মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে তার জন্য ইদ্দত পালনার্থে নিজ গৃহে অবস্থান করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৯
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: لا تبيت المتوفى عنها زوجها ولا المبتوتة إلا في بيتها.
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে নারীর স্বামী ওফাত পেয়েছে সে এবং যে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে সেই স্ত্রীলোক আপন স্বামীর গৃহ ব্যতীত অন্য কোথাও রাত্রি যাপন করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে নারীর স্বামী ওফাত পেয়েছে সে এবং যে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে সেই স্ত্রীলোক আপন স্বামীর গৃহ ব্যতীত অন্য কোথাও রাত্রি যাপন করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: لا تبيت المتوفى عنها زوجها ولا المبتوتة إلا في بيتها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৮
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أنه كان يقول في المرأة البدوية يتوفى عنها زوجها إنها تنتوي حيث انتوى أهلها، قال مالك وهذا الأمر عندنا.
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, গ্রামাঞ্চলের স্ত্রীলোক যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে সে আপন পরিজন যেই স্থানে অবস্থান করে সেই স্থানে অবস্থান করবে। (মালিক (র) বললেন : আমাদের নিকটও ফয়সালা অনুরূপ।) (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলতেন, গ্রামাঞ্চলের স্ত্রীলোক যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে সে আপন পরিজন যেই স্থানে অবস্থান করে সেই স্থানে অবস্থান করবে। (মালিক (র) বললেন : আমাদের নিকটও ফয়সালা অনুরূপ।) (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أنه كان يقول في المرأة البدوية يتوفى عنها زوجها إنها تنتوي حيث انتوى أهلها، قال مالك وهذا الأمر عندنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৬
حدثني يحيى عن مالك عن سعد بن إسحق بن كعب بن عجرة عن عمته زينب بنت كعب بن عجرة أن الفريعة بنت مالك بن سنان وهي أخت أبي سعيد الخدري أخبرتها أنها جاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم تسأله أن ترجع إلى أهلها في بني خدرة فإن زوجها خرج في طلب أعبد له أبقوا حتى إذا كانوا بطرف القدوم لحقهم فقتلوه قالت فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أرجع إلى أهلي في بني خدرة فإن زوجي لم يتركني في مسكن يملكه ولا نفقة قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم قالت فانصرفت حتى إذا كنت في الحجرة ناداني رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أمر بي فنوديت له فقال كيف قلت فرددت عليه القصة التي ذكرت له من شأن زوجي فقال امكثي في بيتك حتى يبلغ الكتاب أجله قالت فاعتددت فيه أربعة أشهر وعشرا قالت فلما كان عثمان بن عفان أرسل إلي فسألني عن ذلك فأخبرته فاتبعه وقضى به.
যায়নাব বিন্ত কা’ব ইবনু উজরাহ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-এর ভগ্নী ফুরাইয়া বিন্ত মালিক ইবনু সিনান (রা) তাকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে বনী খুদরায় তাঁর পরিজনের নিকট চলে যাওয়ার (অনুমতি সম্পর্কে) সওয়াল করার জন্য উপস্থিত হলেন, কারণ তার স্বামী কয়েকটি পলাতক ক্রীতদাসের সন্ধানে বের হয়েছিলেন। যখন (মদীনা হতে ছয় মাইল দূরে অবস্থিত) কাদুম নামক স্থানের কাছে পৌঁছে তাদেরকে পেলেন। তখন ক্রীতদাসরা তাকে হত্যা করল। ফুরাইয়া বলেন : অতঃপর আমি বনী খুদরাতে আমার পরিজনের নিকট ফিরে যাওয়ার বিষয় রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করলাম এবং বললাম, আমার স্বামী তার মালিকানাধীন কোন গৃহ আমার জন্য রেখে যাননি এবং কোন খোরপোশেরও ব্যবস্থা করে যাননি। ফুরাইয়া বলেন : রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : হ্যাঁ, (তুমি তোমার পরিজনের নিকট যেতে পার) ফুরাইয়া বলেন, আমি ফিরে এসে আমার কক্ষে প্রবেশ করেছি। এমন সময় আমাকে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার আহ্বান করলেন অথবা আহ্বান করতে নির্দেশ দিলেন। আমি তার আহ্বানে উপস্থিত হলে তিনি বললেন, তুমি