মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযাদীপ্রদানে শর্তারোপ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬১

قال مالك من أعتق عبدا له فبت عتقه حتى تجوز شهادته وتتم حريته ويثبت ميراثه فليس لسيده أن يشترط عليه مثل ما يشترط على عبده من مال أو خدمة ولا يحمل عليه شيئا من الرق لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أعتق شركا له في عبد قوم عليه قيمة العدل فأعطى شركاءه حصصهم وعتق عليه العبد. قال مالك فهو إذا كان له العبد خالصا أحق باستكمال عتاقته ولا يخلطها بشيء من الرق.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি তার দাসকে আযাদ করেছে এবং পরিষ্কারভাবে আযাদ করেছে। যেমন সে ক্রীতদাসের সাক্ষ্য বৈধ হয়, তার স্বত্বাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তার আযাদী পূর্ণতা লাভ করে, তবে গোলামের উপর যেরূপ শর্তারোপ করা হয় তার কর্তা তার উপর অনুরূপ কোন শর্তারোপ করতে পারবে না এবং উহার উপর গোলামির কোন কিছু চাপাতেও পারবে না। কারণ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি গোলাম হতে তার অংশ আযাদ করেছে তার উপর সেই গোলামের (অবশিষ্ট অংশের) মূল্য ধার্য করা হবে। তারপর শরীকদেরকে তাদের অংশ প্রদান করা হবে, এবং তার পক্ষ হতে গোলাম পূর্ণরূপে আযাদ হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন যদি গোলামে অন্য কারো অংশ না থাকে, তবে আযাদী পূর্ণ করার জন্য তিনি অধিক হকদার হবে এবং সেই আযাদীতে কোন প্রকার দাসত্ব মিশ্রিত থাকবে না।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

যে ব্যক্তি তার দাসকে আযাদ করেছে এবং পরিষ্কারভাবে আযাদ করেছে। যেমন সে ক্রীতদাসের সাক্ষ্য বৈধ হয়, তার স্বত্বাধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তার আযাদী পূর্ণতা লাভ করে, তবে গোলামের উপর যেরূপ শর্তারোপ করা হয় তার কর্তা তার উপর অনুরূপ কোন শর্তারোপ করতে পারবে না এবং উহার উপর গোলামির কোন কিছু চাপাতেও পারবে না। কারণ রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি গোলাম হতে তার অংশ আযাদ করেছে তার উপর সেই গোলামের (অবশিষ্ট অংশের) মূল্য ধার্য করা হবে। তারপর শরীকদেরকে তাদের অংশ প্রদান করা হবে, এবং তার পক্ষ হতে গোলাম পূর্ণরূপে আযাদ হয়ে যাবে। মালিক (র) বলেন যদি গোলামে অন্য কারো অংশ না থাকে, তবে আযাদী পূর্ণ করার জন্য তিনি অধিক হকদার হবে এবং সেই আযাদীতে কোন প্রকার দাসত্ব মিশ্রিত থাকবে না।

قال مالك من أعتق عبدا له فبت عتقه حتى تجوز شهادته وتتم حريته ويثبت ميراثه فليس لسيده أن يشترط عليه مثل ما يشترط على عبده من مال أو خدمة ولا يحمل عليه شيئا من الرق لأن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أعتق شركا له في عبد قوم عليه قيمة العدل فأعطى شركاءه حصصهم وعتق عليه العبد. قال مالك فهو إذا كان له العبد خالصا أحق باستكمال عتاقته ولا يخلطها بشيء من الرق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে লোক ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসী আযাদ করেছে, উহা ব্যতীত তার অন্য কোন মাল নেই তার বিবরণ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬২

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد وعن غير واحد عن الحسن بن أبي الحسن البصري وعن محمد بن سيرين أن رجلا في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتق عبيدا له ستة عند موته فأسهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم فأعتق ثلث تلك العبيد قال مالك وبلغني أنه لم يكن لذلك الرجل مال غيرهم.

