মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গর্ভবতী, রোগী ও মুজাহিদ সম্পর্কে হুকুম কতটুকু ওসীয়্যত করতে পারবে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
قال يحيى سمعت ما لكا يقول أحسن ما سمعت في وصية الحامل وفي قضاياها في مالها وما يجوز لها أن الحامل كالمريض فإذا كان المرض الخفيف غير المخوف على صاحبه فإن صاحبه يصنع في ماله ما يشاء وإذا كان المرض المخوف عليه لم يجز لصاحبه شيء إلا في ثلثه. قال وكذلك المرأة الحامل أول حملها بشر وسرور وليس بمرض ولا خوف لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فبشرناها بإسحق ومن وراء إسحق يعقوب } وقال { حملت حملا خفيفا فمرت به فلما أثقلت دعوا الله ربهما لئن آتيتنا صالحا لنكونن من الشاكرين } فالمرأة الحامل إذا أثقلت لم يجز لها قضاء إلا في ثلثها فأول الإتمام ستة أشهر قال الله تبارك وتعالى في كتابه { والوالدات يرضعن أولادهن حولين كاملين }. وقال { وحمله وفصاله ثلاثون شهرا } فإذا مضت للحامل ستة أشهر من يوم حملت لم يجز لها قضاء في مالها إلا في الثلث ২৮৩قال و سمعت ما لكا يقول في الرجل يحضر القتال إنه إذا زحف في الصف للقتال لم يجز له أن يقضي في ماله شيئا إلا في الثلث وإنه بمنزلة الحامل والمريض المخوف عليه ما كان بتلك الحال.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
গর্ভবতীর হুকুম ও অসুস্থ মানুষের হুকুম একই। যখন সাধারণ অসুখ হয়, মৃত্যুর ভয় না থাকে তখন রোগী তার সম্পত্তির মধ্যে যা খুশী তাই করতে পারে। আর যদি অসুখ সাংঘাতিক ধরনের হয়, যার বাঁচবার আশা খুব কম, তবে সম্পত্তির মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বেশি বিক্রয় করতে পারবে না। গর্ভবতীর হুকুমও অনুরূপ। গর্ভবতীর প্রথমাবস্থায় যখন সে খুব আনন্দে থাকে তখন তার সম্পত্তিতে যা ইচ্ছা সে তাই করতে পারে, কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন, “আমি তাকে (বিবি সারাকে) ইসহাকের সুসংবাদ দিলাম, আর ইসহাকের পরে ইয়া‘কুবের সুসংবাদ দিলাম। আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন যে, “যখন আদম হাওয়ার সাথে সহবাস করল তখন হাওয়ার সামান্য গর্ভের সঞ্চার হল এবং চলাফেরা করতে লাগল। অতঃপর যখন গর্ভ অধিক ভারী হয়ে গেল তখন দুইজনেই আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট দু‘আ করলেন যে, যদি আমাদেরকে নেক সন্তান দেন তবে আপনার কৃতজ্ঞ বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।” সুতরাং যখন গর্ভবতীর গর্ভ বেশি ভারী হয়ে যায় তখন সে তার সম্পদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বেশির মধ্যে কিছুই করতে পারবে না। এই অবস্থা ছয়মাস পরে হয়। যেমন আল্লাহ্ তা‘আলা নিজ কিতাবে বলেছেন যে, মাতাগণ সন্তানদেরকে পূর্ণ দুই বৎসরে দুগ্ধ পান করাবে। যে ব্যক্তি দুগ্ধপানকে পূর্ণ করাতে চায়। পুনরায় বলেন যে, গর্ভ ধারণ ও দুধ ছাড়ানো ত্রিশ মাস। সুতরাং যখন গর্ভবতী ছয়মাস অতিবাহিত হয়ে যায় গর্ভ সঞ্চারের দিন হতে, তখন সে তার সম্পত্তিতে এক-তৃতীয়াংশের বেশিতে কিছুই করতে পারবে না। মালিক (র) বলেন যে ব্যক্তি লড়াইয়ের ময়দানে (যোদ্ধাদের) কাতারের মধ্যে থাকে সেও তার মালের এক-তৃতীয়াংশের বেশি কিছু করতে পারবে না। তার হুকুমও গর্ভবতী এবং রোগীর হুকুমের মতো।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