কি বলেছিলে (পুনরায় বল)। আমার স্বামীর যে ঘটনা আমি তার কাছে উল্লেখ করেছিলাম পুনরায় সেই ঘটনা বর্ণনা করলাম। (ঘটনা শ্রবণ করার পর) তিনি বললেন : তোমার গৃহেই অবস্থান কর ইদ্দত শেষ হওয়া পর্যন্ত। ফুরাইয়া বলেন : আমি ইহার পর সেই গৃহে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করলাম। তিনি বলেন : উসমান ইবনু আফ্ফান (রা) আমার নিকট লোক প্রেরণ করলে আমি তাঁকে ঐ ঘটনার খবর দিলাম। তিনি তা অনুসরণ করলেন এবং সেই মুতাবিক ফয়সালাও দিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৩০০, তিরমিযী ১২০৪, নাসাঈ ৩৫২৮, ৩৫২৯, ইবনু মাজাহ ২০৩১, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ])
যায়নাব বিন্ত কা’ব ইবনু উজরাহ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-এর ভগ্নী ফুরাইয়া বিন্ত মালিক ইবনু সিনান (রা) তাকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে বনী খুদরায় তাঁর পরিজনের নিকট চলে যাওয়ার (অনুমতি সম্পর্কে) সওয়াল করার জন্য উপস্থিত হলেন, কারণ তার স্বামী কয়েকটি পলাতক ক্রীতদাসের সন্ধানে বের হয়েছিলেন। যখন (মদীনা হতে ছয় মাইল দূরে অবস্থিত) কাদুম নামক স্থানের কাছে পৌঁছে তাদেরকে পেলেন। তখন ক্রীতদাসরা তাকে হত্যা করল। ফুরাইয়া বলেন : অতঃপর আমি বনী খুদরাতে আমার পরিজনের নিকট ফিরে যাওয়ার বিষয় রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করলাম এবং বললাম, আমার স্বামী তার মালিকানাধীন কোন গৃহ আমার জন্য রেখে যাননি এবং কোন খোরপোশেরও ব্যবস্থা করে যাননি। ফুরাইয়া বলেন : রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : হ্যাঁ, (তুমি তোমার পরিজনের নিকট যেতে পার) ফুরাইয়া বলেন, আমি ফিরে এসে আমার কক্ষে প্রবেশ করেছি। এমন সময় আমাকে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার আহ্বান করলেন অথবা আহ্বান করতে নির্দেশ দিলেন। আমি তার আহ্বানে উপস্থিত হলে তিনি বললেন, তুমি কি বলেছিলে (পুনরায় বল)। আমার স্বামীর যে ঘটনা আমি তার কাছে উল্লেখ করেছিলাম পুনরায় সেই ঘটনা বর্ণনা করলাম। (ঘটনা শ্রবণ করার পর) তিনি বললেন : তোমার গৃহেই অবস্থান কর ইদ্দত শেষ হওয়া পর্যন্ত। ফুরাইয়া বলেন : আমি ইহার পর সেই গৃহে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করলাম। তিনি বলেন : উসমান ইবনু আফ্ফান (রা) আমার নিকট লোক প্রেরণ করলে আমি তাঁকে ঐ ঘটনার খবর দিলাম। তিনি তা অনুসরণ করলেন এবং সেই মুতাবিক ফয়সালাও দিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৩০০, তিরমিযী ১২০৪, নাসাঈ ৩৫২৮, ৩৫২৯, ইবনু মাজাহ ২০৩১, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ])
حدثني يحيى عن مالك عن سعد بن إسحق بن كعب بن عجرة عن عمته زينب بنت كعب بن عجرة أن الفريعة بنت مالك بن سنان وهي أخت أبي سعيد الخدري أخبرتها أنها جاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم تسأله أن ترجع إلى أهلها في بني خدرة فإن زوجها خرج في طلب أعبد له أبقوا حتى إذا كانوا بطرف القدوم لحقهم فقتلوه قالت فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أرجع إلى أهلي في بني خدرة فإن زوجي لم يتركني في مسكن يملكه ولا نفقة قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم قالت فانصرفت حتى إذا كنت في الحجرة ناداني رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أمر بي فنوديت له فقال كيف قلت فرددت عليه القصة التي ذكرت له من شأن زوجي فقال امكثي في بيتك حتى يبلغ الكتاب أجله قالت فاعتددت فيه أربعة أشهر وعشرا قالت فلما كان عثمان بن عفان أرسل إلي فسألني عن ذلك فأخبرته فاتبعه وقضى به.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৭
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن عمرو بن شعيب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب كان يرد المتوفى عنهن أزواجهن من البيداء يمنعهن الحج. و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن السائب بن خباب توفي وإن امرأته جاءت إلى عبد الله بن عمر فذكرت له وفاة زوجها وذكرت له حرثا لهم بقناة وسألته هل يصلح لها أن تبيت فيه فنهاها عن ذلك فكانت تخرج من المدينة سحرا فتصبح في حرثهم فتظل فيه يومها ثم تدخل المدينة إذا أمست فتبيت في بيتها.
