মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিম্বরের উপরে কসম করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০৮
قال يحيى قال مالك عن داود بن الحصين أنه سمع أبا غطفان بن طريف المري يقول اختصم زيد بن ثابت الأنصاري وابن مطيع في دار كانت بينهما إلى مروان بن الحكم وهو أمير على المدينة فقضى مروان على زيد بن ثابت باليمين على المنبر. فقال زيد بن ثابت أحلف له مكاني قال فقال مروان لا والله إلا عند مقاطع الحقوق قال فجعل زيد بن ثابت يحلف أن حقه لحق ويأبى أن يحلف على المنبر قال فجعل مروان بن الحكم يعجب من ذلك. ২৬৯৬-قال مالك لا أرى أن يحلف أحد على المنبر على أقل من ربع دينار وذلك ثلاثة دراهم .
আবূ গাতফান (র) থেকে বর্নিতঃ
যায়দ ইব্নু সাবিত (রা) ও ইব্নু মুতী-এর মধ্যে একটি ঘরের ব্যাপারে ঝগড়া হয়ে যায়। অবশেষে তারা এর বিচার মারওয়ানের নিকট নিয়ে গেলেন। সেই সময় তিনি মদীনার শাসনকর্তা ছিলেন। মারওয়ান বললেন, যায়দ ইব্নু সাবিত মিম্বরের উপর উঠে কসম করে নিক। যায়দ (রা) বললেন, আমি আমার স্থানে দাঁড়িয়ে কসম করে নেই। মারওয়ান বললেন, আল্লাহর কসম, এটা হতে পারে না। অন্য লোকেরা যেখানে তাদের হকের মীমাংসা করে সেখানেই করতে হবে। অতঃপর যায়দ (রা) নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে বলতে লাগলেন, আমি কসম করে বলছি যে, আমার দাবি সত্য, কিন্তু মিম্বরের উপর গিয়ে কসম করতে অস্বীকার করতে লাগলেন। মারওয়ান এতে বিস্মিত হয়ে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন যে, এক-চতুর্থাংশ দীনারের কম দাবি হলে মিম্বরের উপর কাউকে কসম করানো ঠিক নয়, এক চতুর্থাংশ দীনারের মূল্য হল তিন দিরহাম।
আবূ গাতফান (র) থেকে বর্নিতঃ
যায়দ ইব্নু সাবিত (রা) ও ইব্নু মুতী-এর মধ্যে একটি ঘরের ব্যাপারে ঝগড়া হয়ে যায়। অবশেষে তারা এর বিচার মারওয়ানের নিকট নিয়ে গেলেন। সেই সময় তিনি মদীনার শাসনকর্তা ছিলেন। মারওয়ান বললেন, যায়দ ইব্নু সাবিত মিম্বরের উপর উঠে কসম করে নিক। যায়দ (রা) বললেন, আমি আমার স্থানে দাঁড়িয়ে কসম করে নেই। মারওয়ান বললেন, আল্লাহর কসম, এটা হতে পারে না। অন্য লোকেরা যেখানে তাদের হকের মীমাংসা করে সেখানেই করতে হবে। অতঃপর যায়দ (রা) নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে বলতে লাগলেন, আমি কসম করে বলছি যে, আমার দাবি সত্য, কিন্তু মিম্বরের উপর গিয়ে কসম করতে অস্বীকার করতে লাগলেন। মারওয়ান এতে বিস্মিত হয়ে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন যে, এক-চতুর্থাংশ দীনারের কম দাবি হলে মিম্বরের উপর কাউকে কসম করানো ঠিক নয়, এক চতুর্থাংশ দীনারের মূল্য হল তিন দিরহাম।
قال يحيى قال مالك عن داود بن الحصين أنه سمع أبا غطفان بن طريف المري يقول اختصم زيد بن ثابت الأنصاري وابن مطيع في دار كانت بينهما إلى مروان بن الحكم وهو أمير على المدينة فقضى مروان على زيد بن ثابت باليمين على المنبر. فقال زيد بن ثابت أحلف له مكاني قال فقال مروان لا والله إلا عند مقاطع الحقوق قال فجعل زيد بن ثابت يحلف أن حقه لحق ويأبى أن يحلف على المنبر قال فجعل مروان بن الحكم يعجب من ذلك. ২৬৯৬-قال مالك لا أرى أن يحلف أحد على المنبر على أقل من ربع دينار وذلك ثلاثة دراهم .