গর্ভবতীর হুকুম ও অসুস্থ মানুষের হুকুম একই। যখন সাধারণ অসুখ হয়, মৃত্যুর ভয় না থাকে তখন রোগী তার সম্পত্তির মধ্যে যা খুশী তাই করতে পারে। আর যদি অসুখ সাংঘাতিক ধরনের হয়, যার বাঁচবার আশা খুব কম, তবে সম্পত্তির মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বেশি বিক্রয় করতে পারবে না। গর্ভবতীর হুকুমও অনুরূপ। গর্ভবতীর প্রথমাবস্থায় যখন সে খুব আনন্দে থাকে তখন তার সম্পত্তিতে যা ইচ্ছা সে তাই করতে পারে, কেননা আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন, “আমি তাকে (বিবি সারাকে) ইসহাকের সুসংবাদ দিলাম, আর ইসহাকের পরে ইয়া‘কুবের সুসংবাদ দিলাম। আল্লাহ্ তা‘আলা আরো বলেন যে, “যখন আদম হাওয়ার সাথে সহবাস করল তখন হাওয়ার সামান্য গর্ভের সঞ্চার হল এবং চলাফেরা করতে লাগল। অতঃপর যখন গর্ভ অধিক ভারী হয়ে গেল তখন দুইজনেই আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট দু‘আ করলেন যে, যদি আমাদেরকে নেক সন্তান দেন তবে আপনার কৃতজ্ঞ বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব।” সুতরাং যখন গর্ভবতীর গর্ভ বেশি ভারী হয়ে যায় তখন সে তার সম্পদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বেশির মধ্যে কিছুই করতে পারবে না। এই অবস্থা ছয়মাস পরে হয়। যেমন আল্লাহ্ তা‘আলা নিজ কিতাবে বলেছেন যে, মাতাগণ সন্তানদেরকে পূর্ণ দুই বৎসরে দুগ্ধ পান করাবে। যে ব্যক্তি দুগ্ধপানকে পূর্ণ করাতে চায়। পুনরায় বলেন যে, গর্ভ ধারণ ও দুধ ছাড়ানো ত্রিশ মাস। সুতরাং যখন গর্ভবতী ছয়মাস অতিবাহিত হয়ে যায় গর্ভ সঞ্চারের দিন হতে, তখন সে তার সম্পত্তিতে এক-তৃতীয়াংশের বেশিতে কিছুই করতে পারবে না। মালিক (র) বলেন যে ব্যক্তি লড়াইয়ের ময়দানে (যোদ্ধাদের) কাতারের মধ্যে থাকে সেও তার মালের এক-তৃতীয়াংশের বেশি কিছু করতে পারবে না। তার হুকুমও গর্ভবতী এবং রোগীর হুকুমের মতো।
قال يحيى سمعت ما لكا يقول أحسن ما سمعت في وصية الحامل وفي قضاياها في مالها وما يجوز لها أن الحامل كالمريض فإذا كان المرض الخفيف غير المخوف على صاحبه فإن صاحبه يصنع في ماله ما يشاء وإذا كان المرض المخوف عليه لم يجز لصاحبه شيء إلا في ثلثه. قال وكذلك المرأة الحامل أول حملها بشر وسرور وليس بمرض ولا خوف لأن الله تبارك وتعالى قال في كتابه { فبشرناها بإسحق ومن وراء إسحق يعقوب } وقال { حملت حملا خفيفا فمرت به فلما أثقلت دعوا الله ربهما لئن آتيتنا صالحا لنكونن من الشاكرين } فالمرأة الحامل إذا أثقلت لم يجز لها قضاء إلا في ثلثها فأول الإتمام ستة أشهر قال الله تبارك وتعالى في كتابه { والوالدات يرضعن أولادهن حولين كاملين }. وقال { وحمله وفصاله ثلاثون شهرا } فإذا مضت للحامل ستة أشهر من يوم حملت لم يجز لها قضاء في مالها إلا في الثلث ২৮৩قال و سمعت ما لكا يقول في الرجل يحضر القتال إنه إذا زحف في الصف للقتال لم يجز له أن يقضي في ماله شيئا إلا في الثلث وإنه بمنزلة الحامل والمريض المخوف عليه ما كان بتلك الحال.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ওয়ারিসদের জন্য ওসীয়্যত এবং সঞ্চয় করার হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
