মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সন্তানকে পিতার সাথে মিলানো হয়েছে তার মীরাসের ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২১

و حدثني مالك عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد أنها أخبرته أن عمر بن الخطاب قال ما بال رجال يطئون ولائدهم ثم يدعوهن يخرجن لا تأتيني وليدة يعترف سيدها أن قد ألم بها إلا قد ألحقت به ولدها فأرسلوهن بعد أو أمسكوهن.২৭৪৮-قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في أم الولد إذا جنت جناية ضمن سيدها ما بينها وبين قيمتها وليس له أن يسلمها وليس عليه أن يحمل من جنايتها أكثر من قيمتها.

সফিয়া বিন্ত আবী উবায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেন, মানুষের হল কি? তারা দাসীদের সাথে সহবাস করে। অতঃপর তাকে ছেড়ে দেয়। এখন হতে যদি এমন কোন দাসী আমার নিকট আসে যার মনিব তার সাথে সঙ্গম করার স্বীকারোক্তি করে তবে সন্তানের বংশ তার সাথে জুড়ে দিব। এখন তোমরা তাকে ছেড়ে দাও, চাই রেখে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এই ব্যাপারে আমার মত এই যে, যদি কোন দাসী ক্ষতিকর কার্য করে তবে তার ক্ষতিপূরণ তার মনিব আদায় করবে। দাসীকে ক্ষতির পরিবর্তে দেয়া যাবে না। কিন্তু যদি জরিমানা তার মূল্যের চাইতে বেশি হয় তবে তা ভিন্ন কথা।

সফিয়া বিন্ত আবী উবায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেন, মানুষের হল কি? তারা দাসীদের সাথে সহবাস করে। অতঃপর তাকে ছেড়ে দেয়। এখন হতে যদি এমন কোন দাসী আমার নিকট আসে যার মনিব তার সাথে সঙ্গম করার স্বীকারোক্তি করে তবে সন্তানের বংশ তার সাথে জুড়ে দিব। এখন তোমরা তাকে ছেড়ে দাও, চাই রেখে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এই ব্যাপারে আমার মত এই যে, যদি কোন দাসী ক্ষতিকর কার্য করে তবে তার ক্ষতিপূরণ তার মনিব আদায় করবে। দাসীকে ক্ষতির পরিবর্তে দেয়া যাবে না। কিন্তু যদি জরিমানা তার মূল্যের চাইতে বেশি হয় তবে তা ভিন্ন কথা।

و حدثني مالك عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد أنها أخبرته أن عمر بن الخطاب قال ما بال رجال يطئون ولائدهم ثم يدعوهن يخرجن لا تأتيني وليدة يعترف سيدها أن قد ألم بها إلا قد ألحقت به ولدها فأرسلوهن بعد أو أمسكوهن.২৭৪৮-قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في أم الولد إذا جنت جناية ضمن سيدها ما بينها وبين قيمتها وليس له أن يسلمها وليس عليه أن يحمل من جنايتها أكثر من قيمتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২০

قال يحيى قال مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال: ما بال رجال يطئون ولائدهم ثم يعزلوهن لا تأتيني وليدة يعترف سيدها أن قد ألم بها إلا ألحقت به ولدها فاعزلوا بعد أو اتركوا.

ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেন যে, লোকদের হল কি, তারা দাসীদের সাথে সহবাস করে এবং আযল [১] করে। ভবিষ্যতে যদি কোন দাসী আমার নিকট আসে এবং তার মনিব তার সাথে সঙ্গম করার স্বীকারোক্তি করে তবে আমি ঐ সন্তানকে মনিবের সাথে মিলিত করে দিব, এখন তোমরা চাই আযল কর, চাই আযল না কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেন যে, লোকদের হল কি, তারা দাসীদের সাথে সহবাস করে এবং আযল [১] করে। ভবিষ্যতে যদি কোন দাসী আমার নিকট আসে এবং তার মনিব তার সাথে সঙ্গম করার স্বীকারোক্তি করে তবে আমি ঐ সন্তানকে মনিবের সাথে মিলিত করে দিব, এখন তোমরা চাই আযল কর, চাই আযল না কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

قال يحيى قال مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال: ما بال رجال يطئون ولائدهم ثم يعزلوهن لا تأتيني وليدة يعترف سيدها أن قد ألم بها إلا ألحقت به ولدها فاعزلوا بعد أو اتركوا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পতিত জমিকে আবাদ করার ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৩

و حدثني مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال من أحيا أرضا ميتة فهي له قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেছেন, যদি কেউ অনাবাদী জমি আবাদ করে তা তারই হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকটও এই হুকুম।

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেছেন, যদি কেউ অনাবাদী জমি আবাদ করে তা তারই হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকটও এই হুকুম।

و حدثني مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال من أحيا أرضا ميتة فهي له قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২২

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أحيا أرضا ميتة فهي له وليس لعرق ظالم حق قال مالك والعرق الظالم كل ما احتفر أو أخذ أو غرس بغير حق.

