মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জন্তুর ভাড়া এবং তার উপর অত্যচার করার ফয়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في الرجل يستكري الدابة إلى المكان المسمى ثم يتعدى ذلك المكان ويتقدم إن رب الدابة يخير فإن أحب أن يأخذ كراء دابته إلى المكان الذي تعدي بها إليه أعطي ذلك ويقبض دابته وله الكراء الأول وإن أحب رب الدابة فله قيمة دابته من المكان الذي تعدى منه المستكري وله الكراء الأول إن كان استكرى الدابة البدأة فإن كان استكراها ذاهبا وراجعا ثم تعدى حين بلغ البلد الذي استكرى إليه فإنما لرب الدابة نصف الكراء الأول وذلك أن الكراء نصفه في البدأة ونصفه في الرجعة فتعدى المتعدي بالدابة ولم يجب عليه إلا نصف الكراء الأول ولو أن الدابة هلكت حين بلغ بها البلد الذي استكرى إليه لم يكن على المستكري ضمان ولم يكن للمكري إلا نصف الكراء قال وعلى ذلك أمر أهل التعدي والخلاف لما أخذوا الدابة عليه قال وكذلك أيضا من أخذ مالا قراضا من صاحبه فقال له رب المال لا تشتر به حيوانا ولا سلعا كذا وكذا لسلع يسميها وينهاه عنها ويكره أن يضع ماله فيها فيشتري الذي أخذ المال الذي نهي عنه يريد بذلك أن يضمن المال ويذهب بربح صاحبه فإذا صنع ذلك فرب المال بالخيار إن أحب أن يدخل معه في السلعة على ما شرطا بينهما من الربح فعل وإن أحب فله رأس ماله ضامنا على الذي أخذ المال وتعدى قال وكذلك أيضا الرجل يبضع معه الرجل بضاعة فيأمره صاحب المال أن يشتري له سلعة باسمها فيخالف فيشتري ببضاعته غير ما أمره به ويتعدى ذلك فإن صاحب البضاعة عليه بالخيار إن أحب أن يأخذ ما اشتري بماله أخذه وإن أحب أن يكون المبضع معه ضامنا لرأس ماله فذلك له
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ কোন জন্তু ভাড়া নেয় কোন স্থান পর্যন্ত, তার পর ঐ স্থানের আরো আগে চলে যায় তবে জন্তুর মালিকের ইখতিয়ার আছে, সে যতদূর অগ্রসর হয়েছে তার ভাড়া নিবে অথবা ঐ দিনের যা মূল্য হয় এবং ঐ স্থানের ভাড়াসহ ভাড়াটিয়ার নিকট হতে নিতে পারবে। যদি শুধু যাওয়ার ভাড়া নির্ধারিত হয়, তবে এই হুকুম, আর যদি ফিরবার ভাড়ার কথাও থাকে তবে তা হতে অর্ধেক নিবে কেননা অর্ধেক যাওয়ার ছিল, আর অর্ধেক ফিরবার ছিল। অতঃপর যখন ভাড়াটিয়া সীমালংঘন করল তখন তার উপর অর্ধেক ভাড়া ওয়াজিব হয়েছিল। আর যদি আসা-যাওয়ার জন্য জন্তু ভাড়া করে থাকে এবং গন্তব্য স্থানে যাওয়ার পর জন্তু মরে যায় তবে ভাড়াটিয়ার উপরে কোন জরিমানা করা যাবে না এবং মালিক শুধু অর্ধেক ভাড়া পাবে। এমনিভাবে পুঁজিপতি কারবারীকে বলল যে, অমুক মাল খরিদ করতে পারবে না যেমন বিশেষ জন্তু। অতঃপর কারবারী মনে করল যে, খরিদ করলে আমিই দায়ী হব এবং যা লাভ হবে সমস্তই আমি আত্মসাৎ করব। এই মনে করে এ নিষিদ্ধ মালই খরিদ করল, তবে এখন পুঁজিপতির ইচ্ছা সে তার সাথে কারবারে শরীক থেকে