মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফল বিক্রয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৩

قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من ابتاع شيئا من الفاكهة من رطبها أو يابسها فإنه لا يبيعه حتى يستوفيه ولا يباع شيء منها بعضه ببعض إلا يدا بيد وما كان منها مما ييبس فيصير فاكهة يابسة تدخر وتؤكل فلا يباع بعضه ببعض إلا يدا بيد ومثلا بمثل إذا كان من صنف واحد فإن كان من صنفين مختلفين فلا بأس بأن يباع منه اثنان بواحد يدا بيد ولا يصلح إلى أجل وما كان منها مما لا ييبس ولا يدخر وإنما يؤكل رطبا كهيئة البطيخ والقثاء والخربز والجزر والأترج والموز والرمان وما كان مثله وإن يبس لم يكن فاكهة بعد ذلك وليس هو مما يدخر ويكون فاكهة قال فأراه حقيقا أن يؤخذ منه من صنف واحد اثنان بواحد يدا بيد فإذا لم يدخل فيه شيء من الأجل فإنه لا بأس به.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এই বিষয়ে আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই, যে ব্যক্তি কোন ফল, তাজা হোক বা শুষ্ক হোক, ক্রয় করে, তবে উহাতে পূর্ণ কব্জা না করা পর্যন্ত উহা বিক্রয় করবে না। আর ফলের এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে নগদ ছাড়া বিক্রয় করবে না। আর যেই ফলকে শুকানো হয়, শুকিয়ে শুষ্ক ফল হিসেবে সঞ্চয় করে রাখা হয় এবং খাওয়া হয়- সেই সব ফলের এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে নগদ এবং সমপরিমাণ ছাড়া বিক্রয় করা যাবে না যদি একই জাতের হয়। তবে যদি পরস্পর ভিন্ন দুই জাতের ফল হয় তা হলে সেই ফলের একটির বিনিময়ে দুটি বিক্রয় করাতে নগদ হলে এতে কোন দোষ নেই। ধারে বিক্রয় করা জায়েয হবে না। আর যেই সব ফল শুকানো হয় না এবং সঞ্চয়ও করা হয় না বরং উহা তাজা খাওয়া হয়; যেমন তরমুজ, ক্ষিরাই, খরবুযা, লেবু, কলা, গাজর, আনার, আরও যা এই জাতীয় ফল আছে। এইসব ফল বেশি পাকলে (আহারযোগ্য) থাকে না এবং এইসব ফল শুষ্করূপে সঞ্চিতও রাখা হয় না। এই ফলের ব্যাপারে আমি এক জাতের হইলেও একের বিনিময়ে দুই গ্রহণ করা নগদ বৈধ বলে মনে করি, যদি ধারে না হয় তবে এতে কোন দোষ নেই।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

এই বিষয়ে আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই, যে ব্যক্তি কোন ফল, তাজা হোক বা শুষ্ক হোক, ক্রয় করে, তবে উহাতে পূর্ণ কব্জা না করা পর্যন্ত উহা বিক্রয় করবে না। আর ফলের এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে নগদ ছাড়া বিক্রয় করবে না। আর যেই ফলকে শুকানো হয়, শুকিয়ে শুষ্ক ফল হিসেবে সঞ্চয় করে রাখা হয় এবং খাওয়া হয়- সেই সব ফলের এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে নগদ এবং সমপরিমাণ ছাড়া বিক্রয় করা যাবে না যদি একই জাতের হয়। তবে যদি পরস্পর ভিন্ন দুই জাতের ফল হয় তা হলে সেই ফলের একটির বিনিময়ে দুটি বিক্রয় করাতে নগদ হলে এতে কোন দোষ নেই। ধারে বিক্রয় করা জায়েয হবে না। আর যেই সব ফল শুকানো হয় না এবং সঞ্চয়ও করা হয় না বরং উহা তাজা খাওয়া হয়; যেমন তরমুজ, ক্ষিরাই, খরবুযা, লেবু, কলা, গাজর, আনার, আরও যা এই জাতীয় ফল আছে। এইসব ফল বেশি পাকলে (আহারযোগ্য) থাকে না এবং এইসব ফল শুষ্করূপে সঞ্চিতও রাখা হয় না। এই ফলের ব্যাপারে আমি এক জাতের হইলেও একের বিনিময়ে দুই গ্রহণ করা নগদ বৈধ বলে মনে করি, যদি ধারে না হয় তবে এতে কোন দোষ নেই।

قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من ابتاع شيئا من الفاكهة من رطبها أو يابسها فإنه لا يبيعه حتى يستوفيه ولا يباع شيء منها بعضه ببعض إلا يدا بيد وما كان منها مما ييبس فيصير فاكهة يابسة تدخر وتؤكل فلا يباع بعضه ببعض إلا يدا بيد ومثلا بمثل إذا كان من صنف واحد فإن كان من صنفين مختلفين فلا بأس بأن يباع منه اثنان بواحد يدا بيد ولا يصلح إلى أجل وما كان منها مما لا ييبس ولا يدخر وإنما يؤكل رطبا كهيئة البطيخ والقثاء والخربز والجزر والأترج والموز والرمان وما كان مثله وإن يبس لم يكن فاكهة بعد ذلك وليس هو مما يدخر ويكون فاكهة قال فأراه حقيقا أن يؤخذ منه من صنف واحد اثنان بواحد يدا بيد فإذا لم يدخل فيه شيء من الأجل فإنه لا بأس به.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রৌপ্যের বিনিময়ে স্বর্ণ বিক্রয় প্রসঙ্গ মুদ্রা হোক, ঢালাইবিহীন রৌপ্য বা স্বর্ণ হোক

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৫

و حدثني عن مالك عن موسى بن أبي تميم عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم لا فضل بينهما.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- দীনারের বিনিময়ে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি ক্রয়-বিক্রয় চলবে না। (সহীহ, মুসলিম ১৫৮৮)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- দীনারের বিনিময়ে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি ক্রয়-বিক্রয় চলবে না। (সহীহ, মুসলিম ১৫৮৮)

و حدثني عن مالك عن موسى بن أبي تميم عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم لا فضل بينهما.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৮

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن جده مالك بن أبي عامر أن عثمان بن عفان قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تبيعوا الدينار بالدينارين ولا الدرهم بالدرهمين.

উসমান ইবন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তোমরা এক দীনারকে দুই দীনারের বিনিময়ে এবং এক দিরহামকে দুই দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করো না। (সহীহ, ইমাম মুসলিম অন্য মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৫৮৫, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটিতে ==== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)

উসমান ইবন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তোমরা এক দীনারকে দুই দীনারের বিনিময়ে এবং এক দিরহামকে দুই দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করো না। (সহীহ, ইমাম মুসলিম অন্য মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৫৮৫, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটিতে ==== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن جده مالك بن أبي عامر أن عثمان بن عفان قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تبيعوا الدينار بالدينارين ولا الدرهم بالدرهمين.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৪

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم السعدين أن يبيعا آنية من المغانم من ذهب أو فضة فباعا كل ثلاثة بأربعة عينا أو كل أربعة بثلاثة عينا فقال لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم أربيتما فردا.

ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় সা’দকে [১] গনীমতের স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যের বাসন [২] বিক্রয় করার নির্দেশ দিলেন। তাঁরা উভয়ে তিনটি বাসন চার দীনারের বিনিময়ে অথবা [রাবী বলেছেন] প্রতি চারটি বাসন তিন দীনারের বিনিময়ে বিক্রয় করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমরা সুদের ব্যবসা করেছ। তাই তোমরা ইহা ফিরিয়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় সা’দকে [১] গনীমতের স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যের বাসন [২] বিক্রয় করার নির্দেশ দিলেন। তাঁরা উভয়ে তিনটি বাসন চার দীনারের বিনিময়ে অথবা [রাবী বলেছেন] প্রতি চারটি বাসন তিন দীনারের বিনিময়ে বিক্রয় করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমরা সুদের ব্যবসা করেছ। তাই তোমরা ইহা ফিরিয়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم السعدين أن يبيعا آنية من المغانم من ذهب أو فضة فباعا كل ثلاثة بأربعة عينا أو كل أربعة بثلاثة عينا فقال لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم أربيتما فردا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৬

و حدثني عن مالك عن نافع عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا منها شيئا غائبا بناجز.

