মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পরিপুষ্ট হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় নিষিদ্ধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৫

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى يبدو صلاحها نهى البائع والمشتري.

ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিক্রেতা, ক্রেতা উভয়কে পরিপুষ্ট হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২১৯৪, মুসলিম ১৫৩৪)

ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিক্রেতা, ক্রেতা উভয়কে পরিপুষ্ট হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২১৯৪, মুসলিম ১৫৩৪)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى يبدو صلاحها نهى البائع والمشتري.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৮

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن خارجة بن زيد بن ثابت عن زيد بن ثابت أنه كان لا يبيع ثماره حتى تطلع الثريا ২২৯৪-قال مالك والأمر عندنا في بيع البطيخ والقثاء والخربز والجزر إن بيعه إذا بدا صلاحه حلال جائز ثم يكون للمشتري ما ينبت حتى ينقطع ثمره ويهلك وليس في ذلك وقت يؤقت وذلك أن وقته معروف عند الناس وربما دخلته العاهة فقطعت ثمرته قبل أن يأتي ذلك الوقت فإذا دخلته العاهة بجائحة تبلغ الثلث فصاعدا كان ذلك موضوعا عن الذي ابتاعه.

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সপ্তর্ষীমণ্ডলস্থ নক্ষত্র (সুরাইয়া) উদিত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেন, তরবুজ, ক্ষিরাই, খরবুজ এবং গাজর বিক্রয়ের বিষয়ে আমাদের নিকট মাসআলা এইঃ পরিপুষ্ট হওয়ার পর এই সবের বিক্রয় হালাল ও বৈধ, তারপর যাহা উৎপাদিত হইবে [উৎপাদনকাল হইতে ফসল তোলা] শেষ হওয়া পর্যন্ত উহা ক্রেতার জন্য হইবে। ইহার জন্য কোন নির্ধারিত সময় নাই। কারণ উহার সময় লোকের নিকট পরিচিত। (তাহারা জানেন) কোন সময় এই সবের মধ্যে আপদ প্রবেশ করে। তাই সেই সময়ের পূর্বে উহার ফল কাটিয়া ফেলা হয়। যদি দুর্যোগের কারণে এইসবের মধ্যে কোন আপদ উপস্থিত হয় যাহার পরিমাণ পৌঁছে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কিংবা উহার অধিক তবে বিক্রেতার নিকট হইতে সেই পরিমাণ কমান হইবে [তারপর উহা ক্রেতাকে দেওয়া হইবে]।

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সপ্তর্ষীমণ্ডলস্থ নক্ষত্র (সুরাইয়া) উদিত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেন, তরবুজ, ক্ষিরাই, খরবুজ এবং গাজর বিক্রয়ের বিষয়ে আমাদের নিকট মাসআলা এইঃ পরিপুষ্ট হওয়ার পর এই সবের বিক্রয় হালাল ও বৈধ, তারপর যাহা উৎপাদিত হইবে [উৎপাদনকাল হইতে ফসল তোলা] শেষ হওয়া পর্যন্ত উহা ক্রেতার জন্য হইবে। ইহার জন্য কোন নির্ধারিত সময় নাই। কারণ উহার সময় লোকের নিকট পরিচিত। (তাহারা জানেন) কোন সময় এই সবের মধ্যে আপদ প্রবেশ করে। তাই সেই সময়ের পূর্বে উহার ফল কাটিয়া ফেলা হয়। যদি দুর্যোগের কারণে এইসবের মধ্যে কোন আপদ উপস্থিত হয় যাহার পরিমাণ পৌঁছে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কিংবা উহার অধিক তবে বিক্রেতার নিকট হইতে সেই পরিমাণ কমান হইবে [তারপর উহা ক্রেতাকে দেওয়া হইবে]।

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن خارجة بن زيد بن ثابت عن زيد بن ثابت أنه كان لا يبيع ثماره حتى تطلع الثريا ২২৯৪-قال مالك والأمر عندنا في بيع البطيخ والقثاء والخربز والجزر إن بيعه إذا بدا صلاحه حلال جائز ثم يكون للمشتري ما ينبت حتى ينقطع ثمره ويهلك وليس في ذلك وقت يؤقت وذلك أن وقته معروف عند الناس وربما دخلته العاهة فقطعت ثمرته قبل أن يأتي ذلك الوقت فإذا دخلته العاهة بجائحة تبلغ الثلث فصاعدا كان ذلك موضوعا عن الذي ابتاعه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৭

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تنجو من العاهة ২২৯২-قال مالك وبيع الثمار قبل أن يبدو صلاحها من بيع الغرر.