হাসান ইবনু আবিল-হাসান বাসরী ও মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি মৃত্যুর সময় তার ছয়জন ক্রীতদাসকে আযাদ করল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মধ্যে (নির্বাচনের উদ্দেশ্যে) লটারির ব্যবস্থা করলেন এবং (লটারির মাধ্যমে) সেই ক্রীতদাসদের মধ্য হতে এক-তৃতীয়াংশ (অর্থাৎ দুইজন) আযাদ করে দিলেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম ১৬৬৮, ইমরান বিন হুসাইন (রা) থেকে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

হাসান ইবনু আবিল-হাসান বাসরী ও মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি মৃত্যুর সময় তার ছয়জন ক্রীতদাসকে আযাদ করল। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের মধ্যে (নির্বাচনের উদ্দেশ্যে) লটারির ব্যবস্থা করলেন এবং (লটারির মাধ্যমে) সেই ক্রীতদাসদের মধ্য হতে এক-তৃতীয়াংশ (অর্থাৎ দুইজন) আযাদ করে দিলেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম ১৬৬৮, ইমরান বিন হুসাইন (রা) থেকে বর্ণনা করেন তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد وعن غير واحد عن الحسن بن أبي الحسن البصري وعن محمد بن سيرين أن رجلا في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم أعتق عبيدا له ستة عند موته فأسهم رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهم فأعتق ثلث تلك العبيد قال مالك وبلغني أنه لم يكن لذلك الرجل مال غيرهم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৩

و حدثني مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن رجلا في إمارة أبان بن عثمان أعتق رقيقا له كلهم جميعا ولم يكن له مال غيرهم فأمر أبان بن عثمان بتلك الرقيق فقسمت أثلاثا ثم أسهم على أيهم يخرج سهم الميت فيعتقون فوقع السهم على أحد الأثلاث فعتق الثلث الذي وقع عليه السهم.

রবিয়া ইবনু আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

আবান ইব্নু উসমান (র)-এর শাসনকালে এক ব্যক্তি তার সব কয়টি গোলামকে আযাদ করে দিল, তার আর কোন মাল ছিল না সেই ক্রীতদাসগুলো ছাড়া। আবান ইব্নু উসমানের নির্দেশে সব ক্রীতদাসকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হল। তারপর লটারি দেয়া হল মৃত ব্যক্তির অংশ যেই ভাগে বাহির হবে সেই ভাগের ক্রীতদাসদেরকে আযাদ করা হবে। তিন অংশের মধ্য হতে এক অংশের উপর লটারি উঠল, ফলে যেই এক-তৃতীয়াংশের উপর লটারি উঠল সে অংশ আযাদ হল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

রবিয়া ইবনু আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

আবান ইব্নু উসমান (র)-এর শাসনকালে এক ব্যক্তি তার সব কয়টি গোলামকে আযাদ করে দিল, তার আর কোন মাল ছিল না সেই ক্রীতদাসগুলো ছাড়া। আবান ইব্নু উসমানের নির্দেশে সব ক্রীতদাসকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হল। তারপর লটারি দেয়া হল মৃত ব্যক্তির অংশ যেই ভাগে বাহির হবে সেই ভাগের ক্রীতদাসদেরকে আযাদ করা হবে। তিন অংশের মধ্য হতে এক অংশের উপর লটারি উঠল, ফলে যেই এক-তৃতীয়াংশের উপর লটারি উঠল সে অংশ আযাদ হল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن أن رجلا في إمارة أبان بن عثمان أعتق رقيقا له كلهم جميعا ولم يكن له مال غيرهم فأمر أبان بن عثمان بتلك الرقيق فقسمت أثلاثا ثم أسهم على أيهم يخرج سهم الميت فيعتقون فوقع السهم على أحد الأثلاث فعتق الثلث الذي وقع عليه السهم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মাল কার প্রাপ্য হবে তার মাসআলা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৪

