মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উপকার সাধন-এর লক্ষ্যে ফয়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৭
حدثني يحيى عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا ضرر ولا ضرار.
ইয়াহ্ইয়া মাযেনী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, নিজের স্বার্থে অন্যের ক্ষতি করবে না, তদ্রুপ পরস্পর কারো ক্ষতি করবে না। (সহীহ, ইমাম ইবনু মাজাহ ২৩৪০, তিনি উবাদাহ বিন সামেত (রা) থেকে বর্ণনা করেন। আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন। [সিলসিলাহ আস সহীহা] ২৫০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
ইয়াহ্ইয়া মাযেনী (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, নিজের স্বার্থে অন্যের ক্ষতি করবে না, তদ্রুপ পরস্পর কারো ক্ষতি করবে না। (সহীহ, ইমাম ইবনু মাজাহ ২৩৪০, তিনি উবাদাহ বিন সামেত (রা) থেকে বর্ণনা করেন। আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন। [সিলসিলাহ আস সহীহা] ২৫০, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا ضرر ولا ضرار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৮
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع أحدكم جاره خشبة يغرزها في جداره ثم يقول أبو هريرة ما لي أراكم عنها معرضين والله لأرمين بها بين أكتافكم.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলমানের পক্ষে তার প্রতিবেশীকে স্বীয় ঘরের দেয়ালে কোন কাঠ গাড়তে নিষেধ করা উচিত হবে না। অতঃপর আবূ হুরায়রা (রা) বলেন যে, ব্যাপার কি, এই হাদীস শোনার পর তাদেরকে মুখ ফিরিয়ে রাখতে দেখি কেন? আল্লাহর কসম, আমি এই হাদীস তোমাদের স্কন্ধের উপর ফেলব অর্থাৎ খুব প্রচার করব। (বুখারী, ২৪৬৩, মুসলিম ১৬০৯)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কোন মুসলমানের পক্ষে তার প্রতিবেশীকে স্বীয় ঘরের দেয়ালে কোন কাঠ গাড়তে নিষেধ করা উচিত হবে না। অতঃপর আবূ হুরায়রা (রা) বলেন যে, ব্যাপার কি, এই হাদীস শোনার পর তাদেরকে মুখ ফিরিয়ে রাখতে দেখি কেন? আল্লাহর কসম, আমি এই হাদীস তোমাদের স্কন্ধের উপর ফেলব অর্থাৎ খুব প্রচার করব। (বুখারী, ২৪৬৩, মুসলিম ১৬০৯)
و حدثني مالك عن ابن شهاب عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع أحدكم جاره خشبة يغرزها في جداره ثم يقول أبو هريرة ما لي أراكم عنها معرضين والله لأرمين بها بين أكتافكم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৩০
و حدثني مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أنه قال: كان في حائط جده ربيع لعبد الرحمن بن عوف فأراد عبد الرحمن بن عوف أن يحوله إلى ناحية من الحائط هي أقرب إلى أرضه فمنعه صاحب الحائط فكلم عبد الرحمن بن عوف عمر بن الخطاب في ذلك فقضى لعبد الرحمن بن عوف بتحويله.
