মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শরীকী কারবারের অবৈধ শর্তসমূহ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭৪

قال يحيى قال مالك لا ينبغي لصاحب المال أن يشترط لنفسه شيئا من الربح خالصا دون العامل ولا ينبغي للعامل أن يشترط لنفسه شيئا من الربح خالصا دون صاحبه ولا يكون مع القراض بيع ولا كراء ولا عمل ولا سلف ولا مرفق يشترطه أحدهما لنفسه دون صاحبه إلا أن يعين أحدهما صاحبه على غير شرط على وجه المعروف إذا صح ذلك منهما ولا ينبغي للمتقارضين أن يشترط أحدهما على صاحبه زيادة من ذهب ولا فضة ولا طعام ولا شيء من الأشياء يزداده أحدهما على صاحبه قال فإن دخل القراض شيء من ذلك صار إجارة ولا تصلح الإجارة إلا بشيء ثابت معلوم ولا ينبغي للذي أخذ المال أن يشترط مع أخذه المال أن يكافئ ولا يولي من سلعته أحدا ولا يتولى منها شيئا لنفسه فإذا وفر المال وحصل عزل رأس المال ثم اقتسما الربح على شرطهما فإن لم يكن للمال ربح أو دخلته وضيعة لم يلحق العامل من ذلك شيء لا مما أنفق على نفسه ولا من الوضيعة وذلك على رب المال في ماله والقراض جائز على ما تراضى عليه رب المال والعامل من نصف الربح أو ثلثه أو ربعه أو أقل من ذلك أو أكثر قال مالك لا يجوز للذي يأخذ المال قراضا أن يشترط أن يعمل فيه سنين لا ينزع منه قال ولا يصلح لصاحب المال أن يشترط أنك لا ترده إلي سنين لأجل يسميانه لأن القراض لا يكون إلى أجل ولكن يدفع رب المال ماله إلى الذي يعمل له فيه فإن بدا لأحدهما أن يترك ذلك والمال ناض لم يشتر به شيئا تركه وأخذ صاحب المال ماله وإن بدا لرب المال أن يقبضه بعد أن يشتري به سلعة فليس ذلك له حتى يباع المتاع ويصير عينا فإن بدا للعامل أن يرده وهو عرض لم يكن ذلك له حتى يبيعه فيرده عينا كما أخذه قال مالك ولا يصلح لمن دفع إلى رجل مالا قراضا أن يشترط عليه الزكاة في حصته من الربح خاصة لأن رب المال إذا اشترط ذلك فقد اشترط لنفسه فضلا من الربح ثابتا فيما سقط عنه من حصة الزكاة التي تصيبه من حصته ولا يجوز لرجل أن يشترط على من قارضه أن لا يشتري إلا من فلان لرجل يسميه فذلك غير جائز لأنه يصير له أجيرا بأجر ليس بمعروف قال مالك في الرجل يدفع إلى رجل مالا قراضا ويشترط على الذي دفع إليه المال الضمان قال لا يجوز لصاحب المال أن يشترط في ماله غير ما وضع القراض عليه وما مضى من سنة المسلمين فيه فإن نما المال على شرط الضمان كان قد ازداد في حقه من الربح من أجل موضع الضمان وإنما يقتسمان الربح على ما لو أعطاه إياه على غير ضمان وإن تلف المال لم أر على الذي أخذه ضمانا لأن شرط الضمان في القراض باطل قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا واشترط عليه أن لا يبتاع به إلا نخلا أو دواب لأجل أنه يطلب ثمر النخل أو نسل الدواب ويحبس رقابها قال مالك لا يجوز هذا وليس هذا من سنة المسلمين في القراض إلا أن يشتري ذلك ثم يبيعه كما يباع غيره من السلع قال مالك لا بأس أن يشترط المقارض على رب المال غلاما يعينه به على أن يقوم معه الغلام في المال إذا لم يعد أن يعينه في المال لا يعينه في غيره

