মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে লোক ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসী আযাদ করেছে, উহা ব্যতীত তার অন্য কোন মাল নেই তার বিবরণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬২
حدثني مالك عن يحيى بن سعيد وعن غير واحد عن الحسن بن أبي الحسن البصري وعن محمد بن سيرين أن رجلا في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتق عبيدا له ستة عند موته فأسهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم فأعتق ثلث تلك العبيد قال مالك وبلغني أنه لم يكن لذلك الرجل مال غيرهم.
হাসান ইবনু আবিল-হাসান বাসরী ও মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি মৃত্যুর সময় তার ছয়জন ক্রীতদাসকে আযাদ করল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মধ্যে (নির্বাচনের উদ্দেশ্যে) লটারির ব্যবস্থা করলেন এবং (লটারির মাধ্যমে) সেই ক্রীতদাসদের মধ্য হতে এক-তৃতীয়াংশ (অর্থাৎ দুইজন) আযাদ করে দিলেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম ১৬৬৮, ইমরান বিন হুসাইন (রা) থেকে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
হাসান ইবনু আবিল-হাসান বাসরী ও মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি মৃত্যুর সময় তার ছয়জন ক্রীতদাসকে আযাদ করল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মধ্যে (নির্বাচনের উদ্দেশ্যে) লটারির ব্যবস্থা করলেন এবং (লটারির মাধ্যমে) সেই ক্রীতদাসদের মধ্য হতে এক-তৃতীয়াংশ (অর্থাৎ দুইজন) আযাদ করে দিলেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম ১৬৬৮, ইমরান বিন হুসাইন (রা) থেকে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني مالك عن يحيى بن سعيد وعن غير واحد عن الحسن بن أبي الحسن البصري وعن محمد بن سيرين أن رجلا في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتق عبيدا له ستة عند موته فأسهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم فأعتق ثلث تلك العبيد قال مالك وبلغني أنه لم يكن لذلك الرجل مال غيرهم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৩
و حدثني مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن رجلا في إمارة أبان بن عثمان أعتق رقيقا له كلهم جميعا ولم يكن له مال غيرهم فأمر أبان بن عثمان بتلك الرقيق فقسمت أثلاثا ثم أسهم على أيهم يخرج سهم الميت فيعتقون فوقع السهم على أحد الأثلاث فعتق الثلث الذي وقع عليه السهم.
রবিয়া ইবনু আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
আবান ইব্নু উসমান (র)-এর শাসনকালে এক ব্যক্তি তার সব কয়টি গোলামকে আযাদ করে দিল, তার আর কোন মাল ছিল না সেই ক্রীতদাসগুলো ছাড়া। আবান ইব্নু উসমানের নির্দেশে সব ক্রীতদাসকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হল। তারপর লটারি দেয়া হল মৃত ব্যক্তির অংশ যেই ভাগে বাহির হবে সেই ভাগের ক্রীতদাসদেরকে আযাদ করা হবে। তিন অংশের মধ্য হতে এক অংশের উপর লটারি উঠল, ফলে যেই এক-তৃতীয়াংশের উপর লটারি উঠল সে অংশ আযাদ হল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
রবিয়া ইবনু আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