قال يحيى سمعت ما لكا يقول في هذه الآية إنها منسوخة قول الله تبارك وتعالى { إن ترك خيرا الوصية للوالدين والأقربين } نسخها ما نزل من قسمة الفرائض في كتاب الله عز وجل. قال و سمعت ما لكا يقول السنة الثابتة عندنا التي لا اختلاف فيها أنه لا تجوز وصية لوارث إلا أن يجيز له ذلك ورثة الميت وأنه إن أجاز له بعضهم وأبى بعض جاز له حق من أجاز منهم ومن أبى أخذ حقه من ذلك. قال و سمعت ما لكا يقول في المريض الذي يوصي فيستأذن ورثته في وصيته وهو مريض ليس له من ماله إلا ثلثه فيأذنون له أن يوصي لبعض ورثته بأكثر من ثلثه إنه ليس لهم أن يرجعوا في ذلك ولو جاز ذلك لهم صنع كل وارث ذلك فإذا هلك الموصي أخذوا ذلك لأنفسهم ومنعوه الوصية في ثلثه وما أذن له به في ماله. قال فأما أن يستأذن ورثته في وصية يوصي بها لوارث في صحته فيأذنون له فإن ذلك لا يلزمهم ولورثته أن يردوا ذلك إن شاءوا وذلك أن الرجل إذا كان صحيحا كان أحق بجميع ماله يصنع فيه ما شاء إن شاء أن يخرج من جميعه خرج فيتصدق به أو يعطيه من شاء وإنما يكون استئذانه ورثته جائزا على الورثة إذا أذنوا له حين يحجب عنه ماله ولا يجوز له شيء إلا في ثلثه وحين هم أحق بثلثي ماله منه فذلك حين يجوز عليهم أمرهم وما أذنوا له به فإن سأل بعض ورثته أن يهب له ميراثه حين تحضره الوفاة فيفعل ثم لا يقضي فيه الهالك شيئا فإنه رد على من وهبه إلا أن يقول له الميت فلان لبعض ورثته ضعيف وقد أحببت أن تهب له ميراثك فأعطاه إياه فإن ذلك جائز إذا سماه الميت له قال وإن وهب له ميراثه ثم أنفذ الهالك بعضه وبقي بعض فهو رد على الذي وهب يرجع إليه ما بقي بعد وفاة الذي أعطيه. قال و سمعت ما لكا يقول فيمن أوصى بوصية فذكر أنه قد كان أعطى بعض ورثته شيئا لم يقبضه فأبى الورثة أن يجيزوا ذلك فإن ذلك يرجع إلى الورثة ميراثا على كتاب الله لأن الميت لم يرد أن يقع شيء من ذلك في ثلثه ولا يحاص أهل الوصايا في ثلثه بشيء من ذلك.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ওসীয়্যতের এই আয়াতটি ফারাইযের আয়াত দ্বারা মন্সুখ (রহিত) হয়ে গিয়েছে, আয়াতটি এই- إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِيْنَ মালিক (র) বলেন আমাদের কাছে এই নিয়ম (সুন্নাত) প্রমাণিত। তাতে কোন মতভেদ নেই, ওয়ারিসদের অনুমতি ব্যতীত ওসীয়্যত জায়েয নেই। যদি কোন ওয়ারিস অনুমতি দেয় আর কেউ অনুমতি না দেয় তবে যারা অনুমতি দিয়েছে তাদের মীরাস হতে তা আদায় করা হবে। মালিক (র) বলেন যদি কেউ অসুস্থ হয় এবং সে ওসীয়্যত করতে চায় এবং ওয়ারিসগণ হতে অনুমতি চায় তবে এই অসুস্থ অবস্থায় তার জন্য এক-তৃতীয়াংশের বেশি সম্পত্তিতে ওসীয়্যত জায়েয হবে না। হ্যাঁ, যদি তারা এক-তৃতীয়াংশের চাইতে বেশি ওসীয়্যতের অনুমতি দেয় তবে তাদের এই কথা হতে ফিরে যাওয়া জায়েয নেই। যদি তা জায়েয হত তবে প্রত্যেক ওয়ারিসই নিজ অংশ ফিরিয়ে নিত, যদি ওসীয়্যতকারী মারা যেত তবে ওসীয়্যতকৃত সম্পদ নিয়ে লইত। আর ওসীয়্যত এক-তৃতীয়াংশের মধ্যে বন্ধ করে দিত, কিন্তু যদি কেউ সুস্থ থাকা অবস্থায় ওয়ারিসগণের