মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সন্তানকে তার পিতার সাথে সম্পৃক্ত করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৯

و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أو عثمان بن عفان قضى أحدهما في امرأة غرت رجلا بنفسها وذكرت أنها حرة فتزوجها فولدت له أولادا فقضى أن يفدي ولده بمثلهم. قال يحيى سمعت ما لكا يقول والقيمة أعدل في هذا إن شاء الله.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) অথবা উসমান (রা) এই দুইজনের মধ্যে একজন এক স্ত্রীলোকের ফয়সালা করেছিলেন। সেই স্ত্রীলোকটি ধোঁকা দিয়ে একজনকে বলল, আমি আযাদ এবং তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হল। অতঃপর তাদের সন্তান হয়েছিল। ফয়সালা দেয়া হয়েছিল, স্বামী তার সন্তানের মতো বালক-বালিকা স্ত্রীলোকটির মনিবকে দিবে এবং নিজের সন্তান মুক্ত করে নিবে। মালিক (র) বলেন, এই স্থানে মূল্য দান করিয়া দেয়াই উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) অথবা উসমান (রা) এই দুইজনের মধ্যে একজন এক স্ত্রীলোকের ফয়সালা করেছিলেন। সেই স্ত্রীলোকটি ধোঁকা দিয়ে একজনকে বলল, আমি আযাদ এবং তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হল। অতঃপর তাদের সন্তান হয়েছিল। ফয়সালা দেয়া হয়েছিল, স্বামী তার সন্তানের মতো বালক-বালিকা স্ত্রীলোকটির মনিবকে দিবে এবং নিজের সন্তান মুক্ত করে নিবে। মালিক (র) বলেন, এই স্থানে মূল্য দান করিয়া দেয়াই উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أو عثمان بن عفان قضى أحدهما في امرأة غرت رجلا بنفسها وذكرت أنها حرة فتزوجها فولدت له أولادا فقضى أن يفدي ولده بمثلهم. قال يحيى سمعت ما لكا يقول والقيمة أعدل في هذا إن شاء الله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৬

قال يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه إليك قالت فلما كان عام الفتح أخذه سعد وقال ابن أخي قد كان عهد إلي فيه فقام إليه عبد بن زمعة فقال أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فتساوقا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا رسول الله ابن أخي قد كان عهد إلي فيه وقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الولد للفراش وللعاهر الحجر ثم قال لسودة بنت زمعة احتجبي منه لما رأى من شبهه بعتبة بن أبي وقاص قالت فما رآها حتى لقي الله عز وجل.

নবী করীম রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, উতবা ইব্নু আবী ওয়াক্কাস (রা) মৃত্যুর সময় তার ভাই সা‘দ ইব্নু আবী ওয়াক্কাসকে বলে গিয়েছিলেন যে, যামআ‘-এর দাসীর সন্তান আমার, তুমি তাকে নিয়ে এস। আয়িশা (রা) বলেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন সা‘দ ঐ সন্তানকে আনলেন ও গ্রহণ করলেন এবং তিনি বললেন, সে আমার ভাই-এর সন্তান। তিনি আমাকে মৃত্যুর সময় অঙ্গীকার করিয়ে ছিলেন। এইদিকে আবদ ইব্নু যামআ‘ (রা) বললেন, সে আমার ভাই এবং আমার পিতার দাসীর ছেলে ও আমার পিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। অবশেষে দুইজন বিতর্ক করে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন। সা‘দ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! সে আমার ভাইয়ের সন্তান, মৃত্যুকালে আমার ভাই আমাকে অঙ্গীকার করিয়ে গিয়েছিল। অতঃপর আবদ ইব্নু যামআ‘ বললেন, সে আমার ভাই আমার পিতার দাসীর গর্ভে ও আমার পিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। তার পর সব শুনে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হে ‘আবদ ইব্নু যামআ’, সে তোমারই ভাই, সে তোমারই কাছে থাকবে, অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সন্তান তার মাতার স্বামীর অথবা মনিবেরই হয়ে থাকে আর ব্যভিচারীর জন্য প্রস্তরই নির্ধারিত। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওদা বিনত যামআ‘কে বলেন, হে সাওদা! এ সন্তান হতে পর্দা করো, কেননা তার আকৃতি উৎবার সদৃশ। অতঃপর সে আর সাওদাকে তার মৃত্যু পর্যন্ত দেখেনি। (বুখারী ২০৫৩, মুসলিম ১৪৫৭)

