মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ‘সালাফ’-এর যা বৈধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫৬

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي رافع مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: استسلف رسول الله صلى الله عليه وسلم بكرا فجاءته إبل من الصدقة قال أبو رافع فأمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أقضي الرجل بكره فقلت لم أجد في الإبل إلا جملا خيارا رباعيا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطه إياه فإن خيار الناس أحسنهم قضاء.

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আযাদকৃত দাস আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ছোট উট নিয়েছিলেন, অতঃপর তার নিকট সাদকার উট আসে। আবূ রাফি’ বলেন, রসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ঐ ব্যক্তির উটের বাচ্চা আদায় করে দিতে বললেন, আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! উহাদের মধ্যে তো বাচ্চা উট নাই, সমস্তই বয়স্ক উট। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, উহাই দিয়ে দাও। কেননা ঐ লোকই উত্তম যে উৎকৃষ্ট বস্তু দ্বারা ঋণ পরিশোধ করে। (সহীহ, মুসলিম ১৬০০)

রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আযাদকৃত দাস আবূ রাফি’ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ছোট উট নিয়েছিলেন, অতঃপর তার নিকট সাদকার উট আসে। আবূ রাফি’ বলেন, রসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ঐ ব্যক্তির উটের বাচ্চা আদায় করে দিতে বললেন, আমি বললাম, ইয়া রসূলাল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! উহাদের মধ্যে তো বাচ্চা উট নাই, সমস্তই বয়স্ক উট। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, উহাই দিয়ে দাও। কেননা ঐ লোকই উত্তম যে উৎকৃষ্ট বস্তু দ্বারা ঋণ পরিশোধ করে। (সহীহ, মুসলিম ১৬০০)

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار عن أبي رافع مولى رسول الله صلى الله عليه وسلم أنه قال: استسلف رسول الله صلى الله عليه وسلم بكرا فجاءته إبل من الصدقة قال أبو رافع فأمرني رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أقضي الرجل بكره فقلت لم أجد في الإبل إلا جملا خيارا رباعيا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطه إياه فإن خيار الناس أحسنهم قضاء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫৭

و حدثني مالك عن حميد بن قيس المكي عن مجاهد أنه قال استسلف عبد الله بن عمر من رجل دراهم ثم قضاه دراهم خيرا منها فقال الرجل يا أبا عبد الرحمن هذه خير من دراهمي التي أسلفتك فقال عبد الله بن عمر قد علمت ولكن نفسي بذلك طيبة. قال مالك لا بأس بأن يقبض من أسلف شيئا من الذهب أو الورق أو الطعام أو الحيوان ممن أسلفه ذلك أفضل مما أسلفه إذا لم يكن ذلك على شرط منهما أو عادة فإن كان ذلك على شرط أو وأي أو عادة فذلك مكروه ولا خير فيه قال وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى جملا رباعيا خيارا مكان بكر استسلفه وأن عبد الله بن عمر استسلف دراهم فقضى خيرا منها فإن كان ذلك على طيب نفس من المستسلف ولم يكن ذلك على شرط ولا وأي ولا عادة كان ذلك حلالا لا بأس به.

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবন ‘উমার (রাঃ) এক ব্যক্তির নিকট হতে কিছু দিরহাম কর্জ নিলেন। অতঃপর আদায় করবার সময় যে দিরহাম ঋণস্বরূপ নিয়েছিলেন উহা হতে উৎকৃষ্ট দিরহাম দিলেন। ঐ ব্যক্তি বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! এই দিরহাম আমার দিরহাম হতে উৎকৃষ্ট যা আমি আপনাকে ধার দিয়েছিলাম। আবদুল্লাহ্ ইবন উমার বললেন, আমার তা জানা আছে তবুও আমি খুশী হয়ে উহা দিয়েছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কাউকেও স্বর্ণরৌপ্য বা কোন খাদ্যদ্রব্য ধার দেয় তবে ফেরত নেবার সময় যাকে ধার দিয়েছিল তা হতে উৎকৃষ্ট বস্তু গ্রহণ করাতে কোন দোষ নেই, যদি এইরূপ কোন শর্ত করে না থাকে বা ইহা নিয়মে পরিণত না হয়; যদি শর্ত করে বা এইরূপ দেওয়ার নিয়ম থাকে তবে উহা মাকরূহ্। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা এইজন্য যে, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের বাচ্চা ধার নিয়ে বড় বয়স্ক উট দিয়েছিলেন আর আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) দিরহাম নিয়ে উহা হতে উৎকৃষ্ট দিরহাম দিয়েছিলেন। যদি এটা খাতকের সন্তুষ্ট মনে হয়ে থাকে আর এটার জন্য কোন শর্ত বা রীতি না থাকে তবে এটা হালাল, এতে কোন ক্ষতি নেই।

