মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শস্য ও ফলাদির বিক্রয়ে বিপদাপদ উপস্থিত হওয়ার বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮২
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى بوضع الجائحة قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا قال مالك والجائحة التي توضع عن المشتري الثلث فصاعدا ولا يكون ما دون ذلك جائحة.
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বলেনঃ উমার ইবন আবদিল আযীয (রহঃ) দুর্যোগ ঘটলে মূল্য লাঘব করার ফয়সালা দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কাছেও মাসআলা অনুরূপ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ দুর্যোগঘটিত কারণে, এক-তৃতীয়াংশ কিংবা ততোধিক ফসলের লোকসান হলেই, তবে ক্রেতা এতে মূল্য লাঘব করা হয়। এর কম হলে লোকসান হয়েছে বলে গণ্য করা হয় না।
মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
বলেনঃ উমার ইবন আবদিল আযীয (রহঃ) দুর্যোগ ঘটলে মূল্য লাঘব করার ফয়সালা দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কাছেও মাসআলা অনুরূপ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ দুর্যোগঘটিত কারণে, এক-তৃতীয়াংশ কিংবা ততোধিক ফসলের লোকসান হলেই, তবে ক্রেতা এতে মূল্য লাঘব করা হয়। এর কম হলে লোকসান হয়েছে বলে গণ্য করা হয় না।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى بوضع الجائحة قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا قال مالك والجائحة التي توضع عن المشتري الثلث فصاعدا ولا يكون ما دون ذلك جائحة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮১
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنه سمعها تقول: ابتاع رجل ثمر حائط في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فعالجه وقام فيه حتى تبين له النقصان فسأل رب الحائط أن يضع له أو أن يقيله فحلف أن لا يفعل فذهبت أم المشتري إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم تألى أن لا يفعل خيرا فسمع بذلك رب الحائط فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هو له
মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) তাঁর মাতা আ’মরা বিন্ত ‘আবদির রহমান (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি এক বাগানের ফল ক্রয় করলেন, তিনি তাতে মেহনত করলেন এবং বাগানের সংস্কার সাধনে ব্রতী হলেন। (এতে) তার লোকসান প্রকাশ পেল, তারপর তিনি বাগান মালিকের নিকট বাগানের দাম কমাবার অথবা বিক্রয় বাতিল করবার আবেদন জানালেন। কিন্তু বাগানের মালিক এইরূপ না-করার শপথ করলেন। তারপর ক্রেতার মাতা উপস্থিত হলেন রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে। অতঃপর তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ঘটনা বর্ণনা করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, সে পুণ্য কাজ না করার কসম খেয়েছে কি? বাগানের মালিক এটা শুনলেন, তারপর তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে হাজির হয়ে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! [ক্রেতা যা চেয়েছেন] তাঁর জন্য এটা। (বুখারী ২৭০৫, অনুরূপ ইমাম মুসলিম মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৫৫৭)
মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) তাঁর মাতা আ’মরা বিন্ত ‘আবদির রহমান (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি এক বাগানের ফল ক্রয় করলেন, তিনি তাতে মেহনত করলেন এবং বাগানের সংস্কার সাধনে ব্রতী হলেন। (এতে) তার লোকসান প্রকাশ পেল, তারপর তিনি বাগান মালিকের নিকট বাগানের দাম কমাবার অথবা বিক্রয় বাতিল করবার আবেদন জানালেন। কিন্তু বাগানের মালিক এইরূপ না-করার শপথ করলেন। তারপর ক্রেতার মাতা উপস্থিত হলেন রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে। অতঃপর তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ঘটনা বর্ণনা করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, সে পুণ্য কাজ না করার কসম খেয়েছে কি? বাগানের মালিক এটা শুনলেন, তারপর তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে হাজির হয়ে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! [ক্রেতা যা চেয়েছেন] তাঁর জন্য এটা। (বুখারী ২৭০৫, অনুরূপ ইমাম মুসলিম মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৫৫৭)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنه سمعها تقول: ابتاع رجل ثمر حائط في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فعالجه وقام فيه حتى تبين له النقصان فسأل رب الحائط أن يضع له أو أن يقيله فحلف أن لا يفعل فذهبت أم المشتري إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم تألى أن لا يفعل خيرا فسمع بذلك رب الحائط فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هو له
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিছু ফল বা ফল-বৃক্ষের কিছু শাখা বিক্রয় হতে বাদ দিয়ে দেওয়া জায়েয হওয়া
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৩
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن عبد الرحمن أن القاسم بن محمد كان يبيع ثمر حائطه ويستثني منه.
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) তাঁর বাগানের ফল বিক্রয় করতেন এবং উহা হতে কিছু বৃক্ষ শাখা বাদ রেখে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) তাঁর বাগানের ফল বিক্রয় করতেন এবং উহা হতে কিছু বৃক্ষ শাখা বাদ রেখে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن عبد الرحمن أن القاسم بن محمد كان يبيع ثمر حائطه ويستثني منه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৪
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن جده محمد بن عمرو بن حزم باع ثمر حائط له يقال له الأفرق بأربعة آلاف درهم واستثنى منه بثمان مائة درهم تمرا.