‘আমরাহ্ বিনত আবদির রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদমুক্ত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেছেন, বিপদমুক্তির পূর্বে ফল বিক্রয় করা ধোঁকার বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত। (ইবনু আবদুল বার হাদীসটিকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন)

‘আমরাহ্ বিনত আবদির রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদমুক্ত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেছেন, বিপদমুক্তির পূর্বে ফল বিক্রয় করা ধোঁকার বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত। (ইবনু আবদুল বার হাদীসটিকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تنجو من العاهة ২২৯২-قال مالك وبيع الثمار قبل أن يبدو صلاحها من بيع الغرر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৬

و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تزهي فقيل له يا رسول الله وما تزهي فقال حين تحمر وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت إذا منع الله الثمرة فبم يأخذ أحدكم مال أخيه.

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রঙীন হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ (রাঃ) প্রশ্ন করলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! রঙীন হওয়ার অর্থ কি? (রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, লাল কিংবা হলুদ রং-এর হওয়া। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, লক্ষ্য করুন। যদি আল্লাহ্ (গাছে) ফল পয়দা না করেন, তবে তোমাদের কেউ আপন ভাইয়ের মাল কিসের বিনিময়ে গ্রহণ করবে? (বুখারী ২১৯৮, মুসলিম ১৫৫৫)

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রঙীন হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ (রাঃ) প্রশ্ন করলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! রঙীন হওয়ার অর্থ কি? (রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, লাল কিংবা হলুদ রং-এর হওয়া। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, লক্ষ্য করুন। যদি আল্লাহ্ (গাছে) ফল পয়দা না করেন, তবে তোমাদের কেউ আপন ভাইয়ের মাল কিসের বিনিময়ে গ্রহণ করবে? (বুখারী ২১৯৮, মুসলিম ১৫৫৫)

و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تزهي فقيل له يا رسول الله وما تزهي فقال حين تحمر وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت إذا منع الله الثمرة فبم يأخذ أحدكم مال أخيه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আরিয়্যা [১] বিক্রয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৯

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر عن زيد بن ثابت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص لصاحب العرية أن يبيعها بخرصها.

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা করেছেন এমন ব্যক্তির জন্য উহাকে অনুমান করে বিক্রয় করার অনুমতি দিয়েছেন। (বুখারী ২১৮৮, মুসলিম ১৫৩৯)

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা করেছেন এমন ব্যক্তির জন্য উহাকে অনুমান করে বিক্রয় করার অনুমতি দিয়েছেন। (বুখারী ২১৮৮, মুসলিম ১৫৩৯)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر عن زيد بن ثابت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص لصاحب العرية أن يبيعها بخرصها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮০

