মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাকের বিবিধ প্রসঙ্গ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৮

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال سمعت عبد الله بن عمر قرأ { يا أيها النبي إذا طلقتم النساء فطلقوهن } لقبل عدتهن قال مالك يعني بذلك أن يطلق في كل طهر مرة.

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পাঠ করলেন : يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمْ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِقُبُلِ عِدَّتِهِنَّ. হে নবী, তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীগণকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর তাদেরকে তালাক দিও ইদ্দতের প্রারম্ভিক (সময়ের) প্রতি লক্ষ্য করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : প্রতি তুহরে (ঋতু হতে পবিত্র থাকার সময়ে) একটি করে তালাক দেওয়া ইহার উদ্দেশ্য।

আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পাঠ করলেন : يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمْ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِقُبُلِ عِدَّتِهِنَّ. হে নবী, তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীগণকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর তাদেরকে তালাক দিও ইদ্দতের প্রারম্ভিক (সময়ের) প্রতি লক্ষ্য করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : প্রতি তুহরে (ঋতু হতে পবিত্র থাকার সময়ে) একটি করে তালাক দেওয়া ইহার উদ্দেশ্য।

و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال سمعت عبد الله بن عمر قرأ { يا أيها النبي إذا طلقتم النساء فطلقوهن } لقبل عدتهن قال مالك يعني بذلك أن يطلق في كل طهر مرة.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৫

و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل من ثقيف أسلم وعنده عشر نسوة حين أسلم الثقفي أمسك منهن أربعا وفارق سائرهن.

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি মুসলমান হয়েছেন। তার দশটি বিবি ছিল। যখন তিনি ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন, তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উহাদের মধ্য হতে চারটিকে রাখতে এবং অন্য সকলকে ত্যাগ করতে নির্দেশ দিলেন। (সহীহ, তিরমিযী ১১২৮, ইবনু মাজা ১৯৫৩, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুরসাল)

ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ

আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি মুসলমান হয়েছেন। তার দশটি বিবি ছিল। যখন তিনি ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন, তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উহাদের মধ্য হতে চারটিকে রাখতে এবং অন্য সকলকে ত্যাগ করতে নির্দেশ দিলেন। (সহীহ, তিরমিযী ১১২৮, ইবনু মাজা ১৯৫৩, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুরসাল)

و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل من ثقيف أسلم وعنده عشر نسوة حين أسلم الثقفي أمسك منهن أربعا وفارق سائرهن.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২০

و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي أن الرجل كان يطلق امرأته ثم يراجعها ولا حاجة له بها ولا يريد إمساكها كيما يطول بذلك عليها العدة ليضارها فأنزل الله تبارك وتعالى { ولا تمسكوهن ضرارا لتعتدوا ومن يفعل ذلك فقد ظلم نفسه } يعظهم الله بذلك.

সাওর ইবনু যায়দ দীলি (র) থেকে বর্নিতঃ

লোকে স্ত্রীর ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এবং ইদ্দতকে তার উপর দীর্ঘ করার জন্য তালাক দিয়ে পুনরায় উহার দিকে রুজূ’ করত অর্থাৎ তার সেই স্ত্রীর কোন আবশ্যক নাই এবং উহাকে রাখার কোন ইচ্ছা নাই। তাই আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন। وَلَا تُمْسِكُوهُنَّ ضِرَارًا لِتَعْتَدُوا وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ. অর্থাৎ কিন্তু অন্যায়রূপে তাদের (স্ত্রীদের) ক্ষতি করে সীমালংঘন উদ্দেশ্যে তাদেরকে তোমরা আটকে রেখ না। যে এইরূপ করে, সে নিজের প্রতি জুলুম করে। আল্লাহ তাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন এর দ্বারা। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সাওর ইবনু যায়দ দীলি (র) থেকে বর্নিতঃ

লোকে স্ত্রীর ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এবং ইদ্দতকে তার উপর দীর্ঘ করার জন্য তালাক দিয়ে পুনরায় উহার দিকে রুজূ’ করত অর্থাৎ তার সেই স্ত্রীর কোন আবশ্যক নাই এবং উহাকে রাখার কোন ইচ্ছা নাই। তাই আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন। وَلَا تُمْسِكُوهُنَّ ضِرَارًا لِتَعْتَدُوا وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ. অর্থাৎ কিন্তু অন্যায়রূপে তাদের (স্ত্রীদের) ক্ষতি করে সীমালংঘন উদ্দেশ্যে তাদেরকে তোমরা আটকে রেখ না। যে এইরূপ করে, সে নিজের প্রতি জুলুম করে। আল্লাহ তাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন এর দ্বারা। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي أن الرجل كان يطلق امرأته ثم يراجعها ولا حاجة له بها ولا يريد إمساكها كيما يطول بذلك عليها العدة ليضارها فأنزل الله تبارك وتعالى { ولا تمسكوهن ضرارا لتعتدوا ومن يفعل ذلك فقد ظلم نفسه } يعظهم الله بذلك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৬

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال سمعت سعيد بن المسيب وحميد بن عبد الرحمن بن عوف وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود وسليمان بن يسار كلهم يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول: أيما امرأة طلقها زوجها تطليقة أو تطليقتين ثم تركها حتى تحل وتنكح زوجا غيره فيموت عنها أو يطلقها ثم ينكحها زوجها الأول فإنها تكون عنده على ما بقي من طلاقها، قال مالك وعلى ذلك السنة عندنا التي لا اختلاف فيها.