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে (উক্ত স্ত্রী ইদ্দত পালনরত ছিল) এরূপ স্ত্রীদেরকে বাইদা নামক স্থান হতে ফেরত পাঠাতেন এবং হজ্জ হতে বিরত রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) হতে বর্ণিত, তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সায়িব ইবনু খব্বাব (রা) ইন্তেকাল করলেন। তার স্ত্রী আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলে এবং তার স্বামীর মৃত্যু সংবাদ উল্লেখ করলেন, আর কানাত নামক স্থানে তার স্বামীর একটি শস্যক্ষেত্রের বিষয় তার কাছে উল্লেখ করলেন এবং ইহা জানতে চাইলেন তার জন্য সেই শস্যক্ষেত্রে রাত্রি যাপন করা বৈধ কিনা? তিনি উহা হতে তাকে বারণ করলেন। তাই তিনি মদীনা হতে রাত্রির শেষ ভাগে বের হতেন, ফজরের শেষে পৌঁছে যেতেন, পূর্ণ দিন তথায় অবস্থান করে সন্ধ্যায় আবার মদীনায় প্রত্যাবর্তন করতেন এবং আপন গৃহে রাত্রি যাপন করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে (উক্ত স্ত্রী ইদ্দত পালনরত ছিল) এরূপ স্ত্রীদেরকে বাইদা নামক স্থান হতে ফেরত পাঠাতেন এবং হজ্জ হতে বিরত রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) হতে বর্ণিত, তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সায়িব ইবনু খব্বাব (রা) ইন্তেকাল করলেন। তার স্ত্রী আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলে এবং তার স্বামীর মৃত্যু সংবাদ উল্লেখ করলেন, আর কানাত নামক স্থানে তার স্বামীর একটি শস্যক্ষেত্রের বিষয় তার কাছে উল্লেখ করলেন এবং ইহা জানতে চাইলেন তার জন্য সেই শস্যক্ষেত্রে রাত্রি যাপন করা বৈধ কিনা? তিনি উহা হতে তাকে বারণ করলেন। তাই তিনি মদীনা হতে রাত্রির শেষ ভাগে বের হতেন, ফজরের শেষে পৌঁছে যেতেন, পূর্ণ দিন তথায় অবস্থান করে সন্ধ্যায় আবার মদীনায় প্রত্যাবর্তন করতেন এবং আপন গৃহে রাত্রি যাপন করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن عمرو بن شعيب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب كان يرد المتوفى عنهن أزواجهن من البيداء يمنعهن الحج. و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن السائب بن خباب توفي وإن امرأته جاءت إلى عبد الله بن عمر فذكرت له وفاة زوجها وذكرت له حرثا لهم بقناة وسألته هل يصلح لها أن تبيت فيه فنهاها عن ذلك فكانت تخرج من المدينة سحرا فتصبح في حرثهم فتظل فيه يومها ثم تدخل المدينة إذا أمست فتبيت في بيتها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উম্মে ওয়ালাদ-এর ইদ্দত তার কর্তার মৃত্যু হলে
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩০
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت القاسم بن محمد يقول: إن يزيد بن عبد الملك فرق بين رجال وبين نسائهم وكن أمهات أولاد رجال هلكوا فتزوجوهن بعد حيضة أو حيضتين ففرق بينهم حتى يعتددن أربعة أشهر وعشرا فقال القاسم بن محمد سبحان الله يقول الله في كتابه { والذين يتوفون منكم ويذرون أزواجا } ما هن من الأزواج.
ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি, ইয়াযিদ ইবনু ‘আবদিল মালিক (র) কতিপয় পুরুষ ও তাদের স্ত্রীদের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিয়েছেন। সেই স্ত্রীগণ ছিল কতিপয় লোকের উম্মে ওয়ালাদ। তারা (তাদের কর্তারা) ইন্তেকাল করেছেন : অতঃপর এক হায়য অথবা দুই হায়য-এর পর তাদেরকে (উপরিউক্ত লোকগুলো) বিবাহ করে তাই তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ করানো হয়েছে যেন তারা চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন, সুবহান্নাল্লাহ। আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে ইরশাদ করেছেন : وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا. “তোমাদের মধ্যে সপত্নীক অবস্থায় যাদের মৃত্যু আসন্ন তারা যেন তাদের স্ত্রীদেরকে গৃহ হতে বহিষ্কার করে তাদের এক বৎসরের ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করে। (অথচ) উম্মে ওয়ালাদগণ পত্নী নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি, ইয়াযিদ ইবনু ‘আবদিল মালিক (র) কতিপয় পুরুষ ও তাদের স্ত্রীদের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিয়েছেন। সেই স্ত্রীগণ ছিল কতিপয় লোকের উম্মে ওয়ালাদ। তারা (তাদের কর্তারা) ইন্তেকাল করেছেন : অতঃপর এক হায়য অথবা দুই হায়য-এর পর তাদেরকে (উপরিউক্ত লোকগুলো) বিবাহ করে তাই তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ করানো হয়েছে যেন তারা চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন, সুবহান্নাল্লাহ। আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে ইরশাদ করেছেন : وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا. “তোমাদের মধ্যে সপত্নীক অবস্থায় যাদের মৃত্যু আসন্ন তারা যেন তাদের স্ত্রীদেরকে গৃহ হতে বহিষ্কার করে তাদের এক বৎসরের ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করে। (অথচ) উম্মে ওয়ালাদগণ পত্নী নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت القاسم بن محمد يقول: إن يزيد بن عبد الملك فرق بين رجال وبين نسائهم وكن أمهات أولاد رجال هلكوا فتزوجوهن بعد حيضة أو حيضتين ففرق بينهم حتى يعتددن أربعة أشهر وعشرا فقال القاسم بن محمد سبحان الله يقول الله في كتابه { والذين يتوفون منكم ويذرون أزواجا } ما هن من الأزواج.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩১
و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال: عدة أم الولد إذا توفي عنها سيدها حيضة. ১و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه كان يقول عدة أم الولد إذا توفي عنها سيدها حيضة قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وإن لم تكن ممن تحيض فعدتها ثلاثة أشهر
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হচ্ছে এক হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিত, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) বলতেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর কর্তার মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হবে এক হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকটও মাস’আলা এইরূপ। মালিক (র) বলেন : উম্মে ওয়ালাদ-এর যদি ঋতুস্রাব না হয় তবে তার ইদ্দত হবে তিন মাস।
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হচ্ছে এক হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিত, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) বলতেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর কর্তার মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হবে এক হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকটও মাস’আলা এইরূপ। মালিক (র) বলেন : উম্মে ওয়ালাদ-এর যদি ঋতুস্রাব না হয় তবে তার ইদ্দত হবে তিন মাস।
و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال: عدة أم الولد إذا توفي عنها سيدها حيضة. ১و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه كان يقول عدة أم الولد إذا توفي عنها سيدها حيضة قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وإن لم تكن ممن تحيض فعدتها ثلاثة أشهر
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বাঁদীর ইদ্দত - যদি তার কর্তা কিংবা স্বামীর মৃত্যু হয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩২
