মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দাবির মীমাংসা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০৪

قال يحيى قال مالك عن جميل بن عبد الرحمن المؤذن أنه كان يحضر عمر بن عبد العزيز وهو يقضي بين الناس فإذا جاءه الرجل يدعي على الرجل حقا نظر فإن كانت بينهما مخالطة أو ملابسة أحلف الذي ادعي عليه وإن لم يكن شيء من ذلك لم يحلفه قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا أنه من ادعى على رجل بدعوى نظر فإن كانت بينهما مخالطة أو ملابسة أحلف المدعى عليه فإن حلف بطل ذلك الحق عنه وإن أبى أن يحلف ورد اليمين على المدعي فحلف طالب الحق أخذ حقه.

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

জামিল ইব্নু আবদির রহমান (র) উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র)-এর দরবারে হাযির হয়ে তাঁর বিচার কার্য দেখতেন। কোন লোক যদি কারো প্রতি কোন দাবি করত তবে এর প্রতি খুব লক্ষ্য করে দেখতেন। অতঃপর যদি বলতেন যে, তাদের মধ্যে (বাদী-বিবাদী) কাজে-কারবারে সমতা ও সামঞ্জস্য আছে, তবে বিবাদীকে কসম করাতেন, না হয় কসম করাতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন যে, আমাদের কাছেও এই প্রথা যে, যদি কেউ কারো প্রতি কিছু দাবি করে তবে দেখতে হবে যে, যদি বাদী ও বিবাদীর মধ্যে সম্পর্ক ভাল থাকে এবং তারা সমপর্যায়ের হয় তবে বিবাদীকে কসম করাতে হবে। যদি সে কসম করে তবে বাদীর দাবি বিবাদী হতে ছুটে যাবে। আর যদি বিবাদী কসম করতে অস্বীকার করে তবে এই কসম বাদীর দিকে ফিরে আসবে। সুতরাং সেই অবস্থায় কসম করে তার দাবি প্রমাণিত করে আদায় করে নিবে।

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

জামিল ইব্নু আবদির রহমান (র) উমার ইব্নু আবদুল আযীয (র)-এর দরবারে হাযির হয়ে তাঁর বিচার কার্য দেখতেন। কোন লোক যদি কারো প্রতি কোন দাবি করত তবে এর প্রতি খুব লক্ষ্য করে দেখতেন। অতঃপর যদি বলতেন যে, তাদের মধ্যে (বাদী-বিবাদী) কাজে-কারবারে সমতা ও সামঞ্জস্য আছে, তবে বিবাদীকে কসম করাতেন, না হয় কসম করাতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন যে, আমাদের কাছেও এই প্রথা যে, যদি কেউ কারো প্রতি কিছু দাবি করে তবে দেখতে হবে যে, যদি বাদী ও বিবাদীর মধ্যে সম্পর্ক ভাল থাকে এবং তারা সমপর্যায়ের হয় তবে বিবাদীকে কসম করাতে হবে। যদি সে কসম করে তবে বাদীর দাবি বিবাদী হতে ছুটে যাবে। আর যদি বিবাদী কসম করতে অস্বীকার করে তবে এই কসম বাদীর দিকে ফিরে আসবে। সুতরাং সেই অবস্থায় কসম করে তার দাবি প্রমাণিত করে আদায় করে নিবে।

قال يحيى قال مالك عن جميل بن عبد الرحمن المؤذن أنه كان يحضر عمر بن عبد العزيز وهو يقضي بين الناس فإذا جاءه الرجل يدعي على الرجل حقا نظر فإن كانت بينهما مخالطة أو ملابسة أحلف الذي ادعي عليه وإن لم يكن شيء من ذلك لم يحلفه قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا أنه من ادعى على رجل بدعوى نظر فإن كانت بينهما مخالطة أو ملابسة أحلف المدعى عليه فإن حلف بطل ذلك الحق عنه وإن أبى أن يحلف ورد اليمين على المدعي فحلف طالب الحق أخذ حقه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বালকদের সাক্ষ্যের উপর ফয়সালা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০৫

قال يحيى قال مالك عن هشام بن عروة أن عبد الله بن الزبير كان يقضي بشهادة الصبيان فيما بينهم من الجراح. قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن شهادة الصبيان تجوز فيما بينهم من الجراح ولا تجوز على غيرهم وإنما تجوز شهادتهم فيما بينهم من الجراح وحدها لا تجوز في غير ذلك إذا كان ذلك قبل أن يتفرقوا أو يخببوا أو يعلموا فإن افترقوا فلا شهادة لهم إلا أن يكونوا قد أشهدوا العدول على شهادتهم قبل أن يفترقوا.

