মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বয়স্ক হওয়ার পর দুধ পান করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৬২

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رجلا سأل أبا موسى الأشعري فقال: إني مصصت عن امرأتي من ثديها لبنا فذهب في بطني فقال أبو موسى لا أراها إلا قد حرمت عليك فقال عبد الله بن مسعود انظر ماذا تفتي به الرجل فقال أبو موسى فماذا تقول أنت فقال عبد الله بن مسعود لا رضاعة إلا ما كان في الحولين فقال أبو موسى لا تسألوني عن شيء ما كان هذا الحبر بين أظهركم.

ইয়াহইয়া ইবন সা‘ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি আবূ মূসা আশ’আরী (রা)-কে প্রশ্ন করলেন, আমি আমার স্ত্রীর স্তন চুষেছি, দুধ আমার ভিতরে প্রবেশ করেছে। আবূ মূসা আশ’আরী (রা) বললেন আমি মনে করি, তোমার স্ত্রী তোমার উপর হারাম হয়েছে। ‘আবদুল্লাহ্ ইবন মাস’ঊদ (রা) বললেন : ভেবে দেখুন এই ব্যক্তি কে, কি ফতোয়া দিচ্ছেন? আবূ মূসা বললেন : তবে আপনি কি বলেন? আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসঊদ (রা) বললেন : দুধ খাওয়া দুই বৎসরের ভিতরেই হয়, অতঃপর আবূ মূসা (রা) বললেন : এই ‘বিজ্ঞজন’ যতদিন তোমাদের মধ্যে আছেন তোমরা (কোন বিষয়ে) আমার কাছে ফতোয়া জিজ্ঞেস করো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবন সা‘ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি আবূ মূসা আশ’আরী (রা)-কে প্রশ্ন করলেন, আমি আমার স্ত্রীর স্তন চুষেছি, দুধ আমার ভিতরে প্রবেশ করেছে। আবূ মূসা আশ’আরী (রা) বললেন আমি মনে করি, তোমার স্ত্রী তোমার উপর হারাম হয়েছে। ‘আবদুল্লাহ্ ইবন মাস’ঊদ (রা) বললেন : ভেবে দেখুন এই ব্যক্তি কে, কি ফতোয়া দিচ্ছেন? আবূ মূসা বললেন : তবে আপনি কি বলেন? আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাসঊদ (রা) বললেন : দুধ খাওয়া দুই বৎসরের ভিতরেই হয়, অতঃপর আবূ মূসা (রা) বললেন : এই ‘বিজ্ঞজন’ যতদিন তোমাদের মধ্যে আছেন তোমরা (কোন বিষয়ে) আমার কাছে ফতোয়া জিজ্ঞেস করো না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن رجلا سأل أبا موسى الأشعري فقال: إني مصصت عن امرأتي من ثديها لبنا فذهب في بطني فقال أبو موسى لا أراها إلا قد حرمت عليك فقال عبد الله بن مسعود انظر ماذا تفتي به الرجل فقال أبو موسى فماذا تقول أنت فقال عبد الله بن مسعود لا رضاعة إلا ما كان في الحولين فقال أبو موسى لا تسألوني عن شيء ما كان هذا الحبر بين أظهركم.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৬১

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال جاء رجل إلى عبد الله بن عمر وأنا معه عند دار القضاء يسأله عن رضاعة الكبير فقال عبد الله بن عمر جاء رجل إلى عمر بن الخطاب فقال إني كانت لي وليدة وكنت أطؤها فعمدت امرأتي إليها فأرضعتها فدخلت عليها فقالت دونك فقد والله أرضعتها فقال عمر أوجعها وأت جاريتك فإنما الرضاعة رضاعة الصغير.

আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন : বয়স্কদের দুধ পানের বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য “দারুল কাযা” বিচারালয় ইহা ছিল উমার ফারূক (রা)-এর ঘর, তাঁর শাহাদাতের পর তাঁর ঋণ পরিশোধ করার জন্য এই ঘর বিক্রি করা হয়, তাই একে দারুল কাযা বলা হয়)-এর নিকট এক ব্যক্তি আসল। আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রা)-এর কাছে তখন আমি উপস্থিত ছিলাম। আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রা) বললেন : এক ব্যক্তি ‘উমার ইবন খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বললেন, আমার এক দাসী ছিল। আমি তার সাথে সঙ্গম করতাম আমার স্ত্রী ইচ্ছাপূর্বক তাকে দুধ খাওয়াইয়া দেয়, তারপর আমি সেই দাসীর নিকট (সঙ্গমের উদ্দেশ্যে) প্রবেশ করলাম। আমার স্ত্রী বলল থাম। উহার সাথে সংগত হইও না আল্লাহ্‌র কসম, আমি উহাকে দুধ পান করাইয়াছি। উমার (রা) বললেন, তোমার স্ত্রীকে শাস্তি দাও, তারপর দাসীর নিকট গমন কর, দুধ পান করানো ছোটদের বেলায় গ্রহণযোগ্য হয়ে থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেছেন : বয়স্কদের দুধ পানের বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য “দারুল কাযা” বিচারালয় ইহা ছিল উমার ফারূক (রা)-এর ঘর, তাঁর শাহাদাতের পর তাঁর ঋণ পরিশোধ করার জন্য এই ঘর বিক্রি করা হয়, তাই একে দারুল কাযা বলা হয়)-এর নিকট এক ব্যক্তি আসল। আবদুল্লাহ্ ইবন উমার (রা)-এর কাছে তখন আমি উপস্থিত ছিলাম। আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমার (রা) বললেন : এক ব্যক্তি ‘উমার ইবন খাত্তাব (রা)-এর নিকট এসে বললেন, আমার এক দাসী ছিল। আমি তার সাথে সঙ্গম করতাম আমার স্ত্রী ইচ্ছাপূর্বক তাকে দুধ খাওয়াইয়া দেয়, তারপর আমি সেই দাসীর নিকট (সঙ্গমের উদ্দেশ্যে) প্রবেশ করলাম। আমার স্ত্রী বলল থাম। উহার সাথে সংগত হইও না আল্লাহ্‌র কসম, আমি উহাকে দুধ পান করাইয়াছি। উমার (রা) বললেন, তোমার স্ত্রীকে শাস্তি দাও, তারপর দাসীর নিকট গমন কর, দুধ পান করানো ছোটদের বেলায় গ্রহণযোগ্য হয়ে থাকে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال جاء رجل إلى عبد الله بن عمر وأنا معه عند دار القضاء يسأله عن رضاعة الكبير فقال عبد الله بن عمر جاء رجل إلى عمر بن الخطاب فقال إني كانت لي وليدة وكنت أطؤها فعمدت امرأتي إليها فأرضعتها فدخلت عليها فقالت دونك فقد والله أرضعتها فقال عمر أوجعها وأت جاريتك فإنما الرضاعة رضاعة الصغير.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৬০

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه سئل عن رضاعة الكبير فقال أخبرني عروة بن الزبير أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان قد شهد بدرا وكان تبنى سالما الذي يقال له سالم مولى أبي حذيفة كما تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيد بن حارثة وأنكح أبو حذيفة سالما وهو يرى أنه ابنه أنكحه بنت أخيه فاطمة بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة وهي يومئذ من المهاجرات الأول وهي من أفضل أيامى قريش فلما أنزل الله تعالى في كتابه في زيد بن حارثة ما أنزل فقال: { ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم } رد كل واحد من أولئك إلى أبيه فإن لم يعلم أبوه رد إلى مولاه فجاءت سهلة بنت سهيل وهي امرأة أبي حذيفة وهي من بني عامر بن لؤي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله كنا نرى سالما ولدا وكان يدخل علي وأنا فضل وليس لنا إلا بيت واحد فماذا ترى في شأنه فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أرضعيه خمس رضعات فيحرم بلبنها وكانت تراه ابنا من الرضاعة فأخذت بذلك عائشة أم المؤمنين فيمن كانت تحب أن يدخل عليها من الرجال فكانت تأمر أختها أم كلثوم بنت أبي بكر الصديق وبنات أخيها أن يرضعن من أحبت أن يدخل عليها من الرجال وأبى سائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخل عليهن بتلك الرضاعة أحد من الناس وقلن لا والله ما نرى الذي أمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم سهلة بنت سهيل إلا رخصة من رسول الله صلى الله عليه وسلم في رضاعة سالم وحده لا والله لا يدخل علينا بهذه الرضاعة أحد فعلى هذا كان أزواج النبي صلى الله عليه وسلم في رضاعة الكبير.