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি কেউ কোন পতিত জমি আবাদ করে তবে উহা তারই হবে। উহাতে কোন জালিমের অধিকার নেই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩০৭৩, তিরমিযী ১৩৭৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে] ৫৯৭৬, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন যে, জালিমের দখল বলতে বোঝায় যে, জবরদস্তি কোন জমিতে গর্ত খনন, কিংবা গাছ লাগান, অথবা অন্য উপায়ে কব্জা করা। অথচ তাতে তার কোন হক (অধিকার) নেই।

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি কেউ কোন পতিত জমি আবাদ করে তবে উহা তারই হবে। উহাতে কোন জালিমের অধিকার নেই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩০৭৩, তিরমিযী ১৩৭৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে] ৫৯৭৬, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন যে, জালিমের দখল বলতে বোঝায় যে, জবরদস্তি কোন জমিতে গর্ত খনন, কিংবা গাছ লাগান, অথবা অন্য উপায়ে কব্জা করা। অথচ তাতে তার কোন হক (অধিকার) নেই।

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أحيا أرضا ميتة فهي له وليس لعرق ظالم حق قال مالك والعرق الظالم كل ما احتفر أو أخذ أو غرس بغير حق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পানির ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৬

و حدثني مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع نقع بئر.

আ‘মরাহ বিনত আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, কূপের অবশিষ্ট পানি হতে মানুষকে নিষেধ করা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আ‘মরাহ বিনত আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, কূপের অবশিষ্ট পানি হতে মানুষকে নিষেধ করা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع نقع بئر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৫

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع فضل الماء ليمنع به الكلأ.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দরকারের চেয়ে অধিক পানি প্রদানে বিরত থাকা উচিত নয়, উক্ত এলাকায় জন্মানো ঘাস হতে (লোকজনকে) বিরত রাখার উদ্দেশ্যে। (সহীহ, বুখারী ২৩৫৩, মুসলিম ১৫৬৬)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দরকারের চেয়ে অধিক পানি প্রদানে বিরত থাকা উচিত নয়, উক্ত এলাকায় জন্মানো ঘাস হতে (লোকজনকে) বিরত রাখার উদ্দেশ্যে। (সহীহ, বুখারী ২৩৫৩, মুসলিম ১৫৬৬)

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع فضل الماء ليمنع به الكلأ.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৪

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في سيل مهزور ومذينب يمسك حتى الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل.

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী বাকর (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, মাহযুর ও মুযায়ানব নামক দুইটি খাল সম্বন্ধে বলেছেন যে, যার ক্ষেত খাল সংলগ্ন সে যেন টাখনু (পায়ের গোড়ালি) পর্যন্ত পানি রেখে নিম্ন এলাকার ক্ষেতসমূহের জন্য পানি ছেড়ে দেয়। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৬৩৯, ইবনু মাজাহ ২৪৮১, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, [সহীহ ও যয়ীফ মুনানে ইবনু মাজাহ] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটিতে তথা বিচ্ছন্নতা রয়েছে।)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী বাকর (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, মাহযুর ও মুযায়ানব নামক দুইটি খাল সম্বন্ধে বলেছেন যে, যার ক্ষেত খাল সংলগ্ন সে যেন টাখনু (পায়ের গোড়ালি) পর্যন্ত পানি রেখে নিম্ন এলাকার ক্ষেতসমূহের জন্য পানি ছেড়ে দেয়। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৬৩৯, ইবনু মাজাহ ২৪৮১, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, [সহীহ ও যয়ীফ মুনানে ইবনু মাজাহ] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটিতে তথা বিচ্ছন্নতা রয়েছে।)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في سيل مهزور ومذينب يمسك حتى الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উপকার সাধন-এর লক্ষ্যে ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৭

حدثني يحيى عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا ضرر ولا ضرار.