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শরীকী কারবারে যে অর্থ দেয় সে যদি লভ্যাংশের কিছু অংশ নিজের জন্য নির্দিষ্ট করে বা যে ব্যবসা করবে সে নিজের জন্য কিছু নির্দিষ্ট করে নেয় তবে এটা অবৈধ। শরীকী কারবারের সহিত কোন বস্তু ক্রয়ের, ভাড়া দেওয়ার, করযের অথবা অন্য কোন উপকারের শর্ত করা অবৈধ। তবে কোন শর্ত ব্যতীত নিয়ম মাফিক একে অন্যের সাহায্য করা বৈধ। নিয়ম মুতাবিক লাভ কর্তন ছাড়া একে অন্যের উপর কিছু অতিরিক্ত ধার্য করা অবৈধ, সেই অতিরিক্ত ধার্য করা সোনায়, চাঁদিতে, খাদ্য-সামগ্রীতে বা অন্য কোন কিছুতে হলেও যদি এইরূপে কোন শর্ত করা হয়, তবে তা ইজারা হয়ে যাবে। আর ইজারা শুধু নির্দিষ্ট ভাড়ার পরিবর্তে বৈধ হবে। শরীকী কারবারে অর্থ গ্রহীতার পক্ষে কাউকেও কোন উপকারের পরিবর্তে কিছু দান করা বা ক্রয়কৃত মাল তাওলিয়াতে বিক্রয় করা বা নিজে নির্দিষ্ট কোন বস্তুর অধিকারী হওয়া বৈধ নয়। যদি ব্যবসায়ে লাভ হয় তবে মূলধন পৃথক করার পর উভয়ে শর্ত অনুযায়ী ভাগ করে নিবে। যদি লাভ না হয় বা ক্ষতি হয় তবে ব্যবসায়ী দায়ী হবে না। নিজের খরচের জন্যও নয়, ক্ষতির জন্যও নয়, বরং ক্ষতি হবে অর্থ প্রদানকারীর। যদি ব্যবসায়ী এবং অর্থ প্রদানকারী উভয়ে লভ্যাংশের আধা-আধি অথবা প্রথম ব্যক্তি ১/৪ দ্বিতীয় ব্যক্তি ১/৪ বা এই ধরনের আর কিছুতে বেশি বা কমের উপর উভয়ে সম্মত হয়ে যায়, তবে শরীকী কারবার বৈধ হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ শরীকী কারবারে অর্থগ্রহণকারী বণিকা যদি শর্ত করে যে, এত দিনের মধ্যে আমার নিকট হতে মূলধন উঠিয়ে নেয়া চলবে না বা শর্ত করে যে, সে এতদিন মূলধন ফিরিয়ে দিতে পারবে না, তবে ইহা অবৈধ হইবে। কেননা শরীকী কারবারে সময়ের শর্ত হতে পারে না। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী নিজের অর্থ বণিককে দিয়ে দেয় আর বণিকের উহা দ্বারা ব্যবসা করা ভাল না লাগে এমতাবস্থায় যদি অর্থ জমা থাকে তবে মূলধনের মালিক উহা ফেরত নিয়ে নিবে। আর যদি উহা দ্বারা কোন সামগ্রী ইত্যাদি ক্রয় করা হয়ে থাকে তবে পুঁজি বিনিয়োগকারী ঐ সামগ্রী নিবে না এবং বণিকও তাকে উহা নিতে বাধ্য করবে না, বরং এ সামগ্রী বিক্রয় করে নগদ অর্থ যোগাড় করবে ও উহা ফেরত দিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী শর্ত করে যে, উহার যাকাত লভ্যাংশ হতে দিবে তবে ইহা অবৈধ হবে। আর পুঁজি বিনিয়োগকারীর পক্ষে এই শর্ত করাও বৈধ হবে না যে, অমুক ব্যক্তি হতেই মাল খরিদ করতে হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী তার শরীক ব্যবসায়ীর উপর মালের জন্য দায়ী হবার শর্ত করে ইহা জায়েয হবে না। এই অবস্থায় যদি লাভ হয় তা হলে এই দায়িত্বের জন্য অতিরিক্ত কিছুও দেয়া হবে না। যদি মাল নষ্ট হয়ে যায় তবে ব্যবসায়ীর উপর দায়িত্বও অর্পিত হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীর নিকট এই শর্ত আরোপ করে যে, এই মূলধন দ্বারা কিছু খেজুর গাছ বা কোন জন্তু খরিদ করে নিবে আর উহার ফল ও বাচ্চা বিক্রয় করতে থাকবে, ঐ গাছ বা জন্তু বিক্রয় করবে না, তবে তা বৈধ হবে না, আর ইহা শরীকী কারবারের নিয়ম নয়। হ্যাঁ, যদি ঐ গাছ বা জন্তু খরিদ করে অন্যান্য সামগ্রীর মতো বিক্রয় করে দেয় তবে তা বৈধ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী অর্থ বিনিয়োগকারীর প্রতি শর্ত আরোপ করে যে, আমি মূলধন হতে একটি দাস খরিদ করে নিব নিজের সাহায্যের জন্য, তবে ইহা বৈধ হবে। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী এইরূপ অঙ্গীকার না নেয় যে, এই দাস কেবল পণ্যের রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করবে, অন্য কোন কার্যে সাহায্য করবে না।