মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইসলাম ত্যাগ করলে তার হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১২
و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن عبد القاري عن أبيه أنه قال قدم على عمر بن الخطاب رجل من قبل أبي موسى الأشعري فسأله عن الناس فأخبره ثم قال له عمر هل كان فيكم من مغربة خبر فقال نعم رجل كفر بعد إسلامه قال فما فعلتم به قال قربناه فضربنا عنقه فقال عمر أفلا حبستموه ثلاثا وأطعمتموه كل يوم رغيفا واستتبتموه لعله يتوب ويراجع أمر الله ثم قال عمر اللهم إني لم أحضر ولم آمر ولم أرض إذ بلغني
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ (র) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
আবূ মূসা আশ‘আরী (রা)-এর নিকট হতে এক ব্যক্তি উমার (রা)-এর নিকট এল। উমার (রা) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সেখানের লোকের কি অবস্থা? সে সেখানের অবস্থা বর্ণনা করল। অতঃপর উমার (রা) বললেন, সেখানের কোন অভিনব সংবাদ আছে কি? লোকটি বলল, হ্যাঁ, আছে এক ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করার পর আবার কাফের হয়ে গেছে। উমার (রা) বললেন, তোমরা তাকে কি করেছ? সে বলল, তাকে বন্দী করে শিরোশ্চেদ করেছি। উমার (রা) বললেন, তোমরা যদি তাকে তিন দিন পর্যন্ত বন্দী করে রাখতে আর শুধু ১টি রুটি খেতে দিতে এবং তাওবা করাতে তবে হয়ত সে তাওবা করত এবং আল্লাহর দ্বীনের দিকে এসে যেত। অতঃপর উমার (রা) বললেন, হে আল্লাহ্, আমি ঐ কাজে শামিল ছিলাম না, মারার হুকুমও দেইনি, কিংবা তার খবর শুনেও খুশী হইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ (র) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
আবূ মূসা আশ‘আরী (রা)-এর নিকট হতে এক ব্যক্তি উমার (রা)-এর নিকট এল। উমার (রা) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সেখানের লোকের কি অবস্থা? সে সেখানের অবস্থা বর্ণনা করল। অতঃপর উমার (রা) বললেন, সেখানের কোন অভিনব সংবাদ আছে কি? লোকটি বলল, হ্যাঁ, আছে এক ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করার পর আবার কাফের হয়ে গেছে। উমার (রা) বললেন, তোমরা তাকে কি করেছ? সে বলল, তাকে বন্দী করে শিরোশ্চেদ করেছি। উমার (রা) বললেন, তোমরা যদি তাকে তিন দিন পর্যন্ত বন্দী করে রাখতে আর শুধু ১টি রুটি খেতে দিতে এবং তাওবা করাতে তবে হয়ত সে তাওবা করত এবং আল্লাহর দ্বীনের দিকে এসে যেত। অতঃপর উমার (রা) বললেন, হে আল্লাহ্, আমি ঐ কাজে শামিল ছিলাম না, মারার হুকুমও দেইনি, কিংবা তার খবর শুনেও খুশী হইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن عبد القاري عن أبيه أنه قال قدم على عمر بن الخطاب رجل من قبل أبي موسى الأشعري فسأله عن الناس فأخبره ثم قال له عمر هل كان فيكم من مغربة خبر فقال نعم رجل كفر بعد إسلامه قال فما فعلتم به قال قربناه فضربنا عنقه فقال عمر أفلا حبستموه ثلاثا وأطعمتموه كل يوم رغيفا واستتبتموه لعله يتوب ويراجع أمر الله ثم قال عمر اللهم إني لم أحضر ولم آمر ولم أرض إذ بلغني
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১১
حدثنا يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من غير دينه فاضربوا عنقه ومعنى قول النبي صلى الله عليه وسلم فيما نرى والله أعلم من غير دينه فاضربوا عنقه أنه من خرج من الإسلام إلى غيره مثل الزنادقة وأشباههم فإن أولئك إذا ظهر عليهم قتلوا ولم يستتابوا لأنه لا تعرف توبتهم وأنهم كانوا يسرون الكفر ويعلنون الإسلام فلا أرى أن يستتاب هؤلاء ولا يقبل منهم قولهم وأما من خرج من الإسلام إلى غيره وأظهر ذلك فإنه يستتاب فإن تاب وإلا قتل وذلك لو أن قوما كانوا على ذلك رأيت أن يدعوا إلى الإسلام ويستتابوا فإن تابوا قبل ذلك منهم وإن لم يتوبوا قتلوا ولم يعن بذلك فيما نرى والله أعلم من خرج من اليهودية إلى النصرانية ولا من النصرانية إلى اليهودية ولا من يغير دينه من أهل الأديان كلها إلا الإسلام فمن خرج من الإسلام إلى غيره وأظهر ذلك فذلك الذي عني به والله أعلم.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজ দ্বীন (ধর্ম)-কে পরিবর্তন করে তার গর্দান উড়িয়ে দাও। (সহীহ, ইমাম বুখারী অন্য সনদে বর্ণনা করেন ৩০১৭, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, আমার কাছে রসূলুল্লাহ্- “এর কথা-যে দ্বীন পরিবর্তন করে ফেলে তার গর্দান উড়িয়ে দাও”-এর অর্থ এই যে, কোন মুসলমান ইসলাম ধর্ম ছেড়ে দেয় ও ধর্মত্যাগী (যিনদীক) বা এই ধরনের কিছু হয়ে যায় তবে তাদের উপর মুসলমানগণ বিজয়ী হলে তাদেরকে কতল করে দেয়ার হুকুম। তাদেরকে তাওবা করারও সময় দেয়া হবে না কারণ তাদের তাওবার কোন মূল্য নেই। যেহেতু তাদের অন্তরে কুফরী অংকিত হয়ে গিয়েছে, ফলে তারা প্রকাশ্যে ইসলাম প্রকাশ করবে এবং অন্তরে কুফরী করতে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কোন কারণে ইসলাম হতে বের হয়ে যায় তবে তাকে তাওবা করাবে। আর যদি তাওবা করতে অস্বীকার করে তবে হত্যা করে দিবে। আর যদি কোন কাফের অন্য কোন কুফরী ধর্ম গ্রহণ করে যেমন ইহুদী হতে নাসারা হয়ে গেল তবে সে তার দ্বীন পরিবর্তন করেছে বলে এই হাদীস বোঝা যায় না। এই হাদীস দ্বারা একমাত্র ইসলাম হতে বহিষ্কার হওয়ার হুকুম প্রকাশ পায়।
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজ দ্বীন (ধর্ম)-কে পরিবর্তন করে তার গর্দান উড়িয়ে দাও। (সহীহ, ইমাম বুখারী অন্য সনদে বর্ণনা করেন ৩০১৭, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, আমার কাছে রসূলুল্লাহ্- “এর কথা-যে দ্বীন পরিবর্তন করে ফেলে তার গর্দান উড়িয়ে দাও”-এর অর্থ এই যে, কোন মুসলমান ইসলাম ধর্ম ছেড়ে দেয় ও ধর্মত্যাগী (যিনদীক) বা এই ধরনের কিছু হয়ে যায় তবে তাদের উপর মুসলমানগণ বিজয়ী হলে তাদেরকে কতল করে দেয়ার হুকুম। তাদেরকে তাওবা করারও সময় দেয়া হবে না কারণ তাদের তাওবার কোন মূল্য নেই। যেহেতু তাদের অন্তরে কুফরী অংকিত হয়ে গিয়েছে, ফলে তারা প্রকাশ্যে ইসলাম প্রকাশ করবে এবং অন্তরে কুফরী করতে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কোন কারণে ইসলাম হতে বের হয়ে যায় তবে তাকে তাওবা করাবে। আর যদি তাওবা করতে অস্বীকার করে তবে হত্যা করে দিবে। আর যদি কোন কাফের অন্য কোন কুফরী ধর্ম গ্রহণ করে যেমন ইহুদী হতে নাসারা হয়ে গেল তবে সে তার দ্বীন পরিবর্তন করেছে বলে এই হাদীস বোঝা যায় না। এই হাদীস দ্বারা একমাত্র ইসলাম হতে বহিষ্কার হওয়ার হুকুম প্রকাশ পায়।
