মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শরীকী কারবারের মালে সীমালংঘন

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭৭

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فربح ثم اشترى من ربح المال أو من جملته جارية فوطئها فحملت منه ثم نقص المال قال مالك إن كان له مال أخذت قيمة الجارية من ماله فيجبر به المال فإن كان فضل بعد وفاء المال فهو بينهما على القراض الأول وإن لم يكن له وفاء بيعت الجارية حتى يجبر المال من ثمنها قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فتعدى فاشترى به سلعة وزاد في ثمنها من عنده قال مالك صاحب المال بالخيار إن بيعت السلعة بربح أو وضيعة أو لم تبع إن شاء أن يأخذ السلعة أخذها وقضاه ما أسلفه فيها وإن أبى كان المقارض شريكا له بحصته من الثمن في النماء والنقصان بحساب ما زاد العامل فيها من عنده. قال مالك في رجل أخذ من رجل مالا قراضا ثم دفعه إلى رجل آخر فعمل فيه قراضا بغير إذن صاحبه إنه ضامن للمال إن نقص فعليه النقصان وإن ربح فلصاحب المال شرطه من الربح ثم يكون للذي عمل شرطه بما بقي من المال قال مالك في رجل تعدى فتسلف مما بيديه من القراض مالا فابتاع به سلعة لنفسه قال مالك إن ربح فالربح على شرطهما في القراض وإن نقص فهو ضامن للنقصان قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاستسلف منه المدفوع إليه المال مالا واشترى به سلعة لنفسه إن صاحب المال بالخيار إن شاء شركه في السلعة على قراضها وإن شاء خلى بينه وبينها وأخذ منه رأس المال كله وكذلك يفعل بكل من تعدى.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি শরীকী কারবারে ব্যবসায়ী ব্যবসা করে মুনাফা করল। অতঃপর মূলধন বা লভ্যাংশ দ্বারা একটি দাসী ক্রয় করে তার সাথে সহবাস করল। এতে সে গর্ভবতী হল, আর পরবর্তীতে ব্যবসায়ে ক্ষতি হল তা হলে ব্যবসায়ীর নিজস্ব মাল হতে ঐ দাসীর মূল্য নিয়ে ক্ষতিপূরণ করা হবে। তারপর অতিরিক্ত মাল দুইজনের মধ্যে বণ্টিত হবে। আর যদি ক্ষতিপূরণ না হয় (ক্ষতিপূরণ করার মতো মাল তার না থাকে), তবে ঐ দাসী বিক্রয় করে ক্ষতিপূরণ করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী মাল খরিদ কারার সময় নিজের পক্ষ হতে বিনা কারণে উহার মূল্য বাড়িয়ে দেয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে। সে হয় পণ্য সামগ্রী ঐভাবে থাকতে দিবে না মূলধন হতে যা অতিরিক্ত দেয়া হয়েছে, উহা আদায় করে দিবে অথবা ঐ মালে ব্যবসায়ীকে শরীক করে নিবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী অন্য কাউকেও শরীকী কারবারে মাল দিয়ে দেয় এবং অর্থ বিনিয়োগকারীর নিকট জিজ্ঞেস না করে থাকে, তবে সে মালের জন্য দায়ী হবে। যদি উহাতে ক্ষতি হয়, তবে প্রথমে ব্যবসায়ী নিজের পক্ষ হতে এই ক্ষতিপূরণ করবে আর যদি লাভ হয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারী লভ্যাংশ শর্ত মতো আদায় করবে। অতঃপর বাড়তি মালে প্রথম ব্যবসায়ী ও দ্বিতীয় ব্যবসায়ী উভয়ে শরীক হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মালের দ্বারা নিজের জন্য কোন কিছু খরিদ করে, তবে অর্থ বিনিয়োগকারী ইচ্ছা করলে উহাতে নিজেও শরীক হতে পারে বা উহা ছেড়ে দিতে পারে এবং নিজের মূলধন ব্যবসায়ী হতে ফিরিয়ে নিতে পারে। ব্যবসায়ী এই ধরনের যেকোনো সীমালংঘন করলে অর্থ বিনিয়োগকারীর মূলধন ফিরিয়ে নেয়ার অধিকার থাকবে।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি শরীকী কারবারে ব্যবসায়ী ব্যবসা করে মুনাফা করল। অতঃপর মূলধন বা লভ্যাংশ দ্বারা একটি দাসী ক্রয় করে তার সাথে সহবাস করল। এতে সে গর্ভবতী হল, আর পরবর্তীতে ব্যবসায়ে ক্ষতি হল তা হলে ব্যবসায়ীর নিজস্ব মাল হতে ঐ দাসীর মূল্য নিয়ে ক্ষতিপূরণ করা হবে। তারপর অতিরিক্ত মাল দুইজনের মধ্যে বণ্টিত হবে। আর যদি ক্ষতিপূরণ না হয় (ক্ষতিপূরণ করার মতো মাল তার না থাকে), তবে ঐ দাসী বিক্রয় করে ক্ষতিপূরণ করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী মাল খরিদ কারার সময় নিজের পক্ষ হতে বিনা কারণে উহার মূল্য বাড়িয়ে দেয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে। সে হয় পণ্য সামগ্রী ঐভাবে থাকতে দিবে না মূলধন হতে যা অতিরিক্ত দেয়া হয়েছে, উহা আদায় করে দিবে অথবা ঐ মালে ব্যবসায়ীকে শরীক করে নিবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী অন্য কাউকেও শরীকী কারবারে মাল দিয়ে দেয় এবং অর্থ বিনিয়োগকারীর নিকট জিজ্ঞেস না করে থাকে, তবে সে মালের জন্য দায়ী হবে। যদি উহাতে ক্ষতি হয়, তবে প্রথমে ব্যবসায়ী নিজের পক্ষ হতে এই ক্ষতিপূরণ করবে আর যদি লাভ হয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারী লভ্যাংশ শর্ত মতো আদায় করবে। অতঃপর বাড়তি মালে প্রথম ব্যবসায়ী ও দ্বিতীয় ব্যবসায়ী উভয়ে শরীক হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মালের দ্বারা নিজের জন্য কোন কিছু খরিদ করে, তবে অর্থ বিনিয়োগকারী ইচ্ছা করলে উহাতে নিজেও শরীক হতে পারে বা উহা ছেড়ে দিতে পারে এবং নিজের মূলধন ব্যবসায়ী হতে ফিরিয়ে নিতে পারে। ব্যবসায়ী এই ধরনের যেকোনো সীমালংঘন করলে অর্থ বিনিয়োগকারীর মূলধন ফিরিয়ে নেয়ার অধিকার থাকবে।