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে বলতে শুনেছি, যে স্ত্রীকে তার স্বামী এক তালাক অথবা দুই তালাক দিয়েছে, তারপর ইদ্দতের সময় অতিবাহিত করে হালাল হওয়া এবং দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত তাকে প্রথম স্বামী পরিত্যাগ করে রেখেছে, এমতাবস্থায় দ্বিতীয় স্বামী তাকে বিবাহ করার পর দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যু হওয়া অথবা সেই স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর প্রথম স্বামী পুনরায় সেই স্ত্রীকে বিবাহ করেছে, তবে সেই স্ত্রী অবশিষ্ট (এক অথবা দুই) তালাকের অধিকারিনী হয়ে প্রথম স্বামীর স্ত্রীরূপে বহাল থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকটও মাস’আলার ফয়সালা এইরূপ, ইহাতে কোন মাতনৈক্য নাই।

আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ

আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে বলতে শুনেছি, যে স্ত্রীকে তার স্বামী এক তালাক অথবা দুই তালাক দিয়েছে, তারপর ইদ্দতের সময় অতিবাহিত করে হালাল হওয়া এবং দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত তাকে প্রথম স্বামী পরিত্যাগ করে রেখেছে, এমতাবস্থায় দ্বিতীয় স্বামী তাকে বিবাহ করার পর দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যু হওয়া অথবা সেই স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর প্রথম স্বামী পুনরায় সেই স্ত্রীকে বিবাহ করেছে, তবে সেই স্ত্রী অবশিষ্ট (এক অথবা দুই) তালাকের অধিকারিনী হয়ে প্রথম স্বামীর স্ত্রীরূপে বহাল থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকটও মাস’আলার ফয়সালা এইরূপ, ইহাতে কোন মাতনৈক্য নাই।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال سمعت سعيد بن المسيب وحميد بن عبد الرحمن بن عوف وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود وسليمان بن يسار كلهم يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول: أيما امرأة طلقها زوجها تطليقة أو تطليقتين ثم تركها حتى تحل وتنكح زوجا غيره فيموت عنها أو يطلقها ثم ينكحها زوجها الأول فإنها تكون عنده على ما بقي من طلاقها، قال مالك وعلى ذلك السنة عندنا التي لا اختلاف فيها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৯

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: كان الرجل إذا طلق امرأته ثم ارتجعها قبل أن تنقضي عدتها كان ذلك له وإن طلقها ألف مرة فعمد رجل إلى امرأته فطلقها حتى إذا شارفت انقضاء عدتها راجعها ثم طلقها ثم قال لا والله لا آويك إلي ولا تحلين أبدا فأنزل الله تبارك وتعالى { الطلاق مرتان فإمساك بمعروف أو تسريح بإحسان } فاستقبل الناس الطلاق جديدا من يومئذ من كان طلق منهم أو لم يطلق.

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন (পূর্বে নিয়ম ছিল) স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পূর্বে উহার দিকে রুজূ’ করার অধিকার প্রত্যেক ব্যক্তির ছিল, যদিও স্ত্রীকে হাজার তালাক দিয়ে থাকে। এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তালাক দিল। যখনই ইদ্দত সমাপ্তির প্রান্তে পৌঁছেছে তখন স্বামী তার দিকে রুজূ’ করল। তারপর আবার তালাক দিল, অতঃপর সে বলল : আমি তোমাকে আর কখনও আমার নিকট আশ্রয় দেব না, আমার জন্য তুমি কখনও হালাল হবে না। তারপর আল্লাহ তা’আলা (আয়াত) নাযিল করলেন : الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ. অর্থাৎ এই তালাক দুই বার। অতঃপর স্ত্রীকে হয় বিধিমত রেখে দিবে অথবা সদয়ভাবে মুক্ত করে দিবে। সেই দিন হতে লোকেরা নূতনভাবে গণনা আরম্ভ করল, যারা (ইতিপূর্বে) তালাক দিয়েছিল তারাও এবং যারা তালাক দেয়নি তারাও। (যয়ীফ, তিরমিযী ১১৯২, আলবানী হাদীসটি যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী] মুরসাল আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন (পূর্বে নিয়ম ছিল) স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পূর্বে উহার দিকে রুজূ’ করার অধিকার প্রত্যেক ব্যক্তির ছিল, যদিও স্ত্রীকে হাজার তালাক দিয়ে থাকে। এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তালাক দিল। যখনই ইদ্দত সমাপ্তির প্রান্তে পৌঁছেছে তখন স্বামী তার দিকে রুজূ’ করল। তারপর আবার তালাক দিল, অতঃপর সে বলল : আমি তোমাকে আর কখনও আমার নিকট আশ্রয় দেব না, আমার জন্য তুমি কখনও হালাল হবে না। তারপর আল্লাহ তা’আলা (আয়াত) নাযিল করলেন : الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ. অর্থাৎ এই তালাক দুই বার। অতঃপর স্ত্রীকে হয় বিধিমত রেখে দিবে অথবা সদয়ভাবে মুক্ত করে দিবে। সেই দিন হতে লোকেরা নূতনভাবে গণনা আরম্ভ করল, যারা (ইতিপূর্বে) তালাক দিয়েছিল তারাও এবং যারা তালাক দেয়নি তারাও। (যয়ীফ, তিরমিযী ১১৯২, আলবানী হাদীসটি যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী] মুরসাল আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: كان الرجل إذا طلق امرأته ثم ارتجعها قبل أن تنقضي عدتها كان ذلك له وإن طلقها ألف مرة فعمد رجل إلى امرأته فطلقها حتى إذا شارفت انقضاء عدتها راجعها ثم طلقها ثم قال لا والله لا آويك إلي ولا تحلين أبدا فأنزل الله تبارك وتعالى { الطلاق مرتان فإمساك بمعروف أو تسريح بإحسان } فاستقبل الناس الطلاق جديدا من يومئذ من كان طلق منهم أو لم يطلق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৭

