মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ধোঁকার বিক্রয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪২
حدثني يحيى عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الغرر ২৪৫২-قال مالك ومن الغرر والمخاطرة أن يعمد الرجل قد ضلت دابته أو أبق غلامه وثمن الشيء من ذلك خمسون دينارا فيقول رجل أنا آخذه منك بعشرين دينارا فإن وجده المبتاع ذهب من البائع ثلاثون دينارا وإن لم يجده ذهب البائع من المبتاع بعشرين دينارا قال مالك وفي ذلك عيب آخر إن تلك الضالة إن وجدت لم يدر أزادت أم نقصت أم ما حدث بها من العيوب فهذا أعظم المخاطرة قال مالك والأمر عندنا أن من المخاطرة والغرر اشتراء ما في بطون الإناث من النساء والدواب لأنه لا يدرى أيخرج أم لا يخرج فإن خرج لم يدر أيكون حسنا أم قبيحا أم تاما أم ناقصا أم ذكرا أم أنثى وذلك كله يتفاضل إن كان على كذا فقيمته كذا وإن كان على كذا فقيمته كذا قال مالك ولا ينبغي بيع الإناث واستثناء ما في بطونها وذلك أن يقول الرجل للرجل ثمن شاتي الغزيرة ثلاثة دنانير فهي لك بدينارين ولي ما في بطنها فهذا مكروه لأنه غرر ومخاطرة قال مالك ولا يحل بيع الزيتون بالزيت ولا الجلجلان بدهن الجلجلان ولا الزبد بالسمن لأن المزابنة تدخله ولأن الذي يشتري الحب وما أشبهه بشيء مسمى مما يخرج منه لا يدري أيخرج منه أقل من ذلك أو أكثر فهذا غرر ومخاطرة قال مالك ومن ذلك أيضا اشتراء حب البان بالسليخة فذلك غرر لأن الذي يخرج من حب البان هو السليخة ولا بأس بحب البان بالبان المطيب لأن البان المطيب قد طيب ونش وتحول عن حال السليخة قال مالك في رجل باع سلعة من رجل على أنه لا نقصان على المبتاع إن ذلك بيع غير جائز وهو من المخاطرة وتفسير ذلك أنه كأنه استأجره بربح إن كان في تلك السلعة وإن باع برأس المال أو بنقصان فلا شيء له وذهب عناؤه باطلا فهذا لا يصلح وللمبتاع في هذا أجرة بمقدار ما عالج من ذلك وما كان في تلك السلعة من نقصان أو ربح فهو للبائع وعليه وإنما يكون ذلك إذا فاتت السلعة وبيعت فإن لم تفت فسخ البيع بينهما قال مالك فأما أن يبيع رجل من رجل سلعة يبت بيعها ثم يندم المشتري فيقول للبائع ضع عني فيأبى البائع ويقول بع فلا نقصان عليك فهذا لا بأس به لأنه ليس من المخاطرة وإنما هو شيء وضعه له وليس على ذلك عقدا بيعهما وذلك الذي عليه الأمر عندنا
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধোঁকার বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম অন্য সনদে আবূ হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন ১৫১৩, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুরসাল) মালিক (রহঃ) বলেনঃ ধোঁকা ও সংশয়ের বিক্রয় হচ্ছে এইরূপ- যেমন, এক ব্যক্তির জানোয়ার হারানো গিয়েছে কিংবা তার দাস পালিয়েছে, [সে এই অবস্থাতে উহা বিক্রয় করতে ইচ্ছুক হল] উহার মূল্য হচ্ছে পঞ্চাশ দীনার। আর এক ব্যক্তি বলল, আমি আপনার নিকট হতে ইহা ক্রয় করলাম বিশ দীনারের মূল্যে। অতঃপর যদি ক্রেতা উহা পায় তবে ত্রিশ দীনার বিক্রেতা হতে চলে যাবে। আর না পেলে বিক্রেতা ক্রেতা হতে কুড়ি দীনার (পূর্বেই) পকেটস্থ করেছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এতে অপর একটি ত্রুটি রয়েছে, তা এই, হারানো জানোয়ার [বা পলাতক দাস] যদি পাওয়াও যায় (তবুও) জানা যায়নি যে, উহাতে (কিছু) বৃদ্ধি হয়েছে না ঘাটতি হয়েছে, কিংবা উহাতে কোন দোষ জন্মেছে। এটা বড় রকমের ঝুঁকি। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ফায়সালা এই, মাদী জানোয়ার এবং স্ত্রীলোকের পেটের বাচ্চা ক্রয় করাও ঝুঁকি এবং ধোঁকার মধ্যে গণ্য। কারণ পেটের বাচ্চা বের হবে কি হবে না জানা নাই। যদি বের হয় তবে জানা নাই যে, উহা সুন্দর হবে না কুশ্রী হবে? পূর্ণ হবে না অসম্পূর্ণ হবে? নর হবে না নারী হবে? এর প্রত্যেকটিই মূল্যের ব্যাপারে তারতম্য হওয়ার কারণ হয়। এইরূপ হলে, উহার মূল্য এই হবে, এইরূপ হলে উহার মূল্য অন্যরূপ হবে। [ইত্যাদি ইত্যাদি] মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্ত্রী জাতীয় পশুদেরকে বিক্রয় করে উহাদের গর্ভস্থ বাচ্চাদেরকে বিক্রয় হতে বাদ রাখা জায়েয নয়, ইহা এইরূপ- যেমন কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, আমার এই দুধাল বকরীর মূল্য হচ্ছে তিন দীনার, কিন্তু দুই দীনার মূল্যে তোমাকে প্রদান করিতেছি। উহার গর্ভস্থ বাচ্চা আমার জন্য থাকবে, ইহা মাকরূহ। কারণ ইহাতেও ধোঁকা রয়েছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যাইতুন তৈলের বিনিময়ে যাইতুন ফল বিক্রয় করা এবং তিল নিঃসৃত তৈলের বিনিময়ে তিল শস্য বিক্রয় করা। ঘি-এর বিনিময়ে পনির বিক্রয় করা জায়েয নয়। কারণ এতে ‘মুযাবানা’ প্রবেশ করে থাকে, আর এই কারণেও এটা না-জায়েয যে, যে ব্যক্তি শস্য হতে নিঃসৃত নির্দিষ্ট পরিমাণ বস্তুর বিনিময়ে শস্য ক্রয় করিতেছে এটা জানা নাই যে, উহা হতে সেই পরিমাণের কম উৎপন্ন হবে না বেশি উৎপন্ন হবে। কাজেই এটাও ধোঁকার অন্তর্ভুক্ত হল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ হাব্বুল-বান [১] [বান বা বকায়ন বৃক্ষের শস্য]-কে উহা ‘সলীখা’-র বিনিময়ে ক্রয় করাও নাজায়েয। কারণ এতে ধোঁকা রয়েছে। কারণ ‘সলীখা’ হচ্ছে হাব্বুল-বান হতে নিঃসৃত তৈল। তবে সুগন্ধ বান তৈলের বিনিময়ে হাব্বুল-বান ক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। কারণ সুগন্ধ বানে অন্য দ্রব্য মিশান হয়েছে, উহাকে সুগন্ধযুক্ত করা হয়েছে। তাই উহা কেবল মাত্র হাব্বুল-বান নিঃসৃত ‘সলীখা’ রূপে অবশিষ্ট নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নিকট কোন সামগ্রী বিক্রয় করল এবং বলল যে, লোকসান সম্পর্কে ক্রেতার কোন দায়িত্ব নেই। [২] এটা জায়েয নয়। এটা ধোঁকার অন্তর্ভুক্ত, এর ব্যাখ্যা এই, সে যেন এই সামগ্রীতে যে লাভ অর্জিত হয় উহা তাকে (ক্রেতাকে) বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে দিয়েছে। যদি এই মাল খরিদ মূল্যে বা লোকসানে বিক্রয় করে তবে সে (ক্রেতা) কিছু পাবে না এবং তার শ্রম বৃথা যাবে। ইহা জায়েয নয়। (জায়েয তখন হবে যখন) ক্রেতা তার শ্রমের মজুরি পাবে শ্রম পরিমাণ। আর এই বস্তুতে যা লাভ লোকসান হবে, উহা বিক্রেতার প্রাপ্য হবে। ইহা তখন যখন সেই সামগ্রী বিক্রয় হয়ে যায় কিংবা ধ্বংস হয়। যদি উহা নষ্ট না হয় তবে উভয়ের মধ্যকার বেচাকেনা বাতিল হয়ে যাবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট কোন মাল বিক্রয় করল স্পষ্টরূপে, অতঃপর ক্রেতা লজ্জিত হল অর্থাৎ খরিদ করে লজ্জিত এবং বিক্রেতার নিকট বলল- কিছু মূল্য কমিয়ে দিন। বিক্রেতা তা স্বীকার করল না এবং বলল- আপনি এই মাল বিক্রয় করুন, আপনার কোন লোকসান নাই। এটা জায়েয হবে। কারণ ইহা ধোঁকা নয় বরং এটা তার উপর হতে লাঘব করা হল। বেচাকেনা এই লাঘব করার শর্তের উপর অনুষ্ঠিত হয়নি। এটাই আমাদের নিকট ফয়সালা।
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধোঁকার বিক্রয় নিষেধ করেছেন। (সহীহ, ইমাম মুসলিম অন্য সনদে আবূ হুরাইরা থেকে বর্ণনা করেছেন ১৫১৩, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুরসাল) মালিক (রহঃ) বলেনঃ ধোঁকা ও সংশয়ের বিক্রয় হচ্ছে এইরূপ- যেমন, এক ব্যক্তির জানোয়ার হারানো গিয়েছে কিংবা তার দাস পালিয়েছে, [সে এই অবস্থাতে উহা বিক্রয় করতে ইচ্ছুক হল] উহার মূল্য হচ্ছে পঞ্চাশ দীনার। আর এক ব্যক্তি বলল, আমি আপনার নিকট হতে ইহা ক্রয় করলাম বিশ দীনারের মূল্যে। অতঃপর যদি ক্রেতা উহা পায় তবে ত্রিশ দীনার বিক্রেতা হতে চলে যাবে। আর না পেলে বিক্রেতা ক্রেতা হতে কুড়ি দীনার (পূর্বেই) পকেটস্থ করেছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এতে অপর একটি ত্রুটি রয়েছে, তা এই, হারানো জানোয়ার [বা পলাতক দাস] যদি পাওয়াও যায় (তবুও) জানা যায়নি যে, উহাতে (কিছু) বৃদ্ধি হয়েছে না ঘাটতি হয়েছে, কিংবা উহাতে কোন দোষ জন্মেছে। এটা বড় রকমের ঝুঁকি। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট ফায়সালা এই, মাদী জানোয়ার এবং স্ত্রীলোকের পেটের বাচ্চা ক্রয় করাও ঝুঁকি এবং ধোঁকার মধ্যে গণ্য। কারণ পেটের বাচ্চা বের হবে কি হবে না জানা নাই। যদি বের হয় তবে জানা নাই যে, উহা সুন্দর হবে না কুশ্রী হবে? পূর্ণ হবে না অসম্পূর্ণ হবে? নর হবে না নারী হবে? এর প্রত্যেকটিই মূল্যের ব্যাপারে তারতম্য হওয়ার কারণ হয়। এইরূপ হলে, উহার মূল্য এই হবে, এইরূপ হলে উহার মূল্য অন্যরূপ হবে। [ইত্যাদি ইত্যাদি] মালিক (রহঃ) বলেনঃ স্ত্রী জাতীয় পশুদেরকে বিক্রয় করে উহাদের গর্ভস্থ বাচ্চাদেরকে বিক্রয় হতে বাদ রাখা জায়েয নয়, ইহা এইরূপ- যেমন কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, আমার এই দুধাল বকরীর মূল্য হচ্ছে তিন দীনার, কিন্তু দুই দীনার মূল্যে তোমাকে প্রদান করিতেছি। উহার গর্ভস্থ বাচ্চা আমার জন্য থাকবে, ইহা মাকরূহ। কারণ ইহাতেও ধোঁকা রয়েছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যাইতুন তৈলের বিনিময়ে যাইতুন ফল বিক্রয় করা এবং তিল নিঃসৃত তৈলের বিনিময়ে তিল শস্য বিক্রয় করা। ঘি-এর বিনিময়ে পনির বিক্রয় করা জায়েয নয়। কারণ এতে ‘মুযাবানা’ প্রবেশ করে থাকে, আর এই কারণেও এটা না-জায়েয যে, যে ব্যক্তি শস্য হতে নিঃসৃত নির্দিষ্ট পরিমাণ বস্তুর বিনিময়ে শস্য ক্রয় করিতেছে এটা জানা নাই যে, উহা হতে সেই পরিমাণের কম উৎপন্ন হবে না বেশি উৎপন্ন হবে। কাজেই এটাও ধোঁকার অন্তর্ভুক্ত হল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ হাব্বুল-বান [১] [বান বা বকায়ন বৃক্ষের শস্য]-কে উহা ‘সলীখা’-র বিনিময়ে ক্রয় করাও নাজায়েয। কারণ এতে ধোঁকা রয়েছে। কারণ ‘সলীখা’ হচ্ছে হাব্বুল-বান হতে নিঃসৃত তৈল। তবে সুগন্ধ বান তৈলের বিনিময়ে হাব্বুল-বান ক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। কারণ সুগন্ধ বানে অন্য দ্রব্য মিশান হয়েছে, উহাকে সুগন্ধযুক্ত করা হয়েছে। তাই উহা কেবল মাত্র হাব্বুল-বান নিঃসৃত ‘সলীখা’ রূপে অবশিষ্ট নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির নিকট কোন সামগ্রী বিক্রয় করল এবং বলল যে, লোকসান সম্পর্কে ক্রেতার কোন দায়িত্ব নেই। [২] এটা জায়েয নয়। এটা ধোঁকার অন্তর্ভুক্ত, এর ব্যাখ্যা এই, সে যেন এই সামগ্রীতে যে লাভ অর্জিত হয় উহা তাকে (ক্রেতাকে) বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে দিয়েছে। যদি এই মাল খরিদ মূল্যে বা লোকসানে বিক্রয় করে তবে সে (ক্রেতা) কিছু পাবে না এবং তার শ্রম বৃথা যাবে। ইহা জায়েয নয়। (জায়েয তখন হবে যখন) ক্রেতা তার শ্রমের মজুরি পাবে শ্রম পরিমাণ। আর এই বস্তুতে যা লাভ লোকসান হবে, উহা বিক্রেতার প্রাপ্য হবে। ইহা তখন যখন সেই সামগ্রী বিক্রয় হয়ে যায় কিংবা ধ্বংস হয়। যদি উহা নষ্ট না হয় তবে উভয়ের মধ্যকার বেচাকেনা বাতিল হয়ে যাবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট কোন মাল বিক্রয় করল স্পষ্টরূপে, অতঃপর ক্রেতা লজ্জিত হল অর্থাৎ খরিদ করে লজ্জিত এবং বিক্রেতার নিকট বলল- কিছু মূল্য কমিয়ে দিন। বিক্রেতা তা স্বীকার করল না এবং বলল- আপনি এই মাল বিক্রয় করুন, আপনার কোন লোকসান নাই। এটা জায়েয হবে। কারণ ইহা ধোঁকা নয় বরং এটা তার উপর হতে লাঘব করা হল। বেচাকেনা এই লাঘব করার শর্তের উপর অনুষ্ঠিত হয়নি। এটাই আমাদের নিকট ফয়সালা।
حدثني يحيى عن مالك عن أبي حازم بن دينار عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الغرر ২৪৫২-قال مالك ومن الغرر والمخاطرة أن يعمد الرجل قد ضلت دابته أو أبق غلامه وثمن الشيء من ذلك خمسون دينارا فيقول رجل أنا آخذه منك بعشرين دينارا فإن وجده المبتاع ذهب من البائع ثلاثون دينارا وإن لم يجده ذهب البائع من المبتاع بعشرين دينارا قال مالك وفي ذلك عيب آخر إن تلك الضالة إن وجدت لم يدر أزادت أم نقصت أم ما حدث بها من العيوب فهذا أعظم المخاطرة قال مالك والأمر عندنا أن من المخاطرة والغرر اشتراء ما في بطون الإناث من النساء والدواب لأنه لا يدرى أيخرج أم لا يخرج فإن خرج لم يدر أيكون حسنا أم قبيحا أم تاما أم ناقصا أم ذكرا أم أنثى وذلك كله يتفاضل إن كان على كذا فقيمته كذا وإن كان على كذا فقيمته كذا قال مالك ولا ينبغي بيع الإناث واستثناء ما في بطونها وذلك أن يقول الرجل للرجل ثمن شاتي الغزيرة ثلاثة دنانير فهي لك بدينارين ولي ما في بطنها فهذا مكروه لأنه غرر ومخاطرة قال مالك ولا يحل بيع الزيتون بالزيت ولا الجلجلان بدهن الجلجلان ولا الزبد بالسمن لأن المزابنة تدخله ولأن الذي يشتري الحب وما أشبهه بشيء مسمى مما يخرج منه لا يدري أيخرج منه أقل من ذلك أو أكثر فهذا غرر ومخاطرة قال مالك ومن ذلك أيضا اشتراء حب البان بالسليخة فذلك غرر لأن الذي يخرج من حب البان هو السليخة ولا بأس بحب البان بالبان المطيب لأن البان المطيب قد طيب ونش وتحول عن حال السليخة قال مالك في رجل باع سلعة من رجل على أنه لا نقصان على المبتاع إن ذلك بيع غير جائز وهو من المخاطرة وتفسير ذلك أنه كأنه استأجره بربح إن كان في تلك السلعة وإن باع برأس المال أو بنقصان فلا شيء له وذهب عناؤه باطلا فهذا لا يصلح وللمبتاع في هذا أجرة بمقدار ما عالج من ذلك وما كان في تلك السلعة من نقصان أو ربح فهو للبائع وعليه وإنما يكون ذلك إذا فاتت السلعة وبيعت فإن لم تفت فسخ البيع بينهما قال مالك فأما أن يبيع رجل من رجل سلعة يبت بيعها ثم يندم المشتري فيقول للبائع ضع عني فيأبى البائع ويقول بع فلا نقصان عليك فهذا لا بأس به لأنه ليس من المخاطرة وإنما هو شيء وضعه له وليس على ذلك عقدا بيعهما وذلك الذي عليه الأمر عندنا
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুলামাসা ও মুনাবাযা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪৩
حدثنا يحيى عن مالك عن محمد بن يحيى بن حبان وعن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الملامسة والمنابذة. قال مالك والملامسة أن يلمس الرجل الثوب ولا ينشره ولا يتبين ما فيه أو يبتاعه ليلا ولا يعلم ما فيه والمنابذة أن ينبذ الرجل إلى الرجل ثوبه وينبذ الآخر إليه ثوبه على غير تأمل منهما ويقول كل واحد منهما هذا بهذا فهذا الذي نهي عنه من الملامسة والمنابذة قال مالك في الساج المدرج في جرابه أو الثوب القبطي المدرج في طيه إنه لا يجوز بيعهما حتى ينشرا وينظر إلى ما في أجوافهما وذلك أن بيعهما من بيع الغرر وهو من الملامسة قال مالك وبيع الأعدال على البرنامج مخالف لبيع الساج في جرابه والثوب في طيه وما أشبه ذلك فرق بين ذلك الأمر المعمول به ومعرفة ذلك في صدور الناس وما مضى من عمل الماضين فيه وأنه لم يزل من بيوع الناس الجائزة والتجارة بينهم التي لا يرون بها بأسا لأن بيع الأعدال على البرنامج على غير نشر لا يراد به الغرر وليس يشبه الملامسة.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাবাযা হতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২১৪৬, মুসলিম ১৫১১) মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুলামাসা হচ্ছে এই, এক ব্যক্তি বস্ত্র স্পর্শ করল সে উহা খুলে দেখল না এবং তাতে কি দোষ-গুণ রয়েছে তাও বর্ণনা করা হয়নি। কিংবা রাত্রিতে উহা ক্রয় করল তাতে কি আছে তা সে জ্ঞাত নয়। আর মুনাবাযা হল, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দিকে তার বস্ত্র ছুঁড়ে মারল, অপর ব্যক্তিও তার বস্ত্র ইহার দিকে ছুঁড়ে মারল, কোন প্রকার চিন্তা-ভাবনা না করে (এটা করল) এবং একে অপরকে বলল-ইহা উহার বিনিময়ে (বেচাকেনা হয়েছে) [১] হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে মুলামাসা ও মুনাবাযা হতে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সাজ [২] যা ঝোলাতে আবদ্ধ রয়েছে কিংবা থানবন্দী কিবতী [৩] বস্ত্র এতদুভয়কে না খুলে এবং ভিতরে কি রয়েছে না দেখে বিক্রয় করা জায়েয নয়। কারণ [এই অবস্থায়] এতদুভয়ের বিক্রয় ধোঁকার বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এটা হচ্ছে নিষিদ্ধ মুলামাসার একটি রূপ। মালিক (রহঃ) বলেছেন- বস্তা বা গাঁইটবন্দী মাল ফর্দ সম্বলিত অবস্থায় বিক্রয় করা ঝোলাতে সাজ বস্ত্র বা থানে কাপড় বা এতদুভয়ের সদৃশ কোন বস্তু বিক্রয় করার মতো নয়। [এতদুভয়ের মধ্যে] পার্থক্য এই- ব্যবহারে এটার প্রচলন ও পরিচয় রয়েছে। [‘উলামা শ্রেণির] লোকের সীনাতে এটার অর্থাৎ বিষয়টি তাঁদের জানা আছে। পূর্বের মনীষী ও ‘উলামা এটার মতো কাজ করেছেন এবং লোকের মধ্যে বৈধ বিক্রয় হিসেবে সর্বদা এটা চালু রয়েছে। অন্যপক্ষে তারা এটাতে কোন দোষ মনে করেন না। কারণ গাঁইট বা বস্তা ফর্দ সম্বলিত অবস্থায় উহাকে না খুলে বিক্রয় করাতে ধোঁকার কোন ইচ্ছা করা হয় না। ইহা মুলামাসার অন্তর্ভুক্ত নয়।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুনাবাযা হতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২১৪৬, মুসলিম ১৫১১) মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুলামাসা হচ্ছে এই, এক ব্যক্তি বস্ত্র স্পর্শ করল সে উহা খুলে দেখল না এবং তাতে কি দোষ-গুণ রয়েছে তাও বর্ণনা করা হয়নি। কিংবা রাত্রিতে উহা ক্রয় করল তাতে কি আছে তা সে জ্ঞাত নয়। আর মুনাবাযা হল, এক ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির দিকে তার বস্ত্র ছুঁড়ে মারল, অপর ব্যক্তিও তার বস্ত্র ইহার দিকে ছুঁড়ে মারল, কোন প্রকার চিন্তা-ভাবনা না করে (এটা করল) এবং একে অপরকে বলল-ইহা উহার বিনিময়ে (বেচাকেনা হয়েছে) [১] হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে মুলামাসা ও মুনাবাযা হতে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সাজ [২] যা ঝোলাতে আবদ্ধ রয়েছে কিংবা থানবন্দী কিবতী [৩] বস্ত্র এতদুভয়কে না খুলে এবং ভিতরে কি রয়েছে না দেখে বিক্রয় করা জায়েয নয়। কারণ [এই অবস্থায়] এতদুভয়ের বিক্রয় ধোঁকার বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত এবং এটা হচ্ছে নিষিদ্ধ মুলামাসার একটি রূপ। মালিক (রহঃ) বলেছেন- বস্তা বা গাঁইটবন্দী মাল ফর্দ সম্বলিত অবস্থায় বিক্রয় করা ঝোলাতে সাজ বস্ত্র বা থানে কাপড় বা এতদুভয়ের সদৃশ কোন বস্তু বিক্রয় করার মতো নয়। [এতদুভয়ের মধ্যে] পার্থক্য এই- ব্যবহারে এটার প্রচলন ও পরিচয় রয়েছে। [‘উলামা শ্রেণির] লোকের সীনাতে এটার অর্থাৎ বিষয়টি তাঁদের জানা আছে। পূর্বের মনীষী ও ‘উলামা এটার মতো কাজ করেছেন এবং লোকের মধ্যে বৈধ বিক্রয় হিসেবে সর্বদা এটা চালু রয়েছে। অন্যপক্ষে তারা এটাতে কোন দোষ মনে করেন না। কারণ গাঁইট বা বস্তা ফর্দ সম্বলিত অবস্থায় উহাকে না খুলে বিক্রয় করাতে ধোঁকার কোন ইচ্ছা করা হয় না। ইহা মুলামাসার অন্তর্ভুক্ত নয়।
حدثنا يحيى عن مالك عن محمد بن يحيى بن حبان وعن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الملامسة والمنابذة. قال مالك والملامسة أن يلمس الرجل الثوب ولا ينشره ولا يتبين ما فيه أو يبتاعه ليلا ولا يعلم ما فيه والمنابذة أن ينبذ الرجل إلى الرجل ثوبه وينبذ الآخر إليه ثوبه على غير تأمل منهما ويقول كل واحد منهما هذا بهذا فهذا الذي نهي عنه من الملامسة والمنابذة قال مالك في الساج المدرج في جرابه أو الثوب القبطي المدرج في طيه إنه لا يجوز بيعهما حتى ينشرا وينظر إلى ما في أجوافهما وذلك أن بيعهما من بيع الغرر وهو من الملامسة قال مالك وبيع الأعدال على البرنامج مخالف لبيع الساج في جرابه والثوب في طيه وما أشبه ذلك فرق بين ذلك الأمر المعمول به ومعرفة ذلك في صدور الناس وما مضى من عمل الماضين فيه وأنه لم يزل من بيوع الناس الجائزة والتجارة بينهم التي لا يرون بها بأسا لأن بيع الأعدال على البرنامج على غير نشر لا يراد به الغرر وليس يشبه الملامسة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > লাভে বিক্রয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪৪
حدثني يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في البز يشتريه الرجل ببلد ثم يقدم به بلدا آخر فيبيعه مرابحة إنه لا يحسب فيه أجر السماسرة ولا أجر الطي ولا الشد ولا النفقة ولا كراء بيت فأما كراء البز في حملانه فإنه يحسب في أصل الثمن ولا يحسب فيه ربح إلا أن يعلم البائع من يساومه بذلك كله فإن ربحوه على ذلك كله بعد العلم به فلا بأس به قال مالك فأما القصارة والخياطة والصباغ وما أشبه ذلك فهو بمنزلة البز يحسب فيه الربح كما يحسب في البز فإن باع البز ولم يبين شيئا مما سميت إنه لا يحسب له فيه ربح فإن فات البز فإن الكراء يحسب ولا يحسب عليه ربح فإن لم يفت البز فالبيع مفسوخ بينهما إلا أن يتراضيا على شيء مما يجوز بينهما قال مالك في الرجل يشتري المتاع بالذهب أو بالورق والصرف يوم اشتراه عشرة دراهم بدينار فيقدم به بلدا فيبيعه مرابحة أو يبيعه حيث اشتراه مرابحة على صرف ذلك اليوم الذي باعه فيه فإنه إن كان ابتاعه بدراهم وباعه بدنانير أو ابتاعه بدنانير وباعه بدراهم وكان المتاع لم يفت فالمبتاع بالخيار إن شاء أخذه وإن شاء تركه فإن فات المتاع كان للمشتري بالثمن الذي ابتاعه به البائع ويحسب للبائع الربح على ما اشتراه به على ما ربحه المبتاع قال مالك وإذا باع رجل سلعة قامت عليه بمائة دينار للعشرة أحد عشر ثم جاءه بعد ذلك أنها قامت عليه بتسعين دينارا وقد فاتت السلعة خير البائع فإن أحب فله قيمة سلعته يوم قبضت منه إلا أن تكون القيمة أكثر من الثمن الذي وجب له به البيع أول يوم فلا يكون له أكثر من ذلك وذلك مائة دينار وعشرة دنانير وإن أحب ضرب له الربح على التسعين إلا أن يكون الذي بلغت سلعته من الثمن أقل من القيمة فيخير في الذي بلغت سلعته وفي رأس ماله وربحه وذلك تسعة وتسعون دينارا قال مالك وإن باع رجل سلعة مرابحة فقال قامت علي بمائة دينار ثم جاءه بعد ذلك أنها قامت بمائة وعشرين دينارا خير المبتاع فإن شاء أعطى البائع قيمة السلعة يوم قبضها وإن شاء أعطى الثمن الذي ابتاع به على حساب ما ربحه بالغا ما بلغ إلا أن يكون ذلك أقل من الثمن الذي ابتاع به السلعة فليس له أن ينقص رب السلعة من الثمن الذي ابتاعها به لأنه قد كان رضي بذلك وإنما جاء رب السلعة يطلب الفضل فليس للمبتاع في هذا حجة على البائع بأن يضع من الثمن الذي ابتاع به على البرنامج.
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বায [বস্ত্র বা গৃহ সরঞ্জাম] সম্বন্ধে আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই, এক ব্যক্তি এ শহর হতে বস্ত্র বা গৃহ সরঞ্জাম বা গৃহ সরঞ্জাম ক্রয় করল। অতঃপর সেই সব সরঞ্জাম অন্য শহরে নিয়ে গেল। তথায় সেসব বস্তু লাভে বিক্রয় করল। তবে দ্রব্যমূল্যে দালালের মজুরি, কাপড় ভাঁজ করা, গাঁইট বাঁধা এবং অন্যান্য ব্যয় হিসেব করা হবে না এবং ঘর ভাড়াও উহাতে হিসেব করা হবে না। তবে বস্ত্র বা গৃহ সরঞ্জামের পরিবহন মজুরি আসল মূল্যে গণ্য করা হবে। বস্ত্র বিক্রেতা ক্রেতার নিকট যাবতীয় ভাড়া ও মজুরির বিবরণ জানিয়ে দিবে। এইসব অবগত হওয়ার পর ক্রেতাগণ যদি বিক্রেতাকে মুনাফা প্রদান করে তবে এতে কোন দোষ নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ বস্ত্রের ধোলাই, সেলাই ও রং করার এবং এই জাতীয় আর যে কাজ করা হয়, সব বস্ত্রের স্থলে গণ্য করা হবে। উহাতে লাভ হিসেব করা হবে যেমন হিসেব করা হবে আসল বস্ত্রের, যদি বিক্রেতা বস্ত্র বিক্রয় করল (অথচ) আপনি যা (উপরের বর্ণনায়) শুনলেন তার কোন কিছুই ক্রেতার নিকট সে বর্ণনা করল না তবে সে বিক্রেতার জন্য এটাতে কোন মুনাফা ধরা হবে না। যদি বস্ত্র বিনষ্ট হয় তবে উহার উপর ভাড়া হিসেব করা হবে কিন্তু মুনাফা ধরা হবে না। আর যদি বস্ত্র বিনষ্ট না হয় তবে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যকার বেচাকেনা ভঙ্গ হয়ে যাবে। কিন্তু যদি তারা উভয়ে জায়েয কিছুর উপর পরস্পর রাজী হয় [তবে জায়েয হবে]। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বর্ণ (দীনার) কিংবা চাঁদি (দিরহাম)-এর বিনিময়ে কোন পণ্যদ্রব্য ক্রয় করল, আর ক্রয়ের দিন স্বর্ণমুদ্রার বাজারদর ছিল প্রতি দীনার দশ দিরহাম, অতঃপর ক্রেতা সেই পণ্য অন্য শহরে নিয়ে এল এবং উহাকে মুনাফায় বিক্রয় করতে লাগল কিংবা যেই শহরে উহা ক্রয় করেছে, সেই শহরেই ক্রয়ের দিনের বাজারদরে উহাকে লাভে বিক্রয় করতে লাগল। সে যদি উহাকে দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করেছিল এবং বিক্রয় করল দীনারের বিনিময়ে কিংবা ক্রয় করেছিল দীনারের বিনিময়ে এবং বিক্রয় করল দিরহামের বিনিময়ে, আর বিক্রীত পণ্য এখনও বিনষ্ট হয়নি, তবে ক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে; ইচ্ছা করলে উহা গ্রহণ করবে, ইচ্ছা করলে প্রত্যাখ্যান করবে। আর যদি বিক্রীত পণ্য বিনষ্ট হয়ে যায় তবে বিক্রেতা সেই মূল্যে উহাকে ক্রয় করেছিল সেই মূল্যে পণ্য ক্রেতার প্রাপ্য হবে, বিক্রেতাকে দেয়া হবে বর্ধিত মুনাফা তার ক্রয় মূল্যের উপর, যে মুনাফা ক্রেতা তাকে প্রদান করবে [অর্থাৎ উভয়ের মধ্যে যে মুনাফা নির্ধারিত হয়েছে]। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কোন পণ্য বিক্রয় করেছে যার পড়তা পড়েছে, একশত দীনার, (বিক্রয় করেছে) প্রতি দশ দীনারে এগার দীনার করে। [১] পরে সে (বিক্রেতা) জানতে পারল যে, উহা পড়েছে নব্বই দীনার। এইদিকে ক্রেতার নিকট পণ্য বিনষ্ট হয়েছে। [২] তবে বিক্রেতাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে; পছন্দ করলে সে পণ্যের কব্জা করার দিনের মূল্য গ্রহণ করবে। কিন্তু যদি ক্রেতার নিকট বিক্রয় যেই দিন ধার্য হয়েছে সেই দিন হতে যেই মূল্যে বিক্রয় ঠিক হয়েছিল উহা প্রথম দিনের মূল্য হতে অধিক হয়, তবে সে এর অধিক পাবে না। (যেই মূল্যে বিক্রয় ঠিক হয়েছিল) সেই মূল্য হচ্ছে একশত দশ দীনার। কিংবা সে যদি পছন্দ করে নিরানব্বই-এর উপর তার জন্য (শতকরা দশ দীনার হারে) মুনাফা যোগ করা হবে। কিন্তু যদি পণ্যের পড়তা হতে কম হয়, তবে তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে। পণ্যের যে পড়তা পড়েছে সে পড়তা এবং মুনাফাসহ আসল দামের মধ্যে। তার হচ্ছে নিরানব্বই দীনার। যেটি ইচ্ছা সে গ্রহণ করবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি কোন পণ্য বিক্রয় করেছে মুনাফা করে। সে বললঃ আমার নিকট এর পড়তা পড়েছে একশত দীনার। পরে তার নিকট প্রকাশ হল যে, উক্ত পণ্যের পড়তা পড়েছে একশত বিশ দীনার করে, (এমতাবস্থায়) ক্রেতাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে, যদি সে ইচ্ছা করে তবে বিক্রেতাকে যেই দিন সে এই পণ্য কব্জা করেছে সেই দিনকার মূল্য আদায় করিবে, অথবা ইচ্ছা করিলে বিক্রেতা যখন এই পণ্য ক্রয় করেছিল সেই সময়কার মূল্য (নির্ধারিত হারে) মুনাফা হিসেবে যা দাঁড়ায় তাসহ বিক্রেতার নিকট পরিশোধ করবে। কিন্তু যেই দিন কব্জা করেছে সেই দিনের মূল্য যদি ক্রেতা যেই দামে পণ্য ক্রয় করেছে সেই দাম হতে কম হয় তবে যেই দামে ক্রেতা পণ্য ক্রয় করেছে সেই দাম হতে পণ্যের মালিককে কম মূল্য দেয়ার ইখতিয়ার থাকবে না। কারণ সে (ক্রেতা) এতে (অসত্য মূল্য ও মুনাফাতে) রাজী হয়েছিল (এবং) পণ্যের মালিক (পূর্বে যে মূল্য বলেছিল উহার উপর) অতিরিক্ত দাবি করিতেছে, তাই বিল বা ফর্দ-এর উপর যেই মূল্যে উহা ক্রয় করেছে সেই মূল্য হতে কমানোর জন্য বিক্রেতাকে বাধ্য করার অধিকার ক্রেতার নেই।