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فربح ثم اشترى من ربح المال أو من جملته جارية فوطئها فحملت منه ثم نقص المال قال مالك إن كان له مال أخذت قيمة الجارية من ماله فيجبر به المال فإن كان فضل بعد وفاء المال فهو بينهما على القراض الأول وإن لم يكن له وفاء بيعت الجارية حتى يجبر المال من ثمنها قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فتعدى فاشترى به سلعة وزاد في ثمنها من عنده قال مالك صاحب المال بالخيار إن بيعت السلعة بربح أو وضيعة أو لم تبع إن شاء أن يأخذ السلعة أخذها وقضاه ما أسلفه فيها وإن أبى كان المقارض شريكا له بحصته من الثمن في النماء والنقصان بحساب ما زاد العامل فيها من عنده. قال مالك في رجل أخذ من رجل مالا قراضا ثم دفعه إلى رجل آخر فعمل فيه قراضا بغير إذن صاحبه إنه ضامن للمال إن نقص فعليه النقصان وإن ربح فلصاحب المال شرطه من الربح ثم يكون للذي عمل شرطه بما بقي من المال قال مالك في رجل تعدى فتسلف مما بيديه من القراض مالا فابتاع به سلعة لنفسه قال مالك إن ربح فالربح على شرطهما في القراض وإن نقص فهو ضامن للنقصان قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاستسلف منه المدفوع إليه المال مالا واشترى به سلعة لنفسه إن صاحب المال بالخيار إن شاء شركه في السلعة على قراضها وإن شاء خلى بينه وبينها وأخذ منه رأس المال كله وكذلك يفعل بكل من تعدى.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শরীকী কারবারে যা ব্যয় করা বৈধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭৮

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا إنه إذا كان المال كثيرا يحمل النفقة فإذا شخص فيه العامل فإن له أن يأكل منه ويكتسي بالمعروف من قدر المال ويستأجر من المال إذا كان كثيرا لا يقوى عليه بعض من يكفيه بعض مئونته ومن الأعمال أعمال لا يعملها الذي يأخذ المال وليس مثله يعملها من ذلك تقاضي الدين ونقل المتاع وشده وأشباه ذلك فله أن يستأجر من المال من يكفيه ذلك وليس للمقارض أن يستنفق من المال ولا يكتسي منه ما كان مقيما في أهله إنما يجوز له النفقة إذا شخص في المال وكان المال يحمل النفقة فإن كان إنما يتجر في المال في البلد الذي هو به مقيم فلا نفقة له من المال ولا كسوة قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فخرج به وبمال نفسه قال يجعل النفقة من القراض ومن ماله على قدر حصص المال.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি শরীকী কারবারের মাল এত অধিক হয় যে, খরচের বোঝা উঠাতে সক্ষম তবে ব্যবসায়ী তা হতে সফরে স্বীয় খোরাক-পোশাক নিয়ম মতো নিতে পারে। যদি তার একজনের পক্ষে সেই ব্যবসার কাজ আঞ্জাম দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে সে অন্য কাউকেও শ্রমিক নিযুক্ত করতে পারে। কোন কোন কাজ এমন রয়েছে যা ব্যবসায়ী নিজে একা করতে পারে না, যেমন অর্থ আদায়ের জন্য তাগাদা করা মাল আসবাব বেঁধে নেয়া, উহা উঠিয়ে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি এমতাবস্থায় ব্যবসায়ের মাল থেকে শ্রমিকের মুজুরী দিতে পারবে। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যবসায়ী নিজের শহরে থাকে ততক্ষণ শরীকী মাল হতে খাদ্য ও পোশাক নিবে না। আর নিজ শহরে বিক্রয়ের যোগ্য পণ্য হলে মেহনতকারী উহা হতে কোন প্রকার খোরপোষ গ্রহণ করতে পারবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি সফরে ব্যবসায়ী নিজের মালও নিয়ে যায় তবে সফরের খরচ উভয় মালে বর্তিবে অংশ অনুযায়ী।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি শরীকী কারবারের মাল এত অধিক হয় যে, খরচের বোঝা উঠাতে সক্ষম তবে ব্যবসায়ী তা হতে সফরে স্বীয় খোরাক-পোশাক নিয়ম মতো নিতে পারে। যদি তার একজনের পক্ষে সেই ব্যবসার কাজ আঞ্জাম দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে সে অন্য কাউকেও শ্রমিক নিযুক্ত করতে পারে। কোন কোন কাজ এমন রয়েছে যা ব্যবসায়ী নিজে একা করতে পারে না, যেমন অর্থ আদায়ের জন্য তাগাদা করা মাল আসবাব বেঁধে নেয়া, উহা উঠিয়ে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি এমতাবস্থায় ব্যবসায়ের মাল থেকে শ্রমিকের মুজুরী দিতে পারবে। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যবসায়ী নিজের শহরে থাকে ততক্ষণ শরীকী মাল হতে খাদ্য ও পোশাক নিবে না। আর নিজ শহরে বিক্রয়ের যোগ্য পণ্য হলে মেহনতকারী উহা হতে কোন প্রকার খোরপোষ গ্রহণ করতে পারবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি সফরে ব্যবসায়ী নিজের মালও নিয়ে যায় তবে সফরের খরচ উভয় মালে বর্তিবে অংশ অনুযায়ী।

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا إنه إذا كان المال كثيرا يحمل النفقة فإذا شخص فيه العامل فإن له أن يأكل منه ويكتسي بالمعروف من قدر المال ويستأجر من المال إذا كان كثيرا لا يقوى عليه بعض من يكفيه بعض مئونته ومن الأعمال أعمال لا يعملها الذي يأخذ المال وليس مثله يعملها من ذلك تقاضي الدين ونقل المتاع وشده وأشباه ذلك فله أن يستأجر من المال من يكفيه ذلك وليس للمقارض أن يستنفق من المال ولا يكتسي منه ما كان مقيما في أهله إنما يجوز له النفقة إذا شخص في المال وكان المال يحمل النفقة فإن كان إنما يتجر في المال في البلد الذي هو به مقيم فلا نفقة له من المال ولا كسوة قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فخرج به وبمال نفسه قال يجعل النفقة من القراض ومن ماله على قدر حصص المال.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শরীকী কারবারে যা ব্যয় করা অবৈধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭৯

قال يحيى قال مالك في رجل معه مال قراض فهو يستنفق منه ويكتسي إنه لا يهب منه شيئا ولا يعطي منه سائلا ولا غيره ولا يكافئ فيه أحدا فأما إن اجتمع هو وقوم فجاءوا بطعام وجاء هو بطعام فأرجو أن يكون ذلك واسعا إذا لم يتعمد أن يتفضل عليهم فإن تعمد ذلك أو ما يشبهه بغير إذن صاحب المال فعليه أن يتحلل ذلك من رب المال فإن حلله ذلك فلا بأس به وإن أبى أن يحلله فعليه أن يكافئه بمثل ذلك إن كان ذلك شيئا له مكافأة.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মাল হতে হেবা করতে পারবে না; কোন ফকীরকে কিছু দিতে পারবে না এবং কারো ইহসানের বদলা দিতে পারবে না। যদি অন্যান্য লোক নিজেদের খাবার নিয়ে আসে তবে ব্যবসায়ীও নিজের খাবার তার সাথে মিশিয়ে খেতে পারে, তবে অধিক নিতে পারবে না। যদি অধিক নিতে ইচ্ছা করে, তবে অর্থ বিনিয়োগকারী হতে অনুমতি না মিললে তবে উহার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মাল হতে হেবা করতে পারবে না; কোন ফকীরকে কিছু দিতে পারবে না এবং কারো ইহসানের বদলা দিতে পারবে না। যদি অন্যান্য লোক নিজেদের খাবার নিয়ে আসে তবে ব্যবসায়ীও নিজের খাবার তার সাথে মিশিয়ে খেতে পারে, তবে অধিক নিতে পারবে না। যদি অধিক নিতে ইচ্ছা করে, তবে অর্থ বিনিয়োগকারী হতে অনুমতি না মিললে তবে উহার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

قال يحيى قال مالك في رجل معه مال قراض فهو يستنفق منه ويكتسي إنه لا يهب منه شيئا ولا يعطي منه سائلا ولا غيره ولا يكافئ فيه أحدا فأما إن اجتمع هو وقوم فجاءوا بطعام وجاء هو بطعام فأرجو أن يكون ذلك واسعا إذا لم يتعمد أن يتفضل عليهم فإن تعمد ذلك أو ما يشبهه بغير إذن صاحب المال فعليه أن يتحلل ذلك من رب المال فإن حلله ذلك فلا بأس به وإن أبى أن يحلله فعليه أن يكافئه بمثل ذلك إن كان ذلك شيئا له مكافأة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ধারে বা বাকীতে মাল বিক্রয় করার বিধান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৮০

