মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিতাবীগণের দাসীকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > সাধবী [১] -এর বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১২১

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال: { المحصنات من النساء }هن أولات الأزواج ويرجع ذلك إلى أن الله حرم الزنا.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

সা‘ঈদ ইবনু মাসায়্যাব (র) বলেন : কুরআনের আয়াতে উল্লিখিত الْمُحْصَنَاتُ مِنْ النِّسَاءِ সাধ্বী রমণিগণ “এরা হলেন ঐ সকল নারী যাদের স্বামী আছে।” এটা দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ তা‘আলা ব্যভিচারকে হারাম করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

সা‘ঈদ ইবনু মাসায়্যাব (র) বলেন : কুরআনের আয়াতে উল্লিখিত الْمُحْصَنَاتُ مِنْ النِّسَاءِ সাধ্বী রমণিগণ “এরা হলেন ঐ সকল নারী যাদের স্বামী আছে।” এটা দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ তা‘আলা ব্যভিচারকে হারাম করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال: { المحصنات من النساء }هن أولات الأزواج ويرجع ذلك إلى أن الله حرم الزنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১২২

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب وبلغه عن القاسم بن محمد أنهما كانا يقولان إذا نكح الحر الأمة فمسها فقد أحصنته ১৯৮৮-قال مالك وكل من أدركت كان يقول ذلك تحصن الأمة الحر إذا نكحها فمسها فقد أحصنته ১৯৮৯-قال مالك يحصن العبد الحرة إذا مسها بنكاح ولا تحصن الحرة العبد إلا أن يعتق وهو زوجها فيمسها بعد عتقه فإن فارقها قبل أن يعتق فليس بمحصن حتى يتزوج بعد عتقه ويمس امرأته. قال مالك والأمة إذا كانت تحت الحر ثم فارقها قبل أن تعتق فإنه لا يحصنها نكاحه إياها وهي أمة حتى تنكح بعد عتقها ويصيبها زوجها فذلك إحصانها والأمة إذا كانت تحت الحر فتعتق وهي تحته قبل أن يفارقها فإنه يحصنها إذا عتقت وهي عنده إذا هو أصابها بعد أن تعتق ১৯৯১-و قال مالك والحرة النصرانية واليهودية والأمة المسلمة يحصن الحر المسلم إذا نكح إحداهن فأصابها