আবদুল্লাহ্ ইবন আবি বাকর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর দাদা মুহাম্মাদ ইবন আমার হাযম (রহঃ) আফবাক নামক তার এক বাগানের ফল চার হাজার দিরহাম মূল্যে বিক্রয় করলেন এবং উহা হতে আট শত দিরহাম মূল্যের ফলের কিছু শাখা রেখে দিলেন [নিজের জন্য] । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবন আবি বাকর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর দাদা মুহাম্মাদ ইবন আমার হাযম (রহঃ) আফবাক নামক তার এক বাগানের ফল চার হাজার দিরহাম মূল্যে বিক্রয় করলেন এবং উহা হতে আট শত দিরহাম মূল্যের ফলের কিছু শাখা রেখে দিলেন [নিজের জন্য] । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن جده محمد بن عمرو بن حزم باع ثمر حائط له يقال له الأفرق بأربعة آلاف درهم واستثنى منه بثمان مائة درهم تمرا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৫
و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة أن أمه عمرة بنت عبد الرحمن كانت تبيع ثمارها وتستثني منها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن الرجل إذا باع ثمر حائطه أن له أن يستثني من ثمر حائطه ما بينه وبين ثلث الثمر لا يجاوز ذلك وما كان دون الثلث فلا بأس بذلك. قال مالك فأما الرجل يبيع ثمر حائطه ويستثني من ثمر حائطه ثمر نخلة أو نخلات يختارها ويسمي عددها فلا أرى بذلك بأسا لأن رب الحائط إنما استثنى شيئا من ثمر حائط نفسه وإنما ذلك شيء احتبسه من حائطه وأمسكه لم يبعه وباع من حائطه ما سوى ذلك.
মুহাম্মাদ ইবন আবদির রহমান ইবন হারেছা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
, তাঁর মাতা আ’মরা বিনত আবদির রহমান (রহঃ) তাঁর মালিকানার ফল বিক্রয় করতেন এবং উহা হতে ফলের কিছু শাখা নিজের জন্য রেখে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই যে, কোন ব্যক্তি বাগানের ফল বিক্রয় করবে তবে সেই বাগানের ফল হতে তৃতীয়াংশ পরিমাণ (নিজের জন্য) রাখা তার জন্য জায়েয আছে। উহার সীমা ছাড়িয়ে না যাওয়া চাই, এক-তৃতীয়াংশের কম হলে তাতে ক্ষতি নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি তার বাগানের ফল বিক্রয় করল এবং উহা হতে নিজের পছন্দসই এক বা একাধিক গাছের ফল অবিক্রিত রাখল, উহার সংখ্যাও উল্লেখ করল। আমি এইরূপ করাতে কোন দোষ মনে করি না। বাগানের মালিক নিজ বাগান হতে কিছু সংখ্যক বৃক্ষের ফল নিজের জন্য রাখল। আর এটা হচ্ছে এমন যেন কেউ নিজ বাগানের কিছু বৃক্ষ নিজের জন্য নির্ধারিত রাখল, উহাকে বিক্রয় না করে অবশিষ্ট বৃক্ষ বিক্রয় করে দিল।
মুহাম্মাদ ইবন আবদির রহমান ইবন হারেছা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
, তাঁর মাতা আ’মরা বিনত আবদির রহমান (রহঃ) তাঁর মালিকানার ফল বিক্রয় করতেন এবং উহা হতে ফলের কিছু শাখা নিজের জন্য রেখে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই যে, কোন ব্যক্তি বাগানের ফল বিক্রয় করবে তবে সেই বাগানের ফল হতে তৃতীয়াংশ পরিমাণ (নিজের জন্য) রাখা তার জন্য জায়েয আছে। উহার সীমা ছাড়িয়ে না যাওয়া চাই, এক-তৃতীয়াংশের কম হলে তাতে ক্ষতি নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি তার বাগানের ফল বিক্রয় করল এবং উহা হতে নিজের পছন্দসই এক বা একাধিক গাছের ফল অবিক্রিত রাখল, উহার সংখ্যাও উল্লেখ করল। আমি এইরূপ করাতে কোন দোষ মনে করি না। বাগানের মালিক নিজ বাগান হতে কিছু সংখ্যক বৃক্ষের ফল নিজের জন্য রাখল। আর এটা হচ্ছে এমন যেন কেউ নিজ বাগানের কিছু বৃক্ষ নিজের জন্য নির্ধারিত রাখল, উহাকে বিক্রয় না করে অবশিষ্ট বৃক্ষ বিক্রয় করে দিল।
و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة أن أمه عمرة بنت عبد الرحمن كانت تبيع ثمارها وتستثني منها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن الرجل إذا باع ثمر حائطه أن له أن يستثني من ثمر حائطه ما بينه وبين ثلث الثمر لا يجاوز ذلك وما كان دون الثلث فلا بأس بذلك. قال مالك فأما الرجل يبيع ثمر حائطه ويستثني من ثمر حائطه ثمر نخلة أو نخلات يختارها ويسمي عددها فلا أرى بذلك بأسا لأن رب الحائط إنما استثنى شيئا من ثمر حائط نفسه وإنما ذلك شيء احتبسه من حائطه وأمسكه لم يبعه وباع من حائطه ما سوى ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > খেজুর বিক্রির ক্ষেত্রে যা অপছন্দ করা হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৮
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن يزيد أن زيدا أبا عياش أخبره أنه سأل سعد بن أبي وقاص عن البيضاء بالسلت فقال له سعد أيتهما أفضل قال البيضاء فنهاه عن ذلك وقال سعد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسأل عن اشتراء التمر بالرطب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أينقص الرطب إذا يبس فقالوا نعم فنهى عن ذلك.