و حدثني عن مالك عن ثابت بن الأحنف أنه تزوج أم ولد لعبد الرحمن بن زيد بن الخطاب قال فدعاني عبد الله بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب فجئته فدخلت عليه فإذا سياط موضوعة وإذا قيدان من حديد وعبدان له قد أجلسهما فقال طلقها وإلا والذي يحلف به فعلت بك كذا وكذا قال فقلت هي الطلاق ألفا قال فخرجت من عنده فأدركت عبد الله بن عمر بطريق مكة فأخبرته بالذي كان من شأني فتغيظ عبد الله وقال ليس ذلك بطلاق وإنها لم تحرم عليك فارجع إلى أهلك قال فلم تقررني نفسي حتى أتيت عبد الله بن الزبير وهو يومئذ بمكة أمير عليها فأخبرته بالذي كان من شأني وبالذي قال لي عبد الله بن عمر قال فقال لي عبد الله بن الزبير لم تحرم عليك فارجع إلى أهلك وكتب إلى جابر بن الأسود الزهري وهو أمير المدينة يأمره أن يعاقب عبد الله بن عبد الرحمن وأن يخلي بيني وبين أهلي قال فقدمت المدينة فجهزت صفية امرأة عبد الله بن عمر امرأتي حتى أدخلتها علي بعلم عبد الله بن عمر ثم دعوت عبد الله بن عمر يوم عرسي لوليمتي فجاءني.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু যায়দ ইবনু খাত্তাব (রা)-এর উম্মে ওয়ালাদ-কে সাবিতুল আহ্নাফ (র) বিবাহ করলেন। সাবিত বলেন : আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু যায়দ ইবনু খাত্তাব (রা) আমাকে ডেকে পাঠালেন, আমি তার কাছে এলাম এবং তার সমীপে প্রবেশ করে দেখলাম, সেখানে কয়েকটি চাবুক ও দুইটি লৌহ শিকল (আর তার কাছে রয়েছে) উপবিষ্ট তার দুইজন ক্রীতদাস। তারপর আমাকে বললেন, তুমি স্ত্রীকে তালাক দাও, নতুবা আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে এইরূপ করব (অর্থাৎ চাবুক মারব ও শিকল পরাব)। সাবিত বললেন : (চাপ দেখে) আমি বললাম, এই স্ত্রীকে তালাক এক হাজার বার। তারপর সাবিত বলেন আমি তার নিকট হতে প্রস্থান করলাম। মক্কার পথে আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাত পেলাম, আমি তাকে আমার ব্যাপার অবহিত করলাম। (শুনে) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) রাগান্বিত হলেন এবং বললেন : ইহা (কোন) তালাক নয়, তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়নি। তুমি তোমার স্ত্রী গ্রহণ কর, আমার মনে (কিন্তু) শান্তি এল না। তাই আমি আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি ছিলেন তখন মক্কার শাসনকর্তা। আমি তাকে বিষয়টি অবহিত করলাম এবং আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যা বলেছেন তাও জানালাম (ঘটনা শুনে) আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) আমাকে বললেন : তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়নি, তুমি তার দিকে রুজূ’ কর। তিনি জাবির ইবনু আসওয়াদ যুহরী তৎকালীন মদীনার গভর্নরকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু আবদুর রহমানকে শাস্তি দাও এবং সাবিতের স্ত্রীর সাথে তার মিলনের পথে বাধা অপসারিত কর। সাবিত বলেন : তখন আমি মদীনাতে যাই। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পত্নী সফিয়্যা তাঁর স্বামীর জ্ঞাতসারে আমার স্ত্রীকে সজ্জিত করে আমার নিকট প্রেরণ করলেন। অতঃপর আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে ওয়ালীমার যিয়াফতে আমন্ত্রণ জানালাম। তিনি তা গ্রহণ করেন এবং ওয়ালীমায় যোগদান করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুর রহমান ইবনু যায়দ ইবনু খাত্তাব (রা)-এর উম্মে ওয়ালাদ-কে সাবিতুল আহ্নাফ (র) বিবাহ করলেন। সাবিত বলেন : আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু যায়দ ইবনু খাত্তাব (রা) আমাকে ডেকে পাঠালেন, আমি তার কাছে এলাম এবং তার সমীপে প্রবেশ করে দেখলাম, সেখানে কয়েকটি চাবুক ও দুইটি লৌহ শিকল (আর তার কাছে রয়েছে) উপবিষ্ট তার দুইজন ক্রীতদাস। তারপর আমাকে বললেন, তুমি স্ত্রীকে তালাক দাও, নতুবা আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে এইরূপ করব (অর্থাৎ চাবুক মারব ও শিকল পরাব)। সাবিত বললেন : (চাপ দেখে) আমি বললাম, এই স্ত্রীকে তালাক এক হাজার বার। তারপর সাবিত বলেন আমি তার নিকট হতে প্রস্থান করলাম। মক্কার পথে আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাত পেলাম, আমি তাকে আমার ব্যাপার অবহিত করলাম। (শুনে) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) রাগান্বিত হলেন এবং বললেন : ইহা (কোন) তালাক নয়, তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়নি। তুমি তোমার স্ত্রী গ্রহণ কর, আমার মনে (কিন্তু) শান্তি এল না। তাই আমি আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি ছিলেন তখন মক্কার শাসনকর্তা। আমি তাকে বিষয়টি অবহিত করলাম এবং আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যা বলেছেন তাও জানালাম (ঘটনা শুনে) আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) আমাকে বললেন : তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়নি, তুমি তার দিকে রুজূ’ কর। তিনি জাবির ইবনু আসওয়াদ যুহরী তৎকালীন মদীনার গভর্নরকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু আবদুর রহমানকে শাস্তি দাও এবং সাবিতের স্ত্রীর সাথে তার মিলনের পথে বাধা অপসারিত কর। সাবিত বলেন : তখন আমি মদীনাতে যাই। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পত্নী সফিয়্যা তাঁর স্বামীর জ্ঞাতসারে আমার স্ত্রীকে সজ্জিত করে আমার নিকট প্রেরণ করলেন। অতঃপর আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে ওয়ালীমার যিয়াফতে আমন্ত্রণ জানালাম। তিনি তা গ্রহণ করেন এবং ওয়ালীমায় যোগদান করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ثابت بن الأحنف أنه تزوج أم ولد لعبد الرحمن بن زيد بن الخطاب قال فدعاني عبد الله بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب فجئته فدخلت عليه فإذا سياط موضوعة وإذا قيدان من حديد وعبدان له قد أجلسهما فقال طلقها وإلا والذي يحلف به فعلت بك كذا وكذا قال فقلت هي الطلاق ألفا قال فخرجت من عنده فأدركت عبد الله بن عمر بطريق مكة فأخبرته بالذي كان من شأني فتغيظ عبد الله وقال ليس ذلك بطلاق وإنها لم تحرم عليك فارجع إلى أهلك قال فلم تقررني نفسي حتى أتيت عبد الله بن الزبير وهو يومئذ بمكة أمير عليها فأخبرته بالذي كان من شأني وبالذي قال لي عبد الله بن عمر قال فقال لي عبد الله بن الزبير لم تحرم عليك فارجع إلى أهلك وكتب إلى جابر بن الأسود الزهري وهو أمير المدينة يأمره أن يعاقب عبد الله بن عبد الرحمن وأن يخلي بيني وبين أهلي قال فقدمت المدينة فجهزت صفية امرأة عبد الله بن عمر امرأتي حتى أدخلتها علي بعلم عبد الله بن عمر ثم دعوت عبد الله بن عمر يوم عرسي لوليمتي فجاءني.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২১