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, স্বর্ণকে স্বর্ণের বিনিময়ে সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না এবং স্বর্ণের এক অংশকে অন্য অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রয় করো না। (অনুরূপ) চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না এবং উহার এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রি করো না, আর উহা হতে নগদের বিনিময়ে বাকী বিক্রয় করো না। (বুখারী ২১৭৭, মুসলিম ১৫৮৪)

আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, স্বর্ণকে স্বর্ণের বিনিময়ে সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না এবং স্বর্ণের এক অংশকে অন্য অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রয় করো না। (অনুরূপ) চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না এবং উহার এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রি করো না, আর উহা হতে নগদের বিনিময়ে বাকী বিক্রয় করো না। (বুখারী ২১৭৭, মুসলিম ১৫৮৪)

و حدثني عن مالك عن نافع عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا منها شيئا غائبا بناجز.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৭

و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن مجاهد أنه قال كنت مع عبد الله بن عمر فجاءه صائغ فقال له يا أبا عبد الرحمن إني أصوغ الذهب ثم أبيع الشيء من ذلك بأكثر من وزنه فأستفضل من ذلك قدر عمل يدي فنهاه عبد الله عن ذلك فجعل الصائغ يردد عليه المسألة وعبد الله ينهاه حتى انتهى إلى باب المسجد أو إلى دابة يريد أن يركبها ثم قال عبد الله بن عمر الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم لا فضل بينهما هذا عهد نبينا إلينا وعهدنا إليكم.

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি (একবার) আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। একজন স্বর্ণকার তাঁর কাছে উপস্থিত হয়ে বলল- হে আবূ আবদির রহমান! আমি স্বর্ণে কারুকার্যের কাজ করি, অতঃপর উহার ওজনের চাইতে অধিক ওজনে বিক্রয় করি; এতে আমি শ্রম অনুযায়ী বাড়তি গ্রহণ করতে পারি কি? আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) তাকে নিষেধ করলেন। স্বর্ণকার এই মাসআলা তাঁর কাছে বারবার পেশ করছিল আর আবদুল্লাহ্ (রাঃ) তাকে নিষেধ করছিলেন। এইভাবে মসজিদের দ্বারপ্রান্তে কিংবা যে সওয়ারীতে আরোহণ করলেন উহার কাছে উপনীত হলেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) বললেন, দীনার দীনারের বিনিময়ে এবং দীরহাম দীরহামের বিনিময়ে, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি (ক্রয়-বিক্রয়) বৈধ নয়। ইহা আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওসীয়ত আমাদের প্রতি এবং আমাদের ওসীয়তও (ইহাই) তোমাদের প্রতি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি (একবার) আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। একজন স্বর্ণকার তাঁর কাছে উপস্থিত হয়ে বলল- হে আবূ আবদির রহমান! আমি স্বর্ণে কারুকার্যের কাজ করি, অতঃপর উহার ওজনের চাইতে অধিক ওজনে বিক্রয় করি; এতে আমি শ্রম অনুযায়ী বাড়তি গ্রহণ করতে পারি কি? আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) তাকে নিষেধ করলেন। স্বর্ণকার এই মাসআলা তাঁর কাছে বারবার পেশ করছিল আর আবদুল্লাহ্ (রাঃ) তাকে নিষেধ করছিলেন। এইভাবে মসজিদের দ্বারপ্রান্তে কিংবা যে সওয়ারীতে আরোহণ করলেন উহার কাছে উপনীত হলেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) বললেন, দীনার দীনারের বিনিময়ে এবং দীরহাম দীরহামের বিনিময়ে, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি (ক্রয়-বিক্রয়) বৈধ নয়। ইহা আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওসীয়ত আমাদের প্রতি এবং আমাদের ওসীয়তও (ইহাই) তোমাদের প্রতি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن مجاهد أنه قال كنت مع عبد الله بن عمر فجاءه صائغ فقال له يا أبا عبد الرحمن إني أصوغ الذهب ثم أبيع الشيء من ذلك بأكثر من وزنه فأستفضل من ذلك قدر عمل يدي فنهاه عبد الله عن ذلك فجعل الصائغ يردد عليه المسألة وعبد الله ينهاه حتى انتهى إلى باب المسجد أو إلى دابة يريد أن يركبها ثم قال عبد الله بن عمر الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم لا فضل بينهما هذا عهد نبينا إلينا وعهدنا إليكم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৯

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن معاوية بن أبي سفيان باع سقاية من ذهب أو ورق بأكثر من وزنها فقال أبو الدرداء سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن مثل هذا إلا مثلا بمثل فقال له معاوية ما أرى بمثل هذا بأسا فقال أبو الدرداء من يعذرني من معاوية أنا أخبره عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ويخبرني عن رأيه لا أساكنك بأرض أنت بها ثم قدم أبو الدرداء على عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فكتب عمر بن الخطاب إلى معاوية أن لا تبيع ذلك إلا مثلا بمثل وزنا بوزن.

আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ থেকে বর্নিতঃ

মু’আবিয়া ইবন আবী সুফিয়ান (রাঃ) স্বর্ণ কিংবা চাঁদির একটি পানপাত্র [সিকায়া] ক্রয় করেছিলেন উহার চাইতে অধিক ওজনের (স্বর্ণ বা চাঁদির) বিনিময়ে। আবুদ্দর্দা (রাঃ) তাকে [উদ্দেশ্য করে] বললেন- আমি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এইরূপ (কার্য) হতে নিষেধ করতে শুনেছি। কিন্তু যদি সমান সমান হয় [তবে উহা বৈধ হবে] মু’আবিয়া (রাঃ) বললেন- আমি এইরূপ কার্যে কোন দোষ মনে করি না, আবুদ্দর্দা (রাঃ) বললেন- [মু’আবিয়ার ব্যাপারে] আমাকে কে মদদ করবে? আমি তাঁকে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসের সংবাদ দিতেছি আর তিনি আমার কাছে তাঁর মত বর্ণনা করছেন। (হে মু’আবিয়া) তুমি যেই স্থানে বসবাস কর, সেই স্থানে আমি তোমার সাথে বসবাস করব না। তারপর আবুদ্দর্দা (রাঃ) উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আগমন করলেন এবং তার নিকট ঘটনা বর্ণনা করলেন। তারপর উমার (রাঃ) মু’আবিয়ার নিকট লিখলেন- এইরূপ বিক্রয় করবেন না, কিন্তু যদি সমান সমান হয় এবং একই পরিমাণের হয় (তবে বিক্রয় করা বৈধ হবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ থেকে বর্নিতঃ

মু’আবিয়া ইবন আবী সুফিয়ান (রাঃ) স্বর্ণ কিংবা চাঁদির একটি পানপাত্র [সিকায়া] ক্রয় করেছিলেন উহার চাইতে অধিক ওজনের (স্বর্ণ বা চাঁদির) বিনিময়ে। আবুদ্দর্দা (রাঃ) তাকে [উদ্দেশ্য করে] বললেন- আমি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এইরূপ (কার্য) হতে নিষেধ করতে শুনেছি। কিন্তু যদি সমান সমান হয় [তবে উহা বৈধ হবে] মু’আবিয়া (রাঃ) বললেন- আমি এইরূপ কার্যে কোন দোষ মনে করি না, আবুদ্দর্দা (রাঃ) বললেন- [মু’আবিয়ার ব্যাপারে] আমাকে কে মদদ করবে? আমি তাঁকে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসের সংবাদ দিতেছি আর তিনি আমার কাছে তাঁর মত বর্ণনা করছেন। (হে মু’আবিয়া) তুমি যেই স্থানে বসবাস কর, সেই স্থানে আমি তোমার সাথে বসবাস করব না। তারপর আবুদ্দর্দা (রাঃ) উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আগমন করলেন এবং তার নিকট ঘটনা বর্ণনা করলেন। তারপর উমার (রাঃ) মু’আবিয়ার নিকট লিখলেন- এইরূপ বিক্রয় করবেন না, কিন্তু যদি সমান সমান হয় এবং একই পরিমাণের হয় (তবে বিক্রয় করা বৈধ হবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن معاوية بن أبي سفيان باع سقاية من ذهب أو ورق بأكثر من وزنها فقال أبو الدرداء سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن مثل هذا إلا مثلا بمثل فقال له معاوية ما أرى بمثل هذا بأسا فقال أبو الدرداء من يعذرني من معاوية أنا أخبره عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ويخبرني عن رأيه لا أساكنك بأرض أنت بها ثم قدم أبو الدرداء على عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فكتب عمر بن الخطاب إلى معاوية أن لا تبيع ذلك إلا مثلا بمثل وزنا بوزن.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০০

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال: لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالذهب أحدهما غائب والآخر ناجز وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره إني أخاف عليكم الرماء والرماء هو الربا.

আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন- স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। এবং একটিকে অপরটির উপর বৃদ্ধি করে বিক্রয় করো না। আর চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। উহার এক অংশকে অপর অংশের উপর বাড়তি করে বিক্রয় করো না আর স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করো না যে দুটির একটি অনুপস্থিত, আর অপরটি বর্তমানে মজুদ রয়েছে। (কব্জা করার পূর্বে) যদি মহাজন তার গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্তের জন্য সময় চায় তবে সেই সময়ও তাকে দিও না। আমি তোমাদের বেলায় রামা’-এর আশঙ্কা করি। রামা’ হচ্ছে সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন- স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। এবং একটিকে অপরটির উপর বৃদ্ধি করে বিক্রয় করো না। আর চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। উহার এক অংশকে অপর অংশের উপর বাড়তি করে বিক্রয় করো না আর স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করো না যে দুটির একটি অনুপস্থিত, আর অপরটি বর্তমানে মজুদ রয়েছে। (কব্জা করার পূর্বে) যদি মহাজন তার গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্তের জন্য সময় চায় তবে সেই সময়ও তাকে দিও না। আমি তোমাদের বেলায় রামা’-এর আশঙ্কা করি। রামা’ হচ্ছে সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال: لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالذهب أحدهما غائب والآخر ناجز وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره إني أخاف عليكم الرماء والرماء هو الربا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০২

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن القاسم بن محمد أنه قال قال عمر بن الخطاب الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم والصاع بالصاع ولا يباع كالئ بناجز.

উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ক্রয়-বিক্রয় হবে) দীনার দীনারের বিনিময়ে, দিরহাম দিরহামের বিনিময়ে, সা’ সা’র বিনিময়ে আর নগদকে ধারের বিনিময়ে বিক্রয় করা যাবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

(ক্রয়-বিক্রয় হবে) দীনার দীনারের বিনিময়ে, দিরহাম দিরহামের বিনিময়ে, সা’ সা’র বিনিময়ে আর নগদকে ধারের বিনিময়ে বিক্রয় করা যাবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن القاسم بن محمد أنه قال قال عمر بن الخطاب الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم والصاع بالصاع ولا يباع كالئ بناجز.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০১

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال: لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا شيئا منها غائبا بناجز وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره إني أخاف عليكم الرماء والرماء هو الربا.

আবদুল্লাহ্ ইবন দিনার (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন- স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না, এবং একটিকে অপরটির উপর বৃদ্ধি করে বিক্রয় করো না। আর চাঁদির সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। উহার এক অংশকে অপর অংশের উপর বাড়তি করে বিক্রয় করো না। আর স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করো না, যে দুটির একটি অনুপস্থিত, আর অপরটি বর্তমানে মওজুদ রয়েছে। (কব্জা করার পূর্বে) যদি মহাজন তার গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্তের জন্য সময় চায় তবে সেই সময়ও তাকে দিও না। আমি তোমাদের বেলায় রামা-এর আশঙ্কা করি। রামা’ হচ্ছে সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবন দিনার (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন- স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না, এবং একটিকে অপরটির উপর বৃদ্ধি করে বিক্রয় করো না। আর চাঁদির সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। উহার এক অংশকে অপর অংশের উপর বাড়তি করে বিক্রয় করো না। আর স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করো না, যে দুটির একটি অনুপস্থিত, আর অপরটি বর্তমানে মওজুদ রয়েছে। (কব্জা করার পূর্বে) যদি মহাজন তার গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্তের জন্য সময় চায় তবে সেই সময়ও তাকে দিও না। আমি তোমাদের বেলায় রামা-এর আশঙ্কা করি। রামা’ হচ্ছে সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال: لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا شيئا منها غائبا بناجز وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره إني أخاف عليكم الرماء والرماء هو الربا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০৩

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول لا ربا إلا في ذهب أو في فضة أو ما يكال أو يوزن بما يؤكل أو يشرب.

আবু যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন- সুদ হয় কেবলমাত্র স্বর্ণে, চাঁদিতে অথবা যেসব দ্রব্য পাত্র দ্বারা পরিমাপ করা হয় কিংবা ওজন করা হয় পানীয় বা খাদ্যদ্রব্য হতে সেসব দ্রব্যে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবু যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন- সুদ হয় কেবলমাত্র স্বর্ণে, চাঁদিতে অথবা যেসব দ্রব্য পাত্র দ্বারা পরিমাপ করা হয় কিংবা ওজন করা হয় পানীয় বা খাদ্যদ্রব্য হতে সেসব দ্রব্যে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول لا ربا إلا في ذهب أو في فضة أو ما يكال أو يوزن بما يؤكل أو يشرب.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০৪

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول قطع الذهب والورق من الفساد في الأرض، قال مالك ولا بأس أن يشتري الرجل الذهب بالفضة والفضة بالذهب جزافا إذا كان تبرا أو حليا قد صيغ فأما الدراهم المعدودة والدنانير المعدودة فلا ينبغي لأحد أن يشتري شيئا من ذلك. جزافا حتى يعلم ويعد فإن اشتري ذلك جزافا فإنما يراد به الغرر حين يترك عده ويشترى جزافا وليس هذا من بيوع المسلمين فأما ما كان يوزن من التبر والحلي فلا بأس أن يباع ذلك جزافا وإنما ابتياع ذلك جزافا كهيئة الحنطة والتمر ونحوهما من الأطعمة التي تباع جزافا ومثلها يكال فليس بابتياع ذلك جزافا بأس قال مالك من اشترى مصحفا أو سيفا أو خاتما وفي شيء من ذلك ذهب أو فضة بدنانير أو دراهم فإن ما اشتري من ذلك وفيه الذهب بدنانير فإنه ينظر إلى قيمته فإن كانت قيمة ذلك الثلثين وقيمة ما فيه من الذهب الثلث فذلك جائز لا بأس به إذا كان ذلك يدا بيد ولا يكون فيه تأخير وما اشتري من ذلك بالورق مما فيه الورق نظر إلى قيمته فإن كان قيمة ذلك الثلثين وقيمة ما فيه من الورق الثلث فذلك جائز لا بأس به إذا كان ذلك يدا بيد ولم يزل ذلك من أمر الناس عندنا

ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’ঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন স্বর্ণ এবং চাঁদিকে কর্তন করা ধরাপৃষ্ঠে ফ্যাসাদ সৃষ্টির অন্তর্ভূক্ত। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ চাঁদির বিনিময়ে স্বর্ণ এবং স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি অনুমান করে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই, যদি ঢালাইবিহীন স্বর্ণ বা তৈরি গহনা হয়। অবশ্য গণনাযোগ্য দিরহাম বা দীনার হলে সেইসবকে অনুমান করে ক্রয় করা কারো পক্ষে বৈধ নয়। যতক্ষণ যাবত উহার সংখ্যা জানা না যায় এবং উহাকে গণনা করা না হয়। উহাকে অনুমান করে ক্রয় করলে, উহার লক্ষ্য হবে প্রতারণা যখন গণনা করা হল না এবং অনুমান করে ক্রয় করা হইল। এটা মুসলমানদের ক্রয়-বিক্রয়ের অন্তভুক্ত নয়। আর ঢালাইবিহীন স্বর্ণ বা চাঁদি এবং (তৈরি) গহনা যেসব ওজনে বিক্রয় হয় সেই সবকে অনুমান করে বিক্রয় করাতে দোষ নেই। এইসবকে অনুমানে বিক্রয় করা এইরূপ যেমন গম, খুর্মা এবং উহাদের মতো অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যাকে কেউ অনুমান করে বিক্রয় করে যদি উহা ওজন করে বিক্রয় করার মতো দ্রব্য হয়। তাই এইরূপ দ্রব্য অনুমান করে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বর্ণখচিত কুরআন অথবা তলোয়ার অথবা আঙ্গুরীয়কে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করেছে। স্বর্ণখচিত যে বস্তু দীনারের বিনিময়ে ক্রয় করল সে বস্তুর মূল্যের প্রতি লক্ষ্য করতে হবে, যদি উক্ত বস্তুর মূল্য দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) হয় এবং উহাতে লাগানো স্বর্ণের মূল্য হয় এক-তৃতীয়াংশ (১/৩) তবে উহা বৈধ হবে। এতে কোন দোষ নেই যদি নগদ আদান-প্রদান হয়। আমাদের শহরের লোকের মধ্যে এই নিয়মই প্রচলিত আছে।

ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সা’ঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন স্বর্ণ এবং চাঁদিকে কর্তন করা ধরাপৃষ্ঠে ফ্যাসাদ সৃষ্টির অন্তর্ভূক্ত। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ চাঁদির বিনিময়ে স্বর্ণ এবং স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি অনুমান করে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই, যদি ঢালাইবিহীন স্বর্ণ বা তৈরি গহনা হয়। অবশ্য গণনাযোগ্য দিরহাম বা দীনার হলে সেইসবকে অনুমান করে ক্রয় করা কারো পক্ষে বৈধ নয়। যতক্ষণ যাবত উহার সংখ্যা জানা না যায় এবং উহাকে গণনা করা না হয়। উহাকে অনুমান করে ক্রয় করলে, উহার লক্ষ্য হবে প্রতারণা যখন গণনা করা হল না এবং অনুমান করে ক্রয় করা হইল। এটা মুসলমানদের ক্রয়-বিক্রয়ের অন্তভুক্ত নয়। আর ঢালাইবিহীন স্বর্ণ বা চাঁদি এবং (তৈরি) গহনা যেসব ওজনে বিক্রয় হয় সেই সবকে অনুমান করে বিক্রয় করাতে দোষ নেই। এইসবকে অনুমানে বিক্রয় করা এইরূপ যেমন গম, খুর্মা এবং উহাদের মতো অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যাকে কেউ অনুমান করে বিক্রয় করে যদি উহা ওজন করে বিক্রয় করার মতো দ্রব্য হয়। তাই এইরূপ দ্রব্য অনুমান করে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বর্ণখচিত কুরআন অথবা তলোয়ার অথবা আঙ্গুরীয়কে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করেছে। স্বর্ণখচিত যে বস্তু দীনারের বিনিময়ে ক্রয় করল সে বস্তুর মূল্যের প্রতি লক্ষ্য করতে হবে, যদি উক্ত বস্তুর মূল্য দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) হয় এবং উহাতে লাগানো স্বর্ণের মূল্য হয় এক-তৃতীয়াংশ (১/৩) তবে উহা বৈধ হবে। এতে কোন দোষ নেই যদি নগদ আদান-প্রদান হয়। আমাদের শহরের লোকের মধ্যে এই নিয়মই প্রচলিত আছে।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول قطع الذهب والورق من الفساد في الأرض، قال مالك ولا بأس أن يشتري الرجل الذهب بالفضة والفضة بالذهب جزافا إذا كان تبرا أو حليا قد صيغ فأما الدراهم المعدودة والدنانير المعدودة فلا ينبغي لأحد أن يشتري شيئا من ذلك. جزافا حتى يعلم ويعد فإن اشتري ذلك جزافا فإنما يراد به الغرر حين يترك عده ويشترى جزافا وليس هذا من بيوع المسلمين فأما ما كان يوزن من التبر والحلي فلا بأس أن يباع ذلك جزافا وإنما ابتياع ذلك جزافا كهيئة الحنطة والتمر ونحوهما من الأطعمة التي تباع جزافا ومثلها يكال فليس بابتياع ذلك جزافا بأس قال مالك من اشترى مصحفا أو سيفا أو خاتما وفي شيء من ذلك ذهب أو فضة بدنانير أو دراهم فإن ما اشتري من ذلك وفيه الذهب بدنانير فإنه ينظر إلى قيمته فإن كانت قيمة ذلك الثلثين وقيمة ما فيه من الذهب الثلث فذلك جائز لا بأس به إذا كان ذلك يدا بيد ولا يكون فيه تأخير وما اشتري من ذلك بالورق مما فيه الورق نظر إلى قيمته فإن كان قيمة ذلك الثلثين وقيمة ما فيه من الورق الثلث فذلك جائز لا بأس به إذا كان ذلك يدا بيد ولم يزل ذلك من أمر الناس عندنا


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্বর্ণ-চাঁদির ক্রয়-বিক্রয় যথাক্রমে চাঁদি ও স্বর্ণের বিনিময়ে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০৫

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن مالك بن أوس بن الحدثان النصري أنه التمس صرفا بمائة دينار قال فدعاني طلحة بن عبيد الله فتراوضنا حتى اصطرف مني وأخذ الذهب يقلبها في يده ثم قال حتى يأتيني خازني من الغابة وعمر بن الخطاب يسمع فقال عمر والله لا تفارقه حتى تأخذ منه ثم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الذهب بالورق ربا إلا هاء وهاء والبر بالبر ربا إلا هاء وهاء والتمر بالتمر ربا إلا هاء وهاء والشعير بالشعير ربا إلا هاء وهاء. قال مالك إذا اصطرف الرجل دراهم بدنانير ثم وجد فيها درهما زائفا فأراد رده انتقض صرف الدينار ورد إليه ورقه وأخذ إليه ديناره وتفسير ما كره من ذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الذهب بالورق ربا إلا هاء وهاء وقال عمر بن الخطاب وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره وهو إذا رد عليه درهما من صرف بعد أن يفارقه كان بمنزلة الدين أو الشيء المتأخر فلذلك كره ذلك وانتقض الصرف وإنما أراد عمر بن الخطاب أن لا يباع الذهب والورق والطعام كله عاجلا بآجل فإنه لا ينبغي أن يكون في شيء من ذلك تأخير ولا نظرة وإن كان من صنف واحد أو كان مختلفة أصنافه.