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار كانا يقولان عدة الأمة إذا هلك عنها زوجها شهران وخمس ليال.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তারা উভয়ে বলতেন : ক্রীতদাসীর স্বামীর মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হবে দুই মাস পাঁচ রাত্রি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) ইবনু শিহাব হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যাব ও সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তারা উভয়ে বলতেন : ক্রীতদাসীর স্বামীর মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হবে দুই মাস পাঁচ রাত্রি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) ইবনু শিহাব হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار كانا يقولان عدة الأمة إذا هلك عنها زوجها شهران وخمس ليال.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৩
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب مثل ذلك قال مالك في العبد يطلق الأمة طلاقا لم يبتها فيه له عليها فيه الرجعة ثم يموت وهي في عدتها من طلاقه إنها تعتد عدة الأمة المتوفى عنها زوجها شهرين وخمس ليال وإنها إن عتقت وله عليها رجعة ثم لم تختر فراقه بعد العتق حتى يموت وهي في عدتها من طلاقه اعتدت عدة الحرة المتوفى عنها زوجها أربعة أشهر وعشرا وذلك أنها إنما وقعت عليها عدة الوفاة بعد ما عتقت فعدتها عدة الحرة قال مالك وهذا الأمر عندنا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ক্রীতদাস (স্বামী) ক্রীতদাসী (স্ত্রী)-কে এমন তালাক দিল যা বাইন নয় এবং উহাতে স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করার ইখতিয়ার আছে। তারপর তার মৃত্যু ঘটল এবং স্ত্রী তখন তালাকের ইদ্দত পালন করছে। তবে সে যে ক্রীতদাসীর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে তার মতো ইদ্দত পালন করবে, আর ইহা দুই মাস পাচ রাত্রি। আর যদি তাকে মুক্তি দান করা হয় তার স্বামীর রুজূ করার ক্ষমতা থাকাবস্থায়, তারপর তার স্বামীর মৃত্যুকাল পর্যন্ত সে স্বামী হতে বিচ্ছেদ গ্রহণ করে নাই এবং সে তখনও তালাকের ইদ্দতে রয়েছে, তবে সে (ক্রীতদাসী) আযাদ মহিলার মতো (যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে) চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। ইহা এজন্য যে, আযাদ হওয়ার পর তার উপর (স্বামীর) ওফাতের ইদ্দত বর্তায়েছে। তাই তার ইদ্দত হবে আযাদ স্ত্রীর ইদ্দতের মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) (মালিক (র) বলেন : এটাই আমাদের নির্ধারিত মত।)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ক্রীতদাস (স্বামী) ক্রীতদাসী (স্ত্রী)-কে এমন তালাক দিল যা বাইন নয় এবং উহাতে স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করার ইখতিয়ার আছে। তারপর তার মৃত্যু ঘটল এবং স্ত্রী তখন তালাকের ইদ্দত পালন করছে। তবে সে যে ক্রীতদাসীর স্বামীর মৃত্যু হয়েছে তার মতো ইদ্দত পালন করবে, আর ইহা দুই মাস পাচ রাত্রি। আর যদি তাকে মুক্তি দান করা হয় তার স্বামীর রুজূ করার ক্ষমতা থাকাবস্থায়, তারপর তার স্বামীর মৃত্যুকাল পর্যন্ত সে স্বামী হতে বিচ্ছেদ গ্রহণ করে নাই এবং সে তখনও তালাকের ইদ্দতে রয়েছে, তবে সে (ক্রীতদাসী) আযাদ মহিলার মতো (যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে) চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে। ইহা এজন্য যে, আযাদ হওয়ার পর তার উপর (স্বামীর) ওফাতের ইদ্দত বর্তায়েছে। তাই তার ইদ্দত হবে আযাদ স্ত্রীর ইদ্দতের মতো। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) (মালিক (র) বলেন : এটাই আমাদের নির্ধারিত মত।)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب مثل ذلك قال مالك في العبد يطلق الأمة طلاقا لم يبتها فيه له عليها فيه الرجعة ثم يموت وهي في عدتها من طلاقه إنها تعتد عدة الأمة المتوفى عنها زوجها شهرين وخمس ليال وإنها إن عتقت وله عليها رجعة ثم لم تختر فراقه بعد العتق حتى يموت وهي في عدتها من طلاقه اعتدت عدة الحرة المتوفى عنها زوجها أربعة أشهر وعشرا وذلك أنها إنما وقعت عليها عدة الوفاة بعد ما عتقت فعدتها عدة الحرة قال مالك وهذا الأمر عندنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > আযল [১] -এর বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৫
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن أبي وقاص عن أبيه أنه كان يعزل.