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا عن طلاق السكران فقالا إذا طلق السكران جاز طلاقه وإن قتل قتل به قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا. و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول إذا لم يجد الرجل ما ينفق على امرأته فرق بينهما قال مالك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তাদের উভয়কে নেশাগ্রস্থ (মাতাল) ব্যক্তির তালাক সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। উভয়ে উত্তর দিলেন, নেশাগ্রস্থ মাতাল ব্যক্তি তালাক দিলে তার তালাক বৈধ হবে। সে কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে (কিসাসস্বরূপ) তাকেও হত্যা করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই ফতোয়াই আমাদের নিকট গৃহীত বা সর্বাধিক সংগত। মালিক (র)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলতেন : স্ত্রীর খোরপোশ দিতে স্বামী অক্ষম হলে তাদের উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের শহরের আলিম সমাজকে আমি এই মাস‘আলার উপর (এইরূপ ফতোয়া দিতে ও আমল করতে) দেখেছি।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তাদের উভয়কে নেশাগ্রস্থ (মাতাল) ব্যক্তির তালাক সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। উভয়ে উত্তর দিলেন, নেশাগ্রস্থ মাতাল ব্যক্তি তালাক দিলে তার তালাক বৈধ হবে। সে কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে (কিসাসস্বরূপ) তাকেও হত্যা করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই ফতোয়াই আমাদের নিকট গৃহীত বা সর্বাধিক সংগত। মালিক (র)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলতেন : স্ত্রীর খোরপোশ দিতে স্বামী অক্ষম হলে তাদের উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের শহরের আলিম সমাজকে আমি এই মাস‘আলার উপর (এইরূপ ফতোয়া দিতে ও আমল করতে) দেখেছি।

و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا عن طلاق السكران فقالا إذا طلق السكران جاز طلاقه وإن قتل قتل به قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا. و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول إذا لم يجد الرجل ما ينفق على امرأته فرق بينهما قال مالك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা তার ইদ্দতের বিবরণ

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২২

حدثني يحيى عن مالك عن عبد ربه بن سعيد بن قيس عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه قال سئل عبد الله بن عباس وأبو هريرة عن المرأة الحامل يتوفى عنها زوجها فقال ابن عباس آخر الأجلين وقال أبو هريرة إذا ولدت فقد حلت فدخل أبو سلمة بن عبد الرحمن على أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فسألها عن ذلك فقالت أم سلمة ولدت سبيعة الأسلمية بعد وفاة زوجها بنصف شهر فخطبها رجلان أحدهما شاب والآخر كهل فحطت إلى الشاب فقال الشيخ لم تحلي بعد وكان أهلها غيبا ورجا إذا جاء أهلها أن يؤثروه بها فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد حللت فانكحي من شئت.

আবূ সালমা ইবনু ‘আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস ও আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন স্ত্রীলোক সম্বন্ধে, যে অন্তঃসত্ত্বা ও তার স্বামী ইন্তিকাল করেছে। ইবনু আব্বাস (রা) উত্তরে বললেন : চার মাস দশ দিন এবং সন্তান প্রসব করা। নির্ধারিত এতদুভয় সময়ের মধ্যে যে সময় দীর্ঘ সে সময় ইদ্দতের সময় বলে বিবেচিত হবে। আবূ হুরায়রা (রা) বললেন : সন্তান প্রসব করলে সে অন্যের জন্য হালাল হবে। অতঃপর সালমা ইবনু ‘আবদির রহমান নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর সমীপে উপস্থিত হলেন এবং তার নিকট এই ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন। উম্মে সালমা (রা) বললেন : সুবাইয়া [১] আসলামিয়া (রা) তার স্বামীর ওফাতের অর্ধমাস পর সন্তান প্রসব করলেন। এর পর দুই ব্যক্তি তাকে বিবাহ করার প্রস্তাব প্রেরণ করলেন। তাদের একজন যুবক ও অপর জন হচ্ছে আধাবয়সী, তিনি যুবকের (প্রস্তাবের) দিকে ঝুকে পড়লেন। অধাবয়সী (প্রস্তাবকারী) বললেন : তুমি এখন হালাল হওনি। সুবাইয়ার পরিজন ছিল অনুপস্থিত। তাই তিনি আশা করলেন যে, তারা এলে সুবাইয়া (এর বিবাহ) সম্পর্কে তারা আধা বয়সী প্রস্তাবকারীকে অগ্রাধিকার দিবেন। সুবাইয়া রসূলুল্লাহ্ (সা)-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তার ব্যাপার উল্লেখ করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন : তুমি হালাল হয়ে গিয়েছ, যাকে ইচ্ছা তুমি বিবাহ করতে পার। (সহীহ, নাসাঈ ৩৫০৯, ৩৫১০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আসসিল সিলাহ আস সহীহা ৩২৭৪])