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইব্নু যুবায়র (রা) বালকদের সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাদের মারামারির বিচার করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট এই হুকুম যে, যদি বালকগণ একে অপরকে আহত করে দেয় তবে তাদের সাক্ষ্য বৈধ। এটা ছাড়া অন্য মামলায় তা বৈধ হবে না। ইহা ঐ সময় হবে যখন ঝগড়া করে সেখানেই থাকে, অন্যত্র না গিয়ে থাকে। যদি অন্যত্র চলে যায় তবে তাদের সাক্ষ্য জায়েয নয়। যতক্ষণ না কোন নির্ভরযোগ্য মানুষের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় এবং বালকগণও ঐখানেই থাকে।

হিশাম ইবনু উরওয়াহ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইব্নু যুবায়র (রা) বালকদের সাক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তাদের মারামারির বিচার করে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন আমাদের নিকট এই হুকুম যে, যদি বালকগণ একে অপরকে আহত করে দেয় তবে তাদের সাক্ষ্য বৈধ। এটা ছাড়া অন্য মামলায় তা বৈধ হবে না। ইহা ঐ সময় হবে যখন ঝগড়া করে সেখানেই থাকে, অন্যত্র না গিয়ে থাকে। যদি অন্যত্র চলে যায় তবে তাদের সাক্ষ্য জায়েয নয়। যতক্ষণ না কোন নির্ভরযোগ্য মানুষের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় এবং বালকগণও ঐখানেই থাকে।

قال يحيى قال مالك عن هشام بن عروة أن عبد الله بن الزبير كان يقضي بشهادة الصبيان فيما بينهم من الجراح. قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن شهادة الصبيان تجوز فيما بينهم من الجراح ولا تجوز على غيرهم وإنما تجوز شهادتهم فيما بينهم من الجراح وحدها لا تجوز في غير ذلك إذا كان ذلك قبل أن يتفرقوا أو يخببوا أو يعلموا فإن افترقوا فلا شهادة لهم إلا أن يكونوا قد أشهدوا العدول على شهادتهم قبل أن يفترقوا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিম্বরে মিথ্যা কসম করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০৬

قال يحيى حدثنا مالك عن هاشم بن هاشم بن عتبة بن أبي وقاص عن عبد الله بن نسطاس عن جابر بن عبد الله الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من حلف على منبري آثما تبوأ مقعده من النار.

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার মিম্বরে যে মিথ্যা কসম করে সে যেন তার স্থান দোযখে বানিয়ে নেয়। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩২৪৬, ইবনু মাজাহ ২৩২৫, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [ইরওয়া] ২৬৯৭)

জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমার মিম্বরে যে মিথ্যা কসম করে সে যেন তার স্থান দোযখে বানিয়ে নেয়। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩২৪৬, ইবনু মাজাহ ২৩২৫, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন [ইরওয়া] ২৬৯৭)

قال يحيى حدثنا مالك عن هاشم بن هاشم بن عتبة بن أبي وقاص عن عبد الله بن نسطاس عن جابر بن عبد الله الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من حلف على منبري آثما تبوأ مقعده من النار.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০৭

و حدثني مالك عن العلاء بن عبد الرحمن عن معبد بن كعب السلمي عن أخيه عبد الله بن كعب بن مالك الأنصاري عن أبي أمامة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من اقتطع حق امرئ مسلم بيمينه حرم الله عليه الجنة وأوجب له النار قالوا وإن كان شيئا يسيرا يا رسول الله قال وإن كان قضيبا من أراك وإن كان قضيبا من أراك وإن كان قضيبا من أراك قالها ثلاث مرات.

আবূ উমামা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করে কোন মুসলমান ভাইয়ের সম্পদ আত্মসাৎ করে তার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা বেহেশত হারাম করে দিবেন এবং দোযখ ওয়াজিব করে দিবেন। সাহাবীগণ বললেন, যদি সামান্য জিনিসও হয় তবে। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদিও পিলু গাছের একটি ডাল হয়, যদিও পিলু গাছের একটি ডাল হয়, যদিও পিলু গাছের একটি ডাল হয়, তিনি এই বাক্যকে তিনবার বলেছেন। (সহীহ, মুসলিম ১৩৭)

আবূ উমামা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা কসম করে কোন মুসলমান ভাইয়ের সম্পদ আত্মসাৎ করে তার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা বেহেশত হারাম করে দিবেন এবং দোযখ ওয়াজিব করে দিবেন। সাহাবীগণ বললেন, যদি সামান্য জিনিসও হয় তবে। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যদিও পিলু গাছের একটি ডাল হয়, যদিও পিলু গাছের একটি ডাল হয়, যদিও পিলু গাছের একটি ডাল হয়, তিনি এই বাক্যকে তিনবার বলেছেন। (সহীহ, মুসলিম ১৩৭)