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইব্নু শিহাব (র) ও কাসেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র) তারা উভয়ে বলতেন : স্বাধীন ব্যক্তি কোন দাসীকে বিবাহ করলে, অতঃপর উহার সহিত সহবাস করলে এর দ্বারা সে মুহসান বলে গণ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমি যে সকল বিজ্ঞজনের সাক্ষাত পেয়েছি তারা বলতেন : ক্রীতদাসী স্বাধীন ব্যক্তিকে মুহসান [১] করে যদি সে উহাকে বিবাহ করে এবং তার সাথে সংগত হয়। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাস স্বাধীন মহিলাকে মুহসান বানায় যদি সে উহাকে বিবাহ করে এবং তার সাথে সংগত হয়। কিন্তু স্বাধীনা নারী ক্রীতদাসকে তদ্রূপ করে না। কিন্তু ক্রীতদাস তার স্বামী যদি তাকে আযাদ করে দেয় এবং স্বাধীন হওয়ার পর স্বামী যদি তাকে আযাদ করে দেয় এবং স্বাধীন হওয়ার পর স্বামী হিসাবে সে তার সাথে সহবাস করে তবে সে মুহসান হবে। আর যদি মুক্ত হওয়ার পূর্বে সে স্ত্রীকে পৃথক করে দেয় তবে সে মুহসান হবে না যাবৎ মুক্ত হওয়ার পর উহাকে বিবাহ না করে এবং উহার সহিত সংগত না হয়। মালিক (র) বলেন : যে ক্রীতদাসী স্বাধীন ব্যক্তির স্ত্রীরূপে রয়েছে তার মুক্ত হওয়ার পূর্বে স্বামী তাকে তালাক দিলে উক্ত বিবাহ সে ক্রীতদাসীকে মুহসানা করবে না। অবশ্য মুক্তি পাওয়ার পর তাঁকে বিবাহ করে তার সাথে সংগত হলে সে মুহসানা (সধবা) হবে। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসী যদি আযাদ ব্যক্তির স্ত্রী হয় এবং তার নিকট থাকাকালীন তৎকর্তৃক পরিত্যক্ত হওয়ার পুর্বে সে দাসত্ব হতে মুক্ত হয় তবে সে মুহসানার (সধবা) অন্তর্ভুক্ত হবে। এই ব্যাপারে শর্ত এই যে, উক্ত ব্যক্তির স্ত্রী থাকা অবস্থায় সে মুক্তিপ্রাপ্ত হয় এবং এর পর তার স্বামী তার সাথে সহবাস করে। মালিক (র) বলেন : খ্রিস্টান ও ইহুদী স্বাধীনা নারী এবং মুসলিম ক্রীতদাসী এই তিনজনের একজনকে যদি কোন আযাদ মুসলিম ব্যক্তি বিবাহ করে এবং তার সাথে সংগত হয় তবে সে স্ত্রী লোক মুহসানা (সাধবা) হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইব্নু শিহাব (র) ও কাসেম ইব্নু মুহাম্মাদ (র) তারা উভয়ে বলতেন : স্বাধীন ব্যক্তি কোন দাসীকে বিবাহ করলে, অতঃপর উহার সহিত সহবাস করলে এর দ্বারা সে মুহসান বলে গণ্য হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমি যে সকল বিজ্ঞজনের সাক্ষাত পেয়েছি তারা বলতেন : ক্রীতদাসী স্বাধীন ব্যক্তিকে মুহসান [১] করে যদি সে উহাকে বিবাহ করে এবং তার সাথে সংগত হয়। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাস স্বাধীন মহিলাকে মুহসান বানায় যদি সে উহাকে বিবাহ করে এবং তার সাথে সংগত হয়। কিন্তু স্বাধীনা নারী ক্রীতদাসকে তদ্রূপ করে না। কিন্তু ক্রীতদাস তার স্বামী যদি তাকে আযাদ করে দেয় এবং স্বাধীন হওয়ার পর স্বামী যদি তাকে আযাদ করে দেয় এবং স্বাধীন হওয়ার পর স্বামী হিসাবে সে তার সাথে সহবাস করে তবে সে মুহসান হবে। আর যদি মুক্ত হওয়ার পূর্বে সে স্ত্রীকে পৃথক করে দেয় তবে সে মুহসান হবে না যাবৎ মুক্ত হওয়ার পর উহাকে বিবাহ না করে এবং উহার সহিত সংগত না হয়। মালিক (র) বলেন : যে ক্রীতদাসী স্বাধীন ব্যক্তির স্ত্রীরূপে রয়েছে তার মুক্ত হওয়ার পূর্বে স্বামী তাকে তালাক দিলে উক্ত বিবাহ সে ক্রীতদাসীকে মুহসানা করবে না। অবশ্য মুক্তি পাওয়ার পর তাঁকে বিবাহ করে তার সাথে সংগত হলে সে মুহসানা (সধবা) হবে। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসী যদি আযাদ ব্যক্তির স্ত্রী হয় এবং তার নিকট থাকাকালীন তৎকর্তৃক পরিত্যক্ত হওয়ার পুর্বে সে দাসত্ব হতে মুক্ত হয় তবে সে মুহসানার (সধবা) অন্তর্ভুক্ত হবে। এই ব্যাপারে শর্ত এই যে, উক্ত ব্যক্তির স্ত্রী থাকা অবস্থায় সে মুক্তিপ্রাপ্ত হয় এবং এর পর তার স্বামী তার সাথে সহবাস করে। মালিক (র) বলেন : খ্রিস্টান ও ইহুদী স্বাধীনা নারী এবং মুসলিম ক্রীতদাসী এই তিনজনের একজনকে যদি কোন আযাদ মুসলিম ব্যক্তি বিবাহ করে এবং তার সাথে সংগত হয় তবে সে স্ত্রী লোক মুহসানা (সাধবা) হবে।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب وبلغه عن القاسم بن محمد أنهما كانا يقولان إذا نكح الحر الأمة فمسها فقد أحصنته ১৯৮৮-قال مالك وكل من أدركت كان يقول ذلك تحصن الأمة الحر إذا نكحها فمسها فقد أحصنته ১৯৮৯-قال مالك يحصن العبد الحرة إذا مسها بنكاح ولا تحصن الحرة العبد إلا أن يعتق وهو زوجها فيمسها بعد عتقه فإن فارقها قبل أن يعتق فليس بمحصن حتى يتزوج بعد عتقه ويمس امرأته. قال مالك والأمة إذا كانت تحت الحر ثم فارقها قبل أن تعتق فإنه لا يحصنها نكاحه إياها وهي أمة حتى تنكح بعد عتقها ويصيبها زوجها فذلك إحصانها والأمة إذا كانت تحت الحر فتعتق وهي تحته قبل أن يفارقها فإنه يحصنها إذا عتقت وهي عنده إذا هو أصابها بعد أن تعتق ১৯৯১-و قال مالك والحرة النصرانية واليهودية والأمة المسلمة يحصن الحر المسلم إذا نكح إحداهن فأصابها


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুত‘আ [১] বিবাহ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১২৩

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الله والحسن ابني محمد بن علي بن أبي طالب عن أبيهما عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن متعة النساء يوم خيبر وعن أكل لحوم الحمر الإنسية.