লাভের অংশও গ্রহণ করতে পারে অথবা নিজের আসল পুঁজি ফিরিয়ে নিতে পারে। মালিক (র) বলেন যে, এইরূপে মাল খরিদ করার ব্যাপারে পুঁজিপতি যদি বলে যে, অমুক বস্তু খরিদ করো, আর সে অন্য মাল খরিদ করে, তা হলেও পুঁজিপতির ইচ্ছা, যা খরিদ করেছে তা গ্রহণও করতে পারে, আবার মাল না নিয়ে আসল মূলধন ফেরতও নিতে পারে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ কোন জন্তু ভাড়া নেয় কোন স্থান পর্যন্ত, তার পর ঐ স্থানের আরো আগে চলে যায় তবে জন্তুর মালিকের ইখতিয়ার আছে, সে যতদূর অগ্রসর হয়েছে তার ভাড়া নিবে অথবা ঐ দিনের যা মূল্য হয় এবং ঐ স্থানের ভাড়াসহ ভাড়াটিয়ার নিকট হতে নিতে পারবে। যদি শুধু যাওয়ার ভাড়া নির্ধারিত হয়, তবে এই হুকুম, আর যদি ফিরবার ভাড়ার কথাও থাকে তবে তা হতে অর্ধেক নিবে কেননা অর্ধেক যাওয়ার ছিল, আর অর্ধেক ফিরবার ছিল। অতঃপর যখন ভাড়াটিয়া সীমালংঘন করল তখন তার উপর অর্ধেক ভাড়া ওয়াজিব হয়েছিল। আর যদি আসা-যাওয়ার জন্য জন্তু ভাড়া করে থাকে এবং গন্তব্য স্থানে যাওয়ার পর জন্তু মরে যায় তবে ভাড়াটিয়ার উপরে কোন জরিমানা করা যাবে না এবং মালিক শুধু অর্ধেক ভাড়া পাবে। এমনিভাবে পুঁজিপতি কারবারীকে বলল যে, অমুক মাল খরিদ করতে পারবে না যেমন বিশেষ জন্তু। অতঃপর কারবারী মনে করল যে, খরিদ করলে আমিই দায়ী হব এবং যা লাভ হবে সমস্তই আমি আত্মসাৎ করব। এই মনে করে এ নিষিদ্ধ মালই খরিদ করল, তবে এখন পুঁজিপতির ইচ্ছা সে তার সাথে কারবারে শরীক থেকে লাভের অংশও গ্রহণ করতে পারে অথবা নিজের আসল পুঁজি ফিরিয়ে নিতে পারে। মালিক (র) বলেন যে, এইরূপে মাল খরিদ করার ব্যাপারে পুঁজিপতি যদি বলে যে, অমুক বস্তু খরিদ করো, আর সে অন্য মাল খরিদ করে, তা হলেও পুঁজিপতির ইচ্ছা, যা খরিদ করেছে তা গ্রহণও করতে পারে, আবার মাল না নিয়ে আসল মূলধন ফেরতও নিতে পারে।
قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في الرجل يستكري الدابة إلى المكان المسمى ثم يتعدى ذلك المكان ويتقدم إن رب الدابة يخير فإن أحب أن يأخذ كراء دابته إلى المكان الذي تعدي بها إليه أعطي ذلك ويقبض دابته وله الكراء الأول وإن أحب رب الدابة فله قيمة دابته من المكان الذي تعدى منه المستكري وله الكراء الأول إن كان استكرى الدابة البدأة فإن كان استكراها ذاهبا وراجعا ثم تعدى حين بلغ البلد الذي استكرى إليه فإنما لرب الدابة نصف الكراء الأول وذلك أن الكراء نصفه في البدأة ونصفه في الرجعة فتعدى المتعدي بالدابة ولم يجب عليه إلا نصف الكراء الأول ولو أن الدابة هلكت حين بلغ بها البلد الذي استكرى إليه لم يكن على المستكري ضمان ولم يكن للمكري إلا نصف الكراء قال وعلى ذلك أمر أهل التعدي والخلاف لما أخذوا الدابة عليه قال وكذلك أيضا من أخذ مالا قراضا من صاحبه فقال له رب المال لا تشتر به حيوانا ولا سلعا كذا وكذا لسلع يسميها وينهاه عنها ويكره أن