মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুযাবানা [১] এবং মুহাকালা [২]
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৯
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمزابنة بيع الثمر بالتمر كيلا وبيع الكرم بالزبيب كيلا.
আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুযাবানা এবং মুহাকালা হতে। মুযাবানা হচ্ছে তাজা খেজুর (যা বৃক্ষে ঝুলন্ত রয়েছে)-কে অনুমান করে সুপক্ব খেজুরের বিনিময়ে বিক্রয় করা। এবং তাজা আঙ্গুর ফলকে [লতাতে ঝুলন্তাবস্থায়] আন্দাজ করে শুষ্ক আঙ্গুর-এর বিনিময়ে বিক্রয় করা। (বুখারী ২১৭১, মুসলিম ১৫৪২)
আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুযাবানা এবং মুহাকালা হতে। মুযাবানা হচ্ছে তাজা খেজুর (যা বৃক্ষে ঝুলন্ত রয়েছে)-কে অনুমান করে সুপক্ব খেজুরের বিনিময়ে বিক্রয় করা। এবং তাজা আঙ্গুর ফলকে [লতাতে ঝুলন্তাবস্থায়] আন্দাজ করে শুষ্ক আঙ্গুর-এর বিনিময়ে বিক্রয় করা। (বুখারী ২১৭১, মুসলিম ১৫৪২)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمزابنة بيع الثمر بالتمر كيلا وبيع الكرم بالزبيب كيلا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯০
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي سفيان مولى ابن أبي أحمد عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمحاقلة والمزابنة اشتراء الثمر بالتمر في رءوس النخل والمحاقلة كراء الأرض بالحنطة.
আবূ সায়ীদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুযাবানা এবং মুহাকালা হতে। মুযাবানা হচ্ছে সুপক্ব খুর্মার বিনিময়ে তাজা খেজুরকে আন্দাজ করে ক্রয় করা যা বৃক্ষচূড়ায় (ঝুলন্ত) রয়েছে। আর মুহাকালা হচ্ছে গমের বিনিময়ে ভূমি ভাড়াতে (ভাড়া) দেওয়া। (বুখারী ২১৮৬, মুসলিম ১৫৪৬)
আবূ সায়ীদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুযাবানা এবং মুহাকালা হতে। মুযাবানা হচ্ছে সুপক্ব খুর্মার বিনিময়ে তাজা খেজুরকে আন্দাজ করে ক্রয় করা যা বৃক্ষচূড়ায় (ঝুলন্ত) রয়েছে। আর মুহাকালা হচ্ছে গমের বিনিময়ে ভূমি ভাড়াতে (ভাড়া) দেওয়া। (বুখারী ২১৮৬, মুসলিম ১৫৪৬)
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي سفيان مولى ابن أبي أحمد عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمحاقلة والمزابنة اشتراء الثمر بالتمر في رءوس النخل والمحاقلة كراء الأرض بالحنطة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯১
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمحاقلة والمزابنة اشتراء الثمر بالتمر والمحاقلة اشتراء الزرع بالحنطة واستكراء الأرض بالحنطة قال ابن شهاب فسألت سعيد بن المسيب عن استكراء الأرض بالذهب والورق فقال لا بأس بذلك قال مالك نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المزابنة وتفسير المزابنة أن كل شيء من الجزاف الذي لا يعلم كيله ولا وزنه ولا عدده ابتيع بشيء مسمى من الكيل أو الوزن أو العدد وذلك أن يقول الرجل للرجل يكون له الطعام المصبر الذي لا يعلم كيله من الحنطة أو التمر أو ما أشبه ذلك من الأطعمة أو يكون للرجل السلعة من الحنطة أو النوى أو القضب أو العصفر أو الكرسف أو الكتان أو القز أو ما أشبه ذلك من السلع لا يعلم كيل شيء من ذلك ولا وزنه ولا عدده فيقول الرجل لرب تلك السلعة كل سلعتك هذه أو مر من يكيلها أو زن من ذلك ما يوزن أو عد من ذلك ما كان يعد فما نقص عن كيل كذا وكذا صاعا لتسمية يسميها أو وزن كذا وكذا رطلا أو عدد كذا وكذا فما نقص من ذلك فعلي غرمه لك حتى أوفيك تلك التسمية فما زاد على تلك التسمية فهو لي أضمن ما نقص من ذلك على أن يكون لي ما زاد فليس ذلك بيعا ولكنه المخاطرة والغرر والقمار يدخل هذا لأنه لم يشتر منه شيئا بشيء أخرجه ولكنه ضمن له ما سمي من ذلك الكيل أو الوزن أو العدد على أن يكون له ما زاد على ذلك فإن نقصت تلك السلعة عن تلك التسمية أخذ من مال صاحبه ما نقص بغير ثمن ولا هبة طيبة بها نفسه فهذا يشبه القمار وما كان مثل هذا من الأشياء فذلك يدخله -قال مالك ومن ذلك أيضا أن يقول الرجل للرجل له الثوب أضمن لك من ثوبك هذا كذا وكذا ظهارة قلنسوة قدر كل ظهارة كذا وكذا لشيء يسميه فما نقص من ذلك فعلي غرمه حتى أوفيك وما زاد فلي أو أن يقول الرجل للرجل أضمن لك من ثيابك هذي كذا وكذا قميصا ذرع كل قميص كذا وكذا فما نقص من ذلك فعلي غرمه وما زاد على ذلك فلي أو أن يقول الرجل للرجل له الجلود من جلود البقر أو الإبل أقطع جلودك هذه نعالا على إمام يريه إياه فما نقص من مائة زوج فعلي غرمه وما زاد فهو لي بما ضمنت لك ومما يشبه ذلك أن يقول الرجل للرجل عنده حب البان اعصر حبك هذا فما نقص من كذا وكذا رطلا فعلي أن يقول الرجل للرجل عنده حب البان اعصر حبك هذا فما نقص من كذا وكذا رطلا فعلي أن أعطيكه وما زاد فهو لي فهذا كله وما أشبهه من الأشياء أو ضارعه من المزابنة التي لا تصلح ولا تجوز وكذلك أيضا إذا قال الرجل للرجل له الخبط أو النوى أو الكرسف أو الكتان أو القضب أو العصفر أبتاع منك هذا الخبط بكذا وكذا صاعا من خبط يخبط مثل خبطه أو هذا النوى بكذا وكذا صاعا من نوى مثله وفي العصفر والكرسف والكتان والقضب مثل ذلك فهذا كله يرجع إلى ما وصفنا من المزابنة.
সায়ীদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা ও মুহাকালা হতে নিষেধ করেছেন। মুযাবানা হচ্ছে সুপক্ব খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর ক্রয় করা। আর মুহাকালা হচ্ছে গমের বিনিময়ে ক্ষেত ক্রয় করা। এবং গমের বিনিময়ে শস্যক্ষেত্র ভাড়া (ভাগ) নেয়া। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবন শিহাব (রহঃ) বলেনঃ আমি সায়ীদ ইবন মুসায়্যাবের নিকট প্রশ্ন করলাম স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে ভূমি ভাড়া (ভাগ) গ্রহণ করা সম্পর্কে। তিনি (উত্তরে) বললেনঃ এতে কোন ক্ষতি নেই (অর্থাৎ জায়েয আছে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাকে নিষেধ করেছেন। আর মুযাবানার তাফসীর হচ্ছে এই যে, অনুমানের যে কোন বস্তু যার পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা অজ্ঞাত, উহাকে ক্রয় করা হয়েছে পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা দ্বারা সুনির্দিষ্ট বস্তুর বিনিময়ে। যেমন এক ব্যক্তির গাদা করা খাদ্যদ্রব্য রয়েছে; গম, খুরমা অথবা ইহার সদৃশ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যেগুলোর পরিমাণ অজ্ঞাত কিংবা এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে আসবাব-বৃক্ষপত্র ও ঘাস গুটলী [ফলের আঁটি] ডাল-পালা, কুমকুম, তুলা, কাতান বস্ত্র, কাঁচা রেশম, কিংবা এদের সদৃশ অন্য কোন সামগ্রী যেসবের কোন কিছুরই পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা জ্ঞাত নয়, (উপরিউক্ত) খাদ্যদ্রব্য কিংবা আসবাবের মালিককে এক ব্যক্তি বলল, আপনি কোন ব্যক্তিকে আপনার আসবাব পরিমাণ করার নির্দেশ দিন। কিংবা যা ওজন করার যোগ্য তাকে ওজন করুন, অথবা যা গণনা করার উপযোগী তাকে গণনা করুন। এত এত সা’ হতে [১] যা নির্ধারিত করা হয় উহা হতে যা কম হবে, কিংবা এত এত রতল [২] (অর্ধসের) ওজন হতে যা ঘটে যাবে অথবা এত এত [৩] সংখ্যা হতে যত কম হবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি করব সেই পরিমাণ বা ওজন, কিংবা সংখ্যা যা নির্ধারিত হয়েছে তার। সেই পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আমার দায়িত্ব থাকবে। আর নির্ধারিত পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা হতে যা বাড়তি হবে তা হবে আমার প্রাপ্য। যে পরিমাণ কম হবে সে পরিমাণের ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকব এই শর্তে যে, যা বাড়তি হবে তা পরিমাণ কম হবে সে পরিমাণ ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকিব এই শর্তে যে, যাহা বাড়তি হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। এটা কোন বিক্রয় নয়। বরং এতে রয়েছে ঝুঁকি ও প্রতারণা আর জুয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। মুযাবানার মতো এটাও নিষিদ্ধ। কারণ নিজ হতে কোন মূল্য প্রদান করে কোন বস্তু বিক্রেতা হতে ক্রয় করা হয়নি। কিন্তু সে আসবাবের মালিকের জন্য জামিন হয়েছে। যে পরিমাণ, ওজন এবং সংখ্যা সে নির্ধারণ করেছে তা হতে বাড়তি হলে উহা সে পাবে, আর নির্ধারিত পরিমাণ হতে সামান্য ঘাটতি হলে তবে ঘাটতি পূরণার্থে জামিনদারের মাল হতে ঘাটতি পরিমাণ মাল গ্রহণ করবে। অথচ ইহা মূল্যও নয় এমন দানও নয় যা হৃষ্টচিত্তে দান করা হয়েছে। তাই এটা জুয়া তুল্য, যেকোন (ক্রয়-বিক্রয় আদান-প্রদান) এইরূপ হবে, উহা জুয়ার মতো হবে (এবং মুযাবানার মতো নিষিদ্ধ হবে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুযাবানার অন্তর্গত এটাও- যে ব্যক্তির নিকট কাপড় আছে তাকে আর এক ব্যক্তি বললঃ আপনার এই কাপড় হতে এত এত [ধরা যাক একশত কিংবা দুইশত] জামার বেষ্টনী ও টুপী তৈরীর দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রতিটি বেষ্টনীর পরিমাণ এত এত হবে যা নির্দিষ্ট রূপে উল্লেখ করল। [৪] এই সংখ্যা হতে যা কম হবে তার জরিমানা আমার জিম্মায়। আমি উহা আপনাকে পূর্ণ করে দিব, আর যা বাড়তি হবে তা হবে আমার। কিংবা এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, আপনার এই কাপড় হতে এত এত কামিজ তৈরির ব্যাপারে আমি জামিন আছি, প্রতিটি কামিজের আয়তন এত এত হবে, উহা হতে যতটুকু কমতি হবে উহার জরিমানা আমার উপর। আর যা বাড়তি হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। কিংবা যার কাছে গরু অথবা উটের চামড়া রয়েছে তাকে কেউ বলল, আমি আপনার এইসব চামড়া হতে এই পরিমাণের যা দেখান হয়েছে জুতা তৈয়ার করব। একশত জোড়ার কম যা হবে তার ক্ষতিপূরণ আমি করব। এই ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব গ্রহণের বিনিময়ে যা বাড়তি হবে উহা আমার হবে। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে হাব্বুল-বানা [এক প্রকারের গাছ যার পাতা নিম গাছের পাতার মত উহার ফলের বীজ দ্বারা তৈল প্রস্তুত করা হয়।] তাকে আর এক ব্যক্তি বলল, আপনার এই বীজ আমি নিঙরিয়ে [তৈল বের করে] দিব। এত এত রাতল [অর্ধসের ওজনের একটি পরিমাপ মাত্র] পরিমাণ হতে যা কমতি হবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি আপনাকে আদায় করব। আর যা অতিরিক্ত হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। এই সব (যা উল্লেখ হয়েছে) এবং উহার সদৃশ বস্তুসমূহ কিংবা যা এই সবের মতন হয় সব মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত এবং তা অবৈধ। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে ঘাস-পাতা, ফলের আঁটি, তুলা, কাতান বস্ত্র, ডাল পালা, কুমকুম ইত্যাদি। অন্য এক ব্যক্তি সেই ব্যক্তিকে বলল, আমি আপনার নিকট এই ঘাসপাতা এত এত সা’ অনুরূপ ঘাসের বিনিময়ে ক্রয় করলাম, কিংবা এই ফলের আঁটিগুলো এত এত সা’ অনুরূপ ফলের আঁটির বিনিময়ে ক্রয় করলাম। এইরূপভাবে কুমকুম, তুলা, কাতান এবং ডাল-পালার ব্যাপারেও বলা হল। এই সবই আমাদের (সাবেক) বর্ণিত মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত হবে।
সায়ীদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা ও মুহাকালা হতে নিষেধ করেছেন। মুযাবানা হচ্ছে সুপক্ব খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর ক্রয় করা। আর মুহাকালা হচ্ছে গমের বিনিময়ে ক্ষেত ক্রয় করা। এবং গমের বিনিময়ে শস্যক্ষেত্র ভাড়া (ভাগ) নেয়া। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবন শিহাব (রহঃ) বলেনঃ আমি সায়ীদ ইবন মুসায়্যাবের নিকট প্রশ্ন করলাম স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে ভূমি ভাড়া (ভাগ) গ্রহণ করা সম্পর্কে। তিনি (উত্তরে) বললেনঃ এতে কোন ক্ষতি নেই (অর্থাৎ জায়েয আছে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাকে নিষেধ করেছেন। আর মুযাবানার তাফসীর হচ্ছে এই যে, অনুমানের যে কোন বস্তু যার পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা অজ্ঞাত, উহাকে ক্রয় করা হয়েছে পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা দ্বারা সুনির্দিষ্ট বস্তুর বিনিময়ে। যেমন এক ব্যক্তির গাদা করা খাদ্যদ্রব্য রয়েছে; গম, খুরমা অথবা ইহার সদৃশ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যেগুলোর পরিমাণ অজ্ঞাত কিংবা এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে আসবাব-বৃক্ষপত্র ও ঘাস গুটলী [ফলের আঁটি] ডাল-পালা, কুমকুম, তুলা, কাতান বস্ত্র, কাঁচা রেশম, কিংবা এদের সদৃশ অন্য কোন সামগ্রী যেসবের কোন কিছুরই পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা জ্ঞাত নয়, (উপরিউক্ত) খাদ্যদ্রব্য কিংবা আসবাবের মালিককে এক ব্যক্তি বলল, আপনি কোন ব্যক্তিকে আপনার আসবাব পরিমাণ করার নির্দেশ দিন। কিংবা যা ওজন করার যোগ্য তাকে ওজন করুন, অথবা যা গণনা করার উপযোগী তাকে গণনা করুন। এত এত সা’ হতে [১] যা নির্ধারিত করা হয় উহা হতে যা কম হবে, কিংবা এত এত রতল [২] (অর্ধসের) ওজন হতে যা ঘটে যাবে অথবা এত এত [৩] সংখ্যা হতে যত কম হবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি করব সেই পরিমাণ বা ওজন, কিংবা সংখ্যা যা নির্ধারিত হয়েছে তার। সেই পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আমার দায়িত্ব থাকবে। আর নির্ধারিত পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা হতে যা বাড়তি হবে তা হবে আমার প্রাপ্য। যে পরিমাণ কম হবে সে পরিমাণের ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকব এই শর্তে যে, যা বাড়তি হবে তা পরিমাণ কম হবে সে পরিমাণ ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকিব এই শর্তে যে, যাহা বাড়তি হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। এটা কোন বিক্রয় নয়। বরং এতে রয়েছে ঝুঁকি ও প্রতারণা আর জুয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। মুযাবানার মতো এটাও নিষিদ্ধ। কারণ নিজ হতে কোন মূল্য প্রদান করে কোন বস্তু বিক্রেতা হতে ক্রয় করা হয়নি। কিন্তু সে আসবাবের মালিকের জন্য জামিন হয়েছে। যে পরিমাণ, ওজন এবং সংখ্যা সে নির্ধারণ করেছে তা হতে বাড়তি হলে উহা সে পাবে, আর নির্ধারিত পরিমাণ হতে সামান্য ঘাটতি হলে তবে ঘাটতি পূরণার্থে জামিনদারের মাল হতে ঘাটতি পরিমাণ মাল গ্রহণ করবে। অথচ ইহা মূল্যও নয় এমন দানও নয় যা হৃষ্টচিত্তে দান করা হয়েছে। তাই এটা জুয়া তুল্য, যেকোন (ক্রয়-বিক্রয় আদান-প্রদান) এইরূপ হবে, উহা জুয়ার মতো হবে (এবং মুযাবানার মতো নিষিদ্ধ হবে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুযাবানার অন্তর্গত এটাও- যে ব্যক্তির নিকট কাপড় আছে তাকে আর এক ব্যক্তি বললঃ আপনার এই কাপড় হতে এত এত [ধরা যাক একশত কিংবা দুইশত] জামার বেষ্টনী ও টুপী তৈরীর দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রতিটি বেষ্টনীর পরিমাণ এত এত হবে যা নির্দিষ্ট রূপে উল্লেখ করল। [৪] এই সংখ্যা হতে যা কম হবে তার জরিমানা আমার জিম্মায়। আমি উহা আপনাকে পূর্ণ করে দিব, আর যা বাড়তি হবে তা হবে আমার। কিংবা এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, আপনার এই কাপড় হতে এত এত কামিজ তৈরির ব্যাপারে আমি জামিন আছি, প্রতিটি কামিজের আয়তন এত এত হবে, উহা হতে যতটুকু কমতি হবে উহার জরিমানা আমার উপর। আর যা বাড়তি হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। কিংবা যার কাছে গরু অথবা উটের চামড়া রয়েছে তাকে কেউ বলল, আমি আপনার এইসব চামড়া হতে এই পরিমাণের যা দেখান হয়েছে জুতা তৈয়ার করব। একশত জোড়ার কম যা হবে তার ক্ষতিপূরণ আমি করব। এই ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব গ্রহণের বিনিময়ে যা বাড়তি হবে উহা আমার হবে। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে হাব্বুল-বানা [এক প্রকারের গাছ যার পাতা নিম গাছের পাতার মত উহার ফলের বীজ দ্বারা তৈল প্রস্তুত করা হয়।] তাকে আর এক ব্যক্তি বলল, আপনার এই বীজ আমি নিঙরিয়ে [তৈল বের করে] দিব। এত এত রাতল [অর্ধসের ওজনের একটি পরিমাপ মাত্র] পরিমাণ হতে যা কমতি হবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি আপনাকে আদায় করব। আর যা অতিরিক্ত হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। এই সব (যা উল্লেখ হয়েছে) এবং উহার সদৃশ বস্তুসমূহ কিংবা যা এই সবের মতন হয় সব মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত এবং তা অবৈধ। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে ঘাস-পাতা, ফলের আঁটি, তুলা, কাতান বস্ত্র, ডাল পালা, কুমকুম ইত্যাদি। অন্য এক ব্যক্তি সেই ব্যক্তিকে বলল, আমি আপনার নিকট এই ঘাসপাতা এত এত সা’ অনুরূপ ঘাসের বিনিময়ে ক্রয় করলাম, কিংবা এই ফলের আঁটিগুলো এত এত সা’ অনুরূপ ফলের আঁটির বিনিময়ে ক্রয় করলাম। এইরূপভাবে কুমকুম, তুলা, কাতান এবং ডাল-পালার ব্যাপারেও বলা হল। এই সবই আমাদের (সাবেক) বর্ণিত মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত হবে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمحاقلة والمزابنة اشتراء الثمر بالتمر والمحاقلة اشتراء الزرع بالحنطة واستكراء الأرض بالحنطة قال ابن شهاب فسألت سعيد بن المسيب عن استكراء الأرض بالذهب والورق فقال لا بأس بذلك قال مالك نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المزابنة وتفسير المزابنة أن كل شيء من الجزاف الذي لا يعلم كيله ولا وزنه ولا عدده ابتيع بشيء مسمى من الكيل أو الوزن أو العدد وذلك أن يقول الرجل للرجل يكون له الطعام المصبر الذي لا يعلم كيله من الحنطة أو التمر أو ما أشبه ذلك من الأطعمة أو يكون للرجل السلعة من الحنطة أو النوى أو القضب أو العصفر أو الكرسف أو الكتان أو القز أو ما أشبه ذلك من السلع لا يعلم كيل شيء من ذلك ولا وزنه ولا عدده فيقول الرجل لرب تلك السلعة كل سلعتك هذه أو مر من يكيلها أو زن من ذلك ما يوزن أو عد من ذلك ما كان يعد فما نقص عن كيل كذا وكذا صاعا لتسمية يسميها أو وزن كذا وكذا رطلا أو عدد كذا وكذا فما نقص من ذلك فعلي غرمه لك حتى أوفيك تلك التسمية فما زاد على تلك التسمية فهو لي أضمن ما نقص من ذلك على أن يكون لي ما زاد فليس ذلك بيعا ولكنه المخاطرة والغرر والقمار يدخل هذا لأنه لم يشتر منه شيئا بشيء أخرجه ولكنه ضمن له ما سمي من ذلك الكيل أو الوزن أو العدد على أن يكون له ما زاد على ذلك فإن نقصت تلك السلعة عن تلك التسمية أخذ من مال صاحبه ما نقص بغير ثمن ولا هبة طيبة بها نفسه فهذا يشبه القمار وما كان مثل هذا من الأشياء فذلك يدخله -قال مالك ومن ذلك أيضا أن يقول الرجل للرجل له الثوب أضمن لك من ثوبك هذا كذا وكذا ظهارة قلنسوة قدر كل ظهارة كذا وكذا لشيء يسميه فما نقص من ذلك فعلي غرمه حتى أوفيك وما زاد فلي أو أن يقول الرجل للرجل أضمن لك من ثيابك هذي كذا وكذا قميصا ذرع كل قميص كذا وكذا فما نقص من ذلك فعلي غرمه وما زاد على ذلك فلي أو أن يقول الرجل للرجل له الجلود من جلود البقر أو الإبل أقطع جلودك هذه نعالا على إمام يريه إياه فما نقص من مائة زوج فعلي غرمه وما زاد فهو لي بما ضمنت لك ومما يشبه ذلك أن يقول الرجل للرجل عنده حب البان اعصر حبك هذا فما نقص من كذا وكذا رطلا فعلي أن يقول الرجل للرجل عنده حب البان اعصر حبك هذا فما نقص من كذا وكذا رطلا فعلي أن أعطيكه وما زاد فهو لي فهذا كله وما أشبهه من الأشياء أو ضارعه من المزابنة التي لا تصلح ولا تجوز وكذلك أيضا إذا قال الرجل للرجل له الخبط أو النوى أو الكرسف أو الكتان أو القضب أو العصفر أبتاع منك هذا الخبط بكذا وكذا صاعا من خبط يخبط مثل خبطه أو هذا النوى بكذا وكذا صاعا من نوى مثله وفي العصفر والكرسف والكتان والقضب مثل ذلك فهذا كله يرجع إلى ما وصفنا من المزابنة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফল বিক্রয় সম্পর্কীয় বিবিধ বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯২
قال مالك من اشترى ثمرا من نخل مسماة أو حائط مسمى أو لبنا من غنم مسماة إنه لا بأس بذلك إذا كان يؤخذ عاجلا يشرع المشتري في أخذه عند دفعه الثمن وإنما مثل ذلك بمنزلة راوية زيت يبتاع منها رجل بدينار أو دينارين ويعطيه ذهبه ويشترط عليه أن يكيل له منها فهذا لا بأس به فإن انشقت الراوية فذهب زيتها فليس للمبتاع إلا ذهبه ولا يكون بينهما بيع وأما كل شيء كان حاضرا يشترى على وجهه مثل اللبن إذا حلب والرطب يستجنى فيأخذ المبتاع يوما بيوم فلا بأس به فإن فني قبل أن يستوفي المشتري ما اشترى رد عليه البائع من ذهبه بحساب ما بقي له أو يأخذ منه المشتري سلعة بما بقي له يتراضيان عليها ولا يفارقه حتى يأخذها فإن فارقه فإن ذلك مكروه لأنه يدخله الدين بالدين وقد نهي عن الكالئ بالكالئ فإن وقع في بيعهما أجل فإنه مكروه ولا يحل فيه تأخير ولا نظرة ولا يصلح إلا بصفة معلومة إلى أجل مسمى فيضمن ذلك البائع للمبتاع ولا يسمى ذلك في حائط بعينه ولا في غنم بأعيانها و سئل مالك عن الرجل يشتري من الرجل الحائط فيه ألوان من النخل من العجوة والكبيس والعذق وغير ذلك من ألوان التمر فيستثني منها ثمر النخلة أو النخلات يختارها من نخله فقال مالك ذلك لا يصلح لأنه إذا صنع ذلك ترك ثمر النخلة من العجوة ومكيلة ثمرها خمسة عشر صاعا وأخذ مكانها ثمر نخلة من الكبيس ومكيلة ثمرها عشرة أصوع أو أخذ العجوة التي فيها خمسة عشر صاعا وترك التي فيها عشرة أصوع من الكبيس فكأنه اشترى العجوة بالكبيس متفاضلا وذلك مثل أن يقول الرجل للرجل بين يديه صبر من التمر قد صبر العجوة فجعلها خمسة عشر صاعا وجعل صبرة الكبيس عشرة آصع وجعل صبرة العذق اثني عشر صاعا فأعطى صاحب التمر دينارا على أنه يختار فيأخذ أي تلك الصبر شاء قال مالك فهذا لا يصلح و سئل مالك عن الرجل يشتري الرطب من صاحب الحائط فيسلفه الدينار ماذا له إذا ذهب رطب ذلك الحائط قال مالك يحاسب صاحب الحائط ثم يأخذ ما بقي له من ديناره إن كان أخذ بثلثي دينار رطبا أخذ ثلث الدينار الذي بقي له وإن كان أخذ ثلاثة أرباع ديناره رطبا أخذ الربع الذي بقي له أو يتراضيان بينهما فيأخذ بما بقي له من ديناره عند صاحب الحائط ما بدا له إن أحب أن يأخذ تمرا أو سلعة سوى التمر أخذها بما فضل له فإن أخذ تمرا أو سلعة أخرى فلا يفارقه حتى يستوفي ذلك منه قال مالك وإنما هذا بمنزلة أن يكري الرجل الرجل راحلة بعينها أو يؤاجر غلامه الخياط أو النجار أو العمال لغير ذلك من الأعمال أو يكري مسكنه ويستلف إجارة ذلك الغلام أو كراء ذلك المسكن أو تلك الراحلة ثم يحدث في ذلك حدث بموت أو غير ذلك فيرد رب الراحلة أو العبد أو المسكن إلى الذي سلفه ما بقي من كراء الراحلة أو إجارة العبد أو كراء المسكن يحاسب صاحبه بما استوفى من ذلك إن كان استوفى نصف حقه رد عليه النصف الباقي الذي له عنده وإن كان أقل من ذلك أو أكثر فبحساب ذلك يرد إليه ما بقي له قال مالك ولا يصلح التسليف في شيء من هذا يسلف فيه بعينه إلا أن يقبض المسلف ما سلف فيه عند دفعه الذهب إلى صاحبه يقبض العبد أو الراحلة أو المسكن أو يبدأ فيما اشترى من الرطب فيأخذ منه عند دفعه الذهب إلى صاحبه لا يصلح أن يكون في شيء من ذلك تأخير ولا أجل قال مالك وتفسير ما كره من ذلك أن يقول الرجل للرجل أسلفك في راحلتك فلانة أركبها في الحج وبينه وبين الحج أجل من الزمان أو يقول مثل ذلك في العبد أو المسكن فإنه إذا صنع ذلك كان إنما يسلفه ذهبا على أنه إن وجد تلك الراحلة صحيحة لذلك الأجل الذي سمى له فهي له بذلك الكراء وإن حدث بها حدث من موت أو غيره رد عليه ذهبه وكانت عليه على وجه السلف عنده قال مالك وإنما فرق بين ذلك القبض من قبض ما استأجر أو استكرى فقد خرج من الغرر والسلف الذي يكره وأخذ أمرا معلوما وإنما مثل ذلك أن يشتري الرجل العبد أو الوليدة فيقبضهما وينقد أثمانهما فإن حدث بهما حدث من عهدة السنة أخذ ذهبه من صاحبه الذي ابتاع منه فهذا لا بأس به وبهذا مضت السنة في بيع الرقيق قال مالك ومن استأجر عبدا بعينه أو تكارى راحلة بعينها إلى أجل يقبض العبد أو الراحلة إلى ذلك الأجل فقد عمل بما لا يصلح لا هو قبض ما استكرى أو استأجر ولا هو سلف في دين يكون ضامنا على صاحبه حتى يستوفيه أن أعطيكه وما زاد فهو لي فهذا كله وما أشبهه من الأشياء أو ضارعه من المزابنة التي لا تصلح ولا تجوز وكذلك أيضا إذا قال الرجل للرجل له الخبط أو النوى أو الكرسف أو الكتان أو القضب أو العصفر أبتاع منك هذا الخبط بكذا وكذا صاعا من خبط يخبط مثل خبطه أو هذا النوى بكذا وكذا صاعا من نوى مثله وفي العصفر والكرسف والكتان والقضب مثل ذلك فهذا كله يرجع إلى ما وصفنا من المزابنة
মালিক (রহঃ) বলেনঃ থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি নির্দিষ্ট খেজুর গাছের খেজুর খরিদ করেছে কিংবা নির্দিষ্ট বাগানের ফল খরিদ করেছে অথবা নির্দিষ্ট বকরীর দুধ ক্রয় করেছে, নগদ অর্থে গ্রহণ করা হলে এতে কোন নিষেধ নেই। ক্রেতা মূল্য যখন আদায় করবে তখন অধিকারেও আনবে। এর সদৃশ (বিষয়) এই, যেমন একটি তৈলপাত্র রয়েছে। উহা হতে এক ব্যক্তি এক দীনার কিংবা দুই দীনারের তৈল খরিদ করল এবং উহার মূল্য বিক্রেতাকে আদায় করল, তার উপর শর্তারোপ করল যে, এই তৈলপাত্র হতে ক্রেতাকে তৈল ওজন করে দেবে। এতে কোন নিষেধ নেই। তারপর যদি তৈলপাত্র ফেটে যায় এবং উহার তৈল নিঃশেষ হয়ে যায়, তবে ক্রেতা শুধু মূল্য ফেরত পাবে। তাদের উভয়ের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় সাব্যস্ত হবে না। [১] মালিক (রহঃ) বলেনঃ যেকোন উপস্থিত দ্রব্য যাকে উহার রীতি অনুযায়ী ক্রয় করা হয়, যেমন-দুধ দোহন করার পর, খেজুর পরিপক্ব হওয়ার পর ক্রেতা দৈনিক উহা গ্রহণ করবে। এতে কোন ক্ষতি নেই। যদি বিক্রিত মাল পুরাপুরি কব্জা করার পূর্বে নিঃশেষ হয়ে যায়, তবে যেই পরিমাণ অবশিষ্ট রয়েছে হিসাব মতো উহার মূল্য বিক্রেতা ক্রেতাকে ফেরত দিবে, কিংবা উভয়ের সন্তুষ্টিতে অবশিষ্ট দ্রব্যের মূল্য বাবদ অন্য কোন বস্তু ক্রেতা গ্রহণ করবে এবং সেই বস্তু কব্জা না করে ক্রেতা পৃথক হবে না। পৃথক হলে মাকরূহ হবে, কারণ সে এক ঋণের মধ্যে অন্য এক ঋণ প্রবেশ করাল। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধারের বিনিময়ে ধার বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। উহাদের ক্রয়-বিক্রয়ে যদি সময় দেয়া থাকে তবে উহা মাকরূহ হবে। এতে কোন প্রকার বিলম্ব জায়েয হবে না এবং সময় দেয়া যাবে না। বিলম্বে বিক্রয়ে সময় এবং দ্রব্য নির্দিষ্ট হবে। বিক্রেতা সেই নির্দিষ্ট দ্রব্য ক্রেতাকে সোপর্দ করার জন্য দায়ী থাকবে। বিশেষ বাগান বা বিশেষ বকরী নির্দিষ্ট করা চলবে না। [২] মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হল সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি কোন লোক হতে একটি বাগান ক্রয় করল যাতে রয়েছে বিভিন্ন জাতের খেজুর বৃক্ষ, ‘আজওয়াহ’ [৩], কবীস [৪] ‘আজক’ [৫] ইত্যাদি নানা রকমের খেজুরের গাছ। বিক্রেতা আপন বাগান হতে একটি কিংবা কয়েকটি খেজুর গাছ (নিজের জন্য) আলাদা করে রাখল। [এই কয়টি খেজুর বৃক্ষ নিজে রাখবে] মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা তার জন্য জায়েয হবে না। কারণ সে যদি এইরূপ করে তবে সে ‘আজওয়াহ’ খেজুর বৃক্ষ ছেড়ে দিল যার খেজুরের পরিমাণ হল পনের সা’ এবং উহার স্থলে কবীস গ্রহণ করল যার খেজুরের পরিমাণ হল দশ সা’ [৬]। আর যদি ‘আজওয়াহ্ গ্রহণ করল যার পরিমাণ পনের সা’ এবং যেই বৃক্ষে দশ সা’ কবীস রয়েছে উহা ছেড়ে দিল [ক্রেতার জন্য]। তবে সে যেন কবীসের বিনিময়ে ‘আজওয়াহ্ ক্রয় করল, এতে পরিমাণে বেশ-কম হয়ে গেল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এর দৃষ্টান্ত এইরূপ, যেমন এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, যার সম্মুখে কয়েকটি খেজুরের স্তূপ রয়েছে; ‘আজওয়ার স্তূপ করেছে পনের সা’, আর কবীসের স্তূপ করেছে দশ সা’, ‘আজক-এর স্তূপ করেছে বার সা’-ক্রেতা খেজুরের মালিককে এক দীনার প্রদান করলেন এবং শর্ত করলেন যে, যেই স্তূপ তার ইচ্ছা সে পছন্দ করে নিবে। মালিক (রহঃ) বলেন, এটা জায়েয হবে না। [৭] মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে ব্যক্তি খেজুর ক্রয় করেছে বাগানের মালিকের নিকট হতে, অতঃপর উহাকে এক দীনার অগ্রিম দিল। যদি সেই বাগানের খেজুর নষ্ট হয়ে যায়, তবে ক্রেতা (তার দীনারের বিনিময়ে) কি পাবে? মালিক (রহঃ) উত্তরে বললেন- ক্রেতা বাগানের মালিকের সাথে হিসাব করবে, তারপর দীনার হতে যা প্রাপ্য থাকে তা বিক্রেতা হতে আদায় করবে। (দৃষ্টান্তস্বরূপ) ক্রেতা যদি (খেজুর নষ্ট হওয়ার পূর্বে) দীনারের দুই-তৃতীয়াংশ পরিমাণ খেজুর আদায় করে থাকেন তবে (এখন নষ্ট হওয়ার পর) দীনারের অবশিষ্ট এক-তৃতীয়াংশ উশুল করবে। আর যদি দীনারের তিন-চতুর্থাংশ পরিমাণ খেজুর আদায় করে থাকে তবে অবশিষ্ট এক-চতুর্থাংশ [বিক্রেতা হতে] উশুল করবে। কিংবা তারা উভয়ে পরস্পরের সন্তুষ্টিতে (বিষয়) নিষ্পত্তি করে নিবে; ক্রেতা অবশিষ্ট দীনারের বিনিময়ে বাগানের মালিক হতে তার খুশীমত দ্রব্য গ্রহণ করবে; খেজুর পছন্দ হলে খেজুর গ্রহণ করবে অথবা খেজুর ব্যতীত অন্য কোন দ্রব্য অবশিষ্ট দীনারের বিনিময়ে উহা গ্রহণ করবে। ক্রেতা যদি খেজুর কিংবা অন্য দ্রব্য গ্রহণ করে তবে উহা পূর্ণ অধিকারে না আনা পর্যন্ত ক্রেতা বিক্রেতা হতে পৃথক হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা এইরূপ যেমন এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট ভারবাহী বা যাত্রীবাহী নির্দিষ্ট উট ভাড়াতে দিল অথবা নিজের দর্জি কিংবা ছুতার কিংবা শ্রমিক ক্রীতদাসকে ভিন্ন কাজের জন্য ভাড়ায় দিল। অথবা নিজের ঘর ভাড়ায় দিল এবং গোলাম ইজারাতে দেয়ার অর্থ কিংবা ঘরভাড়া কিংবা ভারবাহী বা যাত্রীবাহী সেই উটের ভাড়া অগ্রিম আদায় করল, তারপর এতে মৃত্যু বা অন্য কোন দুর্যোগ ঘটল। তবে উটের মালিক কিংবা গোলামের কর্তা অথবা বাড়ীর মালিক, উটের ভাড়া, কিংবা গোলামের ইজারা অথবা বাড়ি ভাড়ার অবশিষ্ট অর্থ অগ্রিমদাতাকে ফেরত দিবে। ভাড়াদাতা ভাড়া গ্রহীতার সাথে হিসাব করে দেখবে কি পরিমাণ সে গ্রহণ করেছে; যদি সে তার অর্ধেক হক গ্রহণ করিয়া থাকে তবে ভাড়াদাতা অবশিষ্ট অর্ধেক ভাড়া গ্রহীতাকে ফেরত দিবে। আর যদি অর্ধেক কিংবা বেশি হয় তবে সেই হিসাব মত যা অবশিষ্ট রয়েছে উহা ভাড়া গ্রহীতাকে ফেরত দিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উপরোল্লিখিত এই সবের কোনটিতে অগ্রিম দেয়া জায়েয নয়, নির্দিষ্ট কোন বস্তুতে অগ্রিম প্রদান করল (এটা জায়েয নয়) কিন্তু যে বস্তুর জন্য অগ্রিম দিচ্ছে অগ্রিম অর্থ দেয়ার সময় অগ্রিমদাতা যদি সেই বস্তু অধিকার করে থাকে; ক্রীতদাস, কিংবা ভারবাহী বা যাত্রীবাহী উট কিংবা বাড়ির দখল নেয় অথবা বিক্রেতার নিকট অর্থ দেয়ার সময় অগ্রিমদাতা যে খেজুর ক্রয় করেছে উহা অধিকার করে। এই সবের কোনটির ব্যাপারে বিলম্ব করা বা সময় দান করা জায়েয হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ (অগ্রিম প্রদানে) মাকরূহ, এর ব্যাখ্যা হল এই, একজন লোক অন্য একজনকে বলল, আপনার অমুক সাওয়ারীর উট বাবদ আমি আপনাকে (এত টাকা) অগ্রিম দিচ্ছি উদ্দেশ্য হচ্ছে হজ্জে যাওয়া। (তখন) হজ্জের সময় অনেক দূরে রয়েছে অথবা অনুরূপ বলল, ক্রীতদাস কিংবা ঘর সম্পর্কে। এইরূপ করলে সে ব্যক্তি যেন স্বর্ণ (অর্থ) অগ্রিম দিচ্ছে এই শর্তের উপর যদি সেই সওয়ারীর উট নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিখুঁত থাকে তবে উহা অগ্রিমদাতার হবে সেই ভাড়াতে। আর যদি সেই সওয়ারীর মৃত্যু হয় বা অন্য কোন দুর্ঘটনা ঘটে, তবে উহার মালিক অগ্রিমদাতার অর্থ ফেরত দিবে। এই অর্থ তার নিকট নির্দিষ্ট সময় উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত ঋণস্বরূপ ছিল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উপরিউক্ত অধিকার ও এই অধিকারের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান; তা হল ইজারায় গৃহীত বস্তু বা ভাড়াকৃত বস্তু (সাথে সাথে) কব্জা করে নেয়, এতে ধোঁকা হতে এবং অবৈধ ঋণ হতে নিরাপদে থাকা যায় এবং সে একটি নির্দিষ্ট বস্তু গ্রহণ করল। এর দৃষ্টান্ত এইরূপ- এক ব্যক্তি কোন ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসী খরিদ করল এবং উভয়ে দখল নিল। (সাথে সাথে) উভয়ের মূল্য পরিশোধ করে দিল। (এর পর) যদি উভয়ের মধ্যে বার্ষিক জিম্মাদারী সংক্রান্ত কোন আপদ দেখা দেয়, তবে বিক্রেতা হতে অর্থ ফেরত নিবে। এতে কোন দোষ নেই। ক্রীতদাস বিক্রয়ের বিষয়ে এটাই প্রচলিত সুন্নাত (নিয়ম)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট ক্রীতদাস ইজারা নিয়েছে, অথবা কোন পশু ভাড়াতে গ্রহণ করেছে, কব্জার জন্য সময় নির্ধারিত করেছে, ইহা সে অবৈধ কার্য সম্পাদন করেছে, কারণ গ্রহীতা ইজারা নেওয়া ক্রীতদাস বা ভাড়া করা পশুকে দখলে আনেনি। আর সে এমন কোন ঋণও দেয়নি যে ঋণের জন্য ইজারা বা ভাড়াদাতা তাবৎ জামিন থাকে যাবত গ্রহীতা পূর্ণরূপে উহাকে অধিকারে না আনে।
মালিক (রহঃ) বলেনঃ থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি নির্দিষ্ট খেজুর গাছের খেজুর খরিদ করেছে কিংবা নির্দিষ্ট বাগানের ফল খরিদ করেছে অথবা নির্দিষ্ট বকরীর দুধ ক্রয় করেছে, নগদ অর্থে গ্রহণ করা হলে এতে কোন নিষেধ নেই। ক্রেতা মূল্য যখন আদায় করবে তখন অধিকারেও আনবে। এর সদৃশ (বিষয়) এই, যেমন একটি তৈলপাত্র রয়েছে। উহা হতে এক ব্যক্তি এক দীনার কিংবা দুই দীনারের তৈল খরিদ করল এবং উহার মূল্য বিক্রেতাকে আদায় করল, তার উপর শর্তারোপ করল যে, এই তৈলপাত্র হতে ক্রেতাকে তৈল ওজন করে দেবে। এতে কোন নিষেধ নেই। তারপর যদি তৈলপাত্র ফেটে যায় এবং উহার তৈল নিঃশেষ হয়ে যায়, তবে ক্রেতা শুধু মূল্য ফেরত পাবে। তাদের উভয়ের মধ্যে ক্রয়-বিক্রয় সাব্যস্ত হবে না। [১] মালিক (রহঃ) বলেনঃ যেকোন উপস্থিত দ্রব্য যাকে উহার রীতি অনুযায়ী ক্রয় করা হয়, যেমন-দুধ দোহন করার পর, খেজুর পরিপক্ব হওয়ার পর ক্রেতা দৈনিক উহা গ্রহণ করবে। এতে কোন ক্ষতি নেই। যদি বিক্রিত মাল পুরাপুরি কব্জা করার পূর্বে নিঃশেষ হয়ে যায়, তবে যেই পরিমাণ অবশিষ্ট রয়েছে হিসাব মতো উহার মূল্য বিক্রেতা ক্রেতাকে ফেরত দিবে, কিংবা উভয়ের সন্তুষ্টিতে অবশিষ্ট দ্রব্যের মূল্য বাবদ অন্য কোন বস্তু ক্রেতা গ্রহণ করবে এবং সেই বস্তু কব্জা না করে ক্রেতা পৃথক হবে না। পৃথক হলে মাকরূহ হবে, কারণ সে এক ঋণের মধ্যে অন্য এক ঋণ প্রবেশ করাল। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ধারের বিনিময়ে ধার বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। উহাদের ক্রয়-বিক্রয়ে যদি সময় দেয়া থাকে তবে উহা মাকরূহ হবে। এতে কোন প্রকার বিলম্ব জায়েয হবে না এবং সময় দেয়া যাবে না। বিলম্বে বিক্রয়ে সময় এবং দ্রব্য নির্দিষ্ট হবে। বিক্রেতা সেই নির্দিষ্ট দ্রব্য ক্রেতাকে সোপর্দ করার জন্য দায়ী থাকবে। বিশেষ বাগান বা বিশেষ বকরী নির্দিষ্ট করা চলবে না। [২] মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হল সেই ব্যক্তি সম্পর্কে, যে ব্যক্তি কোন লোক হতে একটি বাগান ক্রয় করল যাতে রয়েছে বিভিন্ন জাতের খেজুর বৃক্ষ, ‘আজওয়াহ’ [৩], কবীস [৪] ‘আজক’ [৫] ইত্যাদি নানা রকমের খেজুরের গাছ। বিক্রেতা আপন বাগান হতে একটি কিংবা কয়েকটি খেজুর গাছ (নিজের জন্য) আলাদা করে রাখল। [এই কয়টি খেজুর বৃক্ষ নিজে রাখবে] মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা তার জন্য জায়েয হবে না। কারণ সে যদি এইরূপ করে তবে সে ‘আজওয়াহ’ খেজুর বৃক্ষ ছেড়ে দিল যার খেজুরের পরিমাণ হল পনের সা’ এবং উহার স্থলে কবীস গ্রহণ করল যার খেজুরের পরিমাণ হল দশ সা’ [৬]। আর যদি ‘আজওয়াহ্ গ্রহণ করল যার পরিমাণ পনের সা’ এবং যেই বৃক্ষে দশ সা’ কবীস রয়েছে উহা ছেড়ে দিল [ক্রেতার জন্য]। তবে সে যেন কবীসের বিনিময়ে ‘আজওয়াহ্ ক্রয় করল, এতে পরিমাণে বেশ-কম হয়ে গেল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এর দৃষ্টান্ত এইরূপ, যেমন এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, যার সম্মুখে কয়েকটি খেজুরের স্তূপ রয়েছে; ‘আজওয়ার স্তূপ করেছে পনের সা’, আর কবীসের স্তূপ করেছে দশ সা’, ‘আজক-এর স্তূপ করেছে বার সা’-ক্রেতা খেজুরের মালিককে এক দীনার প্রদান করলেন এবং শর্ত করলেন যে, যেই স্তূপ তার ইচ্ছা সে পছন্দ করে নিবে। মালিক (রহঃ) বলেন, এটা জায়েয হবে না। [৭] মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হল এক ব্যক্তি সম্বন্ধে, যে ব্যক্তি খেজুর ক্রয় করেছে বাগানের মালিকের নিকট হতে, অতঃপর উহাকে এক দীনার অগ্রিম দিল। যদি সেই বাগানের খেজুর নষ্ট হয়ে যায়, তবে ক্রেতা (তার দীনারের বিনিময়ে) কি পাবে? মালিক (রহঃ) উত্তরে বললেন- ক্রেতা বাগানের মালিকের সাথে হিসাব করবে, তারপর দীনার হতে যা প্রাপ্য থাকে তা বিক্রেতা হতে আদায় করবে। (দৃষ্টান্তস্বরূপ) ক্রেতা যদি (খেজুর নষ্ট হওয়ার পূর্বে) দীনারের দুই-তৃতীয়াংশ পরিমাণ খেজুর আদায় করে থাকেন তবে (এখন নষ্ট হওয়ার পর) দীনারের অবশিষ্ট এক-তৃতীয়াংশ উশুল করবে। আর যদি দীনারের তিন-চতুর্থাংশ পরিমাণ খেজুর আদায় করে থাকে তবে অবশিষ্ট এক-চতুর্থাংশ [বিক্রেতা হতে] উশুল করবে। কিংবা তারা উভয়ে পরস্পরের সন্তুষ্টিতে (বিষয়) নিষ্পত্তি করে নিবে; ক্রেতা অবশিষ্ট দীনারের বিনিময়ে বাগানের মালিক হতে তার খুশীমত দ্রব্য গ্রহণ করবে; খেজুর পছন্দ হলে খেজুর গ্রহণ করবে অথবা খেজুর ব্যতীত অন্য কোন দ্রব্য অবশিষ্ট দীনারের বিনিময়ে উহা গ্রহণ করবে। ক্রেতা যদি খেজুর কিংবা অন্য দ্রব্য গ্রহণ করে তবে উহা পূর্ণ অধিকারে না আনা পর্যন্ত ক্রেতা বিক্রেতা হতে পৃথক হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এটা এইরূপ যেমন এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট ভারবাহী বা যাত্রীবাহী নির্দিষ্ট উট ভাড়াতে দিল অথবা নিজের দর্জি কিংবা ছুতার কিংবা শ্রমিক ক্রীতদাসকে ভিন্ন কাজের জন্য ভাড়ায় দিল। অথবা নিজের ঘর ভাড়ায় দিল এবং গোলাম ইজারাতে দেয়ার অর্থ কিংবা ঘরভাড়া কিংবা ভারবাহী বা যাত্রীবাহী সেই উটের ভাড়া অগ্রিম আদায় করল, তারপর এতে মৃত্যু বা অন্য কোন দুর্যোগ ঘটল। তবে উটের মালিক কিংবা গোলামের কর্তা অথবা বাড়ীর মালিক, উটের ভাড়া, কিংবা গোলামের ইজারা অথবা বাড়ি ভাড়ার অবশিষ্ট অর্থ অগ্রিমদাতাকে ফেরত দিবে। ভাড়াদাতা ভাড়া গ্রহীতার সাথে হিসাব করে দেখবে কি পরিমাণ সে গ্রহণ করেছে; যদি সে তার অর্ধেক হক গ্রহণ করিয়া থাকে তবে ভাড়াদাতা অবশিষ্ট অর্ধেক ভাড়া গ্রহীতাকে ফেরত দিবে। আর যদি অর্ধেক কিংবা বেশি হয় তবে সেই হিসাব মত যা অবশিষ্ট রয়েছে উহা ভাড়া গ্রহীতাকে ফেরত দিবে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উপরোল্লিখিত এই সবের কোনটিতে অগ্রিম দেয়া জায়েয নয়, নির্দিষ্ট কোন বস্তুতে অগ্রিম প্রদান করল (এটা জায়েয নয়) কিন্তু যে বস্তুর জন্য অগ্রিম দিচ্ছে অগ্রিম অর্থ দেয়ার সময় অগ্রিমদাতা যদি সেই বস্তু অধিকার করে থাকে; ক্রীতদাস, কিংবা ভারবাহী বা যাত্রীবাহী উট কিংবা বাড়ির দখল নেয় অথবা বিক্রেতার নিকট অর্থ দেয়ার সময় অগ্রিমদাতা যে খেজুর ক্রয় করেছে উহা অধিকার করে। এই সবের কোনটির ব্যাপারে বিলম্ব করা বা সময় দান করা জায়েয হবে না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ (অগ্রিম প্রদানে) মাকরূহ, এর ব্যাখ্যা হল এই, একজন লোক অন্য একজনকে বলল, আপনার অমুক সাওয়ারীর উট বাবদ আমি আপনাকে (এত টাকা) অগ্রিম দিচ্ছি উদ্দেশ্য হচ্ছে হজ্জে যাওয়া। (তখন) হজ্জের সময় অনেক দূরে রয়েছে অথবা অনুরূপ বলল, ক্রীতদাস কিংবা ঘর সম্পর্কে। এইরূপ করলে সে ব্যক্তি যেন স্বর্ণ (অর্থ) অগ্রিম দিচ্ছে এই শর্তের উপর যদি সেই সওয়ারীর উট নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত নিখুঁত থাকে তবে উহা অগ্রিমদাতার হবে সেই ভাড়াতে। আর যদি সেই সওয়ারীর মৃত্যু হয় বা অন্য কোন দুর্ঘটনা ঘটে, তবে উহার মালিক অগ্রিমদাতার অর্থ ফেরত দিবে। এই অর্থ তার নিকট নির্দিষ্ট সময় উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত ঋণস্বরূপ ছিল। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উপরিউক্ত অধিকার ও এই অধিকারের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান; তা হল ইজারায় গৃহীত বস্তু বা ভাড়াকৃত বস্তু (সাথে সাথে) কব্জা করে নেয়, এতে ধোঁকা হতে এবং অবৈধ ঋণ হতে নিরাপদে থাকা যায় এবং সে একটি নির্দিষ্ট বস্তু গ্রহণ করল। এর দৃষ্টান্ত এইরূপ- এক ব্যক্তি কোন ক্রীতদাস বা ক্রীতদাসী খরিদ করল এবং উভয়ে দখল নিল। (সাথে সাথে) উভয়ের মূল্য পরিশোধ করে দিল। (এর পর) যদি উভয়ের মধ্যে বার্ষিক জিম্মাদারী সংক্রান্ত কোন আপদ দেখা দেয়, তবে বিক্রেতা হতে অর্থ ফেরত নিবে। এতে কোন দোষ নেই। ক্রীতদাস বিক্রয়ের বিষয়ে এটাই প্রচলিত সুন্নাত (নিয়ম)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট ক্রীতদাস ইজারা নিয়েছে, অথবা কোন পশু ভাড়াতে গ্রহণ করেছে, কব্জার জন্য সময় নির্ধারিত করেছে, ইহা সে অবৈধ কার্য সম্পাদন করেছে, কারণ গ্রহীতা ইজারা নেওয়া ক্রীতদাস বা ভাড়া করা পশুকে দখলে আনেনি। আর সে এমন কোন ঋণও দেয়নি যে ঋণের জন্য ইজারা বা ভাড়াদাতা তাবৎ জামিন থাকে যাবত গ্রহীতা পূর্ণরূপে উহাকে অধিকারে না আনে।
قال مالك من اشترى ثمرا من نخل مسماة أو حائط مسمى أو لبنا من غنم مسماة إنه لا بأس بذلك إذا كان يؤخذ عاجلا يشرع المشتري في أخذه عند دفعه الثمن وإنما مثل ذلك بمنزلة راوية زيت يبتاع منها رجل بدينار أو دينارين ويعطيه ذهبه ويشترط عليه أن يكيل له منها فهذا لا بأس به فإن انشقت الراوية فذهب زيتها فليس للمبتاع إلا ذهبه ولا يكون بينهما بيع وأما كل شيء كان حاضرا يشترى على وجهه مثل اللبن إذا حلب والرطب يستجنى فيأخذ المبتاع يوما بيوم فلا بأس به فإن فني قبل أن يستوفي المشتري ما اشترى رد عليه البائع من ذهبه بحساب ما بقي له أو يأخذ منه المشتري سلعة بما بقي له يتراضيان عليها ولا يفارقه حتى يأخذها فإن فارقه فإن ذلك مكروه لأنه يدخله الدين بالدين وقد نهي عن الكالئ بالكالئ فإن وقع في بيعهما أجل فإنه مكروه ولا يحل فيه تأخير ولا نظرة ولا يصلح إلا بصفة معلومة إلى أجل مسمى فيضمن ذلك البائع للمبتاع ولا يسمى ذلك في حائط بعينه ولا في غنم بأعيانها و سئل مالك عن الرجل يشتري من الرجل الحائط فيه ألوان من النخل من العجوة والكبيس والعذق وغير ذلك من ألوان التمر فيستثني منها ثمر النخلة أو النخلات يختارها من نخله فقال مالك ذلك لا يصلح لأنه إذا صنع ذلك ترك ثمر النخلة من العجوة ومكيلة ثمرها خمسة عشر صاعا وأخذ مكانها ثمر نخلة من الكبيس ومكيلة ثمرها عشرة أصوع أو أخذ العجوة التي فيها خمسة عشر صاعا وترك التي فيها عشرة أصوع من الكبيس فكأنه اشترى العجوة بالكبيس متفاضلا وذلك مثل أن يقول الرجل للرجل بين يديه صبر من التمر قد صبر العجوة فجعلها خمسة عشر صاعا وجعل صبرة الكبيس عشرة آصع وجعل صبرة العذق اثني عشر صاعا فأعطى صاحب التمر دينارا على أنه يختار فيأخذ أي تلك الصبر شاء قال مالك فهذا لا يصلح و سئل مالك عن الرجل يشتري الرطب من صاحب الحائط فيسلفه الدينار ماذا له إذا ذهب رطب ذلك الحائط قال مالك يحاسب صاحب الحائط ثم يأخذ ما بقي له من ديناره إن كان أخذ بثلثي دينار رطبا أخذ ثلث الدينار الذي بقي له وإن كان أخذ ثلاثة أرباع ديناره رطبا أخذ الربع الذي بقي له أو يتراضيان بينهما فيأخذ بما بقي له من ديناره عند صاحب الحائط ما بدا له إن أحب أن يأخذ تمرا أو سلعة سوى التمر أخذها بما فضل له فإن أخذ تمرا أو سلعة أخرى فلا يفارقه حتى يستوفي ذلك منه قال مالك وإنما هذا بمنزلة أن يكري الرجل الرجل راحلة بعينها أو يؤاجر غلامه الخياط أو النجار أو العمال لغير ذلك من الأعمال أو يكري مسكنه ويستلف إجارة ذلك الغلام أو كراء ذلك المسكن أو تلك الراحلة ثم يحدث في ذلك حدث بموت أو غير ذلك فيرد رب الراحلة أو العبد أو المسكن إلى الذي سلفه ما بقي من كراء الراحلة أو إجارة العبد أو كراء المسكن يحاسب صاحبه بما استوفى من ذلك إن كان استوفى نصف حقه رد عليه النصف الباقي الذي له عنده وإن كان أقل من ذلك أو أكثر فبحساب ذلك يرد إليه ما بقي له قال