নিকট কোন ওয়ারিসের জন্য ওসীয়্যতের অনুমতি চায় এবং তারা অনুমতি দিয়ে দেয় তবে তা হতে ফিরে যেতে পারে এবং তা কার্যকর নাও হতে দিতে পারে। কেননা সে সুস্থ অবস্থায় তার পূর্ণ সম্পদের উপরই এদিক-সেদিক করবার ক্ষমতা রাখে। তার ইখতিয়ার আছে, সে সমস্তই ওসীয়্যত করে দিতে পারে অথবা সমস্তই কাউকেও দিতে পারে তখন মালিকের অনুমতি চাওয়া ও ওয়ারিসদের অনুমতি দেয়া অনর্থক। আর যদি রোগী ওয়ারিসদেরকে তার মৃত্যুর সময় বলে যে, তোমাদের মীরাস আমাকে হেবা (দান) করে দাও, সে হেবাকারীদের প্রদত্ত সম্পদে কিন্তু রোগী কোন পরিবর্তন করেনি এবং মারা গিয়েছে তবে ঐ সকল অংশ ওয়ারিসগণ পাবে। কিন্তু যদি রোগী বলে যে, ঐ ওয়ারিস বড়ই দুর্বল। আমি ভাল মনে করি যে, তুমি তোমার অংশ তাকে হেবা করে দাও। যদি সে হেবা করে দেয়, তবে তা জায়েয হবে। যদি ওয়ারিস নিজ হিস্যা মৃত ব্যক্তিকে দান করে দেয় এবং মৃত ব্যক্তি সেখান হতে কাউকেও কিছু দেয় আর কিছু বাকী থাকে, ঐ বাকী অংশ ঐ ওয়ারিসই পাবে। মালিক (র) বলেন যদি কোন ব্যক্তি (ওয়ারিসের জন্য) ওসীয়্যতের পরে জানতে পারল যে, সে ওয়ারিসকে যা দিয়েছিল তা সে গ্রহণ করেনি এবং অন্য ওয়ারিসগণও তার অনুমতি দেয়নি তবে তা ওয়ারিসগণেরই হক, আল্লাহ্র নির্দেশ অনুযায়ী বন্টন হবে। কেননা মৃত ব্যক্তি এখানে এক তৃতীয়াংশের মধ্য থেকে কিছু দিতে চায়নি।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ওসীয়্যতের এই আয়াতটি ফারাইযের আয়াত দ্বারা মন্সুখ (রহিত) হয়ে গিয়েছে, আয়াতটি এই- إِنْ تَرَكَ خَيْرًا الْوَصِيَّةُ لِلْوَالِدَيْنِ وَالْأَقْرَبِيْنَ মালিক (র) বলেন আমাদের কাছে এই নিয়ম (সুন্নাত) প্রমাণিত। তাতে কোন মতভেদ নেই, ওয়ারিসদের অনুমতি ব্যতীত ওসীয়্যত জায়েয নেই। যদি কোন ওয়ারিস অনুমতি দেয় আর কেউ অনুমতি না দেয় তবে যারা অনুমতি দিয়েছে তাদের মীরাস হতে তা আদায় করা হবে। মালিক (র) বলেন যদি কেউ অসুস্থ হয় এবং সে ওসীয়্যত করতে চায় এবং ওয়ারিসগণ হতে অনুমতি চায় তবে এই অসুস্থ অবস্থায় তার জন্য এক-তৃতীয়াংশের বেশি সম্পত্তিতে ওসীয়্যত জায়েয হবে না। হ্যাঁ, যদি তারা এক-তৃতীয়াংশের চাইতে বেশি ওসীয়্যতের অনুমতি দেয় তবে তাদের এই কথা হতে ফিরে যাওয়া জায়েয নেই। যদি তা জায়েয হত তবে প্রত্যেক ওয়ারিসই নিজ অংশ ফিরিয়ে নিত, যদি ওসীয়্যতকারী মারা যেত তবে ওসীয়্যতকৃত সম্পদ নিয়ে লইত। আর ওসীয়্যত এক-তৃতীয়াংশের মধ্যে বন্ধ করে দিত, কিন্তু যদি কেউ সুস্থ থাকা অবস্থায় ওয়ারিসগণের নিকট কোন ওয়ারিসের জন্য ওসীয়্যতের অনুমতি চায় এবং তারা অনুমতি দিয়ে দেয় তবে তা হতে ফিরে যেতে পারে এবং তা কার্যকর নাও হতে দিতে পারে। কেননা সে সুস্থ অবস্থায় তার পূর্ণ সম্পদের উপরই এদিক-সেদিক করবার ক্ষমতা রাখে। তার ইখতিয়ার আছে, সে সমস্তই ওসীয়্যত করে দিতে পারে অথবা সমস্তই কাউকেও দিতে পারে তখন মালিকের অনুমতি চাওয়া ও ওয়ারিসদের অনুমতি দেয়া অনর্থক। আর যদি রোগী ওয়ারিসদেরকে তার মৃত্যুর সময় বলে যে, তোমাদের মীরাস আমাকে হেবা (দান) করে দাও, সে হেবাকারীদের প্রদত্ত সম্পদে কিন্তু রোগী কোন পরিবর্তন করেনি এবং মারা গিয়েছে তবে ঐ সকল অংশ ওয়ারিসগণ পাবে। কিন্তু যদি রোগী বলে যে, ঐ ওয়ারিস বড়ই দুর্বল। আমি ভাল মনে করি যে, তুমি তোমার অংশ তাকে হেবা করে দাও। যদি সে হেবা করে দেয়, তবে তা জায়েয হবে। যদি ওয়ারিস নিজ হিস্যা মৃত ব্যক্তিকে দান করে দেয় এবং মৃত ব্যক্তি সেখান হতে কাউকেও কিছু দেয় আর কিছু বাকী থাকে, ঐ বাকী অংশ ঐ ওয়ারিসই পাবে। মালিক (র) বলেন যদি কোন ব্যক্তি (ওয়ারিসের জন্য) ওসীয়্যতের পরে জানতে পারল যে, সে ওয়ারিসকে যা দিয়েছিল তা সে গ্রহণ করেনি এবং অন্য ওয়ারিসগণও তার অনুমতি দেয়নি তবে তা ওয়ারিসগণেরই হক, আল্লাহ্র নির্দেশ অনুযায়ী বন্টন হবে। কেননা মৃত ব্যক্তি এখানে এক তৃতীয়াংশের মধ্য থেকে কিছু দিতে চায়নি।
قال يحيى سمعت ما لكا يقول في هذه الآية إنها منسوخة قول الله تبارك وتعالى { إن ترك خيرا الوصية للوالدين والأقربين } نسخها ما نزل من قسمة الفرائض في كتاب الله عز وجل. قال و سمعت ما لكا يقول السنة الثابتة عندنا التي لا اختلاف فيها أنه لا تجوز وصية لوارث إلا أن يجيز له ذلك ورثة الميت وأنه إن أجاز له بعضهم وأبى بعض جاز له حق من أجاز منهم ومن أبى أخذ حقه من ذلك. قال و سمعت ما لكا يقول في المريض الذي يوصي فيستأذن ورثته في وصيته وهو مريض ليس له من ماله إلا ثلثه فيأذنون له أن يوصي لبعض ورثته بأكثر من ثلثه إنه ليس لهم أن يرجعوا في ذلك ولو جاز ذلك لهم صنع كل وارث ذلك فإذا هلك الموصي أخذوا ذلك لأنفسهم ومنعوه الوصية في ثلثه وما أذن له به في ماله. قال فأما أن يستأذن ورثته في وصية يوصي بها لوارث في صحته فيأذنون له فإن ذلك لا يلزمهم ولورثته أن يردوا ذلك إن شاءوا وذلك أن الرجل إذا كان صحيحا كان أحق بجميع ماله يصنع فيه ما شاء إن شاء أن يخرج من جميعه خرج فيتصدق به أو يعطيه من شاء وإنما يكون استئذانه ورثته جائزا على الورثة إذا أذنوا له حين يحجب عنه ماله ولا يجوز له شيء إلا في ثلثه وحين هم أحق بثلثي ماله منه فذلك حين يجوز عليهم أمرهم وما أذنوا له به فإن سأل بعض ورثته أن يهب له ميراثه حين تحضره الوفاة فيفعل ثم لا يقضي فيه الهالك شيئا فإنه رد على من وهبه إلا أن يقول له الميت فلان لبعض ورثته ضعيف وقد أحببت أن تهب له ميراثك فأعطاه إياه فإن ذلك جائز إذا سماه الميت له قال وإن وهب له ميراثه ثم أنفذ الهالك بعضه وبقي بعض فهو رد على الذي وهب يرجع إليه ما بقي بعد وفاة الذي أعطيه. قال و سمعت ما لكا يقول فيمن أوصى بوصية فذكر أنه قد كان أعطى بعض ورثته شيئا لم يقبضه فأبى الورثة أن يجيزوا ذلك فإن ذلك يرجع إلى الورثة ميراثا على كتاب الله لأن الميت لم يرد أن يقع شيء من ذلك في ثلثه ولا يحاص أهل الوصايا في ثلثه بشيء من ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে পুরুষ নপুংসক তার এবং বাচ্চার মালিক কে হবে?
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৫৫
حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن مخنثا كان عند أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقال لعبد الله بن أبي أمية ورسول الله صلى الله عليه وسلم يسمع يا عبد الله إن فتح الله عليكم الطائف غدا فأنا أدلك على ابنة غيلان فإنها تقبل بأربع وتدبر بثمان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يدخلن هؤلاء عليكم.
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
এক নপুংসক (হিজরা) ব্যক্তি উম্মুল মু‘মিনীন উম্মু সালমার নিকট বসা ছিল। সে আবদুল্লাহ্ ইব্নু আবূ উমাইয়াকে বলিতেছিল, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর কথা শুনিতে ছিলেন যদি আল্লাহ্ তা‘আলা তায়েফে তোমাদেরকে আগামীকাল বিজয়ী করেন, তবে তুমি গাইলানের মেয়েকে নিশ্চয় গ্রহণ করবে। কারণ যখন সে সম্মুখ দিয়ে আসে তখন তার পেটে চারটি (ভাঁজ) থাকে আর যখন প্রস্থান করে তখন আটটি ভাঁজ নিয়ে প্রস্থান করে। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (শুনে) বললেন এই সকল লোক যেন তোমাদের নিকট আর না আসে। (বুখারী ৪৩২৪, ইমাম মুসলিম মুত্তাসিল সনদে ২১৮০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুরসাল)
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) তাঁর পিতা থেকে বর্নিতঃ
এক নপুংসক (হিজরা) ব্যক্তি উম্মুল মু‘মিনীন উম্মু সালমার নিকট বসা ছিল। সে আবদুল্লাহ্ ইব্নু আবূ উমাইয়াকে বলিতেছিল, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর কথা শুনিতে ছিলেন যদি আল্লাহ্ তা‘আলা তায়েফে তোমাদেরকে আগামীকাল বিজয়ী করেন, তবে তুমি গাইলানের মেয়েকে নিশ্চয় গ্রহণ করবে। কারণ যখন সে সম্মুখ দিয়ে আসে তখন তার পেটে চারটি (ভাঁজ) থাকে আর যখন প্রস্থান করে তখন আটটি ভাঁজ নিয়ে প্রস্থান করে। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (শুনে) বললেন এই সকল লোক যেন তোমাদের নিকট আর না আসে। (বুখারী ৪৩২৪, ইমাম মুসলিম মুত্তাসিল সনদে ২১৮০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুরসাল)
حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن مخنثا كان عند أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فقال لعبد الله بن أبي أمية ورسول الله صلى الله عليه وسلم يسمع يا عبد الله إن فتح الله عليكم الطائف غدا فأنا أدلك على ابنة غيلان فإنها تقبل بأربع وتدبر بثمان فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يدخلن هؤلاء عليكم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৫৬
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت القاسم بن محمد يقول: كانت عند عمر بن الخطاب امرأة من الأنصار فولدت له عاصم بن عمر ثم إنه فارقها فجاء عمر قباء فوجد ابنه عاصما يلعب بفناء المسجد فأخذ بعضده فوضعه بين يديه على الدابة فأدركته جدة الغلام فنازعته إياه حتى أتيا أبا بكر الصديق فقال عمر ابني وقالت المرأة ابني فقال أبو بكر خل بينها وبينه قال فما راجعه عمر الكلام قال و سمعت ما لكا يقول وهذا الأمر الذي آخذ به في ذلك.
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
একজন আনসারী মেয়েলোক উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর স্ত্রী ছিলেন। তাঁর গর্ভে একটি ছেলে সন্তান জন্মাল। তার নাম আসিম রাখা হয়েছিল। ইত্যবসরে উমার (রা) ঐ স্ত্রীকে তালাক দিলেন। একদা উমার (রা) মসজিদে কুবার বারান্দায় এ সন্তানকে অন্যান্য ছেলের সাথে খেলাধুলা করতে দেখতে পেলেন তিনি তার বাহুতে ধরে তাকে স্বীয় সাওয়ারীতে বসিয়ে নিলেন। আসিমের মাতামহী (নানী) তা দেখে উমারকে বাধা দিলেন এবং তার সাথে ঝগড়া করতে লাগলেন। অতঃপর উভয়ে আবূ বাকর সিদ্দীক (রা)-এর নিকট এসে সন্তানের দাবি জানালেন। আবূ বাকর সিদ্দীক (রা) বললেন সন্তানটিকে উভয়ের মধ্যে ছেড়ে দাও (সে যাকে গ্রহণ করে তারই হবে)। উমার (রা) এতে চুপ হয়ে গেলেন। মালিক (র) বলেন, এ ক্ষেত্রে আমিও এই অভিমত পোষণ করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
