মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযল [১] -এর বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৫
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن أبي وقاص عن أبيه أنه كان يعزل.
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাসের ছেলে আমির ইবনু সা’দ থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) আযল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাসের ছেলে আমির ইবনু সা’দ থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) আযল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن أبي وقاص عن أبيه أنه كان يعزل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৬
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن ابن أفلح مولى أبي أيوب الأنصاري عن أم ولد لأبي أيوب الأنصاري أنه كان يعزل.
আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) আযল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) আযল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن ابن أفلح مولى أبي أيوب الأنصاري عن أم ولد لأبي أيوب الأنصاري أنه كان يعزل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৯
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن رجل يقال له ذفيف أنه قال سئل ابن عباس عن العزل فدعا جارية له فقال أخبريهم فكأنها استحيت فقال هو ذلك أما أنا فأفعله يعني أنه يعزل ২২১২-قال مالك لا يعزل الرجل المرأة الحرة إلا بإذنها ولا بأس أن يعزل عن أمته بغير إذنها ২২১৩-ومن كانت تحته أمة قوم فلا يعزل إلا بإذنهم.
যাঈফ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (র)-কে প্রশ্ন করা হল আযল সম্পর্কে। তিনি তার জনৈকা দাসীকে ডেকে বললেন, এদেরকে বাতলিয়ে দাও। দাসী লজ্জাবোধ করল। ইবনু আব্বাস বললেন। ইহা তাই (অর্থাৎ আযল করা মুবাহ) আমিও তা করে থাকি অর্থাৎ তিনিও আযল করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আযাদ স্ত্রীলোকের ব্যাপারে কোন ব্যক্তি তার অনুমতি ছাড়া উহার সাথে আযল করাতে কোন দোষ নেই, আর কোন ব্যক্তি কোন গোত্রের দাসীকে বিবাহ করলে তবে সেই গোত্রের লোকের অনুমতি ছাড়া সেই দাসীর সাথে আযল করবে না।
যাঈফ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (র)-কে প্রশ্ন করা হল আযল সম্পর্কে। তিনি তার জনৈকা দাসীকে ডেকে বললেন, এদেরকে বাতলিয়ে দাও। দাসী লজ্জাবোধ করল। ইবনু আব্বাস বললেন। ইহা তাই (অর্থাৎ আযল করা মুবাহ) আমিও তা করে থাকি অর্থাৎ তিনিও আযল করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আযাদ স্ত্রীলোকের ব্যাপারে কোন ব্যক্তি তার অনুমতি ছাড়া উহার সাথে আযল করাতে কোন দোষ নেই, আর কোন ব্যক্তি কোন গোত্রের দাসীকে বিবাহ করলে তবে সেই গোত্রের লোকের অনুমতি ছাড়া সেই দাসীর সাথে আযল করবে না।
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن رجل يقال له ذفيف أنه قال سئل ابن عباس عن العزل فدعا جارية له فقال أخبريهم فكأنها استحيت فقال هو ذلك أما أنا فأفعله يعني أنه يعزل ২২১২-قال مالك لا يعزل الرجل المرأة الحرة إلا بإذنها ولا بأس أن يعزل عن أمته بغير إذنها ২২১৩-ومن كانت تحته أمة قوم فلا يعزل إلا بإذنهم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৭
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان لا يعزل وكان يكره العزل.
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) আযল করতেন না এবং তিনি উহাকে মাকরূহ তাহরীমা জানতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) আযল করতেন না এবং তিনি উহাকে মাকরূহ তাহরীমা জানতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان لا يعزل وكان يكره العزل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৮
و حدثني عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن الحجاج بن عمرو بن غزية أنه كان جالسا عند زيد بن ثابت فجاءه ابن فهد رجل من أهل اليمن فقال يا أبا سعيد إن عندي جواري لي ليس نسائي اللاتي أكن بأعجب إلي منهن وليس كلهن يعجبني أن تحمل مني أفأعزل فقال زيد بن ثابت أفته يا حجاج قال فقلت يغفر الله لك إنما نجلس عندك لنتعلم منك قال أفته قال فقلت هو حرثك إن شئت سقيته وإن شئت أعطشته قال وكنت أسمع ذلك من زيد فقال زيد صدق.