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবন ‘উমার (রাঃ) এক ব্যক্তির নিকট হতে কিছু দিরহাম কর্জ নিলেন। অতঃপর আদায় করবার সময় যে দিরহাম ঋণস্বরূপ নিয়েছিলেন উহা হতে উৎকৃষ্ট দিরহাম দিলেন। ঐ ব্যক্তি বলল, হে আবূ আবদুর রহমান! এই দিরহাম আমার দিরহাম হতে উৎকৃষ্ট যা আমি আপনাকে ধার দিয়েছিলাম। আবদুল্লাহ্ ইবন উমার বললেন, আমার তা জানা আছে তবুও আমি খুশী হয়ে উহা দিয়েছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কাউকেও স্বর্ণরৌপ্য বা কোন খাদ্যদ্রব্য ধার দেয় তবে ফেরত নেবার সময় যাকে ধার দিয়েছিল তা হতে উৎকৃষ্ট বস্তু গ্রহণ করাতে কোন দোষ নেই, যদি এইরূপ কোন শর্ত করে না থাকে বা ইহা নিয়মে পরিণত না হয়; যদি শর্ত করে বা এইরূপ দেওয়ার নিয়ম থাকে তবে উহা মাকরূহ্। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা এইজন্য যে, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উটের বাচ্চা ধার নিয়ে বড় বয়স্ক উট দিয়েছিলেন আর আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) দিরহাম নিয়ে উহা হতে উৎকৃষ্ট দিরহাম দিয়েছিলেন। যদি এটা খাতকের সন্তুষ্ট মনে হয়ে থাকে আর এটার জন্য কোন শর্ত বা রীতি না থাকে তবে এটা হালাল, এতে কোন ক্ষতি নেই।

و حدثني مالك عن حميد بن قيس المكي عن مجاهد أنه قال استسلف عبد الله بن عمر من رجل دراهم ثم قضاه دراهم خيرا منها فقال الرجل يا أبا عبد الرحمن هذه خير من دراهمي التي أسلفتك فقال عبد الله بن عمر قد علمت ولكن نفسي بذلك طيبة. قال مالك لا بأس بأن يقبض من أسلف شيئا من الذهب أو الورق أو الطعام أو الحيوان ممن أسلفه ذلك أفضل مما أسلفه إذا لم يكن ذلك على شرط منهما أو عادة فإن كان ذلك على شرط أو وأي أو عادة فذلك مكروه ولا خير فيه قال وذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قضى جملا رباعيا خيارا مكان بكر استسلفه وأن عبد الله بن عمر استسلف دراهم فقضى خيرا منها فإن كان ذلك على طيب نفس من المستسلف ولم يكن ذلك على شرط ولا وأي ولا عادة كان ذلك حلالا لا بأس به.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ‘সালাফ’ বা ঋণে যা অবৈধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫৮

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قال في رجل أسلف رجلا طعاما على أن يعطيه إياه في بلد آخر فكره ذلك عمر بن الخطاب وقال فأين الحمل يعني حملانه.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অপর একজনের নিকট কিছু খাদ্যদ্রব্য ধার দিয়েছিল এই শর্তে যে, অন্য শহরে সে উহা পরিশোধ করবে। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বললেন, ঐ স্থানে বহন করবার খরচ কে বহন করবে? তাই উহা অপছন্দ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি অপর একজনের নিকট কিছু খাদ্যদ্রব্য ধার দিয়েছিল এই শর্তে যে, অন্য শহরে সে উহা পরিশোধ করবে। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বললেন, ঐ স্থানে বহন করবার খরচ কে বহন করবে? তাই উহা অপছন্দ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب قال في رجل أسلف رجلا طعاما على أن يعطيه إياه في بلد آخر فكره ذلك عمر بن الخطاب وقال فأين الحمل يعني حملانه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬০

و حدثني مالك عن نافع أنه سمع عبد الله بن عمر يقول: من أسلف سلفا فلا يشترط إلا قضاءه.