حدثنا يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من غير دينه فاضربوا عنقه ومعنى قول النبي صلى الله عليه وسلم فيما نرى والله أعلم من غير دينه فاضربوا عنقه أنه من خرج من الإسلام إلى غيره مثل الزنادقة وأشباههم فإن أولئك إذا ظهر عليهم قتلوا ولم يستتابوا لأنه لا تعرف توبتهم وأنهم كانوا يسرون الكفر ويعلنون الإسلام فلا أرى أن يستتاب هؤلاء ولا يقبل منهم قولهم وأما من خرج من الإسلام إلى غيره وأظهر ذلك فإنه يستتاب فإن تاب وإلا قتل وذلك لو أن قوما كانوا على ذلك رأيت أن يدعوا إلى الإسلام ويستتابوا فإن تابوا قبل ذلك منهم وإن لم يتوبوا قتلوا ولم يعن بذلك فيما نرى والله أعلم من خرج من اليهودية إلى النصرانية ولا من النصرانية إلى اليهودية ولا من يغير دينه من أهل الأديان كلها إلا الإسلام فمن خرج من الإسلام إلى غيره وأظهر ذلك فذلك الذي عني به والله أعلم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কেউ যদি নিজ স্ত্রীর সাথে অপর পুরুষকে দেখে তবে তার ফয়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৪
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن رجلا من أهل الشام يقال له ابن خيبري وجد مع امرأته رجلا فقتله أو قتلهما معا فأشكل على معاوية بن أبي سفيان القضاء فيه فكتب إلى أبي موسى الأشعري يسأل له علي بن أبي طالب عن ذلك فسأل أبو موسى عن ذلك علي بن أبي طالب فقال له علي إن هذا الشيء ما هو بأرضي عزمت عليك لتخبرني فقال له أبو موسى كتب إلي معاوية بن أبي سفيان أن أسألك عن ذلك فقال علي أنا أبو حسن إن لم يأت بأربعة شهداء فليعط برمته.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব থেকে বর্নিতঃ
একজন সিরিয়াবাসী তার স্ত্রীর সাথে অপর একজনকে (লিপ্ত) দেখতে পেয়ে তাকে অথবা দুইজনকেই মেরে ফেলল। মু‘আবিয়া (রা) আবূ মূসা আশ‘আরী (রা)-এর নিকট লিখে পাঠালেন যে, আলী (রা)-এর নিকট জিজ্ঞেস করে আমাকে জানাও তার কি সমাধান? অতঃপর আবূ মূসা (রা) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা আমার দেশের বলে মনে হয় না। সত্য করে বল কোন দেশের ঘটনা, (আমার মনে হয় তুমি আমাকে পরীক্ষা করিতেছ)। আবূ মূসা (রা) বললেন, আমার নিকট আবূ সুফিয়ানের পুত্র মুআবিয়া চিঠি লিখেছেন এ বিষয়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করার জন্য। আলী (রা) বললেন আমি হলাম আবুল হাসান (হাসানের পিতা) যদি চার জন সাক্ষী না আনতে পারে তবে যেন তাকে (হত্যাকারীকে) উত্তমরূপে বন্দী করা হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব থেকে বর্নিতঃ
একজন সিরিয়াবাসী তার স্ত্রীর সাথে অপর একজনকে (লিপ্ত) দেখতে পেয়ে তাকে অথবা দুইজনকেই মেরে ফেলল। মু‘আবিয়া (রা) আবূ মূসা আশ‘আরী (রা)-এর নিকট লিখে পাঠালেন যে, আলী (রা)-এর নিকট জিজ্ঞেস করে আমাকে জানাও তার কি সমাধান? অতঃপর আবূ মূসা (রা) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বলেন, এই ঘটনা আমার দেশের বলে মনে হয় না। সত্য করে বল কোন দেশের ঘটনা, (আমার মনে হয় তুমি আমাকে পরীক্ষা করিতেছ)। আবূ মূসা (রা) বললেন, আমার নিকট আবূ সুফিয়ানের পুত্র মুআবিয়া চিঠি লিখেছেন এ বিষয়ে আপনাকে জিজ্ঞেস করার জন্য। আলী (রা) বললেন আমি হলাম আবুল হাসান (হাসানের পিতা) যদি চার জন সাক্ষী না আনতে পারে তবে যেন তাকে (হত্যাকারীকে) উত্তমরূপে বন্দী করা হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن رجلا من أهل الشام يقال له ابن خيبري وجد مع امرأته رجلا فقتله أو قتلهما معا فأشكل على معاوية بن أبي سفيان القضاء فيه فكتب إلى أبي موسى الأشعري يسأل له علي بن أبي طالب عن ذلك فسأل أبو موسى عن ذلك علي بن أبي طالب فقال له علي إن هذا الشيء ما هو بأرضي عزمت عليك لتخبرني فقال له أبو موسى كتب إلي معاوية بن أبي سفيان أن أسألك عن ذلك فقال علي أنا أبو حسن إن لم يأت بأربعة شهداء فليعط برمته.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৩
