মুয়াত্তা ইমাম মালিক > প্রশাসন ও বিচার সম্পর্কীয় বিবিধ আহকাম এবং বিচারকের দায়িত্ব গ্রহণকে অপছন্দ করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৫৭

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن أبا الدرداء كتب إلى سلمان الفارسي أن هلم إلى الأرض المقدسة فكتب إليه سلمان إن الأرض لا تقدس أحدا وإنما يقدس الإنسان عمله وقد بلغني أنك جعلت طبيبا تداوي فإن كنت تبرئ فنعما لك وإن كنت متطببا فاحذر أن تقتل إنسانا فتدخل النار فكان أبو الدرداء إذا قضى بين اثنين ثم أدبرا عنه نظر إليهما وقال ارجعا إلي أعيدا علي قصتكما متطبب والله. قال و سمعت ما لكا يقول من استعان عبدا بغير إذن سيده في شيء له بال ولمثله إجارة فهو ضامن لما أصاب العبد إن أصيب العبد بشيء وإن سلم العبد فطلب سيده إجارته لما عمل فذلك لسيده وهو الأمر عندنا ২৮৪৪-قال و سمعت ما لكا يقول في العبد يكون بعضه حرا وبعضه مسترقا إنه يوقف ماله بيده وليس له أن يحدث فيه شيئا ولكنه يأكل فيه ويكتسي بالمعروف فإذا هلك فماله للذي بقي له فيه الرق. قال و سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا أن الوالد يحاسب ولده بما أنفق عليه من يوم يكون للولد مال ناضا كان أو عرضا إن أراد الوالد ذلك.

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ দারদা (রা) সালমান ফারসী (রা)-এর নিকট লিখেছেন যে, পবিত্র ভূমিতে চলে আস। উত্তরে সালমান লিখলেন, ভূমি কাউকেও পবিত্র করতে সক্ষম নয়, বরং মানুষকে তার আমলই পবিত্র করে। শুনতে পেলাম, তোমাকে ডাক্তার (বিচারপতি) নিযুক্ত করা হয়েছে এবং মানুষকে ঔষধপত্র দিয়ে চিকিৎসা করে থাক, যদি তুমি চিকিৎসাশাস্ত্র শিখে তা করে থাক এবং এতে রোগ নিরাময় হয় তবে তা উত্তম, আর যদি চিকিৎসা শাস্ত্রের জ্ঞান লাভ না করে তুমি চিকিৎসক সেজে থাক তবে সাবধান ও সতর্ক হও- এমন না হয় যে, তোমার ভুল সিদ্ধান্তের দ্বারা মানুষকে মেরে ফেলবে, ফলে তুমি দোযখে প্রবেশ করবে। অতঃপর তিনি যখন কোন দুই ব্যক্তির মধ্যে ফয়সালা করতেন এবং উভয়ে চলে যেতে শুরু করলে তখন উভয়কে বলতেন তোমরা পুনরায় তোমাদের ঘটনা বর্ণনা কর, আমি আবার বিবেচনা করি। কারণ আমি তোমাদের মূল উদ্দেশ্য জানি না, কেবল শুনে চিকিৎসা করি। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন যদি কেউ অন্যের গোলামকে মালিকের অনুমতি ব্যতীত কোন শুরুত্বপূর্ণ কাজে নিযুক্ত করে এবং সেই কাজ পারিশ্রমিকযোগ্য, তদ্দারা গোলামের কোন ক্ষতি হলে, কর্মে নিয়োগকারীকে এর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর ক্রীতদাস অক্ষত অবস্থায় কর্ম সম্পাদন করলে এবং তার কর্তা পারিশ্রমিক দাবি করলে তবে পারিশ্রমিক কর্তার প্রাপ্য হবে, এটাই আমাদের ফয়সালা। মালিক (র) বলেন গোলামের কিছু অংশ যদি স্বাধীন এবং কিছু অংশ পরাধীন থাকে তবে গোলামের মাল তার হাতেই থাকবে, তা সে কোন নতুন কাজে ব্যয় করতে পারবে না। কেবল নিজের ভরণপোষণে নিয়ম মুতাবিক ব্যয় করবে। তার মৃত্যুর পর যা অবশিষ্ট থাকে তা যে মালিক তার অংশ আযাদ করেনি সে পাবে। মালিক (র) বলেন আমাদের ফায়সালা হল, যে দিন সন্তান ধনবান হয়ে যায়, পিতা ইচ্ছা করেন যে, যা তার প্রতি খরচ করা হয়েছে তা ফেরত নিবে, তবে যেদিন হতে তার জন্য খরচ করা হয়েছে সেদিন হতে হিসাব করে খরচ আদায় করে নিবে, মাল নগদ অর্থই হোক বা অন্য কোন বস্তু হোক।

ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ দারদা (রা) সালমান ফারসী (রা)-এর নিকট লিখেছেন যে, পবিত্র ভূমিতে চলে আস। উত্তরে সালমান লিখলেন, ভূমি কাউকেও পবিত্র করতে সক্ষম নয়, বরং মানুষকে তার আমলই পবিত্র করে। শুনতে পেলাম, তোমাকে ডাক্তার (বিচারপতি) নিযুক্ত করা হয়েছে এবং মানুষকে ঔষধপত্র দিয়ে চিকিৎসা করে থাক, যদি তুমি চিকিৎসাশাস্ত্র শিখে তা করে থাক এবং এতে রোগ নিরাময় হয় তবে তা উত্তম, আর যদি চিকিৎসা শাস্ত্রের জ্ঞান লাভ না করে তুমি চিকিৎসক সেজে থাক তবে সাবধান ও সতর্ক হও- এমন না হয় যে, তোমার ভুল সিদ্ধান্তের দ্বারা মানুষকে মেরে ফেলবে, ফলে তুমি দোযখে প্রবেশ করবে। অতঃপর তিনি যখন কোন দুই ব্যক্তির মধ্যে ফয়সালা করতেন এবং উভয়ে চলে যেতে শুরু করলে তখন উভয়কে বলতেন তোমরা পুনরায় তোমাদের ঘটনা বর্ণনা কর, আমি আবার বিবেচনা করি। কারণ আমি তোমাদের মূল উদ্দেশ্য জানি না, কেবল শুনে চিকিৎসা করি। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন যদি কেউ অন্যের গোলামকে মালিকের অনুমতি ব্যতীত কোন শুরুত্বপূর্ণ কাজে নিযুক্ত করে এবং সেই কাজ পারিশ্রমিকযোগ্য, তদ্দারা গোলামের কোন ক্ষতি হলে, কর্মে নিয়োগকারীকে এর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর ক্রীতদাস অক্ষত অবস্থায় কর্ম সম্পাদন করলে এবং তার কর্তা পারিশ্রমিক দাবি করলে তবে পারিশ্রমিক কর্তার প্রাপ্য হবে, এটাই আমাদের ফয়সালা। মালিক (র) বলেন গোলামের কিছু অংশ যদি স্বাধীন এবং কিছু অংশ পরাধীন থাকে তবে গোলামের মাল তার হাতেই থাকবে, তা সে কোন নতুন কাজে ব্যয় করতে পারবে না। কেবল নিজের ভরণপোষণে নিয়ম মুতাবিক ব্যয় করবে। তার মৃত্যুর পর যা অবশিষ্ট থাকে তা যে মালিক তার অংশ আযাদ করেনি সে পাবে। মালিক (র) বলেন আমাদের ফায়সালা হল, যে দিন সন্তান ধনবান হয়ে যায়, পিতা ইচ্ছা করেন যে, যা তার প্রতি খরচ করা হয়েছে তা ফেরত নিবে, তবে যেদিন হতে তার জন্য খরচ করা হয়েছে সেদিন হতে হিসাব করে খরচ আদায় করে নিবে, মাল নগদ অর্থই হোক বা অন্য কোন বস্তু হোক।

حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أن أبا الدرداء كتب إلى سلمان الفارسي أن هلم إلى الأرض المقدسة فكتب إليه سلمان إن الأرض لا تقدس أحدا وإنما يقدس الإنسان عمله وقد بلغني أنك جعلت طبيبا تداوي فإن كنت تبرئ فنعما لك وإن كنت متطببا فاحذر أن تقتل إنسانا فتدخل النار فكان أبو الدرداء إذا قضى بين اثنين ثم أدبرا عنه نظر إليهما وقال ارجعا إلي أعيدا علي قصتكما متطبب والله. قال و سمعت ما لكا يقول من استعان عبدا بغير إذن سيده في شيء له بال ولمثله إجارة فهو ضامن لما أصاب العبد إن أصيب العبد بشيء وإن سلم العبد فطلب سيده إجارته لما عمل فذلك لسيده وهو الأمر عندنا ২৮৪৪-قال و سمعت ما لكا يقول في العبد يكون بعضه حرا وبعضه مسترقا إنه يوقف ماله بيده وليس له أن يحدث فيه شيئا ولكنه يأكل فيه ويكتسي بالمعروف فإذا هلك فماله للذي بقي له فيه الرق. قال و سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا أن الوالد يحاسب ولده بما أنفق عليه من يوم يكون للولد مال ناضا كان أو عرضا إن أراد الوالد ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৫৮

و حدثني مالك عن عمر بن عبد الرحمن بن دلاف المزني عن أبيه أن رجلا من جهينة كان يسبق الحاج فيشتري الرواحل فيغلي بها ثم يسرع السير فيسبق الحاج فأفلس فرفع أمره إلى عمر بن الخطاب فقال أما بعد أيها الناس فإن الأسيفع أسيفع جهينة رضي من دينه وأمانته بأن يقال سبق الحاج ألا وإنه قد دان معرضا فأصبح قد رين به فمن كان له عليه دين فليأتنا بالغداة نقسم ماله بينهم وإياكم والدين فإن أوله هم وآخره حرب.

উমার ইবনু আবদির রহমান ইবনু দালাফ মুযানী (র) থেকে বর্নিতঃ

জুহাইনা গোত্রের এক ব্যক্তি (উসাইফা) সকল হাজীর পূর্বে যেয়ে ভাল ভাল উট উচ্চমূল্যে খরিদ করে নিতে এবং তাড়াতাড়ি মক্কা শরীফ যেয়ে পৌঁছাত। এক সময় সে গরীব হয়ে পড়ল। পাওনাদারগণ স্বীয় টাকা আদায়ের জন্য উমার (রা) ইব্নু খাত্তাবের নিকট বিচার প্রার্থী হল। উমার (রা) হামদ ও সালাত পাঠ করার পর সকলকে সম্বোধন করে বললেন! উসাইফা “জুহাইনা গোত্রের উসাইফা” টাকা কর্জ করেছিল এবং আমানত হস্তক্ষেপ করেছিল। কারণ লোকেরা বলে থাকে যে, উসাইফা সকলের পূর্বে মক্কা শরীফ পৌঁছে যায়। তোমরা জেনে রাখ, সে কর্জ করে তা আদায় করার মনোবৃত্তি রাখেনি। বর্তমানে সে দরিদ্র হয়ে পড়েছে, অথচ কর্জ তার সমুদয় মাল গ্রাস করে ফেলেছে। পাওনাদারগণ আগামীকাল সকালে আমার কাছে উপস্থিত হবে। আমি তার সকল মাল পাওনাদারকে বন্টন করে দিব। তোমরা কর্জ নিতে হুঁশিয়ার থেক। কেননা, কর্জের প্রারম্ভ হচ্ছে দুশ্চিন্তা, পরিশেষ হচ্ছে কলহ-বিবাদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