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যদি কেউ কাউকেও কোন ঋণ দেয় তবে যেন উহা আদায় করার শর্ত ছাড়া অন্য কোন শর্ত না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, যদি কেউ কাউকেও কোন ঋণ দেয় তবে যেন উহা আদায় করার শর্ত ছাড়া অন্য কোন শর্ত না করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن نافع أنه سمع عبد الله بن عمر يقول: من أسلف سلفا فلا يشترط إلا قضاءه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬১

و حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول من أسلف سلفا فلا يشترط أفضل منه وإن كانت قبضة من علف فهو ربا. قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من استسلف شيئا من الحيوان بصفة وتحلية معلومة فإنه لا بأس بذلك وعليه أن يرد مثله إلا ما كان من الولائد فإنه يخاف في ذلك الذريعة إلى إحلال ما لا يحل فلا يصلح وتفسير ما كره من ذلك أن يستسلف الرجل الجارية فيصيبها ما بدا له ثم يردها إلى صاحبها بعينها فذلك لا يصلح ولا يحل ولم يزل أهل العلم ينهون عنه ولا يرخصون فيه لأحد.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলতেন, যদি কেউ কাউকেও ঋণ দেয় তবে উহা হতে উৎকৃষ্ট বস্তু বা অতিরিক্ত কিছুর শর্ত করবে না যদিও একমুষ্টি ঘাস হয়। কেননা উহা সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের নিকট সর্বসম্মত মত এই যে, যদি কেউ কোন পশু ধার নেয় তাতে কোন অসুবিধা নেই, তবে তাকে ঐরূপ পশুই পরিশোধ করতে হবে। তবে ক্রীতদাসীদের ব্যাপারে ইহা প্রযোজ্য হবে না, কারণ এতে যা নিষিদ্ধ তা হালাল করার আশংকা রয়েছে। এর ব্যাখ্যা এই, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে ক্রীতদাসী ধার দিল, সে উহার সাথে সহবাস করল, অতঃপর মালিকের নিকট উহাকে ফেরত দিল, ইহা বৈধ নয়। আহলে-ইলম [উলামা] এইরূপ করতে বরাবর নিষেধ করতেন এবং কাউকেও এর অনুমতি দিতেন না।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) বলতেন, যদি কেউ কাউকেও ঋণ দেয় তবে উহা হতে উৎকৃষ্ট বস্তু বা অতিরিক্ত কিছুর শর্ত করবে না যদিও একমুষ্টি ঘাস হয়। কেননা উহা সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের নিকট সর্বসম্মত মত এই যে, যদি কেউ কোন পশু ধার নেয় তাতে কোন অসুবিধা নেই, তবে তাকে ঐরূপ পশুই পরিশোধ করতে হবে। তবে ক্রীতদাসীদের ব্যাপারে ইহা প্রযোজ্য হবে না, কারণ এতে যা নিষিদ্ধ তা হালাল করার আশংকা রয়েছে। এর ব্যাখ্যা এই, এক ব্যক্তি অপর এক ব্যক্তিকে ক্রীতদাসী ধার দিল, সে উহার সাথে সহবাস করল, অতঃপর মালিকের নিকট উহাকে ফেরত দিল, ইহা বৈধ নয়। আহলে-ইলম [উলামা] এইরূপ করতে বরাবর নিষেধ করতেন এবং কাউকেও এর অনুমতি দিতেন না।

و حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول من أسلف سلفا فلا يشترط أفضل منه وإن كانت قبضة من علف فهو ربا. قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من استسلف شيئا من الحيوان بصفة وتحلية معلومة فإنه لا بأس بذلك وعليه أن يرد مثله إلا ما كان من الولائد فإنه يخاف في ذلك الذريعة إلى إحلال ما لا يحل فلا يصلح وتفسير ما كره من ذلك أن يستسلف الرجل الجارية فيصيبها ما بدا له ثم يردها إلى صاحبها بعينها فذلك لا يصلح ولا يحل ولم يزل أهل العلم ينهون عنه ولا يرخصون فيه لأحد.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫৯

و حدثني مالك أنه بلغه أن رجلا أتى عبد الله بن عمر فقال يا أبا عبد الرحمن إني أسلفت رجلا سلفا واشترطت عليه أفضل مما أسلفته فقال عبد الله بن عمر فذلك الربا قال فكيف تأمرني يا أبا عبد الرحمن فقال عبد الله السلف على ثلاثة وجوه سلف تسلفه تريد به وجه الله فلك وجه الله وسلف تسلفه تريد به وجه صاحبك فلك وجه صاحبك وسلف تسلفه لتأخذ خبيثا بطيب فذلك الربا قال فكيف تأمرني يا أبا عبد الرحمن قال أرى أن تشق الصحيفة فإن أعطاك مثل الذي أسلفته قبلته وإن أعطاك دون الذي أسلفته فأخذته أجرت وإن أعطاك أفضل مما أسلفته طيبة به نفسه فذلك شكر شكره لك ولك أجر ما أنظرته