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
যায়দ আবূ’ আয়্যাশ (রহঃ) সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন বেশি পেষা হয় নাই এমন যব (مسلت) [১] -এর বিনিময়ে সাদা বর্ণের যব বিক্রয় করা প্রসঙ্গে। সা’দ তার নিকট হতে জানতে চাইলেন, উভয়ের মধ্যে কোনটি উত্তম? তিনি বললেন, সাদা যব উত্তম, সা’দ তাকে এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। তিনি বললেন, খুর্মার বিনিময়ে খেজুর বিক্রয় সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করা হয়েছিল। আমি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বললেন, খুর্মা শুকালে কমে কি না? তারা বললেন, হ্যাঁ (কমে)। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন এইরূপ করতে বারণ করলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৩৫৯, তিরমিযী ১২২৫, নাসাঈ ৪৫৪৫, ইবনু মাজাহ ২২৬৪, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [ইরওয়া] ১৩৫২)
বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ
যায়দ আবূ’ আয়্যাশ (রহঃ) সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করলেন বেশি পেষা হয় নাই এমন যব (مسلت) [১] -এর বিনিময়ে সাদা বর্ণের যব বিক্রয় করা প্রসঙ্গে। সা’দ তার নিকট হতে জানতে চাইলেন, উভয়ের মধ্যে কোনটি উত্তম? তিনি বললেন, সাদা যব উত্তম, সা’দ তাকে এইরূপ করতে নিষেধ করলেন। তিনি বললেন, খুর্মার বিনিময়ে খেজুর বিক্রয় সম্পর্কে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করা হয়েছিল। আমি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বললেন, খুর্মা শুকালে কমে কি না? তারা বললেন, হ্যাঁ (কমে)। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন এইরূপ করতে বারণ করলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ৩৩৫৯, তিরমিযী ১২২৫, নাসাঈ ৪৫৪৫, ইবনু মাজাহ ২২৬৪, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [ইরওয়া] ১৩৫২)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن يزيد أن زيدا أبا عياش أخبره أنه سأل سعد بن أبي وقاص عن البيضاء بالسلت فقال له سعد أيتهما أفضل قال البيضاء فنهاه عن ذلك وقال سعد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يسأل عن اشتراء التمر بالرطب فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أينقص الرطب إذا يبس فقالوا نعم فنهى عن ذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৭
و حدثني عن مالك عن عبد المجيد بن سهيل بن عبد الرحمن بن عوف عن سعيد بن المسيب عن أبي سعيد الخدري وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمل رجلا على خيبر فجاءه بتمر جنيب فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم أكل تمر خيبر هكذا فقال لا والله يا رسول الله إنا لنأخذ الصاع من هذا بالصاعين والصاعين بالثلاثة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تفعل بع الجمع بالدراهم ثم ابتع بالدراهم جنيبا.
আবূ সায়ীদ খুদরী ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে খায়বরে আ’মিল [কার্য সম্পাদক বা প্রশাসক] নিযুক্ত করলেন। তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে বিশুদ্ধ খেজুর উপস্থিত করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, খায়বরের সকল খেজুর এইরূপ হয় কি? তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আল্লাহর কসম, সকল খেজুর এইরূপ নয় । আমরা এই খেজুরের এক সা’ দুই সা’-এর বিনিময়ে এবং দুই সা’ তিন সা’-এর বিনিময়ে গ্রহণ করি। (এটা শুনে) রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এইরূপ করো না; অপ্রকৃষ্ট খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করে দাও, অতঃপর দিরহাম দ্বারা উৎকৃষ্ট খেজুর ক্রয় করে নাও। (বুখারী ২২০২, মুসলিম ১৫৯৩)
আবূ সায়ীদ খুদরী ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে খায়বরে আ’মিল [কার্য সম্পাদক বা প্রশাসক] নিযুক্ত করলেন। তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে বিশুদ্ধ খেজুর উপস্থিত করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, খায়বরের সকল খেজুর এইরূপ হয় কি? তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! আল্লাহর কসম, সকল খেজুর এইরূপ নয় । আমরা এই খেজুরের এক সা’ দুই সা’-এর বিনিময়ে এবং দুই সা’ তিন সা’-এর বিনিময়ে গ্রহণ করি। (এটা শুনে) রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এইরূপ করো না; অপ্রকৃষ্ট খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় করে দাও, অতঃপর দিরহাম দ্বারা উৎকৃষ্ট খেজুর ক্রয় করে নাও। (বুখারী ২২০২, মুসলিম ১৫৯৩)
و حدثني عن مالك عن عبد المجيد بن سهيل بن عبد الرحمن بن عوف عن سعيد بن المسيب عن أبي سعيد الخدري وعن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمل رجلا على خيبر فجاءه بتمر جنيب فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم أكل تمر خيبر هكذا فقال لا والله يا رسول الله إنا لنأخذ الصاع من هذا بالصاعين والصاعين بالثلاثة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا تفعل بع الجمع بالدراهم ثم ابتع بالدراهم جنيبا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৬
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم التمر بالتمر مثلا بمثل فقيل له إن عاملك على خيبر يأخذ الصاع بالصاعين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ادعوه لي فدعي له فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم أتأخذ الصاع بالصاعين فقال يا رسول الله لا يبيعونني الجنيب بالجمع صاعا بصاع فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم بع الجمع بالدراهم ثم ابتع بالدراهم جنيبا.
আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, খেজুরের বিনিময়ে খেজুর [বিক্রয় করলে] সমান সমান (হতে হবে) । তাঁর নিকট আরজ করা হল, খায়বরে নিযুক্ত আপনার আমিল [কার্য সম্পাদক বা কালেকটর] দুই সা’-এর বিনিময়ে এক সা’ গ্রহণ করে থাকেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এটা শুনে) বললেন, তাকে আমার কাছে ডেকে আন। তাঁরা ডেকে আনলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি দুই সা’-এর বিনিময়ে এক সা’ গ্রহণ কর! উত্তরে তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! উহারা নিকৃষ্ট খেজুরের বিনিময়ে বিশুদ্ধ খেজুর আমার নিকট এক সা’র বিনিময়ে এক সা’ বিক্রয় করে না। (ইমাম বুখারী অনুরূপ বর্ণনা করেছেন ২২০১, মুসলিম ৪১৬৬, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা শুনে বললেন, অপ্রকৃষ্ট বা মিশ্রিত খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় কর, অতঃপর দিরহামের বিনিময়ে বিশুদ্ধ খেজুর ক্রয় করে নাও।
আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, খেজুরের বিনিময়ে খেজুর [বিক্রয় করলে] সমান সমান (হতে হবে) । তাঁর নিকট আরজ করা হল, খায়বরে নিযুক্ত আপনার আমিল [কার্য সম্পাদক বা কালেকটর] দুই সা’-এর বিনিময়ে এক সা’ গ্রহণ করে থাকেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এটা শুনে) বললেন, তাকে আমার কাছে ডেকে আন। তাঁরা ডেকে আনলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কি দুই সা’-এর বিনিময়ে এক সা’ গ্রহণ কর! উত্তরে তিনি বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ্! উহারা নিকৃষ্ট খেজুরের বিনিময়ে বিশুদ্ধ খেজুর আমার নিকট এক সা’র বিনিময়ে এক সা’ বিক্রয় করে না। (ইমাম বুখারী অনুরূপ বর্ণনা করেছেন ২২০১, মুসলিম ৪১৬৬, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল) রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা শুনে বললেন, অপ্রকৃষ্ট বা মিশ্রিত খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রয় কর, অতঃপর দিরহামের বিনিময়ে বিশুদ্ধ খেজুর ক্রয় করে নাও।
حدثني يحيى عن مالك عن زيد بن أسلم عن عطاء بن يسار أنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم التمر بالتمر مثلا بمثل فقيل له إن عاملك على خيبر يأخذ الصاع بالصاعين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ادعوه لي فدعي له فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم أتأخذ الصاع بالصاعين فقال يا رسول الله لا يبيعونني الجنيب بالجمع صاعا بصاع فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم بع الجمع بالدراهم ثم ابتع بالدراهم جنيبا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > মুযাবানা [১] এবং মুহাকালা [২]
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৯
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمزابنة بيع الثمر بالتمر كيلا وبيع الكرم بالزبيب كيلا.
আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুযাবানা এবং মুহাকালা হতে। মুযাবানা হচ্ছে তাজা খেজুর (যা বৃক্ষে ঝুলন্ত রয়েছে)-কে অনুমান করে সুপক্ব খেজুরের বিনিময়ে বিক্রয় করা। এবং তাজা আঙ্গুর ফলকে [লতাতে ঝুলন্তাবস্থায়] আন্দাজ করে শুষ্ক আঙ্গুর-এর বিনিময়ে বিক্রয় করা। (বুখারী ২১৭১, মুসলিম ১৫৪২)
আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুযাবানা এবং মুহাকালা হতে। মুযাবানা হচ্ছে তাজা খেজুর (যা বৃক্ষে ঝুলন্ত রয়েছে)-কে অনুমান করে সুপক্ব খেজুরের বিনিময়ে বিক্রয় করা। এবং তাজা আঙ্গুর ফলকে [লতাতে ঝুলন্তাবস্থায়] আন্দাজ করে শুষ্ক আঙ্গুর-এর বিনিময়ে বিক্রয় করা। (বুখারী ২১৭১, মুসলিম ১৫৪২)
حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمزابنة بيع الثمر بالتمر كيلا وبيع الكرم بالزبيب كيلا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯০
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي سفيان مولى ابن أبي أحمد عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمحاقلة والمزابنة اشتراء الثمر بالتمر في رءوس النخل والمحاقلة كراء الأرض بالحنطة.