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শরীকী কারবারে যে অর্থ দেয় সে যদি লভ্যাংশের কিছু অংশ নিজের জন্য নির্দিষ্ট করে বা যে ব্যবসা করবে সে নিজের জন্য কিছু নির্দিষ্ট করে নেয় তবে এটা অবৈধ। শরীকী কারবারের সহিত কোন বস্তু ক্রয়ের, ভাড়া দেওয়ার, করযের অথবা অন্য কোন উপকারের শর্ত করা অবৈধ। তবে কোন শর্ত ব্যতীত নিয়ম মাফিক একে অন্যের সাহায্য করা বৈধ। নিয়ম মুতাবিক লাভ কর্তন ছাড়া একে অন্যের উপর কিছু অতিরিক্ত ধার্য করা অবৈধ, সেই অতিরিক্ত ধার্য করা সোনায়, চাঁদিতে, খাদ্য-সামগ্রীতে বা অন্য কোন কিছুতে হলেও যদি এইরূপে কোন শর্ত করা হয়, তবে তা ইজারা হয়ে যাবে। আর ইজারা শুধু নির্দিষ্ট ভাড়ার পরিবর্তে বৈধ হবে। শরীকী কারবারে অর্থ গ্রহীতার পক্ষে কাউকেও কোন উপকারের পরিবর্তে কিছু দান করা বা ক্রয়কৃত মাল তাওলিয়াতে বিক্রয় করা বা নিজে নির্দিষ্ট কোন বস্তুর অধিকারী হওয়া বৈধ নয়। যদি ব্যবসায়ে লাভ হয় তবে মূলধন পৃথক করার পর উভয়ে শর্ত অনুযায়ী ভাগ করে নিবে। যদি লাভ না হয় বা ক্ষতি হয় তবে ব্যবসায়ী দায়ী হবে না। নিজের খরচের জন্যও নয়, ক্ষতির জন্যও নয়, বরং ক্ষতি হবে অর্থ প্রদানকারীর। যদি ব্যবসায়ী এবং অর্থ প্রদানকারী উভয়ে লভ্যাংশের আধা-আধি অথবা প্রথম ব্যক্তি ১/৪ দ্বিতীয় ব্যক্তি ১/৪ বা এই ধরনের আর কিছুতে বেশি বা কমের উপর উভয়ে সম্মত হয়ে যায়, তবে শরীকী কারবার বৈধ হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ শরীকী কারবারে অর্থগ্রহণকারী বণিকা যদি শর্ত করে যে, এত দিনের মধ্যে আমার নিকট হতে মূলধন উঠিয়ে নেয়া চলবে না বা শর্ত করে যে, সে এতদিন মূলধন ফিরিয়ে দিতে পারবে না, তবে ইহা অবৈধ হইবে। কেননা শরীকী কারবারে সময়ের শর্ত হতে পারে না। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী নিজের অর্থ বণিককে দিয়ে দেয় আর বণিকের উহা দ্বারা ব্যবসা করা ভাল না লাগে এমতাবস্থায় যদি অর্থ জমা থাকে তবে মূলধনের মালিক উহা ফেরত নিয়ে নিবে। আর যদি উহা দ্বারা কোন সামগ্রী ইত্যাদি ক্রয় করা হয়ে থাকে তবে পুঁজি বিনিয়োগকারী ঐ সামগ্রী নিবে না এবং বণিকও তাকে উহা নিতে বাধ্য করবে না, বরং এ সামগ্রী বিক্রয় করে নগদ অর্থ যোগাড় করবে ও উহা ফেরত দিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী শর্ত করে যে, উহার যাকাত লভ্যাংশ হতে দিবে তবে ইহা অবৈধ হবে। আর পুঁজি বিনিয়োগকারীর পক্ষে এই শর্ত করাও বৈধ হবে না যে, অমুক ব্যক্তি হতেই মাল খরিদ করতে হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী তার শরীক ব্যবসায়ীর উপর মালের জন্য দায়ী হবার শর্ত করে ইহা জায়েয হবে না। এই অবস্থায় যদি লাভ হয় তা হলে এই দায়িত্বের জন্য অতিরিক্ত কিছুও দেয়া হবে না। যদি মাল নষ্ট হয়ে যায় তবে ব্যবসায়ীর উপর দায়িত্বও অর্পিত হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীর নিকট এই শর্ত আরোপ করে যে, এই মূলধন দ্বারা কিছু খেজুর গাছ বা কোন জন্তু খরিদ করে নিবে আর উহার ফল ও বাচ্চা বিক্রয় করতে থাকবে, ঐ গাছ বা জন্তু বিক্রয় করবে না, তবে তা বৈধ হবে না, আর ইহা শরীকী কারবারের নিয়ম নয়। হ্যাঁ, যদি ঐ গাছ বা জন্তু খরিদ করে অন্যান্য সামগ্রীর মতো বিক্রয় করে দেয় তবে তা বৈধ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি ব্যবসায়ী অর্থ বিনিয়োগকারীর প্রতি শর্ত আরোপ করে যে, আমি মূলধন হতে একটি দাস খরিদ করে নিব নিজের সাহায্যের জন্য, তবে ইহা বৈধ হবে। যদি পুঁজি বিনিয়োগকারী এইরূপ অঙ্গীকার না নেয় যে, এই দাস কেবল পণ্যের রক্ষণাবেক্ষণে সাহায্য করবে, অন্য কোন কার্যে সাহায্য করবে না।