মালিক ইবন আওস ইবনু হাদাসান নাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একশত দীনারের পরিবর্তে দিরহাম সন্ধান করতেন। তিনি বলেনঃ (এটা শুনে) তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) আমাকে ডাকলেন। আমরা উভয়ে এই বিষয়ে পরস্পর কথাবার্তা বললাম, (এমনকি) তিনি আমার নিকট হতে দীনার গ্রহণ করলেন, [উহার পরিবর্তে দিরহাম দেওয়ার জন্য] এবং দীনার হাতে নিয়ে উহাকে উলট-পালট করতে লাগলেন। অতঃপর বললেন- (অপেক্ষা করুন) আমার খাজাঞ্চী গাবা নামক স্থান হতে আসুক। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) এটা শুনছিলেন, তিনি বললেন, না, (এইরূপ করো না) আল্লাহর কসম! তুমি তা [তালহা (রহঃ)] হতে পৃথক হইও না যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁর নিকট হতে দিরহাম গ্রহণ না কর। তারপর বললেন- রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- চাঁদির বিনিময়ে স্বর্ণ (গ্রহণ করা সুদের অন্তর্ভুক্ত) অবশ্য যদি উভয়ে নগদ আদান-প্রদান করে। গমের বিনিময়ে গম (ক্রয়-বিক্রয় সুদের অন্তর্ভুক্ত হবে) কিন্তু যদি নগদ আদান-প্রদান করে। খুর্মার পরিবর্তে খুর্মা (ক্রয়-বিক্রয় সুদ হবে) অবশ্য যদি নগদ আদান-প্রদান করে। যবের বিনিময়ে যব (ক্রয়-বিক্রয় সুদে গণ্য হবে), কিন্তু নগদ আদান-প্রদান করে। লবণের বিনিময়ে লবণ (ক্রয়-বিক্রয় সুদ হবে)। অবশ্য যদি উভয়ে নগদ আদান-প্রদান করে (তবে বৈধ হবে)। (বুখারী ২১৭৪, মুসলিম ১৫৮৬) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি দীনারকে বদলাইল দিরহাম দ্বারা, অতঃপর সে উহাতে একটি দোষযুক্ত দিরহাম পেল, যখন সেই দিরহাম ফেরত দিল তখন দীনারের বদলানোর ব্যাপারটি ভঙ্গ হয়ে গেল। (এখন তার কর্তব্য হল) সে চাঁদি ফেরত দিবে (চাঁদির মালিককে) এবং তার নিকট হতে নিজের দীনার ফেরত গ্রহণ করবে। এর ব্যাখ্যা হচ্ছে এই, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, চাঁদির বিনিময়ে স্বর্ণ (গ্রহণ করা) সুদ হবে, অবশ্য (বৈধ হবে) যদি নগদ আদান-প্রদান করে। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেনঃ যদি (অপর পক্ষ) গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্ত তোমার নিকট সময় চায়, তবে তুমি তাকে সময় দিও না। বদলানো দিরহাম হতে দিরহামওয়ালার নিকট হতে আলাদা হওয়ার পর এক দিরহামও যদি রদ করা হয় তবে ইহা ঋণ বা পরবর্তী বস্তুর মতো হবে। এই জন্যই ইহা অবৈধ হয়েছে এবং বিনিময়ে ব্যবসা ভঙ্গ হয়ে গিয়েছে। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) ইচ্ছা করেছেন যে, স্বর্ণ, চাঁদি ও খাদ্যশস্য এইসবের মধ্যে ধারের বিনিময়ে নগদ যেন বিক্রয় করা না হয়। কারণ এইসবের মধ্যে বিলম্ব ও সময় দান বৈধ নয়; এক জাতের হোক কিংবা বিভিন্ন জাতের বস্তু হোক।

মালিক ইবন আওস ইবনু হাদাসান নাসরী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি একশত দীনারের পরিবর্তে দিরহাম সন্ধান করতেন। তিনি বলেনঃ (এটা শুনে) তালহা ইবন উবায়দুল্লাহ্ (রহঃ) আমাকে ডাকলেন। আমরা উভয়ে এই বিষয়ে পরস্পর কথাবার্তা বললাম, (এমনকি) তিনি আমার নিকট হতে দীনার গ্রহণ করলেন, [উহার পরিবর্তে দিরহাম দেওয়ার জন্য] এবং দীনার হাতে নিয়ে উহাকে উলট-পালট করতে লাগলেন। অতঃপর বললেন- (অপেক্ষা করুন) আমার খাজাঞ্চী গাবা নামক স্থান হতে আসুক। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) এটা শুনছিলেন, তিনি বললেন, না, (এইরূপ করো না) আল্লাহর কসম! তুমি তা [তালহা (রহঃ)] হতে পৃথক হইও না যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁর নিকট হতে দিরহাম গ্রহণ না কর। তারপর বললেন- রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- চাঁদির বিনিময়ে স্বর্ণ (গ্রহণ করা সুদের অন্তর্ভুক্ত) অবশ্য যদি উভয়ে নগদ আদান-প্রদান করে। গমের বিনিময়ে গম (ক্রয়-বিক্রয় সুদের অন্তর্ভুক্ত হবে) কিন্তু যদি নগদ আদান-প্রদান করে। খুর্মার পরিবর্তে খুর্মা (ক্রয়-বিক্রয় সুদ হবে) অবশ্য যদি নগদ আদান-প্রদান করে। যবের বিনিময়ে যব (ক্রয়-বিক্রয় সুদে গণ্য হবে), কিন্তু নগদ আদান-প্রদান করে। লবণের বিনিময়ে লবণ (ক্রয়-বিক্রয় সুদ হবে)। অবশ্য যদি উভয়ে নগদ আদান-প্রদান করে (তবে বৈধ হবে)। (বুখারী ২১৭৪, মুসলিম ১৫৮৬) মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি দীনারকে বদলাইল দিরহাম দ্বারা, অতঃপর সে উহাতে একটি দোষযুক্ত দিরহাম পেল, যখন সেই দিরহাম ফেরত দিল তখন দীনারের বদলানোর ব্যাপারটি ভঙ্গ হয়ে গেল। (এখন তার কর্তব্য হল) সে চাঁদি ফেরত দিবে (চাঁদির মালিককে) এবং তার নিকট হতে নিজের দীনার ফেরত গ্রহণ করবে। এর ব্যাখ্যা হচ্ছে এই, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, চাঁদির বিনিময়ে স্বর্ণ (গ্রহণ করা) সুদ হবে, অবশ্য (বৈধ হবে) যদি নগদ আদান-প্রদান করে। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেনঃ যদি (অপর পক্ষ) গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্ত তোমার নিকট সময় চায়, তবে তুমি তাকে সময় দিও না। বদলানো দিরহাম হতে দিরহামওয়ালার নিকট হতে আলাদা হওয়ার পর এক দিরহামও যদি রদ করা হয় তবে ইহা ঋণ বা পরবর্তী বস্তুর মতো হবে। এই জন্যই ইহা অবৈধ হয়েছে এবং বিনিময়ে ব্যবসা ভঙ্গ হয়ে গিয়েছে। উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) ইচ্ছা করেছেন যে, স্বর্ণ, চাঁদি ও খাদ্যশস্য এইসবের মধ্যে ধারের বিনিময়ে নগদ যেন বিক্রয় করা না হয়। কারণ এইসবের মধ্যে বিলম্ব ও সময় দান বৈধ নয়; এক জাতের হোক কিংবা বিভিন্ন জাতের বস্তু হোক।

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن مالك بن أوس بن الحدثان النصري أنه التمس صرفا بمائة دينار قال فدعاني طلحة بن عبيد الله فتراوضنا حتى اصطرف مني وأخذ الذهب يقلبها في يده ثم قال حتى يأتيني خازني من الغابة وعمر بن الخطاب يسمع فقال عمر والله لا تفارقه حتى تأخذ منه ثم قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم الذهب بالورق ربا إلا هاء وهاء والبر بالبر ربا إلا هاء وهاء والتمر بالتمر ربا إلا هاء وهاء والشعير بالشعير ربا إلا هاء وهاء. قال مالك إذا اصطرف الرجل دراهم بدنانير ثم وجد فيها درهما زائفا فأراد رده انتقض صرف الدينار ورد إليه ورقه وأخذ إليه ديناره وتفسير ما كره من ذلك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الذهب بالورق ربا إلا هاء وهاء وقال عمر بن الخطاب وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره وهو إذا رد عليه درهما من صرف بعد أن يفارقه كان بمنزلة الدين أو الشيء المتأخر فلذلك كره ذلك وانتقض الصرف وإنما أراد عمر بن الخطاب أن لا يباع الذهب والورق والطعام كله عاجلا بآجل فإنه لا ينبغي أن يكون في شيء من ذلك تأخير ولا نظرة وإن كان من صنف واحد أو كان مختلفة أصنافه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুরাতালা’[১]র বিধান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০৬

حدثني يحيى عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي أنه رأى سعيد بن المسيب يراطل الذهب بالذهب فيفرغ ذهبه في كفة الميزان ويفرغ صاحبه الذي يراطله ذهبه في كفة الميزان الأخرى فإذا اعتدل لسان الميزان أخذ وأعطـى ২৩৪৯-قال مالك الأمر عندنا في بيع الذهب بالذهب والورق بالورق مراطلة أنه لا بأس بذلك أن يأخذ أحد عشر دينارا بعشرة دنانير يدا بيد إذا كان وزن الذهبين سواء عينا بعين وإن تفاضل العدد والدراهم أيضا في ذلك بمنزلة الدنانير. قال مالك من راطل ذهبا بذهب أو ورقا بورق فكان بين الذهبين فضل مثقال فأعطى صاحبه قيمته من الورق أو من غيرها فلا يأخذه فإن ذلك قبيح وذريعة إلى الربا لأنه إذا جاز له أن يأخذ المثقال بقيمته حتى كأنه اشتراه على حدته جاز له أن يأخذ المثقال بقيمته مرارا لأن يجيز ذلك البيع بينه وبين صاحبه. قال مالك ولو أنه باعه ذلك المثقال مفردا ليس معه غيره لم يأخذه بعشر الثمن الذي أخذه به لأن يجوز له البيع فذلك الذريعة إلى إحلال الحرام والأمر المنهي عنه. قال مالك في الرجل يراطل الرجل ويعطيه الذهب العتق الجياد ويجعل معها تبرا ذهبا غير جيدة ويأخذ من صاحبه ذهبا كوفية مقطعة وتلك الكوفية مكروهة عند الناس فيتبايعان ذلك مثلا بمثل إن ذلك لا يصلح قال مالك وتفسير ما كره من ذلك أن صاحب الذهب الجياد أخذ فضل عيون ذهبه في التبر الذي طرح مع ذهبه ولولا فضل ذهبه على ذهب صاحبه لم يراطله صاحبه بتبره ذلك إلى ذهبه الكوفية فامتنع وإنما مثل ذلك كمثل رجل أراد أن يبتاع ثلاثة أصوع من تمر عجوة بصاعين ومد من تمر كبيس فقيل له هذا لا يصلح فجعل صاعين من كبيس وصاعا من حشف يريد أن يجيز بذلك بيعه فذلك لا يصلح لأنه لم يكن صاحب العجوة ليعطيه صاعا من العجوة بصاع من حشف ولكنه إنما أعطاه ذلك لفضل الكبيس أو أن يقول الرجل للرجل بعني ثلاثة أصوع من البيضاء بصاعين ونصف من حنطة شامية فيقول هذا لا يصلح إلا مثلا بمثل فيجعل صاعين من حنطة شامية وصاعا من شعير يريد أن يجيز بذلك البيع فيما بينهما فهذا لا يصلح لأنه لم يكن ليعطيه بصاع من شعير صاعا من حنطة بيضاء لو كان ذلك الصاع مفردا وإنما أعطاه إياه لفضل الشامية على البيضاء فهذا لا يصلح وهو مثل ما وصفنا من التبر قال مالك فكل شيء من الذهب والورق والطعام كله الذي لا ينبغي أن يباع إلا مثلا بمثل فلا ينبغي أن يجعل مع الصنف الجيد من المرغوب فيه الشيء الرديء المسخوط ليجاز البيع وليستحل بذلك ما نهي عنه من الأمر الذي لا يصلح إذا جعل ذلك مع الصنف المرغوب فيه وإنما يريد صاحب ذلك أن يدرك بذلك فضل جودة ما يبيع فيعطي الشيء الذي لو أعطاه وحده لم يقبله صاحبه ولم يهمم بذلك وإنما يقبله من أجل الذي يأخذ معه لفضل سلعة صاحبه على سلعته فلا ينبغي لشيء من الذهب والورق والطعام أن يدخله شيء من هذه الصفة فإن أراد صاحب الطعام الرديء أن يبيعه بغيره فليبعه على حدته ولا يجعل مع ذلك شيئا فلا بأس به إذا كان كذلك

ইয়াযিদ ইবন আবদিল্লাহ্ ইবন কুসাইত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণের মুরাতালা করতে দেখেছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লার এক হাতে স্বর্ণ ঢালতেন, তার সাথে মুরাতালাকারী অপর পক্ষ তার স্বর্ণ ঢালতেন পাল্লার অপর হাতে। পাল্লার কাঁটা বরাবর হলে (পাল্লার এক হাত হতে) তিনি গ্রহণ করতেন এবং (অপর হাত হতে) সাথীকে দিতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসাআলা এই, ওজন করে স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ এবং চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। যদিও বা নগদ দশ দীনারের বিনিময়ে এগার দীনার গ্রহণ করা হয়। উভয় স্বর্ণের ওজন সমপরিমাণ হলে। মুদ্রার বিনিময়ে মুদ্রা। (ওজন করে বিক্রয় করা বৈধ) সংখ্যায় যদিও বাড়তি হয়। এই ব্যাপারে দিরহামও দীনারের মতো। [২] মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণের মুরাতালা করেছে কিংবা চাঁদির বিনিময়ে চাঁদির মুরাতালা করেছে, উভয় স্বর্ণের মধ্যে একটিতে এক মিসকাল (স্বর্ণ) বাড়তি রয়েছে [৩], অতঃপর তার সাথী (যার অংশের স্বর্ণ ওজনে কম) চাঁদি অথবা অন্য বস্তুর দ্বারা উহার মূল্য আদায় করল। তবে সে (বর্ধিত স্বর্ণের মালিক) এই মূল্য কবুল করবে না। কারণ এটা ভাল নয় এবং এটা সুদের উসীলা মাত্র। কারণ (অতিরিক্ত) এক মিসকাল যদি উহার মূল্য আদায় করে গ্রহণ করা তার জন্য জায়েয হয়, তবে সে যেন এই এক মিসকাল স্বর্ণ পৃথকভাবে (নূতন) খরিদ করল। এইরূপে এক মিসকালকে উহার মূল্য আদায় করে কয়েকবার গ্রহণ করা হল। এইভাবে সেও তার সাথীর [৪] মধ্যে বিক্রয়কে জায়েয করার জন্য [এটা করা হল]। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি সেই ব্যক্তি [যে বর্ধিত এক মিসকাল বিক্রয় করল] সেই মিসকাল [৫] বিক্রয় করে পৃথকভাবে, যার সাথে অন্য কিছু না থাকে তা হলে (ক্রেতা) বিক্রয়কে হালাল করবার উদ্দেশ্যে যেই মূল্যে সে উহা ক্রয় করেছে সেই মূল্য ব্যতীত অন্য মূল্যে সে উহা ক্রয় করবে না, এটা হচ্ছে হারামকে হালাল করার একটি পন্থা বটে। আর এটা নিষিদ্ধ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির সাথে মুরাতালা [৬] করিতেছে এবং উহাকে খাঁটি ও উন্নতমানের স্বর্ণ দিচ্ছে, তৎসঙ্গে দিচ্ছে কতকটা কৃত্রিম সোনা। এর বদলে তার সাথী হতে সে নিচ্ছে কুফী মধ্যম মানের সোনা। যে কুফী-স্বর্ণ লোকের নিকট অপছন্দনীয়। এবং তারা উভয়ে উহা বেচা-কেনা করিতেছে সমান সমান ওজনে। এইরূপ বেচা-কেনা জায়েয হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা মাকরূহ্ হওয়ার বিশ্লেষণ এই, বিশুদ্ধ স্বর্ণওয়ালা তার বিশুদ্ধ স্বর্ণের অতিরিক্ত মূল্য আদায় করেছে যে কতকটা নিম্নমানের স্বর্ণ উহার সাথে মিশ্রিত করেছে তাতে। তার সাথী [কুফী স্বর্ণ ওয়ালা]-র স্বর্ণের তুলনায় তার স্বর্ণের মান উচ্চ না হত, তবে তার সাথী কুফী-স্বর্ণের বিনিময়ে তার নিম্নমানের স্বর্ণের সাথে মুরাতালা করত না। এর দৃষ্টান্ত সেই ব্যক্তির মতো যেই ব্যক্তি তিন সা’ আজওয়াহ্ খুর্মা ক্রয় করার ইচ্ছা করল দুই সা’ এবং দুই মুদ্ কাবীস খুর্মার বিনিময়ে। তাকে যখন বলা হলঃ এটা জায়েয নয়। তখন বিক্রয় বৈধ করার জন্য দুই সা’ কাবীস খুর্মার সাথে এক সা’ নিকৃষ্ট খুর্মা মিলিয়ে দিল। এটা জায়েয হবে না। কারণ ‘আজওয়াহ্ খুর্মাওয়ালা এক সা’ নিকৃষ্ট খুর্মার বিনিময়ে এক সা’ আজওয়াহ্ খুর্মা দিতে রাজী হবে না। তবুও তিনি (এইখানে) কাবীসের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য প্রদান করলেন। কিংবা এর (দৃষ্টান্ত) এই যে, একজন লোক আর একজন লোককে বলল, আপনি আমার নিকট তিন সা’ গম বিক্রয় করুন আড়াই সা’ শামী গমের [৭] বিনিময়ে। সে লোক বলল, এটা বৈধ নয়। কিন্তু (বৈধ হবে) যদি (ওজনে) সমান সমান হয়। তখন দুই সা’ শামী (সিরীয়া) গমের সাথে এক সা’ যব মিলানো হল। উদ্দেশ্য এর দ্বারা উভয়ের মধ্যকার বিক্রয় বৈধ করা। এটা জায়েয হবে না। কারণ এক সা’ যবের বিনিময়ে এক সা’ গম সে উহাকে কখনো দিবে না, যদি পৃথকভাবে এক সা, বিক্রয় করা হয়। (এখানে) সে এ জন্য দিয়েছে যে, তা সাধারণ গমের তুলনায় শামী গম শ্রেষ্ঠ। এটা বৈধ নয়। নিম্নমানের স্বর্ণের বেলায় আমরা যেইরূপ বর্ণনা করেছি, এটাও সেইরূপ বৈধ নয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সর্বপ্রকার স্বর্ণ চাঁদি এবং সব খাদ্যদ্রব্য যেই সব বস্তু বরাবর ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। সেই সবের উৎকৃষ্ট প্রকারের পছন্দীয় বস্তুর সাথে অপছন্দীয় রদ্দী [৮] প্রকারের বস্তু মিলিত করা যাতে ক্রয়-বিক্রয় জায়েয করার উদ্দেশ্যে এবং অবৈধ নিষিদ্ধ ব্যাপারকে হালাল করার মতলবে। যেমন নিকৃষ্ট বস্তুকে উৎকৃষ্ট বস্তুর সাথে মিশ্রিত করা হল। এর দ্বারা সে [উৎকৃষ্টের সাথে নিকৃষ্ট মিশ্রয়কারী] যে উৎকৃষ্ট মাল বিক্রয় করছে উহার উৎকৃষ্টতার (অতিরিক্ত) মূল্য উশুল করে নিচ্ছে। তাই তিনি এমন নিকৃষ্ট বস্তু (অপর পক্ষকে) দিচ্ছে। যদি উহাকে আলাদা বিক্রয় করে তার অপর পক্ষ উহাকে গ্রহণ করবে না এবং এই দিকে খেয়ালও করবে না। এখন সে তা গ্রহণ করছে এই (নিকৃষ্ট মানের) মালের সাথে যে (উৎকৃষ্ট মানের) মাল সে পাচ্ছে উহার আকর্ষণে। কারণ তার মালের তুলনায় তার সাথীর মাল উৎকৃষ্ট, কাজেই স্বর্ণ বা চাঁদি কিংবা খাদ্যদ্রব্যে কোনটিতেই অন্য কোন (নিকৃষ্ট) বস্তু মিশ্রিত করা জায়েয হবে না; তবে যদি রদ্দী (খারাপ) খাদ্যদ্রব্যের মালিক উহাকে অন্য (উত্তম) খাদ্যদ্রব্যের বিনিময়ে বিক্রয় করতে চায় তবে পৃথকভাবে তা বিক্রয় করবে। এবং উহার সাথে (উৎকৃষ্ট) অন্য কোন দ্রব্য মিশ্রিত করবে না, এইরূপ করলে তবে এতে কোন দোষ নেই, যদি এইরূপ (পৃথকভাবে বিক্রয়) হয়ে থাকে।

ইয়াযিদ ইবন আবদিল্লাহ্ ইবন কুসাইত (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণের মুরাতালা করতে দেখেছেন। তিনি দাঁড়িপাল্লার এক হাতে স্বর্ণ ঢালতেন, তার সাথে মুরাতালাকারী অপর পক্ষ তার স্বর্ণ ঢালতেন পাল্লার অপর হাতে। পাল্লার কাঁটা বরাবর হলে (পাল্লার এক হাত হতে) তিনি গ্রহণ করতেন এবং (অপর হাত হতে) সাথীকে দিতেন। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট মাসাআলা এই, ওজন করে স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ এবং চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। যদিও বা নগদ দশ দীনারের বিনিময়ে এগার দীনার গ্রহণ করা হয়। উভয় স্বর্ণের ওজন সমপরিমাণ হলে। মুদ্রার বিনিময়ে মুদ্রা। (ওজন করে বিক্রয় করা বৈধ) সংখ্যায় যদিও বাড়তি হয়। এই ব্যাপারে দিরহামও দীনারের মতো। [২] মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণের মুরাতালা করেছে কিংবা চাঁদির বিনিময়ে চাঁদির মুরাতালা করেছে, উভয় স্বর্ণের মধ্যে একটিতে এক মিসকাল (স্বর্ণ) বাড়তি রয়েছে [৩], অতঃপর তার সাথী (যার অংশের স্বর্ণ ওজনে কম) চাঁদি অথবা অন্য বস্তুর দ্বারা উহার মূল্য আদায় করল। তবে সে (বর্ধিত স্বর্ণের মালিক) এই মূল্য কবুল করবে না। কারণ এটা ভাল নয় এবং এটা সুদের উসীলা মাত্র। কারণ (অতিরিক্ত) এক মিসকাল যদি উহার মূল্য আদায় করে গ্রহণ করা তার জন্য জায়েয হয়, তবে সে যেন এই এক মিসকাল স্বর্ণ পৃথকভাবে (নূতন) খরিদ করল। এইরূপে এক মিসকালকে উহার মূল্য আদায় করে কয়েকবার গ্রহণ করা হল। এইভাবে সেও তার সাথীর [৪] মধ্যে বিক্রয়কে জায়েয করার জন্য [এটা করা হল]। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যদি সেই ব্যক্তি [যে বর্ধিত এক মিসকাল বিক্রয় করল] সেই মিসকাল [৫] বিক্রয় করে পৃথকভাবে, যার সাথে অন্য কিছু না থাকে তা হলে (ক্রেতা) বিক্রয়কে হালাল করবার উদ্দেশ্যে যেই মূল্যে সে উহা ক্রয় করেছে সেই মূল্য ব্যতীত অন্য মূল্যে সে উহা ক্রয় করবে না, এটা হচ্ছে হারামকে হালাল করার একটি পন্থা বটে। আর এটা নিষিদ্ধ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি অন্য এক ব্যক্তির সাথে মুরাতালা [৬] করিতেছে এবং উহাকে খাঁটি ও উন্নতমানের স্বর্ণ দিচ্ছে, তৎসঙ্গে দিচ্ছে কতকটা কৃত্রিম সোনা। এর বদলে তার সাথী হতে সে নিচ্ছে কুফী মধ্যম মানের সোনা। যে কুফী-স্বর্ণ লোকের নিকট অপছন্দনীয়। এবং তারা উভয়ে উহা বেচা-কেনা করিতেছে সমান সমান ওজনে। এইরূপ বেচা-কেনা জায়েয হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা মাকরূহ্ হওয়ার বিশ্লেষণ এই, বিশুদ্ধ স্বর্ণওয়ালা তার বিশুদ্ধ স্বর্ণের অতিরিক্ত মূল্য আদায় করেছে যে কতকটা নিম্নমানের স্বর্ণ উহার সাথে মিশ্রিত করেছে তাতে। তার সাথী [কুফী স্বর্ণ ওয়ালা]-র স্বর্ণের তুলনায় তার স্বর্ণের মান উচ্চ না হত, তবে তার সাথী কুফী-স্বর্ণের বিনিময়ে তার নিম্নমানের স্বর্ণের সাথে মুরাতালা করত না। এর দৃষ্টান্ত সেই ব্যক্তির মতো যেই ব্যক্তি তিন সা’ আজওয়াহ্ খুর্মা ক্রয় করার ইচ্ছা করল দুই সা’ এবং দুই মুদ্ কাবীস খুর্মার বিনিময়ে। তাকে যখন বলা হলঃ এটা জায়েয নয়। তখন বিক্রয় বৈধ করার জন্য দুই সা’ কাবীস খুর্মার সাথে এক সা’ নিকৃষ্ট খুর্মা মিলিয়ে দিল। এটা জায়েয হবে না। কারণ ‘আজওয়াহ্ খুর্মাওয়ালা এক সা’ নিকৃষ্ট খুর্মার বিনিময়ে এক সা’ আজওয়াহ্ খুর্মা দিতে রাজী হবে না। তবুও তিনি (এইখানে) কাবীসের শ্রেষ্ঠত্বের জন্য প্রদান করলেন। কিংবা এর (দৃষ্টান্ত) এই যে, একজন লোক আর একজন লোককে বলল, আপনি আমার নিকট তিন সা’ গম বিক্রয় করুন আড়াই সা’ শামী গমের [৭] বিনিময়ে। সে লোক বলল, এটা বৈধ নয়। কিন্তু (বৈধ হবে) যদি (ওজনে) সমান সমান হয়। তখন দুই সা’ শামী (সিরীয়া) গমের সাথে এক সা’ যব মিলানো হল। উদ্দেশ্য এর দ্বারা উভয়ের মধ্যকার বিক্রয় বৈধ করা। এটা জায়েয হবে না। কারণ এক সা’ যবের বিনিময়ে এক সা’ গম সে উহাকে কখনো দিবে না, যদি পৃথকভাবে এক সা, বিক্রয় করা হয়। (এখানে) সে এ জন্য দিয়েছে যে, তা সাধারণ গমের তুলনায় শামী গম শ্রেষ্ঠ। এটা বৈধ নয়। নিম্নমানের স্বর্ণের বেলায় আমরা যেইরূপ বর্ণনা করেছি, এটাও সেইরূপ বৈধ নয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সর্বপ্রকার স্বর্ণ চাঁদি এবং সব খাদ্যদ্রব্য যেই সব বস্তু বরাবর ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। সেই সবের উৎকৃষ্ট প্রকারের পছন্দীয় বস্তুর সাথে অপছন্দীয় রদ্দী [৮] প্রকারের বস্তু মিলিত করা যাতে ক্রয়-বিক্রয় জায়েয করার উদ্দেশ্যে এবং অবৈধ নিষিদ্ধ ব্যাপারকে হালাল করার মতলবে। যেমন নিকৃষ্ট বস্তুকে উৎকৃষ্ট বস্তুর সাথে মিশ্রিত করা হল। এর দ্বারা সে [উৎকৃষ্টের সাথে নিকৃষ্ট মিশ্রয়কারী] যে উৎকৃষ্ট মাল বিক্রয় করছে উহার উৎকৃষ্টতার (অতিরিক্ত) মূল্য উশুল করে নিচ্ছে। তাই তিনি এমন নিকৃষ্ট বস্তু (অপর পক্ষকে) দিচ্ছে। যদি উহাকে আলাদা বিক্রয় করে তার অপর পক্ষ উহাকে গ্রহণ করবে না এবং এই দিকে খেয়ালও করবে না। এখন সে তা গ্রহণ করছে এই (নিকৃষ্ট মানের) মালের সাথে যে (উৎকৃষ্ট মানের) মাল সে পাচ্ছে উহার আকর্ষণে। কারণ তার মালের তুলনায় তার সাথীর মাল উৎকৃষ্ট, কাজেই স্বর্ণ বা চাঁদি কিংবা খাদ্যদ্রব্যে কোনটিতেই অন্য কোন (নিকৃষ্ট) বস্তু মিশ্রিত করা জায়েয হবে না; তবে যদি রদ্দী (খারাপ) খাদ্যদ্রব্যের মালিক উহাকে অন্য (উত্তম) খাদ্যদ্রব্যের বিনিময়ে বিক্রয় করতে চায় তবে পৃথকভাবে তা বিক্রয় করবে। এবং উহার সাথে (উৎকৃষ্ট) অন্য কোন দ্রব্য মিশ্রিত করবে না, এইরূপ করলে তবে এতে কোন দোষ নেই, যদি এইরূপ (পৃথকভাবে বিক্রয়) হয়ে থাকে।

حدثني يحيى عن مالك عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي أنه رأى سعيد بن المسيب يراطل الذهب بالذهب فيفرغ ذهبه في كفة الميزان ويفرغ صاحبه الذي يراطله ذهبه في كفة الميزان الأخرى فإذا اعتدل لسان الميزان أخذ وأعطـى ২৩৪৯-قال مالك الأمر عندنا في بيع الذهب بالذهب والورق بالورق مراطلة أنه لا بأس بذلك أن يأخذ أحد عشر دينارا بعشرة دنانير يدا بيد إذا كان وزن الذهبين سواء عينا بعين وإن تفاضل العدد والدراهم أيضا في ذلك بمنزلة الدنانير. قال مالك من راطل ذهبا بذهب أو ورقا بورق فكان بين الذهبين فضل مثقال فأعطى صاحبه قيمته من الورق أو من غيرها فلا يأخذه فإن ذلك قبيح وذريعة إلى الربا لأنه إذا جاز له أن يأخذ المثقال بقيمته حتى كأنه اشتراه على حدته جاز له أن يأخذ المثقال بقيمته مرارا لأن يجيز ذلك البيع بينه وبين صاحبه. قال مالك ولو أنه باعه ذلك المثقال مفردا ليس معه غيره لم يأخذه بعشر الثمن الذي أخذه به لأن يجوز له البيع فذلك الذريعة إلى إحلال الحرام والأمر المنهي عنه. قال مالك في الرجل يراطل الرجل ويعطيه الذهب العتق الجياد ويجعل معها تبرا ذهبا غير جيدة ويأخذ من صاحبه ذهبا كوفية مقطعة وتلك الكوفية مكروهة عند الناس فيتبايعان ذلك مثلا بمثل إن ذلك لا يصلح قال مالك وتفسير ما كره من ذلك أن صاحب الذهب الجياد أخذ فضل عيون ذهبه في التبر الذي طرح مع ذهبه ولولا فضل ذهبه على ذهب صاحبه لم يراطله صاحبه بتبره ذلك إلى ذهبه الكوفية فامتنع وإنما مثل ذلك كمثل رجل أراد أن يبتاع ثلاثة أصوع من تمر عجوة بصاعين ومد من تمر كبيس فقيل له هذا لا يصلح فجعل صاعين من كبيس وصاعا من حشف يريد أن يجيز بذلك بيعه فذلك لا يصلح لأنه لم يكن صاحب العجوة ليعطيه صاعا من العجوة بصاع من حشف ولكنه إنما أعطاه ذلك لفضل الكبيس أو أن يقول الرجل للرجل بعني ثلاثة أصوع من البيضاء بصاعين ونصف من حنطة شامية فيقول هذا لا يصلح إلا مثلا بمثل فيجعل صاعين من حنطة شامية وصاعا من شعير يريد أن يجيز بذلك البيع فيما بينهما فهذا لا يصلح لأنه لم يكن ليعطيه بصاع من شعير صاعا من حنطة بيضاء لو كان ذلك الصاع مفردا وإنما أعطاه إياه لفضل الشامية على البيضاء فهذا لا يصلح وهو مثل ما وصفنا من التبر قال مالك فكل شيء من الذهب والورق والطعام كله الذي لا ينبغي أن يباع إلا مثلا بمثل فلا ينبغي أن يجعل مع الصنف الجيد من المرغوب فيه الشيء الرديء المسخوط ليجاز البيع وليستحل بذلك ما نهي عنه من الأمر الذي لا يصلح إذا جعل ذلك مع الصنف المرغوب فيه وإنما يريد صاحب ذلك أن يدرك بذلك فضل جودة ما يبيع فيعطي الشيء الذي لو أعطاه وحده لم يقبله صاحبه ولم يهمم بذلك وإنما يقبله من أجل الذي يأخذ معه لفضل سلعة صاحبه على سلعته فلا ينبغي لشيء من الذهب والورق والطعام أن يدخله شيء من هذه الصفة فإن أراد صاحب الطعام الرديء أن يبيعه بغيره فليبعه على حدته ولا يجعل مع ذلك شيئا فلا بأس به إذا كان كذلك


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00