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাসের ছেলে আমির ইবনু সা’দ থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) আযল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাসের ছেলে আমির ইবনু সা’দ থেকে বর্নিতঃ
সা’দ ইবনু আবি ওয়াক্কাস (রা) আযল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن عامر بن سعد بن أبي وقاص عن أبيه أنه كان يعزل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৬
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن ابن أفلح مولى أبي أيوب الأنصاري عن أم ولد لأبي أيوب الأنصاري أنه كان يعزل.
আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) আযল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবূ আইয়ূব আনসারী (রা) আযল করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن أبي النضر مولى عمر بن عبيد الله عن ابن أفلح مولى أبي أيوب الأنصاري عن أم ولد لأبي أيوب الأنصاري أنه كان يعزل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৯
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن رجل يقال له ذفيف أنه قال سئل ابن عباس عن العزل فدعا جارية له فقال أخبريهم فكأنها استحيت فقال هو ذلك أما أنا فأفعله يعني أنه يعزل ২২১২-قال مالك لا يعزل الرجل المرأة الحرة إلا بإذنها ولا بأس أن يعزل عن أمته بغير إذنها ২২১৩-ومن كانت تحته أمة قوم فلا يعزل إلا بإذنهم.
যাঈফ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (র)-কে প্রশ্ন করা হল আযল সম্পর্কে। তিনি তার জনৈকা দাসীকে ডেকে বললেন, এদেরকে বাতলিয়ে দাও। দাসী লজ্জাবোধ করল। ইবনু আব্বাস বললেন। ইহা তাই (অর্থাৎ আযল করা মুবাহ) আমিও তা করে থাকি অর্থাৎ তিনিও আযল করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আযাদ স্ত্রীলোকের ব্যাপারে কোন ব্যক্তি তার অনুমতি ছাড়া উহার সাথে আযল করাতে কোন দোষ নেই, আর কোন ব্যক্তি কোন গোত্রের দাসীকে বিবাহ করলে তবে সেই গোত্রের লোকের অনুমতি ছাড়া সেই দাসীর সাথে আযল করবে না।
যাঈফ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু আব্বাস (র)-কে প্রশ্ন করা হল আযল সম্পর্কে। তিনি তার জনৈকা দাসীকে ডেকে বললেন, এদেরকে বাতলিয়ে দাও। দাসী লজ্জাবোধ করল। ইবনু আব্বাস বললেন। ইহা তাই (অর্থাৎ আযল করা মুবাহ) আমিও তা করে থাকি অর্থাৎ তিনিও আযল করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আযাদ স্ত্রীলোকের ব্যাপারে কোন ব্যক্তি তার অনুমতি ছাড়া উহার সাথে আযল করাতে কোন দোষ নেই, আর কোন ব্যক্তি কোন গোত্রের দাসীকে বিবাহ করলে তবে সেই গোত্রের লোকের অনুমতি ছাড়া সেই দাসীর সাথে আযল করবে না।
و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن رجل يقال له ذفيف أنه قال سئل ابن عباس عن العزل فدعا جارية له فقال أخبريهم فكأنها استحيت فقال هو ذلك أما أنا فأفعله يعني أنه يعزل ২২১২-قال مالك لا يعزل الرجل المرأة الحرة إلا بإذنها ولا بأس أن يعزل عن أمته بغير إذنها ২২১৩-ومن كانت تحته أمة قوم فلا يعزل إلا بإذنهم.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৭
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان لا يعزل وكان يكره العزل.