يضع ماله فيها فيشتري الذي أخذ المال الذي نهي عنه يريد بذلك أن يضمن المال ويذهب بربح صاحبه فإذا صنع ذلك فرب المال بالخيار إن أحب أن يدخل معه في السلعة على ما شرطا بينهما من الربح فعل وإن أحب فله رأس ماله ضامنا على الذي أخذ المال وتعدى قال وكذلك أيضا الرجل يبضع معه الرجل بضاعة فيأمره صاحب المال أن يشتري له سلعة باسمها فيخالف فيشتري ببضاعته غير ما أمره به ويتعدى ذلك فإن صاحب البضاعة عليه بالخيار إن أحب أن يأخذ ما اشتري بماله أخذه وإن أحب أن يكون المبضع معه ضامنا لرأس ماله فذلك له
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কোন স্ত্রীলোকের সাথে জবরদস্তি যিনা করলে তার ফয়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১০
حدثني مالك عن ابن شهاب أن عبد الملك بن مروان قضى في امرأة أصيبت مستكرهة بصداقها على من فعل ذلك بها. قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في الرجل يغتصب المرأة بكرا كانت أو ثيبا إنها إن كانت حرة فعليه صداق مثلها وإن كانت أمة فعليه ما نقص من ثمنها والعقوبة في ذلك على المغتصب ولا عقوبة على المغتصبة في ذلك كله وإن كان المغتصب عبدا فذلك على سيده إلا أن يشاء أن يسلمه.
ইবনু যুহরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ান জবরদস্তিভাবে যিনা করা হয়েছে এমন স্ত্রীলোকের ফয়সালা এই দিয়েছেন ব্যভিচার যে করেছে ঐ স্ত্রীলোকটিকে মোহর দান করবে। মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট এই ফয়সালা যে, যদি কেউ কোন স্ত্রীলোকের উপর জবরদস্তি করে, চাই সে কুমারী হোক অথবা অকুমারী, যদি সে স্বাধীনা হয় তবে তাকে মাহরে মিসাল দেয়া আবশ্যক। আর যদি সে দাসী হয় তবে যিনার দ্বারা যে মূল্য কম হয়েছে তা আদায় করতে হবে এবং ব্যভিচারীর শাস্তিও সঙ্গে সঙ্গে হবে এবং উক্ত স্ত্রীলোকের উপর কোন শাস্তি হবে না। আর যদি ব্যভিচারী গোলাম হয় তবে মনিবের জরিমানা দিতে হবে। কিন্তু যদি গোলামকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে দিয়ে দেয় তবে ভিন্ন কথা। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইবনু যুহরী (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল মালিক ইব্নু মারওয়ান জবরদস্তিভাবে যিনা করা হয়েছে এমন স্ত্রীলোকের ফয়সালা এই দিয়েছেন ব্যভিচার যে করেছে ঐ স্ত্রীলোকটিকে মোহর দান করবে। মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট এই ফয়সালা যে, যদি কেউ কোন স্ত্রীলোকের উপর জবরদস্তি করে, চাই সে কুমারী হোক অথবা অকুমারী, যদি সে স্বাধীনা হয় তবে তাকে মাহরে মিসাল দেয়া আবশ্যক। আর যদি সে দাসী হয় তবে যিনার দ্বারা যে মূল্য কম হয়েছে তা আদায় করতে হবে এবং ব্যভিচারীর শাস্তিও সঙ্গে সঙ্গে হবে এবং উক্ত স্ত্রীলোকের উপর কোন শাস্তি হবে না। আর যদি ব্যভিচারী গোলাম হয় তবে মনিবের জরিমানা দিতে হবে। কিন্তু যদি গোলামকে ক্ষতিপূরণ হিসাবে দিয়ে দেয় তবে ভিন্ন কথা। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني مالك عن ابن شهاب أن عبد الملك بن مروان قضى في امرأة أصيبت مستكرهة بصداقها على من فعل ذلك بها. قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا في الرجل يغتصب المرأة بكرا كانت أو ثيبا إنها إن كانت حرة فعليه صداق مثلها وإن كانت أمة فعليه ما نقص من ثمنها والعقوبة في ذلك على المغتصب ولا عقوبة على المغتصبة في ذلك كله وإن كان المغتصب عبدا فذلك على سيده إلا أن يشاء أن يسلمه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জন্তু অথবা খাদ্য নষ্টের ফয়সালা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১
قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا فيمن استهلك شيئا من الحيوان بغير إذن صاحبه أن عليه قيمته يوم استهلكه ليس عليه أن يؤخذ بمثله من الحيوان ولا يكون له أن يعطي صاحبه فيما استهلك شيئا من الحيوان ولكن عليه قيمته يوم استهلكه القيمة أعدل ذلك فيما بينهما في الحيوان والعروض. قال و سمعت ما لكا يقول فيمن استهلك شيئا من الطعام بغير إذن صاحبه فإنما يرد على صاحبه مثل طعامه بمكيلته من صنفه وإنما الطعام بمنزلة الذهب والفضة إنما يرد من الذهب الذهب ومن الفضة الفضة وليس الحيوان بمنزلة الذهب في ذلك فرق بين ذلك السنة والعمل المعمول به. قال يحيى و سمعت ما لكا يقول إذا استودع الرجل مالا فابتاع به لنفسه وربح فيه فإن ذلك الربح له لأنه ضامن للمال حتى يؤديه إلى صاحبه.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ মালিকের অনুমতি ছাড়া কোন জন্তু নষ্ট করে ফেলে তবে ঐ দিন জন্তুর যা মূল্য হবে তাই ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে। এই ধরনের কোন জন্তু মালিককে দিবে তা জায়েয নেই। আর এমনিভাবে সব ক্ষেত্রেই জন্তুর মূল্য দিতে হবে, ঐরূপ জন্তু দিলে চলবে না। অন্যান্য জিনিসপত্রেরও এই হুকুম। মালিক (র) বলেন যে, যদি কেউ কারো খাদ্য নষ্ট করে মালিকের হুকুম ছাড়া, তবে ঐ রকম ও ঐ পরিমাণ খাদ্য মালিককে দিতে হবে, কেননা খাদ্যের উদাহরণ স্বর্ণ চাঁদির মতো। স্বর্ণের পরিবর্তে স্বর্ণ দেয়া যায়, রুপার পরিবর্তেও রুপা দেয়া যায়, আর জন্তু স্বর্ণের মতো নয়। কাজেই এই দুইয়ের মধ্যে এতদূর পার্থক্য বিদ্যমান। মালিক (র) বলেন যে, যদি কোন ব্যক্তি কারো নিকট কিছু আমানত রাখে এবং সে ঐ অর্থ বা সম্পদ দ্বারা জিনিসপত্র খরিদ করে লাভবান হয় তবে ঐ লভ্যাংশ আমানত গ্রহণকারীই পাবে, কেননা এই মালের জামিন সে-ই, যতক্ষণ না আমানতকারীর কাছে ফেরত দেয়।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