উমার ইবনু আবদির রহমান ইবনু দালাফ মুযানী (র) থেকে বর্নিতঃ

জুহাইনা গোত্রের এক ব্যক্তি (উসাইফা) সকল হাজীর পূর্বে যেয়ে ভাল ভাল উট উচ্চমূল্যে খরিদ করে নিতে এবং তাড়াতাড়ি মক্কা শরীফ যেয়ে পৌঁছাত। এক সময় সে গরীব হয়ে পড়ল। পাওনাদারগণ স্বীয় টাকা আদায়ের জন্য উমার (রা) ইব্নু খাত্তাবের নিকট বিচার প্রার্থী হল। উমার (রা) হামদ ও সালাত পাঠ করার পর সকলকে সম্বোধন করে বললেন! উসাইফা “জুহাইনা গোত্রের উসাইফা” টাকা কর্জ করেছিল এবং আমানত হস্তক্ষেপ করেছিল। কারণ লোকেরা বলে থাকে যে, উসাইফা সকলের পূর্বে মক্কা শরীফ পৌঁছে যায়। তোমরা জেনে রাখ, সে কর্জ করে তা আদায় করার মনোবৃত্তি রাখেনি। বর্তমানে সে দরিদ্র হয়ে পড়েছে, অথচ কর্জ তার সমুদয় মাল গ্রাস করে ফেলেছে। পাওনাদারগণ আগামীকাল সকালে আমার কাছে উপস্থিত হবে। আমি তার সকল মাল পাওনাদারকে বন্টন করে দিব। তোমরা কর্জ নিতে হুঁশিয়ার থেক। কেননা, কর্জের প্রারম্ভ হচ্ছে দুশ্চিন্তা, পরিশেষ হচ্ছে কলহ-বিবাদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن عمر بن عبد الرحمن بن دلاف المزني عن أبيه أن رجلا من جهينة كان يسبق الحاج فيشتري الرواحل فيغلي بها ثم يسرع السير فيسبق الحاج فأفلس فرفع أمره إلى عمر بن الخطاب فقال أما بعد أيها الناس فإن الأسيفع أسيفع جهينة رضي من دينه وأمانته بأن يقال سبق الحاج ألا وإنه قد دان معرضا فأصبح قد رين به فمن كان له عليه دين فليأتنا بالغداة نقسم ماله بينهم وإياكم والدين فإن أوله هم وآخره حرب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গোলাম যদি কারো ক্ষতি করে কিংবা কাউকেও আঘাত করে, এর হুকুম

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

قال يحيى سمعت ما لكا يقول السنة عندنا في جناية العبيد أن كل ما أصاب العبد من جرح جرح به إنسانا أو شيء اختلسه أو حريسة احترسها أو ثمر معلق جذه أو أفسده أو سرقة سرقها لا قطع عليه فيها إن ذلك في رقبة العبد لا يعدو ذلك الرقبة قل ذلك أو كثر فإن شاء سيده أن يعطي قيمة ما أخذ غلامه أو أفسد أو عقل ما جرح أعطاه وأمسك غلامه وإن شاء أن يسلمه أسلمه وليس عليه شيء غير ذلك فسيده في ذلك بالخيار.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

গোলাম অপরাধ করলে আমাদের নিকট স্বীকৃত নিয়ম এই গোলাম যদি কাউকেও আঘাত করে কিংবা কারো কোন বস্তু গোপনে নিয়ে নেয়, অথবা স্বীয় ঠিকানায় ফিরার পূর্বে চারণ ক্ষেত্র বা পর্বত হতে মেষ বা বকরী চুরি করে কিংবা কারো বৃক্ষের ফল কেটে আনে বা নষ্ট করে কিংবা অন্য বস্তু চুরি করে নেয়, এতে তার হাত কর্তন করার হুকুম জারি হবে না। তবে গোলাম এর জন্য দায়ী হবে। এমতাবস্থায় গোলামের মালিক ইচ্ছা করলে বর্ণিত বস্তুগুলোর মূল্য আদায় করে কিংবা আঘাতের ক্ষতিপূরণ আদায় করে গোলামকে মুক্ত করে নিজে গোলাম রেখে দিবে কিংবা উক্ত পণ্যের বিনিময়ে গোলাম তাদেরকে দিয়ে দিবে। কিন্তু গোলামের মূল্য যদি বিনিময় মূল্যের চাইতে কম হয় তবে বর্ধিত মূল্য দিতে হবে না।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

গোলাম অপরাধ করলে আমাদের নিকট স্বীকৃত নিয়ম এই গোলাম যদি কাউকেও আঘাত করে কিংবা কারো কোন বস্তু গোপনে নিয়ে নেয়, অথবা স্বীয় ঠিকানায় ফিরার পূর্বে চারণ ক্ষেত্র বা পর্বত হতে মেষ বা বকরী চুরি করে কিংবা কারো বৃক্ষের ফল কেটে আনে বা নষ্ট করে কিংবা অন্য বস্তু চুরি করে নেয়, এতে তার হাত কর্তন করার হুকুম জারি হবে না। তবে গোলাম এর জন্য দায়ী হবে। এমতাবস্থায় গোলামের মালিক ইচ্ছা করলে বর্ণিত বস্তুগুলোর মূল্য আদায় করে কিংবা আঘাতের ক্ষতিপূরণ আদায় করে গোলামকে মুক্ত করে নিজে গোলাম রেখে দিবে কিংবা উক্ত পণ্যের বিনিময়ে গোলাম তাদেরকে দিয়ে দিবে। কিন্তু গোলামের মূল্য যদি বিনিময় মূল্যের চাইতে কম হয় তবে বর্ধিত মূল্য দিতে হবে না।