حدثنا يحيى عن مالك عن سهيل بن أبي صالح السمان عن أبيه عن أبي هريرة أن سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت إن وجدت مع امرأتي رجلا أأمهله حتى آتي بأربعة شهداء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
সা‘দ ইব্নু উবাদা (রা) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, আমি যদি আমার স্ত্রীর সাথে অপর লোককে দেখি তবে কি তাকে সময় দিব যতক্ষণ চারজন সাক্ষী যোগাড় না করতে পারি? উত্তরে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। (সহীহ, মুসলিম ১৪৯৮)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
সা‘দ ইব্নু উবাদা (রা) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, আমি যদি আমার স্ত্রীর সাথে অপর লোককে দেখি তবে কি তাকে সময় দিব যতক্ষণ চারজন সাক্ষী যোগাড় না করতে পারি? উত্তরে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হ্যাঁ। (সহীহ, মুসলিম ১৪৯৮)
حدثنا يحيى عن مالك عن سهيل بن أبي صالح السمان عن أبيه عن أبي هريرة أن سعد بن عبادة قال لرسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت إن وجدت مع امرأتي رجلا أأمهله حتى آتي بأربعة شهداء فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফেলে দেয়া শিশুর ফয়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৫
قال يحيى قال مالك عن ابن شهاب عن سنين أبي جميلة رجل من بني سليم أنه وجد منبوذا في زمان عمر بن الخطاب قال فجئت به إلى عمر بن الخطاب فقال ما حملك على أخذ هذه النسمة فقال وجدتها ضائعة فأخذتها فقال له عريفه يا أمير المؤمنين إنه رجل صالح فقال له عمر أكذلك قال نعم فقال عمر بن الخطاب اذهب فهو حر ولك ولاؤه وعلينا نفقته. قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في المنبوذ أنه حر وأن ولاءه للمسلمين هم يرثونه ويعقلون عنه.
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
সুনাইন ইব্নু আবী জমিলা (র) বনী সুলায়মান বংশোদ্ভূত, তিনি উমার (রা)-এর জামানায় ফেলে দেয়া একটি শিশু পেয়েছিলেন। তিনি বলেন যে, তাকে আমি উঠিয়ে উমার (রা)-এর দরবারে হাযির হলাম। উমার (রা) বললেন, তুমি তাকে কেন উঠিয়েছ? তিনি বললেন, আমি তাকে উঠিয়ে না আনলে সে ধ্বংস হয়ে যেত। এমন সময় পরিচিত এক ব্যক্তি বলল, হে আমিরুল মু‘মিনীন, আমি এই ব্যক্তিকে চিনি, সে খুব নেককার লোক। উমার (রা) বললেন, সত্যই কি সে নেককার? সে বলল, হ্যাঁ। অতঃপর উমার (রা) বললেন, তুমি চলে যাও, এই সন্তান আযাদ (মুক্ত), তুমি তার অভিভাবকত্ব পাবে। আর আমরা তার খরচাদি বহন করব। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট হারানো প্রাপ্ত সন্তান আযাদ। তার অভিভাবকত্ব মুসলমানদের জন্য, তারাই তার উত্তরাধিকারী এবং তারাই তার পক্ষ হতে দীয়্যত (ক্ষতিপূরণ) দেবে।
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