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বায [বস্ত্র বা গৃহ সরঞ্জাম] সম্বন্ধে আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই, এক ব্যক্তি এ শহর হতে বস্ত্র বা গৃহ সরঞ্জাম বা গৃহ সরঞ্জাম ক্রয় করল। অতঃপর সেই সব সরঞ্জাম অন্য শহরে নিয়ে গেল। তথায় সেসব বস্তু লাভে বিক্রয় করল। তবে দ্রব্যমূল্যে দালালের মজুরি, কাপড় ভাঁজ করা, গাঁইট বাঁধা এবং অন্যান্য ব্যয় হিসেব করা হবে না এবং ঘর ভাড়াও উহাতে হিসেব করা হবে না। তবে বস্ত্র বা গৃহ সরঞ্জামের পরিবহন মজুরি আসল মূল্যে গণ্য করা হবে। বস্ত্র বিক্রেতা ক্রেতার নিকট যাবতীয় ভাড়া ও মজুরির বিবরণ জানিয়ে দিবে। এইসব অবগত হওয়ার পর ক্রেতাগণ যদি বিক্রেতাকে মুনাফা প্রদান করে তবে এতে কোন দোষ নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ বস্ত্রের ধোলাই, সেলাই ও রং করার এবং এই জাতীয় আর যে কাজ করা হয়, সব বস্ত্রের স্থলে গণ্য করা হবে। উহাতে লাভ হিসেব করা হবে যেমন হিসেব করা হবে আসল বস্ত্রের, যদি বিক্রেতা বস্ত্র বিক্রয় করল (অথচ) আপনি যা (উপরের বর্ণনায়) শুনলেন তার কোন কিছুই ক্রেতার নিকট সে বর্ণনা করল না তবে সে বিক্রেতার জন্য এটাতে কোন মুনাফা ধরা হবে না। যদি বস্ত্র বিনষ্ট হয় তবে উহার উপর ভাড়া হিসেব করা হবে কিন্তু মুনাফা ধরা হবে না। আর যদি বস্ত্র বিনষ্ট না হয় তবে ক্রেতা বিক্রেতার মধ্যকার বেচাকেনা ভঙ্গ হয়ে যাবে। কিন্তু যদি তারা উভয়ে জায়েয কিছুর উপর পরস্পর রাজী হয় [তবে জায়েয হবে]। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বর্ণ (দীনার) কিংবা চাঁদি (দিরহাম)-এর বিনিময়ে কোন পণ্যদ্রব্য ক্রয় করল, আর ক্রয়ের দিন স্বর্ণমুদ্রার বাজারদর ছিল প্রতি দীনার দশ দিরহাম, অতঃপর ক্রেতা সেই পণ্য অন্য শহরে নিয়ে এল এবং উহাকে মুনাফায় বিক্রয় করতে লাগল কিংবা যেই শহরে উহা ক্রয় করেছে, সেই শহরেই ক্রয়ের দিনের বাজারদরে উহাকে লাভে বিক্রয় করতে লাগল। সে যদি উহাকে দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করেছিল এবং বিক্রয় করল দীনারের বিনিময়ে কিংবা ক্রয় করেছিল দীনারের বিনিময়ে এবং বিক্রয় করল দিরহামের বিনিময়ে, আর বিক্রীত পণ্য এখনও বিনষ্ট হয়নি, তবে ক্রেতার ইখতিয়ার থাকবে; ইচ্ছা করলে উহা গ্রহণ করবে, ইচ্ছা করলে প্রত্যাখ্যান করবে। আর যদি বিক্রীত পণ্য বিনষ্ট হয়ে যায় তবে বিক্রেতা সেই মূল্যে উহাকে ক্রয় করেছিল সেই মূল্যে পণ্য ক্রেতার প্রাপ্য হবে, বিক্রেতাকে দেয়া হবে বর্ধিত মুনাফা তার ক্রয় মূল্যের উপর, যে মুনাফা ক্রেতা তাকে প্রদান করবে [অর্থাৎ উভয়ের মধ্যে যে মুনাফা নির্ধারিত হয়েছে]। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কোন পণ্য বিক্রয় করেছে যার পড়তা পড়েছে, একশত দীনার, (বিক্রয় করেছে) প্রতি দশ দীনারে এগার দীনার করে। [১] পরে সে (বিক্রেতা) জানতে পারল যে, উহা পড়েছে নব্বই দীনার। এইদিকে ক্রেতার নিকট পণ্য বিনষ্ট হয়েছে। [২] তবে বিক্রেতাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে; পছন্দ করলে সে পণ্যের কব্জা করার দিনের মূল্য গ্রহণ করবে। কিন্তু যদি ক্রেতার নিকট বিক্রয় যেই দিন ধার্য হয়েছে সেই দিন হতে যেই মূল্যে বিক্রয় ঠিক হয়েছিল উহা প্রথম দিনের মূল্য হতে অধিক হয়, তবে সে এর অধিক পাবে না। (যেই মূল্যে বিক্রয় ঠিক হয়েছিল) সেই মূল্য হচ্ছে একশত দশ দীনার। কিংবা সে যদি পছন্দ করে নিরানব্বই-এর উপর তার জন্য (শতকরা দশ দীনার হারে) মুনাফা যোগ করা হবে। কিন্তু যদি পণ্যের পড়তা হতে কম হয়, তবে তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে। পণ্যের যে পড়তা পড়েছে সে পড়তা এবং মুনাফাসহ আসল দামের মধ্যে। তার হচ্ছে নিরানব্বই দীনার। যেটি ইচ্ছা সে গ্রহণ করবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি কোন পণ্য বিক্রয় করেছে মুনাফা করে। সে বললঃ আমার নিকট এর পড়তা পড়েছে একশত দীনার। পরে তার নিকট প্রকাশ হল যে, উক্ত পণ্যের পড়তা পড়েছে একশত বিশ দীনার করে, (এমতাবস্থায়) ক্রেতাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে, যদি সে ইচ্ছা করে তবে বিক্রেতাকে যেই দিন সে এই পণ্য কব্জা করেছে সেই দিনকার মূল্য আদায় করিবে, অথবা ইচ্ছা করিলে বিক্রেতা যখন এই পণ্য ক্রয় করেছিল সেই সময়কার মূল্য (নির্ধারিত হারে) মুনাফা হিসেবে যা দাঁড়ায় তাসহ বিক্রেতার নিকট পরিশোধ করবে। কিন্তু যেই দিন কব্জা করেছে সেই দিনের মূল্য যদি ক্রেতা যেই দামে পণ্য ক্রয় করেছে সেই দাম হতে কম হয় তবে যেই দামে ক্রেতা পণ্য ক্রয় করেছে সেই দাম হতে পণ্যের মালিককে কম মূল্য দেয়ার ইখতিয়ার থাকবে না। কারণ সে (ক্রেতা) এতে (অসত্য মূল্য ও মুনাফাতে) রাজী হয়েছিল (এবং) পণ্যের মালিক (পূর্বে যে মূল্য বলেছিল উহার উপর) অতিরিক্ত দাবি করিতেছে, তাই বিল বা ফর্দ-এর উপর যেই মূল্যে উহা ক্রয় করেছে সেই মূল্য হতে কমানোর জন্য বিক্রেতাকে বাধ্য করার অধিকার ক্রেতার নেই।
حدثني يحيى قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في البز يشتريه الرجل ببلد ثم يقدم به بلدا آخر فيبيعه مرابحة إنه لا يحسب فيه أجر السماسرة ولا أجر الطي ولا الشد ولا النفقة ولا كراء بيت فأما كراء البز في حملانه فإنه يحسب في أصل الثمن ولا يحسب فيه ربح إلا أن يعلم البائع من يساومه بذلك كله فإن ربحوه على ذلك كله بعد العلم به فلا بأس به قال مالك فأما القصارة والخياطة والصباغ وما أشبه ذلك فهو بمنزلة البز يحسب فيه الربح كما يحسب في البز فإن باع البز ولم يبين شيئا مما سميت إنه لا يحسب له فيه ربح فإن فات البز فإن الكراء يحسب ولا يحسب عليه ربح فإن لم يفت البز فالبيع مفسوخ بينهما إلا أن يتراضيا على شيء مما يجوز بينهما قال مالك في الرجل يشتري المتاع بالذهب أو بالورق والصرف يوم اشتراه عشرة دراهم بدينار فيقدم به بلدا فيبيعه مرابحة أو يبيعه حيث اشتراه مرابحة على صرف ذلك اليوم الذي باعه فيه فإنه إن كان ابتاعه بدراهم وباعه بدنانير أو ابتاعه بدنانير وباعه بدراهم وكان المتاع لم يفت فالمبتاع بالخيار إن شاء أخذه وإن شاء تركه فإن فات المتاع كان للمشتري بالثمن الذي ابتاعه به البائع ويحسب للبائع الربح على ما اشتراه به على ما ربحه المبتاع قال مالك وإذا باع رجل سلعة قامت عليه بمائة دينار للعشرة أحد عشر ثم جاءه بعد ذلك أنها قامت عليه بتسعين دينارا وقد فاتت السلعة خير البائع فإن أحب فله قيمة سلعته يوم قبضت منه إلا أن تكون القيمة أكثر من الثمن الذي وجب له به البيع أول يوم فلا يكون له أكثر من ذلك وذلك مائة دينار وعشرة دنانير وإن أحب ضرب له الربح على التسعين إلا أن يكون الذي بلغت سلعته من الثمن أقل من القيمة فيخير في الذي بلغت سلعته وفي رأس ماله وربحه وذلك تسعة وتسعون دينارا قال مالك وإن باع رجل سلعة مرابحة فقال قامت علي بمائة دينار ثم جاءه بعد ذلك أنها قامت بمائة وعشرين دينارا خير المبتاع فإن شاء أعطى البائع قيمة السلعة يوم قبضها وإن شاء أعطى الثمن الذي ابتاع به على حساب ما ربحه بالغا ما بلغ إلا أن يكون ذلك أقل من الثمن الذي ابتاع به السلعة فليس له أن ينقص رب السلعة من الثمن الذي ابتاعها به لأنه قد كان رضي بذلك وإنما جاء رب السلعة يطلب الفضل فليس للمبتاع في هذا حجة على البائع بأن يضع من الثمن الذي ابتاع به على البرنامج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ‘বরনামজ’ [১] বা বিলের উপর বিক্রয় করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৪৫
قال مالك الأمر عندنا في القوم يشترون السلعة البز أو الرقيق فيسمع به الرجل فيقول لرجل منهم البز الذي اشتريت من فلان قد بلغتني صفته وأمره فهل لك أن أربحك في نصيبك كذا وكذا فيقول نعم فيربحه ويكون شريكا للقوم مكانه فإذا نظر إليه رآه قبيحا واستغلاه قال مالك ذلك لازم له ولا خيار له فيه إذا كان ابتاعه على برنامج وصفة معلومة قال مالك في الرجل يقدم له أصناف من البز ويحضره السوام ويقرأ عليهم برنامجه ويقول في كل عدل كذا وكذ ملحفة بصرية وكذا وكذا ريطة سابرية ذرعها كذا وكذا ويسمي لهم أصنافا من البز بأجناسه ويقول اشتروا مني على هذه الصفة فيشترون الأعدال على ما وصف لهم ثم يفتحونها فيستغلونها ويندمون قال مالك ذلك لازم لهم إذا كان موافقا للبرنامج الذي باعهم عليه قال مالك وهذا الأمر الذي لم يزل عليه الناس عندنا يجيزونه بينهم إذا كان المتاع موافقا للبرنامج ولم يكن مخالفا له.
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাদের নিকট মাসআলা এই- একদল লোক পণ্য ক্রয় করল- কাপড় অথবা ক্রীতদাস, এই সংবাদ আর এক ব্যক্তি শুনল। সে ক্রেতাদের একজনকে বলল- আপনি অমুক হতে যে বস্ত্র ক্রয় করেছেন উহার অবস্থা ও গুণাগুণ আমি অবহিত আছি। আপনার অংশের পণ্যে আমি আপনাকে এত এত মুনাফা দিব, এতে আপনি আগ্রহী আছেন কি? সে বলল, হ্যাঁ, সে (দ্বিতীয়বারের ক্রেতা) উহাকে (বিক্রেতাকে) লাভ দিল এবং ক্রেতাদের দলে বিক্রেতার স্থলে শরীক হয়ে গেল, তারপর যখন সে বস্ত্র বা ক্রীতদাস নিরীক্ষা করে দেখল উহাকে খারাপ পেল এবং উহার মূল্য অতিরিক্ত মনে করল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বেচাকেনা এবং উহা গ্রহণ (বিল দেখে যে ক্রয় করেছে) তার জন্য জরুরী হবে এবং (উহা রদ করার) ইখতিয়ার তার থাকবে না। যদি সে নির্দিষ্ট গুণাগুণ জেনে বিল দেখে ক্রয় করে থাকে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি বিভিন্ন জাতের বস্ত্র আমদানী করেছে। (সে সব বস্ত্র ক্রয় করার জন্য) তার কাছে ক্রেতাগণ উপস্থিত হতে লাগল। তিনি তাদেরকে বরনামা (বিল) পাঠ করে শোনালেন। তিনি বললেন, প্রতি গাঁইটে এত এত বসরীয় মিলতাফা রয়েছে এবং এত এত সারবীয় রাইতা রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির বস্ত্রের বিভিন্ন প্রকার দর নির্দিষ্ট করলেন। আরও সে বলল, আপনারা আমার নিকট হতে এই বর্ণিত গুণাগুণের বস্ত্রসমূহ ক্রয় করুন, তারা বর্ণিত গুণের উপর সেই বস্ত্রের গাঁইটসমূহ ক্রয় করলেন। অতঃপর গাঁইট খোলার পর তারা বস্ত্রসমূহের দাম অতিরিক্ত হয়েছে বলে মনে করলেন এবং (এই ক্রয়ের উপর) লজ্জিত হলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে বিলের সপক্ষে তাদের নিকট মাল বিক্রয় করা হয়েছে সে বিল অনুযায়ী গাঁইটে মাল পাওয়া গেল এবং মাল বিলের বিপরীত না হলে তবে ইহা (ক্রয়) তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমাদের নিকট মাসআলা এই- একদল লোক পণ্য ক্রয় করল- কাপড় অথবা ক্রীতদাস, এই সংবাদ আর এক ব্যক্তি শুনল। সে ক্রেতাদের একজনকে বলল- আপনি অমুক হতে যে বস্ত্র ক্রয় করেছেন উহার অবস্থা ও গুণাগুণ আমি অবহিত আছি। আপনার অংশের পণ্যে আমি আপনাকে এত এত মুনাফা দিব, এতে আপনি আগ্রহী আছেন কি? সে বলল, হ্যাঁ, সে (দ্বিতীয়বারের ক্রেতা) উহাকে (বিক্রেতাকে) লাভ দিল এবং ক্রেতাদের দলে বিক্রেতার স্থলে শরীক হয়ে গেল, তারপর যখন সে বস্ত্র বা ক্রীতদাস নিরীক্ষা করে দেখল উহাকে খারাপ পেল এবং উহার মূল্য অতিরিক্ত মনে করল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই বেচাকেনা এবং উহা গ্রহণ (বিল দেখে যে ক্রয় করেছে) তার জন্য জরুরী হবে এবং (উহা রদ করার) ইখতিয়ার তার থাকবে না। যদি সে নির্দিষ্ট গুণাগুণ জেনে বিল দেখে ক্রয় করে থাকে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি বিভিন্ন জাতের বস্ত্র আমদানী করেছে। (সে সব বস্ত্র ক্রয় করার জন্য) তার কাছে ক্রেতাগণ উপস্থিত হতে লাগল। তিনি তাদেরকে বরনামা (বিল) পাঠ করে শোনালেন। তিনি বললেন, প্রতি গাঁইটে এত এত বসরীয় মিলতাফা রয়েছে এবং এত এত সারবীয় রাইতা রয়েছে। বিভিন্ন শ্রেণির বস্ত্রের বিভিন্ন প্রকার দর নির্দিষ্ট করলেন। আরও সে বলল, আপনারা আমার নিকট হতে এই বর্ণিত গুণাগুণের বস্ত্রসমূহ ক্রয় করুন, তারা বর্ণিত গুণের উপর সেই বস্ত্রের গাঁইটসমূহ ক্রয় করলেন। অতঃপর গাঁইট খোলার পর তারা বস্ত্রসমূহের দাম অতিরিক্ত হয়েছে বলে মনে করলেন এবং (এই ক্রয়ের উপর) লজ্জিত হলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে বিলের সপক্ষে তাদের নিকট মাল বিক্রয় করা হয়েছে সে বিল অনুযায়ী গাঁইটে মাল পাওয়া গেল এবং মাল বিলের বিপরীত না হলে তবে ইহা (ক্রয়) তাদের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।
قال مالك الأمر عندنا في القوم يشترون السلعة البز أو الرقيق فيسمع به الرجل فيقول لرجل منهم البز الذي اشتريت من فلان قد بلغتني صفته وأمره فهل لك أن أربحك في نصيبك كذا وكذا فيقول نعم فيربحه ويكون شريكا للقوم مكانه فإذا نظر إليه رآه قبيحا واستغلاه قال مالك ذلك لازم له ولا خيار له فيه إذا كان ابتاعه على برنامج وصفة معلومة قال مالك في الرجل يقدم له أصناف من البز ويحضره السوام ويقرأ عليهم برنامجه ويقول في كل عدل كذا وكذ ملحفة بصرية وكذا وكذا ريطة سابرية ذرعها كذا وكذا ويسمي لهم أصنافا من البز بأجناسه ويقول اشتروا مني على هذه الصفة فيشترون الأعدال على ما وصف لهم ثم يفتحونها فيستغلونها ويندمون قال مالك ذلك لازم لهم إذا كان موافقا للبرنامج الذي باعهم عليه قال مالك وهذا الأمر الذي لم يزل عليه الناس عندنا يجيزونه بينهم إذا كان المتاع موافقا للبرنامج ولم يكن مخالفا له.