ইবন শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

কে প্রশ্ন করা হল বয়স্কের দুধ পান করা সম্বন্ধে। তিনি (উত্তরে) বললেন : উরওয়াহ্ ইবন যুবায়র (র) আমাকে বলেছেন : আবূ হুযায়ফা ইবন উতবা ইবন রবি’আ (রা) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্যে একজন সাহাবা ছিলেন। তিনি বদরের যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন, তিনি সালিম (রা)-কে পালক পুত্র করেছিলেন যাকে বলা হত সালিম মাওলা আবূ হুযায়ফা। [সায়িবা নামক জনৈকা মহিলা তাকে আযাদ করেন, পরে আবূ হুযায়ফা তাকে লালন-পালন করেন এবং পুত্ররূপে গ্রহণ করেন। এইজন্য সালিমকে আবূ হুযায়ফার মাওলা বলা হয়েছে] যেমন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ ইব্নু হারিসা (রা)-কে পুত্র সন্তান বানিয়েছিলেন এবং আবূ হুযায়ফা সালিমের নিকট তার ভাতিজী ফাতেমা বিনত ওয়ালিদ ইবন উতবা ইবন রবি’আকে বিবাহ দিলেন, তিনি সালিমকে নিজের পুত্র বলে মনে করতেন। ফাতেমা ছিলেন প্রথম ভাগে হিজরতকারিণীদের মধ্যে একজন মহিলা এবং তিনি তখন কুরাইশদের অবিবাহিত মহিলাদের মধ্যেও ছিলেন অন্যতম । যখন আল্লাহ তাঁর কিতাবে যায়দ ইবন হারিসা সম্পর্কে এই আয়াত অবতীর্ণ করলেন- ادْعُوهُمْ لِآبَائِهِمْ هُوَ أَقْسَطُ عِنْدَ اللهِ فَإِنْ لَمْ تَعْلَمُوا آبَاءَهُمْ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ. (অর্থাৎ তোমরা তাদেরকে ডাক তাদের পিতৃপরিচয়ে। আল্লাহর নিকট এটাই ন্যায়সঙ্গত, যদি তোমরা তাদের পরিচয় না জান তবে তাদেরকে তোমাদের ধর্মীয় ভ্রাতা ও বন্ধুরূপে গণ্য করবে।) যাদেরকে পোষ্যপুত্র বানিয়েছে তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ের দিকে ফিরিয়ে দাও। আর যদি পিতার পরিচয় না জান তবে তার মাওলার (মনিব বা মিত্রতা সূত্রে স্থাপিত সম্পর্কের স্বজন) দিকে তাদেরকে ফিরিয়ে দাও। আর হুযায়ফার স্ত্রী সাহলা বিনত সুহায়ল যিনি ছিলেন আমির ইবন লুয়াই গোত্রের, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসূল! সালিমকে আমরা পুত্ররূপে গ্রহণ করেছিলাম। সে আমার কক্ষে প্রবেশ করে এই অবস্থায় যে, আমি তখন একটি কাপড় পরিধান করে থাকি। আর আমার গৃহও মাত্র একটি। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : এ বিষয়ে আমাদের কথা হলা তাকে পাঁচবার (স্তন হতে) দুধ পান করিয়ে দাও। তা হলে এই দুধের কারণে সে হারাম হয়ে যাবে। এবং সাহলা দুধ পান করানোর কারণে তাকে পুত্র বলে জানতেন। উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রা) রসূলুল্লাহ্ (সা)-এর এ অভিমত গ্রহণ করেছেন, অতএব সেই সকল পুরুষের তাঁর নিকট প্রবেশ করা তিনি পছন্দ করতেন। তিনি তাঁর ভগ্নী উম্মে কুলসুম বিনত আবি বাক্র সিদ্দীক (রা)-কে এবং তাঁর ভাতিজীদেরকে সেই সকল পুরুষকে দুধ পান করানোর নির্দেশ দিতেন। কিন্তু নবী করীম (সা)-এর অন্যান্য সহধর্মিণী এই প্রকার দুধ পানের দ্বারা কোন পুরুষের তাঁদের নিকট প্রবেশ করাতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন। তাঁরা বলতেন, [‘আয়িশা সিদ্দিকা (রা)-কে উদ্দেশ্য করে] আল্লাহর কসম, আমরা মনে করি, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহলা বিন্ত সুহাইলাকে যে হুকুম দিয়েছিলেন তা কেবলমাত্র সালিমের জন্য রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ হতে রুখ্সত (বিশেষ অনুমতি) স্বরূপ ছিল। কসম আল্লাহ্‌র! এই প্রকারের দুধ পান করানো দ্বারা আমাদের নিকট কোন লোক প্রবেশ করতে পারবে না। বয়স্কদের দুধ পান করানো সম্বন্ধে আর সকল নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী এই অভিমতের উপর অটল ছিলেন। (সহীহ, মুসলিম ১৪৫৩)