নবী করীম রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন, উতবা ইব্নু আবী ওয়াক্কাস (রা) মৃত্যুর সময় তার ভাই সা‘দ ইব্নু আবী ওয়াক্কাসকে বলে গিয়েছিলেন যে, যামআ‘-এর দাসীর সন্তান আমার, তুমি তাকে নিয়ে এস। আয়িশা (রা) বলেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন সা‘দ ঐ সন্তানকে আনলেন ও গ্রহণ করলেন এবং তিনি বললেন, সে আমার ভাই-এর সন্তান। তিনি আমাকে মৃত্যুর সময় অঙ্গীকার করিয়ে ছিলেন। এইদিকে আবদ ইব্নু যামআ‘ (রা) বললেন, সে আমার ভাই এবং আমার পিতার দাসীর ছেলে ও আমার পিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। অবশেষে দুইজন বিতর্ক করে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন। সা‘দ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! সে আমার ভাইয়ের সন্তান, মৃত্যুকালে আমার ভাই আমাকে অঙ্গীকার করিয়ে গিয়েছিল। অতঃপর আবদ ইব্নু যামআ‘ বললেন, সে আমার ভাই আমার পিতার দাসীর গর্ভে ও আমার পিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। তার পর সব শুনে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হে ‘আবদ ইব্নু যামআ’, সে তোমারই ভাই, সে তোমারই কাছে থাকবে, অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সন্তান তার মাতার স্বামীর অথবা মনিবেরই হয়ে থাকে আর ব্যভিচারীর জন্য প্রস্তরই নির্ধারিত। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওদা বিনত যামআ‘কে বলেন, হে সাওদা! এ সন্তান হতে পর্দা করো, কেননা তার আকৃতি উৎবার সদৃশ। অতঃপর সে আর সাওদাকে তার মৃত্যু পর্যন্ত দেখেনি। (বুখারী ২০৫৩, মুসলিম ১৪৫৭)

قال يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه إليك قالت فلما كان عام الفتح أخذه سعد وقال ابن أخي قد كان عهد إلي فيه فقام إليه عبد بن زمعة فقال أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فتساوقا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا رسول الله ابن أخي قد كان عهد إلي فيه وقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الولد للفراش وللعاهر الحجر ثم قال لسودة بنت زمعة احتجبي منه لما رأى من شبهه بعتبة بن أبي وقاص قالت فما رآها حتى لقي الله عز وجل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৭

و حدثني مالك عن يزيد بن عبد الله بن الهادي عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن أبي أمية أن امرأة هلك عنها زوجها فاعتدت أربعة أشهر وعشرا ثم تزوجت حين حلت فمكثت عند زوجها أربعة أشهر ونصف شهر ثم ولدت ولدا تاما فجاء زوجها إلى عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فدعا عمر نسوة من نساء الجاهلية قدماء فسألهن عن ذلك فقالت امرأة منهن أنا أخبرك عن هذه المرأة هلك عنها زوجها حين حملت منه فأهريقت عليه الدماء فحش ولدها في بطنها فلما أصابها زوجها الذي نكحها وأصاب الولد الماء تحرك الولد في بطنها وكبر فصدقها عمر بن الخطاب وفرق بينهما وقال عمر أما إنه لم يبلغني عنكما إلا خير وألحق الولد بالأول.