ইয়াহ্ইয়া ইবনু মাযেনী (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইব্নু আওফা (রা)-এর একটি ছোট খাল আমার দাদার জমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আবদুর রহমান (রা) চাইলেন যেন খালটি অন্যত্র দিয়ে প্রবাহিত হয়, যেন তার জমির নিকটবর্তী হয়। অতঃপর আমার দাদা নিষেধ করলেন। আবদুর রহমান (রা) উমার (রা)-এর নিকট এই বিষয়ে আলাপ করলেন। উমার (রা) পরে তাঁকে অনুমতি দান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহ্ইয়া ইবনু মাযেনী (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইব্নু আওফা (রা)-এর একটি ছোট খাল আমার দাদার জমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। আবদুর রহমান (রা) চাইলেন যেন খালটি অন্যত্র দিয়ে প্রবাহিত হয়, যেন তার জমির নিকটবর্তী হয়। অতঃপর আমার দাদা নিষেধ করলেন। আবদুর রহমান (রা) উমার (রা)-এর নিকট এই বিষয়ে আলাপ করলেন। উমার (রা) পরে তাঁকে অনুমতি দান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أنه قال: كان في حائط جده ربيع لعبد الرحمن بن عوف فأراد عبد الرحمن بن عوف أن يحوله إلى ناحية من الحائط هي أقرب إلى أرضه فمنعه صاحب الحائط فكلم عبد الرحمن بن عوف عمر بن الخطاب في ذلك فقضى لعبد الرحمن بن عوف بتحويله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৯
و حدثني مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن الضحاك بن خليفة ساق خليجا له من العريض فأراد أن يمر به في أرض محمد بن مسلمة فأبى محمد فقال له الضحاك لم تمنعني وهو لك منفعة تشرب به أولا وآخرا ولا يضرك فأبى محمد فكلم فيه الضحاك عمر بن الخطاب فدعا عمر بن الخطاب محمد بن مسلمة فأمره أن يخلي سبيله فقال محمد لا فقال عمر لم تمنع أخاك ما ينفعه وهو لك نافع تسقي به أولا وآخرا وهو لا يضرك فقال محمد لا والله فقال عمر والله ليمرن به ولو على بطنك فأمره عمر أن يمر به ففعل الضحاك.
ইয়াহ্ইয়া মাযেনী (র) থেকে বর্নিতঃ
যাহহাক ইব্নু খলীফা, উরাইয নামক স্থান হতে একটি ছোট খাল কেটে আনলেন এবং মুহাম্মাদ ইব্নু মাসলামা (রা)-এর জমির উপর দিয়ে নিয়ে যাবেন বলে মনস্থ করলেন। কিন্তু তিনি তাতে অসম্মতি জানালেন। যাহহাক (রা) বললেন, আপনি নিষেধ করতেছেন কেন? তাতে আপনার জমিরও উপকার সাধিত হবে, আপনি প্রথম হতে শেষ পর্যন্ত জমিতে পানি সেচ করতে পারবেন। আপনার কোন ক্ষতিও হবে না। কিন্তু ইব্নু মাসলামা (রা) কিছুতেই সম্মত হচ্ছেন না দেখে যাহহাক (রা) উমার (রা)-এর সাথে আলাপ করলেন। উমার (রা) ইব্নু মাসলামাকে ডেকে বললেন, তুমি খালটি তোমার জমির উপর দিয়ে নিয়ে যেতে দাও। ইব্নু মাসলামা (রা) বললেন, এইরূপ হবে না। উমার (র) বললেন, তুমি কেন নিষেধ করছ? এর দ্বারা তোমার ভাইয়ের ও তোমার উপকার হবে। তুমিও তোমার জমিতে পানি সেচ করতে পারবে অথচ তোমার কোন ক্ষতিই হবে না। মুহাম্মাদ ইব্নু মাসলামা (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, তা হবে না। উমার (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, খাল প্রবাহিত করা হবে যদিও তোমাদের পেটের উপর দিয়েও হয়। অতঃপর উমার (রা) ইব্নু মাসলামার জমির উপর দিয়ে খাল খননের নির্দেশ দিলেন। যাহহাক (রা) তাই করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহ্ইয়া মাযেনী (র) থেকে বর্নিতঃ
যাহহাক ইব্নু খলীফা, উরাইয নামক স্থান হতে একটি ছোট খাল কেটে আনলেন এবং মুহাম্মাদ ইব্নু মাসলামা (রা)-এর জমির উপর দিয়ে নিয়ে যাবেন বলে মনস্থ করলেন। কিন্তু তিনি তাতে অসম্মতি জানালেন। যাহহাক (রা) বললেন, আপনি নিষেধ করতেছেন কেন? তাতে আপনার জমিরও উপকার সাধিত হবে, আপনি প্রথম হতে শেষ পর্যন্ত জমিতে পানি সেচ করতে পারবেন। আপনার কোন ক্ষতিও হবে না। কিন্তু ইব্নু মাসলামা (রা) কিছুতেই সম্মত হচ্ছেন না দেখে যাহহাক (রা) উমার (রা)-এর সাথে আলাপ করলেন। উমার (রা) ইব্নু মাসলামাকে ডেকে বললেন, তুমি খালটি তোমার জমির উপর দিয়ে নিয়ে যেতে দাও। ইব্নু মাসলামা (রা) বললেন, এইরূপ হবে না। উমার (র) বললেন, তুমি কেন নিষেধ করছ? এর দ্বারা তোমার ভাইয়ের ও তোমার উপকার হবে। তুমিও তোমার জমিতে পানি সেচ করতে পারবে অথচ তোমার কোন ক্ষতিই হবে না। মুহাম্মাদ ইব্নু মাসলামা (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, তা হবে না। উমার (রা) বললেন, আল্লাহর কসম, খাল প্রবাহিত করা হবে যদিও তোমাদের পেটের উপর দিয়েও হয়। অতঃপর উমার (রা) ইব্নু মাসলামার জমির উপর দিয়ে খাল খননের নির্দেশ দিলেন। যাহহাক (রা) তাই করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن عمرو بن يحيى المازني عن أبيه أن الضحاك بن خليفة ساق خليجا له من العريض فأراد أن يمر به في أرض محمد بن مسلمة فأبى محمد فقال له الضحاك لم تمنعني وهو لك منفعة تشرب به أولا وآخرا ولا يضرك فأبى محمد فكلم فيه الضحاك عمر بن الخطاب فدعا عمر بن الخطاب محمد بن مسلمة فأمره أن يخلي سبيله فقال محمد لا فقال عمر لم تمنع أخاك ما ينفعه وهو لك نافع تسقي به أولا وآخرا وهو لا يضرك فقال محمد لا والله فقال عمر والله ليمرن به ولو على بطنك فأمره عمر أن يمر به ففعل الضحاك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সম্পদ বণ্টনের ফয়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৩২
قال يحيى سمعت ما لكا يقول فيمن هلك وترك أموالا بالعالية والسافلة إن البعل لا يقسم مع النضح إلا أن يرضى أهله بذلك وإن البعل يقسم مع العين إذا كان يشبهها وأن الأموال إذا كانت بأرض واحدة الذي بينهما متقارب أنه يقام كل مال منها ثم يقسم بينهم والمساكن والدور بهذه المنزلة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ মারা যায় এবং তার উঁচু-নীচু অনেক জমি থাকে, তবে যে জমিতে বৃষ্টির পানি দ্বারা ফসল হয় তা কূপের পানি দ্বারা যে জমিতে ফসল হয় তার সাথে সমভাবে বন্টন হবে না। অবশ্য সকল অংশীদার রাযী হলে তবে জায়েয হবে। আর বৃষ্টির পানি দ্বারা ফসল হয় এমন জমির ঝর্ণার পানি দ্বারা ফসল হয় এমন জমির সাথে বন্টন হতে পারে যদি তা সমতুল্য হয়। এইরূপে যদি তার আরো সম্পদ থাকে এবং তা একই এলাকায় থাকে তবে প্রত্যেকের মূল্য নির্ধারিত করে এক সাথেই বন্টন করবে। ঘর ও বাড়ির একই হুকুম।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ মারা যায় এবং তার উঁচু-নীচু অনেক জমি থাকে, তবে যে জমিতে বৃষ্টির পানি দ্বারা ফসল হয় তা কূপের পানি দ্বারা যে জমিতে ফসল হয় তার সাথে সমভাবে বন্টন হবে না। অবশ্য সকল অংশীদার রাযী হলে তবে জায়েয হবে। আর বৃষ্টির পানি দ্বারা ফসল হয় এমন জমির ঝর্ণার পানি দ্বারা ফসল হয় এমন জমির সাথে বন্টন হতে পারে যদি তা সমতুল্য হয়। এইরূপে যদি তার আরো সম্পদ থাকে এবং তা একই এলাকায় থাকে তবে প্রত্যেকের মূল্য নির্ধারিত করে এক সাথেই বন্টন করবে। ঘর ও বাড়ির একই হুকুম।
قال يحيى سمعت ما لكا يقول فيمن هلك وترك أموالا بالعالية والسافلة إن البعل لا يقسم مع النضح إلا أن يرضى أهله بذلك وإن البعل يقسم مع العين إذا كان يشبهها وأن الأموال إذا كانت بأرض واحدة الذي بينهما متقارب أنه يقام كل مال منها ثم يقسم بينهم والمساكن والدور بهذه المنزلة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৩১
حدثني يحيى عن مالك عن ثور بن زيد الديلي أنه قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أيما دار أو أرض قسمت في الجاهلية فهي على قسم الجاهلية وأيما دار أو أرض أدركها الإسلام ولم تقسم فهي على قسم الإسلام.