قال يحيى قال مالك لا ينبغي لصاحب المال أن يشترط لنفسه شيئا من الربح خالصا دون العامل ولا ينبغي للعامل أن يشترط لنفسه شيئا من الربح خالصا دون صاحبه ولا يكون مع القراض بيع ولا كراء ولا عمل ولا سلف ولا مرفق يشترطه أحدهما لنفسه دون صاحبه إلا أن يعين أحدهما صاحبه على غير شرط على وجه المعروف إذا صح ذلك منهما ولا ينبغي للمتقارضين أن يشترط أحدهما على صاحبه زيادة من ذهب ولا فضة ولا طعام ولا شيء من الأشياء يزداده أحدهما على صاحبه قال فإن دخل القراض شيء من ذلك صار إجارة ولا تصلح الإجارة إلا بشيء ثابت معلوم ولا ينبغي للذي أخذ المال أن يشترط مع أخذه المال أن يكافئ ولا يولي من سلعته أحدا ولا يتولى منها شيئا لنفسه فإذا وفر المال وحصل عزل رأس المال ثم اقتسما الربح على شرطهما فإن لم يكن للمال ربح أو دخلته وضيعة لم يلحق العامل من ذلك شيء لا مما أنفق على نفسه ولا من الوضيعة وذلك على رب المال في ماله والقراض جائز على ما تراضى عليه رب المال والعامل من نصف الربح أو ثلثه أو ربعه أو أقل من ذلك أو أكثر قال مالك لا يجوز للذي يأخذ المال قراضا أن يشترط أن يعمل فيه سنين لا ينزع منه قال ولا يصلح لصاحب المال أن يشترط أنك لا ترده إلي سنين لأجل يسميانه لأن القراض لا يكون إلى أجل ولكن يدفع رب المال ماله إلى الذي يعمل له فيه فإن بدا لأحدهما أن يترك ذلك والمال ناض لم يشتر به شيئا تركه وأخذ صاحب المال ماله وإن بدا لرب المال أن يقبضه بعد أن يشتري به سلعة فليس ذلك له حتى يباع المتاع ويصير عينا فإن بدا للعامل أن يرده وهو عرض لم يكن ذلك له حتى يبيعه فيرده عينا كما أخذه قال مالك ولا يصلح لمن دفع إلى رجل مالا قراضا أن يشترط عليه الزكاة في حصته من الربح خاصة لأن رب المال إذا اشترط ذلك فقد اشترط لنفسه فضلا من الربح ثابتا فيما سقط عنه من حصة الزكاة التي تصيبه من حصته ولا يجوز لرجل أن يشترط على من قارضه أن لا يشتري إلا من فلان لرجل يسميه فذلك غير جائز لأنه يصير له أجيرا بأجر ليس بمعروف قال مالك في الرجل يدفع إلى رجل مالا قراضا ويشترط على الذي دفع إليه المال الضمان قال لا يجوز لصاحب المال أن يشترط في ماله غير ما وضع القراض عليه وما مضى من سنة المسلمين فيه فإن نما المال على شرط الضمان كان قد ازداد في حقه من الربح من أجل موضع الضمان وإنما يقتسمان الربح على ما لو أعطاه إياه على غير ضمان وإن تلف المال لم أر على الذي أخذه ضمانا لأن شرط الضمان في القراض باطل قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا واشترط عليه أن لا يبتاع به إلا نخلا أو دواب لأجل أنه يطلب ثمر النخل أو نسل الدواب ويحبس رقابها قال مالك لا يجوز هذا وليس هذا من سنة المسلمين في القراض إلا أن يشتري ذلك ثم يبيعه كما يباع غيره من السلع قال مالك لا بأس أن يشترط المقارض على رب المال غلاما يعينه به على أن يقوم معه الغلام في المال إذا لم يعد أن يعينه في المال لا يعينه في غيره


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পণ্যদ্রব্য ইত্যাদিতে শরীকী কারবার

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭৫

قال يحيى قال مالك لا ينبغي لأحد أن يقارض أحدا إلا في العين لأنه لا تنبغي المقارضة في العروض لأن المقارضة في العروض إنما تكون على أحد وجهين إما أن يقول له صاحب العرض خذ هذا العرض فبعه فما خرج من ثمنه فاشتر به وبع على وجه القراض فقد اشترط صاحب المال فضلا لنفسه من بيع سلعته وما يكفيه من مئونتها أو يقول اشتر بهذه السلعة وبع فإذا فرغت فابتع لي مثل عرضي الذي دفعت إليك فإن فضل شيء فهو بيني وبينك ولعل صاحب العرض أن يدفعه إلى العامل في زمن هو فيه نافق كثير الثمن ثم يرده العامل حين يرده وقد رخص فيشتريه بثلث ثمنه أو أقل من ذلك فيكون العامل قد ربح نصف ما نقص من ثمن العرض في حصته من الربح أو يأخذ العرض في زمان ثمنه فيه قليل فيعمل فيه حتى يكثر المال في يديه ثم يغلو ذلك العرض ويرتفع ثمنه حين يرده فيشتريه بكل ما في يديه فيذهب عمله وعلاجه باطلا فهذا غرر لا يصلح فإن جهل ذلك حتى يمضي نظر إلى قدر أجر الذي دفع إليه القراض في بيعه إياه وعلاجه فيعطاه ثم يكون المال قراضا من يوم نض المال واجتمع عينا ويرد إلى قراض مثله.