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ)-এর নিকট এসে বলেন, হে আবূ আবদির রহমান! আমি এক ব্যক্তিকে কিছু ধার দিয়েছিলাম এবং উহা হতে উৎকৃষ্ট বস্তু দেওয়ার শর্ত করেছিলাম। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বললেন উহা সুদ হবে। ঐ ব্যক্তি বললেন, তবে আমাকে এখন কি করতে বলেন। তিনি বললেন, ঋণ তিন প্রকারের হয়ে থাকে। এক প্রকারের ঋণ যাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি উদ্দেশ্য হয়। তাতে আল্লাহর সন্তুষ্টিই অর্জিত হয়ে থাকে। আর এক প্রকারের ঋণ যাতে গ্রহীতা ব্যক্তির সন্তুষ্টির উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাতে ঐ ব্যক্তির সন্তুষ্টি লাভ হয়ে থাকে। আর এক প্রকার ঋণ যাতে হালালের বিনিময়ে হারাম (সুদ) গ্রহণ উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। সে ব্যক্তি বলল তবে আমাকে এখন কি করতে বলেন? তিনি বললেন, আমার মতে তুমি তোমার সুদের দলীল ছিড়ে ফেল, যদি তুমি যা ঋণ দিয়েছিলে তোমাকে ঐ পরিমাণ দিয়ে দেয় তবে তা নিবে, তোমার সওয়াব হবে। আর যদি সে খুশী হয়ে তুমি যা দিয়েছ উহা হতে উৎকৃষ্ট বস্তু দেয় তবে উহার শোকর করবে। আর তুমি তাকে যে সময় দিয়েছ উহার সওয়াব পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ)-এর নিকট এসে বলেন, হে আবূ আবদির রহমান! আমি এক ব্যক্তিকে কিছু ধার দিয়েছিলাম এবং উহা হতে উৎকৃষ্ট বস্তু দেওয়ার শর্ত করেছিলাম। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) বললেন উহা সুদ হবে। ঐ ব্যক্তি বললেন, তবে আমাকে এখন কি করতে বলেন। তিনি বললেন, ঋণ তিন প্রকারের হয়ে থাকে। এক প্রকারের ঋণ যাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি উদ্দেশ্য হয়। তাতে আল্লাহর সন্তুষ্টিই অর্জিত হয়ে থাকে। আর এক প্রকারের ঋণ যাতে গ্রহীতা ব্যক্তির সন্তুষ্টির উদ্দেশ্য হয়ে থাকে তাতে ঐ ব্যক্তির সন্তুষ্টি লাভ হয়ে থাকে। আর এক প্রকার ঋণ যাতে হালালের বিনিময়ে হারাম (সুদ) গ্রহণ উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। সে ব্যক্তি বলল তবে আমাকে এখন কি করতে বলেন? তিনি বললেন, আমার মতে তুমি তোমার সুদের দলীল ছিড়ে ফেল, যদি তুমি যা ঋণ দিয়েছিলে তোমাকে ঐ পরিমাণ দিয়ে দেয় তবে তা নিবে, তোমার সওয়াব হবে। আর যদি সে খুশী হয়ে তুমি যা দিয়েছ উহা হতে উৎকৃষ্ট বস্তু দেয় তবে উহার শোকর করবে। আর তুমি তাকে যে সময় দিয়েছ উহার সওয়াব পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك أنه بلغه أن رجلا أتى عبد الله بن عمر فقال يا أبا عبد الرحمن إني أسلفت رجلا سلفا واشترطت عليه أفضل مما أسلفته فقال عبد الله بن عمر فذلك الربا قال فكيف تأمرني يا أبا عبد الرحمن فقال عبد الله السلف على ثلاثة وجوه سلف تسلفه تريد به وجه الله فلك وجه الله وسلف تسلفه تريد به وجه صاحبك فلك وجه صاحبك وسلف تسلفه لتأخذ خبيثا بطيب فذلك الربا قال فكيف تأمرني يا أبا عبد الرحمن قال أرى أن تشق الصحيفة فإن أعطاك مثل الذي أسلفته قبلته وإن أعطاك دون الذي أسلفته فأخذته أجرت وإن أعطاك أفضل مما أسلفته طيبة به نفسه فذلك شكر شكره لك ولك أجر ما أنظرته


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রয়-বিক্রয়ে যা নিষিদ্ধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬২

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يبع بعضكم على بيع بعض.

আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একে অন্যের বিক্রয়ের উপর বিক্রয় করো না। [১] (বুখারী ২১৩৯, মুসলিম ১৪১২)

আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একে অন্যের বিক্রয়ের উপর বিক্রয় করো না। [১] (বুখারী ২১৩৯, মুসলিম ১৪১২)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يبع بعضكم على بيع بعض.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬৪

قال مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن النجش قال مالك والنجش أن تعطيه بسلعته أكثر من ثمنها وليس في نفسك اشتراؤها فيقتدي بك غيرك.

ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজাশ করতে নিষেধ করেছেন। নাজাশ বলা হয় মালের উপযুক্ত দামের চাইতে অধিক দাম বলা অথচ তার ক্রয়ের ইচ্ছা নেই। বরং এই অধিক দাম বলার উদ্দেশ্য যেন অন্য ব্যক্তি তার অনুসরণ করে ধোঁকায় পড়ে এই দামে উহা ক্রয় করে। (বুখারী ২১৪২, মুসলিম ১৫১৬)

ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নাজাশ করতে নিষেধ করেছেন। নাজাশ বলা হয় মালের উপযুক্ত দামের চাইতে অধিক দাম বলা অথচ তার ক্রয়ের ইচ্ছা নেই। বরং এই অধিক দাম বলার উদ্দেশ্য যেন অন্য ব্যক্তি তার অনুসরণ করে ধোঁকায় পড়ে এই দামে উহা ক্রয় করে। (বুখারী ২১৪২, মুসলিম ১৫১৬)

قال مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن النجش قال مالك والنجش أن تعطيه بسلعته أكثر من ثمنها وليس في نفسك اشتراؤها فيقتدي بك غيرك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬৩

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تلقوا الركبان للبيع ولا يبع بعضكم على بيع بعض ولا تناجشوا ولا يبع حاضر لباد ولا تصروا الإبل والغنم فمن ابتاعها بعد ذلك فهو بخير النظرين بعد أن يحلبها إن رضيها أمسكها وإن سخطها ردها وصاعا من تمر. قال مالك وتفسير قول رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما نرى والله أعلم لا يبع بعضكم على بيع بعض أنه إنما نهى أن يسوم الرجل على سوم أخيه إذا ركن البائع إلى السائم وجعل يشترط وزن الذهب ويتبرأ من العيوب وما أشبه ذلك مما يعرف به أن البائع قد أراد مبايعة السائم فهذا الذي نهى عنه والله أعلم. قال مالك ولا بأس بالسوم بالسلعة توقف للبيع فيسوم بها غير واحد ২৫২قال ولو ترك الناس السوم عند أول من يسوم بها أخذت بشبه الباطل من الثمن ودخل على الباعة في سلعهم المكروه ولم يزل الأمر عندنا على هذا.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বণিকদের সাথে তাদের পণ্য খরিদ করার জন্য আগে আগে মিলিত হইও না। [১] আর কেউ যেন একজনের ক্রয়ের উপর ক্রয় না করে, আর একে অন্যের উপর নাজাশ [২] করো না। আর কোন শহরবাসী যেন কোন গ্রামবাসীর পক্ষ হতে বিক্রয় না করে। আর উট এবং বকরীর স্তনে দুধ জমা [৩] করে রেখো না যদি কেউ এইরূপ উট ও বকরী ক্রয় করে, যদি পরে উহার অবস্থা অবগত হয় তবে তার ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, ইচ্ছা হলে রাখবে আর উহা ফেরত দেবার অধিকারও তার থাকবে। যদি ফেরত দেয়, তবে যেন দুধের পরিবর্তে এক সা’ [৪] খেজুর দিয়ে দেয়। (বুখারী ২১৫০, মুসলিম ১৫১৫) মালিক (রহঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একে অন্যের ক্রয়ের উপর ক্রয় করো না। উহার ব্যাখ্যা হল, একজন যেন অন্যজনের দাম বলার সময় দাম না করে। যখন বিক্রেতার ক্রেতার নিকট বিক্রয় করতে আগ্রহ প্রকাশ পায় এবং পণ্যের দাম ঠিক করে পণ্যকে নির্দোষ প্রমাণ করতে আরম্ভ করে অথবা এমন কোন কাজ করে যাতে মনে হয় যে, বিক্রেতা প্রথম ক্রেতার নিকট বিক্রয় করতে ইচ্ছুক। এমতাবস্থায় অন্য কাউকে দাম করতে নিষেধ করা হয়েছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি বিক্রেতা প্রথম ব্যক্তির দামে বিক্রয় করতে রাযী না হয় বরং মাল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা হয় তবে সকলেই উহার মূল্য বলতে পারে। যদি একজনের দাম বলার সাথে সাথে অন্যের দাম বলা নিষেধ হত, তবে নামমাত্র মূল্যের বিনিময়ে প্রথম ক্রেতা উহা গ্রহণ করতে পারত এবং বিক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে। মদীনায় বর্ধিত মূল্যে ক্রয় করার বরাবর রেওয়াজ ছিল।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, বণিকদের সাথে তাদের পণ্য খরিদ করার জন্য আগে আগে মিলিত হইও না। [১] আর কেউ যেন একজনের ক্রয়ের উপর ক্রয় না করে, আর একে অন্যের উপর নাজাশ [২] করো না। আর কোন শহরবাসী যেন কোন গ্রামবাসীর পক্ষ হতে বিক্রয় না করে। আর উট এবং বকরীর স্তনে দুধ জমা [৩] করে রেখো না যদি কেউ এইরূপ উট ও বকরী ক্রয় করে, যদি পরে উহার অবস্থা অবগত হয় তবে তার ইচ্ছার উপর নির্ভর করবে, ইচ্ছা হলে রাখবে আর উহা ফেরত দেবার অধিকারও তার থাকবে। যদি ফেরত দেয়, তবে যেন দুধের পরিবর্তে এক সা’ [৪] খেজুর দিয়ে দেয়। (বুখারী ২১৫০, মুসলিম ১৫১৫) মালিক (রহঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একে অন্যের ক্রয়ের উপর ক্রয় করো না। উহার ব্যাখ্যা হল, একজন যেন অন্যজনের দাম বলার সময় দাম না করে। যখন বিক্রেতার ক্রেতার নিকট বিক্রয় করতে আগ্রহ প্রকাশ পায় এবং পণ্যের দাম ঠিক করে পণ্যকে নির্দোষ প্রমাণ করতে আরম্ভ করে অথবা এমন কোন কাজ করে যাতে মনে হয় যে, বিক্রেতা প্রথম ক্রেতার নিকট বিক্রয় করতে ইচ্ছুক। এমতাবস্থায় অন্য কাউকে দাম করতে নিষেধ করা হয়েছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি বিক্রেতা প্রথম ব্যক্তির দামে বিক্রয় করতে রাযী না হয় বরং মাল বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রাখা হয় তবে সকলেই উহার মূল্য বলতে পারে। যদি একজনের দাম বলার সাথে সাথে অন্যের দাম বলা নিষেধ হত, তবে নামমাত্র মূল্যের বিনিময়ে প্রথম ক্রেতা উহা গ্রহণ করতে পারত এবং বিক্রেতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে। মদীনায় বর্ধিত মূল্যে ক্রয় করার বরাবর রেওয়াজ ছিল।

