মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩১

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الحيوان باللحم.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (আবূ দাঊদ ১৮২ [মুরসিল])

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (আবূ দাঊদ ১৮২ [মুরসিল])

حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الحيوان باللحم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩২

و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين أنه سمع سعيد بن المسيب يقول من ميسر أهل الجاهلية بيع الحيوان باللحم بالشاة والشاتين.

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বলতেনঃ গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করা এবং একটি বকরী ও দুটি বকরীর বিনিময়ে বিক্রয় করা জাহেলিয়্যাত যুগের জুয়া সদৃশ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বলতেনঃ গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করা এবং একটি বকরী ও দুটি বকরীর বিনিময়ে বিক্রয় করা জাহেলিয়্যাত যুগের জুয়া সদৃশ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين أنه سمع سعيد بن المسيب يقول من ميسر أهل الجاهلية بيع الحيوان باللحم بالشاة والشاتين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩৩

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول نهي عن بيع الحيوان باللحم قال أبو الزناد فقلت لسعيد بن المسيب أرأيت رجلا اشترى شارفا بعشرة شياه فقال سعيد إن كان اشتراها لينحرها فلا خير في ذلك قال أبو الزناد وكل من أدركت من الناس ينهون عن بيع الحيوان باللحم قال أبو الزناد وكان ذلك يكتب في عهود العمال في زمان أبان بن عثمان وهشام بن إسمعيل ينهون عن ذلك.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হতে নিষেধ করা হয়েছে। আবুয যিনাদ (রহঃ) বলেনঃ আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বললাম, এক ব্যক্তি দশটি বকরীর বিনিময়ে একটি উট ক্রয় করল, উহার হুকুম কি আমাকে বলুন। সাঈদ বললেন, যদি যবেহ করার জন্য উহাকে ক্রয় করে তবে উহাতে মঙ্গল নেই [অর্থাৎ ইহা জায়েয নয়] । আবুয যিনাদ বলেন- আমি যেসকল আহলে ইলম [উলামা]-কে পেয়েছি তারা প্রত্যেকে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হতে নিষেধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) আযুব যিনাদ আরও বললেন- বিভিন্ন জিলার শাসনকর্তাদের নিকট আবান ইবনু উসমান ও হিশাম ইবনু ইসমাঈল-এর শাসনকালে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় নিষেধ করা হত।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হতে নিষেধ করা হয়েছে। আবুয যিনাদ (রহঃ) বলেনঃ আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বললাম, এক ব্যক্তি দশটি বকরীর বিনিময়ে একটি উট ক্রয় করল, উহার হুকুম কি আমাকে বলুন। সাঈদ বললেন, যদি যবেহ করার জন্য উহাকে ক্রয় করে তবে উহাতে মঙ্গল নেই [অর্থাৎ ইহা জায়েয নয়] । আবুয যিনাদ বলেন- আমি যেসকল আহলে ইলম [উলামা]-কে পেয়েছি তারা প্রত্যেকে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হতে নিষেধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) আযুব যিনাদ আরও বললেন- বিভিন্ন জিলার শাসনকর্তাদের নিকট আবান ইবনু উসমান ও হিশাম ইবনু ইসমাঈল-এর শাসনকালে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় নিষেধ করা হত।

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول نهي عن بيع الحيوان باللحم قال أبو الزناد فقلت لسعيد بن المسيب أرأيت رجلا اشترى شارفا بعشرة شياه فقال سعيد إن كان اشتراها لينحرها فلا خير في ذلك قال أبو الزناد وكل من أدركت من الناس ينهون عن بيع الحيوان باللحم قال أبو الزناد وكان ذلك يكتب في عهود العمال في زمان أبان بن عثمان وهشام بن إسمعيل ينهون عن ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গোশতের বিনিময়ে গোশত বিক্রয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩৪

قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في لحم الإبل والبقر والغنم وما أشبه ذلك من الوحوش أنه لا يشترى بعضه ببعض إلا مثلا بمثل وزنا بوزن يدا بيد ولا بأس به وإن لم يوزن إذا تحرى أن يكون مثلا بمثل يدا بيد. قال مالك ولا بأس بلحم الحيتان بلحم الإبل والبقر والغنم وما أشبه ذلك من الوحوش كلها اثنين بواحد وأكثر من ذلك يدا بيد فإن دخل ذلك الأجل فلا خير فيه. قال مالك وأرى لحوم الطير كلها مخالفة للحوم الأنعام والحيتان فلا أرى بأسا بأن يشترى بعض ذلك ببعض متفاضلا يدا بيد ولا يباع شيء من ذلك إلى أجل.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উটের, গরুর ও ছাগলের গোশত এবং এই জাতীয় কিছু পরিমাণকে বন্য পশুদের গোশত সম্বন্ধে আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই- উহার কিছু পরিমাণের বিনিময়ে সমান সমান এবং সমওজনের এবং নগদ ছাড়া ক্রয় করা হবে না। (উহাকে) ওজন করা না হলেও কোন দোষ নেই- যদি অনুমান উহা সমান সমান হয় এবং নগদ বিক্রয় হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মাছের গোশতকে উটের, গরুর ও ছাগলের গোশত এবং উহাদের সদৃশ সকল প্রকার বন্য পশুর গোশতের বিনিময়ে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। একের বিনিময়ে দুই বা ততোধিক [বিক্রয় করা] নগদ অর্থে। যদি এতে মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় তবে আর উহাতে মঙ্গল নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমি মনে করি, যাবতীয় পাখির গোশত চতুষ্পদ জন্তু সকলের এবং (সকল রকম) মাছের গোশত হতে ভিন্ন। উহাদের কোন একটিকে অন্য আর একটির বিনিময়ে, কিছু বাড়তিতে নগদ ক্রয় করাতে কোন দোষ দেখি না (অর্থাৎ জায়েয আছে), কিন্তু এদের কোন কিছুকে ধারে বিক্রয় করা যাবে না।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

উটের, গরুর ও ছাগলের গোশত এবং এই জাতীয় কিছু পরিমাণকে বন্য পশুদের গোশত সম্বন্ধে আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই- উহার কিছু পরিমাণের বিনিময়ে সমান সমান এবং সমওজনের এবং নগদ ছাড়া ক্রয় করা হবে না। (উহাকে) ওজন করা না হলেও কোন দোষ নেই- যদি অনুমান উহা সমান সমান হয় এবং নগদ বিক্রয় হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মাছের গোশতকে উটের, গরুর ও ছাগলের গোশত এবং উহাদের সদৃশ সকল প্রকার বন্য পশুর গোশতের বিনিময়ে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। একের বিনিময়ে দুই বা ততোধিক [বিক্রয় করা] নগদ অর্থে। যদি এতে মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় তবে আর উহাতে মঙ্গল নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমি মনে করি, যাবতীয় পাখির গোশত চতুষ্পদ জন্তু সকলের এবং (সকল রকম) মাছের গোশত হতে ভিন্ন। উহাদের কোন একটিকে অন্য আর একটির বিনিময়ে, কিছু বাড়তিতে নগদ ক্রয় করাতে কোন দোষ দেখি না (অর্থাৎ জায়েয আছে), কিন্তু এদের কোন কিছুকে ধারে বিক্রয় করা যাবে না।

قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في لحم الإبل والبقر والغنم وما أشبه ذلك من الوحوش أنه لا يشترى بعضه ببعض إلا مثلا بمثل وزنا بوزن يدا بيد ولا بأس به وإن لم يوزن إذا تحرى أن يكون مثلا بمثل يدا بيد. قال مالك ولا بأس بلحم الحيتان بلحم الإبل والبقر والغنم وما أشبه ذلك من الوحوش كلها اثنين بواحد وأكثر من ذلك يدا بيد فإن دخل ذلك الأجل فلا خير فيه. قال مالك وأرى لحوم الطير كلها مخالفة للحوم الأنعام والحيتان فلا أرى بأسا بأن يشترى بعض ذلك ببعض متفاضلا يدا بيد ولا يباع شيء من ذلك إلى أجل.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কুকুরের মূল্য

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩৫

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبي مسعود الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن يعني بمهر البغي ما تعطاه المرأة على الزنا وحلوان الكاهن رشوته وما يعطى على أن يتكهن قال مالك أكره ثمن الكلب الضاري وغير الضاري لنهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب.

আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর মাহর এবং ভবিষ্যদ্বক্তার উপার্জন হতে নিষেধ করেছেন। এর অর্থ এই ব্যভিচারিণীর মাহর যা তাকে ব্যভিচারের বিনিময়ে দেয়া হয় তা, আর (زبزه) ভবিষ্যদ্বক্তার [১] “হুলওয়ান” হচ্ছে তার উৎকোচ যা ভাগ্য গণনা করার জন্য তাকে দেয়া হয়। (বুখারী ২২৩৭, মুসলিম ১৫৬৭) মালিক (রহঃ) বলেনঃ শিকারী এবং অশিকারী উভয় প্রকারের কুকুরের মূল্য হারাম। কারণ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।

আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর মাহর এবং ভবিষ্যদ্বক্তার উপার্জন হতে নিষেধ করেছেন। এর অর্থ এই ব্যভিচারিণীর মাহর যা তাকে ব্যভিচারের বিনিময়ে দেয়া হয় তা, আর (زبزه) ভবিষ্যদ্বক্তার [১] “হুলওয়ান” হচ্ছে তার উৎকোচ যা ভাগ্য গণনা করার জন্য তাকে দেয়া হয়। (বুখারী ২২৩৭, মুসলিম ১৫৬৭) মালিক (রহঃ) বলেনঃ শিকারী এবং অশিকারী উভয় প্রকারের কুকুরের মূল্য হারাম। কারণ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبي مسعود الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن يعني بمهر البغي ما تعطاه المرأة على الزنا وحلوان الكاهن رشوته وما يعطى على أن يتكهن قال مالك أكره ثمن الكلب الضاري وغير الضاري لنهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সলফ এবং পণ্যাদির ক্রয়-বিক্রয় একটির বিনিময়ে অপরটির

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩৬

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع وسلف ২৪২৫-قال مالك وتفسير ذلك أن يقول الرجل للرجل آخذ سلعتك بكذا وكذا على أن تسلفني كذا وكذا فإن عقدا بيعهما على هذا الوجه فهو غير جائز فإن ترك الذي اشترط السلف ما اشترط منه كان ذلك البيع جائزا. قال مالك ولا بأس أن يشترى الثوب من الكتان أو الشطوي أو القصبي بالأثواب من الإتريبي أو القسي أو الزيقة أو الثوب الهروي أو المروي بالملاحف اليمانية والشقائق وما أشبه ذلك الواحد بالاثنين أو الثلاثة يدا بيد أو إلى أجل وإن كان من صنف واحد فإن دخل ذلك نسيئة فلا خير فيه قال مالك ولا يصلح حتى يختلف فيبين اختلافه فإذا أشبه بعض ذلك بعضا وإن اختلفت أسماؤه فلا يأخذ منه اثنين بواحد إلى أجل وذلك أن يأخذ الثوبين من الهروي بالثوب من المروي أو القوهي إلى أجل أو يأخذ الثوبين من الفرقبي بالثوب من الشطوي فإذا كانت هذه الأجناس على هذه الصفة فلا يشترى منها اثنان بواحد إلى أجل ২৪২৮-قال مالك ولا بأس أن تبيع ما اشتريت منها قبل أن تستوفيه من غير صاحبه الذي اشتريته منه إذا انتقدت ثمنه.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিক্রয় এবং ঋণকে যুক্ত করা হতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৫০৪, তিরমিযী ১২৩৪) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এর তফসীর (ব্যাখ্যা) এইঃ এক ব্যক্তি বলল অপর ব্যক্তিকে, আমি আপনার পণ্য ক্রয় করব এত এত (টাকা) মূল্যে এই শর্তে যে, আপনি আমাকে এত এত (টাকা) ঋণ দিবেন। যদি তাদের উভয়ের বেচাকেনা এর উপর সম্পাদিত হয় তবে এটা নাজায়েয হবে, আর যে ব্যক্তি ঋণের শর্ত করেছে সে যদি শর্ত পরিহার করে তবে এই বেচাকেনা জায়েয হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন দোষ নাই বস্ত্র ক্রয় করাতে (বিভিন্ন প্রকারের যেমন-) কাতান, সাতাবী [১] অথবা কাসারী [২] [ইত্যাদি] ইতরিবী [৩] বা কাসসী [৪], অথবা যীকো [৫] ইত্যাদি বস্ত্রের বিনিময়ে অথবা হারাভী [৬] কিংবা মারভী [৭] বস্ত্র (ক্রয় করা) ইয়ামনী এবং সাকায়িক [৮] ও এতদুভয়ের সদৃশ অন্য কোন বস্ত্রের বিনিময়ে একটিকে দুইটির বিনিময়ে অথবা তিনটির বিনিময়ে, নগদ বা বাকী (ক্রয় করতে কোন দোষ নেই), যদিও এক প্রকারের বস্ত্র হয়। যদি উহাতে [এক জাতের বস্ত্রে] ঋণ ধার প্রবেশ করে [অর্থাৎ ধারে বিক্রয় করা হয়] তবে তাতে মঙ্গল নেই [অর্থাৎ উহা নাজায়েয] । মালিক (রহঃ) বলেনঃ (ক্রীত ও বিক্রীত বস্তুর মধ্যে) জাতগত পার্থক্য না হলে এবং সেই পার্থক্য স্পষ্ট না হলে ধারে বিক্রয় জায়েয হবে না। আর যদি একটি অপরটির সদৃশ হয় তবে উহাদের নাম যদিও বিভিন্ন হয় তবুও উহা হতে এক বস্তুর বিনিময়ে দুই বস্তু ধারে গ্রহণ করবে না। এর দৃষ্টান্ত- যেমন হারাবী দুই বস্ত্র ধারে গ্রহণ করা মরবী কিংবা কুহী [৯] এক বস্ত্রের বিনিময়ে বা সাতাবী এক বস্ত্রের বিনিময়ে ফুরকবী [১০] দুই বস্ত্র গ্রহণ করা। এই সব রকমের বস্ত্র যদি এইরূপ (অর্থাৎ পরস্পর স্পষ্ট পার্থক্য না থাকে) হয় তবে উহা হতে একটির বিনিময়ে দুটি বস্ত্র ধারে ক্রয় করা জায়েয হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই জাতীয় বস্ত্র হতে কারো ক্রীত বস্ত্রকে উহা কব্জা করার পূর্বে যেই লোক হতে ক্রয় করা হয়েছে সেই ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকের নিকট বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। যদি উহার মূল্য পরিশোধ করা হয়ে থাকে।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিক্রয় এবং ঋণকে যুক্ত করা হতে নিষেধ করেছেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৫০৪, তিরমিযী ১২৩৪) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এর তফসীর (ব্যাখ্যা) এইঃ এক ব্যক্তি বলল অপর ব্যক্তিকে, আমি আপনার পণ্য ক্রয় করব এত এত (টাকা) মূল্যে এই শর্তে যে, আপনি আমাকে এত এত (টাকা) ঋণ দিবেন। যদি তাদের উভয়ের বেচাকেনা এর উপর সম্পাদিত হয় তবে এটা নাজায়েয হবে, আর যে ব্যক্তি ঋণের শর্ত করেছে সে যদি শর্ত পরিহার করে তবে এই বেচাকেনা জায়েয হবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কোন দোষ নাই বস্ত্র ক্রয় করাতে (বিভিন্ন প্রকারের যেমন-) কাতান, সাতাবী [১] অথবা কাসারী [২] [ইত্যাদি] ইতরিবী [৩] বা কাসসী [৪], অথবা যীকো [৫] ইত্যাদি বস্ত্রের বিনিময়ে অথবা হারাভী [৬] কিংবা মারভী [৭] বস্ত্র (ক্রয় করা) ইয়ামনী এবং সাকায়িক [৮] ও এতদুভয়ের সদৃশ অন্য কোন বস্ত্রের বিনিময়ে একটিকে দুইটির বিনিময়ে অথবা তিনটির বিনিময়ে, নগদ বা বাকী (ক্রয় করতে কোন দোষ নেই), যদিও এক প্রকারের বস্ত্র হয়। যদি উহাতে [এক জাতের বস্ত্রে] ঋণ ধার প্রবেশ করে [অর্থাৎ ধারে বিক্রয় করা হয়] তবে তাতে মঙ্গল নেই [অর্থাৎ উহা নাজায়েয] । মালিক (রহঃ) বলেনঃ (ক্রীত ও বিক্রীত বস্তুর মধ্যে) জাতগত পার্থক্য না হলে এবং সেই পার্থক্য স্পষ্ট না হলে ধারে বিক্রয় জায়েয হবে না। আর যদি একটি অপরটির সদৃশ হয় তবে উহাদের নাম যদিও বিভিন্ন হয় তবুও উহা হতে এক বস্তুর বিনিময়ে দুই বস্তু ধারে গ্রহণ করবে না। এর দৃষ্টান্ত- যেমন হারাবী দুই বস্ত্র ধারে গ্রহণ করা মরবী কিংবা কুহী [৯] এক বস্ত্রের বিনিময়ে বা সাতাবী এক বস্ত্রের বিনিময়ে ফুরকবী [১০] দুই বস্ত্র গ্রহণ করা। এই সব রকমের বস্ত্র যদি এইরূপ (অর্থাৎ পরস্পর স্পষ্ট পার্থক্য না থাকে) হয় তবে উহা হতে একটির বিনিময়ে দুটি বস্ত্র ধারে ক্রয় করা জায়েয হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই জাতীয় বস্ত্র হতে কারো ক্রীত বস্ত্রকে উহা কব্জা করার পূর্বে যেই লোক হতে ক্রয় করা হয়েছে সেই ব্যক্তি ব্যতীত অন্য লোকের নিকট বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। যদি উহার মূল্য পরিশোধ করা হয়ে থাকে।