আবূ সালমা ইবনু ‘আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস ও আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন স্ত্রীলোক সম্বন্ধে, যে অন্তঃসত্ত্বা ও তার স্বামী ইন্তিকাল করেছে। ইবনু আব্বাস (রা) উত্তরে বললেন : চার মাস দশ দিন এবং সন্তান প্রসব করা। নির্ধারিত এতদুভয় সময়ের মধ্যে যে সময় দীর্ঘ সে সময় ইদ্দতের সময় বলে বিবেচিত হবে। আবূ হুরায়রা (রা) বললেন : সন্তান প্রসব করলে সে অন্যের জন্য হালাল হবে। অতঃপর সালমা ইবনু ‘আবদির রহমান নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর সমীপে উপস্থিত হলেন এবং তার নিকট এই ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন। উম্মে সালমা (রা) বললেন : সুবাইয়া [১] আসলামিয়া (রা) তার স্বামীর ওফাতের অর্ধমাস পর সন্তান প্রসব করলেন। এর পর দুই ব্যক্তি তাকে বিবাহ করার প্রস্তাব প্রেরণ করলেন। তাদের একজন যুবক ও অপর জন হচ্ছে আধাবয়সী, তিনি যুবকের (প্রস্তাবের) দিকে ঝুকে পড়লেন। অধাবয়সী (প্রস্তাবকারী) বললেন : তুমি এখন হালাল হওনি। সুবাইয়ার পরিজন ছিল অনুপস্থিত। তাই তিনি আশা করলেন যে, তারা এলে সুবাইয়া (এর বিবাহ) সম্পর্কে তারা আধা বয়সী প্রস্তাবকারীকে অগ্রাধিকার দিবেন। সুবাইয়া রসূলুল্লাহ্ (সা)-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তার ব্যাপার উল্লেখ করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন : তুমি হালাল হয়ে গিয়েছ, যাকে ইচ্ছা তুমি বিবাহ করতে পার। (সহীহ, নাসাঈ ৩৫০৯, ৩৫১০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আসসিল সিলাহ আস সহীহা ৩২৭৪])

حدثني يحيى عن مالك عن عبد ربه بن سعيد بن قيس عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه قال سئل عبد الله بن عباس وأبو هريرة عن المرأة الحامل يتوفى عنها زوجها فقال ابن عباس آخر الأجلين وقال أبو هريرة إذا ولدت فقد حلت فدخل أبو سلمة بن عبد الرحمن على أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فسألها عن ذلك فقالت أم سلمة ولدت سبيعة الأسلمية بعد وفاة زوجها بنصف شهر فخطبها رجلان أحدهما شاب والآخر كهل فحطت إلى الشاب فقال الشيخ لم تحلي بعد وكان أهلها غيبا ورجا إذا جاء أهلها أن يؤثروه بها فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد حللت فانكحي من شئت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৩

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه سئل عن المرأة يتوفى عنها زوجها وهي حامل فقال عبد الله بن عمر إذا وضعت حملها فقد حلت فأخبره رجل من الأنصار كان عنده أن عمر بن الخطاب قال لو وضعت وزوجها على سريره لم يدفن بعد لحلت.

নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সম্পর্কে, যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন : সন্তান প্রসব করলে সে হালাল হয়ে যাবে। তার নিকট উপস্থিত জনৈক আনসারী তাকে খবর দিলেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : যদি সে প্রসব করে (অথচ) তার স্বামী এখনও খাটে, তাকে এখনও দাফন করা হয়নি, তবু সে হালাল হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সম্পর্কে, যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন : সন্তান প্রসব করলে সে হালাল হয়ে যাবে। তার নিকট উপস্থিত জনৈক আনসারী তাকে খবর দিলেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : যদি সে প্রসব করে (অথচ) তার স্বামী এখনও খাটে, তাকে এখনও দাফন করা হয়নি, তবু সে হালাল হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه سئل عن المرأة يتوفى عنها زوجها وهي حامل فقال عبد الله بن عمر إذا وضعت حملها فقد حلت فأخبره رجل من الأنصار كان عنده أن عمر بن الخطاب قال لو وضعت وزوجها على سريره لم يدفن بعد لحلت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৪

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن المسور بن مخرمة أنه أخبره أن سبيعة الأسلمية نفست بعد وفاة زوجها بليال فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم قد حللت فانكحي من شئت.

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রা) তার নিকট বলেছেন : সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্র পর সন্তান প্রসব করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন : তুমি হালাল হয়ে গিয়েছে, এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার। (সহীহ, বুখারী ৫৩২০)

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রা) তার নিকট বলেছেন : সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্র পর সন্তান প্রসব করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন : তুমি হালাল হয়ে গিয়েছে, এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার। (সহীহ, বুখারী ৫৩২০)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن المسور بن مخرمة أنه أخبره أن سبيعة الأسلمية نفست بعد وفاة زوجها بليال فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم قد حللت فانكحي من شئت.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৫

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عبد الله بن عباس وأبا سلمة بن عبد الرحمن بن عوف اختلفا في المرأة تنفس بعد وفاة زوجها بليال فقال أبو سلمة إذا وضعت ما في بطنها فقد حلت للأزواج وقال ابن عباس آخر الأجلين فجاء أبو هريرة فقال أنا مع ابن أخي يعني أبا سلمة فبعثوا كريبا مولى عبد الله بن عباس إلى أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم يسألها عن ذلك فجاءهم فأخبرهم أنها قالت: ولدت سبيعة الأسلمية بعد وفاة زوجها بليال فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد حللت فانكحي من شئت قال مالك وهذا الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم عندنا.

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস এবং আবূ সালমা ইবনু আবদির রহমান ইবনু আউফ (র) তারা উভয়ে মতানৈক্য করলেন সেই স্ত্রী সম্পর্কে, যে স্ত্রী স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্রি পর সন্তান প্রসব করেছে। আবূ সালমা (র) বললেন : তার পেটে যা রয়েছে (অর্থাৎ সন্তান) যখন তা প্রসব করল তখন সে হালাল হয়ে গেল। ইবনু আব্বাস (রা) বললেন : দুই নির্দিষ্ট সময় (চার মাস দশ দিন ও সন্তান প্রসব)-এর সর্বশেষ সময়ই তার হালাল হওয়ায় সীমা। (ইতিমধ্যে) আবূ হুরায়রা (রা) এলেন ও বললেন : আমি আমার ভাতিজা অর্থাৎ আবূ সালমা আবদির রহমানের সাথে একমত। তারপর তারা সকলে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস কর্তৃক আযাদ ক্রীতদাস কুরাইব (র)-কে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য প্রেরণ করলেন। তিনি (প্রশ্ন উত্তর নিয়ে) তাদের কাছে ফিরে এলেন এবং তাদের জানালেন যে, তিনি (উম্মে সালমা) (রা) বলেছেন : সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্রি পর সন্তান প্রসব করলেন এবং এই ব্যাপার রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তুমি হালাল হয়েছ, এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার। (সহীহ, মুসলিম ১৪৮৫) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে মাস’আলা অনুরূপ, যার উপর আমাদের শহরের (মদীনার) উলামাগণ এই মতের উপরই রয়েছেন।