و حدثني مالك عن العلاء بن عبد الرحمن عن معبد بن كعب السلمي عن أخيه عبد الله بن كعب بن مالك الأنصاري عن أبي أمامة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من اقتطع حق امرئ مسلم بيمينه حرم الله عليه الجنة وأوجب له النار قالوا وإن كان شيئا يسيرا يا رسول الله قال وإن كان قضيبا من أراك وإن كان قضيبا من أراك وإن كان قضيبا من أراك قالها ثلاث مرات.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মিম্বরের উপরে কসম করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৪০৮

قال يحيى قال مالك عن داود بن الحصين أنه سمع أبا غطفان بن طريف المري يقول اختصم زيد بن ثابت الأنصاري وابن مطيع في دار كانت بينهما إلى مروان بن الحكم وهو أمير على المدينة فقضى مروان على زيد بن ثابت باليمين على المنبر. فقال زيد بن ثابت أحلف له مكاني قال فقال مروان لا والله إلا عند مقاطع الحقوق قال فجعل زيد بن ثابت يحلف أن حقه لحق ويأبى أن يحلف على المنبر قال فجعل مروان بن الحكم يعجب من ذلك. ২৬৯৬-قال مالك لا أرى أن يحلف أحد على المنبر على أقل من ربع دينار وذلك ثلاثة دراهم .

আবূ গাতফান (র) থেকে বর্নিতঃ

যায়দ ইব্নু সাবিত (রা) ও ইব্নু মুতী-এর মধ্যে একটি ঘরের ব্যাপারে ঝগড়া হয়ে যায়। অবশেষে তারা এর বিচার মারওয়ানের নিকট নিয়ে গেলেন। সেই সময় তিনি মদীনার শাসনকর্তা ছিলেন। মারওয়ান বললেন, যায়দ ইব্নু সাবিত মিম্বরের উপর উঠে কসম করে নিক। যায়দ (রা) বললেন, আমি আমার স্থানে দাঁড়িয়ে কসম করে নেই। মারওয়ান বললেন, আল্লাহর কসম, এটা হতে পারে না। অন্য লোকেরা যেখানে তাদের হকের মীমাংসা করে সেখানেই করতে হবে। অতঃপর যায়দ (রা) নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে বলতে লাগলেন, আমি কসম করে বলছি যে, আমার দাবি সত্য, কিন্তু মিম্বরের উপর গিয়ে কসম করতে অস্বীকার করতে লাগলেন। মারওয়ান এতে বিস্মিত হয়ে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন যে, এক-চতুর্থাংশ দীনারের কম দাবি হলে মিম্বরের উপর কাউকে কসম করানো ঠিক নয়, এক চতুর্থাংশ দীনারের মূল্য হল তিন দিরহাম।

আবূ গাতফান (র) থেকে বর্নিতঃ

যায়দ ইব্নু সাবিত (রা) ও ইব্নু মুতী-এর মধ্যে একটি ঘরের ব্যাপারে ঝগড়া হয়ে যায়। অবশেষে তারা এর বিচার মারওয়ানের নিকট নিয়ে গেলেন। সেই সময় তিনি মদীনার শাসনকর্তা ছিলেন। মারওয়ান বললেন, যায়দ ইব্নু সাবিত মিম্বরের উপর উঠে কসম করে নিক। যায়দ (রা) বললেন, আমি আমার স্থানে দাঁড়িয়ে কসম করে নেই। মারওয়ান বললেন, আল্লাহর কসম, এটা হতে পারে না। অন্য লোকেরা যেখানে তাদের হকের মীমাংসা করে সেখানেই করতে হবে। অতঃপর যায়দ (রা) নিজ স্থানে দাঁড়িয়ে বলতে লাগলেন, আমি কসম করে বলছি যে, আমার দাবি সত্য, কিন্তু মিম্বরের উপর গিয়ে কসম করতে অস্বীকার করতে লাগলেন। মারওয়ান এতে বিস্মিত হয়ে গেলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন যে, এক-চতুর্থাংশ দীনারের কম দাবি হলে মিম্বরের উপর কাউকে কসম করানো ঠিক নয়, এক চতুর্থাংশ দীনারের মূল্য হল তিন দিরহাম।

قال يحيى قال مالك عن داود بن الحصين أنه سمع أبا غطفان بن طريف المري يقول اختصم زيد بن ثابت الأنصاري وابن مطيع في دار كانت بينهما إلى مروان بن الحكم وهو أمير على المدينة فقضى مروان على زيد بن ثابت باليمين على المنبر. فقال زيد بن ثابت أحلف له مكاني قال فقال مروان لا والله إلا عند مقاطع الحقوق قال فجعل زيد بن ثابت يحلف أن حقه لحق ويأبى أن يحلف على المنبر قال فجعل مروان بن الحكم يعجب من ذلك. ২৬৯৬-قال مالك لا أرى أن يحلف أحد على المنبر على أقل من ربع دينار وذلك ثلاثة دراهم .


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00