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع وسلف ২৪২৫-قال مالك وتفسير ذلك أن يقول الرجل للرجل آخذ سلعتك بكذا وكذا على أن تسلفني كذا وكذا فإن عقدا بيعهما على هذا الوجه فهو غير جائز فإن ترك الذي اشترط السلف ما اشترط منه كان ذلك البيع جائزا. قال مالك ولا بأس أن يشترى الثوب من الكتان أو الشطوي أو القصبي بالأثواب من الإتريبي أو القسي أو الزيقة أو الثوب الهروي أو المروي بالملاحف اليمانية والشقائق وما أشبه ذلك الواحد بالاثنين أو الثلاثة يدا بيد أو إلى أجل وإن كان من صنف واحد فإن دخل ذلك نسيئة فلا خير فيه قال مالك ولا يصلح حتى يختلف فيبين اختلافه فإذا أشبه بعض ذلك بعضا وإن اختلفت أسماؤه فلا يأخذ منه اثنين بواحد إلى أجل وذلك أن يأخذ الثوبين من الهروي بالثوب من المروي أو القوهي إلى أجل أو يأخذ الثوبين من الفرقبي بالثوب من الشطوي فإذا كانت هذه الأجناس على هذه الصفة فلا يشترى منها اثنان بواحد إلى أجل ২৪২৮-قال مالك ولا بأس أن تبيع ما اشتريت منها قبل أن تستوفيه من غير صاحبه الذي اشتريته منه إذا انتقدت ثمنه.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00