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস এবং আবূ সালমা ইবনু আবদির রহমান ইবনু আউফ (র) তারা উভয়ে মতানৈক্য করলেন সেই স্ত্রী সম্পর্কে, যে স্ত্রী স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্রি পর সন্তান প্রসব করেছে। আবূ সালমা (র) বললেন : তার পেটে যা রয়েছে (অর্থাৎ সন্তান) যখন তা প্রসব করল তখন সে হালাল হয়ে গেল। ইবনু আব্বাস (রা) বললেন : দুই নির্দিষ্ট সময় (চার মাস দশ দিন ও সন্তান প্রসব)-এর সর্বশেষ সময়ই তার হালাল হওয়ায় সীমা। (ইতিমধ্যে) আবূ হুরায়রা (রা) এলেন ও বললেন : আমি আমার ভাতিজা অর্থাৎ আবূ সালমা আবদির রহমানের সাথে একমত। তারপর তারা সকলে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস কর্তৃক আযাদ ক্রীতদাস কুরাইব (র)-কে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য প্রেরণ করলেন। তিনি (প্রশ্ন উত্তর নিয়ে) তাদের কাছে ফিরে এলেন এবং তাদের জানালেন যে, তিনি (উম্মে সালমা) (রা) বলেছেন : সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্রি পর সন্তান প্রসব করলেন এবং এই ব্যাপার রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তুমি হালাল হয়েছ, এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার। (সহীহ, মুসলিম ১৪৮৫) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে মাস’আলা অনুরূপ, যার উপর আমাদের শহরের (মদীনার) উলামাগণ এই মতের উপরই রয়েছেন।

و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عبد الله بن عباس وأبا سلمة بن عبد الرحمن بن عوف اختلفا في المرأة تنفس بعد وفاة زوجها بليال فقال أبو سلمة إذا وضعت ما في بطنها فقد حلت للأزواج وقال ابن عباس آخر الأجلين فجاء أبو هريرة فقال أنا مع ابن أخي يعني أبا سلمة فبعثوا كريبا مولى عبد الله بن عباس إلى أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم يسألها عن ذلك فجاءهم فأخبرهم أنها قالت: ولدت سبيعة الأسلمية بعد وفاة زوجها بليال فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد حللت فانكحي من شئت قال مالك وهذا الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم عندنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে তার জন্য ইদ্দত পালনার্থে নিজ গৃহে অবস্থান করা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৯

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: لا تبيت المتوفى عنها زوجها ولا المبتوتة إلا في بيتها.

নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে নারীর স্বামী ওফাত পেয়েছে সে এবং যে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে সেই স্ত্রীলোক আপন স্বামীর গৃহ ব্যতীত অন্য কোথাও রাত্রি যাপন করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বলতেন, যে নারীর স্বামী ওফাত পেয়েছে সে এবং যে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে সেই স্ত্রীলোক আপন স্বামীর গৃহ ব্যতীত অন্য কোথাও রাত্রি যাপন করবে না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول: لا تبيت المتوفى عنها زوجها ولا المبتوتة إلا في بيتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৮

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أنه كان يقول في المرأة البدوية يتوفى عنها زوجها إنها تنتوي حيث انتوى أهلها، قال مالك وهذا الأمر عندنا.

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, গ্রামাঞ্চলের স্ত্রীলোক যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে সে আপন পরিজন যেই স্থানে অবস্থান করে সেই স্থানে অবস্থান করবে। (মালিক (র) বললেন : আমাদের নিকটও ফয়সালা অনুরূপ।) (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলতেন, গ্রামাঞ্চলের স্ত্রীলোক যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে সে আপন পরিজন যেই স্থানে অবস্থান করে সেই স্থানে অবস্থান করবে। (মালিক (র) বললেন : আমাদের নিকটও ফয়সালা অনুরূপ।) (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة أنه كان يقول في المرأة البدوية يتوفى عنها زوجها إنها تنتوي حيث انتوى أهلها، قال مالك وهذا الأمر عندنا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৬

حدثني يحيى عن مالك عن سعد بن إسحق بن كعب بن عجرة عن عمته زينب بنت كعب بن عجرة أن الفريعة بنت مالك بن سنان وهي أخت أبي سعيد الخدري أخبرتها أنها جاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم تسأله أن ترجع إلى أهلها في بني خدرة فإن زوجها خرج في طلب أعبد له أبقوا حتى إذا كانوا بطرف القدوم لحقهم فقتلوه قالت فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أرجع إلى أهلي في بني خدرة فإن زوجي لم يتركني في مسكن يملكه ولا نفقة قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم قالت فانصرفت حتى إذا كنت في الحجرة ناداني رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أمر بي فنوديت له فقال كيف قلت فرددت عليه القصة التي ذكرت له من شأن زوجي فقال امكثي في بيتك حتى يبلغ الكتاب أجله قالت فاعتددت فيه أربعة أشهر وعشرا قالت فلما كان عثمان بن عفان أرسل إلي فسألني عن ذلك فأخبرته فاتبعه وقضى به.

