মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গোলাম যদি কারো ক্ষতি করে কিংবা কাউকেও আঘাত করে, এর হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
قال يحيى سمعت ما لكا يقول السنة عندنا في جناية العبيد أن كل ما أصاب العبد من جرح جرح به إنسانا أو شيء اختلسه أو حريسة احترسها أو ثمر معلق جذه أو أفسده أو سرقة سرقها لا قطع عليه فيها إن ذلك في رقبة العبد لا يعدو ذلك الرقبة قل ذلك أو كثر فإن شاء سيده أن يعطي قيمة ما أخذ غلامه أو أفسد أو عقل ما جرح أعطاه وأمسك غلامه وإن شاء أن يسلمه أسلمه وليس عليه شيء غير ذلك فسيده في ذلك بالخيار.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
গোলাম অপরাধ করলে আমাদের নিকট স্বীকৃত নিয়ম এই গোলাম যদি কাউকেও আঘাত করে কিংবা কারো কোন বস্তু গোপনে নিয়ে নেয়, অথবা স্বীয় ঠিকানায় ফিরার পূর্বে চারণ ক্ষেত্র বা পর্বত হতে মেষ বা বকরী চুরি করে কিংবা কারো বৃক্ষের ফল কেটে আনে বা নষ্ট করে কিংবা অন্য বস্তু চুরি করে নেয়, এতে তার হাত কর্তন করার হুকুম জারি হবে না। তবে গোলাম এর জন্য দায়ী হবে। এমতাবস্থায় গোলামের মালিক ইচ্ছা করলে বর্ণিত বস্তুগুলোর মূল্য আদায় করে কিংবা আঘাতের ক্ষতিপূরণ আদায় করে গোলামকে মুক্ত করে নিজে গোলাম রেখে দিবে কিংবা উক্ত পণ্যের বিনিময়ে গোলাম তাদেরকে দিয়ে দিবে। কিন্তু গোলামের মূল্য যদি বিনিময় মূল্যের চাইতে কম হয় তবে বর্ধিত মূল্য দিতে হবে না।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
গোলাম অপরাধ করলে আমাদের নিকট স্বীকৃত নিয়ম এই গোলাম যদি কাউকেও আঘাত করে কিংবা কারো কোন বস্তু গোপনে নিয়ে নেয়, অথবা স্বীয় ঠিকানায় ফিরার পূর্বে চারণ ক্ষেত্র বা পর্বত হতে মেষ বা বকরী চুরি করে কিংবা কারো বৃক্ষের ফল কেটে আনে বা নষ্ট করে কিংবা অন্য বস্তু চুরি করে নেয়, এতে তার হাত কর্তন করার হুকুম জারি হবে না। তবে গোলাম এর জন্য দায়ী হবে। এমতাবস্থায় গোলামের মালিক ইচ্ছা করলে বর্ণিত বস্তুগুলোর মূল্য আদায় করে কিংবা আঘাতের ক্ষতিপূরণ আদায় করে গোলামকে মুক্ত করে নিজে গোলাম রেখে দিবে কিংবা উক্ত পণ্যের বিনিময়ে গোলাম তাদেরকে দিয়ে দিবে। কিন্তু গোলামের মূল্য যদি বিনিময় মূল্যের চাইতে কম হয় তবে বর্ধিত মূল্য দিতে হবে না।
قال يحيى سمعت ما لكا يقول السنة عندنا في جناية العبيد أن كل ما أصاب العبد من جرح جرح به إنسانا أو شيء اختلسه أو حريسة احترسها أو ثمر معلق جذه أو أفسده أو سرقة سرقها لا قطع عليه فيها إن ذلك في رقبة العبد لا يعدو ذلك الرقبة قل ذلك أو كثر فإن شاء سيده أن يعطي قيمة ما أخذ غلامه أو أفسد أو عقل ما جرح أعطاه وأمسك غلامه وإن شاء أن يسلمه أسلمه وليس عليه شيء غير ذلك فسيده في ذلك بالخيار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যা সন্তানকে হেবা (দান) করা জায়েয হবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৫৯
حدثني مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عثمان بن عفان قال من نحل ولدا له صغيرا لم يبلغ أن يحوز نحله فأعلن ذلك له وأشهد عليها فهي جائزة وإن وليها أبوه قال مالك الأمر عندنا أن من نحل ابنا له صغيرا ذهبا أو ورقا ثم هلك وهو يليه إنه لا شيء للابن من ذلك إلا أن يكون الأب عزلها بعينها أو دفعها إلى رجل وضعها لابنه عند ذلك الرجل فإن فعل ذلك فهو جائز للابن.
সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইব্নু আফফান (রা) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে কোন বস্তু দান করে, যে সন্তান এখনও উহা গ্রহণ করার উপযুক্ত হয়নি এবং এই দানের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দেয় এবং তাতে সাক্ষী নিযুক্ত করে তবে এটা জায়েয হবে যদিও তার অভিভাবক পিতা থাকেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিয়ম মতে যদি কোন ব্যক্তি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে স্বর্ণ কিংবা রৌপ্য দান করে, অতঃপর তার সন্তান মারা যায় এবং পিতাই অভিভাবক থাকে তবে ঐ মাল সন্তানের হবে না বরং পিতারই থাকবে। হ্যাঁ, যদি পিতা সেই মাল পৃথক করে দিয়ে থাকে কিংবা কারো কাছে আমানত রেখে থাকে তবে তা সন্তানের বলে সাব্যস্ত হবে।
সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উসমান ইব্নু আফফান (রা) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে কোন বস্তু দান করে, যে সন্তান এখনও উহা গ্রহণ করার উপযুক্ত হয়নি এবং এই দানের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দেয় এবং তাতে সাক্ষী নিযুক্ত করে তবে এটা জায়েয হবে যদিও তার অভিভাবক পিতা থাকেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিয়ম মতে যদি কোন ব্যক্তি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে স্বর্ণ কিংবা রৌপ্য দান করে, অতঃপর তার সন্তান মারা যায় এবং পিতাই অভিভাবক থাকে তবে ঐ মাল সন্তানের হবে না বরং পিতারই থাকবে। হ্যাঁ, যদি পিতা সেই মাল পৃথক করে দিয়ে থাকে কিংবা কারো কাছে আমানত রেখে থাকে তবে তা সন্তানের বলে সাব্যস্ত হবে।
حدثني مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عثمان بن عفان قال من نحل ولدا له صغيرا لم يبلغ أن يحوز نحله فأعلن ذلك له وأشهد عليها فهي جائزة وإن وليها أبوه قال مالك الأمر عندنا أن من نحل ابنا له صغيرا ذهبا أو ورقا ثم هلك وهو يليه إنه لا شيء للابن من ذلك إلا أن يكون الأب عزلها بعينها أو دفعها إلى رجل وضعها لابنه عند ذلك الرجل فإن فعل ذلك فهو جائز للابن.