ইবন শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

কে প্রশ্ন করা হল বয়স্কের দুধ পান করা সম্বন্ধে। তিনি (উত্তরে) বললেন : উরওয়াহ্ ইবন যুবায়র (র) আমাকে বলেছেন : আবূ হুযায়ফা ইবন উতবা ইবন রবি’আ (রা) রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্যে একজন সাহাবা ছিলেন। তিনি বদরের যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন, তিনি সালিম (রা)-কে পালক পুত্র করেছিলেন যাকে বলা হত সালিম মাওলা আবূ হুযায়ফা। [সায়িবা নামক জনৈকা মহিলা তাকে আযাদ করেন, পরে আবূ হুযায়ফা তাকে লালন-পালন করেন এবং পুত্ররূপে গ্রহণ করেন। এইজন্য সালিমকে আবূ হুযায়ফার মাওলা বলা হয়েছে] যেমন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায়দ ইব্নু হারিসা (রা)-কে পুত্র সন্তান বানিয়েছিলেন এবং আবূ হুযায়ফা সালিমের নিকট তার ভাতিজী ফাতেমা বিনত ওয়ালিদ ইবন উতবা ইবন রবি’আকে বিবাহ দিলেন, তিনি সালিমকে নিজের পুত্র বলে মনে করতেন। ফাতেমা ছিলেন প্রথম ভাগে হিজরতকারিণীদের মধ্যে একজন মহিলা এবং তিনি তখন কুরাইশদের অবিবাহিত মহিলাদের মধ্যেও ছিলেন অন্যতম । যখন আল্লাহ তাঁর কিতাবে যায়দ ইবন হারিসা সম্পর্কে এই আয়াত অবতীর্ণ করলেন- ادْعُوهُمْ لِآبَائِهِمْ هُوَ أَقْسَطُ عِنْدَ اللهِ فَإِنْ لَمْ تَعْلَمُوا آبَاءَهُمْ فَإِخْوَانُكُمْ فِي الدِّينِ وَمَوَالِيكُمْ. (অর্থাৎ তোমরা তাদেরকে ডাক তাদের পিতৃপরিচয়ে। আল্লাহর নিকট এটাই ন্যায়সঙ্গত, যদি তোমরা তাদের পরিচয় না জান তবে তাদেরকে তোমাদের ধর্মীয় ভ্রাতা ও বন্ধুরূপে গণ্য করবে।) যাদেরকে পোষ্যপুত্র বানিয়েছে তাদেরকে তাদের পিতৃপরিচয়ের দিকে ফিরিয়ে দাও। আর যদি পিতার পরিচয় না জান তবে তার মাওলার (মনিব বা মিত্রতা সূত্রে স্থাপিত সম্পর্কের স্বজন) দিকে তাদেরকে ফিরিয়ে দাও। আর হুযায়ফার স্ত্রী সাহলা বিনত সুহায়ল যিনি ছিলেন আমির ইবন লুয়াই গোত্রের, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এলেন এবং বললেন, হে আল্লাহর রসূল! সালিমকে আমরা পুত্ররূপে গ্রহণ করেছিলাম। সে আমার কক্ষে প্রবেশ করে এই অবস্থায় যে, আমি তখন একটি কাপড় পরিধান করে থাকি। আর আমার গৃহও মাত্র একটি। এ ব্যাপারে আপনার অভিমত কি? তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : এ বিষয়ে আমাদের কথা হলা তাকে পাঁচবার (স্তন হতে) দুধ পান করিয়ে দাও। তা হলে এই দুধের কারণে সে হারাম হয়ে যাবে। এবং সাহলা দুধ পান করানোর কারণে তাকে পুত্র বলে জানতেন। উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রা) রসূলুল্লাহ্ (সা)-এর এ অভিমত গ্রহণ করেছেন, অতএব সেই সকল পুরুষের তাঁর নিকট প্রবেশ করা তিনি পছন্দ করতেন। তিনি তাঁর ভগ্নী উম্মে কুলসুম বিনত আবি বাক্র সিদ্দীক (রা)-কে এবং তাঁর ভাতিজীদেরকে সেই সকল পুরুষকে দুধ পান করানোর নির্দেশ দিতেন। কিন্তু নবী করীম (সা)-এর অন্যান্য সহধর্মিণী এই প্রকার দুধ পানের দ্বারা কোন পুরুষের তাঁদের নিকট প্রবেশ করাতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন। তাঁরা বলতেন, [‘আয়িশা সিদ্দিকা (রা)-কে উদ্দেশ্য করে] আল্লাহর কসম, আমরা মনে করি, রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহলা বিন্ত সুহাইলাকে যে হুকুম দিয়েছিলেন তা কেবলমাত্র সালিমের জন্য রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ হতে রুখ্সত (বিশেষ অনুমতি) স্বরূপ ছিল। কসম আল্লাহ্‌র! এই প্রকারের দুধ পান করানো দ্বারা আমাদের নিকট কোন লোক প্রবেশ করতে পারবে না। বয়স্কদের দুধ পান করানো সম্বন্ধে আর সকল নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী এই অভিমতের উপর অটল ছিলেন। (সহীহ, মুসলিম ১৪৫৩)

حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه سئل عن رضاعة الكبير فقال أخبرني عروة بن الزبير أن أبا حذيفة بن عتبة بن ربيعة وكان من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان قد شهد بدرا وكان تبنى سالما الذي يقال له سالم مولى أبي حذيفة كما تبنى رسول الله صلى الله عليه وسلم زيد بن حارثة وأنكح أبو حذيفة سالما وهو يرى أنه ابنه أنكحه بنت أخيه فاطمة بنت الوليد بن عتبة بن ربيعة وهي يومئذ من المهاجرات الأول وهي من أفضل أيامى قريش فلما أنزل الله تعالى في كتابه في زيد بن حارثة ما أنزل فقال: { ادعوهم لآبائهم هو أقسط عند الله فإن لم تعلموا آباءهم فإخوانكم في الدين ومواليكم } رد كل واحد من أولئك إلى أبيه فإن لم يعلم أبوه رد إلى مولاه فجاءت سهلة بنت سهيل وهي امرأة أبي حذيفة وهي من بني عامر بن لؤي إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله كنا نرى سالما ولدا وكان يدخل علي وأنا فضل وليس لنا إلا بيت واحد فماذا ترى في شأنه فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم أرضعيه خمس رضعات فيحرم بلبنها وكانت تراه ابنا من الرضاعة فأخذت بذلك عائشة أم المؤمنين فيمن كانت تحب أن يدخل عليها من الرجال فكانت تأمر أختها أم كلثوم بنت أبي بكر الصديق وبنات أخيها أن يرضعن من أحبت أن يدخل عليها من الرجال وأبى سائر أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يدخل عليهن بتلك الرضاعة أحد من الناس وقلن لا والله ما نرى الذي أمر به رسول الله صلى الله عليه وسلم سهلة بنت سهيل إلا رخصة من رسول الله صلى الله عليه وسلم في رضاعة سالم وحده لا والله لا يدخل علينا بهذه الرضاعة أحد فعلى هذا كان أزواج النبي صلى الله عليه وسلم في رضاعة الكبير.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > দুধ পান করানোর বিবিধ বিষয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৬৩

و حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن سليمان بن يسار وعن عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يحرم من الرضاعة ما يحرم من الولادة.

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হারাম হয়ে যায় দুধ পানের দ্বারা, যেমন হয় জন্মগত সম্পর্কের দ্বারা। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২০৫৪, তিরমিযী ১১৪৭, নাসাঈ ৩৩০৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ওযায়ীফ সুনানে তিরমিযী])

উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশা (রা) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হারাম হয়ে যায় দুধ পানের দ্বারা, যেমন হয় জন্মগত সম্পর্কের দ্বারা। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২০৫৪, তিরমিযী ১১৪৭, নাসাঈ ৩৩০৩, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ওযায়ীফ সুনানে তিরমিযী])

و حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن دينار عن سليمان بن يسار وعن عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال يحرم من الرضاعة ما يحرم من الولادة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৬৪

و حدثني عن مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل أنه قال أخبرني عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين عن جدامة بنت وهب الأسدية أنها أخبرتها أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لقد هممت أن أنهى عن الغيلة حتى ذكرت أن الروم وفارس يصنعون ذلك فلا يضر أولادهم قال مالك والغيلة أن يمس الرجل امرأته وهي ترضع.

