মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ‘বরনামজ’ [১] বা বিলের উপর বিক্রয় করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪৫
قال مالك الأمر عندنا في القوم يشترون السلعة البز أو الرقيق فيسمع به الرجل فيقول لرجل منهم البز الذي اشتريت من فلان قد بلغتني صفته وأمره فهل لك أن أربحك في نصيبك كذا وكذا فيقول نعم فيربحه ويكون شريكا للقوم مكانه فإذا نظر إليه رآه قبيحا واستغلاه قال مالك ذلك لازم له ولا خيار له فيه إذا كان ابتاعه على برنامج وصفة معلومة قال مالك في الرجل يقدم له أصناف من البز ويحضره السوام ويقرأ عليهم برنامجه ويقول في كل عدل كذا وكذ ملحفة بصرية وكذا وكذا ريطة سابرية ذرعها كذا وكذا ويسمي لهم أصنافا من البز بأجناسه ويقول اشتروا مني على هذه الصفة فيشترون الأعدال على ما وصف لهم ثم يفتحونها فيستغلونها ويندمون قال مالك ذلك لازم لهم إذا كان موافقا للبرنامج الذي باعهم عليه قال مالك وهذا الأمر الذي لم يزل عليه الناس عندنا يجيزونه بينهم إذا كان المتاع موافقا للبرنامج ولم يكن مخالفا له.
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাদের নিকট মাসআলা এই- একদল লোক পণ্য ক্রয় করল- কাপড় অথবা ক্রীতদাস, এই সংবাদ আর এক ব্যক্তি শুনল। সে ক্রেতাদের একজনকে বলল- আপনি অমুক হতে যে বস্ত্র ক্রয় করেছেন উহার অবস্থা ও গুণাগুণ আমি অবহিত আছি। আপনার অংশের পণ্যে আমি আপনাকে এত এত মুনাফা দিব, এতে আপনি আগ্রহী আছেন কি? সে বলল, হ্যাঁ, সে (দ্বিতীয়বারের ক্রেতা) উহাকে (বিক্রেতাকে) লাভ দিল এবং ক্রেতাদের দলে বিক্রেতার স্থলে শরীক হয়ে গেল, তারপর যখন সে বস্ত্র বা ক্রীতদাস নিরীক্ষা করে দেখল উহাকে খারাপ পেল এবং উহার মূল্য অতিরিক্ত মনে করল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বেচাকেনা এবং উহা গ্রহণ (বিল দেখে যে ক্রয় করেছে) তার জন্য জরুরী হবে এবং (উহা রদ করার) ইখতিয়ার তার থাকবে না। যদি সে নির্দিষ্ট গুণাগুণ জেনে বিল দেখে ক্রয় করে থাকে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি বিভিন্ন জাতের বস্ত্র আমদানী করেছে। (সে সব বস্ত্র ক্রয় করার জন্য) তার কাছে ক্রেতাগণ উপস্থিত হতে লাগল। তিনি তাদেরকে বরনামা (বিল) পাঠ করে শোনালেন। তিনি বললেন, প্রতি গাঁইটে এত এত বসরীয় মিলতাফা রয়েছে এবং এত এত সারবীয় রাইতা রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির বস্ত্রের বিভিন্ন প্রকার দর নির্দিষ্ট করলেন। আরও সে বলল, আপনারা আমার নিকট হতে এই বর্ণিত গুণাগুণের বস্ত্রসমূহ ক্রয় করুন, তারা বর্ণিত গুণের উপর সেই বস্ত্রের গাঁইটসমূহ ক্রয় করলেন। অতঃপর গাঁইট খোলার পর তারা বস্ত্রসমূহের দাম অতিরিক্ত হয়েছে বলে মনে করলেন এবং (এই ক্রয়ের উপর) লজ্জিত হলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে বিলের সপক্ষে তাদের নিকট মাল বিক্রয় করা হয়েছে সে বিল অনুযায়ী গাঁইটে মাল পাওয়া গেল এবং মাল বিলের বিপরীত না হলে তবে ইহা (ক্রয়) তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাদের নিকট মাসআলা এই- একদল লোক পণ্য ক্রয় করল- কাপড় অথবা ক্রীতদাস, এই সংবাদ আর এক ব্যক্তি শুনল। সে ক্রেতাদের একজনকে বলল- আপনি অমুক হতে যে বস্ত্র ক্রয় করেছেন উহার অবস্থা ও গুণাগুণ আমি অবহিত আছি। আপনার অংশের পণ্যে আমি আপনাকে এত এত মুনাফা দিব, এতে আপনি আগ্রহী আছেন কি? সে বলল, হ্যাঁ, সে (দ্বিতীয়বারের ক্রেতা) উহাকে (বিক্রেতাকে) লাভ দিল এবং ক্রেতাদের দলে বিক্রেতার স্থলে শরীক হয়ে গেল, তারপর যখন সে বস্ত্র বা ক্রীতদাস নিরীক্ষা করে দেখল উহাকে খারাপ পেল এবং উহার মূল্য অতিরিক্ত মনে করল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বেচাকেনা এবং উহা গ্রহণ (বিল দেখে যে ক্রয় করেছে) তার জন্য জরুরী হবে এবং (উহা রদ করার) ইখতিয়ার তার থাকবে না। যদি সে নির্দিষ্ট গুণাগুণ জেনে বিল দেখে ক্রয় করে থাকে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি বিভিন্ন জাতের বস্ত্র আমদানী করেছে। (সে সব বস্ত্র ক্রয় করার জন্য) তার কাছে ক্রেতাগণ উপস্থিত হতে লাগল। তিনি তাদেরকে বরনামা (বিল) পাঠ করে শোনালেন। তিনি বললেন, প্রতি গাঁইটে এত এত বসরীয় মিলতাফা রয়েছে এবং এত এত সারবীয় রাইতা রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির বস্ত্রের বিভিন্ন প্রকার দর নির্দিষ্ট করলেন। আরও সে বলল, আপনারা আমার নিকট হতে এই বর্ণিত গুণাগুণের বস্ত্রসমূহ ক্রয় করুন, তারা বর্ণিত গুণের উপর সেই বস্ত্রের গাঁইটসমূহ ক্রয় করলেন। অতঃপর গাঁইট খোলার পর তারা বস্ত্রসমূহের দাম অতিরিক্ত হয়েছে বলে মনে করলেন এবং (এই ক্রয়ের উপর) লজ্জিত হলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে বিলের সপক্ষে তাদের নিকট মাল বিক্রয় করা হয়েছে সে বিল অনুযায়ী গাঁইটে মাল পাওয়া গেল এবং মাল বিলের বিপরীত না হলে তবে ইহা (ক্রয়) তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।
قال مالك الأمر عندنا في القوم يشترون السلعة البز أو الرقيق فيسمع به الرجل فيقول لرجل منهم البز الذي اشتريت من فلان قد بلغتني صفته وأمره فهل لك أن أربحك في نصيبك كذا وكذا فيقول نعم فيربحه ويكون شريكا للقوم مكانه فإذا نظر إليه رآه قبيحا واستغلاه قال مالك ذلك لازم له ولا خيار له فيه إذا كان ابتاعه على برنامج وصفة معلومة قال مالك في الرجل يقدم له أصناف من البز ويحضره السوام ويقرأ عليهم برنامجه ويقول في كل عدل كذا وكذ ملحفة بصرية وكذا وكذا ريطة سابرية ذرعها كذا وكذا ويسمي لهم أصنافا من البز بأجناسه ويقول اشتروا مني على هذه الصفة فيشترون الأعدال على ما وصف لهم ثم يفتحونها فيستغلونها ويندمون قال مالك ذلك لازم لهم إذا كان موافقا للبرنامج الذي باعهم عليه قال مالك وهذا الأمر الذي لم يزل عليه الناس عندنا يجيزونه بينهم إذا كان المتاع موافقا للبرنامج ولم يكن مخالفا له.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ক্রয়-বিক্রয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা দু’জনের ইখতিয়ার থাকে (বায়’উল-খিয়ার)
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪৬
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال المتبايعان كل واحد منهما بالخيار على صاحبه ما لم يتفرقا إلا بيع الخيار قال مالك وليس لهذا عندنا حد معروف ولا أمر معمول به فيه.