ইয়াহ্ইয়া মাযেনী (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, নিজের স্বার্থে অন্যের ক্ষতি করবে না, তদ্রুপ পরস্পর কারো ক্ষতি করবে না। (সহীহ, ইমাম ইবনু মাজাহ ২৩৪০, তিনি উবাদাহ বিন সামেত (রা) থেকে বর্ণনা করেন। আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন। [সিলসিলাহ আস সহীহা] ২৫০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

ইয়াহ্ইয়া মাযেনী (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, নিজের স্বার্থে অন্যের ক্ষতি করবে না, তদ্রুপ পরস্পর কারো ক্ষতি করবে না। (সহীহ, ইমাম ইবনু মাজাহ ২৩৪০, তিনি উবাদাহ বিন সামেত (রা) থেকে বর্ণনা করেন। আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন। [সিলসিলাহ আস সহীহা] ২৫০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

حدثني يحيى عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا ضرر ولا ضرار.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৮

و حدثني مالك عن ابن شهاب عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع أحدكم جاره خشبة يغرزها في جداره ثم يقول أبو هريرة ما لي أراكم عنها معرضين والله لأرمين بها بين أكتافكم.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলমানের পক্ষে তার প্রতিবেশীকে স্বীয় ঘরের দেয়ালে কোন কাঠ গাড়তে নিষেধ করা উচিত হবে না। অতঃপর আবূ হুরায়রা (রা) বলেন যে, ব্যাপার কি, এই হাদীস শোনার পর তাদেরকে মুখ ফিরিয়ে রাখতে দেখি কেন? আল্লাহর কসম, আমি এই হাদীস তোমাদের স্কন্ধের উপর ফেলব অর্থাৎ খুব প্রচার করব। (বুখারী, ২৪৬৩, মুসলিম ১৬০৯)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলমানের পক্ষে তার প্রতিবেশীকে স্বীয় ঘরের দেয়ালে কোন কাঠ গাড়তে নিষেধ করা উচিত হবে না। অতঃপর আবূ হুরায়রা (রা) বলেন যে, ব্যাপার কি, এই হাদীস শোনার পর তাদেরকে মুখ ফিরিয়ে রাখতে দেখি কেন? আল্লাহর কসম, আমি এই হাদীস তোমাদের স্কন্ধের উপর ফেলব অর্থাৎ খুব প্রচার করব। (বুখারী, ২৪৬৩, মুসলিম ১৬০৯)

و حدثني مالك عن ابن شهاب عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع أحدكم جاره خشبة يغرزها في جداره ثم يقول أبو هريرة ما لي أراكم عنها معرضين والله لأرمين بها بين أكتافكم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৩০

و حدثني مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أنه قال: كان في حائط جده ربيع لعبد الرحمن بن عوف فأراد عبد الرحمن بن عوف أن يحوله إلى ناحية من الحائط هي أقرب إلى أرضه فمنعه صاحب الحائط فكلم عبد الرحمن بن عوف عمر بن الخطاب في ذلك فقضى لعبد الرحمن بن عوف بتحويله.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু মাযেনী (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইব্নু আওফা (রা)-এর একটি ছোট খাল আমার দাদার জমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আবদুর রহমান (রা) চাইলেন যেন খালটি অন্যত্র দিয়ে প্রবাহিত হয়, যেন তার জমির নিকটবর্তী হয়। অতঃপর আমার দাদা নিষেধ করলেন। আবদুর রহমান (রা) উমার (রা)-এর নিকট এই বিষয়ে আলাপ করলেন। উমার (রা) পরে তাঁকে অনুমতি দান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবনু মাযেনী (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইব্নু আওফা (রা)-এর একটি ছোট খাল আমার দাদার জমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আবদুর রহমান (রা) চাইলেন যেন খালটি অন্যত্র দিয়ে প্রবাহিত হয়, যেন তার জমির নিকটবর্তী হয়। অতঃপর আমার দাদা নিষেধ করলেন। আবদুর রহমান (রা) উমার (রা)-এর নিকট এই বিষয়ে আলাপ করলেন। উমার (রা) পরে তাঁকে অনুমতি দান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أنه قال: كان في حائط جده ربيع لعبد الرحمن بن عوف فأراد عبد الرحمن بن عوف أن يحوله إلى ناحية من الحائط هي أقرب إلى أرضه فمنعه صاحب الحائط فكلم عبد الرحمن بن عوف عمر بن الخطاب في ذلك فقضى لعبد الرحمن بن عوف بتحويله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৯

و حدثني مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن الضحاك بن خليفة ساق خليجا له من العريض فأراد أن يمر به في أرض محمد بن مسلمة فأبى محمد فقال له الضحاك لم تمنعني وهو لك منفعة تشرب به أولا وآخرا ولا يضرك فأبى محمد فكلم فيه الضحاك عمر بن الخطاب فدعا عمر بن الخطاب محمد بن مسلمة فأمره أن يخلي سبيله فقال محمد لا فقال عمر لم تمنع أخاك ما ينفعه وهو لك نافع تسقي به أولا وآخرا وهو لا يضرك فقال محمد لا والله فقال عمر والله ليمرن به ولو على بطنك فأمره عمر أن يمر به ففعل الضحاك.