আলী ইবনু আবূ তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বর দিবসে মুত’আ বিবাহ করতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি গৃহপালিত গাধার গোশ্ত আহার করতেও নিষেধ করেছেন। (বুখারী ৪২১৬, মুসলিম ১৪০৭)

আলী ইবনু আবূ তালিব (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বর দিবসে মুত’আ বিবাহ করতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি গৃহপালিত গাধার গোশ্ত আহার করতেও নিষেধ করেছেন। (বুখারী ৪২১৬, মুসলিম ১৪০৭)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن عبد الله والحسن ابني محمد بن علي بن أبي طالب عن أبيهما عن علي بن أبي طالب رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن متعة النساء يوم خيبر وعن أكل لحوم الحمر الإنسية.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১২৪

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير أن خولة بنت حكيم دخلت على عمر بن الخطاب فقالت إن ربيعة بن أمية استمتع بامرأة فحملت منه فخرج عمر بن الخطاب فزعا يجر رداءه فقال هذه المتعة ولو كنت تقدمت فيها لرجمت.

খাওলা বিন্তে হাকিম (রা) থেকে বর্নিতঃ

রবি’আ ইব্নু উমাইয়া (রা) এক মুওয়াল্লাদ [১] নারীকে মুত’আ বিবাহ করেন এবং সে নারী গর্ভবতী হয়। উমার ইব্নু খাত্তাব এটা শুনে ঘাবড়ে গেলেন এবং আপন চাদর টানতে টানতে বের হলেন। অতঃপর তিনি বললেন : মুত’আ নিষিদ্ধ। লোকদের মধ্যে যদি এ বিষয়ে আমি পূর্বে ঘোষণা করতাম তবে এই (মুত‘আর কারণে) ব্যভিচারীর প্রতি রজম (প্রস্তর নিক্ষেপ) করতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

খাওলা বিন্তে হাকিম (রা) থেকে বর্নিতঃ

রবি’আ ইব্নু উমাইয়া (রা) এক মুওয়াল্লাদ [১] নারীকে মুত’আ বিবাহ করেন এবং সে নারী গর্ভবতী হয়। উমার ইব্নু খাত্তাব এটা শুনে ঘাবড়ে গেলেন এবং আপন চাদর টানতে টানতে বের হলেন। অতঃপর তিনি বললেন : মুত’আ নিষিদ্ধ। লোকদের মধ্যে যদি এ বিষয়ে আমি পূর্বে ঘোষণা করতাম তবে এই (মুত‘আর কারণে) ব্যভিচারীর প্রতি রজম (প্রস্তর নিক্ষেপ) করতাম। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن عروة بن الزبير أن خولة بنت حكيم دخلت على عمر بن الخطاب فقالت إن ربيعة بن أمية استمتع بامرأة فحملت منه فخرج عمر بن الخطاب فزعا يجر رداءه فقال هذه المتعة ولو كنت تقدمت فيها لرجمت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রীতদাসের বিবাহ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১২৫