যদি কেউ মালিকের অনুমতি ছাড়া কোন জন্তু নষ্ট করে ফেলে তবে ঐ দিন জন্তুর যা মূল্য হবে তাই ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হবে। এই ধরনের কোন জন্তু মালিককে দিবে তা জায়েয নেই। আর এমনিভাবে সব ক্ষেত্রেই জন্তুর মূল্য দিতে হবে, ঐরূপ জন্তু দিলে চলবে না। অন্যান্য জিনিসপত্রেরও এই হুকুম। মালিক (র) বলেন যে, যদি কেউ কারো খাদ্য নষ্ট করে মালিকের হুকুম ছাড়া, তবে ঐ রকম ও ঐ পরিমাণ খাদ্য মালিককে দিতে হবে, কেননা খাদ্যের উদাহরণ স্বর্ণ চাঁদির মতো। স্বর্ণের পরিবর্তে স্বর্ণ দেয়া যায়, রুপার পরিবর্তেও রুপা দেয়া যায়, আর জন্তু স্বর্ণের মতো নয়। কাজেই এই দুইয়ের মধ্যে এতদূর পার্থক্য বিদ্যমান। মালিক (র) বলেন যে, যদি কোন ব্যক্তি কারো নিকট কিছু আমানত রাখে এবং সে ঐ অর্থ বা সম্পদ দ্বারা জিনিসপত্র খরিদ করে লাভবান হয় তবে ঐ লভ্যাংশ আমানত গ্রহণকারীই পাবে, কেননা এই মালের জামিন সে-ই, যতক্ষণ না আমানতকারীর কাছে ফেরত দেয়।
قال يحيى سمعت ما لكا يقول الأمر عندنا فيمن استهلك شيئا من الحيوان بغير إذن صاحبه أن عليه قيمته يوم استهلكه ليس عليه أن يؤخذ بمثله من الحيوان ولا يكون له أن يعطي صاحبه فيما استهلك شيئا من الحيوان ولكن عليه قيمته يوم استهلكه القيمة أعدل ذلك فيما بينهما في الحيوان والعروض. قال و سمعت ما لكا يقول فيمن استهلك شيئا من الطعام بغير إذن صاحبه فإنما يرد على صاحبه مثل طعامه بمكيلته من صنفه وإنما الطعام بمنزلة الذهب والفضة إنما يرد من الذهب الذهب ومن الفضة الفضة وليس الحيوان بمنزلة الذهب في ذلك فرق بين ذلك السنة والعمل المعمول به. قال يحيى و سمعت ما لكا يقول إذا استودع الرجل مالا فابتاع به لنفسه وربح فيه فإن ذلك الربح له لأنه ضامن للمال حتى يؤديه إلى صاحبه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ইসলাম ত্যাগ করলে তার হুকুম
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১২
و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن عبد القاري عن أبيه أنه قال قدم على عمر بن الخطاب رجل من قبل أبي موسى الأشعري فسأله عن الناس فأخبره ثم قال له عمر هل كان فيكم من مغربة خبر فقال نعم رجل كفر بعد إسلامه قال فما فعلتم به قال قربناه فضربنا عنقه فقال عمر أفلا حبستموه ثلاثا وأطعمتموه كل يوم رغيفا واستتبتموه لعله يتوب ويراجع أمر الله ثم قال عمر اللهم إني لم أحضر ولم آمر ولم أرض إذ بلغني
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ (র) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
আবূ মূসা আশ‘আরী (রা)-এর নিকট হতে এক ব্যক্তি উমার (রা)-এর নিকট এল। উমার (রা) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সেখানের লোকের কি অবস্থা? সে সেখানের অবস্থা বর্ণনা করল। অতঃপর উমার (রা) বললেন, সেখানের কোন অভিনব সংবাদ আছে কি? লোকটি বলল, হ্যাঁ, আছে এক ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করার পর আবার কাফের হয়ে গেছে। উমার (রা) বললেন, তোমরা তাকে