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রেহেনকে বাধা দেয়া নাজায়েয
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০৯
قال يحيى حدثنا مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يغلق الرهن قال مالك وتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أن يرهن الرجل الرهن عند الرجل بالشيء وفي الرهن فضل عما رهن به فيقول الراهن للمرتهن إن جئتك بحقك إلى أجل يسميه له وإلا فالرهن لك بما رهن فيه قال فهذا لا يصلح ولا يحل وهذا الذي نهي عنه وإن جاء صاحبه بالذي رهن به بعد الأجل فهو له وأرى هذا الشرط منفسخا.
সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন “রেহেনকে (বন্ধক) বন্ধ করা উচিত নয়।” (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এর ব্যাখ্যা আমাদের নিকট এই যে, (আল্লাহই ভাল জানেন) এক ব্যক্তি কিছু জিনিস অপর ব্যক্তির নিকট রেহেন রাখল কোন জিনিসের পরিবর্তে। আর রেহেন-এর বস্তুটি মূল্যবান যে জিনিসের পরিবর্তে রাখা হয়েছে তার চাইতে। অতঃপর রেহেন (গচ্ছিতকারী) মুরতাহেনকে (যার কাছে রাখা হয়েছে) বলল, আমি যদি নির্দিষ্ট তারিখে আপনার জিনিস নিয়ে আসি তবে আমার জিনিস আমাকে দিবেন আর যদি আমি এ সময় না আসতে পারি তবে গচ্ছিত মাল আপনার। এইরূপ করা জায়েয নাই এবং হালালও নয়। এটাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট দিনের পরে ঐ ব্যক্তি আসে তবে রেহেনের বস্তু তারই হবে। আর এই শর্ত বাতিল হবে।
সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন “রেহেনকে (বন্ধক) বন্ধ করা উচিত নয়।” (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এর ব্যাখ্যা আমাদের নিকট এই যে, (আল্লাহই ভাল জানেন) এক ব্যক্তি কিছু জিনিস অপর ব্যক্তির নিকট রেহেন রাখল কোন জিনিসের পরিবর্তে। আর রেহেন-এর বস্তুটি মূল্যবান যে জিনিসের পরিবর্তে রাখা হয়েছে তার চাইতে। অতঃপর রেহেন (গচ্ছিতকারী) মুরতাহেনকে (যার কাছে রাখা হয়েছে) বলল, আমি যদি নির্দিষ্ট তারিখে আপনার জিনিস নিয়ে আসি তবে আমার জিনিস আমাকে দিবেন আর যদি আমি এ সময় না আসতে পারি তবে গচ্ছিত মাল আপনার। এইরূপ করা জায়েয নাই এবং হালালও নয়। এটাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট দিনের পরে ঐ ব্যক্তি আসে তবে রেহেনের বস্তু তারই হবে। আর এই শর্ত বাতিল হবে।
قال يحيى حدثنا مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يغلق الرهن قال مالك وتفسير ذلك فيما نرى والله أعلم أن يرهن الرجل الرهن عند الرجل بالشيء وفي الرهن فضل عما رهن به فيقول الراهن للمرتهن إن جئتك بحقك إلى أجل يسميه له وإلا فالرهن لك بما رهن فيه قال فهذا لا يصلح ولا يحل وهذا الذي نهي عنه وإن جاء صاحبه بالذي رهن به بعد الأجل فهو له وأرى هذا الشرط منفسخا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফল ও জন্তুর রেহেনের ফয়সালা
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > জন্তু রেহেন রাখার ফয়সালা
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।