حدثني يحيى عن مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن يقول ينكح العبد أربع نسوة قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك ১৯৯৭-قال مالك والعبد مخالف للمحلل إن أذن له سيده ثبت نكاحه وإن لم يأذن له سيده فرق بينهما والمحلل يفرق بينهما على كل حال إذا أريد بالنكاح التحليل ১৯৯৮- قال مالك في العبد إذا ملكته امرأته أو الزوج يملك امرأته إن ملك كل واحد منهما صاحبه يكون فسخا بغير طلاق وإن تراجعا بنكاح بعد لم تكن تلك الفرقة طلاقا ১৯৯৯-قال مالك والعبد إذا أعتقته امرأته إذا ملكته وهي في عدة منه لم يتراجعا إلا بنكاح جديد.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রবী‘আ ইব্নু আবদুর রহমান (র)-কে বলতে শুনেছেন, ক্রীতদাস চারটি বিবাহ করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এ বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই উত্তম। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসের বিবাহ এবং মুহাল্লিল-এর বিবাহের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কারণ ক্রীতদাসের মালিক যদি বিবাহের অনুমতি দেয় তবে তার বিবাহ বৈধ হবে। আর যদি মালিক তার বিবাহের অনুমতি না দেয় তবে তাদের উভয়কে (স্বামী ও স্ত্রী) পৃথক করে দেয়া হবে। পক্ষান্তরে মুহাল্লিল ও তার স্ত্রীকে সর্বাবস্থায় পৃথক করে দেওয়া হবে যদি সে হালাল করার উদ্দেশ্যে বিবাহ করে থাকে। মালিক (র) বলেনঃ কোন ক্রীতদাসের স্ত্রী যদি তার মালিক হয়, অথবা স্বামী স্ত্রীর মালিক হয় এমতাবস্থায় স্বামী তার স্ত্রীর অথবা স্ত্রী তার স্বামীর মালিক হওয়ার ফলে তালাক ছাড়াই তাদের বিবাহ ভঙ্গ হয়ে যাবে। আর যদি তারা উভয়ে নূতন বিবাহের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি প্রত্যাবর্তন করে তবে তাদের পূর্ববর্তী পৃথকীকরণ তালাক বলে গণ্য হবে না। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসের স্ত্রী যদি ক্রীতদাসকে মুক্ত করে দেয় এমতাবস্থায় যে, সে তার মালিক হয়েছে, তখন স্ত্রী (বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে) ইদ্দতের মধ্যে রয়েছে, তবে তারা উভয়ে নূতন বিবাহ ছাড়া একে অপরের দিকে প্রত্যাবর্তন করতে পারবে না। (অর্থাৎ নূতনভাবে বিবাহ করতে হবে)।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রবী‘আ ইব্নু আবদুর রহমান (র)-কে বলতে শুনেছেন, ক্রীতদাস চারটি বিবাহ করতে পারে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এ বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটাই উত্তম। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসের বিবাহ এবং মুহাল্লিল-এর বিবাহের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। কারণ ক্রীতদাসের মালিক যদি বিবাহের অনুমতি দেয় তবে তার বিবাহ বৈধ হবে। আর যদি মালিক তার বিবাহের অনুমতি না দেয় তবে তাদের উভয়কে (স্বামী ও স্ত্রী) পৃথক করে দেয়া হবে। পক্ষান্তরে মুহাল্লিল ও তার স্ত্রীকে সর্বাবস্থায় পৃথক করে দেওয়া হবে যদি সে হালাল করার উদ্দেশ্যে বিবাহ করে থাকে। মালিক (র) বলেনঃ কোন ক্রীতদাসের স্ত্রী যদি তার মালিক হয়, অথবা স্বামী স্ত্রীর মালিক হয় এমতাবস্থায় স্বামী তার স্ত্রীর অথবা স্ত্রী তার স্বামীর মালিক হওয়ার ফলে তালাক ছাড়াই তাদের বিবাহ ভঙ্গ হয়ে যাবে। আর যদি তারা উভয়ে নূতন বিবাহের মাধ্যমে একে অপরের প্রতি প্রত্যাবর্তন করে তবে তাদের পূর্ববর্তী পৃথকীকরণ তালাক বলে গণ্য হবে না। মালিক (র) বলেন : ক্রীতদাসের স্ত্রী যদি ক্রীতদাসকে মুক্ত করে দেয় এমতাবস্থায় যে, সে তার মালিক হয়েছে, তখন স্ত্রী (বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে) ইদ্দতের মধ্যে রয়েছে, তবে তারা উভয়ে নূতন বিবাহ ছাড়া একে অপরের দিকে প্রত্যাবর্তন করতে পারবে না। (অর্থাৎ নূতনভাবে বিবাহ করতে হবে)।

حدثني يحيى عن مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن يقول ينكح العبد أربع نسوة قال مالك وهذا أحسن ما سمعت في ذلك ১৯৯৭-قال مالك والعبد مخالف للمحلل إن أذن له سيده ثبت نكاحه وإن لم يأذن له سيده فرق بينهما والمحلل يفرق بينهما على كل حال إذا أريد بالنكاح التحليل ১৯৯৮- قال مالك في العبد إذا ملكته امرأته أو الزوج يملك امرأته إن ملك كل واحد منهما صاحبه يكون فسخا بغير طلاق وإن تراجعا بنكاح بعد لم تكن تلك الفرقة طلاقا ১৯৯৯-قال مالك والعبد إذا أعتقته امرأته إذا ملكته وهي في عدة منه لم يتراجعا إلا بنكاح جديد.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00