কি করেছ? সে বলল, তাকে বন্দী করে শিরোশ্চেদ করেছি। উমার (রা) বললেন, তোমরা যদি তাকে তিন দিন পর্যন্ত বন্দী করে রাখতে আর শুধু ১টি রুটি খেতে দিতে এবং তাওবা করাতে তবে হয়ত সে তাওবা করত এবং আল্লাহর দ্বীনের দিকে এসে যেত। অতঃপর উমার (রা) বললেন, হে আল্লাহ্, আমি ঐ কাজে শামিল ছিলাম না, মারার হুকুমও দেইনি, কিংবা তার খবর শুনেও খুশী হইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ (র) তার পিতা থেকে বর্নিতঃ
আবূ মূসা আশ‘আরী (রা)-এর নিকট হতে এক ব্যক্তি উমার (রা)-এর নিকট এল। উমার (রা) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, সেখানের লোকের কি অবস্থা? সে সেখানের অবস্থা বর্ণনা করল। অতঃপর উমার (রা) বললেন, সেখানের কোন অভিনব সংবাদ আছে কি? লোকটি বলল, হ্যাঁ, আছে এক ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করার পর আবার কাফের হয়ে গেছে। উমার (রা) বললেন, তোমরা তাকে কি করেছ? সে বলল, তাকে বন্দী করে শিরোশ্চেদ করেছি। উমার (রা) বললেন, তোমরা যদি তাকে তিন দিন পর্যন্ত বন্দী করে রাখতে আর শুধু ১টি রুটি খেতে দিতে এবং তাওবা করাতে তবে হয়ত সে তাওবা করত এবং আল্লাহর দ্বীনের দিকে এসে যেত। অতঃপর উমার (রা) বললেন, হে আল্লাহ্, আমি ঐ কাজে শামিল ছিলাম না, মারার হুকুমও দেইনি, কিংবা তার খবর শুনেও খুশী হইনি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني مالك عن عبد الرحمن بن محمد بن عبد الله بن عبد القاري عن أبيه أنه قال قدم على عمر بن الخطاب رجل من قبل أبي موسى الأشعري فسأله عن الناس فأخبره ثم قال له عمر هل كان فيكم من مغربة خبر فقال نعم رجل كفر بعد إسلامه قال فما فعلتم به قال قربناه فضربنا عنقه فقال عمر أفلا حبستموه ثلاثا وأطعمتموه كل يوم رغيفا واستتبتموه لعله يتوب ويراجع أمر الله ثم قال عمر اللهم إني لم أحضر ولم آمر ولم أرض إذ بلغني
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪১১
حدثنا يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من غير دينه فاضربوا عنقه ومعنى قول النبي صلى الله عليه وسلم فيما نرى والله أعلم من غير دينه فاضربوا عنقه أنه من خرج من الإسلام إلى غيره مثل الزنادقة وأشباههم فإن أولئك إذا ظهر عليهم قتلوا ولم يستتابوا لأنه لا تعرف توبتهم وأنهم كانوا يسرون الكفر ويعلنون الإسلام فلا أرى أن يستتاب هؤلاء ولا يقبل منهم قولهم وأما من خرج من الإسلام إلى غيره وأظهر ذلك فإنه يستتاب فإن تاب وإلا قتل وذلك لو أن قوما كانوا على ذلك رأيت أن يدعوا إلى الإسلام ويستتابوا فإن تابوا قبل ذلك منهم وإن لم يتوبوا قتلوا ولم يعن بذلك فيما نرى والله أعلم من خرج من اليهودية إلى النصرانية ولا من النصرانية إلى اليهودية ولا من يغير دينه من أهل الأديان كلها إلا الإسلام فمن خرج من الإسلام إلى غيره وأظهر ذلك فذلك الذي عني به والله أعلم.