আবদুল্লাহ ইবনু আবী উমাইয়া (রা) থেকে বর্নিতঃ

এক স্ত্রীলোকের স্বামীর ইন্তেকাল হয়। অতঃপর চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করার পর অন্য একজনের নিকট তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর সেই স্বামীর নিকট সাড়ে চার মাস অতিবাহিত করার পর তার একটি পূর্ণাঙ্গ সন্তান ভূমিষ্ঠ হল। অতঃপর তার স্বামী উমার (রা)-এর নিকট এসে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করল। উমার (রা) অন্ধকার যুগের কয়েকজন বৃদ্ধা স্ত্রীলোককে ডাকালেন এবং তাদেরকে এই সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। তখন তাদের একজন বলল, আমি আপনাকে তার বৃত্তান্ত বলিতেছি। এই স্ত্রীলোকটি তার মৃত স্বামী হতে গর্ভবতী হয়েছিল। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় তার রক্তস্রাব হল, এতে সন্তান শুকিয়ে যায়। অতঃপর দ্বিতীয় বিবাহের পর স্বামী তার সাথে সংগত হওয়ায় সন্তানের উপর পুরুষের বীর্য পতিত হয়। এতে সন্তান নড়াচড়া করে এবং বড় হতে থাকে। অতঃপর উমার (রা) তাদের কথা সত্য বলে মানলেন এবং বিবাহ ভঙ্গ করে দিলেন এবং বললেন যে, তোমাদের সম্বন্ধে কোন খারাপ কথা আমি শুনিনি। অতঃপর সন্তানটি প্রথম স্বামীর ঔরসজাত বলে সিদ্ধান্ত দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ ইবনু আবী উমাইয়া (রা) থেকে বর্নিতঃ

এক স্ত্রীলোকের স্বামীর ইন্তেকাল হয়। অতঃপর চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করার পর অন্য একজনের নিকট তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর সেই স্বামীর নিকট সাড়ে চার মাস অতিবাহিত করার পর তার একটি পূর্ণাঙ্গ সন্তান ভূমিষ্ঠ হল। অতঃপর তার স্বামী উমার (রা)-এর নিকট এসে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করল। উমার (রা) অন্ধকার যুগের কয়েকজন বৃদ্ধা স্ত্রীলোককে ডাকালেন এবং তাদেরকে এই সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। তখন তাদের একজন বলল, আমি আপনাকে তার বৃত্তান্ত বলিতেছি। এই স্ত্রীলোকটি তার মৃত স্বামী হতে গর্ভবতী হয়েছিল। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় তার রক্তস্রাব হল, এতে সন্তান শুকিয়ে যায়। অতঃপর দ্বিতীয় বিবাহের পর স্বামী তার সাথে সংগত হওয়ায় সন্তানের উপর পুরুষের বীর্য পতিত হয়। এতে সন্তান নড়াচড়া করে এবং বড় হতে থাকে। অতঃপর উমার (রা) তাদের কথা সত্য বলে মানলেন এবং বিবাহ ভঙ্গ করে দিলেন এবং বললেন যে, তোমাদের সম্বন্ধে কোন খারাপ কথা আমি শুনিনি। অতঃপর সন্তানটি প্রথম স্বামীর ঔরসজাত বলে সিদ্ধান্ত দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن يزيد بن عبد الله بن الهادي عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن أبي أمية أن امرأة هلك عنها زوجها فاعتدت أربعة أشهر وعشرا ثم تزوجت حين حلت فمكثت عند زوجها أربعة أشهر ونصف شهر ثم ولدت ولدا تاما فجاء زوجها إلى عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فدعا عمر نسوة من نساء الجاهلية قدماء فسألهن عن ذلك فقالت امرأة منهن أنا أخبرك عن هذه المرأة هلك عنها زوجها حين حملت منه فأهريقت عليه الدماء فحش ولدها في بطنها فلما أصابها زوجها الذي نكحها وأصاب الولد الماء تحرك الولد في بطنها وكبر فصدقها عمر بن الخطاب وفرق بينهما وقال عمر أما إنه لم يبلغني عنكما إلا خير وألحق الولد بالأول.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৮

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عمر بن الخطاب كان يليط أولاد الجاهلية بمن ادعاهم في الإسلام فأتى رجلان كلاهما يدعي ولد امرأة فدعا عمر بن الخطاب قائفا فنظر إليهما فقال القائف لقد اشتركا فيه فضربه عمر بن الخطاب بالدرة ثم دعا المرأة فقال أخبريني خبرك فقالت كان هذا لأحد الرجلين يأتيني وهي في إبل لأهلها فلا يفارقها حتى يظن وتظن أنه قد استمر بها حبل ثم انصرف عنها فأهريقت عليه دماء ثم خلف عليها هذا تعني الآخر فلا أدري من أيهما هو قال فكبر القائف فقال عمر للغلام وال أيهما شئت.