حدثني مالك عن ابن شهاب أنه سمعه يقول مضت السنة أن العبد إذا أعتق تبعه ماله قال مالك ومما يبين ذلك أن العبد إذا أعتق تبعه ماله أن المكاتب إذا كوتب تبعه ماله وإن لم يشترطه المكاتب وذلك أن عقد الكتابة هو عقد الولاء إذا تم ذلك وليس مال العبد والمكاتب بمنزلة ما كان لهما من ولد إنما أولادهما بمنزلة رقابهما ليسوا بمنزلة أموالهما لأن السنة التي لا اختلاف فيها أن العبد إذا عتق تبعه ماله ولم يتبعه ولده وأن المكاتب إذا كوتب تبعه ماله ولم يتبعه ولده. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد والمكاتب إذا أفلسا أخذت أموالهما وأمهات أولادهما ولم تؤخذ أولادهما لأنهم ليسوا بأموال لهما. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد إذا بيع واشترط الذي ابتاعه ماله لم يدخل ولده في ماله. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد إذا جرح أخذ هو وماله ولم يؤخذ ولده.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন, এটা প্রচলিত সুন্নাত (নিয়ম) যে, ক্রীতদাস আযাদ হলে মাল তার পশ্চাদগামী হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আরও স্পষ্ট করে এই দৃষ্টান্তটি বলা যায় যে, ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মালও তার সাথে থাকবে, কারণ মুকাতাব (যাকে মালের বিনিময়ে আযাদী প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে)-কে (মালের বিনিময়ে) আযাদীর প্রতিশ্রুতি দেয়া হলে তবে শর্ত না করলেও মাল তারই থাকবে। এটা এই জন্য যে, কিতাবতের কার্য পূর্ণতা লাভ করলে (অর্থাৎ অর্থ আদায় করলে) উহা হুবহু স্বত্বাধিকার-এর চুক্তির মতো গণ্য হবে, যেমন ক্রীতদাসকে আযাদ করে দিলে সে স্বত্বাধিকার লাভ করে তদ্রুপ বদলে কিতাবত (আযাদীর জন্য নির্ধারিত অর্থ) আদায় করলে ক্রীতদাস আযাদ হয়ে যায় এবং তার সম্পদের স্বত্বাধিকারী সে নিজেই হবে। আর ক্রীতদাস ও মুকাতাব-এর সম্পদ তাদের সন্তান-সন্ততির মতো নয়, কারণ তাদের সন্তানগণ তাদেরই মতো (কর্তাগণ তাদের মালিক বটে) তারা তাদের সম্পদের মতো নয় অর্থাৎ সম্পদের মতো ক্রীতদাস ও মুকাতাব দাস সন্তানদের মালিক হবে না। কারণ নিয়ম এই, যেই নিয়মে কোন দ্বিমত নেই অর্থাৎ ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মাল তার পশ্চাদানুসরণ করবে, কিন্তু সন্তান তার পশ্চাদগামী হবে না। আর মুকাতাব-এর সাথে যখন কিতাবত করা হয়, তখন তার মালও তার পশ্চাদানুসরণ করবে, কিন্তু তার সন্তান তার পশ্চাদগামী হবে না। মালিক (র) বলেন যা একে আরও স্পষ্ট করে তা হল, ক্রীতদাস ও মুকাতাব তারা উভয়ে দেউলিয়া হলে তাদের সম্পদ ও তাদের উম্মে ওয়ালাদগণকে গ্রহণ করা হবে কিন্তু তাদের সন্তানগণকে বিনিময়ে গ্রহণ করা হবে না। কারণ সন্তান তাদের মাল নয়। মালিক (র) বলেন আর একটি দৃষ্টান্ত একে স্পষ্ট করে তোলে। তা হল, যদি ক্রীতদাসকে এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে তার মাল ক্রেতা পাবে, তবে ক্রীতদাসের সন্তান মালের অন্তর্ভুক্ত হবে না। মালিক (র) বলেন আরও যে দৃষ্টান্ত একে স্পষ্ট করে তা হল এই যে, ক্রীতদাস কাউকেও জখম করলে, ক্রীতদাস ও উহার মাল বিনিময়ে নেয়া হবে, কিন্তু (বিনিময়ে) সন্তানকে গ্রহণ করা হবে না।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন, এটা প্রচলিত সুন্নাত (নিয়ম) যে, ক্রীতদাস আযাদ হলে মাল তার পশ্চাদগামী হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আরও স্পষ্ট করে এই দৃষ্টান্তটি বলা যায় যে, ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মালও তার সাথে থাকবে, কারণ মুকাতাব (যাকে মালের বিনিময়ে আযাদী প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে)-কে (মালের বিনিময়ে) আযাদীর প্রতিশ্রুতি দেয়া হলে তবে শর্ত না করলেও মাল তারই থাকবে। এটা এই জন্য যে, কিতাবতের কার্য পূর্ণতা লাভ করলে (অর্থাৎ অর্থ আদায় করলে) উহা হুবহু স্বত্বাধিকার-এর চুক্তির মতো গণ্য হবে, যেমন ক্রীতদাসকে আযাদ করে দিলে সে স্বত্বাধিকার লাভ করে তদ্রুপ বদলে কিতাবত (আযাদীর জন্য নির্ধারিত অর্থ) আদায় করলে ক্রীতদাস আযাদ হয়ে যায় এবং তার সম্পদের স্বত্বাধিকারী সে নিজেই হবে। আর ক্রীতদাস ও মুকাতাব-এর সম্পদ তাদের সন্তান-সন্ততির মতো নয়, কারণ তাদের সন্তানগণ তাদেরই মতো (কর্তাগণ তাদের মালিক বটে) তারা তাদের সম্পদের মতো নয় অর্থাৎ সম্পদের মতো ক্রীতদাস ও মুকাতাব দাস সন্তানদের মালিক হবে না। কারণ নিয়ম এই, যেই নিয়মে কোন দ্বিমত নেই অর্থাৎ ক্রীতদাস আযাদ হলে তার মাল তার পশ্চাদানুসরণ করবে, কিন্তু সন্তান তার পশ্চাদগামী হবে না। আর মুকাতাব-এর সাথে যখন কিতাবত করা হয়, তখন তার মালও তার পশ্চাদানুসরণ করবে, কিন্তু তার সন্তান তার পশ্চাদগামী হবে না। মালিক (র) বলেন যা একে আরও স্পষ্ট করে তা হল, ক্রীতদাস ও মুকাতাব তারা উভয়ে দেউলিয়া হলে তাদের সম্পদ ও তাদের উম্মে ওয়ালাদগণকে গ্রহণ করা হবে কিন্তু তাদের সন্তানগণকে বিনিময়ে গ্রহণ করা হবে না। কারণ সন্তান তাদের মাল নয়। মালিক (র) বলেন আর একটি দৃষ্টান্ত একে স্পষ্ট করে তোলে। তা হল, যদি ক্রীতদাসকে এই শর্তে বিক্রয় করা হয় যে তার মাল ক্রেতা পাবে, তবে ক্রীতদাসের সন্তান মালের অন্তর্ভুক্ত হবে না। মালিক (র) বলেন আরও যে দৃষ্টান্ত একে স্পষ্ট করে তা হল এই যে, ক্রীতদাস কাউকেও জখম করলে, ক্রীতদাস ও উহার মাল বিনিময়ে নেয়া হবে, কিন্তু (বিনিময়ে) সন্তানকে গ্রহণ করা হবে না।