قال يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاشترى به سلعة ثم باع السلعة بدين فربح في المال ثم هلك الذي أخذ المال قبل أن يقبض المال قال إن أراد ورثته أن يقبضوا ذلك المال وهم على شرط أبيهم من الربح فذلك لهم إذا كانوا أمناء على ذلك فإن كرهوا أن يقتضوه وخلوا بين صاحب المال وبينه لم يكلفوا أن يقتضوه ولا شيء عليهم ولا شيء لهم إذا أسلموه إلى رب المال فإن اقتضوه فلهم فيه من الشرط والنفقة مثل ما كان لأبيهم في ذلك هم فيه بمنزلة أبيهم فإن لم يكونوا أمناء على ذلك فإن لهم أن يأتوا بأمين ثقة فيقتضي ذلك المال فإذا اقتضى جميع المال وجميع الربح كانوا في ذلك بمنزلة أبيهم. قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا على أنه يعمل فيه فما باع به من دين فهو ضامن له إن ذلك لازم له إن باع بدين فقد ضمنه.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই যে, এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে অর্থ যোগান দিল। সে উহা দ্বারা পণ্য খরিদ করল, অতঃপর উহা লাভের উপর ধারে বিক্রয় করল এবং টাকা উশুল করার পূর্বেই ব্যবসায়ী মারা গেল। তবে ব্যবসায়ীর ওয়ারিসদের ইখতিয়ার থাকবে যে, হয় ব্যবসায়ীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে মাল উশুল করবে বা ঐ কর্যের টাকা পুঁজি বিনিয়োগকারীকে উশুল করতে দিয়ে নিজেরা সরে পড়বে, সেই অবস্থায় তাদের কিছুই মিলবে না, যদি ওয়ারিসগণ তাগাদা করে তার কর্য আদায় করে নিয়ে থাকে। তবে ব্যবসায়ী খরচ ও লভ্যাংশ শর্ত মুতাবিক যা পাইত ওয়ারিসগণও তা পাবে যদি তারা সত্যিকারের ওয়ারিস হয়ে থাকে। যদি এমন হয় যে, তাদের উপর বিশ্বাস করা যায় না, তবে কোন বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করে কর্য উশুল করে দেবে। যদি উহা উশুল হয়ে যায় তবে উহাদেরও ব্যবসায়ীর মতো হক মিলবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীর সাথে এই শর্ত করে থাকে যে, ধারে মাল বিক্রয় করবে না, করলে সে তার জন্য দায়ী হবে। এর পর যদি ব্যবসায়ী ধারে বিক্রয় করে থাকে তবে সে নিজেই দায়ী হবে।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্ত এই যে, এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তিকে অর্থ যোগান দিল। সে উহা দ্বারা পণ্য খরিদ করল, অতঃপর উহা লাভের উপর ধারে বিক্রয় করল এবং টাকা উশুল করার পূর্বেই ব্যবসায়ী মারা গেল। তবে ব্যবসায়ীর ওয়ারিসদের ইখতিয়ার থাকবে যে, হয় ব্যবসায়ীর স্থলাভিষিক্ত হয়ে মাল উশুল করবে বা ঐ কর্যের টাকা পুঁজি বিনিয়োগকারীকে উশুল করতে দিয়ে নিজেরা সরে পড়বে, সেই অবস্থায় তাদের কিছুই মিলবে না, যদি ওয়ারিসগণ তাগাদা করে তার কর্য আদায় করে নিয়ে থাকে। তবে ব্যবসায়ী খরচ ও লভ্যাংশ শর্ত মুতাবিক যা পাইত ওয়ারিসগণও তা পাবে যদি তারা সত্যিকারের ওয়ারিস হয়ে থাকে। যদি এমন হয় যে, তাদের উপর বিশ্বাস করা যায় না, তবে কোন বিশ্বাসযোগ্য ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট করে কর্য উশুল করে দেবে। যদি উহা উশুল হয়ে যায় তবে উহাদেরও ব্যবসায়ীর মতো হক মিলবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীর সাথে এই শর্ত করে থাকে যে, ধারে মাল বিক্রয় করবে না, করলে সে তার জন্য দায়ী হবে। এর পর যদি ব্যবসায়ী ধারে বিক্রয় করে থাকে তবে সে নিজেই দায়ী হবে।

قال يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاشترى به سلعة ثم باع السلعة بدين فربح في المال ثم هلك الذي أخذ المال قبل أن يقبض المال قال إن أراد ورثته أن يقبضوا ذلك المال وهم على شرط أبيهم من الربح فذلك لهم إذا كانوا أمناء على ذلك فإن كرهوا أن يقتضوه وخلوا بين صاحب المال وبينه لم يكلفوا أن يقتضوه ولا شيء عليهم ولا شيء لهم إذا أسلموه إلى رب المال فإن اقتضوه فلهم فيه من الشرط والنفقة مثل ما كان لأبيهم في ذلك هم فيه بمنزلة أبيهم فإن لم يكونوا أمناء على ذلك فإن لهم أن يأتوا بأمين ثقة فيقتضي ذلك المال فإذا اقتضى جميع المال وجميع الربح كانوا في ذلك بمنزلة أبيهم. قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا على أنه يعمل فيه فما باع به من دين فهو ضامن له إن ذلك لازم له إن باع بدين فقد ضمنه.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00