قال يحيى سمعت ما لكا يقول السنة عندنا في جناية العبيد أن كل ما أصاب العبد من جرح جرح به إنسانا أو شيء اختلسه أو حريسة احترسها أو ثمر معلق جذه أو أفسده أو سرقة سرقها لا قطع عليه فيها إن ذلك في رقبة العبد لا يعدو ذلك الرقبة قل ذلك أو كثر فإن شاء سيده أن يعطي قيمة ما أخذ غلامه أو أفسد أو عقل ما جرح أعطاه وأمسك غلامه وإن شاء أن يسلمه أسلمه وليس عليه شيء غير ذلك فسيده في ذلك بالخيار.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যা সন্তানকে হেবা (দান) করা জায়েয হবে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৫৯

حدثني مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عثمان بن عفان قال من نحل ولدا له صغيرا لم يبلغ أن يحوز نحله فأعلن ذلك له وأشهد عليها فهي جائزة وإن وليها أبوه قال مالك الأمر عندنا أن من نحل ابنا له صغيرا ذهبا أو ورقا ثم هلك وهو يليه إنه لا شيء للابن من ذلك إلا أن يكون الأب عزلها بعينها أو دفعها إلى رجل وضعها لابنه عند ذلك الرجل فإن فعل ذلك فهو جائز للابن.

সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উসমান ইব্নু আফফান (রা) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে কোন বস্তু দান করে, যে সন্তান এখনও উহা গ্রহণ করার উপযুক্ত হয়নি এবং এই দানের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দেয় এবং তাতে সাক্ষী নিযুক্ত করে তবে এটা জায়েয হবে যদিও তার অভিভাবক পিতা থাকেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিয়ম মতে যদি কোন ব্যক্তি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে স্বর্ণ কিংবা রৌপ্য দান করে, অতঃপর তার সন্তান মারা যায় এবং পিতাই অভিভাবক থাকে তবে ঐ মাল সন্তানের হবে না বরং পিতারই থাকবে। হ্যাঁ, যদি পিতা সেই মাল পৃথক করে দিয়ে থাকে কিংবা কারো কাছে আমানত রেখে থাকে তবে তা সন্তানের বলে সাব্যস্ত হবে।

সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উসমান ইব্নু আফফান (রা) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে কোন বস্তু দান করে, যে সন্তান এখনও উহা গ্রহণ করার উপযুক্ত হয়নি এবং এই দানের কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করে দেয় এবং তাতে সাক্ষী নিযুক্ত করে তবে এটা জায়েয হবে যদিও তার অভিভাবক পিতা থাকেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিয়ম মতে যদি কোন ব্যক্তি অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানকে স্বর্ণ কিংবা রৌপ্য দান করে, অতঃপর তার সন্তান মারা যায় এবং পিতাই অভিভাবক থাকে তবে ঐ মাল সন্তানের হবে না বরং পিতারই থাকবে। হ্যাঁ, যদি পিতা সেই মাল পৃথক করে দিয়ে থাকে কিংবা কারো কাছে আমানত রেখে থাকে তবে তা সন্তানের বলে সাব্যস্ত হবে।

حدثني مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن عثمان بن عفان قال من نحل ولدا له صغيرا لم يبلغ أن يحوز نحله فأعلن ذلك له وأشهد عليها فهي جائزة وإن وليها أبوه قال مالك الأمر عندنا أن من نحل ابنا له صغيرا ذهبا أو ورقا ثم هلك وهو يليه إنه لا شيء للابن من ذلك إلا أن يكون الأب عزلها بعينها أو دفعها إلى رجل وضعها لابنه عند ذلك الرجل فإن فعل ذلك فهو جائز للابن.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00