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শরীকী কারবার শুধু সোনা চাঁদিতে হবে, পণ্যদ্রব্যে হবে না, কেননা পণ্য সামগ্রীতে শরীকী কারবার দুই প্রকারে হতে পারে; প্রথমত পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীকে পণ্য সামগ্রী দিয়ে বলবে, ইহা বিক্রয় করে ঐ টাকা দিয়ে কারবার কর- ইহা বৈধ নয়। কেননা এতে অর্থ বিনিয়োগকারীর এক বিশেষ উপকার এই রয়েছে যে, তার মাল নির্বিঘ্নে বিক্রয় হয়ে গেল; দ্বিতীয়ত, অর্থ বিনিয়োগকারী পণ্যসামগ্রী দিয়ে বলে দিল এর বিনিময়ে অন্য সামগ্রী ক্রয় করে নাও এবং ব্যবসা করতে থাক, যখন লেনদেন শেষ করতে ইচ্ছা কর তখন এই সামগ্রী আমাকে বাজার হতে খরিদ করে দিও। আর যা অতিরিক্ত থাকে তা আমরা ভাগ করে নিব, তবে এটাও অবৈধ হবে। কেননা এতে ধোঁকার আশংকা রয়েছে, হয়তো তখন এই মাল অধিক মূল্যে ক্রয় করতে হবে। আর সামগ্রী দেওয়ার সময় যে দাম ছিল সেই দাম হতে যদি এখন সস্তা হয়ে গিয়ে থাকে, তবে ব্যবসায়ীর সামগ্রীর মূল্যের হ্রাস অনুসারে লাভ করে যাবে বা আসল ও লাভ সমস্তই তা খরিদ করতে ব্যয় হয়ে যাবে, আর ব্যবসায়ীর মেহনত বৃথা যাবে। তবুও যদি কেউ এইরূপ লেনদেন করেই ফেলে তবে ব্যবসায়ীকে প্রথমে সামগ্রী বিক্রয়ের নিয়ম মতো পারিশ্রমিক দিতে হবে। আর যে দিন হতে মূলধন নগদ টাকা হল সেদিন হতে শরীকী কারবার শুরু হবে। অতঃপর কারবার শেষ হওয়ার সময় এই পরিমাণ মূলধনই ধরা হবে।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শরীকী কারবার শুধু সোনা চাঁদিতে হবে, পণ্যদ্রব্যে হবে না, কেননা পণ্য সামগ্রীতে শরীকী কারবার দুই প্রকারে হতে পারে; প্রথমত পুঁজি বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীকে পণ্য সামগ্রী দিয়ে বলবে, ইহা বিক্রয় করে ঐ টাকা দিয়ে কারবার কর- ইহা বৈধ নয়। কেননা এতে অর্থ বিনিয়োগকারীর এক বিশেষ উপকার এই রয়েছে যে, তার মাল নির্বিঘ্নে বিক্রয় হয়ে গেল; দ্বিতীয়ত, অর্থ বিনিয়োগকারী পণ্যসামগ্রী দিয়ে বলে দিল এর বিনিময়ে অন্য সামগ্রী ক্রয় করে নাও এবং ব্যবসা করতে থাক, যখন লেনদেন শেষ করতে ইচ্ছা কর তখন এই সামগ্রী আমাকে বাজার হতে খরিদ করে দিও। আর যা অতিরিক্ত থাকে তা আমরা ভাগ করে নিব, তবে এটাও অবৈধ হবে। কেননা এতে ধোঁকার আশংকা রয়েছে, হয়তো তখন এই মাল অধিক মূল্যে ক্রয় করতে হবে। আর সামগ্রী দেওয়ার সময় যে দাম ছিল সেই দাম হতে যদি এখন সস্তা হয়ে গিয়ে থাকে, তবে ব্যবসায়ীর সামগ্রীর মূল্যের হ্রাস অনুসারে লাভ করে যাবে বা আসল ও লাভ সমস্তই তা খরিদ করতে ব্যয় হয়ে যাবে, আর ব্যবসায়ীর মেহনত বৃথা যাবে। তবুও যদি কেউ এইরূপ লেনদেন করেই ফেলে তবে ব্যবসায়ীকে প্রথমে সামগ্রী বিক্রয়ের নিয়ম মতো পারিশ্রমিক দিতে হবে। আর যে দিন হতে মূলধন নগদ টাকা হল সেদিন হতে শরীকী কারবার শুরু হবে। অতঃপর কারবার শেষ হওয়ার সময় এই পরিমাণ মূলধনই ধরা হবে।