যায়নাব বিন্ত কা’ব ইবনু উজরাহ (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-এর ভগ্নী ফুরাইয়া বিন্ত মালিক ইবনু সিনান (রা) তাকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে বনী খুদরায় তাঁর পরিজনের নিকট চলে যাওয়ার (অনুমতি সম্পর্কে) সওয়াল করার জন্য উপস্থিত হলেন, কারণ তার স্বামী কয়েকটি পলাতক ক্রীতদাসের সন্ধানে বের হয়েছিলেন। যখন (মদীনা হতে ছয় মাইল দূরে অবস্থিত) কাদুম নামক স্থানের কাছে পৌঁছে তাদেরকে পেলেন। তখন ক্রীতদাসরা তাকে হত্যা করল। ফুরাইয়া বলেন : অতঃপর আমি বনী খুদরাতে আমার পরিজনের নিকট ফিরে যাওয়ার বিষয় রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করলাম এবং বললাম, আমার স্বামী তার মালিকানাধীন কোন গৃহ আমার জন্য রেখে যাননি এবং কোন খোরপোশেরও ব্যবস্থা করে যাননি। ফুরাইয়া বলেন : রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : হ্যাঁ, (তুমি তোমার পরিজনের নিকট যেতে পার) ফুরাইয়া বলেন, আমি ফিরে এসে আমার কক্ষে প্রবেশ করেছি। এমন সময় আমাকে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার আহ্বান করলেন অথবা আহ্বান করতে নির্দেশ দিলেন। আমি তার আহ্বানে উপস্থিত হলে তিনি বললেন, তুমি কি বলেছিলে (পুনরায় বল)। আমার স্বামীর যে ঘটনা আমি তার কাছে উল্লেখ করেছিলাম পুনরায় সেই ঘটনা বর্ণনা করলাম। (ঘটনা শ্রবণ করার পর) তিনি বললেন : তোমার গৃহেই অবস্থান কর ইদ্দত শেষ হওয়া পর্যন্ত। ফুরাইয়া বলেন : আমি ইহার পর সেই গৃহে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করলাম। তিনি বলেন : উসমান ইবনু আফ্ফান (রা) আমার নিকট লোক প্রেরণ করলে আমি তাঁকে ঐ ঘটনার খবর দিলাম। তিনি তা অনুসরণ করলেন এবং সেই মুতাবিক ফয়সালাও দিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৩০০, তিরমিযী ১২০৪, নাসাঈ ৩৫২৮, ৩৫২৯, ইবনু মাজাহ ২০৩১, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ])

যায়নাব বিন্ত কা’ব ইবনু উজরাহ (রা) থেকে বর্নিতঃ

আবূ সাঈদ খুদরী (রা)-এর ভগ্নী ফুরাইয়া বিন্ত মালিক ইবনু সিনান (রা) তাকে খবর দিয়েছেন যে, তিনি রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সমীপে বনী খুদরায় তাঁর পরিজনের নিকট চলে যাওয়ার (অনুমতি সম্পর্কে) সওয়াল করার জন্য উপস্থিত হলেন, কারণ তার স্বামী কয়েকটি পলাতক ক্রীতদাসের সন্ধানে বের হয়েছিলেন। যখন (মদীনা হতে ছয় মাইল দূরে অবস্থিত) কাদুম নামক স্থানের কাছে পৌঁছে তাদেরকে পেলেন। তখন ক্রীতদাসরা তাকে হত্যা করল। ফুরাইয়া বলেন : অতঃপর আমি বনী খুদরাতে আমার পরিজনের নিকট ফিরে যাওয়ার বিষয় রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট প্রশ্ন করলাম এবং বললাম, আমার স্বামী তার মালিকানাধীন কোন গৃহ আমার জন্য রেখে যাননি এবং কোন খোরপোশেরও ব্যবস্থা করে যাননি। ফুরাইয়া বলেন : রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : হ্যাঁ, (তুমি তোমার পরিজনের নিকট যেতে পার) ফুরাইয়া বলেন, আমি ফিরে এসে আমার কক্ষে প্রবেশ করেছি। এমন সময় আমাকে রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার আহ্বান করলেন অথবা আহ্বান করতে নির্দেশ দিলেন। আমি তার আহ্বানে উপস্থিত হলে তিনি বললেন, তুমি কি বলেছিলে (পুনরায় বল)। আমার স্বামীর যে ঘটনা আমি তার কাছে উল্লেখ করেছিলাম পুনরায় সেই ঘটনা বর্ণনা করলাম। (ঘটনা শ্রবণ করার পর) তিনি বললেন : তোমার গৃহেই অবস্থান কর ইদ্দত শেষ হওয়া পর্যন্ত। ফুরাইয়া বলেন : আমি ইহার পর সেই গৃহে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করলাম। তিনি বলেন : উসমান ইবনু আফ্ফান (রা) আমার নিকট লোক প্রেরণ করলে আমি তাঁকে ঐ ঘটনার খবর দিলাম। তিনি তা অনুসরণ করলেন এবং সেই মুতাবিক ফয়সালাও দিলেন। (সহীহ, আবূ দাঊদ ২৩০০, তিরমিযী ১২০৪, নাসাঈ ৩৫২৮, ৩৫২৯, ইবনু মাজাহ ২০৩১, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে আবূ দাঊদ])

حدثني يحيى عن مالك عن سعد بن إسحق بن كعب بن عجرة عن عمته زينب بنت كعب بن عجرة أن الفريعة بنت مالك بن سنان وهي أخت أبي سعيد الخدري أخبرتها أنها جاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم تسأله أن ترجع إلى أهلها في بني خدرة فإن زوجها خرج في طلب أعبد له أبقوا حتى إذا كانوا بطرف القدوم لحقهم فقتلوه قالت فسألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أن أرجع إلى أهلي في بني خدرة فإن زوجي لم يتركني في مسكن يملكه ولا نفقة قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم قالت فانصرفت حتى إذا كنت في الحجرة ناداني رسول الله صلى الله عليه وسلم أو أمر بي فنوديت له فقال كيف قلت فرددت عليه القصة التي ذكرت له من شأن زوجي فقال امكثي في بيتك حتى يبلغ الكتاب أجله قالت فاعتددت فيه أربعة أشهر وعشرا قالت فلما كان عثمان بن عفان أرسل إلي فسألني عن ذلك فأخبرته فاتبعه وقضى به.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৭

و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن عمرو بن شعيب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب كان يرد المتوفى عنهن أزواجهن من البيداء يمنعهن الحج. و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن السائب بن خباب توفي وإن امرأته جاءت إلى عبد الله بن عمر فذكرت له وفاة زوجها وذكرت له حرثا لهم بقناة وسألته هل يصلح لها أن تبيت فيه فنهاها عن ذلك فكانت تخرج من المدينة سحرا فتصبح في حرثهم فتظل فيه يومها ثم تدخل المدينة إذا أمست فتبيت في بيتها.