হাজ্জাজ ইবনু আমর ইবনু গাযিয়্যা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট বসা ছিলেন। (ইতিমধ্যে) ইয়ামানের বাসিন্দা ইবনু ফাহদ (জনৈক ব্যক্তি) তাঁর নিকট এল এবং বলল, হে আবূ সাঈদ. আমার নিকট কয়েকটি বাদী এমন রয়েছে যে, আমার স্ত্রীগণ তাদের তুলনায় আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় নয়। আমার দ্বারা তাদের প্রত্যেকে অন্তঃসত্ত্বা হোক তা আমি পছন্দ করি না। তবে আমি আযল করতে পারি কি? যায়দ বললেন, হে হাজ্জাজ, তুমি ফতোয়া দাও। আমি বললাম, আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন, আমরা আপনার কাছে ইলম শিক্ষার জন্য বসি। তিনি বললেন : হে হাজ্জাজ! ফতোয়া বলে দাও। হাজ্জাজ বললেন : তারপর আমি বললাম, উহা তোমার ক্ষেত্রে তোমার ইচ্ছা, তুমি উহাতে পানি সিঞ্চন কর অথবা উহাকে পিপাসিত ও শুল্ক করে রাখ। তিনি বলেন, আমি এটা যায়দ হতে শুনেছি। অতঃপর যায়দ বললেন : (হাজ্জাজ) সত্য বলেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [১]
হাজ্জাজ ইবনু আমর ইবনু গাযিয়্যা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট বসা ছিলেন। (ইতিমধ্যে) ইয়ামানের বাসিন্দা ইবনু ফাহদ (জনৈক ব্যক্তি) তাঁর নিকট এল এবং বলল, হে আবূ সাঈদ. আমার নিকট কয়েকটি বাদী এমন রয়েছে যে, আমার স্ত্রীগণ তাদের তুলনায় আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় নয়। আমার দ্বারা তাদের প্রত্যেকে অন্তঃসত্ত্বা হোক তা আমি পছন্দ করি না। তবে আমি আযল করতে পারি কি? যায়দ বললেন, হে হাজ্জাজ, তুমি ফতোয়া দাও। আমি বললাম, আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন, আমরা আপনার কাছে ইলম শিক্ষার জন্য বসি। তিনি বললেন : হে হাজ্জাজ! ফতোয়া বলে দাও। হাজ্জাজ বললেন : তারপর আমি বললাম, উহা তোমার ক্ষেত্রে তোমার ইচ্ছা, তুমি উহাতে পানি সিঞ্চন কর অথবা উহাকে পিপাসিত ও শুল্ক করে রাখ। তিনি বলেন, আমি এটা যায়দ হতে শুনেছি। অতঃপর যায়দ বললেন : (হাজ্জাজ) সত্য বলেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [১]
و حدثني عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن الحجاج بن عمرو بن غزية أنه كان جالسا عند زيد بن ثابت فجاءه ابن فهد رجل من أهل اليمن فقال يا أبا سعيد إن عندي جواري لي ليس نسائي اللاتي أكن بأعجب إلي منهن وليس كلهن يعجبني أن تحمل مني أفأعزل فقال زيد بن ثابت أفته يا حجاج قال فقلت يغفر الله لك إنما نجلس عندك لنتعلم منك قال أفته قال فقلت هو حرثك إن شئت سقيته وإن شئت أعطشته قال وكنت أسمع ذلك من زيد فقال زيد صدق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৪
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن محمد بن يحيى بن حبان عن ابن محيريز أنه قال: دخلت المسجد فرأيت أبا سعيد الخدري فجلست إليه فسألته عن العزل فقال أبو سعيد الخدري خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني المصطلق فأصبنا سبيا من سبي العرب فاشتهينا النساء واشتدت علينا العزبة وأحببنا الفداء فأردنا أن نعزل فقلنا نعزل ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا قبل أن نسأله فسألناه عن ذلك فقال ما عليكم أن لا تفعلوا ما من نسمة كائنة إلى يوم القيامة إلا وهي كائنة.