আবান ইব্নু উসমান (র)-এর শাসনকালে এক ব্যক্তি তার সব কয়টি গোলামকে আযাদ করে দিল, তার আর কোন মাল ছিল না সেই ক্রীতদাসগুলো ছাড়া। আবান ইব্নু উসমানের নির্দেশে সব ক্রীতদাসকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হল। তারপর লটারি দেয়া হল মৃত ব্যক্তির অংশ যেই ভাগে বাহির হবে সেই ভাগের ক্রীতদাসদেরকে আযাদ করা হবে। তিন অংশের মধ্য হতে এক অংশের উপর লটারি উঠল, ফলে যেই এক-তৃতীয়াংশের উপর লটারি উঠল সে অংশ আযাদ হল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن رجلا في إمارة أبان بن عثمان أعتق رقيقا له كلهم جميعا ولم يكن له مال غيرهم فأمر أبان بن عثمان بتلك الرقيق فقسمت أثلاثا ثم أسهم على أيهم يخرج سهم الميت فيعتقون فوقع السهم على أحد الأثلاث فعتق الثلث الذي وقع عليه السهم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মাল কার প্রাপ্য হবে তার মাসআলা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৪
حدثني مالك عن ابن شهاب أنه سمعه يقول مضت السنة أن العبد إذا أعتق تبعه ماله قال مالك ومما يبين ذلك أن العبد إذا أعتق تبعه ماله أن المكاتب إذا كوتب تبعه ماله وإن لم يشترطه المكاتب وذلك أن عقد الكتابة هو عقد الولاء إذا تم ذلك وليس مال العبد والمكاتب بمنزلة ما كان لهما من ولد إنما أولادهما بمنزلة رقابهما ليسوا بمنزلة أموالهما لأن السنة التي لا اختلاف فيها أن العبد إذا عتق تبعه ماله ولم يتبعه ولده وأن المكاتب إذا كوتب تبعه ماله ولم يتبعه ولده. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد والمكاتب إذا أفلسا أخذت أموالهما وأمهات أولادهما ولم تؤخذ أولادهما لأنهم ليسوا بأموال لهما. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد إذا بيع واشترط الذي ابتاعه ماله لم يدخل ولده في ماله. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد إذا جرح أخذ هو وماله ولم يؤخذ ولده.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন, এটা প্রচলিত সুন্নাত (নিয়ম) যে, ক্রীতদাস আযাদ হলে মাল তার পশ্চাদগামী হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আরও স্পষ্ট করে এই দৃষ্টান্তটি বলা যায় যে, ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মালও তার সাথে থাকবে, কারণ মুকাতাব (যাকে মালের বিনিময়ে আযাদী প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে)-কে (মালের বিনিময়ে) আযাদীর প্রতিশ্রুতি দেয়া হলে তবে শর্ত না করলেও মাল তারই থাকবে। এটা এই জন্য যে, কিতাবতের কার্য পূর্ণতা লাভ করলে (অর্থাৎ অর্থ আদায় করলে) উহা হুবহু স্বত্বাধিকার-এর চুক্তির মতো গণ্য হবে, যেমন ক্রীতদাসকে আযাদ করে দিলে সে স্বত্বাধিকার লাভ করে তদ্রুপ বদলে কিতাবত (আযাদীর জন্য নির্ধারিত অর্থ) আদায় করলে ক্রীতদাস আযাদ হয়ে যায় এবং তার সম্পদের স্বত্বাধিকারী সে নিজেই হবে। আর ক্রীতদাস ও মুকাতাব-এর সম্পদ তাদের সন্তান-সন্ততির মতো নয়, কারণ তাদের সন্তানগণ তাদেরই মতো (কর্তাগণ তাদের মালিক বটে) তারা তাদের সম্পদের মতো নয় অর্থাৎ সম্পদের মতো ক্রীতদাস ও মুকাতাব দাস সন্তানদের মালিক হবে না। কারণ নিয়ম এই, যেই নিয়মে কোন দ্বিমত নেই অর্থাৎ ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মাল তার পশ্চাদানুসরণ করবে, কিন্তু সন্তান তার পশ্চাদগামী হবে না। আর মুকাতাব-এর সাথে যখন কিতাবত করা হয়, তখন তার মালও তার পশ্চাদানুসরণ করবে, কিন্তু তার সন্তান তার পশ্চাদগামী হবে না। মালিক (র) বলেন যা একে আরও স্পষ্ট করে তা হল, ক্রীতদাস ও মুকাতাব তারা উভয়ে দেউলিয়া হলে তাদের সম্পদ ও তাদের উম্মে ওয়ালাদগণকে গ্রহণ করা হবে কিন্তু তাদের সন্তানগণকে বিনিময়ে গ্রহণ করা হবে না। কারণ সন্তান তাদের মাল নয়। মালিক (র) বলেন আর একটি দৃষ্টান্ত একে স্পষ্ট করে তোলে। তা হল, যদি ক্রীতদাসকে এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে তার মাল ক্রেতা পাবে, তবে ক্রীতদাসের সন্তান মালের অন্তর্ভুক্ত হবে না। মালিক (র) বলেন আরও যে দৃষ্টান্ত একে স্পষ্ট করে তা হল এই যে, ক্রীতদাস কাউকেও জখম করলে, ক্রীতদাস ও উহার মাল বিনিময়ে নেয়া হবে, কিন্তু (বিনিময়ে) সন্তানকে গ্রহণ করা হবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন, এটা প্রচলিত সুন্নাত (নিয়ম) যে, ক্রীতদাস আযাদ হলে মাল তার পশ্চাদগামী হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আরও স্পষ্ট করে এই দৃষ্টান্তটি বলা যায় যে, ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মালও তার সাথে থাকবে, কারণ মুকাতাব (যাকে মালের বিনিময়ে আযাদী প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে)-কে (মালের বিনিময়ে) আযাদীর প্রতিশ্রুতি দেয়া হলে তবে শর্ত না করলেও মাল তারই থাকবে। এটা এই জন্য যে, কিতাবতের কার্য পূর্ণতা লাভ করলে (অর্থাৎ অর্থ আদায় করলে) উহা হুবহু স্বত্বাধিকার-এর চুক্তির মতো গণ্য হবে, যেমন ক্রীতদাসকে আযাদ করে দিলে সে স্বত্বাধিকার লাভ করে তদ্রুপ বদলে কিতাবত (আযাদীর জন্য নির্ধারিত অর্থ) আদায় করলে ক্রীতদাস আযাদ হয়ে যায় এবং তার সম্পদের স্বত্বাধিকারী সে নিজেই হবে। আর ক্রীতদাস ও মুকাতাব-এর সম্পদ তাদের সন্তান-সন্ততির মতো নয়, কারণ তাদের সন্তানগণ তাদেরই মতো (কর্তাগণ তাদের মালিক বটে) তারা তাদের সম্পদের মতো নয় অর্থাৎ সম্পদের মতো ক্রীতদাস ও মুকাতাব দাস সন্তানদের মালিক হবে না। কারণ নিয়ম এই, যেই নিয়মে কোন দ্বিমত নেই অর্থাৎ ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মাল তার পশ্চাদানুসরণ করবে, কিন্তু সন্তান তার পশ্চাদগামী হবে না। আর মুকাতাব-এর সাথে যখন কিতাবত করা হয়, তখন তার মালও তার পশ্চাদানুসরণ করবে, কিন্তু তার সন্তান তার পশ্চাদগামী হবে না। মালিক (র) বলেন যা একে আরও স্পষ্ট করে তা হল, ক্রীতদাস ও মুকাতাব তারা উভয়ে দেউলিয়া হলে তাদের সম্পদ ও তাদের উম্মে ওয়ালাদগণকে গ্রহণ করা হবে কিন্তু তাদের সন্তানগণকে বিনিময়ে গ্রহণ করা হবে না। কারণ সন্তান তাদের মাল নয়। মালিক (র) বলেন আর একটি দৃষ্টান্ত একে স্পষ্ট করে তোলে। তা হল, যদি ক্রীতদাসকে এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে তার মাল ক্রেতা পাবে, তবে ক্রীতদাসের সন্তান মালের অন্তর্ভুক্ত হবে না। মালিক (র) বলেন আরও যে দৃষ্টান্ত একে স্পষ্ট করে তা হল এই যে, ক্রীতদাস কাউকেও জখম করলে, ক্রীতদাস ও উহার মাল বিনিময়ে নেয়া হবে, কিন্তু (বিনিময়ে) সন্তানকে গ্রহণ করা হবে না।
حدثني مالك عن ابن شهاب أنه سمعه يقول مضت السنة أن العبد إذا أعتق تبعه ماله قال مالك ومما يبين ذلك أن العبد إذا أعتق تبعه ماله أن المكاتب إذا كوتب تبعه ماله وإن لم يشترطه المكاتب وذلك أن عقد الكتابة هو عقد الولاء إذا تم ذلك وليس مال العبد والمكاتب بمنزلة ما كان لهما من ولد إنما أولادهما بمنزلة رقابهما ليسوا بمنزلة أموالهما لأن السنة التي لا اختلاف فيها أن العبد إذا عتق تبعه ماله ولم يتبعه ولده وأن المكاتب إذا كوتب تبعه ماله ولم يتبعه ولده. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد والمكاتب إذا أفلسا أخذت أموالهما وأمهات أولادهما ولم تؤخذ أولادهما لأنهم ليسوا بأموال لهما. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد إذا بيع واشترط الذي ابتاعه ماله لم يدخل ولده في ماله. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد إذا جرح أخذ هو وماله ولم يؤخذ ولده.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উম্মাহাতুল-আওলাদ [১] -এর আযাদী এবং এ সম্পর্কিত বিবিধ হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৫
حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال أيما وليدة ولدت من سيدها فإنه لا يبيعها ولا يهبها ولا يورثها وهو يستمتع بها فإذا مات فهي حرة.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যে ক্রীতদাসী তার কর্তার ঔরসে সন্তান জন্মাইয়াছে, সে কর্তা উহাকে বিক্রয় করতে পারবে না, আর পারবে না উহাকে দান করতে, কেউ উহার স্বত্বাধিকারও লাভ করবে না, মনিব তাকে উপভোগ করবে যখন মনিবের মৃত্যু হবে ক্রীতদাসী তখন আযাদ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যে ক্রীতদাসী তার কর্তার ঔরসে সন্তান জন্মাইয়াছে, সে কর্তা উহাকে বিক্রয় করতে পারবে না, আর পারবে না উহাকে দান করতে, কেউ উহার স্বত্বাধিকারও লাভ করবে না, মনিব তাকে উপভোগ করবে যখন মনিবের মৃত্যু হবে ক্রীতদাসী তখন আযাদ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال أيما وليدة ولدت من سيدها فإنه لا يبيعها ولا يهبها ولا يورثها وهو يستمتع بها فإذا مات فهي حرة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৬
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أتته وليدة قد ضربها سيدها بنار أو أصابها بها فأعتقها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا تجوز عتاقة رجل وعليه دين يحيط بماله وأنه لا تجوز عتاقة الغلام حتى يحتلم أو يبلغ مبلغ المحتلم وأنه لا تجوز عتاقة المولى عليه في ماله وإن بلغ الحلم حتى يلي ماله.
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর নিকট জনৈকা ক্রীতদাসী এল, যাকে তার মনিব আগুন দ্বারা জখম করেছে অথবা তার শরীরে আগুন লাগিয়েছে। উমার (রা) উহাকে আযাদ করে দিলেন (অর্থাৎ আযাদ করে দেয়ার জন্য কর্তাকে নির্দেশ দিলেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত এই যে, যে ব্যক্তির উপর ঋণ আছে এবং ঋণ তার সমস্ত মাল ঘিরে রেখেছে সে ব্যক্তির পক্ষে (ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে) আযাদ করা বৈধ নয়। বালক যতক্ষণ বালেগ না হয় অথবা বালেগ পুরুষের সমপর্যায়ে না পৌঁছে, ততক্ষণ তার পক্ষে গোলাম আযাদ করা বৈধ হবে না, যে ব্যক্তির মালের উপর মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করা হয়েছে (এবং তাকে কার্য পরিচালনা হতে বিরত রাখা হয়েছে) সে বালিগ (সাবালক) হলেও গোলাম আযাদ করতে পারবে না, যাবত সে নিজ সম্পদের পরিচালক না হবে।
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর নিকট জনৈকা ক্রীতদাসী এল, যাকে তার মনিব আগুন দ্বারা জখম করেছে অথবা তার শরীরে আগুন লাগিয়েছে। উমার (রা) উহাকে আযাদ করে দিলেন (অর্থাৎ আযাদ করে দেয়ার জন্য কর্তাকে নির্দেশ দিলেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত এই যে, যে ব্যক্তির উপর ঋণ আছে এবং ঋণ তার সমস্ত মাল ঘিরে রেখেছে সে ব্যক্তির পক্ষে (ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে) আযাদ করা বৈধ নয়। বালক যতক্ষণ বালেগ না হয় অথবা বালেগ পুরুষের সমপর্যায়ে না পৌঁছে, ততক্ষণ তার পক্ষে গোলাম আযাদ করা বৈধ হবে না, যে ব্যক্তির মালের উপর মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করা হয়েছে (এবং তাকে কার্য পরিচালনা হতে বিরত রাখা হয়েছে) সে বালিগ (সাবালক) হলেও গোলাম আযাদ করতে পারবে না, যাবত সে নিজ সম্পদের পরিচালক না হবে।
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أتته وليدة قد ضربها سيدها بنار أو أصابها بها فأعتقها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا تجوز عتاقة رجل وعليه دين يحيط بماله وأنه لا تجوز عتاقة الغلام حتى يحتلم أو يبلغ مبلغ المحتلم وأنه لا تجوز عتاقة المولى عليه في ماله وإن بلغ الحلم حتى يلي ماله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পূর্বে যার উপর দাসমুক্তি ওয়াজিব হয়েছে তার জন্য কি ধরনের দাস মুক্ত করা জায়েয তার বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৯
و حدثني مالك أنه بلغه عن المقبري أنه قال سئل أبو هريرة عن الرجل تكون عليه رقبة هل يعتق فيها ابن زنا فقال أبو هريرة نعم ذلك يجزئ عنه.
মাকবুরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর দাস বা দাসীর আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে। প্রশ্নটি হল, সে ব্যক্তি জারজ সন্তান আযাদ করতে পারবে কি? আবূ হুরায়রা (রা) বললেন, হ্যাঁ, উহা তার জন্য যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মাকবুরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর দাস বা দাসীর আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে। প্রশ্নটি হল, সে ব্যক্তি জারজ সন্তান আযাদ করতে পারবে কি? আবূ হুরায়রা (রা) বললেন, হ্যাঁ, উহা তার জন্য যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه عن المقبري أنه قال سئل أبو هريرة عن الرجل تكون عليه رقبة هل يعتق فيها ابن زنا فقال أبو هريرة نعم ذلك يجزئ عنه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৮
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن رجلا من الأنصار جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بجارية له سوداء فقال يا رسول الله إن علي رقبة مؤمنة فإن كنت تراها مؤمنة أعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أتشهدين أن لا إله إلا الله قالت نعم قال أتشهدين أن محمدا رسول الله قالت نعم قال أتوقنين بالبعث بعد الموت قالت نعم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتقها
ওবায়দুল্লাহ্ ইবনু আবদিল্লাহ্ ইবনু উতবা ইবনু মাস‘ঊদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আনসারদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার একটি কৃষ্ণ বর্ণের ক্রীতদাসীকে নিয়ে উপস্থিত হল এবং বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার উপর একটি ঈমানদার ক্রীতদাসী আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে, আপনি যদি একে ঈমানদার মনে করেন তবে আমি তাকে আযাদ করব। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (উদ্দেশ্য করে) বললেন, আল্লাহ্ ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই- তুমি কি এর সাক্ষ্য দাও? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেন মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল- তুমি এই সাক্ষ্য দাও কি? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন (মৃত্যুর পর) পুনরুত্থানে তুমি বিশ্বাস কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি একে আযাদ কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ওবায়দুল্লাহ্ ইবনু আবদিল্লাহ্ ইবনু উতবা ইবনু মাস‘ঊদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আনসারদের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে তার একটি কৃষ্ণ বর্ণের ক্রীতদাসীকে নিয়ে উপস্থিত হল এবং বলল, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার উপর একটি ঈমানদার ক্রীতদাসী আযাদ করা ওয়াজিব হয়েছে, আপনি যদি একে ঈমানদার মনে করেন তবে আমি তাকে আযাদ করব। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (উদ্দেশ্য করে) বললেন, আল্লাহ্ ছাড়া কোন মা‘বুদ নেই- তুমি কি এর সাক্ষ্য দাও? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার বললেন মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল- তুমি এই সাক্ষ্য দাও কি? সে বলল, হ্যাঁ। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন (মৃত্যুর পর) পুনরুত্থানে তুমি বিশ্বাস কর কি? সে বলল, হ্যাঁ। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি একে আযাদ কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود أن رجلا من الأنصار جاء إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم بجارية له سوداء فقال يا رسول الله إن علي رقبة مؤمنة فإن كنت تراها مؤمنة أعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أتشهدين أن لا إله إلا الله قالت نعم قال أتشهدين أن محمدا رسول الله قالت نعم قال أتوقنين بالبعث بعد الموت قالت نعم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتقها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৭০
و حدثني مالك أنه بلغه عن فضالة بن عبيد الأنصاري وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سئل عن الرجل تكون عليه رقبة هل يجوز له أن يعتق ولد زنا قال نعم ذلك يجزئ عنه.
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
ফুযালা ইব্নু উবায়দ আনসারী (রা) হতে, তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের একজন। তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর রাকাবা (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করা ওয়াজিব, তার পক্ষে জারজ সন্তান আযাদ করা জায়েয হবে কি? তিনি বললেন হ্যাঁ, উহা তার পক্ষে যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ
ফুযালা ইব্নু উবায়দ আনসারী (রা) হতে, তিনি ছিলেন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের একজন। তাঁর নিকট প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্পর্কে, যার উপর রাকাবা (গোলাম বা বাঁদী) আযাদ করা ওয়াজিব, তার পক্ষে জারজ সন্তান আযাদ করা জায়েয হবে কি? তিনি বললেন হ্যাঁ, উহা তার পক্ষে যথেষ্ট হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه عن فضالة بن عبيد الأنصاري وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه سئل عن الرجل تكون عليه رقبة هل يجوز له أن يعتق ولد زنا قال نعم ذلك يجزئ عنه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৭
حدثني مالك عن هلال بن أسامة عن عطاء بن يسار عن عمر بن الحكم أنه قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن جارية لي كانت ترعى غنما لي فجئتها وقد فقدت شاة من الغنم فسألتها عنها فقالت أكلها الذئب فأسفت عليها وكنت من بني آدم فلطمت وجهها وعلي رقبة أفأعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أين الله فقالت في السماء فقال من أنا فقالت أنت رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتقها.
আতা ইবনু ইয়াসার (র) উমার ইবনু হাকাম [১] (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার এক ক্রীতদাসী আমার ছাগপাল চরাইতেছিল। একদিন আমি তার নিকট গেলাম এবং জানতে পারলাম সে একটি বকরী হারিয়ে ফেলেছে। আমি তাকে বকরীর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। সে বলল, উহাকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে। আমি তার জন্য দুঃখিত হলাম, আর আমি আদম সন্তানের একজন (আমার রাগ হল)। তাই আমি ক্রীতদাসীর মুখের উপর চড় মারলাম। আমার উপর (পূর্বে) একটি দাস বা দাসী আযাদ করা জরুরী ছিল, এখন আমি উহাকে (ক্রীতদাসীকে) আযাদ করব কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (ক্রীতদাসীকে) জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ্ কোথায়? সে বলল, ঊর্ধ্বলোকে। তিনি (রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, আমি কে? সে বলল, আপনি আল্লাহর রসূল। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন একে আযাদ করে দাও। (সহীহ, মুসলিম ৫৩৭)
আতা ইবনু ইয়াসার (র) উমার ইবনু হাকাম [১] (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আমার এক ক্রীতদাসী আমার ছাগপাল চরাইতেছিল। একদিন আমি তার নিকট গেলাম এবং জানতে পারলাম সে একটি বকরী হারিয়ে ফেলেছে। আমি তাকে বকরীর বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। সে বলল, উহাকে বাঘে খেয়ে ফেলেছে। আমি তার জন্য দুঃখিত হলাম, আর আমি আদম সন্তানের একজন (আমার রাগ হল)। তাই আমি ক্রীতদাসীর মুখের উপর চড় মারলাম। আমার উপর (পূর্বে) একটি দাস বা দাসী আযাদ করা জরুরী ছিল, এখন আমি উহাকে (ক্রীতদাসীকে) আযাদ করব কি? রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উহাকে (ক্রীতদাসীকে) জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ্ কোথায়? সে বলল, ঊর্ধ্বলোকে। তিনি (রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, আমি কে? সে বলল, আপনি আল্লাহর রসূল। তারপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন একে আযাদ করে দাও। (সহীহ, মুসলিম ৫৩৭)
حدثني مالك عن هلال بن أسامة عن عطاء بن يسار عن عمر بن الحكم أنه قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلت يا رسول الله إن جارية لي كانت ترعى غنما لي فجئتها وقد فقدت شاة من الغنم فسألتها عنها فقالت أكلها الذئب فأسفت عليها وكنت من بني آدم فلطمت وجهها وعلي رقبة أفأعتقها فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أين الله فقالت في السماء فقال من أنا فقالت أنت رسول الله فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتقها.