মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পশুর অবৈধ বিক্রয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩২৯
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع حبل الحبلة وكان بيعا يتبايعه أهل الجاهلية كان الرجل يبتاع الجزور إلى أن تنتج الناقة ثم تنتج التي في بطنها.
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
গর্ভবতী পশুর গর্ভস্থ বাচ্চা বিক্রয় করতে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। ইহা এক প্রকারের বিক্রয় যা জাহিলী যুগের লোকেরা পরস্পর এইরূপ বেচাকেনা করত; উষ্ট্রী উহার বাচ্চা প্রসব করা অতঃপর সেই বাচ্চা (গর্ভবতী হয়ে) উহার বাচ্চা প্রসব করা পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করেছে এক ব্যক্তি উট ক্রয় করত। (বুখারী ২১৪৩, মুসলিম ১৫১৪)
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
গর্ভবতী পশুর গর্ভস্থ বাচ্চা বিক্রয় করতে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। ইহা এক প্রকারের বিক্রয় যা জাহিলী যুগের লোকেরা পরস্পর এইরূপ বেচাকেনা করত; উষ্ট্রী উহার বাচ্চা প্রসব করা অতঃপর সেই বাচ্চা (গর্ভবতী হয়ে) উহার বাচ্চা প্রসব করা পর্যন্ত মেয়াদ নির্ধারণ করেছে এক ব্যক্তি উট ক্রয় করত। (বুখারী ২১৪৩, মুসলিম ১৫১৪)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع حبل الحبلة وكان بيعا يتبايعه أهل الجاهلية كان الرجل يبتاع الجزور إلى أن تنتج الناقة ثم تنتج التي في بطنها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩০
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال: لا ربا في الحيوان وإنما نهي من الحيوان عن ثلاثة عن المضامين والملاقيح وحبل الحبلة والمضامين بيع ما في بطون إناث الإبل والملاقيح بيع ما في ظهور الجمال. قال مالك لا ينبغي أن يشتري أحد شيئا من الحيوان بعينه إذا كان غائبا عنه وإن كان قد رآه ورضيه على أن ينقد ثمنه لا قريبا ولا بعيدا قال مالك وإنما كره ذلك لأن البائع ينتفع بالثمن ولا يدرى هل توجد تلك السلعة على ما رآها المبتاع أم لا فلذلك كره ذلك ولا بأس به إذا كان مضمونا موصوفا.
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পশুতে সুদ নাই। তিন প্রকারের পশু [-এর ক্রয়-বিক্রয়] হতে নিষেধ করা হয়েছে “মাযামীন, মালাকীহ, হাবালুল হাবালা” [এই তিন প্রকারের ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ] । উষ্ট্রীদের উদরের বাচ্চারা হচ্ছে মাযামীন। আর উটদের টিপঠের বীর্য হচ্ছে মালাকী আর “হাবালুল-হাবালা” হচ্ছে জাহিলী যুগের লোকেরা পরস্পর [উষ্ট্রীর পেটের বাচ্চার] যে বেচাকেনা করত তা। মালিক (রহঃ) বলেনঃ নির্দিষ্ট কোন জানোয়ার কারো পক্ষে ক্রয় করা জায়েয নয় যদি উক্ত পশু তার মওজুদ না থাকে। যদিও ক্রেতা (পূর্বে) উহাকে দেখে থাকে এবং (দেখার সময়) নগদ মূল্য পরিশোধ করতে রাজী হয়ে থাকে। এই বিক্রয় জায়েয হবে না? বিক্রীত পশুর অনুপস্থিতি অল্পদিনে হোক কিংবা বেশি দিনের হোক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা এজন্য মাকরূহ যে, বিক্রেতা তার মূল্য দ্বারা উপকৃত হবে। অথচ সেই নির্দিষ্ট জানোয়ারটিকে ক্রেতা যেই অবস্থায় দেখেছিল সেই অবস্থায় পাওয়া যাবে কি যাবে না তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এই কারণেই এটা মাকরূহ্ হয়েছে। তবে যদি বিক্রীত বস্তুর (ভালরূপে) গুণাগুণ বিশ্লেষণ করে দেয়া হয় এবং যথাসময়ে ক্রেতার নিকট উহাকে সোপর্দ করার ব্যাপারে বিক্রেতা দায়ী থাকে, তা হলে এই বিক্রয় জায়েয হবে।
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
পশুতে সুদ নাই। তিন প্রকারের পশু [-এর ক্রয়-বিক্রয়] হতে নিষেধ করা হয়েছে “মাযামীন, মালাকীহ, হাবালুল হাবালা” [এই তিন প্রকারের ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ] । উষ্ট্রীদের উদরের বাচ্চারা হচ্ছে মাযামীন। আর উটদের টিপঠের বীর্য হচ্ছে মালাকী আর “হাবালুল-হাবালা” হচ্ছে জাহিলী যুগের লোকেরা পরস্পর [উষ্ট্রীর পেটের বাচ্চার] যে বেচাকেনা করত তা। মালিক (রহঃ) বলেনঃ নির্দিষ্ট কোন জানোয়ার কারো পক্ষে ক্রয় করা জায়েয নয় যদি উক্ত পশু তার মওজুদ না থাকে। যদিও ক্রেতা (পূর্বে) উহাকে দেখে থাকে এবং (দেখার সময়) নগদ মূল্য পরিশোধ করতে রাজী হয়ে থাকে। এই বিক্রয় জায়েয হবে না? বিক্রীত পশুর অনুপস্থিতি অল্পদিনে হোক কিংবা বেশি দিনের হোক। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা এজন্য মাকরূহ যে, বিক্রেতা তার মূল্য দ্বারা উপকৃত হবে। অথচ সেই নির্দিষ্ট জানোয়ারটিকে ক্রেতা যেই অবস্থায় দেখেছিল সেই অবস্থায় পাওয়া যাবে কি যাবে না তার কোন নিশ্চয়তা নেই। এই কারণেই এটা মাকরূহ্ হয়েছে। তবে যদি বিক্রীত বস্তুর (ভালরূপে) গুণাগুণ বিশ্লেষণ করে দেয়া হয় এবং যথাসময়ে ক্রেতার নিকট উহাকে সোপর্দ করার ব্যাপারে বিক্রেতা দায়ী থাকে, তা হলে এই বিক্রয় জায়েয হবে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال: لا ربا في الحيوان وإنما نهي من الحيوان عن ثلاثة عن المضامين والملاقيح وحبل الحبلة والمضامين بيع ما في بطون إناث الإبل والملاقيح بيع ما في ظهور الجمال. قال مالك لا ينبغي أن يشتري أحد شيئا من الحيوان بعينه إذا كان غائبا عنه وإن كان قد رآه ورضيه على أن ينقد ثمنه لا قريبا ولا بعيدا قال مالك وإنما كره ذلك لأن البائع ينتفع بالثمن ولا يدرى هل توجد تلك السلعة على ما رآها المبتاع أم لا فلذلك كره ذلك ولا بأس به إذا كان مضمونا موصوفا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩১
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الحيوان باللحم.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (আবূ দাঊদ ১৮২ [মুরসিল])
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (আবূ দাঊদ ১৮২ [মুরসিল])
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الحيوان باللحم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩২
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين أنه سمع سعيد بن المسيب يقول من ميسر أهل الجاهلية بيع الحيوان باللحم بالشاة والشاتين.
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বলতেনঃ গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করা এবং একটি বকরী ও দুটি বকরীর বিনিময়ে বিক্রয় করা জাহেলিয়্যাত যুগের জুয়া সদৃশ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব বলতেনঃ গোশতের বিনিময়ে পশু বিক্রয় করা এবং একটি বকরী ও দুটি বকরীর বিনিময়ে বিক্রয় করা জাহেলিয়্যাত যুগের জুয়া সদৃশ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين أنه سمع سعيد بن المسيب يقول من ميسر أهل الجاهلية بيع الحيوان باللحم بالشاة والشاتين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩৩
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول نهي عن بيع الحيوان باللحم قال أبو الزناد فقلت لسعيد بن المسيب أرأيت رجلا اشترى شارفا بعشرة شياه فقال سعيد إن كان اشتراها لينحرها فلا خير في ذلك قال أبو الزناد وكل من أدركت من الناس ينهون عن بيع الحيوان باللحم قال أبو الزناد وكان ذلك يكتب في عهود العمال في زمان أبان بن عثمان وهشام بن إسمعيل ينهون عن ذلك.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হতে নিষেধ করা হয়েছে। আবুয যিনাদ (রহঃ) বলেনঃ আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বললাম, এক ব্যক্তি দশটি বকরীর বিনিময়ে একটি উট ক্রয় করল, উহার হুকুম কি আমাকে বলুন। সাঈদ বললেন, যদি যবেহ করার জন্য উহাকে ক্রয় করে তবে উহাতে মঙ্গল নেই [অর্থাৎ ইহা জায়েয নয়] । আবুয যিনাদ বলেন- আমি যেসকল আহলে ইলম [উলামা]-কে পেয়েছি তারা প্রত্যেকে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হতে নিষেধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) আযুব যিনাদ আরও বললেন- বিভিন্ন জিলার শাসনকর্তাদের নিকট আবান ইবনু উসমান ও হিশাম ইবনু ইসমাঈল-এর শাসনকালে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় নিষেধ করা হত।
সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হতে নিষেধ করা হয়েছে। আবুয যিনাদ (রহঃ) বলেনঃ আমি সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বললাম, এক ব্যক্তি দশটি বকরীর বিনিময়ে একটি উট ক্রয় করল, উহার হুকুম কি আমাকে বলুন। সাঈদ বললেন, যদি যবেহ করার জন্য উহাকে ক্রয় করে তবে উহাতে মঙ্গল নেই [অর্থাৎ ইহা জায়েয নয়] । আবুয যিনাদ বলেন- আমি যেসকল আহলে ইলম [উলামা]-কে পেয়েছি তারা প্রত্যেকে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় করা হতে নিষেধ করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) আযুব যিনাদ আরও বললেন- বিভিন্ন জিলার শাসনকর্তাদের নিকট আবান ইবনু উসমান ও হিশাম ইবনু ইসমাঈল-এর শাসনকালে গোশতের বিনিময়ে জানোয়ার বিক্রয় নিষেধ করা হত।
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول نهي عن بيع الحيوان باللحم قال أبو الزناد فقلت لسعيد بن المسيب أرأيت رجلا اشترى شارفا بعشرة شياه فقال سعيد إن كان اشتراها لينحرها فلا خير في ذلك قال أبو الزناد وكل من أدركت من الناس ينهون عن بيع الحيوان باللحم قال أبو الزناد وكان ذلك يكتب في عهود العمال في زمان أبان بن عثمان وهشام بن إسمعيل ينهون عن ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > গোশতের বিনিময়ে গোশত বিক্রয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩৪
قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في لحم الإبل والبقر والغنم وما أشبه ذلك من الوحوش أنه لا يشترى بعضه ببعض إلا مثلا بمثل وزنا بوزن يدا بيد ولا بأس به وإن لم يوزن إذا تحرى أن يكون مثلا بمثل يدا بيد. قال مالك ولا بأس بلحم الحيتان بلحم الإبل والبقر والغنم وما أشبه ذلك من الوحوش كلها اثنين بواحد وأكثر من ذلك يدا بيد فإن دخل ذلك الأجل فلا خير فيه. قال مالك وأرى لحوم الطير كلها مخالفة للحوم الأنعام والحيتان فلا أرى بأسا بأن يشترى بعض ذلك ببعض متفاضلا يدا بيد ولا يباع شيء من ذلك إلى أجل.
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উটের, গরুর ও ছাগলের গোশত এবং এই জাতীয় কিছু পরিমাণকে বন্য পশুদের গোশত সম্বন্ধে আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই- উহার কিছু পরিমাণের বিনিময়ে সমান সমান এবং সমওজনের এবং নগদ ছাড়া ক্রয় করা হবে না। (উহাকে) ওজন করা না হলেও কোন দোষ নেই- যদি অনুমান উহা সমান সমান হয় এবং নগদ বিক্রয় হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মাছের গোশতকে উটের, গরুর ও ছাগলের গোশত এবং উহাদের সদৃশ সকল প্রকার বন্য পশুর গোশতের বিনিময়ে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। একের বিনিময়ে দুই বা ততোধিক [বিক্রয় করা] নগদ অর্থে। যদি এতে মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় তবে আর উহাতে মঙ্গল নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমি মনে করি, যাবতীয় পাখির গোশত চতুষ্পদ জন্তু সকলের এবং (সকল রকম) মাছের গোশত হতে ভিন্ন। উহাদের কোন একটিকে অন্য আর একটির বিনিময়ে, কিছু বাড়তিতে নগদ ক্রয় করাতে কোন দোষ দেখি না (অর্থাৎ জায়েয আছে), কিন্তু এদের কোন কিছুকে ধারে বিক্রয় করা যাবে না।
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
উটের, গরুর ও ছাগলের গোশত এবং এই জাতীয় কিছু পরিমাণকে বন্য পশুদের গোশত সম্বন্ধে আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই- উহার কিছু পরিমাণের বিনিময়ে সমান সমান এবং সমওজনের এবং নগদ ছাড়া ক্রয় করা হবে না। (উহাকে) ওজন করা না হলেও কোন দোষ নেই- যদি অনুমান উহা সমান সমান হয় এবং নগদ বিক্রয় হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মাছের গোশতকে উটের, গরুর ও ছাগলের গোশত এবং উহাদের সদৃশ সকল প্রকার বন্য পশুর গোশতের বিনিময়ে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। একের বিনিময়ে দুই বা ততোধিক [বিক্রয় করা] নগদ অর্থে। যদি এতে মেয়াদ নির্ধারণ করা হয় তবে আর উহাতে মঙ্গল নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমি মনে করি, যাবতীয় পাখির গোশত চতুষ্পদ জন্তু সকলের এবং (সকল রকম) মাছের গোশত হতে ভিন্ন। উহাদের কোন একটিকে অন্য আর একটির বিনিময়ে, কিছু বাড়তিতে নগদ ক্রয় করাতে কোন দোষ দেখি না (অর্থাৎ জায়েয আছে), কিন্তু এদের কোন কিছুকে ধারে বিক্রয় করা যাবে না।
قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا في لحم الإبل والبقر والغنم وما أشبه ذلك من الوحوش أنه لا يشترى بعضه ببعض إلا مثلا بمثل وزنا بوزن يدا بيد ولا بأس به وإن لم يوزن إذا تحرى أن يكون مثلا بمثل يدا بيد. قال مالك ولا بأس بلحم الحيتان بلحم الإبل والبقر والغنم وما أشبه ذلك من الوحوش كلها اثنين بواحد وأكثر من ذلك يدا بيد فإن دخل ذلك الأجل فلا خير فيه. قال مالك وأرى لحوم الطير كلها مخالفة للحوم الأنعام والحيتان فلا أرى بأسا بأن يشترى بعض ذلك ببعض متفاضلا يدا بيد ولا يباع شيء من ذلك إلى أجل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কুকুরের মূল্য
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩৩৫
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبي مسعود الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن يعني بمهر البغي ما تعطاه المرأة على الزنا وحلوان الكاهن رشوته وما يعطى على أن يتكهن قال مالك أكره ثمن الكلب الضاري وغير الضاري لنهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب.
আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর মাহর এবং ভবিষ্যদ্বক্তার উপার্জন হতে নিষেধ করেছেন। এর অর্থ এই ব্যভিচারিণীর মাহর যা তাকে ব্যভিচারের বিনিময়ে দেয়া হয় তা, আর (زبزه) ভবিষ্যদ্বক্তার [১] “হুলওয়ান” হচ্ছে তার উৎকোচ যা ভাগ্য গণনা করার জন্য তাকে দেয়া হয়। (বুখারী ২২৩৭, মুসলিম ১৫৬৭) মালিক (রহঃ) বলেনঃ শিকারী এবং অশিকারী উভয় প্রকারের কুকুরের মূল্য হারাম। কারণ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।
আবূ মাসঊদ আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, ব্যভিচারিণীর মাহর এবং ভবিষ্যদ্বক্তার উপার্জন হতে নিষেধ করেছেন। এর অর্থ এই ব্যভিচারিণীর মাহর যা তাকে ব্যভিচারের বিনিময়ে দেয়া হয় তা, আর (زبزه) ভবিষ্যদ্বক্তার [১] “হুলওয়ান” হচ্ছে তার উৎকোচ যা ভাগ্য গণনা করার জন্য তাকে দেয়া হয়। (বুখারী ২২৩৭, মুসলিম ১৫৬৭) মালিক (রহঃ) বলেনঃ শিকারী এবং অশিকারী উভয় প্রকারের কুকুরের মূল্য হারাম। কারণ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন।
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن أبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام عن أبي مسعود الأنصاري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن ثمن الكلب ومهر البغي وحلوان الكاهن يعني بمهر البغي ما تعطاه المرأة على الزنا وحلوان الكاهن رشوته وما يعطى على أن يتكهن قال مالك أكره ثمن الكلب الضاري وغير الضاري لنهي رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب.