মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বাদীর খোরপোশের বর্ণনা যখন উহাকে অন্তঃসত্ত্বাবস্থায় তালাক দেয়া হয়

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে স্ত্রীর স্বামী নিরুদ্দেশ তার ইদ্দত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯১

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قال: أيما امرأة فقدت زوجها فلم تدر أين هو فإنها تنتظر أربع سنين ثم تعتد أربعة أشهر وعشرا ثم تحل ২১৩৫-قال مالك وإن تزوجت بعد انقضاء عدتها فدخل بها زوجها أو لم يدخل بها فلا سبيل لزوجها الأول إليها قال مالك وذلك الأمر عندنا وإن أدركها زوجها قبل أن تتزوج فهو أحق بها ২১৩৬-قال مالك وأدركت الناس ينكرون الذي قال بعض الناس على عمر بن الخطاب أنه قال يخير زوجها الأول إذا جاء في صداقها أو في امرأته قال مالك وبلغني أن عمر بن الخطاب قال في المرأة يطلقها زوجها وهو غائب عنها ثم يراجعها فلا يبلغها رجعته وقد بلغها طلاقه إياها فتزوجت أنه إن دخل بها زوجها الآخر أو لم يدخل بها فلا سبيل لزوجها الأول الذي كان طلقها إليها قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في هذا وفي المفقود.

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যেই স্ত্রীর স্বামী নিরুদ্দেশ জানে না সে কোথায়, সে স্ত্রী চার বৎসর অপেক্ষা করবে। অতঃপর চারমাস দশদিন ইদ্দত পালন করবে। তারপর অন্যত্র তার বিবাহ হালাল হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর সে যদি বিবাহ করে তবে স্বামী তার সাথে সংগম করুক বা না করুক তার পূর্ববর্তী স্বামীর জন্য তাকে গ্রহণ করার কোন পথ নেই। মালিক (র) বলেন : এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আর বিবাহের পূর্বে তার সাথে প্রথম স্বামীর সাক্ষাত হলে তবে তিনিই অধিক হকদার হবেন। মালিক (র) বলেন : কিছু লোক বলে থাকে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : প্রথম স্বামী এলে তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে (দ্বিতীয় স্বামী হতে) মহর ফেরত লওয়া অথবা (মহর ফেরত না লইয়া) স্ত্রী ফেরত লওয়া। মালিক (র) বলেন : উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ধরনের ইখতিয়ার দিয়েছেন বলে কিছু লোককে অস্বীকার করতে পেয়েছি। মালিক (র) বলেন : আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, স্বামী স্ত্রীর নিকট উপস্থিত নেই, এমন স্ত্রীকে স্বামী তালাক দিয়েছে। অতঃপর স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করতে চেয়েছে। কিন্তু সে যে রুজূ’ করতে চেয়েছে এই খরব তার স্ত্রীর নিকট পৌঁছেনি। শুধু তাকে তালাক দেওয়ার সংবাদই সে পেয়েছে। তাই সে স্বামী গ্রহণ করেছে। দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সংগত হোক না হোক প্রথম স্বামী যে তাকে তালাক দিয়েছিল তার পক্ষে স্ত্রীকে পাওয়ার আর কোন পথ নেই। মালিক (র) বলেন : এই বিষয়ে এবং নিরুদ্দেশের বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কাছে পছন্দনীয়।

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যেই স্ত্রীর স্বামী নিরুদ্দেশ জানে না সে কোথায়, সে স্ত্রী চার বৎসর অপেক্ষা করবে। অতঃপর চারমাস দশদিন ইদ্দত পালন করবে। তারপর অন্যত্র তার বিবাহ হালাল হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর সে যদি বিবাহ করে তবে স্বামী তার সাথে সংগম করুক বা না করুক তার পূর্ববর্তী স্বামীর জন্য তাকে গ্রহণ করার কোন পথ নেই। মালিক (র) বলেন : এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আর বিবাহের পূর্বে তার সাথে প্রথম স্বামীর সাক্ষাত হলে তবে তিনিই অধিক হকদার হবেন। মালিক (র) বলেন : কিছু লোক বলে থাকে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : প্রথম স্বামী এলে তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে (দ্বিতীয় স্বামী হতে) মহর ফেরত লওয়া অথবা (মহর ফেরত না লইয়া) স্ত্রী ফেরত লওয়া। মালিক (র) বলেন : উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ধরনের ইখতিয়ার দিয়েছেন বলে কিছু লোককে অস্বীকার করতে পেয়েছি। মালিক (র) বলেন : আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, স্বামী স্ত্রীর নিকট উপস্থিত নেই, এমন স্ত্রীকে স্বামী তালাক দিয়েছে। অতঃপর স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করতে চেয়েছে। কিন্তু সে যে রুজূ’ করতে চেয়েছে এই খরব তার স্ত্রীর নিকট পৌঁছেনি। শুধু তাকে তালাক দেওয়ার সংবাদই সে পেয়েছে। তাই সে স্বামী গ্রহণ করেছে। দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সংগত হোক না হোক প্রথম স্বামী যে তাকে তালাক দিয়েছিল তার পক্ষে স্ত্রীকে পাওয়ার আর কোন পথ নেই। মালিক (র) বলেন : এই বিষয়ে এবং নিরুদ্দেশের বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কাছে পছন্দনীয়।

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قال: أيما امرأة فقدت زوجها فلم تدر أين هو فإنها تنتظر أربع سنين ثم تعتد أربعة أشهر وعشرا ثم تحل ২১৩৫-قال مالك وإن تزوجت بعد انقضاء عدتها فدخل بها زوجها أو لم يدخل بها فلا سبيل لزوجها الأول إليها قال مالك وذلك الأمر عندنا وإن أدركها زوجها قبل أن تتزوج فهو أحق بها ২১৩৬-قال مالك وأدركت الناس ينكرون الذي قال بعض الناس على عمر بن الخطاب أنه قال يخير زوجها الأول إذا جاء في صداقها أو في امرأته قال مالك وبلغني أن عمر بن الخطاب قال في المرأة يطلقها زوجها وهو غائب عنها ثم يراجعها فلا يبلغها رجعته وقد بلغها طلاقه إياها فتزوجت أنه إن دخل بها زوجها الآخر أو لم يدخل بها فلا سبيل لزوجها الأول الذي كان طلقها إليها قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في هذا وفي المفقود.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাকের ইদ্দতে উল্লিখিত ‘আকরা’ [১] এবং ঋতুমতী স্ত্রীলোকের তালাকের বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯৪

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال سمعت أبا بكر بن عبد الرحمن يقول ما أدركت أحدا من فقهائنا إلا وهو يقول هذا يريد قول عائشة.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বাক্র ইবনু ‘আবদির রহমান (র)-কে আমি বলতে শুনেছি, আমাদের ফকীহদের প্রত্যেককে ‘আয়িশার উক্তির মতো এই ব্যাপারে কথা বলতে শুনেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আবূ বাক্র ইবনু ‘আবদির রহমান (র)-কে আমি বলতে শুনেছি, আমাদের ফকীহদের প্রত্যেককে ‘আয়িশার উক্তির মতো এই ব্যাপারে কথা বলতে শুনেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال سمعت أبا بكر بن عبد الرحمن يقول ما أدركت أحدا من فقهائنا إلا وهو يقول هذا يريد قول عائشة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯৬

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن القاسم بن محمد وسالم بن عبد الله وأبي بكر بن عبد الرحمن وسليمان بن يسار وابن شهاب أنهم كانوا يقولون إذا دخلت المطلقة في الدم من الحيضة الثالثة فقد بانت من زوجها ولا ميراث بينهما ولا رجعة له عليها.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ, আবূ বাক্র ইবনু আবদির রহমান, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার ও ইবনু শিহাব (র) তারা সকলে বলতেন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকে তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে সে স্বামী হতে পৃথক হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে মীরাস চলবে না, আর স্বামীর জন্য স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করা চলবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ, সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ, আবূ বাক্র ইবনু আবদির রহমান, সুলায়মান ইবনু ইয়াসার ও ইবনু শিহাব (র) তারা সকলে বলতেন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকে তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে সে স্বামী হতে পৃথক হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে মীরাস চলবে না, আর স্বামীর জন্য স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করা চলবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن القاسم بن محمد وسالم بن عبد الله وأبي بكر بن عبد الرحمن وسليمان بن يسار وابن شهاب أنهم كانوا يقولون إذا دخلت المطلقة في الدم من الحيضة الثالثة فقد بانت من زوجها ولا ميراث بينهما ولا رجعة له عليها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯৭

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: إذا طلق الرجل امرأته فدخلت في الدم من الحيضة الثالثة فقد برئت منه وبرئ منها قال مالك وهو الأمر عندنا.

নাফি’ (র) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

কোন ব্যক্তি স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর স্ত্রী তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে স্বামী হতে পৃথক হয়ে যাবে এবং স্বামী তা হতে পৃথক হয়ে যাবে। স্ত্রী স্বামীর মীরাস পাবে না এবং স্বামীও স্ত্রীর মীরাস পাবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত অনুরূপ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

কোন ব্যক্তি স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর স্ত্রী তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে স্বামী হতে পৃথক হয়ে যাবে এবং স্বামী তা হতে পৃথক হয়ে যাবে। স্ত্রী স্বামীর মীরাস পাবে না এবং স্বামীও স্ত্রীর মীরাস পাবে না। মালিক (র) বলেন, আমাদের সিদ্ধান্ত অনুরূপ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: إذا طلق الرجل امرأته فدخلت في الدم من الحيضة الثالثة فقد برئت منه وبرئ منها قال مالك وهو الأمر عندنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯৫

و حدثني عن مالك عن نافع وزيد بن أسلم عن سليمان بن يسار أن الأحوص هلك بالشام حين دخلت امرأته في الدم من الحيضة الثالثة وقد كان طلقها فكتب معاوية بن أبي سفيان إلى زيد بن ثابت يسأله عن ذلك فكتب إليه زيد بن ثابت إنها إذا دخلت في الدم من الحيضة الثالثة فقد برئت منه وبرئ منها ولا ترثه ولا يرثها.

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

আহ্ওয়াস (রা) সিরিয়াতে ইন্তেকাল করলেন। তখন তার স্ত্রী, যাকে তিনি পূর্বে তালাক দিয়েছিলেন, তৃতীয় ঋতুতে প্রবেশ করেছিলেন। মু’আবিয়া ইবনু আবী সুফিয়ান এই বিষয়ে প্রশ্ন করে যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর কাছে পত্র লিখলেন। যায়দ (রা) (উত্তরে) তার নিকট লিখলেন, স্ত্রী যদি তৃতীয় ঋতুতে প্রবেশ করে তবে সে স্বামী হতে পৃথক হয়ে গিয়েছে। তার স্বামীও তা হতে পৃথক হয়েছে। সে স্বামীর মীরাস পাবে না, তার স্বামীও তার মীরাস পাবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

আহ্ওয়াস (রা) সিরিয়াতে ইন্তেকাল করলেন। তখন তার স্ত্রী, যাকে তিনি পূর্বে তালাক দিয়েছিলেন, তৃতীয় ঋতুতে প্রবেশ করেছিলেন। মু’আবিয়া ইবনু আবী সুফিয়ান এই বিষয়ে প্রশ্ন করে যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর কাছে পত্র লিখলেন। যায়দ (রা) (উত্তরে) তার নিকট লিখলেন, স্ত্রী যদি তৃতীয় ঋতুতে প্রবেশ করে তবে সে স্বামী হতে পৃথক হয়ে গিয়েছে। তার স্বামীও তা হতে পৃথক হয়েছে। সে স্বামীর মীরাস পাবে না, তার স্বামীও তার মীরাস পাবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع وزيد بن أسلم عن سليمان بن يسار أن الأحوص هلك بالشام حين دخلت امرأته في الدم من الحيضة الثالثة وقد كان طلقها فكتب معاوية بن أبي سفيان إلى زيد بن ثابت يسأله عن ذلك فكتب إليه زيد بن ثابت إنها إذا دخلت في الدم من الحيضة الثالثة فقد برئت منه وبرئ منها ولا ترثه ولا يرثها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯২

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر طلق امرأته وهي حائض على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأل عمر بن الخطاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم مره فليراجعها ثم يمسكها حتى تطهر ثم تحيض ثم تطهر ثم إن شاء أمسك بعد وإن شاء طلق قبل أن يمس فتلك العدة التي أمر الله أن يطلق لها النساء.

নাফি’(র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তার স্ত্রীকে তালাক দিলেন। তার স্ত্রী তখন ঋতুমতী, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তাকে নির্দেশ দাও যেন সে স্ত্রীর দিকে প্রত্যাবর্তন করে, তারপর পবিত্রতা লাভ করা পর্যন্ত পুনরায় ঋতু আসা এবং উহা হতে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত স্ত্রীকে এমনই রাখবে। অতঃপর ইচ্ছা করলে স্ত্রী হিসেবে রাখবে অথবা ইচ্ছ করলে সহবাসের পূর্বে তালাক দিবে। এটাই সেই ইদ্দত যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদেরকে তালাক দেওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আল নির্দেশ দিয়েছেন। (বুখারী ৫২৫২, ৫২৫৩, মুসলিম ১৪৭১)

নাফি’(র) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) তার স্ত্রীকে তালাক দিলেন। তার স্ত্রী তখন ঋতুমতী, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ব্যাপারে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তাকে নির্দেশ দাও যেন সে স্ত্রীর দিকে প্রত্যাবর্তন করে, তারপর পবিত্রতা লাভ করা পর্যন্ত পুনরায় ঋতু আসা এবং উহা হতে পবিত্র হওয়া পর্যন্ত স্ত্রীকে এমনই রাখবে। অতঃপর ইচ্ছা করলে স্ত্রী হিসেবে রাখবে অথবা ইচ্ছ করলে সহবাসের পূর্বে তালাক দিবে। এটাই সেই ইদ্দত যার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্ত্রীদেরকে তালাক দেওয়ার ব্যাপারে আল্লাহ তা‘আল নির্দেশ দিয়েছেন। (বুখারী ৫২৫২, ৫২৫৩, মুসলিম ১৪৭১)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر طلق امرأته وهي حائض على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسأل عمر بن الخطاب رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم مره فليراجعها ثم يمسكها حتى تطهر ثم تحيض ثم تطهر ثم إن شاء أمسك بعد وإن شاء طلق قبل أن يمس فتلك العدة التي أمر الله أن يطلق لها النساء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯৩

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين أنها انتقلت حفصة بنت عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق حين دخلت في الدم من الحيضة الثالثة قال ابن شهاب فذكر ذلك لعمرة بنت عبد الرحمن فقالت صدق عروة وقد جادلها في ذلك ناس فقالوا إن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { ثلاثة قروء }فقالت عائشة صدقتم تدرون ما الأقراء إنما الأقراء الأطهار.

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

হাফসা বিন্ত ‘আবদির রহমান ইবনু আবী বাক্র সিদ্দীক (রা)-কে (তার স্বামী মুনজির ইবনু যুবায়র কর্তৃক তাকে তালাক দেওয়ার পর) যখন তিনি তৃতীয় ঋতুতে প্রবেশ করেছিলেন তখন তার স্বামীর গৃহ হতে নিয়ে যাওয়া হয়। ইবনু শিহাব বলেন : ‘আমর বিন্ত আবদির রহমানের নিকট এই ঘটনা উল্লেখ করা হল। তিনি বললেন : উরওয়া ইবনু যুবায়র (রা) কি বলেছেন অনেক লোক এই বিষয়ে আয়িশা (রা)-এর সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়েছেন। তারা বললেন : আল্লাহ তা’আলা কুরাআনে ইরশাদ করেছেন : তিন কুরূ অর্থাৎ তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীগণ তিন কুরূ (তুহর পর্যন্ত ইদ্দত পালন করবে)। (উত্তরে) আয়িশা (রা) বললেন, আপনারা ঠিকই বলেছেন কিন্তু আকরা-এর অর্থ কি তা আপনারা জানেন কি? আক্রা হচ্ছে তুহর (ঋতুর পরের পবিত্রতা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

উরওয়া ইবনু যুবায়র (র) থেকে বর্নিতঃ

হাফসা বিন্ত ‘আবদির রহমান ইবনু আবী বাক্র সিদ্দীক (রা)-কে (তার স্বামী মুনজির ইবনু যুবায়র কর্তৃক তাকে তালাক দেওয়ার পর) যখন তিনি তৃতীয় ঋতুতে প্রবেশ করেছিলেন তখন তার স্বামীর গৃহ হতে নিয়ে যাওয়া হয়। ইবনু শিহাব বলেন : ‘আমর বিন্ত আবদির রহমানের নিকট এই ঘটনা উল্লেখ করা হল। তিনি বললেন : উরওয়া ইবনু যুবায়র (রা) কি বলেছেন অনেক লোক এই বিষয়ে আয়িশা (রা)-এর সাথে বিতর্কে লিপ্ত হয়েছেন। তারা বললেন : আল্লাহ তা’আলা কুরাআনে ইরশাদ করেছেন : তিন কুরূ অর্থাৎ তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীগণ তিন কুরূ (তুহর পর্যন্ত ইদ্দত পালন করবে)। (উত্তরে) আয়িশা (রা) বললেন, আপনারা ঠিকই বলেছেন কিন্তু আকরা-এর অর্থ কি তা আপনারা জানেন কি? আক্রা হচ্ছে তুহর (ঋতুর পরের পবিত্রতা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين أنها انتقلت حفصة بنت عبد الرحمن بن أبي بكر الصديق حين دخلت في الدم من الحيضة الثالثة قال ابن شهاب فذكر ذلك لعمرة بنت عبد الرحمن فقالت صدق عروة وقد جادلها في ذلك ناس فقالوا إن الله تبارك وتعالى يقول في كتابه { ثلاثة قروء }فقالت عائشة صدقتم تدرون ما الأقراء إنما الأقراء الأطهار.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯৮

و حدثني عن مالك عن الفضيل بن أبي عبد الله مولى المهري أن القاسم بن محمد وسالم بن عبد الله كانا يقولان إذا طلقت المرأة فدخلت في الدم من الحيضة الثالثة فقد بانت منه وحلت.

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ থেকে বর্নিতঃ

কোন স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার পর তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে সে স্বামী হতে পৃথক হয়ে যাবে এবং (অন্য স্বামীর পাণি গ্রহণ করার জন্য) হালাল হয়ে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ থেকে বর্নিতঃ

কোন স্ত্রী তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার পর তৃতীয় ঋতুস্রাবে প্রবেশ করলে সে স্বামী হতে পৃথক হয়ে যাবে এবং (অন্য স্বামীর পাণি গ্রহণ করার জন্য) হালাল হয়ে যাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن الفضيل بن أبي عبد الله مولى المهري أن القاسم بن محمد وسالم بن عبد الله كانا يقولان إذا طلقت المرأة فدخلت في الدم من الحيضة الثالثة فقد بانت منه وحلت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯৯

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن سعيد بن المسيب وابن شهاب وسليمان بن يسار أنهم كانوا يقولون إن عدة المختلعة ثلاثة قروء.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব ইবনু শিহাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) এরা সকলে বলতেন, খুলা’ তালাক গ্রহণকারিণীর ইদ্দত হচ্ছে তিন কুরূ (তিন হায়েয)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব ইবনু শিহাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) এরা সকলে বলতেন, খুলা’ তালাক গ্রহণকারিণীর ইদ্দত হচ্ছে তিন কুরূ (তিন হায়েয)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه بلغه عن سعيد بن المسيب وابن شهاب وسليمان بن يسار أنهم كانوا يقولون إن عدة المختلعة ثلاثة قروء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০০

و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول: عدة المطلقة الأقراء وإن تباعدت.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দত হচ্ছে আকরা যদিও উহা অধিক ব্যবধানে হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি ইবনু শিহাব (র)-কে বলতে শুনেছেন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোকের ইদ্দত হচ্ছে আকরা যদিও উহা অধিক ব্যবধানে হয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول: عدة المطلقة الأقراء وإن تباعدت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০১

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن رجل من الأنصار أن امرأته سألته الطلاق فقال لها إذا حضت فآذنيني فلما حاضت آذنته فقال إذا طهرت فآذنيني فلما طهرت آذنته فطلقها قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك.

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সে আনসারীর স্ত্রী তার কাছে তালাক চাইল। তখন স্ত্রীকে বললেন, তোমার ঋতুস্রাব উপস্থিত হলে আমাকে সংবাদ দিও, অতঃপর স্ত্রীর ঋতুস্রাব হলে তাকে খবর দিল। তিনি বললেন : যখন তুমি পবিত্রতা অর্জন কর, তখন সংবাদ দিও। সে পবিত্র হওয়ার পর খবর দিল, তারপর স্বামী তাকে তালাক দিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সে আনসারীর স্ত্রী তার কাছে তালাক চাইল। তখন স্ত্রীকে বললেন, তোমার ঋতুস্রাব উপস্থিত হলে আমাকে সংবাদ দিও, অতঃপর স্ত্রীর ঋতুস্রাব হলে তাকে খবর দিল। তিনি বললেন : যখন তুমি পবিত্রতা অর্জন কর, তখন সংবাদ দিও। সে পবিত্র হওয়ার পর খবর দিল, তারপর স্বামী তাকে তালাক দিল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن رجل من الأنصار أن امرأته سألته الطلاق فقال لها إذا حضت فآذنيني فلما حاضت آذنته فقال إذا طهرت فآذنيني فلما طهرت آذنته فطلقها قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যেই গৃহে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয় সে গৃহে ইদ্দত পালন করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৪

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر طلق امرأة له في مسكن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وكان طريقه إلى المسجد فكان يسلك الطريق الأخرى من أدبار البيوت كراهية أن يستأذن عليها حتى راجعها.

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) তার জনৈকা স্ত্রীকে নবী-পত্নী হাফসা (রা)-এর গৃহে তালাক দিলেন। এই গৃহ তাহার মসজিদে গমনের পথে অবস্থিত ছিল। তাই তিনি অন্য পথে গৃহের পেছন দিয়ে মসজিদে গমন করতেন। এটা এজন্য যে, স্ত্রীর দিকে রুজূ’ না করা পর্যন্ত অনুমতি নিয়ে তাহার নিকট যাওয়াকে তিনি ভাল মনে করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) তার জনৈকা স্ত্রীকে নবী-পত্নী হাফসা (রা)-এর গৃহে তালাক দিলেন। এই গৃহ তাহার মসজিদে গমনের পথে অবস্থিত ছিল। তাই তিনি অন্য পথে গৃহের পেছন দিয়ে মসজিদে গমন করতেন। এটা এজন্য যে, স্ত্রীর দিকে রুজূ’ না করা পর্যন্ত অনুমতি নিয়ে তাহার নিকট যাওয়াকে তিনি ভাল মনে করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر طلق امرأة له في مسكن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وكان طريقه إلى المسجد فكان يسلك الطريق الأخرى من أدبار البيوت كراهية أن يستأذن عليها حتى راجعها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৩

و حدثني عن مالك عن نافع أن بنت سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل كانت تحت عبد الله بن عمرو بن عثمان بن عفان فطلقها البتة فانتقلت فأنكر ذلك عليها عبد الله بن عمر.

নাফি’(র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রা)-এর কন্যা ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর ইবনু উসমান ইবনু আফফান (র)-এর বিবাহ দিলেন। তিনি স্ত্রীকে তালাকে আল-বাত্তা প্রদান করলে সে (স্বামীর গৃহ হতে) সরে যায়। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) উহার প্রতি সমর্থন জানালেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি’(র) থেকে বর্নিতঃ

সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রা)-এর কন্যা ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর ইবনু উসমান ইবনু আফফান (র)-এর বিবাহ দিলেন। তিনি স্ত্রীকে তালাকে আল-বাত্তা প্রদান করলে সে (স্বামীর গৃহ হতে) সরে যায়। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) উহার প্রতি সমর্থন জানালেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن بنت سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل كانت تحت عبد الله بن عمرو بن عثمان بن عفان فطلقها البتة فانتقلت فأنكر ذلك عليها عبد الله بن عمر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة يطلقها زوجها وهي في بيت بكراء على من الكراء فقال سعيد بن المسيب على زوجها قال فإن لم يكن عند زوجها قال فعليها قال فإن لم يكن عندها قال فعلى الأمير.

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট প্রশ্ন করা হল এরূপ স্ত্রীলোক সম্বন্ধে, যাকে স্বামী তালাক দিয়েছে ভাড়াটে গৃহে। এখন ভাড়ার দায়িত্ব কার উপর বর্তাবে? সা’ঈদ বললেন : ভাড়ার দায়িত্ব স্বামীর উপর ন্যস্ত থাকবে। প্রশ্নকারী বলিল : স্বামী যদি ভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য না রাখে? তিনি বললেন, তবে উহা প্রদানের দায়িত্ব স্ত্রীর উপর বর্তাবে। প্রশ্নকারী বলল : যদি স্ত্রীরও সামর্থ্য না থাকে? সা’ঈদ বললেন : তখন শহরের শাসনকর্তার উপর দায়িত্ব বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট প্রশ্ন করা হল এরূপ স্ত্রীলোক সম্বন্ধে, যাকে স্বামী তালাক দিয়েছে ভাড়াটে গৃহে। এখন ভাড়ার দায়িত্ব কার উপর বর্তাবে? সা’ঈদ বললেন : ভাড়ার দায়িত্ব স্বামীর উপর ন্যস্ত থাকবে। প্রশ্নকারী বলিল : স্বামী যদি ভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য না রাখে? তিনি বললেন, তবে উহা প্রদানের দায়িত্ব স্ত্রীর উপর বর্তাবে। প্রশ্নকারী বলল : যদি স্ত্রীরও সামর্থ্য না থাকে? সা’ঈদ বললেন : তখন শহরের শাসনকর্তার উপর দায়িত্ব বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة يطلقها زوجها وهي في بيت بكراء على من الكراء فقال سعيد بن المسيب على زوجها قال فإن لم يكن عند زوجها قال فعليها قال فإن لم يكن عندها قال فعلى الأمير.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০২

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد وسليمان بن يسار أنه سمعهما يذكران أن يحيى بن سعيد بن العاص طلق ابنة عبد الرحمن بن الحكم البتة فانتقلها عبد الرحمن بن الحكم فأرسلت عائشة أم المؤمنين إلى مروان بن الحكم وهو يومئذ أمير المدينة فقالت اتق الله واردد المرأة إلى بيتها فقال مروان في حديث سليمان إن عبد الرحمن غلبني وقال مروان في حديث القاسم أو ما بلغك شأن فاطمة بنت قيس فقالت عائشة لا يضرك أن لا تذكر حديث فاطمة. فقال مروان إن كان بك الشر فحسبك ما بين هذين من الشر.

