মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে ক্রীতদাসীর স্বামী রয়েছে সে ক্রীতদাসীর সাথে অন্য লোকের সঙ্গম নিষিদ্ধ হওয়া

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৩

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف أن عبد الرحمن بن عوف ابتاع وليدة فوجدها ذات زوج فردها.

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) জনৈক ক্রীতদাসীকে খরিদ করলেন, পরে জানা গেল যে, তার স্বামী রয়েছে। তাই তিনি উহাকে ফেরত দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

বর্ণণাকারী থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) জনৈক ক্রীতদাসীকে খরিদ করলেন, পরে জানা গেল যে, তার স্বামী রয়েছে। তাই তিনি উহাকে ফেরত দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف أن عبد الرحمن بن عوف ابتاع وليدة فوجدها ذات زوج فردها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭২

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن عبد الله بن عامر أهدى لعثمان بن عفان جارية ولها زوج ابتاعها بالبصرة فقال عثمان لا أقربها حتى يفارقها زوجها فأرضى ابن عامر زوجها ففارقها.

ইবন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবন আমির (রাঃ) একটি দাসী হাদিয়া স্বরূপ উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর উদ্দেশ্যে প্রেরণ করলেন; সেই দাসীর স্বামী (বর্তমান) ছিল, তিনি উহাকে বসরাতে ক্রয় করেছিলেন। উসমান (রাঃ) বললেনঃ উহার স্বামী উহাকে ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমি এর কাছে [সঙ্গম উদ্দেশ্যে] গমন করব না। অতঃপর ইবন আমির তার স্বামীকে সম্মত করালেন, তার স্বামী তাকে ত্যাগ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইবন শিহাব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবন আমির (রাঃ) একটি দাসী হাদিয়া স্বরূপ উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর উদ্দেশ্যে প্রেরণ করলেন; সেই দাসীর স্বামী (বর্তমান) ছিল, তিনি উহাকে বসরাতে ক্রয় করেছিলেন। উসমান (রাঃ) বললেনঃ উহার স্বামী উহাকে ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমি এর কাছে [সঙ্গম উদ্দেশ্যে] গমন করব না। অতঃপর ইবন আমির তার স্বামীকে সম্মত করালেন, তার স্বামী তাকে ত্যাগ করল। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أن عبد الله بن عامر أهدى لعثمان بن عفان جارية ولها زوج ابتاعها بالبصرة فقال عثمان لا أقربها حتى يفارقها زوجها فأرضى ابن عامر زوجها ففارقها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > খেজুর বৃক্ষের ফল, যার মূল্য বিক্রয় করা হয়েছে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৪

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من باع نخلا قد أبرت فثمرها للبائع إلا أن يشترط المبتاع.

আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তা’বীর [১] করা খেজুরের গাছ বিক্রয় করেছে, উহার ফল বিক্রেতা পাইবে, কিন্তু ক্রেতা যদি শর্ত করে থাকে (তবে ফল ক্রেতার জন্য হবে)। (বুখারী ২২০৩, ২২০৪, মুসলিম ১৫৪৩)

আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তা’বীর [১] করা খেজুরের গাছ বিক্রয় করেছে, উহার ফল বিক্রেতা পাইবে, কিন্তু ক্রেতা যদি শর্ত করে থাকে (তবে ফল ক্রেতার জন্য হবে)। (বুখারী ২২০৩, ২২০৪, মুসলিম ১৫৪৩)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال من باع نخلا قد أبرت فثمرها للبائع إلا أن يشترط المبتاع.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পরিপুষ্ট হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় নিষিদ্ধ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৫

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى يبدو صلاحها نهى البائع والمشتري.

ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিক্রেতা, ক্রেতা উভয়কে পরিপুষ্ট হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২১৯৪, মুসলিম ১৫৩৪)

ইবন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিক্রেতা, ক্রেতা উভয়কে পরিপুষ্ট হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (বুখারী ২১৯৪, মুসলিম ১৫৩৪)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن ابن عمر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى يبدو صلاحها نهى البائع والمشتري.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৮

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن خارجة بن زيد بن ثابت عن زيد بن ثابت أنه كان لا يبيع ثماره حتى تطلع الثريا ২২৯৪-قال مالك والأمر عندنا في بيع البطيخ والقثاء والخربز والجزر إن بيعه إذا بدا صلاحه حلال جائز ثم يكون للمشتري ما ينبت حتى ينقطع ثمره ويهلك وليس في ذلك وقت يؤقت وذلك أن وقته معروف عند الناس وربما دخلته العاهة فقطعت ثمرته قبل أن يأتي ذلك الوقت فإذا دخلته العاهة بجائحة تبلغ الثلث فصاعدا كان ذلك موضوعا عن الذي ابتاعه.

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সপ্তর্ষীমণ্ডলস্থ নক্ষত্র (সুরাইয়া) উদিত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেন, তরবুজ, ক্ষিরাই, খরবুজ এবং গাজর বিক্রয়ের বিষয়ে আমাদের নিকট মাসআলা এইঃ পরিপুষ্ট হওয়ার পর এই সবের বিক্রয় হালাল ও বৈধ, তারপর যাহা উৎপাদিত হইবে [উৎপাদনকাল হইতে ফসল তোলা] শেষ হওয়া পর্যন্ত উহা ক্রেতার জন্য হইবে। ইহার জন্য কোন নির্ধারিত সময় নাই। কারণ উহার সময় লোকের নিকট পরিচিত। (তাহারা জানেন) কোন সময় এই সবের মধ্যে আপদ প্রবেশ করে। তাই সেই সময়ের পূর্বে উহার ফল কাটিয়া ফেলা হয়। যদি দুর্যোগের কারণে এইসবের মধ্যে কোন আপদ উপস্থিত হয় যাহার পরিমাণ পৌঁছে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কিংবা উহার অধিক তবে বিক্রেতার নিকট হইতে সেই পরিমাণ কমান হইবে [তারপর উহা ক্রেতাকে দেওয়া হইবে]।

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি সপ্তর্ষীমণ্ডলস্থ নক্ষত্র (সুরাইয়া) উদিত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতেন না। [১] (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেন, তরবুজ, ক্ষিরাই, খরবুজ এবং গাজর বিক্রয়ের বিষয়ে আমাদের নিকট মাসআলা এইঃ পরিপুষ্ট হওয়ার পর এই সবের বিক্রয় হালাল ও বৈধ, তারপর যাহা উৎপাদিত হইবে [উৎপাদনকাল হইতে ফসল তোলা] শেষ হওয়া পর্যন্ত উহা ক্রেতার জন্য হইবে। ইহার জন্য কোন নির্ধারিত সময় নাই। কারণ উহার সময় লোকের নিকট পরিচিত। (তাহারা জানেন) কোন সময় এই সবের মধ্যে আপদ প্রবেশ করে। তাই সেই সময়ের পূর্বে উহার ফল কাটিয়া ফেলা হয়। যদি দুর্যোগের কারণে এইসবের মধ্যে কোন আপদ উপস্থিত হয় যাহার পরিমাণ পৌঁছে এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কিংবা উহার অধিক তবে বিক্রেতার নিকট হইতে সেই পরিমাণ কমান হইবে [তারপর উহা ক্রেতাকে দেওয়া হইবে]।

و حدثني عن مالك عن أبي الزناد عن خارجة بن زيد بن ثابت عن زيد بن ثابت أنه كان لا يبيع ثماره حتى تطلع الثريا ২২৯৪-قال مالك والأمر عندنا في بيع البطيخ والقثاء والخربز والجزر إن بيعه إذا بدا صلاحه حلال جائز ثم يكون للمشتري ما ينبت حتى ينقطع ثمره ويهلك وليس في ذلك وقت يؤقت وذلك أن وقته معروف عند الناس وربما دخلته العاهة فقطعت ثمرته قبل أن يأتي ذلك الوقت فإذا دخلته العاهة بجائحة تبلغ الثلث فصاعدا كان ذلك موضوعا عن الذي ابتاعه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৭

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تنجو من العاهة ২২৯২-قال مالك وبيع الثمار قبل أن يبدو صلاحها من بيع الغرر.