সাওর ইবনু যায়দ দীলী (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যেকোন ঘর অথবা জমি অন্ধকার যুগে বন্টন করা হয়েছে তা সে অনুযায়ীই থাকবে। আর যেকোন ঘর অথবা জমি আজ পর্যন্ত বন্টন হয়নি তা ইসলামী বিধান অনুযায়ী বন্টিত হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাওর ইবনু যায়দ দীলী (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যেকোন ঘর অথবা জমি অন্ধকার যুগে বন্টন করা হয়েছে তা সে অনুযায়ীই থাকবে। আর যেকোন ঘর অথবা জমি আজ পর্যন্ত বন্টন হয়নি তা ইসলামী বিধান অনুযায়ী বন্টিত হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ثور بن زيد الديلي أنه قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أيما دار أو أرض قسمت في الجاهلية فهي على قسم الجاهلية وأيما دار أو أرض أدركها الإسلام ولم تقسم فهي على قسم الإسلام.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > নিজে নিজে বিচরণকারী জন্তু ও রাখালের তত্ত্বাবধানে থাকা জন্তুর ফয়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৩৩
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن حرام بن سعد بن محيصة أن ناقة للبراء بن عازب دخلت حائط رجل فأفسدت فيه فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن على أهل الحوائط حفظها بالنهار وأن ما أفسدت المواشي بالليل ضامن على أهلها.
হারাম ইবনু সা‘আদ ইবনু মুহায়্যিসা (র) থেকে বর্নিতঃ
বারা ইব্নু আযিব (রা)-এর উষ্ট্রী কারো বাগানে ঢুকে ফসলের খুব ক্ষতি করে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দিনের বেলায় বাগান হেফাজত করার জিম্মাদার বাগানের মালিক, আর রাত্রিকালে যদি জন্তু বাগানে ঢুকে ও ক্ষতি করে তবে জন্তুর মালিক তার ক্ষতি পূরণের জিম্মাদার হবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৫৭০, মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [আস সিলসিলাহ আস সহীহাহ] ২৩৮, তবে ইমাম মালিক কর্তৃকবর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
হারাম ইবনু সা‘আদ ইবনু মুহায়্যিসা (র) থেকে বর্নিতঃ
বারা ইব্নু আযিব (রা)-এর উষ্ট্রী কারো বাগানে ঢুকে ফসলের খুব ক্ষতি করে। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দিনের বেলায় বাগান হেফাজত করার জিম্মাদার বাগানের মালিক, আর রাত্রিকালে যদি জন্তু বাগানে ঢুকে ও ক্ষতি করে তবে জন্তুর মালিক তার ক্ষতি পূরণের জিম্মাদার হবে। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৫৭০, মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [আস সিলসিলাহ আস সহীহাহ] ২৩৮, তবে ইমাম মালিক কর্তৃকবর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن حرام بن سعد بن محيصة أن ناقة للبراء بن عازب دخلت حائط رجل فأفسدت فيه فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم أن على أهل الحوائط حفظها بالنهار وأن ما أفسدت المواشي بالليل ضامن على أهلها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪৩৪
