মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শরীকী কারবারের হিসাব

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৮৩

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فربح فأراد أن يأخذ حصته من الربح وصاحب المال غائب قال لا ينبغي له أن يأخذ منه شيئا إلا بحضرة صاحب المال وإن أخذ شيئا فهو له ضامن حتى يحسب مع المال إذا اقتسماه. قال مالك لا يجوز للمتقارضين أن يتحاسبا ويتفاصلا والمال غائب عنهما حتى يحضر المال فيستوفي صاحب المال رأس ماله ثم يقتسمان الربح على شرطهما قال مالك في رجل أخذ مالا قراضا فاشترى به سلعة وقد كان عليه دين فطلبه غرماؤه فأدركوه ببلد غائب عن صاحب المال وفي يديه عرض مربح بين فضله فأرادوا أن يباع لهم العرض فيأخذوا حصته من الربح قال لا يؤخذ من ربح القراض شيء حتى يحضر صاحب المال فيأخذ ماله ثم يقتسمان الربح على شرطهما قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فتجر فيه فربح ثم عزل رأس المال وقسم الربح فأخذ حصته وطرح حصة صاحب المال في المال بحضرة شهداء أشهدهم على ذلك قال لا تجوز قسمة الربح إلا بحضرة صاحب المال وإن كان أخذ شيئا رده حتى يستوفي صاحب المال رأس ماله ثم يقتسمان ما بقي بينهما على شرطهما قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فجاءه فقال له هذه حصتك من الربح وقد أخذت لنفسي مثله ورأس مالك وافر عندي قال مالك لا أحب ذلك حتى يحضر المال كله فيحاسبه حتى يحصل رأس المال ويعلم أنه وافر ويصل إليه ثم يقتسمان الربح بينهما ثم يرد إليه المال إن شاء أو يحبسه وإنما يجب حضور المال مخافة أن يكون العامل قد نقص فيه فهو يحب أن لا ينزع منه وأن يقره في يده.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি ব্যবসায়ী ব্যবসা করে লাভ করল আর পুঁজি বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতিতে নিজের লভ্যাংশ নিতে ইচ্ছা করলে তবে ইহা বৈধ হবে না, যতক্ষণ না অর্থ বিনিয়োগকারী উপস্থিত হয়। যদি তার অনুপস্থিতিতেই নিয়ে নেয়, তবে সে এর জন্য দায়ী হবে, উভয়ের মধ্যে বণ্টনের সময় উক্ত মাল একত্রিত করা পর্যন্ত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ পুঁজি বিনিয়োগকারীর জন্য ইহা বৈধ হবে না যে, মাল না দেখে লভ্যাংশের হিসাব করবে, বরং মাল উপস্থাপন প্রয়োজন হবে। প্রথমে পুঁজি বিনিয়োগকারী মূলধন নিয়ে নিবে। পরে শর্তানুযায়ী লভ্যাংশ ভাগ করবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী কোন সামগ্রী ক্রয় করে আর ব্যবসায়ীর ঋণদাতাগণ তা আটকিয়ে বলে, এই মাল বিক্রয় করে যে লাভ হবে তোমার অংশে উহা হতে আমরা আমাদের পাওনা নিয়ে নিব। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতিতে এইরূপ করে তবে ইহা অবৈধ হবে। পুঁজি বিনিয়োগকারী তার মূলধন বের করে লওয়ার পর লভ্যাংশ ভাগ করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী ব্যবসা করে লাভ করে এবং পুঁজি বিনিয়োগকারীর অবর্তমানে মূলধন পৃথক করে লভ্যাংশ সাক্ষীদের সম্মুখে ভাগ করে নেয় ইহা অবৈধ হবে। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী আসার পূর্বে এইরূপ করেও ফেলে, তবে উহা ফেরত দিতে হবে, পুঁজি বিনিয়োগকারী এসে প্রথমে তার মূলধন পৃথক করে নিবে, তারপর অবশিষ্ট লভ্যাংশ ভাগ করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ব্যবসায়ী ব্যবসা করে লাভ করল এবং সে পুঁজি বিনিয়োগকারীর লভ্যাংশ নিয়ে উপস্থিত হল এবং বলতে লাগল, ইহা তোমার লাভের অংশ। আমিও এইটুকু নিয়েছি। আর তোমার মূলধন আমার নিকট জমা রয়েছে, তবে এইরূপ করা অবৈধ হবে, বরং সে সমস্ত মূলধন ও লাভ নিয়ে পুঁজি বিনিয়োগকারীর সম্মুখে উপস্থিত করবে। অতঃপর পুঁজির মালিকের ইখতিয়ার রয়েছে, হয় মূলধন নিয়ে নিজে রেখে দিবে বা পুনরায় ব্যবসায়ীকে দিবে।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি ব্যবসায়ী ব্যবসা করে লাভ করল আর পুঁজি বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতিতে নিজের লভ্যাংশ নিতে ইচ্ছা করলে তবে ইহা বৈধ হবে না, যতক্ষণ না অর্থ বিনিয়োগকারী উপস্থিত হয়। যদি তার অনুপস্থিতিতেই নিয়ে নেয়, তবে সে এর জন্য দায়ী হবে, উভয়ের মধ্যে বণ্টনের সময় উক্ত মাল একত্রিত করা পর্যন্ত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ পুঁজি বিনিয়োগকারীর জন্য ইহা বৈধ হবে না যে, মাল না দেখে লভ্যাংশের হিসাব করবে, বরং মাল উপস্থাপন প্রয়োজন হবে। প্রথমে পুঁজি বিনিয়োগকারী মূলধন নিয়ে নিবে। পরে শর্তানুযায়ী লভ্যাংশ ভাগ করবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী কোন সামগ্রী ক্রয় করে আর ব্যবসায়ীর ঋণদাতাগণ তা আটকিয়ে বলে, এই মাল বিক্রয় করে যে লাভ হবে তোমার অংশে উহা হতে আমরা আমাদের পাওনা নিয়ে নিব। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারীর অনুপস্থিতিতে এইরূপ করে তবে ইহা অবৈধ হবে। পুঁজি বিনিয়োগকারী তার মূলধন বের করে লওয়ার পর লভ্যাংশ ভাগ করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী ব্যবসা করে লাভ করে এবং পুঁজি বিনিয়োগকারীর অবর্তমানে মূলধন পৃথক করে লভ্যাংশ সাক্ষীদের সম্মুখে ভাগ করে নেয় ইহা অবৈধ হবে। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী আসার পূর্বে এইরূপ করেও ফেলে, তবে উহা ফেরত দিতে হবে, পুঁজি বিনিয়োগকারী এসে প্রথমে তার মূলধন পৃথক করে নিবে, তারপর অবশিষ্ট লভ্যাংশ ভাগ করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ব্যবসায়ী ব্যবসা করে লাভ করল এবং সে পুঁজি বিনিয়োগকারীর লভ্যাংশ নিয়ে উপস্থিত হল এবং বলতে লাগল, ইহা তোমার লাভের অংশ। আমিও এইটুকু নিয়েছি। আর তোমার মূলধন আমার নিকট জমা রয়েছে, তবে এইরূপ করা অবৈধ হবে, বরং সে সমস্ত মূলধন ও লাভ নিয়ে পুঁজি বিনিয়োগকারীর সম্মুখে উপস্থিত করবে। অতঃপর পুঁজির মালিকের ইখতিয়ার রয়েছে, হয় মূলধন নিয়ে নিজে রেখে দিবে বা পুনরায় ব্যবসায়ীকে দিবে।

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فربح فأراد أن يأخذ حصته من الربح وصاحب المال غائب قال لا ينبغي له أن يأخذ منه شيئا إلا بحضرة صاحب المال وإن أخذ شيئا فهو له ضامن حتى يحسب مع المال إذا اقتسماه. قال مالك لا يجوز للمتقارضين أن يتحاسبا ويتفاصلا والمال غائب عنهما حتى يحضر المال فيستوفي صاحب المال رأس ماله ثم يقتسمان الربح على شرطهما قال مالك في رجل أخذ مالا قراضا فاشترى به سلعة وقد كان عليه دين فطلبه غرماؤه فأدركوه ببلد غائب عن صاحب المال وفي يديه عرض مربح بين فضله فأرادوا أن يباع لهم العرض فيأخذوا حصته من الربح قال لا يؤخذ من ربح القراض شيء حتى يحضر صاحب المال فيأخذ ماله ثم يقتسمان الربح على شرطهما قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فتجر