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনুল আ’স (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু হাকাম (র)-এর কন্যাকে তালাকে আল-বাত্তা (বায়েন তালাক) দিলেন। আবদুর রহমান ইবনু হাকাম কন্যাকে (স্বামীর গৃহ হতে নিজ গৃহে) সরিয়ে নিলেন। উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) মারওয়ান ইবন হাকামের নিকট লোক প্রেরণ করলেন। মারওয়ান তখন মদীনার গভর্নর। আয়িশা (রা) বললেন : আল্লাহকে ভয় করুন এবং (ইদ্দত পালনরতা) স্ত্রীকে তার স্বামীর গৃহে ফেরত পাঠান। সুলায়মানের রেওয়ায়ত সম্পর্কে মারওয়ান বললেন : আপনার নিকট ফাতেমা বিনত কায়েসের ব্যাপার পৌঁছে নাই কি? আয়িশা (রা) বললেন : ফাতেমার ঘটনা [১] উল্লেখ না করলে আপনার কোন ক্ষতি নেই (অর্থাৎ ইহাতে কোন দলীল নাই)। মারওয়ান বললেন : যদি আপনার দৃষ্টিতে স্বামীর গৃহে ফাতেমার ইদ্দত পালনে কোন অসুবিধা থাকে তবে যেহেতু উভয়ের মধ্যে (আবূ আমর ও তার স্ত্রী আমরা) যথেষ্ট অসুবিধা রয়েছে (যে কারণে স্বামীগৃহ ত্যাগ করে অন্যত্র ইদ্দত পালন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে) তাই ইহা আপনার সন্তুষ্টির জন্য যথেষ্ট। (সহীহ, বুখারী ৫৩২২)

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনুল আ’স (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু হাকাম (র)-এর কন্যাকে তালাকে আল-বাত্তা (বায়েন তালাক) দিলেন। আবদুর রহমান ইবনু হাকাম কন্যাকে (স্বামীর গৃহ হতে নিজ গৃহে) সরিয়ে নিলেন। উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) মারওয়ান ইবন হাকামের নিকট লোক প্রেরণ করলেন। মারওয়ান তখন মদীনার গভর্নর। আয়িশা (রা) বললেন : আল্লাহকে ভয় করুন এবং (ইদ্দত পালনরতা) স্ত্রীকে তার স্বামীর গৃহে ফেরত পাঠান। সুলায়মানের রেওয়ায়ত সম্পর্কে মারওয়ান বললেন : আপনার নিকট ফাতেমা বিনত কায়েসের ব্যাপার পৌঁছে নাই কি? আয়িশা (রা) বললেন : ফাতেমার ঘটনা [১] উল্লেখ না করলে আপনার কোন ক্ষতি নেই (অর্থাৎ ইহাতে কোন দলীল নাই)। মারওয়ান বললেন : যদি আপনার দৃষ্টিতে স্বামীর গৃহে ফাতেমার ইদ্দত পালনে কোন অসুবিধা থাকে তবে যেহেতু উভয়ের মধ্যে (আবূ আমর ও তার স্ত্রী আমরা) যথেষ্ট অসুবিধা রয়েছে (যে কারণে স্বামীগৃহ ত্যাগ করে অন্যত্র ইদ্দত পালন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে) তাই ইহা আপনার সন্তুষ্টির জন্য যথেষ্ট। (সহীহ, বুখারী ৫৩২২)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد وسليمان بن يسار أنه سمعهما يذكران أن يحيى بن سعيد بن العاص طلق ابنة عبد الرحمن بن الحكم البتة فانتقلها عبد الرحمن بن الحكم فأرسلت عائشة أم المؤمنين إلى مروان بن الحكم وهو يومئذ أمير المدينة فقالت اتق الله واردد المرأة إلى بيتها فقال مروان في حديث سليمان إن عبد الرحمن غلبني وقال مروان في حديث القاسم أو ما بلغك شأن فاطمة بنت قيس فقالت عائشة لا يضرك أن لا تذكر حديث فاطمة. فقال مروان إن كان بك الشر فحسبك ما بين هذين من الشر.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00