সুনাইন ইব্নু আবী জমিলা (র) বনী সুলায়মান বংশোদ্ভূত, তিনি উমার (রা)-এর জামানায় ফেলে দেয়া একটি শিশু পেয়েছিলেন। তিনি বলেন যে, তাকে আমি উঠিয়ে উমার (রা)-এর দরবারে হাযির হলাম। উমার (রা) বললেন, তুমি তাকে কেন উঠিয়েছ? তিনি বললেন, আমি তাকে উঠিয়ে না আনলে সে ধ্বংস হয়ে যেত। এমন সময় পরিচিত এক ব্যক্তি বলল, হে আমিরুল মু‘মিনীন, আমি এই ব্যক্তিকে চিনি, সে খুব নেককার লোক। উমার (রা) বললেন, সত্যই কি সে নেককার? সে বলল, হ্যাঁ। অতঃপর উমার (রা) বললেন, তুমি চলে যাও, এই সন্তান আযাদ (মুক্ত), তুমি তার অভিভাবকত্ব পাবে। আর আমরা তার খরচাদি বহন করব। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট হারানো প্রাপ্ত সন্তান আযাদ। তার অভিভাবকত্ব মুসলমানদের জন্য, তারাই তার উত্তরাধিকারী এবং তারাই তার পক্ষ হতে দীয়্যত (ক্ষতিপূরণ) দেবে।
قال يحيى قال مالك عن ابن شهاب عن سنين أبي جميلة رجل من بني سليم أنه وجد منبوذا في زمان عمر بن الخطاب قال فجئت به إلى عمر بن الخطاب فقال ما حملك على أخذ هذه النسمة فقال وجدتها ضائعة فأخذتها فقال له عريفه يا أمير المؤمنين إنه رجل صالح فقال له عمر أكذلك قال نعم فقال عمر بن الخطاب اذهب فهو حر ولك ولاؤه وعلينا نفقته. قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في المنبوذ أنه حر وأن ولاءه للمسلمين هم يرثونه ويعقلون عنه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সন্তানকে তার পিতার সাথে সম্পৃক্ত করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৯
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أو عثمان بن عفان قضى أحدهما في امرأة غرت رجلا بنفسها وذكرت أنها حرة فتزوجها فولدت له أولادا فقضى أن يفدي ولده بمثلهم. قال يحيى سمعت ما لكا يقول والقيمة أعدل في هذا إن شاء الله.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) অথবা উসমান (রা) এই দুইজনের মধ্যে একজন এক স্ত্রীলোকের ফয়সালা করেছিলেন। সেই স্ত্রীলোকটি ধোঁকা দিয়ে একজনকে বলল, আমি আযাদ এবং তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হল। অতঃপর তাদের সন্তান হয়েছিল। ফয়সালা দেয়া হয়েছিল, স্বামী তার সন্তানের মতো বালক-বালিকা স্ত্রীলোকটির মনিবকে দিবে এবং নিজের সন্তান মুক্ত করে নিবে। মালিক (র) বলেন, এই স্থানে মূল্য দান করিয়া দেয়াই উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) অথবা উসমান (রা) এই দুইজনের মধ্যে একজন এক স্ত্রীলোকের ফয়সালা করেছিলেন। সেই স্ত্রীলোকটি ধোঁকা দিয়ে একজনকে বলল, আমি আযাদ এবং তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হল। অতঃপর তাদের সন্তান হয়েছিল। ফয়সালা দেয়া হয়েছিল, স্বামী তার সন্তানের মতো বালক-বালিকা স্ত্রীলোকটির মনিবকে দিবে এবং নিজের সন্তান মুক্ত করে নিবে। মালিক (র) বলেন, এই স্থানে মূল্য দান করিয়া দেয়াই উত্তম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب أو عثمان بن عفان قضى أحدهما في امرأة غرت رجلا بنفسها وذكرت أنها حرة فتزوجها فولدت له أولادا فقضى أن يفدي ولده بمثلهم. قال يحيى سمعت ما لكا يقول والقيمة أعدل في هذا إن شاء الله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৬
قال يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه إليك قالت فلما كان عام الفتح أخذه سعد وقال ابن أخي قد كان عهد إلي فيه فقام إليه عبد بن زمعة فقال أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فتساوقا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا رسول الله ابن أخي قد كان عهد إلي فيه وقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الولد للفراش وللعاهر الحجر ثم قال لسودة بنت زمعة احتجبي منه لما رأى من شبهه بعتبة بن أبي وقاص قالت فما رآها حتى لقي الله عز وجل.