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) অন্ধকার যুগের সন্তানকে যদি কেউ ইসলামের যুগে দাবি করত তবে তার সাথে মিলিয়ে দিতেন। একবার দুইজন লোক একটি সন্তানকে নিজের বলে দাবি করে। অতঃপর উমার (রা) কেয়াফাবিদকে (লক্ষণ দেখে পরিচয় নির্ণয়কারী) ডেকে পাঠালেন। কেয়াফাবিশারদ সন্তানকে দেখে বলল, সন্তান দুইজনেরই। অতঃপর উমার (রা) তাকে দোররা দ্বারা আঘাত করলেন। তার পর সন্তানের মাতাকে ডেকে বললেন তোমার বৃত্তান্ত খুলে বল। সে একজনের দিকে ঈঙ্গিত করে বলল যে, সে আমার নিকট আসা-যাওয়া করত এবং আমি আমার বাড়ির উটের ঘরের কাছে থাকতাম। ঐ সময়ে সে আমার সথে সঙ্গম করত। অতঃপর সে যখন ধারণা করতে পারল যে, আমি গর্ভবতী হয়েছি তখন সে আর কাছে আসত না, আর আমার রক্তস্রাব দেখা যেত। তারপর এই দ্বিতীয়জন তার পর আমার নিকট এল। সেও আমার সাথে সঙ্গম করল। এখন আমি জানি না, এই সন্তান দুইজনের মধ্য হতে কার। ইহা শুনে কেয়াফাবিদ খুশিতে আল্লাহু আকবর (আল্লাহ্ মহান) বলে উঠল। অতঃপর উমার (রা) সন্তানকে বললেন, যার সাথে খুশি তুমি যেতে পার। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) অন্ধকার যুগের সন্তানকে যদি কেউ ইসলামের যুগে দাবি করত তবে তার সাথে মিলিয়ে দিতেন। একবার দুইজন লোক একটি সন্তানকে নিজের বলে দাবি করে। অতঃপর উমার (রা) কেয়াফাবিদকে (লক্ষণ দেখে পরিচয় নির্ণয়কারী) ডেকে পাঠালেন। কেয়াফাবিশারদ সন্তানকে দেখে বলল, সন্তান দুইজনেরই। অতঃপর উমার (রা) তাকে দোররা দ্বারা আঘাত করলেন। তার পর সন্তানের মাতাকে ডেকে বললেন তোমার বৃত্তান্ত খুলে বল। সে একজনের দিকে ঈঙ্গিত করে বলল যে, সে আমার নিকট আসা-যাওয়া করত এবং আমি আমার বাড়ির উটের ঘরের কাছে থাকতাম। ঐ সময়ে সে আমার সথে সঙ্গম করত। অতঃপর সে যখন ধারণা করতে পারল যে, আমি গর্ভবতী হয়েছি তখন সে আর কাছে আসত না, আর আমার রক্তস্রাব দেখা যেত। তারপর এই দ্বিতীয়জন তার পর আমার নিকট এল। সেও আমার সাথে সঙ্গম করল। এখন আমি জানি না, এই সন্তান দুইজনের মধ্য হতে কার। ইহা শুনে কেয়াফাবিদ খুশিতে আল্লাহু আকবর (আল্লাহ্ মহান) বলে উঠল। অতঃপর উমার (রা) সন্তানকে বললেন, যার সাথে খুশি তুমি যেতে পার। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عمر بن الخطاب كان يليط أولاد الجاهلية بمن ادعاهم في الإسلام فأتى رجلان كلاهما يدعي ولد امرأة فدعا عمر بن الخطاب قائفا فنظر إليهما فقال القائف لقد اشتركا فيه فضربه عمر بن الخطاب بالدرة ثم دعا المرأة فقال أخبريني خبرك فقالت كان هذا لأحد الرجلين يأتيني وهي في إبل لأهلها فلا يفارقها حتى يظن وتظن أنه قد استمر بها حبل ثم انصرف عنها فأهريقت عليه دماء ثم خلف عليها هذا تعني الآخر فلا أدري من أيهما هو قال فكبر القائف فقال عمر للغلام وال أيهما شئت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে সন্তানকে পিতার সাথে মিলানো হয়েছে তার মীরাসের ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২১

و حدثني مالك عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد أنها أخبرته أن عمر بن الخطاب قال ما بال رجال يطئون ولائدهم ثم يدعوهن يخرجن لا تأتيني وليدة يعترف سيدها أن قد ألم بها إلا قد ألحقت به ولدها فأرسلوهن بعد أو أمسكوهن.২৭৪৮-قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في أم الولد إذا جنت جناية ضمن سيدها ما بينها وبين قيمتها وليس له أن يسلمها وليس عليه أن يحمل من جنايتها أكثر من قيمتها.

সফিয়া বিন্ত আবী উবায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেন, মানুষের হল কি? তারা দাসীদের সাথে সহবাস করে। অতঃপর তাকে ছেড়ে দেয়। এখন হতে যদি এমন কোন দাসী আমার নিকট আসে যার মনিব তার সাথে সঙ্গম করার স্বীকারোক্তি করে তবে সন্তানের বংশ তার সাথে জুড়ে দিব। এখন তোমরা তাকে ছেড়ে দাও, চাই রেখে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এই ব্যাপারে আমার মত এই যে, যদি কোন দাসী ক্ষতিকর কার্য করে তবে তার ক্ষতিপূরণ তার মনিব আদায় করবে। দাসীকে ক্ষতির পরিবর্তে দেয়া যাবে না। কিন্তু যদি জরিমানা তার মূল্যের চাইতে বেশি হয় তবে তা ভিন্ন কথা।

সফিয়া বিন্ত আবী উবায়দ (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেন, মানুষের হল কি? তারা দাসীদের সাথে সহবাস করে। অতঃপর তাকে ছেড়ে দেয়। এখন হতে যদি এমন কোন দাসী আমার নিকট আসে যার মনিব তার সাথে সঙ্গম করার স্বীকারোক্তি করে তবে সন্তানের বংশ তার সাথে জুড়ে দিব। এখন তোমরা তাকে ছেড়ে দাও, চাই রেখে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন এই ব্যাপারে আমার মত এই যে, যদি কোন দাসী ক্ষতিকর কার্য করে তবে তার ক্ষতিপূরণ তার মনিব আদায় করবে। দাসীকে ক্ষতির পরিবর্তে দেয়া যাবে না। কিন্তু যদি জরিমানা তার মূল্যের চাইতে বেশি হয় তবে তা ভিন্ন কথা।

و حدثني مالك عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد أنها أخبرته أن عمر بن الخطاب قال ما بال رجال يطئون ولائدهم ثم يدعوهن يخرجن لا تأتيني وليدة يعترف سيدها أن قد ألم بها إلا قد ألحقت به ولدها فأرسلوهن بعد أو أمسكوهن.২৭৪৮-قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في أم الولد إذا جنت جناية ضمن سيدها ما بينها وبين قيمتها وليس له أن يسلمها وليس عليه أن يحمل من جنايتها أكثر من قيمتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২০

قال يحيى قال مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال: ما بال رجال يطئون ولائدهم ثم يعزلوهن لا تأتيني وليدة يعترف سيدها أن قد ألم بها إلا ألحقت به ولدها فاعزلوا بعد أو اتركوا.

ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেন যে, লোকদের হল কি, তারা দাসীদের সাথে সহবাস করে এবং আযল [১] করে। ভবিষ্যতে যদি কোন দাসী আমার নিকট আসে এবং তার মনিব তার সাথে সঙ্গম করার স্বীকারোক্তি করে তবে আমি ঐ সন্তানকে মনিবের সাথে মিলিত করে দিব, এখন তোমরা চাই আযল কর, চাই আযল না কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেন যে, লোকদের হল কি, তারা দাসীদের সাথে সহবাস করে এবং আযল [১] করে। ভবিষ্যতে যদি কোন দাসী আমার নিকট আসে এবং তার মনিব তার সাথে সঙ্গম করার স্বীকারোক্তি করে তবে আমি ঐ সন্তানকে মনিবের সাথে মিলিত করে দিব, এখন তোমরা চাই আযল কর, চাই আযল না কর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

قال يحيى قال مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله بن عمر عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال: ما بال رجال يطئون ولائدهم ثم يعزلوهن لا تأتيني وليدة يعترف سيدها أن قد ألم بها إلا ألحقت به ولدها فاعزلوا بعد أو اتركوا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পতিত জমিকে আবাদ করার ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৩

و حدثني مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال من أحيا أرضا ميتة فهي له قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا.

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেছেন, যদি কেউ অনাবাদী জমি আবাদ করে তা তারই হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকটও এই হুকুম।

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

উমার (রা) বলেছেন, যদি কেউ অনাবাদী জমি আবাদ করে তা তারই হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকটও এই হুকুম।

و حدثني مالك عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن أبيه أن عمر بن الخطاب قال من أحيا أرضا ميتة فهي له قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২২

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أحيا أرضا ميتة فهي له وليس لعرق ظالم حق قال مالك والعرق الظالم كل ما احتفر أو أخذ أو غرس بغير حق.

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি কেউ কোন পতিত জমি আবাদ করে তবে উহা তারই হবে। উহাতে কোন জালিমের অধিকার নেই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩০৭৩, তিরমিযী ১৩৭৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে] ৫৯৭৬, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন যে, জালিমের দখল বলতে বোঝায় যে, জবরদস্তি কোন জমিতে গর্ত খনন, কিংবা গাছ লাগান, অথবা অন্য উপায়ে কব্জা করা। অথচ তাতে তার কোন হক (অধিকার) নেই।

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি কেউ কোন পতিত জমি আবাদ করে তবে উহা তারই হবে। উহাতে কোন জালিমের অধিকার নেই। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩০৭৩, তিরমিযী ১৩৭৮, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল জামে] ৫৯৭৬, ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন যে, জালিমের দখল বলতে বোঝায় যে, জবরদস্তি কোন জমিতে গর্ত খনন, কিংবা গাছ লাগান, অথবা অন্য উপায়ে কব্জা করা। অথচ তাতে তার কোন হক (অধিকার) নেই।

حدثني يحيى عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من أحيا أرضا ميتة فهي له وليس لعرق ظالم حق قال مالك والعرق الظالم كل ما احتفر أو أخذ أو غرس بغير حق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পানির ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৬

و حدثني مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع نقع بئر.

আ‘মরাহ বিনত আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, কূপের অবশিষ্ট পানি হতে মানুষকে নিষেধ করা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আ‘মরাহ বিনত আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন যে, কূপের অবশিষ্ট পানি হতে মানুষকে নিষেধ করা উচিত নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنها أخبرته أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع نقع بئر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৫

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع فضل الماء ليمنع به الكلأ.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দরকারের চেয়ে অধিক পানি প্রদানে বিরত থাকা উচিত নয়, উক্ত এলাকায় জন্মানো ঘাস হতে (লোকজনকে) বিরত রাখার উদ্দেশ্যে। (সহীহ, বুখারী ২৩৫৩, মুসলিম ১৫৬৬)

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দরকারের চেয়ে অধিক পানি প্রদানে বিরত থাকা উচিত নয়, উক্ত এলাকায় জন্মানো ঘাস হতে (লোকজনকে) বিরত রাখার উদ্দেশ্যে। (সহীহ, বুখারী ২৩৫৩, মুসলিম ১৫৬৬)

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يمنع فضل الماء ليمنع به الكلأ.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪২৪

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في سيل مهزور ومذينب يمسك حتى الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل.

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী বাকর (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, মাহযুর ও মুযায়ানব নামক দুইটি খাল সম্বন্ধে বলেছেন যে, যার ক্ষেত খাল সংলগ্ন সে যেন টাখনু (পায়ের গোড়ালি) পর্যন্ত পানি রেখে নিম্ন এলাকার ক্ষেতসমূহের জন্য পানি ছেড়ে দেয়। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৬৩৯, ইবনু মাজাহ ২৪৮১, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, [সহীহ ও যয়ীফ মুনানে ইবনু মাজাহ] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটিতে তথা বিচ্ছন্নতা রয়েছে।)

আবদুল্লাহ্ ইবনু আবী বাকর (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, মাহযুর ও মুযায়ানব নামক দুইটি খাল সম্বন্ধে বলেছেন যে, যার ক্ষেত খাল সংলগ্ন সে যেন টাখনু (পায়ের গোড়ালি) পর্যন্ত পানি রেখে নিম্ন এলাকার ক্ষেতসমূহের জন্য পানি ছেড়ে দেয়। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৬৩৯, ইবনু মাজাহ ২৪৮১, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, [সহীহ ও যয়ীফ মুনানে ইবনু মাজাহ] তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটিতে তথা বিচ্ছন্নতা রয়েছে।)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال في سيل مهزور ومذينب يمسك حتى الكعبين ثم يرسل الأعلى على الأسفل.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00