ইয়াহ্ইয়া মাযেনী (র) থেকে বর্নিতঃ

যাহহাক ইব্নু খলীফা, উরাইয নামক স্থান হতে একটি ছোট খাল কেটে আনলেন এবং মুহাম্মাদ ইব্নু মাসলামা (রা)-এর জমির উপর দিয়ে নিয়ে যাবেন বলে মনস্থ করলেন। কিন্তু তিনি তাতে অসম্মতি জানালেন। যাহহাক (রা) বললেন, আপনি নিষেধ করতেছেন কেন? তাতে আপনার জমিরও উপকার সাধিত হবে, আপনি প্রথম হতে শেষ পর্যন্ত জমিতে পানি সেচ করতে পারবেন। আপনার কোন ক্ষতিও হবে না। কিন্তু ইব্নু মাসলামা (রা) কিছুতেই সম্মত হচ্ছেন না দেখে যাহহাক (রা) উমার (রা)-এর সাথে আলাপ করলেন। উমার (রা) ইব্নু মাসলামাকে ডেকে বললেন, তুমি খালটি তোমার জমির উপর দিয়ে নিয়ে যেতে দাও। ইব্নু মাসলামা (রা) বললেন, এইরূপ হবে না। উমার (র) বললেন, তুমি কেন নিষেধ করছ? এর দ্বারা তোমার ভাইয়ের ও তোমার উপকার হবে। তুমিও তোমার জমিতে পানি সেচ করতে পারবে অথচ তোমার কোন ক্ষতিই হবে না। মুহাম্মাদ ইব্নু মাসলামা (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, তা হবে না। উমার (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, খাল প্রবাহিত করা হবে যদিও তোমাদের পেটের উপর দিয়েও হয়। অতঃপর উমার (রা) ইব্নু মাসলামার জমির উপর দিয়ে খাল খননের নির্দেশ দিলেন। যাহহাক (রা) তাই করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া মাযেনী (র) থেকে বর্নিতঃ

যাহহাক ইব্নু খলীফা, উরাইয নামক স্থান হতে একটি ছোট খাল কেটে আনলেন এবং মুহাম্মাদ ইব্নু মাসলামা (রা)-এর জমির উপর দিয়ে নিয়ে যাবেন বলে মনস্থ করলেন। কিন্তু তিনি তাতে অসম্মতি জানালেন। যাহহাক (রা) বললেন, আপনি নিষেধ করতেছেন কেন? তাতে আপনার জমিরও উপকার সাধিত হবে, আপনি প্রথম হতে শেষ পর্যন্ত জমিতে পানি সেচ করতে পারবেন। আপনার কোন ক্ষতিও হবে না। কিন্তু ইব্নু মাসলামা (রা) কিছুতেই সম্মত হচ্ছেন না দেখে যাহহাক (রা) উমার (রা)-এর সাথে আলাপ করলেন। উমার (রা) ইব্নু মাসলামাকে ডেকে বললেন, তুমি খালটি তোমার জমির উপর দিয়ে নিয়ে যেতে দাও। ইব্নু মাসলামা (রা) বললেন, এইরূপ হবে না। উমার (র) বললেন, তুমি কেন নিষেধ করছ? এর দ্বারা তোমার ভাইয়ের ও তোমার উপকার হবে। তুমিও তোমার জমিতে পানি সেচ করতে পারবে অথচ তোমার কোন ক্ষতিই হবে না। মুহাম্মাদ ইব্নু মাসলামা (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, তা হবে না। উমার (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, খাল প্রবাহিত করা হবে যদিও তোমাদের পেটের উপর দিয়েও হয়। অতঃপর উমার (রা) ইব্নু মাসলামার জমির উপর দিয়ে খাল খননের নির্দেশ দিলেন। যাহহাক (রা) তাই করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن الضحاك بن خليفة ساق خليجا له من العريض فأراد أن يمر به في أرض محمد بن مسلمة فأبى محمد فقال له الضحاك لم تمنعني وهو لك منفعة تشرب به أولا وآخرا ولا يضرك فأبى محمد فكلم فيه الضحاك عمر بن الخطاب فدعا عمر بن الخطاب محمد بن مسلمة فأمره أن يخلي سبيله فقال محمد لا فقال عمر لم تمنع أخاك ما ينفعه وهو لك نافع تسقي به أولا وآخرا وهو لا يضرك فقال محمد لا والله فقال عمر والله ليمرن به ولو على بطنك فأمره عمر أن يمر به ففعل الضحاك.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00