‘আমরাহ্ বিনত আবদির রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদমুক্ত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেছেন, বিপদমুক্তির পূর্বে ফল বিক্রয় করা ধোঁকার বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত। (ইবনু আবদুল বার হাদীসটিকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন)

‘আমরাহ্ বিনত আবদির রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিপদমুক্ত হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (রহঃ) বলেছেন, বিপদমুক্তির পূর্বে ফল বিক্রয় করা ধোঁকার বিক্রয়ের অন্তর্ভুক্ত। (ইবনু আবদুল বার হাদীসটিকে মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن أبي الرجال محمد بن عبد الرحمن بن حارثة عن أمه عمرة بنت عبد الرحمن أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تنجو من العاهة ২২৯২-قال مالك وبيع الثمار قبل أن يبدو صلاحها من بيع الغرر.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৬

و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تزهي فقيل له يا رسول الله وما تزهي فقال حين تحمر وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت إذا منع الله الثمرة فبم يأخذ أحدكم مال أخيه.

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রঙীন হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ (রাঃ) প্রশ্ন করলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! রঙীন হওয়ার অর্থ কি? (রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, লাল কিংবা হলুদ রং-এর হওয়া। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, লক্ষ্য করুন। যদি আল্লাহ্ (গাছে) ফল পয়দা না করেন, তবে তোমাদের কেউ আপন ভাইয়ের মাল কিসের বিনিময়ে গ্রহণ করবে? (বুখারী ২১৯৮, মুসলিম ১৫৫৫)

আনাস ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রঙীন হওয়ার পূর্বে ফল বিক্রয় করতে রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। সাহাবীগণ (রাঃ) প্রশ্ন করলেন, ইয়া রসূলুল্লাহ্! রঙীন হওয়ার অর্থ কি? (রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, লাল কিংবা হলুদ রং-এর হওয়া। রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, লক্ষ্য করুন। যদি আল্লাহ্ (গাছে) ফল পয়দা না করেন, তবে তোমাদের কেউ আপন ভাইয়ের মাল কিসের বিনিময়ে গ্রহণ করবে? (বুখারী ২১৯৮, মুসলিম ১৫৫৫)

و حدثني عن مالك عن حميد الطويل عن أنس بن مالك أن رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تزهي فقيل له يا رسول الله وما تزهي فقال حين تحمر وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أرأيت إذا منع الله الثمرة فبم يأخذ أحدكم مال أخيه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আরিয়্যা [১] বিক্রয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৭৯

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر عن زيد بن ثابت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص لصاحب العرية أن يبيعها بخرصها.

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা করেছেন এমন ব্যক্তির জন্য উহাকে অনুমান করে বিক্রয় করার অনুমতি দিয়েছেন। (বুখারী ২১৮৮, মুসলিম ১৫৩৯)

যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা করেছেন এমন ব্যক্তির জন্য উহাকে অনুমান করে বিক্রয় করার অনুমতি দিয়েছেন। (বুখারী ২১৮৮, মুসলিম ১৫৩৯)

حدثني يحيى عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر عن زيد بن ثابت أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص لصاحب العرية أن يبيعها بخرصها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৮০

و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي سفيان مولى ابن أبي أحمد عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص في بيع العرايا بخرصها فيما دون خمسة أوسق أو في خمسة أوسق يشك داود قال خمسة أوسق أو دون خمسة أوسق ২২৯৮-قال مالك وإنما تباع العرايا بخرصها من التمر يتحرى ذلك ويخرص في رءوس النخل وإنما أرخص فيه لأنه أنزل بمنزلة التولية والإقالة والشرك ولو كان بمنزلة غيره من البيوع ما أشرك أحد أحدا في طعامه حتى يستوفيه ولا أقاله منه ولا ولاه أحدا حتى يقبضه المبتاع.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা স্বরূপ দেয়া হয়েছে এরূপ বৃক্ষের খেজুর অনুমান করে বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন পাঁচ ওয়াসকের [১] কম কিংবা (পূর্ণ) পাঁচ ওয়াসকের মধ্যে। দাউদ (রাবী) সন্দেহ প্রকাশ করেছেন; (তাঁর শায়খ আবূ সূফিয়ান) পাঁচ ওয়াসক বলেছেন না পাঁচ ওয়াসকের কম বলেছেন। (বুখারী ২১৯০, মুসলিম ২৫৪৯) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরিয়্যা পন্থায় প্রদত্ত বৃক্ষসমূহের ফল খেজুরের বিনিময়ে আন্দাজ করে বিক্রয় করা যায়। চিন্তা-ভাবনা করে উহার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে এবং গাছে থাকতে উহার আন্দাজ করা হবে। উহার জন্য ওজন করার প্রয়োজন নাই। এইরূপ করার অনুমতি এই জন্য দেয়া হয়েছে যে, ইহা খরিদ দামে বিক্রয়, খরিদ বাতিলকরণ এবং খরিদকৃত বস্তুতে অন্যকে শরীক নেওয়ার মতো। এটা যদি অন্যান্য বিক্রয়ের মতো হতো তবে খাদ্যদ্রব্যে অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে কাউকেও শরীক করা জায়েয হত না এবং অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে খরিদ বাতিলকরণও জায়েয হত না এবং অধিকারে আসার পূর্বে খরিদমূল্যে ক্রয় করাও জায়েয হত না।

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা স্বরূপ দেয়া হয়েছে এরূপ বৃক্ষের খেজুর অনুমান করে বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন পাঁচ ওয়াসকের [১] কম কিংবা (পূর্ণ) পাঁচ ওয়াসকের মধ্যে। দাউদ (রাবী) সন্দেহ প্রকাশ করেছেন; (তাঁর শায়খ আবূ সূফিয়ান) পাঁচ ওয়াসক বলেছেন না পাঁচ ওয়াসকের কম বলেছেন। (বুখারী ২১৯০, মুসলিম ২৫৪৯) মালিক (রহঃ) বলেনঃ আরিয়্যা পন্থায় প্রদত্ত বৃক্ষসমূহের ফল খেজুরের বিনিময়ে আন্দাজ করে বিক্রয় করা যায়। চিন্তা-ভাবনা করে উহার পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে এবং গাছে থাকতে উহার আন্দাজ করা হবে। উহার জন্য ওজন করার প্রয়োজন নাই। এইরূপ করার অনুমতি এই জন্য দেয়া হয়েছে যে, ইহা খরিদ দামে বিক্রয়, খরিদ বাতিলকরণ এবং খরিদকৃত বস্তুতে অন্যকে শরীক নেওয়ার মতো। এটা যদি অন্যান্য বিক্রয়ের মতো হতো তবে খাদ্যদ্রব্যে অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে কাউকেও শরীক করা জায়েয হত না এবং অধিকার প্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে খরিদ বাতিলকরণও জায়েয হত না এবং অধিকারে আসার পূর্বে খরিদমূল্যে ক্রয় করাও জায়েয হত না।

و حدثني عن مالك عن داود بن الحصين عن أبي سفيان مولى ابن أبي أحمد عن أبي هريرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم أرخص في بيع العرايا بخرصها فيما دون خمسة أوسق أو في خمسة أوسق يشك داود قال خمسة أوسق أو دون خمسة أوسق ২২৯৮-قال مالك وإنما تباع العرايا بخرصها من التمر يتحرى ذلك ويخرص في رءوس النخل وإنما أرخص فيه لأنه أنزل بمنزلة التولية والإقالة والشرك ولو كان بمنزلة غيره من البيوع ما أشرك أحد أحدا في طعامه حتى يستوفيه ولا أقاله منه ولا ولاه أحدا حتى يقبضه المبتاع.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00