মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রেহেনকে বাধা দেয়া নাজায়েয

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০৯

قال يحيى حدثنا مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يغلق الرهن قال مالك وتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أن يرهن الرجل الرهن عند الرجل بالشيء وفي الرهن فضل عما رهن به فيقول الراهن للمرتهن إن جئتك بحقك إلى أجل يسميه له وإلا فالرهن لك بما رهن فيه قال فهذا لا يصلح ولا يحل وهذا الذي نهي عنه وإن جاء صاحبه بالذي رهن به بعد الأجل فهو له وأرى هذا الشرط منفسخا.

সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন “রেহেনকে (বন্ধক) বন্ধ করা উচিত নয়।” (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এর ব্যাখ্যা আমাদের নিকট এই যে, (আল্লাহই ভাল জানেন) এক ব্যক্তি কিছু জিনিস অপর ব্যক্তির নিকট রেহেন রাখল কোন জিনিসের পরিবর্তে। আর রেহেন-এর বস্তুটি মূল্যবান যে জিনিসের পরিবর্তে রাখা হয়েছে তার চাইতে। অতঃপর রেহেন (গচ্ছিতকারী) মুরতাহেনকে (যার কাছে রাখা হয়েছে) বলল, আমি যদি নির্দিষ্ট তারিখে আপনার জিনিস নিয়ে আসি তবে আমার জিনিস আমাকে দিবেন আর যদি আমি এ সময় না আসতে পারি তবে গচ্ছিত মাল আপনার। এইরূপ করা জায়েয নাই এবং হালালও নয়। এটাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট দিনের পরে ঐ ব্যক্তি আসে তবে রেহেনের বস্তু তারই হবে। আর এই শর্ত বাতিল হবে।

সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন “রেহেনকে (বন্ধক) বন্ধ করা উচিত নয়।” (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এর ব্যাখ্যা আমাদের নিকট এই যে, (আল্লাহই ভাল জানেন) এক ব্যক্তি কিছু জিনিস অপর ব্যক্তির নিকট রেহেন রাখল কোন জিনিসের পরিবর্তে। আর রেহেন-এর বস্তুটি মূল্যবান যে জিনিসের পরিবর্তে রাখা হয়েছে তার চাইতে। অতঃপর রেহেন (গচ্ছিতকারী) মুরতাহেনকে (যার কাছে রাখা হয়েছে) বলল, আমি যদি নির্দিষ্ট তারিখে আপনার জিনিস নিয়ে আসি তবে আমার জিনিস আমাকে দিবেন আর যদি আমি এ সময় না আসতে পারি তবে গচ্ছিত মাল আপনার। এইরূপ করা জায়েয নাই এবং হালালও নয়। এটাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট দিনের পরে ঐ ব্যক্তি আসে তবে রেহেনের বস্তু তারই হবে। আর এই শর্ত বাতিল হবে।

قال يحيى حدثنا مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يغلق الرهن قال مالك وتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أن يرهن الرجل الرهن عند الرجل بالشيء وفي الرهن فضل عما رهن به فيقول الراهن للمرتهن إن جئتك بحقك إلى أجل يسميه له وإلا فالرهن لك بما رهن فيه قال فهذا لا يصلح ولا يحل وهذا الذي نهي عنه وإن جاء صاحبه بالذي رهن به بعد الأجل فهو له وأرى هذا الشرط منفسخا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফল ও জন্তুর রেহেনের ফয়সালা

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জন্তু রেহেন রাখার ফয়সালা

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দুই ব্যক্তির নিকট রেহেন রাখার ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১

قال يحيى سمعت ما لكا يقول في الرجلين يكون لهما رهن بينهما فيقوم أحدهما ببيع رهنه وقد كان الآخر أنظره بحقه سنة قال إن كان يقدر على أن يقسم الرهن ولا ينقص حق الذي أنظره بحقه بيع له نصف الرهن الذي كان بينهما فأوفي حقه وإن خيف أن ينقص حقه بيع الرهن كله فأعطي الذي قام ببيع رهنه حقه من ذلك فإن طابت نفس الذي أنظره بحقه أن يدفع نصف الثمن إلى الراهن وإلا حلف المرتهن أنه ما أنظره إلا ليوقف لي رهني على هيئته ثم أعطي حقه عاجلا. قال و سمعت مالك يقول في العبد يرهنه سيده وللعبد مال إن مال العبد ليس برهن إلا أن يشترطه المرتهن.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