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজ দ্বীন (ধর্ম)-কে পরিবর্তন করে তার গর্দান উড়িয়ে দাও। (সহীহ, ইমাম বুখারী অন্য সনদে বর্ণনা করেন ৩০১৭, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, আমার কাছে রসূলুল্লাহ্- “এর কথা-যে দ্বীন পরিবর্তন করে ফেলে তার গর্দান উড়িয়ে দাও”-এর অর্থ এই যে, কোন মুসলমান ইসলাম ধর্ম ছেড়ে দেয় ও ধর্মত্যাগী (যিনদীক) বা এই ধরনের কিছু হয়ে যায় তবে তাদের উপর মুসলমানগণ বিজয়ী হলে তাদেরকে কতল করে দেয়ার হুকুম। তাদেরকে তাওবা করারও সময় দেয়া হবে না কারণ তাদের তাওবার কোন মূল্য নেই। যেহেতু তাদের অন্তরে কুফরী অংকিত হয়ে গিয়েছে, ফলে তারা প্রকাশ্যে ইসলাম প্রকাশ করবে এবং অন্তরে কুফরী করতে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কোন কারণে ইসলাম হতে বের হয়ে যায় তবে তাকে তাওবা করাবে। আর যদি তাওবা করতে অস্বীকার করে তবে হত্যা করে দিবে। আর যদি কোন কাফের অন্য কোন কুফরী ধর্ম গ্রহণ করে যেমন ইহুদী হতে নাসারা হয়ে গেল তবে সে তার দ্বীন পরিবর্তন করেছে বলে এই হাদীস বোঝা যায় না। এই হাদীস দ্বারা একমাত্র ইসলাম হতে বহিষ্কার হওয়ার হুকুম প্রকাশ পায়।
যায়দ ইবনু আসলাম (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজ দ্বীন (ধর্ম)-কে পরিবর্তন করে তার গর্দান উড়িয়ে দাও। (সহীহ, ইমাম বুখারী অন্য সনদে বর্ণনা করেন ৩০১৭, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) মালিক (র) বলেন, আমার কাছে রসূলুল্লাহ্- “এর কথা-যে দ্বীন পরিবর্তন করে ফেলে তার গর্দান উড়িয়ে দাও”-এর অর্থ এই যে, কোন মুসলমান ইসলাম ধর্ম ছেড়ে দেয় ও ধর্মত্যাগী (যিনদীক) বা এই ধরনের কিছু হয়ে যায় তবে তাদের উপর মুসলমানগণ বিজয়ী হলে তাদেরকে কতল করে দেয়ার হুকুম। তাদেরকে তাওবা করারও সময় দেয়া হবে না কারণ তাদের তাওবার কোন মূল্য নেই। যেহেতু তাদের অন্তরে কুফরী অংকিত হয়ে গিয়েছে, ফলে তারা প্রকাশ্যে ইসলাম প্রকাশ করবে এবং অন্তরে কুফরী করতে থাকবে। আর যে ব্যক্তি কোন কারণে ইসলাম হতে বের হয়ে যায় তবে তাকে তাওবা করাবে। আর যদি তাওবা করতে অস্বীকার করে তবে হত্যা করে দিবে। আর যদি কোন কাফের অন্য কোন কুফরী ধর্ম গ্রহণ করে যেমন ইহুদী হতে নাসারা হয়ে গেল তবে সে তার দ্বীন পরিবর্তন করেছে বলে এই হাদীস বোঝা যায় না। এই হাদীস দ্বারা একমাত্র ইসলাম হতে বহিষ্কার হওয়ার হুকুম প্রকাশ পায়।
حدثنا يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من غير دينه فاضربوا عنقه ومعنى قول النبي صلى الله عليه وسلم فيما نرى والله أعلم من غير دينه فاضربوا عنقه أنه من خرج من الإسلام إلى غيره مثل الزنادقة وأشباههم فإن أولئك إذا ظهر عليهم قتلوا ولم يستتابوا لأنه لا تعرف توبتهم وأنهم كانوا يسرون الكفر ويعلنون الإسلام فلا أرى أن يستتاب هؤلاء ولا يقبل منهم قولهم وأما من خرج من الإسلام إلى غيره وأظهر ذلك فإنه يستتاب فإن تاب وإلا قتل وذلك لو أن قوما كانوا على ذلك رأيت أن يدعوا إلى الإسلام ويستتابوا فإن تابوا قبل ذلك منهم وإن لم يتوبوا قتلوا ولم يعن بذلك فيما نرى والله أعلم من خرج من اليهودية إلى النصرانية ولا من النصرانية إلى اليهودية ولا من يغير دينه من أهل الأديان كلها إلا الإسلام فمن خرج من الإسلام إلى غيره وأظهر ذلك فذلك الذي عني به والله أعلم.