قال يحيى قال مالك لا ينبغي لأحد أن يقارض أحدا إلا في العين لأنه لا تنبغي المقارضة في العروض لأن المقارضة في العروض إنما تكون على أحد وجهين إما أن يقول له صاحب العرض خذ هذا العرض فبعه فما خرج من ثمنه فاشتر به وبع على وجه القراض فقد اشترط صاحب المال فضلا لنفسه من بيع سلعته وما يكفيه من مئونتها أو يقول اشتر بهذه السلعة وبع فإذا فرغت فابتع لي مثل عرضي الذي دفعت إليك فإن فضل شيء فهو بيني وبينك ولعل صاحب العرض أن يدفعه إلى العامل في زمن هو فيه نافق كثير الثمن ثم يرده العامل حين يرده وقد رخص فيشتريه بثلث ثمنه أو أقل من ذلك فيكون العامل قد ربح نصف ما نقص من ثمن العرض في حصته من الربح أو يأخذ العرض في زمان ثمنه فيه قليل فيعمل فيه حتى يكثر المال في يديه ثم يغلو ذلك العرض ويرتفع ثمنه حين يرده فيشتريه بكل ما في يديه فيذهب عمله وعلاجه باطلا فهذا غرر لا يصلح فإن جهل ذلك حتى يمضي نظر إلى قدر أجر الذي دفع إليه القراض في بيعه إياه وعلاجه فيعطاه ثم يكون المال قراضا من يوم نض المال واجتمع عينا ويرد إلى قراض مثله.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শরীকী ব্যবসার মালের ভাড়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭৬

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاشترى به متاعا فحمله إلى بلد التجارة فبار عليه وخاف النقصان إن باعه فتكارى عليه إلى بلد آخر فباع بنقصان فاغترق الكراء أصل المال كله قال مالك إن كان فيما باع وفاء للكراء فسبيله ذلك وإن بقي من الكراء شيء بعد أصل المال كان على العامل ولم يكن على رب المال منه شيء يتبع به وذلك أن رب المال إنما أمره بالتجارة في ماله فليس للمقارض أن يتبعه بما سوى ذلك من المال ولو كان ذلك يتبع به رب المال لكان ذلك دينا عليه من غير المال الذي قارضه فيه فليس للمقارض أن يحمل ذلك على رب المال.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি ব্যবসায়ী কিছু সামগ্রী খরিদ করে কোন শহরে নিয়ে যায় কিন্তু তথায় বিক্রয় করতে পারল না, পরে ক্ষতি মনে করে অন্য এক শহরে নিয়ে গেল। তথায় লোকসান দিয়ে ঐ মাল বিক্রয় করল আর মূলধন ভাড়া বাবদ খরচ হয়ে গেল, তবে ভাড়া পরিশোধ করার পর পুঁজি বিনিয়োগকারীও কিছু পাবে না এবং ব্যবসায়ীও ক্ষতি বহন করবে না। আর যদি উহার পরও কিছু ভাড়া বাকী থেকে গেল, তবে উহা ব্যবসায়ী নিজের পক্ষ হতে দিবে, অর্থ বিনিয়োগকারী থেকে নিতে পারবে না। কারণ অর্থ বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীকে তার দেয় অর্থে ব্যবসা করতে বলেছে, উহার বাইরে নয়। অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের দায়িত্ব তার উপর চাপানো যায় না।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি ব্যবসায়ী কিছু সামগ্রী খরিদ করে কোন শহরে নিয়ে যায় কিন্তু তথায় বিক্রয় করতে পারল না, পরে ক্ষতি মনে করে অন্য এক শহরে নিয়ে গেল। তথায় লোকসান দিয়ে ঐ মাল বিক্রয় করল আর মূলধন ভাড়া বাবদ খরচ হয়ে গেল, তবে ভাড়া পরিশোধ করার পর পুঁজি বিনিয়োগকারীও কিছু পাবে না এবং ব্যবসায়ীও ক্ষতি বহন করবে না। আর যদি উহার পরও কিছু ভাড়া বাকী থেকে গেল, তবে উহা ব্যবসায়ী নিজের পক্ষ হতে দিবে, অর্থ বিনিয়োগকারী থেকে নিতে পারবে না। কারণ অর্থ বিনিয়োগকারী ব্যবসায়ীকে তার দেয় অর্থে ব্যবসা করতে বলেছে, উহার বাইরে নয়। অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের দায়িত্ব তার উপর চাপানো যায় না।