فيه فربح ثم عزل رأس المال وقسم الربح فأخذ حصته وطرح حصة صاحب المال في المال بحضرة شهداء أشهدهم على ذلك قال لا تجوز قسمة الربح إلا بحضرة صاحب المال وإن كان أخذ شيئا رده حتى يستوفي صاحب المال رأس ماله ثم يقتسمان ما بقي بينهما على شرطهما قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فجاءه فقال له هذه حصتك من الربح وقد أخذت لنفسي مثله ورأس مالك وافر عندي قال مالك لا أحب ذلك حتى يحضر المال كله فيحاسبه حتى يحصل رأس المال ويعلم أنه وافر ويصل إليه ثم يقتسمان الربح بينهما ثم يرد إليه المال إن شاء أو يحبسه وإنما يجب حضور المال مخافة أن يكون العامل قد نقص فيه فهو يحب أن لا ينزع منه وأن يقره في يده.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শরীকী কারবারের বিভিন্ন বিধান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৮৪

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فابتاع به سلعة فقال له صاحب المال بعها وقال الذي أخذ المال لا أرى وجه بيع فاختلفا في ذلك قال لا ينظر إلى قول واحد منهما ويسأل عن ذلك أهل المعرفة والبصر بتلك السلعة فإن رأوا وجه بيع بيعت عليهما وإن رأوا وجه انتظار انتظر بها قال مالك في رجل أخذ من رجل مالا قراضا فعمل فيه ثم سأله صاحب المال عن ماله فقال هو عندي وافر فلما آخذه به قال قد هلك عندي منه كذا وكذا لمال يسميه وإنما قلت لك ذلك لكي تتركه عندي قال لا ينتفع بإنكاره بعد إقراره أنه عنده ويؤخذ بإقراره على نفسه إلا أن يأتي في هلاك ذلك المال بأمر يعرف به قوله فإن لم يأت بأمر معروف أخذ بإقراره ولم ينفعه إنكاره قال مالك وكذلك أيضا لو قال ربحت في المال كذا وكذا فسأله رب المال أن يدفع إليه ماله وربحه فقال ما ربحت فيه شيئا وما قلت ذلك إلا لأن تقره في يدي فذلك لا ينفعه ويؤخذ بما أقر به إلا أن يأتي بأمر يعرف به قوله وصدقه فلا يلزمه ذلك قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فربح فيه ربحا فقال العامل قارضتك على أن لي الثلثين وقال صاحب المال قارضتك على أن لك الثلث قال مالك القول قول العامل وعليه في ذلك اليمين إذا كان ما قال يشبه قراض مثله وكان ذلك نحوا مما يتقارض عليه الناس وإن جاء بأمر يستنكر ليس على مثله يتقارض الناس لم يصدق ورد إلى قراض مثله قال مالك في رجل أعطى رجلا مائة دينار قراضا فاشترى بها سلعة ثم ذهب ليدفع إلى رب السلعة المائة دينار فوجدها قد سرقت فقال رب المال بع السلعة فإن كان فيها فضل كان لي وإن كان فيها نقصان كان عليك لأنك أنت ضيعت وقال المقارض بل عليك وفاء حق هذا إنما اشتريتها بمالك الذي أعطيتني قال مالك يلزم العامل المشتري أداء ثمنها إلى البائع ويقال لصاحب المال القراض إن شئت فأد المائة الدينار إلى المقارض والسلعة بينكما وتكون قراضا على ما كانت عليه المائة الأولى وإن شئت فابرأ من السلعة فإن دفع المائة دينار إلى العامل كانت قراضا على سنة القراض الأول وإن أبى كانت السلعة للعامل وكان عليه ثمنها قال مالك في المتقارضين إذا تفاصلا فبقي بيد العامل من المتاع الذي يعمل فيه خلق القربة أو خلق الثوب أو ما أشبه ذلك قال مالك كل شيء من ذلك كان تافها لا خطب له فهو للعامل ولم أسمع أحدا أفتى برد ذلك وإنما يرد من ذلك الشيء الذي له ثمن وإن كان شيئا له اسم مثل الدابة أو الجمل أو الشاذكونة أو أشباه ذلك مما له ثمن فإني أرى أن يرد ما بقي عنده من هذا إلا أن يتحلل صاحبه من ذلك.