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) আযল করতেন না এবং তিনি উহাকে মাকরূহ তাহরীমা জানতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) আযল করতেন না এবং তিনি উহাকে মাকরূহ তাহরীমা জানতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان لا يعزل وكان يكره العزل.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৮
و حدثني عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن الحجاج بن عمرو بن غزية أنه كان جالسا عند زيد بن ثابت فجاءه ابن فهد رجل من أهل اليمن فقال يا أبا سعيد إن عندي جواري لي ليس نسائي اللاتي أكن بأعجب إلي منهن وليس كلهن يعجبني أن تحمل مني أفأعزل فقال زيد بن ثابت أفته يا حجاج قال فقلت يغفر الله لك إنما نجلس عندك لنتعلم منك قال أفته قال فقلت هو حرثك إن شئت سقيته وإن شئت أعطشته قال وكنت أسمع ذلك من زيد فقال زيد صدق.
হাজ্জাজ ইবনু আমর ইবনু গাযিয়্যা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট বসা ছিলেন। (ইতিমধ্যে) ইয়ামানের বাসিন্দা ইবনু ফাহদ (জনৈক ব্যক্তি) তাঁর নিকট এল এবং বলল, হে আবূ সাঈদ. আমার নিকট কয়েকটি বাদী এমন রয়েছে যে, আমার স্ত্রীগণ তাদের তুলনায় আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় নয়। আমার দ্বারা তাদের প্রত্যেকে অন্তঃসত্ত্বা হোক তা আমি পছন্দ করি না। তবে আমি আযল করতে পারি কি? যায়দ বললেন, হে হাজ্জাজ, তুমি ফতোয়া দাও। আমি বললাম, আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন, আমরা আপনার কাছে ইলম শিক্ষার জন্য বসি। তিনি বললেন : হে হাজ্জাজ! ফতোয়া বলে দাও। হাজ্জাজ বললেন : তারপর আমি বললাম, উহা তোমার ক্ষেত্রে তোমার ইচ্ছা, তুমি উহাতে পানি সিঞ্চন কর অথবা উহাকে পিপাসিত ও শুল্ক করে রাখ। তিনি বলেন, আমি এটা যায়দ হতে শুনেছি। অতঃপর যায়দ বললেন : (হাজ্জাজ) সত্য বলেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [১]
হাজ্জাজ ইবনু আমর ইবনু গাযিয়্যা (রা) থেকে বর্নিতঃ
তিনি যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট বসা ছিলেন। (ইতিমধ্যে) ইয়ামানের বাসিন্দা ইবনু ফাহদ (জনৈক ব্যক্তি) তাঁর নিকট এল এবং বলল, হে আবূ সাঈদ. আমার নিকট কয়েকটি বাদী এমন রয়েছে যে, আমার স্ত্রীগণ তাদের তুলনায় আমার নিকট বেশি পছন্দনীয় নয়। আমার দ্বারা তাদের প্রত্যেকে অন্তঃসত্ত্বা হোক তা আমি পছন্দ করি না। তবে আমি আযল করতে পারি কি? যায়দ বললেন, হে হাজ্জাজ, তুমি ফতোয়া দাও। আমি বললাম, আল্লাহ আপনাকে মাফ করুন, আমরা আপনার কাছে ইলম শিক্ষার জন্য বসি। তিনি বললেন : হে হাজ্জাজ! ফতোয়া বলে দাও। হাজ্জাজ বললেন : তারপর আমি বললাম, উহা তোমার ক্ষেত্রে তোমার ইচ্ছা, তুমি উহাতে পানি সিঞ্চন কর অথবা উহাকে পিপাসিত ও শুল্ক করে রাখ। তিনি বলেন, আমি এটা যায়দ হতে শুনেছি। অতঃপর যায়দ বললেন : (হাজ্জাজ) সত্য বলেছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) [১]
و حدثني عن مالك عن ضمرة بن سعيد المازني عن الحجاج بن عمرو بن غزية أنه كان جالسا عند زيد بن ثابت فجاءه ابن فهد رجل من أهل اليمن فقال يا أبا سعيد إن عندي جواري لي ليس نسائي اللاتي أكن بأعجب إلي منهن وليس كلهن يعجبني أن تحمل مني أفأعزل فقال زيد بن ثابت أفته يا حجاج قال فقلت يغفر الله لك إنما نجلس عندك لنتعلم منك قال أفته قال فقلت هو حرثك إن شئت سقيته وإن شئت أعطشته قال وكنت أسمع ذلك من زيد فقال زيد صدق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩৪
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن محمد بن يحيى بن حبان عن ابن محيريز أنه قال: دخلت المسجد فرأيت أبا سعيد الخدري فجلست إليه فسألته عن العزل فقال أبو سعيد الخدري خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني المصطلق فأصبنا سبيا من سبي العرب فاشتهينا النساء واشتدت علينا العزبة وأحببنا الفداء فأردنا أن نعزل فقلنا نعزل ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا قبل أن نسأله فسألناه عن ذلك فقال ما عليكم أن لا تفعلوا ما من نسمة كائنة إلى يوم القيامة إلا وهي كائنة.