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاشترى به متاعا فحمله إلى بلد التجارة فبار عليه وخاف النقصان إن باعه فتكارى عليه إلى بلد آخر فباع بنقصان فاغترق الكراء أصل المال كله قال مالك إن كان فيما باع وفاء للكراء فسبيله ذلك وإن بقي من الكراء شيء بعد أصل المال كان على العامل ولم يكن على رب المال منه شيء يتبع به وذلك أن رب المال إنما أمره بالتجارة في ماله فليس للمقارض أن يتبعه بما سوى ذلك من المال ولو كان ذلك يتبع به رب المال لكان ذلك دينا عليه من غير المال الذي قارضه فيه فليس للمقارض أن يحمل ذلك على رب المال.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শরীকী কারবারের মালে সীমালংঘন

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৭৭

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فربح ثم اشترى من ربح المال أو من جملته جارية فوطئها فحملت منه ثم نقص المال قال مالك إن كان له مال أخذت قيمة الجارية من ماله فيجبر به المال فإن كان فضل بعد وفاء المال فهو بينهما على القراض الأول وإن لم يكن له وفاء بيعت الجارية حتى يجبر المال من ثمنها قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فتعدى فاشترى به سلعة وزاد في ثمنها من عنده قال مالك صاحب المال بالخيار إن بيعت السلعة بربح أو وضيعة أو لم تبع إن شاء أن يأخذ السلعة أخذها وقضاه ما أسلفه فيها وإن أبى كان المقارض شريكا له بحصته من الثمن في النماء والنقصان بحساب ما زاد العامل فيها من عنده. قال مالك في رجل أخذ من رجل مالا قراضا ثم دفعه إلى رجل آخر فعمل فيه قراضا بغير إذن صاحبه إنه ضامن للمال إن نقص فعليه النقصان وإن ربح فلصاحب المال شرطه من الربح ثم يكون للذي عمل شرطه بما بقي من المال قال مالك في رجل تعدى فتسلف مما بيديه من القراض مالا فابتاع به سلعة لنفسه قال مالك إن ربح فالربح على شرطهما في القراض وإن نقص فهو ضامن للنقصان قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاستسلف منه المدفوع إليه المال مالا واشترى به سلعة لنفسه إن صاحب المال بالخيار إن شاء شركه في السلعة على قراضها وإن شاء خلى بينه وبينها وأخذ منه رأس المال كله وكذلك يفعل بكل من تعدى.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি শরীকী কারবারে ব্যবসায়ী ব্যবসা করে মুনাফা করল। অতঃপর মূলধন বা লভ্যাংশ দ্বারা একটি দাসী ক্রয় করে তার সাথে সহবাস করল। এতে সে গর্ভবতী হল, আর পরবর্তীতে ব্যবসায়ে ক্ষতি হল তা হলে ব্যবসায়ীর নিজস্ব মাল হতে ঐ দাসীর মূল্য নিয়ে ক্ষতিপূরণ করা হবে। তারপর অতিরিক্ত মাল দুইজনের মধ্যে বণ্টিত হবে। আর যদি ক্ষতিপূরণ না হয় (ক্ষতিপূরণ করার মতো মাল তার না থাকে), তবে ঐ দাসী বিক্রয় করে ক্ষতিপূরণ করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী মাল খরিদ কারার সময় নিজের পক্ষ হতে বিনা কারণে উহার মূল্য বাড়িয়ে দেয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে। সে হয় পণ্য সামগ্রী ঐভাবে থাকতে দিবে না মূলধন হতে যা অতিরিক্ত দেয়া হয়েছে, উহা আদায় করে দিবে অথবা ঐ মালে ব্যবসায়ীকে শরীক করে নিবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী অন্য কাউকেও শরীকী কারবারে মাল দিয়ে দেয় এবং অর্থ বিনিয়োগকারীর নিকট জিজ্ঞেস না করে থাকে, তবে সে মালের জন্য দায়ী হবে। যদি উহাতে ক্ষতি হয়, তবে প্রথমে ব্যবসায়ী নিজের পক্ষ হতে এই ক্ষতিপূরণ করবে আর যদি লাভ হয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারী লভ্যাংশ শর্ত মতো আদায় করবে। অতঃপর বাড়তি মালে প্রথম ব্যবসায়ী ও দ্বিতীয় ব্যবসায়ী উভয়ে শরীক হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মালের দ্বারা নিজের জন্য কোন কিছু খরিদ করে, তবে অর্থ বিনিয়োগকারী ইচ্ছা করলে উহাতে নিজেও শরীক হতে পারে বা উহা ছেড়ে দিতে পারে এবং নিজের মূলধন ব্যবসায়ী হতে ফিরিয়ে নিতে পারে। ব্যবসায়ী এই ধরনের যেকোনো সীমালংঘন করলে অর্থ বিনিয়োগকারীর মূলধন ফিরিয়ে নেয়ার অধিকার থাকবে।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