و حدثني مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تلقوا الركبان للبيع ولا يبع بعضكم على بيع بعض ولا تناجشوا ولا يبع حاضر لباد ولا تصروا الإبل والغنم فمن ابتاعها بعد ذلك فهو بخير النظرين بعد أن يحلبها إن رضيها أمسكها وإن سخطها ردها وصاعا من تمر. قال مالك وتفسير قول رسول الله صلى الله عليه وسلم فيما نرى والله أعلم لا يبع بعضكم على بيع بعض أنه إنما نهى أن يسوم الرجل على سوم أخيه إذا ركن البائع إلى السائم وجعل يشترط وزن الذهب ويتبرأ من العيوب وما أشبه ذلك مما يعرف به أن البائع قد أراد مبايعة السائم فهذا الذي نهى عنه والله أعلم. قال مالك ولا بأس بالسوم بالسلعة توقف للبيع فيسوم بها غير واحد ২৫২قال ولو ترك الناس السوم عند أول من يسوم بها أخذت بشبه الباطل من الثمن ودخل على الباعة في سلعهم المكروه ولم يزل الأمر عندنا على هذا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রয়-বিক্রয়ের বিভিন্ন বিধান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬৮

و حدثني مالك عن ابن شهاب أنه سأله عن الرجل يتكارى الدابة ثم يكريها بأكثر مما تكاراها به فقال لا بأس بذلك.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যে একটি জন্তু ভাড়ায় নিয়ে উহা আবার অধিক ভাড়ায় অন্যকে দিয়ে দেয়। তিনি বললেন, উহাতে কোন ক্ষতি নেই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তাকে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, যে একটি জন্তু ভাড়ায় নিয়ে উহা আবার অধিক ভাড়ায় অন্যকে দিয়ে দেয়। তিনি বললেন, উহাতে কোন ক্ষতি নেই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن ابن شهاب أنه سأله عن الرجل يتكارى الدابة ثم يكريها بأكثر مما تكاراها به فقال لا بأس بذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬৫

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رجلا ذكر لرسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يخدع في البيوع فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بايعت فقل لا خلابة قال فكان الرجل إذا بايع يقول لا خلابة.

আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, ক্রয়-বিক্রয়ের সময় তাকে ধোঁকা দেয়া হয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি ক্রয়-বিক্রয়ের সময় বলে দেবে, যেন ধোঁকা দেওয়া না হয়। অবশেষে যখন ঐ ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয় করত তখন বাক্যটি বলত। [১] (বুখারী ২১১৭, মুসলিম ১৫৩৩)

আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বলল, ক্রয়-বিক্রয়ের সময় তাকে ধোঁকা দেয়া হয়ে থাকে। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি ক্রয়-বিক্রয়ের সময় বলে দেবে, যেন ধোঁকা দেওয়া না হয়। অবশেষে যখন ঐ ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয় করত তখন বাক্যটি বলত। [১] (বুখারী ২১১৭, মুসলিম ১৫৩৩)

حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن رجلا ذكر لرسول الله صلى الله عليه وسلم أنه يخدع في البيوع فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم إذا بايعت فقل لا خلابة قال فكان الرجل إذا بايع يقول لا خلابة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬৬

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول إذا جئت أرضا يوفون المكيال والميزان فأطل المقام بها وإذا جئت أرضا ينقصون المكيال والميزان فأقلل المقام بها.

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রাঃ) [১] -কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলতেন, যখন তুমি এরূপ কোন শহরে যাবে যেখানকার অধিবাসিগণ পূর্ণরূপে ওজন করে তবে তথায় অনেক দিন থেকো। আর যখন এরূপ শহরে যাবে যেখানকার অধিবাসিগণ ওজনে ত্রুটি করে, তবে সেখানে অনেক দিন থেকো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রাঃ) [১] -কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলতেন, যখন তুমি এরূপ কোন শহরে যাবে যেখানকার অধিবাসিগণ পূর্ণরূপে ওজন করে তবে তথায় অনেক দিন থেকো। আর যখন এরূপ শহরে যাবে যেখানকার অধিবাসিগণ ওজনে ত্রুটি করে, তবে সেখানে অনেক দিন থেকো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول إذا جئت أرضا يوفون المكيال والميزان فأطل المقام بها وإذا جئت أرضا ينقصون المكيال والميزان فأقلل المقام بها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৬৭

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع محمد بن المنكدر يقول أحب الله عبدا سمحا إن باع سمحا إن ابتاع سمحا إن قضى سمحا إن اقتضى ২৫২৬-قال مالك في الرجل يشتري الإبل أو الغنم أو البز أو الرقيق أو شيئا من العروض جزافا إنه لا يكون الجزاف في شيء مما يعد عدا قال مالك في الرجل يعطي الرجل السلعة يبيعها له وقد قومها صاحبها قيمة فقال إن بعتها بهذا الثمن الذي أمرتك به فلك دينار أو شيء يسميه له يتراضيان عليه وإن لم تبعها فليس لك شيء إنه لا بأس بذلك إذا سمى ثمنا يبيعها به وسمى أجرا معلوما إذا باع أخذه وإن لم يبع فلا شيء له قال مالك ومثل ذلك أن يقول الرجل للرجل إن قدرت على غلامي الآبق أو جئت بجملي الشارد فلك كذا وكذا فهذا من باب الجعل وليس من باب الإجارة ولو كان من باب الإجارة لم يصلح قال مالك فأما الرجل يعطى السلعة فيقال له بعها ولك كذا وكذا في كل دينار لشيء يسميه فإن ذلك لا يصلح لأنه كلما نقص دينار من ثمن السلعة نقص من حقه الذي سمى له فهذا غرر لا يدري كم جعل له.

ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুহাম্মাদ ইবন মুনকাদির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহ্ তা’আলা ঐ ব্যক্তিকে ভালবাসেন, যে ক্রয় করতে, বিক্রয় করতে, ঋণ আদায় করতে, ঋণ উশুল করতে নরম ব্যবহার করে। [১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী ২০৭৬, তিনি ইবনু মুনকাদির তিনি জাবির (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন ব্যক্তির উট, বকরী, কাপড়, গোলাম, দাসী ইত্যাদি গণনা না করে এক দলকে একত্রে খরিদ করে লওয়া ভাল নয়, যে বস্তু গণনা করে বিক্রি হয় উহা গণনা করে খরিদ করা ভাল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন ব্যক্তি কাউকেও নিজের কোন বস্তু নির্ধারিত মূল্যে এই শর্তে বিক্রয় করতে দেয় যে, যদি তুমি এই মূল্যে বিক্রয় কর তবে তোমাকে এক দীনার অথবা অন্য কিছু দেয়া হবে যা নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং উভয়ে তাতে সম্মত হয়েছে তা না হলে কিছুই পাবে না। তবে এতে কোন ক্ষতি নেই, যদি বিক্রয় মূল্য ও বিক্রয়ের পরের প্রাপ্য নির্ধারিত হয়ে থাকে। বিক্রয় করলে তা পাবে, না করলে পাবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উহার উদাহরণ এই যে, কোন ব্যক্তি কাউকেও বলল, যদি তুমি আমার যে গোলাম বা উট পলিয়ে গিয়েছে উহাকে তালাশ করে এনে দাও তবে তোমাকে এত দিব, তবে তা বৈধ। কারণ এতে পারিশ্রমিক নির্দিষ্ট করে কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। ইহা ইজারা নয়, যদি ইজারা হত তবে ইহা বৈধ হত না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেউ এক ব্যক্তিকে কিছু মাল দিয়ে বলল, ইহা বিক্রয় করলে প্রতি দীনারে তোমাকে এত দিব; কত দিব তা উল্লেখ করল। এটাও বৈধ নয়। কেননা উক্ত পণ্যের দাম কম হলেই তার নির্ধারিত পারিশ্রমিক কমে যাবে। এটাও এক প্রকার ধোঁকা, জানে না সে কত পাবে।

ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুহাম্মাদ ইবন মুনকাদির (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, আল্লাহ্ তা’আলা ঐ ব্যক্তিকে ভালবাসেন, যে ক্রয় করতে, বিক্রয় করতে, ঋণ আদায় করতে, ঋণ উশুল করতে নরম ব্যবহার করে। [১] (সহীহ মারফু, ইমাম বুখারী ২০৭৬, তিনি ইবনু মুনকাদির তিনি জাবির (রাঃ) থেকে মারফু সনদে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন ব্যক্তির উট, বকরী, কাপড়, গোলাম, দাসী ইত্যাদি গণনা না করে এক দলকে একত্রে খরিদ করে লওয়া ভাল নয়, যে বস্তু গণনা করে বিক্রি হয় উহা গণনা করে খরিদ করা ভাল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি কোন ব্যক্তি কাউকেও নিজের কোন বস্তু নির্ধারিত মূল্যে এই শর্তে বিক্রয় করতে দেয় যে, যদি তুমি এই মূল্যে বিক্রয় কর তবে তোমাকে এক দীনার অথবা অন্য কিছু দেয়া হবে যা নির্দিষ্ট করা হয়েছে এবং উভয়ে তাতে সম্মত হয়েছে তা না হলে কিছুই পাবে না। তবে এতে কোন ক্ষতি নেই, যদি বিক্রয় মূল্য ও বিক্রয়ের পরের প্রাপ্য নির্ধারিত হয়ে থাকে। বিক্রয় করলে তা পাবে, না করলে পাবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উহার উদাহরণ এই যে, কোন ব্যক্তি কাউকেও বলল, যদি তুমি আমার যে গোলাম বা উট পলিয়ে গিয়েছে উহাকে তালাশ করে এনে দাও তবে তোমাকে এত দিব, তবে তা বৈধ। কারণ এতে পারিশ্রমিক নির্দিষ্ট করে কাজে নিযুক্ত করা হয়েছে। ইহা ইজারা নয়, যদি ইজারা হত তবে ইহা বৈধ হত না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেউ এক ব্যক্তিকে কিছু মাল দিয়ে বলল, ইহা বিক্রয় করলে প্রতি দীনারে তোমাকে এত দিব; কত দিব তা উল্লেখ করল। এটাও বৈধ নয়। কেননা উক্ত পণ্যের দাম কম হলেই তার নির্ধারিত পারিশ্রমিক কমে যাবে। এটাও এক প্রকার ধোঁকা, জানে না সে কত পাবে।

و حدثني مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع محمد بن المنكدر يقول أحب الله عبدا سمحا إن باع سمحا إن ابتاع سمحا إن قضى سمحا إن اقتضى ২৫২৬-قال مالك في الرجل يشتري الإبل أو الغنم أو البز أو الرقيق أو شيئا من العروض جزافا إنه لا يكون الجزاف في شيء مما يعد عدا قال مالك في الرجل يعطي الرجل السلعة يبيعها له وقد قومها صاحبها قيمة فقال إن بعتها بهذا الثمن الذي أمرتك به فلك دينار أو شيء يسميه له يتراضيان عليه وإن لم تبعها فليس لك شيء إنه لا بأس بذلك إذا سمى ثمنا يبيعها به وسمى أجرا معلوما إذا باع أخذه وإن لم يبع فلا شيء له قال مالك ومثل ذلك أن يقول الرجل للرجل إن قدرت على غلامي الآبق أو جئت بجملي الشارد فلك كذا وكذا فهذا من باب الجعل وليس من باب الإجارة ولو كان من باب الإجارة لم يصلح قال مالك فأما الرجل يعطى السلعة فيقال له بعها ولك كذا وكذا في كل دينار لشيء يسميه فإن ذلك لا يصلح لأنه كلما نقص دينار من ثمن السلعة نقص من حقه الذي سمى له فهذا غرر لا يدري كم جعل له.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00