ইবনু মুহায়রিয (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম। আমি (তথায়) আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-কে দেখতে পেলাম এবং আমি তার নিকট বসলাম ও তাকে ‘আযল’ সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। (উত্তরে) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ‘বনী মুস্তালিক’ যুদ্ধে বের হলাম। আমরা (সে যুদ্ধে) কিছু সংখ্যাক আরবী যুদ্ধবন্দিনী লাভ করলাম। (এইদিকে) নারীর প্রতি আমাদের প্রবৃত্তি জাগ্রত হল, স্ত্রী সংশ্রব হতে দূরে থাকা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাড়াল। (অপরদিকে) উহাদের মূল্য পেতেও আমরা আগ্রহী। তাই (তাদের সাথে) আযল কারার ইচ্ছা করলাম। আমরা বললাম, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে বিরাজমান : তার কাছে জিজ্ঞেস করার পূর্বে আমরা আযল করব (এটা কিরূপে হয়)। আমরা এই বিষয়ে তার কাছে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এটা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যত প্রাণীর জন্ম অবধারিত উহা অবশ্যই অস্তিত্বে আসবে। (বুখারী ২৫৪২, মুসলিম ১৪৩৮)
ইবনু মুহায়রিয (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম। আমি (তথায়) আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-কে দেখতে পেলাম এবং আমি তার নিকট বসলাম ও তাকে ‘আযল’ সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। (উত্তরে) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ‘বনী মুস্তালিক’ যুদ্ধে বের হলাম। আমরা (সে যুদ্ধে) কিছু সংখ্যাক আরবী যুদ্ধবন্দিনী লাভ করলাম। (এইদিকে) নারীর প্রতি আমাদের প্রবৃত্তি জাগ্রত হল, স্ত্রী সংশ্রব হতে দূরে থাকা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাড়াল। (অপরদিকে) উহাদের মূল্য পেতেও আমরা আগ্রহী। তাই (তাদের সাথে) আযল কারার ইচ্ছা করলাম। আমরা বললাম, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে বিরাজমান : তার কাছে জিজ্ঞেস করার পূর্বে আমরা আযল করব (এটা কিরূপে হয়)। আমরা এই বিষয়ে তার কাছে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এটা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যত প্রাণীর জন্ম অবধারিত উহা অবশ্যই অস্তিত্বে আসবে। (বুখারী ২৫৪২, মুসলিম ১৪৩৮)
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن محمد بن يحيى بن حبان عن ابن محيريز أنه قال: دخلت المسجد فرأيت أبا سعيد الخدري فجلست إليه فسألته عن العزل فقال أبو سعيد الخدري خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني المصطلق فأصبنا سبيا من سبي العرب فاشتهينا النساء واشتدت علينا العزبة وأحببنا الفداء فأردنا أن نعزل فقلنا نعزل ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا قبل أن نسأله فسألناه عن ذلك فقال ما عليكم أن لا تفعلوا ما من نسمة كائنة إلى يوم القيامة إلا وهي كائنة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শোক পালনের ব্যাপারে করণীয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪১
قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا.
যয়নাব(র) থেকে বর্নিতঃ
আমি অতঃপর নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী যয়নাব বিন্ত জাহশ-এর নিকট আগমন করলাম, যখন তার ভাই-এর ওফাত হল তখন। তিনি খোশবু আনালেন এবং উহা হতে স্পর্শ করলেন, তারপর বললেন : আল্লাহ্র কসম! আমার কোন খোশবুর আবশ্যকতাই নাই, কিন্তু আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিস্বরের উপর বলতে শুনেছি, আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন কোন নারীর জন্য তিন রাত্রির অতিরিক্ত কোন মৃত ব্যক্তির জন্য শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্ত্রী স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে।
যয়নাব(র) থেকে বর্নিতঃ
আমি অতঃপর নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী যয়নাব বিন্ত জাহশ-এর নিকট আগমন করলাম, যখন তার ভাই-এর ওফাত হল তখন। তিনি খোশবু আনালেন এবং উহা হতে স্পর্শ করলেন, তারপর বললেন : আল্লাহ্র কসম! আমার কোন খোশবুর আবশ্যকতাই নাই, কিন্তু আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মিস্বরের উপর বলতে শুনেছি, আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন কোন নারীর জন্য তিন রাত্রির অতিরিক্ত কোন মৃত ব্যক্তির জন্য শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্ত্রী স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে।
قالت زينب ثم دخلت على زينب بنت جحش زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أخوها فدعت بطيب فمست منه ثم قالت والله ما لي بالطيب حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪০
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن حميد بن نافع عن زينب بنت أبي سلمة أنها أخبرته بهذه الأحاديث الثلاثة قالت زينب. دخلت على أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان بن حرب فدعت أم حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت به جارية ثم مسحت بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا.
যয়নাব বিন্ত আবূ সালমা (র) নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী উম্মে হাবীবা (রা)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম, যখন তার পিতা আবূ সুফিয়ান ইবনু হারব (রা) ইন্তিকাল করেন, তখন তিনি হলুদ বর্ণের কিছু সুগদ্ধি চাইলেন। খুলূক [পাঁচ মিশালী খোশবু যাতে কয়েক প্রকারের সুগন্ধি দ্রব্যের সংমিশ্রণ রয়েছে যাফরান এদের অন্যতম।] ছিল বা অন্য কোন সুগন্ধি। তিনি উহা তার বাদীকে লাগালেন। তারপর তার গণ্ডদ্বয়ে (খোশবু মাখা) হাত বুলালেন, অতঃপর বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন নাই। কিন্তু আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন নারীর পক্ষে কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্ত্রী স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন (শোক পালন করবে)। (বুখারী ৫৩৩৪, মুসলিম ১৪৮৬)
যয়নাব বিন্ত আবূ সালমা (র) নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিনী উম্মে হাবীবা (রা)-এর ঘরে প্রবেশ করলাম, যখন তার পিতা আবূ সুফিয়ান ইবনু হারব (রা) ইন্তিকাল করেন, তখন তিনি হলুদ বর্ণের কিছু সুগদ্ধি চাইলেন। খুলূক [পাঁচ মিশালী খোশবু যাতে কয়েক প্রকারের সুগন্ধি দ্রব্যের সংমিশ্রণ রয়েছে যাফরান এদের অন্যতম।] ছিল বা অন্য কোন সুগন্ধি। তিনি উহা তার বাদীকে লাগালেন। তারপর তার গণ্ডদ্বয়ে (খোশবু মাখা) হাত বুলালেন, অতঃপর বললেনঃ আল্লাহর কসম! আমার সুগন্ধির কোন প্রয়োজন নাই। কিন্তু আমি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন নারীর পক্ষে কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির বেশি শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্ত্রী স্বামীর জন্য চার মাস দশ দিন (শোক পালন করবে)। (বুখারী ৫৩৩৪, মুসলিম ১৪৮৬)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم عن حميد بن نافع عن زينب بنت أبي سلمة أنها أخبرته بهذه الأحاديث الثلاثة قالت زينب. دخلت على أم حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي أبوها أبو سفيان بن حرب فدعت أم حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق أو غيره فدهنت به جارية ثم مسحت بعارضيها ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة غير أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج أربعة أشهر وعشرا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪৩
و حدثني عن مالك عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد عن عائشة وحفصة زوجي النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج.
আয়িশা ও হাফসা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন স্ত্রীলোকের জন্য স্বামী ব্যতীত কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির অতিরিক্ত শোক পালন করা হালাল নয়। (সহীহ, মুসলিম ১৪৯০)
আয়িশা ও হাফসা (রা) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে এমন স্ত্রীলোকের জন্য স্বামী ব্যতীত কোন মৃত ব্যক্তির জন্য তিন রাত্রির অতিরিক্ত শোক পালন করা হালাল নয়। (সহীহ, মুসলিম ১৪৯০)
و حدثني عن مالك عن نافع عن صفية بنت أبي عبيد عن عائشة وحفصة زوجي النبي صلى الله عليه وسلم أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا يحل لامرأة تؤمن بالله واليوم الآخر أن تحد على ميت فوق ثلاث ليال إلا على زوج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪৫
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن سالم بن عبد الله وسليمان بن يسار أنهما كانا يقولان في المرأة يتوفى عنها زوجها إنها إذا خشيت على بصرها من رمد أو شكو أصابها إنها تكتحل وتتداوى بدواء أو كحل وإن كان فيه طيب قال مالك وإذا كانت الضرورة فإن دين الله يسر.
মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ
তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, যে স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গিয়েছে (সে ইদ্দত পালনরতা) সেই স্ত্রীলোক সম্পর্কে সালিম ইবনু আবদিল্লাহ ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) বলতেন : যদি চক্ষুর প্রতি কোন আশংকা দেখা দেয় চক্ষু উঠা বা অন্য কোন চক্ষুপীড়ার দরুন সে সুরমা লাগাবে এবং সুরমা অথবা অন্য কোন ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করবে যদিও তাতে সুগন্ধ থাকে। মালিক (র) বলেন : আবশ্যক হইলে উহা করিবে, কারণ আল্লাহর দ্বীন সহজ।
মালিক (রা) থেকে বর্নিতঃ
তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, যে স্ত্রীলোকের স্বামী মারা গিয়েছে (সে ইদ্দত পালনরতা) সেই স্ত্রীলোক সম্পর্কে সালিম ইবনু আবদিল্লাহ ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) বলতেন : যদি চক্ষুর প্রতি কোন আশংকা দেখা দেয় চক্ষু উঠা বা অন্য কোন চক্ষুপীড়ার দরুন সে সুরমা লাগাবে এবং সুরমা অথবা অন্য কোন ঔষধ দ্বারা চিকিৎসা করবে যদিও তাতে সুগন্ধ থাকে। মালিক (র) বলেন : আবশ্যক হইলে উহা করিবে, কারণ আল্লাহর দ্বীন সহজ।
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن سالم بن عبد الله وسليمان بن يسار أنهما كانا يقولان في المرأة يتوفى عنها زوجها إنها إذا خشيت على بصرها من رمد أو شكو أصابها إنها تكتحل وتتداوى بدواء أو كحل وإن كان فيه طيب قال مالك وإذا كانت الضرورة فإن دين الله يسر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪৪
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لامرأة حاد على زوجها اشتكت عينيها فبلغ ذلك منها اكتحلي بكحل الجلاء بالليل وامسحيه بالنهار.
উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
স্বামীর জন্য শোক পালন করছিল এমন এক মহিলাকে, যার চক্ষুতে পীড়া হয়েছিল এবং চক্ষুপীড়া চরমে পৌঁছেছিল, বলেছিলেন, ইস্মিদ সুরমা রাত্রিতে চক্ষুতে লাগাও, দিনের বেলায় সুরমা মুছে ফেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উম্মে সালমা (রা) থেকে বর্নিতঃ
স্বামীর জন্য শোক পালন করছিল এমন এক মহিলাকে, যার চক্ষুতে পীড়া হয়েছিল এবং চক্ষুপীড়া চরমে পৌঁছেছিল, বলেছিলেন, ইস্মিদ সুরমা রাত্রিতে চক্ষুতে লাগাও, দিনের বেলায় সুরমা মুছে ফেল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لامرأة حاد على زوجها اشتكت عينيها فبلغ ذلك منها اكتحلي بكحل الجلاء بالليل وامسحيه بالنهار.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪২
قالت زينب وسمعت أمي أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينيها أفتكحلهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال إنما هي { أربعة أشهر وعشرا }وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول قال حميد بن نافع فقلت لزينب وما ترمي بالبعرة على رأس الحول فقالت زينب كانت المرأة إذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شيئا حتى تمر بها سنة ثم تؤتى بدابة حمار أو شاة أو طير فتفتض به فقلما تفتض بشيء إلا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب أو غيره ২২১৮-قال مالك والحفش البيت الرديء وتفتض تمسح به جلدها كالنشرة.
যয়নাব (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আমার মাতা নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রা)-কে বলতে শুনেছি, একজন মহিলা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং বললেন : ইয়া রসূলুল্লাহ! আমার কন্যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে তার চক্ষুতে ব্যথা, আমি কি তার চক্ষুতে সুরমা লাগাতে পারি? (উত্তরে) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : না দুইবার অথবা তিনবার বললেন : প্রতিবার এইরূপ না বললেন। অতঃপর বললেন। ইদ্দত হচ্ছে চার মাস দশ দিন। জাহিলিয়্যা যুগে তোমাদের প্রথা ছিল একজন এক বৎসর পূর্ণ হলে উটের মল ছুড়ে মারত। হুমায়িদ ইবনু নাফি’ বলেন : আমি যয়নাবকে বললাম, এক বৎসর পূর্ণ হলে উটের মল কেন ছুড়ে মারত? যয়নাব (রা) বললেন : কোন মেয়েলোকের স্বামীর মৃত্যু হলে (নিয়ম এই ছিল যে,) সে একটি কুঠরিতে প্রবেশ করত এবং নিকৃষ্ট বস্ত্র পরিধান করত, খোশবু এবং এজাতীয় কোন (সাজ সজ্জার কোন কিছু) বস্তু স্পর্শ করত না। এভাবে এক বৎসর অতিবাহিত হলে পর তার কাছে উপস্থিত করা হত চতুষ্পদ জন্তু গাধা, বকরী অথবা কোন পাখী এবং উহা দ্বারা (তার লজ্জাস্থানে) ঘর্ষণ করা হত, ঘর্ষণ করার পর সেই জীব প্রায় মারা যেত, তারপর সে বদ্ধ ঘর হতে বের হত। অতঃপর তার সম্মুখে উটের মল উপস্থিত করা হত সে উহাকে ছুড়ে মারত। তারপর যা ইচ্ছা খোশবু ইত্যাদি ব্যবহার করত। মালিক (র) বলেন : হিফশ حِفْشُ শব্দের অর্থ নিকৃষ্ট ঘর, تَفْتَضُّ -এর অর্থ উহাকে দেহের চামড়ায় ঘর্ষণ করত যেমন করাত।
যয়নাব (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি আমার মাতা নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রা)-কে বলতে শুনেছি, একজন মহিলা রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং বললেন : ইয়া রসূলুল্লাহ! আমার কন্যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে তার চক্ষুতে ব্যথা, আমি কি তার চক্ষুতে সুরমা লাগাতে পারি? (উত্তরে) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : না দুইবার অথবা তিনবার বললেন : প্রতিবার এইরূপ না বললেন। অতঃপর বললেন। ইদ্দত হচ্ছে চার মাস দশ দিন। জাহিলিয়্যা যুগে তোমাদের প্রথা ছিল একজন এক বৎসর পূর্ণ হলে উটের মল ছুড়ে মারত। হুমায়িদ ইবনু নাফি’ বলেন : আমি যয়নাবকে বললাম, এক বৎসর পূর্ণ হলে উটের মল কেন ছুড়ে মারত? যয়নাব (রা) বললেন : কোন মেয়েলোকের স্বামীর মৃত্যু হলে (নিয়ম এই ছিল যে,) সে একটি কুঠরিতে প্রবেশ করত এবং নিকৃষ্ট বস্ত্র পরিধান করত, খোশবু এবং এজাতীয় কোন (সাজ সজ্জার কোন কিছু) বস্তু স্পর্শ করত না। এভাবে এক বৎসর অতিবাহিত হলে পর তার কাছে উপস্থিত করা হত চতুষ্পদ জন্তু গাধা, বকরী অথবা কোন পাখী এবং উহা দ্বারা (তার লজ্জাস্থানে) ঘর্ষণ করা হত, ঘর্ষণ করার পর সেই জীব প্রায় মারা যেত, তারপর সে বদ্ধ ঘর হতে বের হত। অতঃপর তার সম্মুখে উটের মল উপস্থিত করা হত সে উহাকে ছুড়ে মারত। তারপর যা ইচ্ছা খোশবু ইত্যাদি ব্যবহার করত। মালিক (র) বলেন : হিফশ حِفْشُ শব্দের অর্থ নিকৃষ্ট ঘর, تَفْتَضُّ -এর অর্থ উহাকে দেহের চামড়ায় ঘর্ষণ করত যেমন করাত।
قالت زينب وسمعت أمي أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم تقول جاءت امرأة إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله إن ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينيها أفتكحلهما فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا مرتين أو ثلاثا كل ذلك يقول لا ثم قال إنما هي { أربعة أشهر وعشرا }وقد كانت إحداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على رأس الحول قال حميد بن نافع فقلت لزينب وما ترمي بالبعرة على رأس الحول فقالت زينب كانت المرأة إذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا ولبست شر ثيابها ولم تمس طيبا ولا شيئا حتى تمر بها سنة ثم تؤتى بدابة حمار أو شاة أو طير فتفتض به فقلما تفتض بشيء إلا مات ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي بها ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب أو غيره ২২১৮-قال مالك والحفش البيت الرديء وتفتض تمسح به جلدها كالنشرة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪৭
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل على أم سلمة وهي حاد على أبي سلمة وقد جعلت على عينيها صبرا فقال ما هذا يا أم سلمة فقالت إنما هو صبر يا رسول الله قال اجعليه في الليل وامسحيه بالنهار. ২২২৬-قال مالك الإحداد على الصبية التي لم تبلغ المحيض كهيئته على التي قد بلغت المحيض تجتنب ما تجتنب المرأة البالغة إذا هلك عنها زوجها. ২২২৭-قال مالك تحد الأمة إذا توفي عنها زوجها شهرين وخمس ليال مثل عدتها. ২২২৮-قال مالك ليس على أم الولد إحداد إذا هلك عنها سيدها ولا على أمة يموت عنها سيدها إحداد وإنما الإحداد على ذوات الأزواج.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করলেন উম্মে সালমা (রা)-এর নিকট। তখন তিনি (তার পূর্ব স্বামী) আবূ সালাম (রা)-এর (মৃত্যুর) শোক পালন করছিলেন। তিনি চক্ষুতে সবির (এক প্রকার গাছের নির্যাস) লাগিয়েছিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালমাকে বললেন : ইহা কি? তিনি (উম্মে সালমা) বললেন : ইয়া রসূলুল্লাহ! ইহা সবির। তিনি (রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : ইহা রাত্রিতে ব্যবহার কর এবং দিনে মুছে ফেল। (যয়ীফ, আবূ দাঊদ ২৩০৫, নাসাঈ ৩৫৩৭, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ] সুনানে আবূ দাঊদ) মালিক (র) বলেন : যে কিশোরী বালেগা হয়নি, তার শোক পালন বালেগা মহিলার মতো হবে, তার স্বামীর মৃত্যু হলে বালেগা মহিলা যে সব হতে বিরত থাকবে সেও সেই সব (বস্তু বা কার্য) হতে বিরত থাকবে। মালিক (র) বলেন : বাঁদী তার স্বামীর মৃত্যু হলে তার ইদ্দতের মতো দুই মাস পাঁচ রাত্রি শোক পালন করিবে। মালিক (র) বলেন : উম্মে ওয়ালাদ এর কর্তার মৃত্যু হইলে তাহাকে শোক পালন করতে হবে না। বাঁদীর কর্তা মারা গেলে তার উপরও শোক পালন নাই। শোক পালন করবে তারা, যাদের স্বামীর মৃত্যু হয়েছে।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রবেশ করলেন উম্মে সালমা (রা)-এর নিকট। তখন তিনি (তার পূর্ব স্বামী) আবূ সালাম (রা)-এর (মৃত্যুর) শোক পালন করছিলেন। তিনি চক্ষুতে সবির (এক প্রকার গাছের নির্যাস) লাগিয়েছিলেন। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উম্মে সালমাকে বললেন : ইহা কি? তিনি (উম্মে সালমা) বললেন : ইয়া রসূলুল্লাহ! ইহা সবির। তিনি (রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : ইহা রাত্রিতে ব্যবহার কর এবং দিনে মুছে ফেল। (যয়ীফ, আবূ দাঊদ ২৩০৫, নাসাঈ ৩৫৩৭, আলবানী হাদীসটিকে যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ] সুনানে আবূ দাঊদ) মালিক (র) বলেন : যে কিশোরী বালেগা হয়নি, তার শোক পালন বালেগা মহিলার মতো হবে, তার স্বামীর মৃত্যু হলে বালেগা মহিলা যে সব হতে বিরত থাকবে সেও সেই সব (বস্তু বা কার্য) হতে বিরত থাকবে। মালিক (র) বলেন : বাঁদী তার স্বামীর মৃত্যু হলে তার ইদ্দতের মতো দুই মাস পাঁচ রাত্রি শোক পালন করিবে। মালিক (র) বলেন : উম্মে ওয়ালাদ এর কর্তার মৃত্যু হইলে তাহাকে শোক পালন করতে হবে না। বাঁদীর কর্তা মারা গেলে তার উপরও শোক পালন নাই। শোক পালন করবে তারা, যাদের স্বামীর মৃত্যু হয়েছে।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم دخل على أم سلمة وهي حاد على أبي سلمة وقد جعلت على عينيها صبرا فقال ما هذا يا أم سلمة فقالت إنما هو صبر يا رسول الله قال اجعليه في الليل وامسحيه بالنهار. ২২২৬-قال مالك الإحداد على الصبية التي لم تبلغ المحيض كهيئته على التي قد بلغت المحيض تجتنب ما تجتنب المرأة البالغة إذا هلك عنها زوجها. ২২২৭-قال مالك تحد الأمة إذا توفي عنها زوجها شهرين وخمس ليال مثل عدتها. ২২২৮-قال مالك ليس على أم الولد إحداد إذا هلك عنها سيدها ولا على أمة يموت عنها سيدها إحداد وإنما الإحداد على ذوات الأزواج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪৬
و حدثني عن مالك عن نافع أن صفية بنت أبي عبيد اشتكت عينيها وهي حاد على زوجها عبد الله بن عمر فلم تكتحل حتى كادت عيناها ترمصان ২২২৩-قال مالك تدهن المتوفى عنها زوجها بالزيت والشبرق وما أشبه ذلك إذا لم يكن فيه طيب ২২২৪-قال مالك ولا تلبس المرأة الحاد على زوجها شيئا من الحلي خاتما ولا خلخالا ولا غير ذلك من الحلي ولا تلبس شيئا من العصب إلا أن يكون عصبا غليظا ولا تلبس ثوبا مصبوغا بشيء من الصبغ إلا بالسواد ولا تمتشط إلا بالسدر وما أشبهه مما لا يختمر في رأسها.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
সফিয়্যা বিন্ত আবী উবাইদ-এর চক্ষুতে রোগ দেখা দিল। তিনি তখন তার স্বামী আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর মৃত্যুর শোক পালন করছিলেন। তার চক্ষু পীড়িত হয়ে চক্ষুদ্বয়ে ছানি পড়েছে তবুও তিনি সুরমা ব্যবহার করেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে স্ত্রীর স্বামী মারা গিয়েছে সে স্ত্রী ইদ্দতের সময় যায়তুন তৈল এবং এ জাতীয় অন্য তৈল, যাতে খোশবু নাই, ব্যবহার করতে পারবে। মালিক (র) বলেন : স্বামীর জন্য শোক পালনরতা স্ত্রী গহনা পরিধান করবে না, যেমন আংটি, পায়ের চুড়ি বা অন্য কোন গহনা এবং য়ামানী নামক বস্ত্রও পরিধান করবে না। যদি তা মোটা হয় তবে পরিধান করতে পারবে। কেবলমাত্র কাল রঙ ব্যতীত কোন প্রকার রঙ্গীন কাপড় পরিধান করবে না। কুল পাতা বা সেই জাতীয় বস্তু যাতে বর্ণ ও গন্ধ নাই এবং যা সুগন্ধিস্বরূপ ব্যবহৃত হয় না। তা ব্যতীত অন্য কোন দ্রব্য দ্বারা মাথা ধুবে না এবং চিরুনী ব্যবহার করবে না।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
সফিয়্যা বিন্ত আবী উবাইদ-এর চক্ষুতে রোগ দেখা দিল। তিনি তখন তার স্বামী আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর মৃত্যুর শোক পালন করছিলেন। তার চক্ষু পীড়িত হয়ে চক্ষুদ্বয়ে ছানি পড়েছে তবুও তিনি সুরমা ব্যবহার করেননি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে স্ত্রীর স্বামী মারা গিয়েছে সে স্ত্রী ইদ্দতের সময় যায়তুন তৈল এবং এ জাতীয় অন্য তৈল, যাতে খোশবু নাই, ব্যবহার করতে পারবে। মালিক (র) বলেন : স্বামীর জন্য শোক পালনরতা স্ত্রী গহনা পরিধান করবে না, যেমন আংটি, পায়ের চুড়ি বা অন্য কোন গহনা এবং য়ামানী নামক বস্ত্রও পরিধান করবে না। যদি তা মোটা হয় তবে পরিধান করতে পারবে। কেবলমাত্র কাল রঙ ব্যতীত কোন প্রকার রঙ্গীন কাপড় পরিধান করবে না। কুল পাতা বা সেই জাতীয় বস্তু যাতে বর্ণ ও গন্ধ নাই এবং যা সুগন্ধিস্বরূপ ব্যবহৃত হয় না। তা ব্যতীত অন্য কোন দ্রব্য দ্বারা মাথা ধুবে না এবং চিরুনী ব্যবহার করবে না।
و حدثني عن مالك عن نافع أن صفية بنت أبي عبيد اشتكت عينيها وهي حاد على زوجها عبد الله بن عمر فلم تكتحل حتى كادت عيناها ترمصان ২২২৩-قال مالك تدهن المتوفى عنها زوجها بالزيت والشبرق وما أشبه ذلك إذا لم يكن فيه طيب ২২২৪-قال مالك ولا تلبس المرأة الحاد على زوجها شيئا من الحلي خاتما ولا خلخالا ولا غير ذلك من الحلي ولا تلبس شيئا من العصب إلا أن يكون عصبا غليظا ولا تلبس ثوبا مصبوغا بشيء من الصبغ إلا بالسواد ولا تمتشط إلا بالسدر وما أشبهه مما لا يختمر في رأسها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৪৮
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول تجمع الحاد رأسها بالسدر والزيت.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার তাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রা) বলতেন : শোক পালনরতা স্ত্রী তার মাথার চুল কুলপতা ও তেল দ্বারা বাঁধতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার তাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রা) বলতেন : শোক পালনরতা স্ত্রী তার মাথার চুল কুলপতা ও তেল দ্বারা বাঁধতে পারবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم كانت تقول تجمع الحاد رأسها بالسدر والزيت.