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের ইখতিয়ার থাকবে তার অপর পক্ষের উপর, যতক্ষণ যাবত তারা পৃথক না হয়ে যায়। কিন্তু “বায়-উল-খিয়ার” [১] -এর ব্যাপার স্বতন্ত্র। (বুখারী ২১১১, মুসলিম ১৫৩১) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই ব্যাপারে আমাদের নিকট কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, এই প্রকার সময়সীমা নির্ধারণ মদীনার আলিমগণও করেননি।
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের ইখতিয়ার থাকবে তার অপর পক্ষের উপর, যতক্ষণ যাবত তারা পৃথক না হয়ে যায়। কিন্তু “বায়-উল-খিয়ার” [১] -এর ব্যাপার স্বতন্ত্র। (বুখারী ২১১১, মুসলিম ১৫৩১) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই ব্যাপারে আমাদের নিকট কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই, এই প্রকার সময়সীমা নির্ধারণ মদীনার আলিমগণও করেননি।
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنا رسول الله صلى الله عليه وسلم قال المتبايعان كل واحد منهما بالخيار على صاحبه ما لم يتفرقا إلا بيع الخيار قال مالك وليس لهذا عندنا حد معروف ولا أمر معمول به فيه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪৭
و حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أيما بيعين تبايعا فالقول ما قال البائع أو يترادان. قال مالك فيمن باع من رجل سلعة فقال البائع عند مواجبة البيع أبيعك على أن أستشير فلانا فإن رضي فقد جاز البيع وإن كره فلا بيع بيننا فيتبايعان على ذلك ثم يندم المشتري قبل أن يستشير البائع فلانا إن ذلك البيع لازم لهما على ما وصفا ولا خيار للمبتاع وهو لازم له إن أحب الذي اشترط له البائع أن يجيزه قال مالك الأمر عندنا في الرجل يشتري السلعة من الرجل فيختلفان في الثمن فيقول البائع بعتكها بعشرة دنانير ويقول المبتاع ابتعتها منك بخمسة دنانير إنه يقال للبائع إن شئت فأعطها للمشتري بما قال وإن شئت فاحلف بالله ما بعت سلعتك إلا بما قلت فإن حلف قيل للمشتري إما أن تأخذ السلعة بما قال البائع وإما أن تحلف بالله ما اشتريتها إلا بما قلت فإن حلف برئ منها وذلك أن كل واحد منهما مدع على صاحبه.
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কোন ক্রেতা-বিক্রেতা বেচা-কেনাতে আবদ্ধ হয় (তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে) তবে বিক্রেতার কথাই গ্রাহ্য হবে অথবা উভয়ে রদ করে দিবে (বিক্রেতা মূল্য ফিরিয়ে দিবে এবং ক্রেতা বিক্রিত বস্তু ফিরিয়ে দিবে) (সহীহ, তিরমিযী ১২৭০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে] ২৮৮, আর ইমাম মালিক এর নিকট হাদীসটি পৌছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট কোন পণ্য বিক্রয় করেছে, বেচাকেনা সুনিশ্চিত করার সময় বিক্রেতা বললঃ আমি এই পণ্য আপনার নিকট এই শর্তে বিক্রয় করলাম-আমি অমুক লোকের সঙ্গে (এই বিষয়ে) পরামর্শ করব। আর যদি সে এতে রাজী না থাকে তাকে আমাদের মধ্যে কোন ক্রয়-বিক্রয় অবশিষ্ট থাকবে না। এই শর্ত মেনে উভয়ে পরস্পর ক্রয়-বিক্রয় করল। অতঃপর ক্রেতা অনুতপ্ত হল বিক্রেতা কর্তৃক পরামর্শ গ্রহণ করার পূর্বে। (এমতাবস্থায়) তাদের উভয়ের বর্ণনা মুতাবিক এই ক্রয়-বিক্রয় উভয়ের জন্য বাধ্যতামূলক হবে এবং ক্রেতার কোন ইখতিয়ার (এই ব্যাপারে) থাকবে না যে ইখতিয়ারের শর্তারোপ করেছিল নিজের জন্য (অর্থাৎ বিক্রেতা) সে যদি এই ক্রয়-বিক্রয় চালু ও বৈধ করতে পছন্দ [১] করে তবে ক্রেতার পক্ষে উহা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসআলা এই- এক ব্যক্তি আর এক ব্যাক্তি হতে পণ্য ক্রয় করল তাদের উভয়ের মধ্যে পণ্যের দামের ব্যাপারে মতবিরোধ ঘটল। বিক্রেতা বলিতেছে, এই বস্তু আমি আপনার নিকট দশ দীনার মূল্যে বিক্রয় করেছি। ক্রেতা বলিতেছে- এই বস্তু আমি আপনার নিকট হতে পাঁচ দীনার মূল্যে ক্রয় করেছি। তখন বিক্রেতাকে বলা হবে আপনি ইচ্ছা করলে ক্রেতা যা বলেছে সেই দামে ক্রেতাকে দিয়ে দিন। আর যদি আপনি ইচ্ছা করেন আল্লাহর নামে হলফ করুন আমি যেই দাম বলেছি সেই দাম ব্যতীত (অন্য দামে) আপনার নিকট বিক্রয় করিনি। সে (বিক্রেতা) হলফ করলে পর ক্রেতাকে বলা হবে আপনি বিক্রেতা যে দাম বলেছে সেই দামে হয়ত পণ্য গ্রহণ করুন, নচেৎ আপনিও আল্লাহর নামে হলফ করুন- এই পণ্য আমি যে দাম বলেছি সেই দামেই ক্রয় করেছি। যদি সে হলফ করে তবে সে পণ্য (গ্রহণ করা) হতে মুক্তি পেল, ইহা (অর্থাৎ ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের হলফ করা) এই জন্য যে, তাদের প্রত্যেকে অপর পক্ষের উপর দাবিদার রইল বটে।