যদি দুইজনের কাছে রেহেন থাকে তাদের মধ্যে একজন বলে যে, আমার রেহেন বিক্রয় করে নিয়ে যাব এবং দ্বিতীয়জন তাকে এক বৎসরের সময় দেয় তবে যদি ঐ জিনিস এমন হয় যে, অর্ধেক বিক্রয় করে ফেললে বাকী অর্ধেক যার নিকট আছে তার কোন ক্ষতি হবে না, তবে অর্ধেক বিক্রয় করে তার কর্জ আদায় করে দিবে। আর যদি অর্ধেক বিক্রয় করলে বাকী অর্ধেকের ক্ষতি হয় তবে পূর্ণ জিনিসটিই বিক্রয় করে যে তাগাদা করিতেছিল তাকে দিয়ে দিবে। আর যে এক বৎসরের সময় দিয়েছিল সে যদি খুশিতে দিতে চায় তবে অর্ধেক পয়সা রাহেনকে দেবে। না হয় তাকে কসম দেয়া হবে যে আমি তাকে এক বৎসরের সময় এইজন্য দিচ্ছিলাম যেন পূর্ণ রেহেন আমার নিকট থাকে। সে যদি কসম করে নেয় তবে ঐ সময়ই তার হক আদায় করে দেয়া হবে। মালিক (র) বলেন যদি কোন গোলাম রেহেন রাখা হয় তবে গোলামের সাথে যা মাল থাকে তা রেহেন ধরা যাবে না। কিন্তু যদি রেহেন গ্রহীতা শর্ত করে নেয় তবে মালও রেহেন ধরা হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

যদি দুইজনের কাছে রেহেন থাকে তাদের মধ্যে একজন বলে যে, আমার রেহেন বিক্রয় করে নিয়ে যাব এবং দ্বিতীয়জন তাকে এক বৎসরের সময় দেয় তবে যদি ঐ জিনিস এমন হয় যে, অর্ধেক বিক্রয় করে ফেললে বাকী অর্ধেক যার নিকট আছে তার কোন ক্ষতি হবে না, তবে অর্ধেক বিক্রয় করে তার কর্জ আদায় করে দিবে। আর যদি অর্ধেক বিক্রয় করলে বাকী অর্ধেকের ক্ষতি হয় তবে পূর্ণ জিনিসটিই বিক্রয় করে যে তাগাদা করিতেছিল তাকে দিয়ে দিবে। আর যে এক বৎসরের সময় দিয়েছিল সে যদি খুশিতে দিতে চায় তবে অর্ধেক পয়সা রাহেনকে দেবে। না হয় তাকে কসম দেয়া হবে যে আমি তাকে এক বৎসরের সময় এইজন্য দিচ্ছিলাম যেন পূর্ণ রেহেন আমার নিকট থাকে। সে যদি কসম করে নেয় তবে ঐ সময়ই তার হক আদায় করে দেয়া হবে। মালিক (র) বলেন যদি কোন গোলাম রেহেন রাখা হয় তবে গোলামের সাথে যা মাল থাকে তা রেহেন ধরা যাবে না। কিন্তু যদি রেহেন গ্রহীতা শর্ত করে নেয় তবে মালও রেহেন ধরা হবে।

قال يحيى سمعت ما لكا يقول في الرجلين يكون لهما رهن بينهما فيقوم أحدهما ببيع رهنه وقد كان الآخر أنظره بحقه سنة قال إن كان يقدر على أن يقسم الرهن ولا ينقص حق الذي أنظره بحقه بيع له نصف الرهن الذي كان بينهما فأوفي حقه وإن خيف أن ينقص حقه بيع الرهن كله فأعطي الذي قام ببيع رهنه حقه من ذلك فإن طابت نفس الذي أنظره بحقه أن يدفع نصف الثمن إلى الراهن وإلا حلف المرتهن أنه ما أنظره إلا ليوقف لي رهني على هيئته ثم أعطي حقه عاجلا. قال و سمعت مالك يقول في العبد يرهنه سيده وللعبد مال إن مال العبد ليس برهن إلا أن يشترطه المرتهن.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00