ويشترط أن يعتقها. قال مالك إن أحسن ما سمع في الرقاب الواجبة أنه لا يجوز أن يعتق فيها نصراني ولا يهودي ولا يعتق فيها مكاتب ولا مدبر ولا أم ولد ولا معتق إلى سنين ولا أعمى ولا بأس أن يعتق النصراني واليهودي والمجوسي تطوعا لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فإما منا بعد وإما فداء } فالمن العتاقة. قال مالك فأما الرقاب الواجبة التي ذكر الله في الكتاب فإنه لا يعتق فيها إلا رقبة مؤمنة. قال مالك وكذلك في إطعام المساكين في الكفارات لا ينبغي أن يطعم فيها إلا المسلمون ولا يطعم فيها أحد على غير دين الإسلام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মৃত ব্যক্তির পক্ষ হতে জীবিত ব্যক্তির দাসদাসী আযাদ করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭২
حدثني مالك عن عبد الرحمن بن أبي عمرة الأنصاري أن أمه أرادت أن توصي ثم أخرت ذلك إلى أن تصبح فهلكت وقد كانت همت بأن تعتق فقال عبد الرحمن فقلت للقاسم بن محمد أينفعها أن أعتق عنها فقال القاسم إن سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إن أمي هلكت فهل ينفعها أن أعتق عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم.
আবদুর রহমান ইবনু আবি আমরাহ্ আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর মাতা কিছু ওসীয়্যত করার ইচ্ছা করেছিলেন, পরে ভোর হওয়া পর্যন্ত উহাতে বিলম্ব করলেন, অতঃপর ওসীয়্যত করার পূর্বেই তাঁর মৃত্যু হয়, তিনি (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করার সংকল্প করেছিলেন। আবদুর রহমান বলেন আমি কাসিম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে বললাম, তার পক্ষ হতে আমি আযাদ করলে ইহা তাঁর উপকার করবে কি? কাসিম বললেন সা’দ ইব্নু ‘উবাদা (রা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আরয করলেন, আমার মাতার মৃত্যু হয়েছে, আমি তার পক্ষ হতে গোলাম আযাদ করলে এটা তার উপকার করবে কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুর রহমান ইবনু আবি আমরাহ্ আনসারী (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর মাতা কিছু ওসীয়্যত করার ইচ্ছা করেছিলেন, পরে ভোর হওয়া পর্যন্ত উহাতে বিলম্ব করলেন, অতঃপর ওসীয়্যত করার পূর্বেই তাঁর মৃত্যু হয়, তিনি (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করার সংকল্প করেছিলেন। আবদুর রহমান বলেন আমি কাসিম ইব্নু মুহাম্মাদ (র)-কে বললাম, তার পক্ষ হতে আমি আযাদ করলে ইহা তাঁর উপকার করবে কি? কাসিম বললেন সা’দ ইব্নু ‘উবাদা (রা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আরয করলেন, আমার মাতার মৃত্যু হয়েছে, আমি তার পক্ষ হতে গোলাম আযাদ করলে এটা তার উপকার করবে কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن عبد الرحمن بن أبي عمرة الأنصاري أن أمه أرادت أن توصي ثم أخرت ذلك إلى أن تصبح فهلكت وقد كانت همت بأن تعتق فقال عبد الرحمن فقلت للقاسم بن محمد أينفعها أن أعتق عنها فقال القاسم إن سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم إن أمي هلكت فهل ينفعها أن أعتق عنها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭৩
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال توفي عبد الرحمن بن أبي بكر في نوم نامه فأعتقت عنه عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم رقابا كثيرة قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইব্নু আবী বাকর (র)-এর আকস্মিক ওফাত [১] হয় তাঁর নিদ্রাতে। নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়িশা (রা) তাঁর পক্ষ হতে অনেকগুলো দাস-দাসী আযাদ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এই বিষয়ে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কাছে উত্তম।
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সাঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইব্নু আবী বাকর (র)-এর আকস্মিক ওফাত [১] হয় তাঁর নিদ্রাতে। নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী আয়িশা (রা) তাঁর পক্ষ হতে অনেকগুলো দাস-দাসী আযাদ করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এই বিষয়ে যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কাছে উত্তম।
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال توفي عبد الرحمن بن أبي بكر في نوم نامه فأعتقت عنه عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم رقابا كثيرة قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في ذلك.