জদামা বিনতি ওয়াহাব আসদিয়া (রা) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা)-কে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, আমি সংকল্প করেছিলাম গীলা হতে বারণ করার, কিন্তু আমার নিকট উল্লেখ করা হয় যে, রোম ও পারস্যের লোকেরা এটা করে থাকে, তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না। (সহীহ, মুসলিম ১৪৪২) মালিক (রা) বলেন : গীলা হইতেছে শিশুকে দুধ পান করানোকালীন সময়ে স্ত্রীর সহিত স্বামীর সঙ্গম করা।

জদামা বিনতি ওয়াহাব আসদিয়া (রা) থেকে বর্নিতঃ

উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা)-কে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেন, আমি সংকল্প করেছিলাম গীলা হতে বারণ করার, কিন্তু আমার নিকট উল্লেখ করা হয় যে, রোম ও পারস্যের লোকেরা এটা করে থাকে, তাদের সন্তানদের কোন ক্ষতি হয় না। (সহীহ, মুসলিম ১৪৪২) মালিক (রা) বলেন : গীলা হইতেছে শিশুকে দুধ পান করানোকালীন সময়ে স্ত্রীর সহিত স্বামীর সঙ্গম করা।

و حدثني عن مالك عن محمد بن عبد الرحمن بن نوفل أنه قال أخبرني عروة بن الزبير عن عائشة أم المؤمنين عن جدامة بنت وهب الأسدية أنها أخبرتها أنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول لقد هممت أن أنهى عن الغيلة حتى ذكرت أن الروم وفارس يصنعون ذلك فلا يضر أولادهم قال مالك والغيلة أن يمس الرجل امرأته وهي ترضع.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৬৫

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان فيما أنزل من القرآن عشر رضعات معلومات يحرمن ثم نسخن بخمس معلومات فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو فيما يقرأ من القرآن قال يحيى قال مالك وليس على هذا العمل.

আমরা বিনত আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

নবী করীম (স)-এর পত্নী আয়িশা (রা) বলেছেন : কুরআনে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তাতে দশবার দুধ চোষার কথা নির্ধারিত ছিল, যা হারাম করবে, তারপর উহা রহিত হইয়া যায় নির্ধারিত পাঁচবার দুগ্ধ চোষার (অবতীর্ণ হুকুমের) দ্বারা। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হয় তখনও সেই পাঁচবার দুধ চোষার (হুকুমের অংশ) সম্মিলিত আয়াত তিলাওয়াত করা হত। [১] (সহীহ, মুসলিম ১৪৫২) মালিক (র) বলেন, এর উপর আমল নাই। অর্থাৎ পাঁচবারের উপর আমল নাই। দুগ্ধ পান অল্প হোক বা বেশি হোক বিবাহ সম্পর্ক হারাম করবে।

আমরা বিনত আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

নবী করীম (স)-এর পত্নী আয়িশা (রা) বলেছেন : কুরআনে যা অবতীর্ণ হয়েছিল তাতে দশবার দুধ চোষার কথা নির্ধারিত ছিল, যা হারাম করবে, তারপর উহা রহিত হইয়া যায় নির্ধারিত পাঁচবার দুগ্ধ চোষার (অবতীর্ণ হুকুমের) দ্বারা। অতঃপর রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হয় তখনও সেই পাঁচবার দুধ চোষার (হুকুমের অংশ) সম্মিলিত আয়াত তিলাওয়াত করা হত। [১] (সহীহ, মুসলিম ১৪৫২) মালিক (র) বলেন, এর উপর আমল নাই। অর্থাৎ পাঁচবারের উপর আমল নাই। দুগ্ধ পান অল্প হোক বা বেশি হোক বিবাহ সম্পর্ক হারাম করবে।

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن أبي بكر بن حزم عن عمرة بنت عبد الرحمن عن عائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أنها قالت كان فيما أنزل من القرآن عشر رضعات معلومات يحرمن ثم نسخن بخمس معلومات فتوفي رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو فيما يقرأ من القرآن قال يحيى قال مالك وليس على هذا العمل.


লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00