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে কোন ক্রেতা-বিক্রেতা বেচা-কেনাতে আবদ্ধ হয় (তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে) তবে বিক্রেতার কথাই গ্রাহ্য হবে অথবা উভয়ে রদ করে দিবে (বিক্রেতা মূল্য ফিরিয়ে দিবে এবং ক্রেতা বিক্রিত বস্তু ফিরিয়ে দিবে) (সহীহ, তিরমিযী ১২৭০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ আল-জামে] ২৮৮, আর ইমাম মালিক এর নিকট হাদীসটি পৌছেছে মর্মে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট কোন পণ্য বিক্রয় করেছে, বেচাকেনা সুনিশ্চিত করার সময় বিক্রেতা বললঃ আমি এই পণ্য আপনার নিকট এই শর্তে বিক্রয় করলাম-আমি অমুক লোকের সঙ্গে (এই বিষয়ে) পরামর্শ করব। আর যদি সে এতে রাজী না থাকে তাকে আমাদের মধ্যে কোন ক্রয়-বিক্রয় অবশিষ্ট থাকবে না। এই শর্ত মেনে উভয়ে পরস্পর ক্রয়-বিক্রয় করল। অতঃপর ক্রেতা অনুতপ্ত হল বিক্রেতা কর্তৃক পরামর্শ গ্রহণ করার পূর্বে। (এমতাবস্থায়) তাদের উভয়ের বর্ণনা মুতাবিক এই ক্রয়-বিক্রয় উভয়ের জন্য বাধ্যতামূলক হবে এবং ক্রেতার কোন ইখতিয়ার (এই ব্যাপারে) থাকবে না যে ইখতিয়ারের শর্তারোপ করেছিল নিজের জন্য (অর্থাৎ বিক্রেতা) সে যদি এই ক্রয়-বিক্রয় চালু ও বৈধ করতে পছন্দ [১] করে তবে ক্রেতার পক্ষে উহা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসআলা এই- এক ব্যক্তি আর এক ব্যাক্তি হতে পণ্য ক্রয় করল তাদের উভয়ের মধ্যে পণ্যের দামের ব্যাপারে মতবিরোধ ঘটল। বিক্রেতা বলিতেছে, এই বস্তু আমি আপনার নিকট দশ দীনার মূল্যে বিক্রয় করেছি। ক্রেতা বলিতেছে- এই বস্তু আমি আপনার নিকট হতে পাঁচ দীনার মূল্যে ক্রয় করেছি। তখন বিক্রেতাকে বলা হবে আপনি ইচ্ছা করলে ক্রেতা যা বলেছে সেই দামে ক্রেতাকে দিয়ে দিন। আর যদি আপনি ইচ্ছা করেন আল্লাহর নামে হলফ করুন আমি যেই দাম বলেছি সেই দাম ব্যতীত (অন্য দামে) আপনার নিকট বিক্রয় করিনি। সে (বিক্রেতা) হলফ করলে পর ক্রেতাকে বলা হবে আপনি বিক্রেতা যে দাম বলেছে সেই দামে হয়ত পণ্য গ্রহণ করুন, নচেৎ আপনিও আল্লাহর নামে হলফ করুন- এই পণ্য আমি যে দাম বলেছি সেই দামেই ক্রয় করেছি। যদি সে হলফ করে তবে সে পণ্য (গ্রহণ করা) হতে মুক্তি পেল, ইহা (অর্থাৎ ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের হলফ করা) এই জন্য যে, তাদের প্রত্যেকে অপর পক্ষের উপর দাবিদার রইল বটে।
و حدثني مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يحدث أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أيما بيعين تبايعا فالقول ما قال البائع أو يترادان. قال مالك فيمن باع من رجل سلعة فقال البائع عند مواجبة البيع أبيعك على أن أستشير فلانا فإن رضي فقد جاز البيع وإن كره فلا بيع بيننا فيتبايعان على ذلك ثم يندم المشتري قبل أن يستشير البائع فلانا إن ذلك البيع لازم لهما على ما وصفا ولا خيار للمبتاع وهو لازم له إن أحب الذي اشترط له البائع أن يجيزه قال مالك الأمر عندنا في الرجل يشتري السلعة من الرجل فيختلفان في الثمن فيقول البائع بعتكها بعشرة دنانير ويقول المبتاع ابتعتها منك بخمسة دنانير إنه يقال للبائع إن شئت فأعطها للمشتري بما قال وإن شئت فاحلف بالله ما بعت سلعتك إلا بما قلت فإن حلف قيل للمشتري إما أن تأخذ السلعة بما قال البائع وإما أن تحلف بالله ما اشتريتها إلا بما قلت فإن حلف برئ منها وذلك أن كل واحد منهما مدع على صاحبه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋণে সুদ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪৮
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن بسر بن سعيد عن عبيد أبي صالح مولى السفاح أنه قال: بعت بزا لي من أهل دار نخلة إلى أجل ثم أردت الخروج إلى الكوفة فعرضوا علي أن أضع عنهم بعض الثمن وينقدوني فسألت عن ذلك زيد بن ثابت فقال لا آمرك أن تأكل هذا ولا توكله.