ইবনু মুহায়রিয (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম। আমি (তথায়) আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-কে দেখতে পেলাম এবং আমি তার নিকট বসলাম ও তাকে ‘আযল’ সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। (উত্তরে) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ‘বনী মুস্তালিক’ যুদ্ধে বের হলাম। আমরা (সে যুদ্ধে) কিছু সংখ্যাক আরবী যুদ্ধবন্দিনী লাভ করলাম। (এইদিকে) নারীর প্রতি আমাদের প্রবৃত্তি জাগ্রত হল, স্ত্রী সংশ্রব হতে দূরে থাকা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাড়াল। (অপরদিকে) উহাদের মূল্য পেতেও আমরা আগ্রহী। তাই (তাদের সাথে) আযল কারার ইচ্ছা করলাম। আমরা বললাম, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে বিরাজমান : তার কাছে জিজ্ঞেস করার পূর্বে আমরা আযল করব (এটা কিরূপে হয়)। আমরা এই বিষয়ে তার কাছে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এটা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যত প্রাণীর জন্ম অবধারিত উহা অবশ্যই অস্তিত্বে আসবে। (বুখারী ২৫৪২, মুসলিম ১৪৩৮)
ইবনু মুহায়রিয (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন : আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম। আমি (তথায়) আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-কে দেখতে পেলাম এবং আমি তার নিকট বসলাম ও তাকে ‘আযল’ সম্পর্কে প্রশ্ন করলাম। (উত্তরে) আবূ সাঈদ খুদরী (রা) বললেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ‘বনী মুস্তালিক’ যুদ্ধে বের হলাম। আমরা (সে যুদ্ধে) কিছু সংখ্যাক আরবী যুদ্ধবন্দিনী লাভ করলাম। (এইদিকে) নারীর প্রতি আমাদের প্রবৃত্তি জাগ্রত হল, স্ত্রী সংশ্রব হতে দূরে থাকা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাড়াল। (অপরদিকে) উহাদের মূল্য পেতেও আমরা আগ্রহী। তাই (তাদের সাথে) আযল কারার ইচ্ছা করলাম। আমরা বললাম, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মধ্যে বিরাজমান : তার কাছে জিজ্ঞেস করার পূর্বে আমরা আযল করব (এটা কিরূপে হয়)। আমরা এই বিষয়ে তার কাছে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এটা না করলে তোমাদের কোন ক্ষতি নেই। কিয়ামত দিবস পর্যন্ত যত প্রাণীর জন্ম অবধারিত উহা অবশ্যই অস্তিত্বে আসবে। (বুখারী ২৫৪২, মুসলিম ১৪৩৮)
حدثني يحيى عن مالك عن ربيعة بن أبي عبد الرحمن عن محمد بن يحيى بن حبان عن ابن محيريز أنه قال: دخلت المسجد فرأيت أبا سعيد الخدري فجلست إليه فسألته عن العزل فقال أبو سعيد الخدري خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني المصطلق فأصبنا سبيا من سبي العرب فاشتهينا النساء واشتدت علينا العزبة وأحببنا الفداء فأردنا أن نعزل فقلنا نعزل ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين أظهرنا قبل أن نسأله فسألناه عن ذلك فقال ما عليكم أن لا تفعلوا ما من نسمة كائنة إلى يوم القيامة إلا وهي كائنة.