مالك ولا يصلح التسليف في شيء من هذا يسلف فيه بعينه إلا أن يقبض المسلف ما سلف فيه عند دفعه الذهب إلى صاحبه يقبض العبد أو الراحلة أو المسكن أو يبدأ فيما اشترى من الرطب فيأخذ منه عند دفعه الذهب إلى صاحبه لا يصلح أن يكون في شيء من ذلك تأخير ولا أجل قال مالك وتفسير ما كره من ذلك أن يقول الرجل للرجل أسلفك في راحلتك فلانة أركبها في الحج وبينه وبين الحج أجل من الزمان أو يقول مثل ذلك في العبد أو المسكن فإنه إذا صنع ذلك كان إنما يسلفه ذهبا على أنه إن وجد تلك الراحلة صحيحة لذلك الأجل الذي سمى له فهي له بذلك الكراء وإن حدث بها حدث من موت أو غيره رد عليه ذهبه وكانت عليه على وجه السلف عنده قال مالك وإنما فرق بين ذلك القبض من قبض ما استأجر أو استكرى فقد خرج من الغرر والسلف الذي يكره وأخذ أمرا معلوما وإنما مثل ذلك أن يشتري الرجل العبد أو الوليدة فيقبضهما وينقد أثمانهما فإن حدث بهما حدث من عهدة السنة أخذ ذهبه من صاحبه الذي ابتاع منه فهذا لا بأس به وبهذا مضت السنة في بيع الرقيق قال مالك ومن استأجر عبدا بعينه أو تكارى راحلة بعينها إلى أجل يقبض العبد أو الراحلة إلى ذلك الأجل فقد عمل بما لا يصلح لا هو قبض ما استكرى أو استأجر ولا هو سلف في دين يكون ضامنا على صاحبه حتى يستوفيه أن أعطيكه وما زاد فهو لي فهذا كله وما أشبهه من الأشياء أو ضارعه من المزابنة التي لا تصلح ولا تجوز وكذلك أيضا إذا قال الرجل للرجل له الخبط أو النوى أو الكرسف أو الكتان أو القضب أو العصفر أبتاع منك هذا الخبط بكذا وكذا صاعا من خبط يخبط مثل خبطه أو هذا النوى بكذا وكذا صاعا من نوى مثله وفي العصفر والكرسف والكتان والقضب مثل ذلك فهذا كله يرجع إلى ما وصفنا من المزابنة
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ফল বিক্রয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৩
قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من ابتاع شيئا من الفاكهة من رطبها أو يابسها فإنه لا يبيعه حتى يستوفيه ولا يباع شيء منها بعضه ببعض إلا يدا بيد وما كان منها مما ييبس فيصير فاكهة يابسة تدخر وتؤكل فلا يباع بعضه ببعض إلا يدا بيد ومثلا بمثل إذا كان من صنف واحد فإن كان من صنفين مختلفين فلا بأس بأن يباع منه اثنان بواحد يدا بيد ولا يصلح إلى أجل وما كان منها مما لا ييبس ولا يدخر وإنما يؤكل رطبا كهيئة البطيخ والقثاء والخربز والجزر والأترج والموز والرمان وما كان مثله وإن يبس لم يكن فاكهة بعد ذلك وليس هو مما يدخر ويكون فاكهة قال فأراه حقيقا أن يؤخذ منه من صنف واحد اثنان بواحد يدا بيد فإذا لم يدخل فيه شيء من الأجل فإنه لا بأس به.
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এই বিষয়ে আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই, যে ব্যক্তি কোন ফল, তাজা হোক বা শুষ্ক হোক, ক্রয় করে, তবে উহাতে পূর্ণ কব্জা না করা পর্যন্ত উহা বিক্রয় করবে না। আর ফলের এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে নগদ ছাড়া বিক্রয় করবে না। আর যেই ফলকে শুকানো হয়, শুকিয়ে শুষ্ক ফল হিসেবে সঞ্চয় করে রাখা হয় এবং খাওয়া হয়- সেই সব ফলের এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে নগদ এবং সমপরিমাণ ছাড়া বিক্রয় করা যাবে না যদি একই জাতের হয়। তবে যদি পরস্পর ভিন্ন দুই জাতের ফল হয় তা হলে সেই ফলের একটির বিনিময়ে দুটি বিক্রয় করাতে নগদ হলে এতে কোন দোষ নেই। ধারে বিক্রয় করা জায়েয হবে না। আর যেই সব ফল শুকানো হয় না এবং সঞ্চয়ও করা হয় না বরং উহা তাজা খাওয়া হয়; যেমন তরমুজ, ক্ষিরাই, খরবুযা, লেবু, কলা, গাজর, আনার, আরও যা এই জাতীয় ফল আছে। এইসব ফল বেশি পাকলে (আহারযোগ্য) থাকে না এবং এইসব ফল শুষ্করূপে সঞ্চিতও রাখা হয় না। এই ফলের ব্যাপারে আমি এক জাতের হইলেও একের বিনিময়ে দুই গ্রহণ করা নগদ বৈধ বলে মনে করি, যদি ধারে না হয় তবে এতে কোন দোষ নেই।
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
এই বিষয়ে আমাদের নিকট সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত এই, যে ব্যক্তি কোন ফল, তাজা হোক বা শুষ্ক হোক, ক্রয় করে, তবে উহাতে পূর্ণ কব্জা না করা পর্যন্ত উহা বিক্রয় করবে না। আর ফলের এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে নগদ ছাড়া বিক্রয় করবে না। আর যেই ফলকে শুকানো হয়, শুকিয়ে শুষ্ক ফল হিসেবে সঞ্চয় করে রাখা হয় এবং খাওয়া হয়- সেই সব ফলের এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে নগদ এবং সমপরিমাণ ছাড়া বিক্রয় করা যাবে না যদি একই জাতের হয়। তবে যদি পরস্পর ভিন্ন দুই জাতের ফল হয় তা হলে সেই ফলের একটির বিনিময়ে দুটি বিক্রয় করাতে নগদ হলে এতে কোন দোষ নেই। ধারে বিক্রয় করা জায়েয হবে না। আর যেই সব ফল শুকানো হয় না এবং সঞ্চয়ও করা হয় না বরং উহা তাজা খাওয়া হয়; যেমন তরমুজ, ক্ষিরাই, খরবুযা, লেবু, কলা, গাজর, আনার, আরও যা এই জাতীয় ফল আছে। এইসব ফল বেশি পাকলে (আহারযোগ্য) থাকে না এবং এইসব ফল শুষ্করূপে সঞ্চিতও রাখা হয় না। এই ফলের ব্যাপারে আমি এক জাতের হইলেও একের বিনিময়ে দুই গ্রহণ করা নগদ বৈধ বলে মনে করি, যদি ধারে না হয় তবে এতে কোন দোষ নেই।
قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن من ابتاع شيئا من الفاكهة من رطبها أو يابسها فإنه لا يبيعه حتى يستوفيه ولا يباع شيء منها بعضه ببعض إلا يدا بيد وما كان منها مما ييبس فيصير فاكهة يابسة تدخر وتؤكل فلا يباع بعضه ببعض إلا يدا بيد ومثلا بمثل إذا كان من صنف واحد فإن كان من صنفين مختلفين فلا بأس بأن يباع منه اثنان بواحد يدا بيد ولا يصلح إلى أجل وما كان منها مما لا ييبس ولا يدخر وإنما يؤكل رطبا كهيئة البطيخ والقثاء والخربز والجزر والأترج والموز والرمان وما كان مثله وإن يبس لم يكن فاكهة بعد ذلك وليس هو مما يدخر ويكون فاكهة قال فأراه حقيقا أن يؤخذ منه من صنف واحد اثنان بواحد يدا بيد فإذا لم يدخل فيه شيء من الأجل فإنه لا بأس به.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > রৌপ্যের বিনিময়ে স্বর্ণ বিক্রয় প্রসঙ্গ মুদ্রা হোক, ঢালাইবিহীন রৌপ্য বা স্বর্ণ হোক
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৫
و حدثني عن مالك عن موسى بن أبي تميم عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم لا فضل بينهما.
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- দীনারের বিনিময়ে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি ক্রয়-বিক্রয় চলবে না। (সহীহ, মুসলিম ১৫৮৮)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- দীনারের বিনিময়ে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে দিরহাম, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি ক্রয়-বিক্রয় চলবে না। (সহীহ, মুসলিম ১৫৮৮)
و حدثني عن مالك عن موسى بن أبي تميم عن أبي الحباب سعيد بن يسار عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم لا فضل بينهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৮
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن جده مالك بن أبي عامر أن عثمان بن عفان قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تبيعوا الدينار بالدينارين ولا الدرهم بالدرهمين.
উসমান ইবন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তোমরা এক দীনারকে দুই দীনারের বিনিময়ে এবং এক দিরহামকে দুই দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করো না। (সহীহ, ইমাম মুসলিম অন্য মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৫৮৫, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটিতে ==== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)
উসমান ইবন আফফান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তোমরা এক দীনারকে দুই দীনারের বিনিময়ে এবং এক দিরহামকে দুই দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করো না। (সহীহ, ইমাম মুসলিম অন্য মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৫৮৫, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটিতে ==== তথা বিচ্ছিন্নতা রয়েছে।)
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن جده مالك بن أبي عامر أن عثمان بن عفان قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تبيعوا الدينار بالدينارين ولا الدرهم بالدرهمين.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৪
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم السعدين أن يبيعا آنية من المغانم من ذهب أو فضة فباعا كل ثلاثة بأربعة عينا أو كل أربعة بثلاثة عينا فقال لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم أربيتما فردا.
ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় সা’দকে [১] গনীমতের স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যের বাসন [২] বিক্রয় করার নির্দেশ দিলেন। তাঁরা উভয়ে তিনটি বাসন চার দীনারের বিনিময়ে অথবা [রাবী বলেছেন] প্রতি চারটি বাসন তিন দীনারের বিনিময়ে বিক্রয় করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমরা সুদের ব্যবসা করেছ। তাই তোমরা ইহা ফিরিয়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয় সা’দকে [১] গনীমতের স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যের বাসন [২] বিক্রয় করার নির্দেশ দিলেন। তাঁরা উভয়ে তিনটি বাসন চার দীনারের বিনিময়ে অথবা [রাবী বলেছেন] প্রতি চারটি বাসন তিন দীনারের বিনিময়ে বিক্রয় করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, তোমরা সুদের ব্যবসা করেছ। তাই তোমরা ইহা ফিরিয়ে দাও। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال أمر رسول الله صلى الله عليه وسلم السعدين أن يبيعا آنية من المغانم من ذهب أو فضة فباعا كل ثلاثة بأربعة عينا أو كل أربعة بثلاثة عينا فقال لهما رسول الله صلى الله عليه وسلم أربيتما فردا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৬
و حدثني عن مالك عن نافع عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا منها شيئا غائبا بناجز.
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, স্বর্ণকে স্বর্ণের বিনিময়ে সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না এবং স্বর্ণের এক অংশকে অন্য অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রয় করো না। (অনুরূপ) চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না এবং উহার এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রি করো না, আর উহা হতে নগদের বিনিময়ে বাকী বিক্রয় করো না। (বুখারী ২১৭৭, মুসলিম ১৫৮৪)
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, স্বর্ণকে স্বর্ণের বিনিময়ে সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না এবং স্বর্ণের এক অংশকে অন্য অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রয় করো না। (অনুরূপ) চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না এবং উহার এক অংশকে অপর অংশের বিনিময়ে বাড়তি বিক্রি করো না, আর উহা হতে নগদের বিনিময়ে বাকী বিক্রয় করো না। (বুখারী ২১৭৭, মুসলিম ১৫৮৪)
و حدثني عن مالك عن نافع عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا منها شيئا غائبا بناجز.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৭
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن مجاهد أنه قال كنت مع عبد الله بن عمر فجاءه صائغ فقال له يا أبا عبد الرحمن إني أصوغ الذهب ثم أبيع الشيء من ذلك بأكثر من وزنه فأستفضل من ذلك قدر عمل يدي فنهاه عبد الله عن ذلك فجعل الصائغ يردد عليه المسألة وعبد الله ينهاه حتى انتهى إلى باب المسجد أو إلى دابة يريد أن يركبها ثم قال عبد الله بن عمر الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم لا فضل بينهما هذا عهد نبينا إلينا وعهدنا إليكم.
মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি (একবার) আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। একজন স্বর্ণকার তাঁর কাছে উপস্থিত হয়ে বলল- হে আবূ আবদির রহমান! আমি স্বর্ণে কারুকার্যের কাজ করি, অতঃপর উহার ওজনের চাইতে অধিক ওজনে বিক্রয় করি; এতে আমি শ্রম অনুযায়ী বাড়তি গ্রহণ করতে পারি কি? আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) তাকে নিষেধ করলেন। স্বর্ণকার এই মাসআলা তাঁর কাছে বারবার পেশ করছিল আর আবদুল্লাহ্ (রাঃ) তাকে নিষেধ করছিলেন। এইভাবে মসজিদের দ্বারপ্রান্তে কিংবা যে সওয়ারীতে আরোহণ করলেন উহার কাছে উপনীত হলেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) বললেন, দীনার দীনারের বিনিময়ে এবং দীরহাম দীরহামের বিনিময়ে, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি (ক্রয়-বিক্রয়) বৈধ নয়। ইহা আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওসীয়ত আমাদের প্রতি এবং আমাদের ওসীয়তও (ইহাই) তোমাদের প্রতি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুজাহিদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি (একবার) আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। একজন স্বর্ণকার তাঁর কাছে উপস্থিত হয়ে বলল- হে আবূ আবদির রহমান! আমি স্বর্ণে কারুকার্যের কাজ করি, অতঃপর উহার ওজনের চাইতে অধিক ওজনে বিক্রয় করি; এতে আমি শ্রম অনুযায়ী বাড়তি গ্রহণ করতে পারি কি? আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) তাকে নিষেধ করলেন। স্বর্ণকার এই মাসআলা তাঁর কাছে বারবার পেশ করছিল আর আবদুল্লাহ্ (রাঃ) তাকে নিষেধ করছিলেন। এইভাবে মসজিদের দ্বারপ্রান্তে কিংবা যে সওয়ারীতে আরোহণ করলেন উহার কাছে উপনীত হলেন। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) বললেন, দীনার দীনারের বিনিময়ে এবং দীরহাম দীরহামের বিনিময়ে, এতদুভয়ের মধ্যে বাড়তি (ক্রয়-বিক্রয়) বৈধ নয়। ইহা আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওসীয়ত আমাদের প্রতি এবং আমাদের ওসীয়তও (ইহাই) তোমাদের প্রতি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن مجاهد أنه قال كنت مع عبد الله بن عمر فجاءه صائغ فقال له يا أبا عبد الرحمن إني أصوغ الذهب ثم أبيع الشيء من ذلك بأكثر من وزنه فأستفضل من ذلك قدر عمل يدي فنهاه عبد الله عن ذلك فجعل الصائغ يردد عليه المسألة وعبد الله ينهاه حتى انتهى إلى باب المسجد أو إلى دابة يريد أن يركبها ثم قال عبد الله بن عمر الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم لا فضل بينهما هذا عهد نبينا إلينا وعهدنا إليكم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯৯
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن معاوية بن أبي سفيان باع سقاية من ذهب أو ورق بأكثر من وزنها فقال أبو الدرداء سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن مثل هذا إلا مثلا بمثل فقال له معاوية ما أرى بمثل هذا بأسا فقال أبو الدرداء من يعذرني من معاوية أنا أخبره عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ويخبرني عن رأيه لا أساكنك بأرض أنت بها ثم قدم أبو الدرداء على عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فكتب عمر بن الخطاب إلى معاوية أن لا تبيع ذلك إلا مثلا بمثل وزنا بوزن.
আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ থেকে বর্নিতঃ
মু’আবিয়া ইবন আবী সুফিয়ান (রাঃ) স্বর্ণ কিংবা চাঁদির একটি পানপাত্র [সিকায়া] ক্রয় করেছিলেন উহার চাইতে অধিক ওজনের (স্বর্ণ বা চাঁদির) বিনিময়ে। আবুদ্দর্দা (রাঃ) তাকে [উদ্দেশ্য করে] বললেন- আমি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এইরূপ (কার্য) হতে নিষেধ করতে শুনেছি। কিন্তু যদি সমান সমান হয় [তবে উহা বৈধ হবে] মু’আবিয়া (রাঃ) বললেন- আমি এইরূপ কার্যে কোন দোষ মনে করি না, আবুদ্দর্দা (রাঃ) বললেন- [মু’আবিয়ার ব্যাপারে] আমাকে কে মদদ করবে? আমি তাঁকে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসের সংবাদ দিতেছি আর তিনি আমার কাছে তাঁর মত বর্ণনা করছেন। (হে মু’আবিয়া) তুমি যেই স্থানে বসবাস কর, সেই স্থানে আমি তোমার সাথে বসবাস করব না। তারপর আবুদ্দর্দা (রাঃ) উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আগমন করলেন এবং তার নিকট ঘটনা বর্ণনা করলেন। তারপর উমার (রাঃ) মু’আবিয়ার নিকট লিখলেন- এইরূপ বিক্রয় করবেন না, কিন্তু যদি সমান সমান হয় এবং একই পরিমাণের হয় (তবে বিক্রয় করা বৈধ হবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ থেকে বর্নিতঃ
মু’আবিয়া ইবন আবী সুফিয়ান (রাঃ) স্বর্ণ কিংবা চাঁদির একটি পানপাত্র [সিকায়া] ক্রয় করেছিলেন উহার চাইতে অধিক ওজনের (স্বর্ণ বা চাঁদির) বিনিময়ে। আবুদ্দর্দা (রাঃ) তাকে [উদ্দেশ্য করে] বললেন- আমি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এইরূপ (কার্য) হতে নিষেধ করতে শুনেছি। কিন্তু যদি সমান সমান হয় [তবে উহা বৈধ হবে] মু’আবিয়া (রাঃ) বললেন- আমি এইরূপ কার্যে কোন দোষ মনে করি না, আবুদ্দর্দা (রাঃ) বললেন- [মু’আবিয়ার ব্যাপারে] আমাকে কে মদদ করবে? আমি তাঁকে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে হাদীসের সংবাদ দিতেছি আর তিনি আমার কাছে তাঁর মত বর্ণনা করছেন। (হে মু’আবিয়া) তুমি যেই স্থানে বসবাস কর, সেই স্থানে আমি তোমার সাথে বসবাস করব না। তারপর আবুদ্দর্দা (রাঃ) উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আগমন করলেন এবং তার নিকট ঘটনা বর্ণনা করলেন। তারপর উমার (রাঃ) মু’আবিয়ার নিকট লিখলেন- এইরূপ বিক্রয় করবেন না, কিন্তু যদি সমান সমান হয় এবং একই পরিমাণের হয় (তবে বিক্রয় করা বৈধ হবে)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أن معاوية بن أبي سفيان باع سقاية من ذهب أو ورق بأكثر من وزنها فقال أبو الدرداء سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ينهى عن مثل هذا إلا مثلا بمثل فقال له معاوية ما أرى بمثل هذا بأسا فقال أبو الدرداء من يعذرني من معاوية أنا أخبره عن رسول الله صلى الله عليه وسلم ويخبرني عن رأيه لا أساكنك بأرض أنت بها ثم قدم أبو الدرداء على عمر بن الخطاب فذكر ذلك له فكتب عمر بن الخطاب إلى معاوية أن لا تبيع ذلك إلا مثلا بمثل وزنا بوزن.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০০
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال: لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالذهب أحدهما غائب والآخر ناجز وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره إني أخاف عليكم الرماء والرماء هو الربا.
আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন- স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। এবং একটিকে অপরটির উপর বৃদ্ধি করে বিক্রয় করো না। আর চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। উহার এক অংশকে অপর অংশের উপর বাড়তি করে বিক্রয় করো না আর স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করো না যে দুটির একটি অনুপস্থিত, আর অপরটি বর্তমানে মজুদ রয়েছে। (কব্জা করার পূর্বে) যদি মহাজন তার গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্তের জন্য সময় চায় তবে সেই সময়ও তাকে দিও না। আমি তোমাদের বেলায় রামা’-এর আশঙ্কা করি। রামা’ হচ্ছে সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন- স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। এবং একটিকে অপরটির উপর বৃদ্ধি করে বিক্রয় করো না। আর চাঁদির বিনিময়ে চাঁদি সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। উহার এক অংশকে অপর অংশের উপর বাড়তি করে বিক্রয় করো না আর স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করো না যে দুটির একটি অনুপস্থিত, আর অপরটি বর্তমানে মজুদ রয়েছে। (কব্জা করার পূর্বে) যদি মহাজন তার গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্তের জন্য সময় চায় তবে সেই সময়ও তাকে দিও না। আমি তোমাদের বেলায় রামা’-এর আশঙ্কা করি। রামা’ হচ্ছে সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال: لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالذهب أحدهما غائب والآخر ناجز وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره إني أخاف عليكم الرماء والرماء هو الربا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০২
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن القاسم بن محمد أنه قال قال عمر بن الخطاب الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم والصاع بالصاع ولا يباع كالئ بناجز.
উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(ক্রয়-বিক্রয় হবে) দীনার দীনারের বিনিময়ে, দিরহাম দিরহামের বিনিময়ে, সা’ সা’র বিনিময়ে আর নগদকে ধারের বিনিময়ে বিক্রয় করা যাবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(ক্রয়-বিক্রয় হবে) দীনার দীনারের বিনিময়ে, দিরহাম দিরহামের বিনিময়ে, সা’ সা’র বিনিময়ে আর নগদকে ধারের বিনিময়ে বিক্রয় করা যাবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه بلغه عن القاسم بن محمد أنه قال قال عمر بن الخطاب الدينار بالدينار والدرهم بالدرهم والصاع بالصاع ولا يباع كالئ بناجز.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০১
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال: لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا شيئا منها غائبا بناجز وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره إني أخاف عليكم الرماء والرماء هو الربا.
আবদুল্লাহ্ ইবন দিনার (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন- স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না, এবং একটিকে অপরটির উপর বৃদ্ধি করে বিক্রয় করো না। আর চাঁদির সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। উহার এক অংশকে অপর অংশের উপর বাড়তি করে বিক্রয় করো না। আর স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করো না, যে দুটির একটি অনুপস্থিত, আর অপরটি বর্তমানে মওজুদ রয়েছে। (কব্জা করার পূর্বে) যদি মহাজন তার গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্তের জন্য সময় চায় তবে সেই সময়ও তাকে দিও না। আমি তোমাদের বেলায় রামা-এর আশঙ্কা করি। রামা’ হচ্ছে সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবন দিনার (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলেছেন- স্বর্ণের বিনিময়ে স্বর্ণ সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না, এবং একটিকে অপরটির উপর বৃদ্ধি করে বিক্রয় করো না। আর চাঁদির সমান সমান ছাড়া বিক্রয় করো না। উহার এক অংশকে অপর অংশের উপর বাড়তি করে বিক্রয় করো না। আর স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি বিক্রয় করো না, যে দুটির একটি অনুপস্থিত, আর অপরটি বর্তমানে মওজুদ রয়েছে। (কব্জা করার পূর্বে) যদি মহাজন তার গৃহে প্রবেশ করা পর্যন্তের জন্য সময় চায় তবে সেই সময়ও তাকে দিও না। আমি তোমাদের বেলায় রামা-এর আশঙ্কা করি। রামা’ হচ্ছে সুদ। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار عن عبد الله بن عمر أن عمر بن الخطاب قال: لا تبيعوا الذهب بالذهب إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا الورق بالورق إلا مثلا بمثل ولا تشفوا بعضها على بعض ولا تبيعوا شيئا منها غائبا بناجز وإن استنظرك إلى أن يلج بيته فلا تنظره إني أخاف عليكم الرماء والرماء هو الربا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০৩
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول لا ربا إلا في ذهب أو في فضة أو ما يكال أو يوزن بما يؤكل أو يشرب.
আবু যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন- সুদ হয় কেবলমাত্র স্বর্ণে, চাঁদিতে অথবা যেসব দ্রব্য পাত্র দ্বারা পরিমাপ করা হয় কিংবা ওজন করা হয় পানীয় বা খাদ্যদ্রব্য হতে সেসব দ্রব্যে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবু যিনাদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন- সুদ হয় কেবলমাত্র স্বর্ণে, চাঁদিতে অথবা যেসব দ্রব্য পাত্র দ্বারা পরিমাপ করা হয় কিংবা ওজন করা হয় পানীয় বা খাদ্যদ্রব্য হতে সেসব দ্রব্যে। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي الزناد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول لا ربا إلا في ذهب أو في فضة أو ما يكال أو يوزن بما يؤكل أو يشرب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১৩০৪
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول قطع الذهب والورق من الفساد في الأرض، قال مالك ولا بأس أن يشتري الرجل الذهب بالفضة والفضة بالذهب جزافا إذا كان تبرا أو حليا قد صيغ فأما الدراهم المعدودة والدنانير المعدودة فلا ينبغي لأحد أن يشتري شيئا من ذلك. جزافا حتى يعلم ويعد فإن اشتري ذلك جزافا فإنما يراد به الغرر حين يترك عده ويشترى جزافا وليس هذا من بيوع المسلمين فأما ما كان يوزن من التبر والحلي فلا بأس أن يباع ذلك جزافا وإنما ابتياع ذلك جزافا كهيئة الحنطة والتمر ونحوهما من الأطعمة التي تباع جزافا ومثلها يكال فليس بابتياع ذلك جزافا بأس قال مالك من اشترى مصحفا أو سيفا أو خاتما وفي شيء من ذلك ذهب أو فضة بدنانير أو دراهم فإن ما اشتري من ذلك وفيه الذهب بدنانير فإنه ينظر إلى قيمته فإن كانت قيمة ذلك الثلثين وقيمة ما فيه من الذهب الثلث فذلك جائز لا بأس به إذا كان ذلك يدا بيد ولا يكون فيه تأخير وما اشتري من ذلك بالورق مما فيه الورق نظر إلى قيمته فإن كان قيمة ذلك الثلثين وقيمة ما فيه من الورق الثلث فذلك جائز لا بأس به إذا كان ذلك يدا بيد ولم يزل ذلك من أمر الناس عندنا
ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’ঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন স্বর্ণ এবং চাঁদিকে কর্তন করা ধরাপৃষ্ঠে ফ্যাসাদ সৃষ্টির অন্তর্ভূক্ত। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ চাঁদির বিনিময়ে স্বর্ণ এবং স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি অনুমান করে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই, যদি ঢালাইবিহীন স্বর্ণ বা তৈরি গহনা হয়। অবশ্য গণনাযোগ্য দিরহাম বা দীনার হলে সেইসবকে অনুমান করে ক্রয় করা কারো পক্ষে বৈধ নয়। যতক্ষণ যাবত উহার সংখ্যা জানা না যায় এবং উহাকে গণনা করা না হয়। উহাকে অনুমান করে ক্রয় করলে, উহার লক্ষ্য হবে প্রতারণা যখন গণনা করা হল না এবং অনুমান করে ক্রয় করা হইল। এটা মুসলমানদের ক্রয়-বিক্রয়ের অন্তভুক্ত নয়। আর ঢালাইবিহীন স্বর্ণ বা চাঁদি এবং (তৈরি) গহনা যেসব ওজনে বিক্রয় হয় সেই সবকে অনুমান করে বিক্রয় করাতে দোষ নেই। এইসবকে অনুমানে বিক্রয় করা এইরূপ যেমন গম, খুর্মা এবং উহাদের মতো অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যাকে কেউ অনুমান করে বিক্রয় করে যদি উহা ওজন করে বিক্রয় করার মতো দ্রব্য হয়। তাই এইরূপ দ্রব্য অনুমান করে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বর্ণখচিত কুরআন অথবা তলোয়ার অথবা আঙ্গুরীয়কে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করেছে। স্বর্ণখচিত যে বস্তু দীনারের বিনিময়ে ক্রয় করল সে বস্তুর মূল্যের প্রতি লক্ষ্য করতে হবে, যদি উক্ত বস্তুর মূল্য দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) হয় এবং উহাতে লাগানো স্বর্ণের মূল্য হয় এক-তৃতীয়াংশ (১/৩) তবে উহা বৈধ হবে। এতে কোন দোষ নেই যদি নগদ আদান-প্রদান হয়। আমাদের শহরের লোকের মধ্যে এই নিয়মই প্রচলিত আছে।
ইয়াহ্ইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সা’ঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন স্বর্ণ এবং চাঁদিকে কর্তন করা ধরাপৃষ্ঠে ফ্যাসাদ সৃষ্টির অন্তর্ভূক্ত। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ চাঁদির বিনিময়ে স্বর্ণ এবং স্বর্ণের বিনিময়ে চাঁদি অনুমান করে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই, যদি ঢালাইবিহীন স্বর্ণ বা তৈরি গহনা হয়। অবশ্য গণনাযোগ্য দিরহাম বা দীনার হলে সেইসবকে অনুমান করে ক্রয় করা কারো পক্ষে বৈধ নয়। যতক্ষণ যাবত উহার সংখ্যা জানা না যায় এবং উহাকে গণনা করা না হয়। উহাকে অনুমান করে ক্রয় করলে, উহার লক্ষ্য হবে প্রতারণা যখন গণনা করা হল না এবং অনুমান করে ক্রয় করা হইল। এটা মুসলমানদের ক্রয়-বিক্রয়ের অন্তভুক্ত নয়। আর ঢালাইবিহীন স্বর্ণ বা চাঁদি এবং (তৈরি) গহনা যেসব ওজনে বিক্রয় হয় সেই সবকে অনুমান করে বিক্রয় করাতে দোষ নেই। এইসবকে অনুমানে বিক্রয় করা এইরূপ যেমন গম, খুর্মা এবং উহাদের মতো অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যাকে কেউ অনুমান করে বিক্রয় করে যদি উহা ওজন করে বিক্রয় করার মতো দ্রব্য হয়। তাই এইরূপ দ্রব্য অনুমান করে বিক্রয় করাতে কোন দোষ নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি স্বর্ণখচিত কুরআন অথবা তলোয়ার অথবা আঙ্গুরীয়কে দীনার, দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করেছে। স্বর্ণখচিত যে বস্তু দীনারের বিনিময়ে ক্রয় করল সে বস্তুর মূল্যের প্রতি লক্ষ্য করতে হবে, যদি উক্ত বস্তুর মূল্য দুই-তৃতীয়াংশ (২/৩) হয় এবং উহাতে লাগানো স্বর্ণের মূল্য হয় এক-তৃতীয়াংশ (১/৩) তবে উহা বৈধ হবে। এতে কোন দোষ নেই যদি নগদ আদান-প্রদান হয়। আমাদের শহরের লোকের মধ্যে এই নিয়মই প্রচলিত আছে।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه سمع سعيد بن المسيب يقول قطع الذهب والورق من الفساد في الأرض، قال مالك ولا بأس أن يشتري الرجل الذهب بالفضة والفضة بالذهب جزافا إذا كان تبرا أو حليا قد صيغ فأما الدراهم المعدودة والدنانير المعدودة فلا ينبغي لأحد أن يشتري شيئا من ذلك. جزافا حتى يعلم ويعد فإن اشتري ذلك جزافا فإنما يراد به الغرر حين يترك عده ويشترى جزافا وليس هذا من بيوع المسلمين فأما ما كان يوزن من التبر والحلي فلا بأس أن يباع ذلك جزافا وإنما ابتياع ذلك جزافا كهيئة الحنطة والتمر ونحوهما من الأطعمة التي تباع جزافا ومثلها يكال فليس بابتياع ذلك جزافا بأس قال مالك من اشترى مصحفا أو سيفا أو خاتما وفي شيء من ذلك ذهب أو فضة بدنانير أو دراهم فإن ما اشتري من ذلك وفيه الذهب بدنانير فإنه ينظر إلى قيمته فإن كانت قيمة ذلك الثلثين وقيمة ما فيه من الذهب الثلث فذلك جائز لا بأس به إذا كان ذلك يدا بيد ولا يكون فيه تأخير وما اشتري من ذلك بالورق مما فيه الورق نظر إلى قيمته فإن كان قيمة ذلك الثلثين وقيمة ما فيه من الورق الثلث فذلك جائز لا بأس به إذا كان ذلك يدا بيد ولم يزل ذلك من أمر الناس عندنا