নবী করীম রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, উতবা ইব্নু আবী ওয়াক্কাস (রা) মৃত্যুর সময় তার ভাই সা‘দ ইব্নু আবী ওয়াক্কাসকে বলে গিয়েছিলেন যে, যামআ‘-এর দাসীর সন্তান আমার, তুমি তাকে নিয়ে এস। আয়িশা (রা) বলেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন সা‘দ ঐ সন্তানকে আনলেন ও গ্রহণ করলেন এবং তিনি বললেন, সে আমার ভাই-এর সন্তান। তিনি আমাকে মৃত্যুর সময় অঙ্গীকার করিয়ে ছিলেন। এইদিকে আবদ ইব্নু যামআ‘ (রা) বললেন, সে আমার ভাই এবং আমার পিতার দাসীর ছেলে ও আমার পিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। অবশেষে দুইজন বিতর্ক করে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন। সা‘দ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! সে আমার ভাইয়ের সন্তান, মৃত্যুকালে আমার ভাই আমাকে অঙ্গীকার করিয়ে গিয়েছিল। অতঃপর আবদ ইব্নু যামআ‘ বললেন, সে আমার ভাই আমার পিতার দাসীর গর্ভে ও আমার পিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। তার পর সব শুনে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হে ‘আবদ ইব্নু যামআ’, সে তোমারই ভাই, সে তোমারই কাছে থাকবে, অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সন্তান তার মাতার স্বামীর অথবা মনিবেরই হয়ে থাকে আর ব্যভিচারীর জন্য প্রস্তরই নির্ধারিত। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওদা বিনত যামআ‘কে বলেন, হে সাওদা! এ সন্তান হতে পর্দা করো, কেননা তার আকৃতি উৎবার সদৃশ। অতঃপর সে আর সাওদাকে তার মৃত্যু পর্যন্ত দেখেনি। (বুখারী ২০৫৩, মুসলিম ১৪৫৭)
নবী করীম রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেছেন, উতবা ইব্নু আবী ওয়াক্কাস (রা) মৃত্যুর সময় তার ভাই সা‘দ ইব্নু আবী ওয়াক্কাসকে বলে গিয়েছিলেন যে, যামআ‘-এর দাসীর সন্তান আমার, তুমি তাকে নিয়ে এস। আয়িশা (রা) বলেন যে, মক্কা বিজয়ের দিন সা‘দ ঐ সন্তানকে আনলেন ও গ্রহণ করলেন এবং তিনি বললেন, সে আমার ভাই-এর সন্তান। তিনি আমাকে মৃত্যুর সময় অঙ্গীকার করিয়ে ছিলেন। এইদিকে আবদ ইব্নু যামআ‘ (রা) বললেন, সে আমার ভাই এবং আমার পিতার দাসীর ছেলে ও আমার পিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। অবশেষে দুইজন বিতর্ক করে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন। সা‘দ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! সে আমার ভাইয়ের সন্তান, মৃত্যুকালে আমার ভাই আমাকে অঙ্গীকার করিয়ে গিয়েছিল। অতঃপর আবদ ইব্নু যামআ‘ বললেন, সে আমার ভাই আমার পিতার দাসীর গর্ভে ও আমার পিতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। তার পর সব শুনে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘হে ‘আবদ ইব্নু যামআ’, সে তোমারই ভাই, সে তোমারই কাছে থাকবে, অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সন্তান তার মাতার স্বামীর অথবা মনিবেরই হয়ে থাকে আর ব্যভিচারীর জন্য প্রস্তরই নির্ধারিত। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাওদা বিনত যামআ‘কে বলেন, হে সাওদা! এ সন্তান হতে পর্দা করো, কেননা তার আকৃতি উৎবার সদৃশ। অতঃপর সে আর সাওদাকে তার মৃত্যু পর্যন্ত দেখেনি। (বুখারী ২০৫৩, মুসলিম ১৪৫৭)
قال يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان عتبة بن أبي وقاص عهد إلى أخيه سعد بن أبي وقاص أن ابن وليدة زمعة مني فاقبضه إليك قالت فلما كان عام الفتح أخذه سعد وقال ابن أخي قد كان عهد إلي فيه فقام إليه عبد بن زمعة فقال أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فتساوقا إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال سعد يا رسول الله ابن أخي قد كان عهد إلي فيه وقال عبد بن زمعة أخي وابن وليدة أبي ولد على فراشه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم هو لك يا عبد بن زمعة ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الولد للفراش وللعاهر الحجر ثم قال لسودة بنت زمعة احتجبي منه لما رأى من شبهه بعتبة بن أبي وقاص قالت فما رآها حتى لقي الله عز وجل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৭
و حدثني مالك عن يزيد بن عبد الله بن الهادي عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن أبي أمية أن امرأة هلك عنها زوجها فاعتدت أربعة أشهر وعشرا ثم تزوجت حين حلت فمكثت عند زوجها أربعة أشهر ونصف شهر ثم ولدت ولدا تاما فجاء زوجها إلى عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فدعا عمر نسوة من نساء الجاهلية قدماء فسألهن عن ذلك فقالت امرأة منهن أنا أخبرك عن هذه المرأة هلك عنها زوجها حين حملت منه فأهريقت عليه الدماء فحش ولدها في بطنها فلما أصابها زوجها الذي نكحها وأصاب الولد الماء تحرك الولد في بطنها وكبر فصدقها عمر بن الخطاب وفرق بينهما وقال عمر أما إنه لم يبلغني عنكما إلا خير وألحق الولد بالأول.