আবূ সায়ীদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুযাবানা এবং মুহাকালা হতে। মুযাবানা হচ্ছে সুপক্ব খুর্মার বিনিময়ে তাজা খেজুরকে আন্দাজ করে ক্রয় করা যা বৃক্ষচূড়ায় (ঝুলন্ত) রয়েছে। আর মুহাকালা হচ্ছে গমের বিনিময়ে ভূমি ভাড়াতে (ভাড়া) দেওয়া। (বুখারী ২১৮৬, মুসলিম ১৫৪৬)
আবূ সায়ীদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন মুযাবানা এবং মুহাকালা হতে। মুযাবানা হচ্ছে সুপক্ব খুর্মার বিনিময়ে তাজা খেজুরকে আন্দাজ করে ক্রয় করা যা বৃক্ষচূড়ায় (ঝুলন্ত) রয়েছে। আর মুহাকালা হচ্ছে গমের বিনিময়ে ভূমি ভাড়াতে (ভাড়া) দেওয়া। (বুখারী ২১৮৬, মুসলিম ১৫৪৬)
و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي سفيان مولى ابن أبي أحمد عن أبي سعيد الخدري أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمحاقلة والمزابنة اشتراء الثمر بالتمر في رءوس النخل والمحاقلة كراء الأرض بالحنطة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৯১
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمحاقلة والمزابنة اشتراء الثمر بالتمر والمحاقلة اشتراء الزرع بالحنطة واستكراء الأرض بالحنطة قال ابن شهاب فسألت سعيد بن المسيب عن استكراء الأرض بالذهب والورق فقال لا بأس بذلك قال مالك نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المزابنة وتفسير المزابنة أن كل شيء من الجزاف الذي لا يعلم كيله ولا وزنه ولا عدده ابتيع بشيء مسمى من الكيل أو الوزن أو العدد وذلك أن يقول الرجل للرجل يكون له الطعام المصبر الذي لا يعلم كيله من الحنطة أو التمر أو ما أشبه ذلك من الأطعمة أو يكون للرجل السلعة من الحنطة أو النوى أو القضب أو العصفر أو الكرسف أو الكتان أو القز أو ما أشبه ذلك من السلع لا يعلم كيل شيء من ذلك ولا وزنه ولا عدده فيقول الرجل لرب تلك السلعة كل سلعتك هذه أو مر من يكيلها أو زن من ذلك ما يوزن أو عد من ذلك ما كان يعد فما نقص عن كيل كذا وكذا صاعا لتسمية يسميها أو وزن كذا وكذا رطلا أو عدد كذا وكذا فما نقص من ذلك فعلي غرمه لك حتى أوفيك تلك التسمية فما زاد على تلك التسمية فهو لي أضمن ما نقص من ذلك على أن يكون لي ما زاد فليس ذلك بيعا ولكنه المخاطرة والغرر والقمار يدخل هذا لأنه لم يشتر منه شيئا بشيء أخرجه ولكنه ضمن له ما سمي من ذلك الكيل أو الوزن أو العدد على أن يكون له ما زاد على ذلك فإن نقصت تلك السلعة عن تلك التسمية أخذ من مال صاحبه ما نقص بغير ثمن ولا هبة طيبة بها نفسه فهذا يشبه القمار وما كان مثل هذا من الأشياء فذلك يدخله -قال مالك ومن ذلك أيضا أن يقول الرجل للرجل له الثوب أضمن لك من ثوبك هذا كذا وكذا ظهارة قلنسوة قدر كل ظهارة كذا وكذا لشيء يسميه فما نقص من ذلك فعلي غرمه حتى أوفيك وما زاد فلي أو أن يقول الرجل للرجل أضمن لك من ثيابك هذي كذا وكذا قميصا ذرع كل قميص كذا وكذا فما نقص من ذلك فعلي غرمه وما زاد على ذلك فلي أو أن يقول الرجل للرجل له الجلود من جلود البقر أو الإبل أقطع جلودك هذه نعالا على إمام يريه إياه فما نقص من مائة زوج فعلي غرمه وما زاد فهو لي بما ضمنت لك ومما يشبه ذلك أن يقول الرجل للرجل عنده حب البان اعصر حبك هذا فما نقص من كذا وكذا رطلا فعلي أن يقول الرجل للرجل عنده حب البان اعصر حبك هذا فما نقص من كذا وكذا رطلا فعلي أن أعطيكه وما زاد فهو لي فهذا كله وما أشبهه من الأشياء أو ضارعه من المزابنة التي لا تصلح ولا تجوز وكذلك أيضا إذا قال الرجل للرجل له الخبط أو النوى أو الكرسف أو الكتان أو القضب أو العصفر أبتاع منك هذا الخبط بكذا وكذا صاعا من خبط يخبط مثل خبطه أو هذا النوى بكذا وكذا صاعا من نوى مثله وفي العصفر والكرسف والكتان والقضب مثل ذلك فهذا كله يرجع إلى ما وصفنا من المزابنة.
সায়ীদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা ও মুহাকালা হতে নিষেধ করেছেন। মুযাবানা হচ্ছে সুপক্ব খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর ক্রয় করা। আর মুহাকালা হচ্ছে গমের বিনিময়ে ক্ষেত ক্রয় করা। এবং গমের বিনিময়ে শস্যক্ষেত্র ভাড়া (ভাগ) নেয়া। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবন শিহাব (রহঃ) বলেনঃ আমি সায়ীদ ইবন মুসায়্যাবের নিকট প্রশ্ন করলাম স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে ভূমি ভাড়া (ভাগ) গ্রহণ করা সম্পর্কে। তিনি (উত্তরে) বললেনঃ এতে কোন ক্ষতি নেই (অর্থাৎ জায়েয আছে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাকে নিষেধ করেছেন। আর মুযাবানার তাফসীর হচ্ছে এই যে, অনুমানের যে কোন বস্তু যার পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা অজ্ঞাত, উহাকে ক্রয় করা হয়েছে পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা দ্বারা সুনির্দিষ্ট বস্তুর বিনিময়ে। যেমন এক ব্যক্তির গাদা করা খাদ্যদ্রব্য রয়েছে; গম, খুরমা অথবা ইহার সদৃশ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যেগুলোর পরিমাণ অজ্ঞাত কিংবা এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে আসবাব-বৃক্ষপত্র ও ঘাস গুটলী [ফলের আঁটি] ডাল-পালা, কুমকুম, তুলা, কাতান বস্ত্র, কাঁচা রেশম, কিংবা এদের সদৃশ অন্য কোন সামগ্রী যেসবের কোন কিছুরই পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা জ্ঞাত নয়, (উপরিউক্ত) খাদ্যদ্রব্য কিংবা আসবাবের মালিককে এক ব্যক্তি বলল, আপনি কোন ব্যক্তিকে আপনার আসবাব পরিমাণ করার নির্দেশ দিন। কিংবা যা ওজন করার যোগ্য তাকে ওজন করুন, অথবা যা গণনা করার উপযোগী তাকে গণনা করুন। এত এত সা’ হতে [১] যা নির্ধারিত করা হয় উহা হতে যা কম হবে, কিংবা এত এত রতল [২] (অর্ধসের) ওজন হতে যা ঘটে যাবে অথবা এত এত [৩] সংখ্যা হতে যত কম হবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি করব সেই পরিমাণ বা ওজন, কিংবা সংখ্যা যা নির্ধারিত হয়েছে তার। সেই পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আমার দায়িত্ব থাকবে। আর নির্ধারিত পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা হতে যা বাড়তি হবে তা হবে আমার প্রাপ্য। যে পরিমাণ কম হবে সে পরিমাণের ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকব এই শর্তে যে, যা বাড়তি হবে তা পরিমাণ কম হবে সে পরিমাণ ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকিব এই শর্তে যে, যাহা বাড়তি হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। এটা কোন বিক্রয় নয়। বরং এতে রয়েছে ঝুঁকি ও প্রতারণা আর জুয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। মুযাবানার মতো এটাও নিষিদ্ধ। কারণ নিজ হতে কোন মূল্য প্রদান করে কোন বস্তু বিক্রেতা হতে ক্রয় করা হয়নি। কিন্তু সে আসবাবের মালিকের জন্য জামিন হয়েছে। যে পরিমাণ, ওজন এবং সংখ্যা সে নির্ধারণ করেছে তা হতে বাড়তি হলে উহা সে পাবে, আর নির্ধারিত পরিমাণ হতে সামান্য ঘাটতি হলে তবে ঘাটতি পূরণার্থে জামিনদারের মাল হতে ঘাটতি পরিমাণ মাল গ্রহণ করবে। অথচ ইহা মূল্যও নয় এমন দানও নয় যা হৃষ্টচিত্তে দান করা হয়েছে। তাই এটা জুয়া তুল্য, যেকোন (ক্রয়-বিক্রয় আদান-প্রদান) এইরূপ হবে, উহা জুয়ার মতো হবে (এবং মুযাবানার মতো নিষিদ্ধ হবে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুযাবানার অন্তর্গত এটাও- যে ব্যক্তির নিকট কাপড় আছে তাকে আর এক ব্যক্তি বললঃ আপনার এই কাপড় হতে এত এত [ধরা যাক একশত কিংবা দুইশত] জামার বেষ্টনী ও টুপী তৈরীর দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রতিটি বেষ্টনীর পরিমাণ এত এত হবে যা নির্দিষ্ট রূপে উল্লেখ করল। [৪] এই সংখ্যা হতে যা কম হবে তার জরিমানা আমার জিম্মায়। আমি উহা আপনাকে পূর্ণ করে দিব, আর যা বাড়তি হবে তা হবে আমার। কিংবা এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, আপনার এই কাপড় হতে এত এত কামিজ তৈরির ব্যাপারে আমি জামিন আছি, প্রতিটি কামিজের আয়তন এত এত হবে, উহা হতে যতটুকু কমতি হবে উহার জরিমানা আমার উপর। আর যা বাড়তি হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। কিংবা যার কাছে গরু অথবা উটের চামড়া রয়েছে তাকে কেউ বলল, আমি আপনার এইসব চামড়া হতে এই পরিমাণের যা দেখান হয়েছে জুতা তৈয়ার করব। একশত জোড়ার কম যা হবে তার ক্ষতিপূরণ আমি করব। এই ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব গ্রহণের বিনিময়ে যা বাড়তি হবে উহা আমার হবে। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে হাব্বুল-বানা [এক প্রকারের গাছ যার পাতা নিম গাছের পাতার মত উহার ফলের বীজ দ্বারা তৈল প্রস্তুত করা হয়।] তাকে আর এক ব্যক্তি বলল, আপনার এই বীজ আমি নিঙরিয়ে [তৈল বের করে] দিব। এত এত রাতল [অর্ধসের ওজনের একটি পরিমাপ মাত্র] পরিমাণ হতে যা কমতি হবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি আপনাকে আদায় করব। আর যা অতিরিক্ত হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। এই সব (যা উল্লেখ হয়েছে) এবং উহার সদৃশ বস্তুসমূহ কিংবা যা এই সবের মতন হয় সব মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত এবং তা অবৈধ। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে ঘাস-পাতা, ফলের আঁটি, তুলা, কাতান বস্ত্র, ডাল পালা, কুমকুম ইত্যাদি। অন্য এক ব্যক্তি সেই ব্যক্তিকে বলল, আমি আপনার নিকট এই ঘাসপাতা এত এত সা’ অনুরূপ ঘাসের বিনিময়ে ক্রয় করলাম, কিংবা এই ফলের আঁটিগুলো এত এত সা’ অনুরূপ ফলের আঁটির বিনিময়ে ক্রয় করলাম। এইরূপভাবে কুমকুম, তুলা, কাতান এবং ডাল-পালার ব্যাপারেও বলা হল। এই সবই আমাদের (সাবেক) বর্ণিত মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত হবে।
সায়ীদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা ও মুহাকালা হতে নিষেধ করেছেন। মুযাবানা হচ্ছে সুপক্ব খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর ক্রয় করা। আর মুহাকালা হচ্ছে গমের বিনিময়ে ক্ষেত ক্রয় করা। এবং গমের বিনিময়ে শস্যক্ষেত্র ভাড়া (ভাগ) নেয়া। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইবন শিহাব (রহঃ) বলেনঃ আমি সায়ীদ ইবন মুসায়্যাবের নিকট প্রশ্ন করলাম স্বর্ণ ও রৌপ্যের বিনিময়ে ভূমি ভাড়া (ভাগ) গ্রহণ করা সম্পর্কে। তিনি (উত্তরে) বললেনঃ এতে কোন ক্ষতি নেই (অর্থাৎ জায়েয আছে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানাকে নিষেধ করেছেন। আর মুযাবানার তাফসীর হচ্ছে এই যে, অনুমানের যে কোন বস্তু যার পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা অজ্ঞাত, উহাকে ক্রয় করা হয়েছে পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা দ্বারা সুনির্দিষ্ট বস্তুর বিনিময়ে। যেমন এক ব্যক্তির গাদা করা খাদ্যদ্রব্য রয়েছে; গম, খুরমা অথবা ইহার সদৃশ অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য যেগুলোর পরিমাণ অজ্ঞাত কিংবা এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে আসবাব-বৃক্ষপত্র ও ঘাস গুটলী [ফলের আঁটি] ডাল-পালা, কুমকুম, তুলা, কাতান বস্ত্র, কাঁচা রেশম, কিংবা এদের সদৃশ অন্য কোন সামগ্রী যেসবের কোন কিছুরই পরিমাণ, ওজন ও সংখ্যা জ্ঞাত নয়, (উপরিউক্ত) খাদ্যদ্রব্য কিংবা আসবাবের মালিককে এক ব্যক্তি বলল, আপনি কোন ব্যক্তিকে আপনার আসবাব পরিমাণ করার নির্দেশ দিন। কিংবা যা ওজন করার যোগ্য তাকে ওজন করুন, অথবা যা গণনা করার উপযোগী তাকে গণনা করুন। এত এত সা’ হতে [১] যা নির্ধারিত করা হয় উহা হতে যা কম হবে, কিংবা এত এত রতল [২] (অর্ধসের) ওজন হতে যা ঘটে যাবে অথবা এত এত [৩] সংখ্যা হতে যত কম হবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি করব সেই পরিমাণ বা ওজন, কিংবা সংখ্যা যা নির্ধারিত হয়েছে তার। সেই পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ আমার দায়িত্ব থাকবে। আর নির্ধারিত পরিমাণ, ওজন কিংবা সংখ্যা হতে যা বাড়তি হবে তা হবে আমার প্রাপ্য। যে পরিমাণ কম হবে সে পরিমাণের ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকব এই শর্তে যে, যা বাড়তি হবে তা পরিমাণ কম হবে সে পরিমাণ ক্ষতিপূরণের আমি জিম্মাদার থাকিব এই শর্তে যে, যাহা বাড়তি হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। এটা কোন বিক্রয় নয়। বরং এতে রয়েছে ঝুঁকি ও প্রতারণা আর জুয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। মুযাবানার মতো এটাও নিষিদ্ধ। কারণ নিজ হতে কোন মূল্য প্রদান করে কোন বস্তু বিক্রেতা হতে ক্রয় করা হয়নি। কিন্তু সে আসবাবের মালিকের জন্য জামিন হয়েছে। যে পরিমাণ, ওজন এবং সংখ্যা সে নির্ধারণ করেছে তা হতে বাড়তি হলে উহা সে পাবে, আর নির্ধারিত পরিমাণ হতে সামান্য ঘাটতি হলে তবে ঘাটতি পূরণার্থে জামিনদারের মাল হতে ঘাটতি পরিমাণ মাল গ্রহণ করবে। অথচ ইহা মূল্যও নয় এমন দানও নয় যা হৃষ্টচিত্তে দান করা হয়েছে। তাই এটা জুয়া তুল্য, যেকোন (ক্রয়-বিক্রয় আদান-প্রদান) এইরূপ হবে, উহা জুয়ার মতো হবে (এবং মুযাবানার মতো নিষিদ্ধ হবে)। মালিক (রহঃ) বলেনঃ মুযাবানার অন্তর্গত এটাও- যে ব্যক্তির নিকট কাপড় আছে তাকে আর এক ব্যক্তি বললঃ আপনার এই কাপড় হতে এত এত [ধরা যাক একশত কিংবা দুইশত] জামার বেষ্টনী ও টুপী তৈরীর দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রতিটি বেষ্টনীর পরিমাণ এত এত হবে যা নির্দিষ্ট রূপে উল্লেখ করল। [৪] এই সংখ্যা হতে যা কম হবে তার জরিমানা আমার জিম্মায়। আমি উহা আপনাকে পূর্ণ করে দিব, আর যা বাড়তি হবে তা হবে আমার। কিংবা এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে বলল, আপনার এই কাপড় হতে এত এত কামিজ তৈরির ব্যাপারে আমি জামিন আছি, প্রতিটি কামিজের আয়তন এত এত হবে, উহা হতে যতটুকু কমতি হবে উহার জরিমানা আমার উপর। আর যা বাড়তি হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। কিংবা যার কাছে গরু অথবা উটের চামড়া রয়েছে তাকে কেউ বলল, আমি আপনার এইসব চামড়া হতে এই পরিমাণের যা দেখান হয়েছে জুতা তৈয়ার করব। একশত জোড়ার কম যা হবে তার ক্ষতিপূরণ আমি করব। এই ক্ষতিপূরণের দায়িত্ব গ্রহণের বিনিময়ে যা বাড়তি হবে উহা আমার হবে। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে হাব্বুল-বানা [এক প্রকারের গাছ যার পাতা নিম গাছের পাতার মত উহার ফলের বীজ দ্বারা তৈল প্রস্তুত করা হয়।] তাকে আর এক ব্যক্তি বলল, আপনার এই বীজ আমি নিঙরিয়ে [তৈল বের করে] দিব। এত এত রাতল [অর্ধসের ওজনের একটি পরিমাপ মাত্র] পরিমাণ হতে যা কমতি হবে উহার ক্ষতিপূরণ আমি আপনাকে আদায় করব। আর যা অতিরিক্ত হবে তা আমার প্রাপ্য হবে। এই সব (যা উল্লেখ হয়েছে) এবং উহার সদৃশ বস্তুসমূহ কিংবা যা এই সবের মতন হয় সব মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত এবং তা অবৈধ। অনুরূপ এক ব্যক্তির নিকট রয়েছে ঘাস-পাতা, ফলের আঁটি, তুলা, কাতান বস্ত্র, ডাল পালা, কুমকুম ইত্যাদি। অন্য এক ব্যক্তি সেই ব্যক্তিকে বলল, আমি আপনার নিকট এই ঘাসপাতা এত এত সা’ অনুরূপ ঘাসের বিনিময়ে ক্রয় করলাম, কিংবা এই ফলের আঁটিগুলো এত এত সা’ অনুরূপ ফলের আঁটির বিনিময়ে ক্রয় করলাম। এইরূপভাবে কুমকুম, তুলা, কাতান এবং ডাল-পালার ব্যাপারেও বলা হল। এই সবই আমাদের (সাবেক) বর্ণিত মুযাবানার অন্তর্ভুক্ত হবে।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن المزابنة والمحاقلة والمزابنة اشتراء الثمر بالتمر والمحاقلة اشتراء الزرع بالحنطة واستكراء الأرض بالحنطة قال ابن شهاب فسألت سعيد بن المسيب عن استكراء الأرض بالذهب والورق فقال لا بأس بذلك قال مالك نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المزابنة وتفسير المزابنة أن كل شيء من الجزاف الذي لا يعلم كيله ولا وزنه ولا عدده ابتيع بشيء مسمى من الكيل أو الوزن أو العدد وذلك أن يقول الرجل للرجل يكون له الطعام المصبر الذي لا يعلم كيله من الحنطة أو التمر أو ما أشبه ذلك من الأطعمة أو يكون للرجل السلعة من الحنطة أو النوى أو القضب أو العصفر أو الكرسف أو الكتان أو القز أو ما أشبه ذلك من السلع لا يعلم كيل شيء من ذلك ولا وزنه ولا عدده فيقول الرجل لرب تلك السلعة كل سلعتك هذه أو مر من يكيلها أو زن من ذلك ما يوزن أو عد من ذلك ما كان يعد فما نقص عن كيل كذا وكذا صاعا لتسمية يسميها أو وزن كذا وكذا رطلا أو عدد كذا وكذا فما نقص من ذلك فعلي غرمه لك حتى أوفيك تلك التسمية فما زاد على تلك التسمية فهو لي أضمن ما نقص من ذلك على أن يكون لي ما زاد فليس ذلك بيعا ولكنه المخاطرة والغرر والقمار يدخل هذا لأنه لم يشتر منه شيئا بشيء أخرجه ولكنه ضمن له ما سمي من ذلك الكيل أو الوزن أو العدد على أن يكون له ما زاد على ذلك فإن نقصت تلك السلعة عن تلك التسمية أخذ من مال صاحبه ما نقص بغير ثمن ولا هبة طيبة بها نفسه فهذا يشبه القمار وما كان مثل هذا من الأشياء فذلك يدخله -قال مالك ومن ذلك أيضا أن يقول الرجل للرجل له الثوب أضمن لك من ثوبك هذا كذا وكذا ظهارة قلنسوة قدر كل ظهارة كذا وكذا لشيء يسميه فما نقص من ذلك فعلي غرمه حتى أوفيك وما زاد فلي أو أن يقول الرجل للرجل أضمن لك من ثيابك هذي كذا وكذا قميصا ذرع كل قميص كذا وكذا فما نقص من ذلك فعلي غرمه وما زاد على ذلك فلي أو أن يقول الرجل للرجل له الجلود من جلود البقر أو الإبل أقطع جلودك هذه نعالا على إمام يريه إياه فما نقص من مائة زوج فعلي غرمه وما زاد فهو لي بما ضمنت لك ومما يشبه ذلك أن يقول الرجل للرجل عنده حب البان اعصر حبك هذا فما نقص من كذا وكذا رطلا فعلي أن يقول الرجل للرجل عنده حب البان اعصر حبك هذا فما نقص من كذا وكذا رطلا فعلي أن أعطيكه وما زاد فهو لي فهذا كله وما أشبهه من الأشياء أو ضارعه من المزابنة التي لا تصلح ولا تجوز وكذلك أيضا إذا قال الرجل للرجل له الخبط أو النوى أو الكرسف أو الكتان أو القضب أو العصفر أبتاع منك هذا الخبط بكذا وكذا صاعا من خبط يخبط مثل خبطه أو هذا النوى بكذا وكذا صاعا من نوى مثله وفي العصفر والكرسف والكتان والقضب مثل ذلك فهذا كله يرجع إلى ما وصفنا من المزابنة.