যদি শরীকী কারবারে ব্যবসায়ী ব্যবসা করে মুনাফা করল। অতঃপর মূলধন বা লভ্যাংশ দ্বারা একটি দাসী ক্রয় করে তার সাথে সহবাস করল। এতে সে গর্ভবতী হল, আর পরবর্তীতে ব্যবসায়ে ক্ষতি হল তা হলে ব্যবসায়ীর নিজস্ব মাল হতে ঐ দাসীর মূল্য নিয়ে ক্ষতিপূরণ করা হবে। তারপর অতিরিক্ত মাল দুইজনের মধ্যে বণ্টিত হবে। আর যদি ক্ষতিপূরণ না হয় (ক্ষতিপূরণ করার মতো মাল তার না থাকে), তবে ঐ দাসী বিক্রয় করে ক্ষতিপূরণ করা হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী মাল খরিদ কারার সময় নিজের পক্ষ হতে বিনা কারণে উহার মূল্য বাড়িয়ে দেয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারীর ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে। সে হয় পণ্য সামগ্রী ঐভাবে থাকতে দিবে না মূলধন হতে যা অতিরিক্ত দেয়া হয়েছে, উহা আদায় করে দিবে অথবা ঐ মালে ব্যবসায়ীকে শরীক করে নিবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী অন্য কাউকেও শরীকী কারবারে মাল দিয়ে দেয় এবং অর্থ বিনিয়োগকারীর নিকট জিজ্ঞেস না করে থাকে, তবে সে মালের জন্য দায়ী হবে। যদি উহাতে ক্ষতি হয়, তবে প্রথমে ব্যবসায়ী নিজের পক্ষ হতে এই ক্ষতিপূরণ করবে আর যদি লাভ হয় তবে অর্থ বিনিয়োগকারী লভ্যাংশ শর্ত মতো আদায় করবে। অতঃপর বাড়তি মালে প্রথম ব্যবসায়ী ও দ্বিতীয় ব্যবসায়ী উভয়ে শরীক হবে। মালিক (রহঃ) বলেন, যদি ব্যবসায়ী শরীকী কারবারের মালের দ্বারা নিজের জন্য কোন কিছু খরিদ করে, তবে অর্থ বিনিয়োগকারী ইচ্ছা করলে উহাতে নিজেও শরীক হতে পারে বা উহা ছেড়ে দিতে পারে এবং নিজের মূলধন ব্যবসায়ী হতে ফিরিয়ে নিতে পারে। ব্যবসায়ী এই ধরনের যেকোনো সীমালংঘন করলে অর্থ বিনিয়োগকারীর মূলধন ফিরিয়ে নেয়ার অধিকার থাকবে।

قال يحيى قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فعمل فيه فربح ثم اشترى من ربح المال أو من جملته جارية فوطئها فحملت منه ثم نقص المال قال مالك إن كان له مال أخذت قيمة الجارية من ماله فيجبر به المال فإن كان فضل بعد وفاء المال فهو بينهما على القراض الأول وإن لم يكن له وفاء بيعت الجارية حتى يجبر المال من ثمنها قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فتعدى فاشترى به سلعة وزاد في ثمنها من عنده قال مالك صاحب المال بالخيار إن بيعت السلعة بربح أو وضيعة أو لم تبع إن شاء أن يأخذ السلعة أخذها وقضاه ما أسلفه فيها وإن أبى كان المقارض شريكا له بحصته من الثمن في النماء والنقصان بحساب ما زاد العامل فيها من عنده. قال مالك في رجل أخذ من رجل مالا قراضا ثم دفعه إلى رجل آخر فعمل فيه قراضا بغير إذن صاحبه إنه ضامن للمال إن نقص فعليه النقصان وإن ربح فلصاحب المال شرطه من الربح ثم يكون للذي عمل شرطه بما بقي من المال قال مالك في رجل تعدى فتسلف مما بيديه من القراض مالا فابتاع به سلعة لنفسه قال مالك إن ربح فالربح على شرطهما في القراض وإن نقص فهو ضامن للنقصان قال مالك في رجل دفع إلى رجل مالا قراضا فاستسلف منه المدفوع إليه المال مالا واشترى به سلعة لنفسه إن صاحب المال بالخيار إن شاء شركه في السلعة على قراضها وإن شاء خلى بينه وبينها وأخذ منه رأس المال كله وكذلك يفعل بكل من تعدى.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00