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب أن رقيقا لحاطب سرقوا ناقة لرجل من مزينة فانتحروها فرفع ذلك إلى عمر بن الخطاب فأمر عمر كثير بن الصلت أن يقطع أيديهم ثم قال عمر أراك تجيعهم ثم قال عمر والله لأغرمنك غرما يشق عليك ثم قال للمزني كم ثمن ناقتك فقال المزني قد كنت والله أمنعها من أربع مائة درهم فقال عمر أعطه ثمان مائة درهم. قال يحيى سمعت ما لكا يقول وليس على هذا العمل عندنا في تضعيف القيمة ولكن مضى أمر الناس عندنا على أنه إنما يغرم الرجل قيمة البعير أو الدابة يوم يأخذها
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
একদা হাতিব (রা)-এর এক ক্রীতদাস মুযাইনাহ্ গোত্রের এক ব্যক্তির উট চুরি করে যবেহ করে ফেলে। এর মামলা উমার (রা)-এর দরবারে গেলে তিনি কাসীর ইব্নু সলত (রা)-কে নির্দেশ দিলেন যে, ঐ ক্রীতদাসের হাত কেটে ফেল। অতঃপর তিনি হাতিব (রা)-এর দিকে তাকিয়ে বললেন, আমার মনে হয় যে, তুমি ক্রীতদাসদেরকে অনাহারে রাখ, আল্লাহর কসম, আমি এর জন্য তোমার এমন জরিমানা করব যা তোমার জন্য খুব ভারী হবে। তার পর উটের মালিককে উটের মূল্য সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। সে বলল, আল্লাহর কসম, আমি তা চারশত দিরহামেও বিক্রি করতাম না। উমার (রা) হাতিবকে আটশত দিরহাম জরিমানা দিতে বললেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এদের উপর আমাদের আমল নাই কিন্তু আমাদের আমল এই কথার উপর যে, যেদিন উট খরিদ করা হয়েছে সে দিনের মূল্য দিতে হবে।
ইয়াহ্ইয়া ইবনু আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
একদা হাতিব (রা)-এর এক ক্রীতদাস মুযাইনাহ্ গোত্রের এক ব্যক্তির উট চুরি করে যবেহ করে ফেলে। এর মামলা উমার (রা)-এর দরবারে গেলে তিনি কাসীর ইব্নু সলত (রা)-কে নির্দেশ দিলেন যে, ঐ ক্রীতদাসের হাত কেটে ফেল। অতঃপর তিনি হাতিব (রা)-এর দিকে তাকিয়ে বললেন, আমার মনে হয় যে, তুমি ক্রীতদাসদেরকে অনাহারে রাখ, আল্লাহর কসম, আমি এর জন্য তোমার এমন জরিমানা করব যা তোমার জন্য খুব ভারী হবে। তার পর উটের মালিককে উটের মূল্য সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলেন। সে বলল, আল্লাহর কসম, আমি তা চারশত দিরহামেও বিক্রি করতাম না। উমার (রা) হাতিবকে আটশত দিরহাম জরিমানা দিতে বললেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এদের উপর আমাদের আমল নাই কিন্তু আমাদের আমল এই কথার উপর যে, যেদিন উট খরিদ করা হয়েছে সে দিনের মূল্য দিতে হবে।
و حدثني مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن يحيى بن عبد الرحمن بن حاطب أن رقيقا لحاطب سرقوا ناقة لرجل من مزينة فانتحروها فرفع ذلك إلى عمر بن الخطاب فأمر عمر كثير بن الصلت أن يقطع أيديهم ثم قال عمر أراك تجيعهم ثم قال عمر والله لأغرمنك غرما يشق عليك ثم قال للمزني كم ثمن ناقتك فقال المزني قد كنت والله أمنعها من أربع مائة درهم فقال عمر أعطه ثمان مائة درهم. قال يحيى سمعت ما لكا يقول وليس على هذا العمل عندنا في تضعيف القيمة ولكن مضى أمر الناس عندنا على أنه إنما يغرم الرجل قيمة البعير أو الدابة يوم يأخذها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জন্তুকে নির্যাতনের ফয়সালা
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।