و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي سفيان مولى ابن أبي أحمد عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص في بيع العرايا بخرصها فيما دون خمسة أوسق أو في خمسة أوسق يشك داود قال خمسة أوسق أو دون خمسة أوسق ২২৯৮-قال مالك وإنما تباع العرايا بخرصها من التمر يتحرى ذلك ويخرص في رءوس النخل وإنما أرخص فيه لأنه أنزل بمنزلة التولية والإقالة والشرك ولو كان بمنزلة غيره من البيوع ما أشرك أحد أحدا في طعامه حتى يستوفيه ولا أقاله منه ولا ولاه أحدا حتى يقبضه المبتاع.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা স্বরূপ দেয়া হয়েছে এরূপ বৃক্ষের খেজুর অনুমান করে বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন পাঁচ ওয়াসকের [১] কম কিংবা (পূর্ণ) পাঁচ ওয়াসকের মধ্যে। দাউদ (রাবী) সন্দেহ প্রকাশ করেছেন; (তাঁর শায়খ আবূ সূফিয়ান) পাঁচ ওয়াসক বলেছেন না পাঁচ ওয়াসকের কম বলেছেন। (বুখারী ২১৯০, মুসলিম ২৫৪৯) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরিয়্যা পন্থায় প্রদত্ত বৃক্ষসমূহের ফল খেজুরের বিনিময়ে আন্দাজ করে বিক্রয় করা যায়। চিন্তা-ভাবনা করে উহার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে এবং গাছে থাকতে উহার আন্দাজ করা হবে। উহার জন্য ওজন করার প্রয়োজন নাই। এইরূপ করার অনুমতি এই জন্য দেয়া হয়েছে যে, ইহা খরিদ দামে বিক্রয়, খরিদ বাতিলকরণ এবং খরিদকৃত বস্তুতে অন্যকে শরীক নেওয়ার মতো। এটা যদি অন্যান্য বিক্রয়ের মতো হতো তবে খাদ্যদ্রব্যে অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে কাউকেও শরীক করা জায়েয হত না এবং অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে খরিদ বাতিলকরণও জায়েয হত না এবং অধিকারে আসার পূর্বে খরিদমূল্যে ক্রয় করাও জায়েয হত না।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা স্বরূপ দেয়া হয়েছে এরূপ বৃক্ষের খেজুর অনুমান করে বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন পাঁচ ওয়াসকের [১] কম কিংবা (পূর্ণ) পাঁচ ওয়াসকের মধ্যে। দাউদ (রাবী) সন্দেহ প্রকাশ করেছেন; (তাঁর শায়খ আবূ সূফিয়ান) পাঁচ ওয়াসক বলেছেন না পাঁচ ওয়াসকের কম বলেছেন। (বুখারী ২১৯০, মুসলিম ২৫৪৯) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরিয়্যা পন্থায় প্রদত্ত বৃক্ষসমূহের ফল খেজুরের বিনিময়ে আন্দাজ করে বিক্রয় করা যায়। চিন্তা-ভাবনা করে উহার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে এবং গাছে থাকতে উহার আন্দাজ করা হবে। উহার জন্য ওজন করার প্রয়োজন নাই। এইরূপ করার অনুমতি এই জন্য দেয়া হয়েছে যে, ইহা খরিদ দামে বিক্রয়, খরিদ বাতিলকরণ এবং খরিদকৃত বস্তুতে অন্যকে শরীক নেওয়ার মতো। এটা যদি অন্যান্য বিক্রয়ের মতো হতো তবে খাদ্যদ্রব্যে অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে কাউকেও শরীক করা জায়েয হত না এবং অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে খরিদ বাতিলকরণও জায়েয হত না এবং অধিকারে আসার পূর্বে খরিদমূল্যে ক্রয় করাও জায়েয হত না।

و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي سفيان مولى ابن أبي أحمد عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص في بيع العرايا بخرصها فيما دون خمسة أوسق أو في خمسة أوسق يشك داود قال خمسة أوسق أو دون خمسة أوسق ২২৯৮-قال مالك وإنما تباع العرايا بخرصها من التمر يتحرى ذلك ويخرص في رءوس النخل وإنما أرخص فيه لأنه أنزل بمنزلة التولية والإقالة والشرك ولو كان بمنزلة غيره من البيوع ما أشرك أحد أحدا في طعامه حتى يستوفيه ولا أقاله منه ولا ولاه أحدا حتى يقبضه المبتاع.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > শস্য ও ফলাদির বিক্রয়ে বিপদাপদ উপস্থিত হওয়ার বিধান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮২

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى بوضع الجائحة قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا قال مالك والجائحة التي توضع عن المشتري الثلث فصاعدا ولا يكون ما دون ذلك جائحة.

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

বলেনঃ উমার ইবন আবদিল আযীয (রহঃ) দুর্যোগ ঘটলে মূল্য লাঘব করার ফয়সালা দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কাছেও মাসআলা অনুরূপ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ দুর্যোগঘটিত কারণে, এক-তৃতীয়াংশ কিংবা ততোধিক ফসলের লোকসান হলেই, তবে ক্রেতা এতে মূল্য লাঘব করা হয়। এর কম হলে লোকসান হয়েছে বলে গণ্য করা হয় না।

মালিক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

বলেনঃ উমার ইবন আবদিল আযীয (রহঃ) দুর্যোগ ঘটলে মূল্য লাঘব করার ফয়সালা দিয়েছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের কাছেও মাসআলা অনুরূপ। মালিক (রহঃ) বলেনঃ দুর্যোগঘটিত কারণে, এক-তৃতীয়াংশ কিংবা ততোধিক ফসলের লোকসান হলেই, তবে ক্রেতা এতে মূল্য লাঘব করা হয়। এর কম হলে লোকসান হয়েছে বলে গণ্য করা হয় না।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عمر بن عبد العزيز قضى بوضع الجائحة قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا قال مالك والجائحة التي توضع عن المشتري الثلث فصاعدا ولا يكون ما دون ذلك جائحة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮১

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنه سمعها تقول: ابتاع رجل ثمر حائط في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فعالجه وقام فيه حتى تبين له النقصان فسأل رب الحائط أن يضع له أو أن يقيله فحلف أن لا يفعل فذهبت أم المشتري إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم تألى أن لا يفعل خيرا فسمع بذلك رب الحائط فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هو له

মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) তাঁর মাতা আ’মরা বিন্ত ‘আবদির রহমান (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি এক বাগানের ফল ক্রয় করলেন, তিনি তাতে মেহনত করলেন এবং বাগানের সংস্কার সাধনে ব্রতী হলেন। (এতে) তার লোকসান প্রকাশ পেল, তারপর তিনি বাগান মালিকের নিকট বাগানের দাম কমাবার অথবা বিক্রয় বাতিল করবার আবেদন জানালেন। কিন্তু বাগানের মালিক এইরূপ না-করার শপথ করলেন। তারপর ক্রেতার মাতা উপস্থিত হলেন রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে। অতঃপর তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ঘটনা বর্ণনা করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, সে পুণ্য কাজ না করার কসম খেয়েছে কি? বাগানের মালিক এটা শুনলেন, তারপর তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে হাজির হয়ে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! [ক্রেতা যা চেয়েছেন] তাঁর জন্য এটা। (বুখারী ২৭০৫, অনুরূপ ইমাম মুসলিম মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৫৫৭)

মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহাম্মদ ইবন আবদির রহমান (রহঃ) তাঁর মাতা আ’মরা বিন্ত ‘আবদির রহমান (রহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ব্যক্তি এক বাগানের ফল ক্রয় করলেন, তিনি তাতে মেহনত করলেন এবং বাগানের সংস্কার সাধনে ব্রতী হলেন। (এতে) তার লোকসান প্রকাশ পেল, তারপর তিনি বাগান মালিকের নিকট বাগানের দাম কমাবার অথবা বিক্রয় বাতিল করবার আবেদন জানালেন। কিন্তু বাগানের মালিক এইরূপ না-করার শপথ করলেন। তারপর ক্রেতার মাতা উপস্থিত হলেন রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে। অতঃপর তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ঘটনা বর্ণনা করলেন। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেন, সে পুণ্য কাজ না করার কসম খেয়েছে কি? বাগানের মালিক এটা শুনলেন, তারপর তিনি রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে হাজির হয়ে বললেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! [ক্রেতা যা চেয়েছেন] তাঁর জন্য এটা। (বুখারী ২৭০৫, অনুরূপ ইমাম মুসলিম মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেন ১৫৫৭)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أنه سمعها تقول: ابتاع رجل ثمر حائط في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم فعالجه وقام فيه حتى تبين له النقصان فسأل رب الحائط أن يضع له أو أن يقيله فحلف أن لا يفعل فذهبت أم المشتري إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم تألى أن لا يفعل خيرا فسمع بذلك رب الحائط فأتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله هو له


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > কিছু ফল বা ফল-বৃক্ষের কিছু শাখা বিক্রয় হতে বাদ দিয়ে দেওয়া জায়েয হওয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৩

حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن عبد الرحمن أن القاسم بن محمد كان يبيع ثمر حائطه ويستثني منه.

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) তাঁর বাগানের ফল বিক্রয় করতেন এবং উহা হতে কিছু বৃক্ষ শাখা বাদ রেখে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

কাসিম ইবন মুহাম্মাদ (রহঃ) তাঁর বাগানের ফল বিক্রয় করতেন এবং উহা হতে কিছু বৃক্ষ শাখা বাদ রেখে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن عبد الرحمن أن القاسم بن محمد كان يبيع ثمر حائطه ويستثني منه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৪

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن جده محمد بن عمرو بن حزم باع ثمر حائط له يقال له الأفرق بأربعة آلاف درهم واستثنى منه بثمان مائة درهم تمرا.

আবদুল্লাহ্ ইবন আবি বাকর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর দাদা মুহাম্মাদ ইবন আমার হাযম (রহঃ) আফবাক নামক তার এক বাগানের ফল চার হাজার দিরহাম মূল্যে বিক্রয় করলেন এবং উহা হতে আট শত দিরহাম মূল্যের ফলের কিছু শাখা রেখে দিলেন [নিজের জন্য] । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবন আবি বাকর (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর দাদা মুহাম্মাদ ইবন আমার হাযম (রহঃ) আফবাক নামক তার এক বাগানের ফল চার হাজার দিরহাম মূল্যে বিক্রয় করলেন এবং উহা হতে আট শত দিরহাম মূল্যের ফলের কিছু শাখা রেখে দিলেন [নিজের জন্য] । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر أن جده محمد بن عمرو بن حزم باع ثمر حائط له يقال له الأفرق بأربعة آلاف درهم واستثنى منه بثمان مائة درهم تمرا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮৫

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة أن أمه عمرة بنت عبد الرحمن كانت تبيع ثمارها وتستثني منها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن الرجل إذا باع ثمر حائطه أن له أن يستثني من ثمر حائطه ما بينه وبين ثلث الثمر لا يجاوز ذلك وما كان دون الثلث فلا بأس بذلك. قال مالك فأما الرجل يبيع ثمر حائطه ويستثني من ثمر حائطه ثمر نخلة أو نخلات يختارها ويسمي عددها فلا أرى بذلك بأسا لأن رب الحائط إنما استثنى شيئا من ثمر حائط نفسه وإنما ذلك شيء احتبسه من حائطه وأمسكه لم يبعه وباع من حائطه ما سوى ذلك.

মুহাম্মাদ ইবন আবদির রহমান ইবন হারেছা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

, তাঁর মাতা আ’মরা বিনত আবদির রহমান (রহঃ) তাঁর মালিকানার ফল বিক্রয় করতেন এবং উহা হতে ফলের কিছু শাখা নিজের জন্য রেখে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই যে, কোন ব্যক্তি বাগানের ফল বিক্রয় করবে তবে সেই বাগানের ফল হতে তৃতীয়াংশ পরিমাণ (নিজের জন্য) রাখা তার জন্য জায়েয আছে। উহার সীমা ছাড়িয়ে না যাওয়া চাই, এক-তৃতীয়াংশের কম হলে তাতে ক্ষতি নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি তার বাগানের ফল বিক্রয় করল এবং উহা হতে নিজের পছন্দসই এক বা একাধিক গাছের ফল অবিক্রিত রাখল, উহার সংখ্যাও উল্লেখ করল। আমি এইরূপ করাতে কোন দোষ মনে করি না। বাগানের মালিক নিজ বাগান হতে কিছু সংখ্যক বৃক্ষের ফল নিজের জন্য রাখল। আর এটা হচ্ছে এমন যেন কেউ নিজ বাগানের কিছু বৃক্ষ নিজের জন্য নির্ধারিত রাখল, উহাকে বিক্রয় না করে অবশিষ্ট বৃক্ষ বিক্রয় করে দিল।

মুহাম্মাদ ইবন আবদির রহমান ইবন হারেছা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

, তাঁর মাতা আ’মরা বিনত আবদির রহমান (রহঃ) তাঁর মালিকানার ফল বিক্রয় করতেন এবং উহা হতে ফলের কিছু শাখা নিজের জন্য রেখে দিতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের নিকট সর্বসম্মত মাসআলা এই যে, কোন ব্যক্তি বাগানের ফল বিক্রয় করবে তবে সেই বাগানের ফল হতে তৃতীয়াংশ পরিমাণ (নিজের জন্য) রাখা তার জন্য জায়েয আছে। উহার সীমা ছাড়িয়ে না যাওয়া চাই, এক-তৃতীয়াংশের কম হলে তাতে ক্ষতি নেই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এক ব্যক্তি তার বাগানের ফল বিক্রয় করল এবং উহা হতে নিজের পছন্দসই এক বা একাধিক গাছের ফল অবিক্রিত রাখল, উহার সংখ্যাও উল্লেখ করল। আমি এইরূপ করাতে কোন দোষ মনে করি না। বাগানের মালিক নিজ বাগান হতে কিছু সংখ্যক বৃক্ষের ফল নিজের জন্য রাখল। আর এটা হচ্ছে এমন যেন কেউ নিজ বাগানের কিছু বৃক্ষ নিজের জন্য নির্ধারিত রাখল, উহাকে বিক্রয় না করে অবশিষ্ট বৃক্ষ বিক্রয় করে দিল।

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة أن أمه عمرة بنت عبد الرحمن كانت تبيع ثمارها وتستثني منها قال مالك الأمر المجتمع عليه عندنا أن الرجل إذا باع ثمر حائطه أن له أن يستثني من ثمر حائطه ما بينه وبين ثلث الثمر لا يجاوز ذلك وما كان دون الثلث فلا بأس بذلك. قال مالك فأما الرجل يبيع ثمر حائطه ويستثني من ثمر حائطه ثمر نخلة أو نخلات يختارها ويسمي عددها فلا أرى بذلك بأسا لأن رب الحائط إنما استثنى شيئا من ثمر حائط نفسه وإنما ذلك شيء احتبسه من حائطه وأمسكه لم يبعه وباع من حائطه ما سوى ذلك.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00