সফফাহ-এর মাওলা উবাইদ আবী সালিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি কিছু বস্ত্র বিক্রয় করলাম মেয়াদের উপর দার-ই নাখলা [১] -এর বাসিন্দাদের নিকট। অতঃপর আমি কুফায় যাওয়ার মনস্থ করলাম। তারা আমাকে বলল, আমি তাদেরকে দাম কমিয়ে দিলে তার মূল্য নগদে আদায় করবে। আমি এই বিষয়ে যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন- আমি তোমার জন্য এটা (মালের অর্থ) আহার করা জায়েয করব না এবং অন্যকে তা (আহার) করানোও ইহা জায়েয করব না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সফফাহ-এর মাওলা উবাইদ আবী সালিহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি কিছু বস্ত্র বিক্রয় করলাম মেয়াদের উপর দার-ই নাখলা [১] -এর বাসিন্দাদের নিকট। অতঃপর আমি কুফায় যাওয়ার মনস্থ করলাম। তারা আমাকে বলল, আমি তাদেরকে দাম কমিয়ে দিলে তার মূল্য নগদে আদায় করবে। আমি এই বিষয়ে যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন- আমি তোমার জন্য এটা (মালের অর্থ) আহার করা জায়েয করব না এবং অন্যকে তা (আহার) করানোও ইহা জায়েয করব না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن بسر بن سعيد عن عبيد أبي صالح مولى السفاح أنه قال: بعت بزا لي من أهل دار نخلة إلى أجل ثم أردت الخروج إلى الكوفة فعرضوا علي أن أضع عنهم بعض الثمن وينقدوني فسألت عن ذلك زيد بن ثابت فقال لا آمرك أن تأكل هذا ولا توكله.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪৯
و حدثني عن مالك عن عثمان بن حفص بن خلدة عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أنه سئل عن الرجل يكون له الدين على الرجل إلى أجل فيضع عنه صاحب الحق ويعجله الآخر فكره ذلك عبد الله بن عمر ونهى عنه.
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যার মেয়াদী ঋণ রয়েছে অন্য এক ব্যক্তির উপর, অতঃপর ঋণদাতা (কিছু পরিমাণ ঋণ) গ্রহীতা হতে কমিয়ে দিল এবং ঋণগ্রহীতা (মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে ঋণের অর্থ) ঋণদাতাকে নগদ প্রদান করল। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) এটা মাকরূহ মনে করলেন এবং এটা করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যার মেয়াদী ঋণ রয়েছে অন্য এক ব্যক্তির উপর, অতঃপর ঋণদাতা (কিছু পরিমাণ ঋণ) গ্রহীতা হতে কমিয়ে দিল এবং ঋণগ্রহীতা (মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে ঋণের অর্থ) ঋণদাতাকে নগদ প্রদান করল। আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) এটা মাকরূহ মনে করলেন এবং এটা করতে নিষেধ করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عثمان بن حفص بن خلدة عن ابن شهاب عن سالم بن عبد الله عن عبد الله بن عمر أنه سئل عن الرجل يكون له الدين على الرجل إلى أجل فيضع عنه صاحب الحق ويعجله الآخر فكره ذلك عبد الله بن عمر ونهى عنه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫০
و حدثني مالك عن زيد بن أسلم أنه قال: كان الربا في الجاهلية أن يكون للرجل على الرجل الحق إلى أجل فإذا حل الأجل قال أتقضي أم تربي فإن قضى أخذ وإلا زاده في حقه وأخر عنه في الأجل ২৪৮১-قال مالك والأمر المكروه الذي لا اختلاف فيه عندنا أن يكون للرجل على الرجل الدين إلى أجل فيضع عنه الطالب ويعجله المطلوب وذلك عندنا بمنزلة الذي يؤخر دينه بعد محله عن غريمه ويزيده الغريم في حقه قال فهذا الربا بعينه لا شك فيه قال مالك في الرجل يكون له على الرجل مائة دينار إلى أجل فإذا حلت قال له الذي عليه الدين بعني سلعة يكون ثمنها مائة دينار نقدا بمائة وخمسين إلى أجل هذا بيع لا يصلح ولم يزل أهل العلم ينهون عنه قال مالك وإنما كره ذلك لأنه إنما يعطيه ثمن ما باعه بعينه ويؤخر عنه المائة الأولى إلى الأجل الذي ذكر له آخر مرة ويزداد عليه خمسين دينارا في تأخيره عنه فهذا مكروه ولا يصلح وهو أيضا يشبه حديث زيد بن أسلم في بيع أهل الجاهلية إنهم كانوا إذا حلت ديونهم قالوا للذي عليه الدين إما أن تقضي وإما أن تربي فإن قضى أخذوا وإلا زادوهم في حقوقهم وزادوهم في الأجل.
যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাহিলি যুগে সুদ ছিল এইরূপ- এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তির উপর মেয়াদী হক রয়েছে যখন হক আদায় করার মুহূর্ত উপস্থিত হত তখন ঋণগ্রহীতাকে বলা হত; আমার হক আদায় করবে, না ঋণ বৃদ্ধি করে সময় বাড়িয়ে নিবে? (এখন) ঋণগ্রহীতা যদি ঋণ শোধ করে (তবে ভাল কথা), অন্যথায় ঋণের হার বাড়িয়ে দেয়া হত এবং ঋণদাতা মেয়াদ আরও পিছিয়ে দিত (এটাই ছিল জাহিলিয়ার সুদ) । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাকরূহ বিষয় যাতে কোন দ্বিমত নেই তা হচ্ছে এই, এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তির উপর মেয়াদী ঋণ রয়েছে। ঋণদাতা কিছু পরিমাণ ঋণ কমিয়ে দিল, ঋণগ্রহীতা (মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে) ঋণ পরিশোধ করে দিল। মালিক (রহঃ) বলেন, এটা আমাদের নিকট এইরূপ যেমন কোন ব্যক্তি ঋণ আদায়ের সময় যখন উপস্থিত হল তখন ঋণগ্রহীতার জন্য মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল (এর পরিবর্তে) ঋণগ্রহীতা ঋণদাতার জন্য ঋণ (পরিশোধ করার সময়) কিছু বাড়িয়ে দিল, এটাই প্রকৃত সুদ যাতে কোন সন্দেহ নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তির অপর এক ব্যক্তির উপর একশত দীনার (ঋণ) রয়েছে মেয়াদে পরিশোধযোগ্য। যখন মেয়াদ উত্তীর্ণ হল তখন ঋণদাতা ঋণগ্রহীতাকে বলল- আমার কাছে একটি পণ্য বিক্রয় কর, যার নগদ মূল্য একশত দীনার এবং বাকী মূল্য হচ্ছে দেড়শত দীনার। মালিক (রহঃ) বলেন, এই বিক্রয় জায়েয হবে না আহলে ‘ইলম (উলামা) সর্বদা এটা হতে নিষেধ করতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা এজন্য মাকরূহ্ যে, সে (ক্রেতা) এটা (বিক্রেতা)-কে বিক্রীত বস্তুর মূল্য পরিশোধ করিতেছে, বিক্রেতা ক্রেতাকে দ্বিতীয়বার সেই সময় উল্লেখ করেছে সেই সময় পর্যন্ত ক্রেতার জন্য মেয়াদ পিছিয়ে দিতেছে এবং এই পিছিয়ে দেয়ার জন্য অতিরিক্ত পঞ্চাশ দীনার তার উপর বৃদ্ধি করল, এটা মাকরূহ, জায়েয নয়। যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ)-এর হাদীসের বর্ণিত জাহিলি যুগের বেচাকেনার ইহা সদৃশ; তার ঋণ আদায় করার যখন মেয়াদ উপস্থিত হত তখন তারা ঋণগ্রহীতাকে বলত, হয়ত ঋণ পরিশোধ কর, নচেৎ ঋণে কিছু বাড়তি দাও অতঃপর যদি (ঋণগ্রহীতা) ঋণ পরিশোধ করে, তারা উহা গ্রহণ করত, আর (যথাসময়ে) পরিশোধ না করত, তবে তার তাদের প্রাপ্য হকসমূহে কিছু পরিমাণ বৃদ্ধি করে দিত এবং ঋণগ্রহীতার জন্য মেয়াদ বাড়িয়ে দিত।
যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
জাহিলি যুগে সুদ ছিল এইরূপ- এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তির উপর মেয়াদী হক রয়েছে যখন হক আদায় করার মুহূর্ত উপস্থিত হত তখন ঋণগ্রহীতাকে বলা হত; আমার হক আদায় করবে, না ঋণ বৃদ্ধি করে সময় বাড়িয়ে নিবে? (এখন) ঋণগ্রহীতা যদি ঋণ শোধ করে (তবে ভাল কথা), অন্যথায় ঋণের হার বাড়িয়ে দেয়া হত এবং ঋণদাতা মেয়াদ আরও পিছিয়ে দিত (এটাই ছিল জাহিলিয়ার সুদ) । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাকরূহ বিষয় যাতে কোন দ্বিমত নেই তা হচ্ছে এই, এক ব্যক্তির অপর ব্যক্তির উপর মেয়াদী ঋণ রয়েছে। ঋণদাতা কিছু পরিমাণ ঋণ কমিয়ে দিল, ঋণগ্রহীতা (মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে) ঋণ পরিশোধ করে দিল। মালিক (রহঃ) বলেন, এটা আমাদের নিকট এইরূপ যেমন কোন ব্যক্তি ঋণ আদায়ের সময় যখন উপস্থিত হল তখন ঋণগ্রহীতার জন্য মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল (এর পরিবর্তে) ঋণগ্রহীতা ঋণদাতার জন্য ঋণ (পরিশোধ করার সময়) কিছু বাড়িয়ে দিল, এটাই প্রকৃত সুদ যাতে কোন সন্দেহ নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তির অপর এক ব্যক্তির উপর একশত দীনার (ঋণ) রয়েছে মেয়াদে পরিশোধযোগ্য। যখন মেয়াদ উত্তীর্ণ হল তখন ঋণদাতা ঋণগ্রহীতাকে বলল- আমার কাছে একটি পণ্য বিক্রয় কর, যার নগদ মূল্য একশত দীনার এবং বাকী মূল্য হচ্ছে দেড়শত দীনার। মালিক (রহঃ) বলেন, এই বিক্রয় জায়েয হবে না আহলে ‘ইলম (উলামা) সর্বদা এটা হতে নিষেধ করতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা এজন্য মাকরূহ্ যে, সে (ক্রেতা) এটা (বিক্রেতা)-কে বিক্রীত বস্তুর মূল্য পরিশোধ করিতেছে, বিক্রেতা ক্রেতাকে দ্বিতীয়বার সেই সময় উল্লেখ করেছে সেই সময় পর্যন্ত ক্রেতার জন্য মেয়াদ পিছিয়ে দিতেছে এবং এই পিছিয়ে দেয়ার জন্য অতিরিক্ত পঞ্চাশ দীনার তার উপর বৃদ্ধি করল, এটা মাকরূহ, জায়েয নয়। যায়দ ইবনু আসলাম (রহঃ)-এর হাদীসের বর্ণিত জাহিলি যুগের বেচাকেনার ইহা সদৃশ; তার ঋণ আদায় করার যখন মেয়াদ উপস্থিত হত তখন তারা ঋণগ্রহীতাকে বলত, হয়ত ঋণ পরিশোধ কর, নচেৎ ঋণে কিছু বাড়তি দাও অতঃপর যদি (ঋণগ্রহীতা) ঋণ পরিশোধ করে, তারা উহা গ্রহণ করত, আর (যথাসময়ে) পরিশোধ না করত, তবে তার তাদের প্রাপ্য হকসমূহে কিছু পরিমাণ বৃদ্ধি করে দিত এবং ঋণগ্রহীতার জন্য মেয়াদ বাড়িয়ে দিত।
و حدثني مالك عن زيد بن أسلم أنه قال: كان الربا في الجاهلية أن يكون للرجل على الرجل الحق إلى أجل فإذا حل الأجل قال أتقضي أم تربي فإن قضى أخذ وإلا زاده في حقه وأخر عنه في الأجل ২৪৮১-قال مالك والأمر المكروه الذي لا اختلاف فيه عندنا أن يكون للرجل على الرجل الدين إلى أجل فيضع عنه الطالب ويعجله المطلوب وذلك عندنا بمنزلة الذي يؤخر دينه بعد محله عن غريمه ويزيده الغريم في حقه قال فهذا الربا بعينه لا شك فيه قال مالك في الرجل يكون له على الرجل مائة دينار إلى أجل فإذا حلت قال له الذي عليه الدين بعني سلعة يكون ثمنها مائة دينار نقدا بمائة وخمسين إلى أجل هذا بيع لا يصلح ولم يزل أهل العلم ينهون عنه قال مالك وإنما كره ذلك لأنه إنما يعطيه ثمن ما باعه بعينه ويؤخر عنه المائة الأولى إلى الأجل الذي ذكر له آخر مرة ويزداد عليه خمسين دينارا في تأخيره عنه فهذا مكروه ولا يصلح وهو أيضا يشبه حديث زيد بن أسلم في بيع أهل الجاهلية إنهم كانوا إذا حلت ديونهم قالوا للذي عليه الدين إما أن تقضي وإما أن تربي فإن قضى أخذوا وإلا زادوهم في حقوقهم وزادوهم في الأجل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ঋণ এবং হাওল বা হাওয়ালা [১] -এর বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫১
حدثنا يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مطل الغني ظلم وإذا أتبع أحدكم على مليء فليتبع.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন (হক আদায় করতে) সক্ষম ব্যক্তির তালবাহানা অন্যায় বটে, আর তোমাদের কাউকেও যদি ধনবান ব্যক্তির হওয়ালা করা হয় তবে সেই হাওয়ালা গ্রহণ করিও। [১] (বুখারী ২২৮৭, মুসলিম ১৫৬৪)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন (হক আদায় করতে) সক্ষম ব্যক্তির তালবাহানা অন্যায় বটে, আর তোমাদের কাউকেও যদি ধনবান ব্যক্তির হওয়ালা করা হয় তবে সেই হাওয়ালা গ্রহণ করিও। [১] (বুখারী ২২৮৭, মুসলিম ১৫৬৪)
حدثنا يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال مطل الغني ظلم وإذا أتبع أحدكم على مليء فليتبع.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৫২
و حدثني مالك عن موسى بن ميسرة أنه سمع رجلا يسأل سعيد بن المسيب فقال إني رجل أبيع بالدين فقال سعيد لا تبع إلا ما آويت إلى رحلك ২৪৮৬-قال مالك في الذي يشتري السلعة من الرجل على أن يوفيه تلك السلعة إلى أجل مسمى إما لسوق يرجو نفاقها فيه وإما لحاجة في ذلك الزمان الذي اشترط عليه ثم يخلفه البائع عن ذلك الأجل فيريد المشتري رد تلك السلعة على البائع إن ذلك ليس للمشتري وإن البيع لازم له وإن البائع لو جاء بتلك السلعة قبل محل الأجل لم يكره المشتري على أخذها. قال مالك في الذي يشتري الطعام فيكتاله ثم يأتيه من يشتريه منه فيخبر الذي يأتيه أنه قد اكتاله لنفسه واستوفاه فيريد المبتاع أن يصدقه ويأخذه بكيله إن ما بيع على هذه الصفة بنقد فلا بأس به وما بيع على هذه الصفة إلى أجل فإنه مكروه حتى يكتاله المشتري الآخر لنفسه وإنما كره الذي إلى أجل لأنه ذريعة إلى الربا وتخوف أن يدار ذلك على هذا الوجه بغير كيل ولا وزن فإن كان إلى أجل فهو مكروه ولا اختلاف فيه عندنا. قال مالك لا ينبغي أن يشترى دين على رجل غائب ولا حاضر إلا بإقرار من الذي عليه الدين ولا على ميت وإن علم الذي ترك الميت وذلك أن اشتراء ذلك غرر لا يدرى أيتم أم لا يتم قال وتفسير ما كره من ذلك أنه إذا اشترى دينا على غائب أو ميت أنه لا يدرى ما يلحق الميت من الدين الذي لم يعلم به فإن لحق الميت دين ذهب الثمن الذي أعطى المبتاع باطلا قال مالك وفي ذلك أيضا عيب آخر أنه اشترى شيئا ليس بمضمون له وإن لم يتم ذهب ثمنه باطلا فهذا غرر لا يصلح. قال مالك وإنما فرق بين أن لا يبيع الرجل إلا ما عنده وأن يسلف الرجل في شيء ليس عنده أصله أن صاحب العينة إنما يحمل ذهبه التي يريد أن يبتاع بها فيقول هذه عشرة دنانير فما تريد أن أشتري لك بها فكأنه يبيع عشرة دنانير نقدا بخمسة عشر دينارا إلى أجل فلهذا كره هذا وإنما تلك الدخلة والدلسة.
মূসা ইবনু মাইসারা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক ব্যক্তিকে সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছেন। তিনি বললেনঃ আমি ধারে বিক্রয় করে থাকি (নিজ আয়াত্তে আনার পূর্বে পণ্য বিক্রয় করি)। (উত্তরে) সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) বললেন- (পণ্য আয়ত্ত করার পর উহাকে) তোমার গৃহে না আনা পর্যন্ত তুমি উহা বিক্রয় করো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তি হতে পণ্য ক্রয় করেছে এই শর্তে- বিক্রেতা নির্দিষ্ট সময়ের পর উহা পুরোপুরি ক্রেতার দখলে দিয়ে দিবে। হয়ত (মেয়াদ নির্দিষ্ট করেছে) বাজার পরিস্থিতির দরুন, (নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে মাল তার কাছে হস্তান্তর করা হলে এবং তারপর মাল বাজারে ছাড়লে সে কিছু লাভ করবে বলে আশাবাদী কীংবা মেয়াদ পর্যন্ত সে যে শর্ত করেছে এই শর্ত করার প্রয়োজন ক্রেতার রয়েছে। অতঃপর বিক্রেতা ক্রেতার সাথে সেই মেয়াদের ব্যাপারে (শর্তের) খেলাফ করল (অর্থাৎ) মেয়াদ পূর্ণ করল না। তাই ক্রেতা সেই পণ্য বিক্রেতার নিকট ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছা করলে, এটা ক্রেতার পক্ষে জায়েজ হবে না। ক্রয় তার জন্য বাধ্যতামূলক হবে। আর যদি বিক্রেতা নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে সেই পণ্য ক্রেতার নিকট উপস্থিত করে তবে উহা গ্রহণ করার জন্য ক্রেতাকে বাধ্য করা যাবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করল, তারপর তাকে ওজন করে নিল। অতঃপর তার নিকট হতে ক্রয় করার জন্য অন্য একজন এল, যে ক্রয় করতে এসেছে উহাকে সে জানাল যে, সে এই খাদ্যদ্রব্য নিজের জন্য ওজন করে নিয়েছে এবং পূর্ণরূপে আয়ত্তাধীন করেছে। এটা শুনে ক্রেতা উহাকে বিশ্বাস করে তারই প্রকাশিত ওজনে উহাকে গ্রহণ করল। এইরূপে যা নগদ বিক্রয় করা হল এতে কোন দোষ নেই। আর অন্যের ওজনের উপর যদি ধারে বিক্রয় করা হয় তবে উহা মাকরূহ হবে। যতক্ষণ যাবত দ্বিতীয় ক্রেতা নিজের জন্য উহা ওজন করে না নেয়, ধারে বিক্রয় এই কারণে মাকরূহ যে, ইহা সুদের ওসীলা হয় এবং আশংকা রয়েছে সে মাপ ও ওজন ছাড়া এভাবে বারংবার এর পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। তাই ধারে হলে উহা মাকরূহ্ হবে, এই বিষয়ে আমাদের মতানৈক্য নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অনুপস্থিত ব্যক্তির জিম্মার ঋণ ক্রয় করা জায়েয নয়, উপস্থিত ব্যক্তির ঋণ ক্রয় করাও জায়েয নয়। তবে যার জিম্মায় ঋণ রয়েছে সে যদি স্বীকার করে। মৃত ব্যক্তির ঋণ ক্রয় করাও জায়েয নয়। যদিও সে যে সম্পদ রেখে গিয়েছে তা জানা থাকে। কারণ ইহা ক্রয় করাতে ধোঁকা রয়েছে। বলা যায় না এই বিক্রীত ঋণের অর্থ উশুল হবে, না উশুল হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা মাকরূহ হওয়ার ব্যাখ্যা এই, যদি অনুপস্থিত ব্যক্তির কিংবা মৃত ব্যক্তির জিম্মায় ঋণ ক্রয় করা হয়, তবে সেই মৃত ব্যক্তির জিম্মায় কি পরিমাণ ঋণ নির্ধারিত হবে তা অজ্ঞাত, যদি মৃত ব্যক্তির জিম্মায় ঋণ নির্ধারিত হয় তবে ক্রেতা যে মূল্য পরিশোধ করেছে উহা বৃথা যাবে। মালিক (রহঃ) বলেন- এইরূপ ক্রয়ে আরও একটি ত্রুটি রয়েছে, তা এই ক্রেতা মুর্দা হতে এমন বস্তু ক্রয় করেছে যে বস্তুর প্রতি মুর্দার কোন দায়িত্ব বা জামানত নাই, যদি সেই বস্তু সে পূর্ণরূপে দখল করতে না পারে তবে তার মূল্য বৃথা যাবে, এটাই ধোঁকা, এটা না-জায়েয। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে বস্তু কারো আয়ত্তে না থাকে উহা বিক্রয় করা জায়েয নয়। পক্ষান্তরে যেই বস্তু মূল্য বিক্রেতার আয়ত্তে নেই তার জন্য সলফ বিক্রয় বৈধ, এতদুভয়ের মধ্যে পার্থক্য এই, ‘ঈনা বিক্রয়ের মধ্যে ‘ঈনার মালিক অর্থ বহন করে থাকে। যেই অর্থ দ্বারা সে ক্রয় করতে ইচ্ছুক, তাই সে যেমন এইরূপ বলিল, এই আমার নিকট দশ দীনার রয়েছে [‘যেমন খালিদের নিকট]। আপনার [যেমন দবীরের] ইচ্ছা আছে কি আমি আপনার পক্ষে দশ দীনার ক্রয় করি এবং আপনার পক্ষে উহাকে পনের দীনারের বিনিময়ে বিক্রয় করে। এভাবে সে [খালিদ] যেন নগদ দশ দীনার বিক্রয় করল বাকী পনের দীনারের বিনিময়ে। এই জন্য আমি উহাকে মাকরূহ্ বলি। ইহা সুদের ওসীলা এবং এটাও ধোঁকা।
মূসা ইবনু মাইসারা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
জনৈক ব্যক্তিকে সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করতে শুনেছেন। তিনি বললেনঃ আমি ধারে বিক্রয় করে থাকি (নিজ আয়াত্তে আনার পূর্বে পণ্য বিক্রয় করি)। (উত্তরে) সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) বললেন- (পণ্য আয়ত্ত করার পর উহাকে) তোমার গৃহে না আনা পর্যন্ত তুমি উহা বিক্রয় করো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তি হতে পণ্য ক্রয় করেছে এই শর্তে- বিক্রেতা নির্দিষ্ট সময়ের পর উহা পুরোপুরি ক্রেতার দখলে দিয়ে দিবে। হয়ত (মেয়াদ নির্দিষ্ট করেছে) বাজার পরিস্থিতির দরুন, (নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে মাল তার কাছে হস্তান্তর করা হলে এবং তারপর মাল বাজারে ছাড়লে সে কিছু লাভ করবে বলে আশাবাদী কীংবা মেয়াদ পর্যন্ত সে যে শর্ত করেছে এই শর্ত করার প্রয়োজন ক্রেতার রয়েছে। অতঃপর বিক্রেতা ক্রেতার সাথে সেই মেয়াদের ব্যাপারে (শর্তের) খেলাফ করল (অর্থাৎ) মেয়াদ পূর্ণ করল না। তাই ক্রেতা সেই পণ্য বিক্রেতার নিকট ফিরিয়ে দিতে ইচ্ছা করলে, এটা ক্রেতার পক্ষে জায়েজ হবে না। ক্রয় তার জন্য বাধ্যতামূলক হবে। আর যদি বিক্রেতা নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে সেই পণ্য ক্রেতার নিকট উপস্থিত করে তবে উহা গ্রহণ করার জন্য ক্রেতাকে বাধ্য করা যাবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করল, তারপর তাকে ওজন করে নিল। অতঃপর তার নিকট হতে ক্রয় করার জন্য অন্য একজন এল, যে ক্রয় করতে এসেছে উহাকে সে জানাল যে, সে এই খাদ্যদ্রব্য নিজের জন্য ওজন করে নিয়েছে এবং পূর্ণরূপে আয়ত্তাধীন করেছে। এটা শুনে ক্রেতা উহাকে বিশ্বাস করে তারই প্রকাশিত ওজনে উহাকে গ্রহণ করল। এইরূপে যা নগদ বিক্রয় করা হল এতে কোন দোষ নেই। আর অন্যের ওজনের উপর যদি ধারে বিক্রয় করা হয় তবে উহা মাকরূহ হবে। যতক্ষণ যাবত দ্বিতীয় ক্রেতা নিজের জন্য উহা ওজন করে না নেয়, ধারে বিক্রয় এই কারণে মাকরূহ যে, ইহা সুদের ওসীলা হয় এবং আশংকা রয়েছে সে মাপ ও ওজন ছাড়া এভাবে বারংবার এর পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। তাই ধারে হলে উহা মাকরূহ্ হবে, এই বিষয়ে আমাদের মতানৈক্য নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ অনুপস্থিত ব্যক্তির জিম্মার ঋণ ক্রয় করা জায়েয নয়, উপস্থিত ব্যক্তির ঋণ ক্রয় করাও জায়েয নয়। তবে যার জিম্মায় ঋণ রয়েছে সে যদি স্বীকার করে। মৃত ব্যক্তির ঋণ ক্রয় করাও জায়েয নয়। যদিও সে যে সম্পদ রেখে গিয়েছে তা জানা থাকে। কারণ ইহা ক্রয় করাতে ধোঁকা রয়েছে। বলা যায় না এই বিক্রীত ঋণের অর্থ উশুল হবে, না উশুল হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ইহা মাকরূহ হওয়ার ব্যাখ্যা এই, যদি অনুপস্থিত ব্যক্তির কিংবা মৃত ব্যক্তির জিম্মায় ঋণ ক্রয় করা হয়, তবে সেই মৃত ব্যক্তির জিম্মায় কি পরিমাণ ঋণ নির্ধারিত হবে তা অজ্ঞাত, যদি মৃত ব্যক্তির জিম্মায় ঋণ নির্ধারিত হয় তবে ক্রেতা যে মূল্য পরিশোধ করেছে উহা বৃথা যাবে। মালিক (রহঃ) বলেন- এইরূপ ক্রয়ে আরও একটি ত্রুটি রয়েছে, তা এই ক্রেতা মুর্দা হতে এমন বস্তু ক্রয় করেছে যে বস্তুর প্রতি মুর্দার কোন দায়িত্ব বা জামানত নাই, যদি সেই বস্তু সে পূর্ণরূপে দখল করতে না পারে তবে তার মূল্য বৃথা যাবে, এটাই ধোঁকা, এটা না-জায়েয। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে বস্তু কারো আয়ত্তে না থাকে উহা বিক্রয় করা জায়েয নয়। পক্ষান্তরে যেই বস্তু মূল্য বিক্রেতার আয়ত্তে নেই তার জন্য সলফ বিক্রয় বৈধ, এতদুভয়ের মধ্যে পার্থক্য এই, ‘ঈনা বিক্রয়ের মধ্যে ‘ঈনার মালিক অর্থ বহন করে থাকে। যেই অর্থ দ্বারা সে ক্রয় করতে ইচ্ছুক, তাই সে যেমন এইরূপ বলিল, এই আমার নিকট দশ দীনার রয়েছে [‘যেমন খালিদের নিকট]। আপনার [যেমন দবীরের] ইচ্ছা আছে কি আমি আপনার পক্ষে দশ দীনার ক্রয় করি এবং আপনার পক্ষে উহাকে পনের দীনারের বিনিময়ে বিক্রয় করে। এভাবে সে [খালিদ] যেন নগদ দশ দীনার বিক্রয় করল বাকী পনের দীনারের বিনিময়ে। এই জন্য আমি উহাকে মাকরূহ্ বলি। ইহা সুদের ওসীলা এবং এটাও ধোঁকা।
و حدثني مالك عن موسى بن ميسرة أنه سمع رجلا يسأل سعيد بن المسيب فقال إني رجل أبيع بالدين فقال سعيد لا تبع إلا ما آويت إلى رحلك ২৪৮৬-قال مالك في الذي يشتري السلعة من الرجل على أن يوفيه تلك السلعة إلى أجل مسمى إما لسوق يرجو نفاقها فيه وإما لحاجة في ذلك الزمان الذي اشترط عليه ثم يخلفه البائع عن ذلك الأجل فيريد المشتري رد تلك السلعة على البائع إن ذلك ليس للمشتري وإن البيع لازم له وإن البائع لو جاء بتلك السلعة قبل محل الأجل لم يكره المشتري على أخذها. قال مالك في الذي يشتري الطعام فيكتاله ثم يأتيه من يشتريه منه فيخبر الذي يأتيه أنه قد اكتاله لنفسه واستوفاه فيريد المبتاع أن يصدقه ويأخذه بكيله إن ما بيع على هذه الصفة بنقد فلا بأس به وما بيع على هذه الصفة إلى أجل فإنه مكروه حتى يكتاله المشتري الآخر لنفسه وإنما كره الذي إلى أجل لأنه ذريعة إلى الربا وتخوف أن يدار ذلك على هذا الوجه بغير كيل ولا وزن فإن كان إلى أجل فهو مكروه ولا اختلاف فيه عندنا. قال مالك لا ينبغي أن يشترى دين على رجل غائب ولا حاضر إلا بإقرار من الذي عليه الدين ولا على ميت وإن علم الذي ترك الميت وذلك أن اشتراء ذلك غرر لا يدرى أيتم أم لا يتم قال وتفسير ما كره من ذلك أنه إذا اشترى دينا على غائب أو ميت أنه لا يدرى ما يلحق الميت من الدين الذي لم يعلم به فإن لحق الميت دين ذهب الثمن الذي أعطى المبتاع باطلا قال مالك وفي ذلك أيضا عيب آخر أنه اشترى شيئا ليس بمضمون له وإن لم يتم ذهب ثمنه باطلا فهذا غرر لا يصلح. قال مالك وإنما فرق بين أن لا يبيع الرجل إلا ما عنده وأن يسلف الرجل في شيء ليس عنده أصله أن صاحب العينة إنما يحمل ذهبه التي يريد أن يبتاع بها فيقول هذه عشرة دنانير فما تريد أن أشتري لك بها فكأنه يبيع عشرة دنانير نقدا بخمسة عشر دينارا إلى أجل فلهذا كره هذا وإنما تلك الدخلة والدلسة.