আবদুল্লাহ ইবনু আবী উমাইয়া (রা) থেকে বর্নিতঃ
এক স্ত্রীলোকের স্বামীর ইন্তেকাল হয়। অতঃপর চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করার পর অন্য একজনের নিকট তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর সেই স্বামীর নিকট সাড়ে চার মাস অতিবাহিত করার পর তার একটি পূর্ণাঙ্গ সন্তান ভূমিষ্ঠ হল। অতঃপর তার স্বামী উমার (রা)-এর নিকট এসে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করল। উমার (রা) অন্ধকার যুগের কয়েকজন বৃদ্ধা স্ত্রীলোককে ডাকালেন এবং তাদেরকে এই সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। তখন তাদের একজন বলল, আমি আপনাকে তার বৃত্তান্ত বলিতেছি। এই স্ত্রীলোকটি তার মৃত স্বামী হতে গর্ভবতী হয়েছিল। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় তার রক্তস্রাব হল, এতে সন্তান শুকিয়ে যায়। অতঃপর দ্বিতীয় বিবাহের পর স্বামী তার সাথে সংগত হওয়ায় সন্তানের উপর পুরুষের বীর্য পতিত হয়। এতে সন্তান নড়াচড়া করে এবং বড় হতে থাকে। অতঃপর উমার (রা) তাদের কথা সত্য বলে মানলেন এবং বিবাহ ভঙ্গ করে দিলেন এবং বললেন যে, তোমাদের সম্বন্ধে কোন খারাপ কথা আমি শুনিনি। অতঃপর সন্তানটি প্রথম স্বামীর ঔরসজাত বলে সিদ্ধান্ত দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু আবী উমাইয়া (রা) থেকে বর্নিতঃ
এক স্ত্রীলোকের স্বামীর ইন্তেকাল হয়। অতঃপর চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করার পর অন্য একজনের নিকট তার বিবাহ হয়। বিবাহের পর সেই স্বামীর নিকট সাড়ে চার মাস অতিবাহিত করার পর তার একটি পূর্ণাঙ্গ সন্তান ভূমিষ্ঠ হল। অতঃপর তার স্বামী উমার (রা)-এর নিকট এসে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করল। উমার (রা) অন্ধকার যুগের কয়েকজন বৃদ্ধা স্ত্রীলোককে ডাকালেন এবং তাদেরকে এই সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন। তখন তাদের একজন বলল, আমি আপনাকে তার বৃত্তান্ত বলিতেছি। এই স্ত্রীলোকটি তার মৃত স্বামী হতে গর্ভবতী হয়েছিল। সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় তার রক্তস্রাব হল, এতে সন্তান শুকিয়ে যায়। অতঃপর দ্বিতীয় বিবাহের পর স্বামী তার সাথে সংগত হওয়ায় সন্তানের উপর পুরুষের বীর্য পতিত হয়। এতে সন্তান নড়াচড়া করে এবং বড় হতে থাকে। অতঃপর উমার (রা) তাদের কথা সত্য বলে মানলেন এবং বিবাহ ভঙ্গ করে দিলেন এবং বললেন যে, তোমাদের সম্বন্ধে কোন খারাপ কথা আমি শুনিনি। অতঃপর সন্তানটি প্রথম স্বামীর ঔরসজাত বলে সিদ্ধান্ত দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن يزيد بن عبد الله بن الهادي عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي عن سليمان بن يسار عن عبد الله بن أبي أمية أن امرأة هلك عنها زوجها فاعتدت أربعة أشهر وعشرا ثم تزوجت حين حلت فمكثت عند زوجها أربعة أشهر ونصف شهر ثم ولدت ولدا تاما فجاء زوجها إلى عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فدعا عمر نسوة من نساء الجاهلية قدماء فسألهن عن ذلك فقالت امرأة منهن أنا أخبرك عن هذه المرأة هلك عنها زوجها حين حملت منه فأهريقت عليه الدماء فحش ولدها في بطنها فلما أصابها زوجها الذي نكحها وأصاب الولد الماء تحرك الولد في بطنها وكبر فصدقها عمر بن الخطاب وفرق بينهما وقال عمر أما إنه لم يبلغني عنكما إلا خير وألحق الولد بالأول.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১৮