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ব্যবসায়ী কিছু মাল খরিদ করলে পুঁজি বিনিয়োগকারী বলল, উহা বিক্রয় করে দাও, কিন্তু ব্যবসায়ী বলল, এখন বিক্রয় করা ঠিক হবে না, তবে এ ব্যাপারে অন্যান্য বিচক্ষণ ব্যবসায়ীর কাছে জিজ্ঞেস করা হবে। যদি তারা বিক্রয় করার পরামর্শ দেয়, তবে বিক্রয় করা হবে, না হয় রেখে দেয়া হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মালে ব্যবসা আরম্ভ করার পর পুঁজি বিনিয়োগকারী তার পূর্ণ মাল মুনাফাসহ তলব করল। উত্তরে ব্যবসায়ী বলল, আমার নিকট পূর্ণ মালই জমা রয়েছে। অতঃপর যখন মাল ফেরত নেয়া আরম্ভ হল তখন ব্যবসায়ী বলল, আমার নিকট কিছু মাল নষ্ট হয়ে গিয়েছে, আমি প্রথমে এজন্য বলেছিলাম যেন মাল আমার কাছে থাকতে দেয়া হয় তবে কোন প্রমাণ ব্যতীত ব্যবসায়ীর এই কথা বিশ্বাস করা হবে না। বরং তার পূর্ব স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফায়সালা দেয়া হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অনুরূপভাবে ব্যবসায়ী পুঁজি বিনিয়োগকারীকে বলল, সে এত লাভ করেছে। অতঃপর যখন পুঁজি বিনিয়োগকারী মূলধন ও লভ্যাংশ চাইল তখন বলতে লাগল লাভ হয়নি, মূলধন আমার হাতে রেখে দেয়ার উদ্দেশ্যে লাভের কথা বলেছি, তবে প্রমাণ ব্যতীত তার কথা বিশ্বাস করা হবে না। বরং পূর্ব স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফায়সালা দেয়া হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী ব্যবসায়ে লাভ করে তখন পুঁজি বিনিয়োগকারী বলল, লাভের এত-তৃতীয়াংশ তোমার এবং দুই-তৃতীয়াংশ আমার নির্ধারিত ছিল। ব্যবসায়ী বলল, না বরং দুই-তৃতীয়াংশ আমার আর এক-তৃতীয়াংশ তোমার নির্ধারিত করা হয়েছিল। তবে ব্যবসায়ীর কথা কসম সহকারে মেনে নেয়া হবে। কিন্তু এটা যদি দেশ প্রথার বিরুদ্ধে হয় তবে প্রথানুযায়ী লাভ বন্টনের ব্যবস্থা করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে একশত দীনার শরীকী কারবারের জন্য দিল। সে উহা দ্বারা মাল খরিদ করল। যখন বিক্রেতাকে মালের মূল্য দিতে লাগল তখন বুঝা গেল ঐ দীনার চুরি হয়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় অর্থ বিনিয়োগকারী বলল, এই মাল বিক্রয় করে ফেল। যদি উহাতে লাভ হয়, তবে উহা আমার আর যদি ক্ষতি হয়, তবে সে জন্য তুমি দায়ী, কেননা তুমি আমার অর্থ নষ্ট করেছ। কিন্তু ব্যবসায়ী বলল, তুমি এই মালের মূল্য আদায় করে দাও, কেননা আমি এই মাল তোমার অর্থ দ্বারা খরিদ করেছি। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই অবস্থায় ক্রেতা ব্যবসায়ীকে বলা হবে তুমি এই মালের মূল্য বিক্রেতাকে আদায় করে দাও এবং অর্থ বিনিয়োগকারীকে বলা হবে যদি তোমার সম্মতি হয় তবে ব্যবসায়ীকে একশত দীনার আরও প্রদান কর যেন শরীকী কারবার বহাল থাকে, না হয় এই মালের সাথে তোমার কোন সম্পর্ক নেই। যদি পুঁজি বা বিনিয়োগকারী একশত দীনার দেয়, তবে কারবার বহাল থাকবে, না হয় ঐ মাল ব্যবসায়ীর হয়ে যাবে। চুরি যাওয়ার কারণে অর্থ বিনিয়োগকারীর একশত দীনার বিনষ্ট হয়ে গেল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যখন পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ী পৃথক হয়ে যায় (শরীকী কারবার বন্ধ হয়ে যায়), কিন্তু ব্যবসায়ীর নিকট ব্যবসায়ে মাল হতে কোন মাল যেমন পুরাতন মশক বা পুরাতন কাপড় ইত্যাদি থেকে যায়, যদি এ দ্রব্যগুলো নিতান্ত স্বল্প মূল্যের হয়ে থাকে তবে উহা ব্যবসায়ীরই থাকবে। এটা ফেরত দিতে হবে না। যদি এই দ্রব্যগুলো মূল্যবান হয় যেমন কোন জন্তু, উট বা ইয়ামনী মোটা কাপড়, তবে যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী হতে মাফ করিয়ে নিয়া থাকে তবে তো ভাল, না হয় এটাও ফেরত দিতে হবে।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ব্যবসায়ী কিছু মাল খরিদ করলে পুঁজি বিনিয়োগকারী বলল, উহা বিক্রয় করে দাও, কিন্তু ব্যবসায়ী বলল, এখন বিক্রয় করা ঠিক হবে না, তবে এ ব্যাপারে অন্যান্য বিচক্ষণ ব্যবসায়ীর কাছে জিজ্ঞেস করা হবে। যদি তারা বিক্রয় করার পরামর্শ দেয়, তবে বিক্রয় করা হবে, না হয় রেখে দেয়া হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মালে ব্যবসা আরম্ভ করার পর পুঁজি বিনিয়োগকারী তার পূর্ণ মাল মুনাফাসহ তলব করল। উত্তরে ব্যবসায়ী বলল, আমার নিকট পূর্ণ মালই জমা রয়েছে। অতঃপর যখন মাল ফেরত নেয়া আরম্ভ হল তখন ব্যবসায়ী বলল, আমার নিকট কিছু মাল নষ্ট হয়ে গিয়েছে, আমি প্রথমে এজন্য বলেছিলাম যেন মাল আমার কাছে থাকতে দেয়া হয় তবে কোন প্রমাণ ব্যতীত ব্যবসায়ীর এই কথা বিশ্বাস করা হবে না। বরং তার পূর্ব স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফায়সালা দেয়া হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অনুরূপভাবে ব্যবসায়ী পুঁজি বিনিয়োগকারীকে বলল, সে এত লাভ করেছে। অতঃপর যখন পুঁজি বিনিয়োগকারী মূলধন ও লভ্যাংশ চাইল তখন বলতে লাগল লাভ হয়নি, মূলধন আমার হাতে রেখে দেয়ার উদ্দেশ্যে লাভের কথা বলেছি, তবে প্রমাণ ব্যতীত তার কথা বিশ্বাস করা হবে না। বরং পূর্ব স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ফায়সালা দেয়া হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী ব্যবসায়ে লাভ করে তখন পুঁজি বিনিয়োগকারী বলল, লাভের এত-তৃতীয়াংশ তোমার এবং দুই-তৃতীয়াংশ আমার নির্ধারিত ছিল। ব্যবসায়ী বলল, না বরং দুই-তৃতীয়াংশ আমার আর এক-তৃতীয়াংশ তোমার নির্ধারিত করা হয়েছিল। তবে ব্যবসায়ীর কথা কসম সহকারে মেনে নেয়া হবে। কিন্তু এটা যদি দেশ প্রথার বিরুদ্ধে হয় তবে প্রথানুযায়ী লাভ বন্টনের ব্যবস্থা করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে একশত দীনার শরীকী কারবারের জন্য দিল। সে উহা দ্বারা মাল খরিদ করল। যখন বিক্রেতাকে মালের মূল্য দিতে লাগল তখন বুঝা গেল ঐ দীনার চুরি হয়ে গিয়েছে। এমতাবস্থায় অর্থ বিনিয়োগকারী বলল, এই মাল বিক্রয় করে ফেল। যদি উহাতে লাভ হয়, তবে উহা আমার আর যদি ক্ষতি হয়, তবে সে জন্য তুমি দায়ী, কেননা তুমি আমার অর্থ নষ্ট করেছ। কিন্তু ব্যবসায়ী বলল, তুমি এই মালের মূল্য আদায় করে দাও, কেননা আমি এই মাল তোমার অর্থ দ্বারা খরিদ করেছি। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই অবস্থায় ক্রেতা ব্যবসায়ীকে বলা হবে তুমি এই মালের মূল্য বিক্রেতাকে আদায় করে দাও এবং অর্থ বিনিয়োগকারীকে বলা হবে যদি তোমার সম্মতি হয় তবে ব্যবসায়ীকে একশত দীনার আরও প্রদান কর যেন শরীকী কারবার বহাল থাকে, না হয় এই মালের সাথে তোমার কোন সম্পর্ক নেই। যদি পুঁজি বা বিনিয়োগকারী একশত দীনার দেয়, তবে কারবার বহাল থাকবে, না হয় ঐ মাল ব্যবসায়ীর হয়ে যাবে। চুরি যাওয়ার কারণে অর্থ বিনিয়োগকারীর একশত দীনার বিনষ্ট হয়ে গেল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যখন পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ী পৃথক হয়ে যায় (শরীকী কারবার বন্ধ হয়ে যায়), কিন্তু ব্যবসায়ীর নিকট ব্যবসায়ে মাল হতে কোন মাল যেমন পুরাতন মশক বা পুরাতন কাপড় ইত্যাদি থেকে যায়, যদি এ দ্রব্যগুলো নিতান্ত স্বল্প মূল্যের হয়ে থাকে তবে উহা ব্যবসায়ীরই থাকবে। এটা ফেরত দিতে হবে না। যদি এই দ্রব্যগুলো মূল্যবান হয় যেমন কোন জন্তু, উট বা ইয়ামনী মোটা কাপড়, তবে যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী হতে মাফ করিয়ে নিয়া থাকে তবে তো ভাল, না হয় এটাও ফেরত দিতে হবে।

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فابتاع به سلعة فقال له صاحب المال بعها وقال الذي أخذ المال لا أرى وجه بيع فاختلفا في ذلك قال لا ينظر إلى قول واحد منهما ويسأل عن ذلك أهل المعرفة والبصر بتلك السلعة فإن رأوا وجه بيع بيعت عليهما وإن رأوا وجه انتظار انتظر بها قال مالك في رجل أخذ من رجل مالا قراضا فعمل فيه ثم سأله صاحب المال عن ماله فقال هو عندي وافر فلما آخذه به قال قد هلك عندي منه كذا وكذا لمال يسميه وإنما قلت لك ذلك لكي تتركه عندي قال لا ينتفع بإنكاره بعد إقراره أنه عنده ويؤخذ بإقراره على نفسه إلا أن يأتي في هلاك ذلك المال بأمر يعرف به قوله فإن لم يأت بأمر معروف أخذ بإقراره ولم ينفعه إنكاره قال مالك وكذلك أيضا لو قال ربحت في المال كذا وكذا فسأله رب المال أن يدفع إليه ماله وربحه فقال ما ربحت فيه شيئا وما قلت ذلك إلا لأن تقره في يدي فذلك لا ينفعه ويؤخذ بما أقر به إلا أن يأتي بأمر يعرف به قوله وصدقه فلا يلزمه ذلك قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فربح فيه ربحا فقال العامل قارضتك على أن لي الثلثين وقال صاحب المال قارضتك على أن لك الثلث قال مالك القول قول العامل وعليه في ذلك اليمين إذا كان ما قال يشبه قراض مثله وكان ذلك نحوا مما يتقارض عليه الناس وإن جاء بأمر يستنكر ليس على مثله يتقارض الناس لم يصدق ورد إلى قراض مثله قال مالك في رجل أعطى رجلا مائة دينار قراضا فاشترى بها سلعة ثم ذهب ليدفع إلى رب السلعة المائة دينار فوجدها قد سرقت فقال رب المال بع السلعة فإن كان فيها فضل كان لي وإن كان فيها نقصان كان عليك لأنك أنت ضيعت وقال المقارض بل عليك وفاء حق هذا إنما اشتريتها بمالك الذي أعطيتني قال مالك يلزم العامل المشتري أداء ثمنها إلى البائع ويقال لصاحب المال القراض إن شئت فأد المائة الدينار إلى المقارض والسلعة بينكما وتكون قراضا على ما كانت عليه المائة الأولى وإن شئت فابرأ من السلعة فإن دفع المائة دينار إلى العامل كانت قراضا على سنة القراض الأول وإن أبى كانت السلعة للعامل وكان عليه ثمنها قال مالك في المتقارضين إذا تفاصلا فبقي بيد العامل من المتاع الذي يعمل فيه خلق القربة أو خلق الثوب أو ما أشبه ذلك قال مالك كل شيء من ذلك كان تافها لا خطب له فهو للعامل ولم أسمع أحدا أفتى برد ذلك وإنما يرد من ذلك الشيء الذي له ثمن وإن كان شيئا له اسم مثل الدابة أو الجمل أو الشاذكونة أو أشباه ذلك مما له ثمن فإني أرى أن يرد ما بقي عنده من هذا إلا أن يتحلل صاحبه من ذلك.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00