حدثني مالك عن ابن شهاب أنه سمعه يقول مضت السنة أن العبد إذا أعتق تبعه ماله قال مالك ومما يبين ذلك أن العبد إذا أعتق تبعه ماله أن المكاتب إذا كوتب تبعه ماله وإن لم يشترطه المكاتب وذلك أن عقد الكتابة هو عقد الولاء إذا تم ذلك وليس مال العبد والمكاتب بمنزلة ما كان لهما من ولد إنما أولادهما بمنزلة رقابهما ليسوا بمنزلة أموالهما لأن السنة التي لا اختلاف فيها أن العبد إذا عتق تبعه ماله ولم يتبعه ولده وأن المكاتب إذا كوتب تبعه ماله ولم يتبعه ولده. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد والمكاتب إذا أفلسا أخذت أموالهما وأمهات أولادهما ولم تؤخذ أولادهما لأنهم ليسوا بأموال لهما. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد إذا بيع واشترط الذي ابتاعه ماله لم يدخل ولده في ماله. قال مالك ومما يبين ذلك أيضا أن العبد إذا جرح أخذ هو وماله ولم يؤخذ ولده.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উম্মাহাতুল-আওলাদ [১] -এর আযাদী এবং এ সম্পর্কিত বিবিধ হুকুম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৫

حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال أيما وليدة ولدت من سيدها فإنه لا يبيعها ولا يهبها ولا يورثها وهو يستمتع بها فإذا مات فهي حرة.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যে ক্রীতদাসী তার কর্তার ঔরসে সন্তান জন্মাইয়াছে, সে কর্তা উহাকে বিক্রয় করতে পারবে না, আর পারবে না উহাকে দান করতে, কেউ উহার স্বত্বাধিকারও লাভ করবে না, মনিব তাকে উপভোগ করবে যখন মনিবের মৃত্যু হবে ক্রীতদাসী তখন আযাদ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যে ক্রীতদাসী তার কর্তার ঔরসে সন্তান জন্মাইয়াছে, সে কর্তা উহাকে বিক্রয় করতে পারবে না, আর পারবে না উহাকে দান করতে, কেউ উহার স্বত্বাধিকারও লাভ করবে না, মনিব তাকে উপভোগ করবে যখন মনিবের মৃত্যু হবে ক্রীতদাসী তখন আযাদ হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال أيما وليدة ولدت من سيدها فإنه لا يبيعها ولا يهبها ولا يورثها وهو يستمتع بها فإذا مات فهي حرة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৬৬

و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أتته وليدة قد ضربها سيدها بنار أو أصابها بها فأعتقها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا تجوز عتاقة رجل وعليه دين يحيط بماله وأنه لا تجوز عتاقة الغلام حتى يحتلم أو يبلغ مبلغ المحتلم وأنه لا تجوز عتاقة المولى عليه في ماله وإن بلغ الحلم حتى يلي ماله.

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর নিকট জনৈকা ক্রীতদাসী এল, যাকে তার মনিব আগুন দ্বারা জখম করেছে অথবা তার শরীরে আগুন লাগিয়েছে। উমার (রা) উহাকে আযাদ করে দিলেন (অর্থাৎ আযাদ করে দেয়ার জন্য কর্তাকে নির্দেশ দিলেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত এই যে, যে ব্যক্তির উপর ঋণ আছে এবং ঋণ তার সমস্ত মাল ঘিরে রেখেছে সে ব্যক্তির পক্ষে (ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে) আযাদ করা বৈধ নয়। বালক যতক্ষণ বালেগ না হয় অথবা বালেগ পুরুষের সমপর্যায়ে না পৌঁছে, ততক্ষণ তার পক্ষে গোলাম আযাদ করা বৈধ হবে না, যে ব্যক্তির মালের উপর মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করা হয়েছে (এবং তাকে কার্য পরিচালনা হতে বিরত রাখা হয়েছে) সে বালিগ (সাবালক) হলেও গোলাম আযাদ করতে পারবে না, যাবত সে নিজ সম্পদের পরিচালক না হবে।

মালিক (র)- থেকে বর্নিতঃ

উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর নিকট জনৈকা ক্রীতদাসী এল, যাকে তার মনিব আগুন দ্বারা জখম করেছে অথবা তার শরীরে আগুন লাগিয়েছে। উমার (রা) উহাকে আযাদ করে দিলেন (অর্থাৎ আযাদ করে দেয়ার জন্য কর্তাকে নির্দেশ দিলেন)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত এই যে, যে ব্যক্তির উপর ঋণ আছে এবং ঋণ তার সমস্ত মাল ঘিরে রেখেছে সে ব্যক্তির পক্ষে (ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসীকে) আযাদ করা বৈধ নয়। বালক যতক্ষণ বালেগ না হয় অথবা বালেগ পুরুষের সমপর্যায়ে না পৌঁছে, ততক্ষণ তার পক্ষে গোলাম আযাদ করা বৈধ হবে না, যে ব্যক্তির মালের উপর মুতাওয়াল্লী নিযুক্ত করা হয়েছে (এবং তাকে কার্য পরিচালনা হতে বিরত রাখা হয়েছে) সে বালিগ (সাবালক) হলেও গোলাম আযাদ করতে পারবে না, যাবত সে নিজ সম্পদের পরিচালক না হবে।

و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أتته وليدة قد ضربها سيدها بنار أو أصابها بها فأعتقها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أنه لا تجوز عتاقة رجل وعليه دين يحيط بماله وأنه لا تجوز عتاقة الغلام حتى يحتلم أو يبلغ مبلغ المحتلم وأنه لا تجوز عتاقة المولى عليه في ماله وإن بلغ الحلم حتى يلي ماله.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00