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عمر بن الخطاب كان يليط أولاد الجاهلية بمن ادعاهم في الإسلام فأتى رجلان كلاهما يدعي ولد امرأة فدعا عمر بن الخطاب قائفا فنظر إليهما فقال القائف لقد اشتركا فيه فضربه عمر بن الخطاب بالدرة ثم دعا المرأة فقال أخبريني خبرك فقالت كان هذا لأحد الرجلين يأتيني وهي في إبل لأهلها فلا يفارقها حتى يظن وتظن أنه قد استمر بها حبل ثم انصرف عنها فأهريقت عليه دماء ثم خلف عليها هذا تعني الآخر فلا أدري من أيهما هو قال فكبر القائف فقال عمر للغلام وال أيهما شئت.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) অন্ধকার যুগের সন্তানকে যদি কেউ ইসলামের যুগে দাবি করত তবে তার সাথে মিলিয়ে দিতেন। একবার দুইজন লোক একটি সন্তানকে নিজের বলে দাবি করে। অতঃপর উমার (রা) কেয়াফাবিদকে (লক্ষণ দেখে পরিচয় নির্ণয়কারী) ডেকে পাঠালেন। কেয়াফাবিশারদ সন্তানকে দেখে বলল, সন্তান দুইজনেরই। অতঃপর উমার (রা) তাকে দোররা দ্বারা আঘাত করলেন। তার পর সন্তানের মাতাকে ডেকে বললেন তোমার বৃত্তান্ত খুলে বল। সে একজনের দিকে ঈঙ্গিত করে বলল যে, সে আমার নিকট আসা-যাওয়া করত এবং আমি আমার বাড়ির উটের ঘরের কাছে থাকতাম। ঐ সময়ে সে আমার সথে সঙ্গম করত। অতঃপর সে যখন ধারণা করতে পারল যে, আমি গর্ভবতী হয়েছি তখন সে আর কাছে আসত না, আর আমার রক্তস্রাব দেখা যেত। তারপর এই দ্বিতীয়জন তার পর আমার নিকট এল। সেও আমার সাথে সঙ্গম করল। এখন আমি জানি না, এই সন্তান দুইজনের মধ্য হতে কার। ইহা শুনে কেয়াফাবিদ খুশিতে আল্লাহু আকবর (আল্লাহ্ মহান) বলে উঠল। অতঃপর উমার (রা) সন্তানকে বললেন, যার সাথে খুশি তুমি যেতে পার। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার (রা) অন্ধকার যুগের সন্তানকে যদি কেউ ইসলামের যুগে দাবি করত তবে তার সাথে মিলিয়ে দিতেন। একবার দুইজন লোক একটি সন্তানকে নিজের বলে দাবি করে। অতঃপর উমার (রা) কেয়াফাবিদকে (লক্ষণ দেখে পরিচয় নির্ণয়কারী) ডেকে পাঠালেন। কেয়াফাবিশারদ সন্তানকে দেখে বলল, সন্তান দুইজনেরই। অতঃপর উমার (রা) তাকে দোররা দ্বারা আঘাত করলেন। তার পর সন্তানের মাতাকে ডেকে বললেন তোমার বৃত্তান্ত খুলে বল। সে একজনের দিকে ঈঙ্গিত করে বলল যে, সে আমার নিকট আসা-যাওয়া করত এবং আমি আমার বাড়ির উটের ঘরের কাছে থাকতাম। ঐ সময়ে সে আমার সথে সঙ্গম করত। অতঃপর সে যখন ধারণা করতে পারল যে, আমি গর্ভবতী হয়েছি তখন সে আর কাছে আসত না, আর আমার রক্তস্রাব দেখা যেত। তারপর এই দ্বিতীয়জন তার পর আমার নিকট এল। সেও আমার সাথে সঙ্গম করল। এখন আমি জানি না, এই সন্তান দুইজনের মধ্য হতে কার। ইহা শুনে কেয়াফাবিদ খুশিতে আল্লাহু আকবর (আল্লাহ্ মহান) বলে উঠল। অতঃপর উমার (রা) সন্তানকে বললেন, যার সাথে খুশি তুমি যেতে পার। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عمر بن الخطاب كان يليط أولاد الجاهلية بمن ادعاهم في الإسلام فأتى رجلان كلاهما يدعي ولد امرأة فدعا عمر بن الخطاب قائفا فنظر إليهما فقال القائف لقد اشتركا فيه فضربه عمر بن الخطاب بالدرة ثم دعا المرأة فقال أخبريني خبرك فقالت كان هذا لأحد الرجلين يأتيني وهي في إبل لأهلها فلا يفارقها حتى يظن وتظن أنه قد استمر بها حبل ثم انصرف عنها فأهريقت عليه دماء ثم خلف عليها هذا تعني الآخر فلا أدري من أيهما هو قال فكبر القائف فقال عمر للغلام وال أيهما شئت.