একজন আনসারী মেয়েলোক উমার ইব্নু খাত্তাব (রা)-এর স্ত্রী ছিলেন। তাঁর গর্ভে একটি ছেলে সন্তান জন্মাল। তার নাম আসিম রাখা হয়েছিল। ইত্যবসরে উমার (রা) ঐ স্ত্রীকে তালাক দিলেন। একদা উমার (রা) মসজিদে কুবার বারান্দায় এ সন্তানকে অন্যান্য ছেলের সাথে খেলাধুলা করতে দেখতে পেলেন তিনি তার বাহুতে ধরে তাকে স্বীয় সাওয়ারীতে বসিয়ে নিলেন। আসিমের মাতামহী (নানী) তা দেখে উমারকে বাধা দিলেন এবং তার সাথে ঝগড়া করতে লাগলেন। অতঃপর উভয়ে আবূ বাকর সিদ্দীক (রা)-এর নিকট এসে সন্তানের দাবি জানালেন। আবূ বাকর সিদ্দীক (রা) বললেন সন্তানটিকে উভয়ের মধ্যে ছেড়ে দাও (সে যাকে গ্রহণ করে তারই হবে)। উমার (রা) এতে চুপ হয়ে গেলেন। মালিক (র) বলেন, এ ক্ষেত্রে আমিও এই অভিমত পোষণ করি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت القاسم بن محمد يقول: كانت عند عمر بن الخطاب امرأة من الأنصار فولدت له عاصم بن عمر ثم إنه فارقها فجاء عمر قباء فوجد ابنه عاصما يلعب بفناء المسجد فأخذ بعضده فوضعه بين يديه على الدابة فأدركته جدة الغلام فنازعته إياه حتى أتيا أبا بكر الصديق فقال عمر ابني وقالت المرأة ابني فقال أبو بكر خل بينها وبينه قال فما راجعه عمر الكلام قال و سمعت ما لكا يقول وهذا الأمر الذي آخذ به في ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মাল বিক্রয়ের পর তাতে ত্রুটি পরিলক্ষিত হলে ভর্তুকী কে দিবে?
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
قال يحيى سمعت ما لكا يقول في الرجل يبتاع السلعة من الحيوان أو الثياب أو العروض فيوجد ذلك البيع غير جائز فيرد ويؤمر الذي قبض السلعة أن يرد إلى صاحبه سلعته قال مالك فليس لصاحب السلعة إلا قيمتها يوم قبضت منه وليس يوم يرد ذلك إليه وذلك أنه ضمنها من يوم قبضها فما كان فيها من نقصان بعد ذلك كان عليه فبذلك كان نماؤها وزيادتها له وإن الرجل يقبض السلعة في زمان هي فيه نافقة مرغوب فيها ثم يردها في زمان هي فيه ساقطة لا يريدها أحد فيقبض الرجل السلعة من الرجل فيبيعها بعشرة دنانير ويمسكها وثمنها ذلك ثم يردها وإنما ثمنها دينار فليس له أن يذهب من مال الرجل بتسعة دنانير أو يقبضها منه الرجل فيبيعها بدينار أو يمسكها وإنما ثمنها دينار ثم يردها وقيمتها يوم يردها عشرة دنانير فليس على الذي قبضها أن يغرم لصاحبها من ماله تسعة دنانير إنما عليه قيمة ما قبض يوم قبضه قال ومما يبين ذلك أن السارق إذا سرق السلعة فإنما ينظر إلى ثمنها يوم يسرقها فإن كان يجب فيه القطع كان ذلك عليه وإن استأخر قطعه إما في سجن يحبس فيه حتى ينظر في شأنه وإما أن يهرب السارق ثم يؤخذ بعد ذلك فليس استئخار قطعه بالذي يضع عنه حدا قد وجب عليه يوم سرق وإن رخصت تلك السلعة بعد ذلك ولا بالذي يوجب عليه قطعا لم يكن وجب عليه يوم أخذها إن غلت تلك السلعة بعد ذلك
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কেউ যদি কোন জীব কিংবা কাপড় কিংবা অন্য কোন বস্তু খরিদ করল, অতঃপর তাতে ত্রুটি লক্ষ্য করা গেল যাতে বিক্রয় নাজায়েয সাব্যস্ত হল, তখন ক্রেতাকে বলা হবে, দোষী মাল বিক্রেতাকে ফিরিয়ে দাও। মালিক (র) বলেন, বিক্রেতার দোষী মালের ঐ দিনের মূল্য পাওয়ার অধিকার ছিল, যেই দিন তা বিক্রয় করা হয়েছিল, ফেরত দেয়ার দিনের মূল্য নয়। যেই দিন ক্রেতা তা ক্রয় করেছিল, সেই দিন হতে তা ক্রেতার অধীনে ছিল এবং বর্তমানে মাল দোষী সাব্যস্ত হলে তা ক্রেতার উপরই বর্তিবে। মালের মূল্য বৃদ্ধি হলেও ক্রেতাই মালিক হবে, কোন সময় এইরূপও হয় যে, মাল ক্রয় করার সময় বাজারে মালের খুবই চাহিদা থাকে অথচ মাল দোষী বলে ফেরত দেয়ার সময় উহার চাহিদা কমে যায়। বাজারে উহার চাহিদা থাকাকালে এক ব্যক্তি দশ দীনার দ্বারা কোন বস্তু ক্রয় করল এবং কিছু দিন তা আটকে রাখার পর যখন বাজারে চাহিদা কমে গেল এবং উহার মূল্য মাত্র এক দীনারে উপনীত হল তখন তা ফেরত দেয়ায় বিক্রেতার নয় দীনার ক্ষতি হল। তা হওয়া উচিত নয় বরং যেই দিন মাল বিক্রয় করেছিল সেই দিনের মূল্য বিক্রেতা পাবে। অর্থাৎ দশ দীনার।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
কেউ যদি কোন জীব কিংবা কাপড় কিংবা অন্য কোন বস্তু খরিদ করল, অতঃপর তাতে ত্রুটি লক্ষ্য করা গেল যাতে বিক্রয় নাজায়েয সাব্যস্ত হল, তখন ক্রেতাকে বলা হবে, দোষী মাল বিক্রেতাকে ফিরিয়ে দাও। মালিক (র) বলেন, বিক্রেতার দোষী মালের ঐ দিনের মূল্য পাওয়ার অধিকার ছিল, যেই দিন তা বিক্রয় করা হয়েছিল, ফেরত দেয়ার দিনের মূল্য নয়। যেই দিন ক্রেতা তা ক্রয় করেছিল, সেই দিন হতে তা ক্রেতার অধীনে ছিল এবং বর্তমানে মাল দোষী সাব্যস্ত হলে তা ক্রেতার উপরই বর্তিবে। মালের মূল্য বৃদ্ধি হলেও ক্রেতাই মালিক হবে, কোন সময় এইরূপও হয় যে, মাল ক্রয় করার সময় বাজারে মালের খুবই চাহিদা থাকে অথচ মাল দোষী বলে ফেরত দেয়ার সময় উহার চাহিদা কমে যায়। বাজারে উহার চাহিদা থাকাকালে এক ব্যক্তি দশ দীনার দ্বারা কোন বস্তু ক্রয় করল এবং কিছু দিন তা আটকে রাখার পর যখন বাজারে চাহিদা কমে গেল এবং উহার মূল্য মাত্র এক দীনারে উপনীত হল তখন তা ফেরত দেয়ায় বিক্রেতার নয় দীনার ক্ষতি হল। তা হওয়া উচিত নয় বরং যেই দিন মাল বিক্রয় করেছিল সেই দিনের মূল্য বিক্রেতা পাবে। অর্থাৎ দশ দীনার।
قال يحيى سمعت ما لكا يقول في الرجل يبتاع السلعة من الحيوان أو الثياب أو العروض فيوجد ذلك البيع غير جائز فيرد ويؤمر الذي قبض السلعة أن يرد إلى صاحبه سلعته قال مالك فليس لصاحب السلعة إلا قيمتها يوم قبضت منه وليس يوم يرد ذلك إليه وذلك أنه ضمنها من يوم قبضها فما كان فيها من نقصان بعد ذلك كان عليه فبذلك كان نماؤها وزيادتها له وإن الرجل يقبض السلعة في زمان هي فيه نافقة مرغوب فيها ثم يردها في زمان هي فيه ساقطة لا يريدها أحد فيقبض الرجل السلعة من الرجل فيبيعها بعشرة دنانير ويمسكها وثمنها ذلك ثم يردها وإنما ثمنها دينار فليس له أن يذهب من مال الرجل بتسعة دنانير أو يقبضها منه الرجل فيبيعها بدينار أو يمسكها وإنما ثمنها دينار ثم يردها وقيمتها يوم يردها عشرة دنانير فليس على الذي قبضها أن يغرم لصاحبها من ماله تسعة دنانير إنما عليه قيمة ما قبض يوم قبضه قال ومما يبين ذلك أن السارق إذا سرق السلعة فإنما ينظر إلى ثمنها يوم يسرقها فإن كان يجب فيه القطع كان ذلك عليه وإن استأخر قطعه إما في سجن يحبس فيه حتى ينظر في شأنه وإما أن يهرب السارق ثم يؤخذ بعد ذلك فليس استئخار قطعه بالذي يضع عنه حدا قد وجب عليه يوم سرق وإن رخصت تلك السلعة بعد ذلك ولا بالذي يوجب عليه قطعا لم يكن وجب عليه يوم أخذها إن غلت تلك السلعة بعد ذلك