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে (উক্ত স্ত্রী ইদ্দত পালনরত ছিল) এরূপ স্ত্রীদেরকে বাইদা নামক স্থান হতে ফেরত পাঠাতেন এবং হজ্জ হতে বিরত রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) হতে বর্ণিত, তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সায়িব ইবনু খব্বাব (রা) ইন্তেকাল করলেন। তার স্ত্রী আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলে এবং তার স্বামীর মৃত্যু সংবাদ উল্লেখ করলেন, আর কানাত নামক স্থানে তার স্বামীর একটি শস্যক্ষেত্রের বিষয় তার কাছে উল্লেখ করলেন এবং ইহা জানতে চাইলেন তার জন্য সেই শস্যক্ষেত্রে রাত্রি যাপন করা বৈধ কিনা? তিনি উহা হতে তাকে বারণ করলেন। তাই তিনি মদীনা হতে রাত্রির শেষ ভাগে বের হতেন, ফজরের শেষে পৌঁছে যেতেন, পূর্ণ দিন তথায় অবস্থান করে সন্ধ্যায় আবার মদীনায় প্রত্যাবর্তন করতেন এবং আপন গৃহে রাত্রি যাপন করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেন, স্বামীর মৃত্যু হয়েছে (উক্ত স্ত্রী ইদ্দত পালনরত ছিল) এরূপ স্ত্রীদেরকে বাইদা নামক স্থান হতে ফেরত পাঠাতেন এবং হজ্জ হতে বিরত রাখতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) হতে বর্ণিত, তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সায়িব ইবনু খব্বাব (রা) ইন্তেকাল করলেন। তার স্ত্রী আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর নিকট উপস্থিত হলে এবং তার স্বামীর মৃত্যু সংবাদ উল্লেখ করলেন, আর কানাত নামক স্থানে তার স্বামীর একটি শস্যক্ষেত্রের বিষয় তার কাছে উল্লেখ করলেন এবং ইহা জানতে চাইলেন তার জন্য সেই শস্যক্ষেত্রে রাত্রি যাপন করা বৈধ কিনা? তিনি উহা হতে তাকে বারণ করলেন। তাই তিনি মদীনা হতে রাত্রির শেষ ভাগে বের হতেন, ফজরের শেষে পৌঁছে যেতেন, পূর্ণ দিন তথায় অবস্থান করে সন্ধ্যায় আবার মদীনায় প্রত্যাবর্তন করতেন এবং আপন গৃহে রাত্রি যাপন করতেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن حميد بن قيس المكي عن عمرو بن شعيب عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب كان يرد المتوفى عنهن أزواجهن من البيداء يمنعهن الحج. و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه بلغه أن السائب بن خباب توفي وإن امرأته جاءت إلى عبد الله بن عمر فذكرت له وفاة زوجها وذكرت له حرثا لهم بقناة وسألته هل يصلح لها أن تبيت فيه فنهاها عن ذلك فكانت تخرج من المدينة سحرا فتصبح في حرثهم فتظل فيه يومها ثم تدخل المدينة إذا أمست فتبيت في بيتها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > উম্মে ওয়ালাদ-এর ইদ্দত তার কর্তার মৃত্যু হলে

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩০

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت القاسم بن محمد يقول: إن يزيد بن عبد الملك فرق بين رجال وبين نسائهم وكن أمهات أولاد رجال هلكوا فتزوجوهن بعد حيضة أو حيضتين ففرق بينهم حتى يعتددن أربعة أشهر وعشرا فقال القاسم بن محمد سبحان الله يقول الله في كتابه { والذين يتوفون منكم ويذرون أزواجا } ما هن من الأزواج.

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি, ইয়াযিদ ইবনু ‘আবদিল মালিক (র) কতিপয় পুরুষ ও তাদের স্ত্রীদের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিয়েছেন। সেই স্ত্রীগণ ছিল কতিপয় লোকের উম্মে ওয়ালাদ। তারা (তাদের কর্তারা) ইন্তেকাল করেছেন : অতঃপর এক হায়য অথবা দুই হায়য-এর পর তাদেরকে (উপরিউক্ত লোকগুলো) বিবাহ করে তাই তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ করানো হয়েছে যেন তারা চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন, সুবহান্নাল্লাহ। আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে ইরশাদ করেছেন : وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا. “তোমাদের মধ্যে সপত্নীক অবস্থায় যাদের মৃত্যু আসন্ন তারা যেন তাদের স্ত্রীদেরকে গৃহ হতে বহিষ্কার করে তাদের এক বৎসরের ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করে। (অথচ) উম্মে ওয়ালাদগণ পত্নী নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ

আমি কাসিম ইবনু মুহাম্মাদকে বলতে শুনেছি, ইয়াযিদ ইবনু ‘আবদিল মালিক (র) কতিপয় পুরুষ ও তাদের স্ত্রীদের মধ্যে বিচ্ছেদ করে দিয়েছেন। সেই স্ত্রীগণ ছিল কতিপয় লোকের উম্মে ওয়ালাদ। তারা (তাদের কর্তারা) ইন্তেকাল করেছেন : অতঃপর এক হায়য অথবা দুই হায়য-এর পর তাদেরকে (উপরিউক্ত লোকগুলো) বিবাহ করে তাই তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ করানো হয়েছে যেন তারা চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ বললেন, সুবহান্নাল্লাহ। আল্লাহ্ তা’আলা কিতাবে ইরশাদ করেছেন : وَالَّذِينَ يُتَوَفَّوْنَ مِنْكُمْ وَيَذَرُونَ أَزْوَاجًا. “তোমাদের মধ্যে সপত্নীক অবস্থায় যাদের মৃত্যু আসন্ন তারা যেন তাদের স্ত্রীদেরকে গৃহ হতে বহিষ্কার করে তাদের এক বৎসরের ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করে। (অথচ) উম্মে ওয়ালাদগণ পত্নী নয়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد أنه قال سمعت القاسم بن محمد يقول: إن يزيد بن عبد الملك فرق بين رجال وبين نسائهم وكن أمهات أولاد رجال هلكوا فتزوجوهن بعد حيضة أو حيضتين ففرق بينهم حتى يعتددن أربعة أشهر وعشرا فقال القاسم بن محمد سبحان الله يقول الله في كتابه { والذين يتوفون منكم ويذرون أزواجا } ما هن من الأزواج.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২৩১

و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال: عدة أم الولد إذا توفي عنها سيدها حيضة. ১و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه كان يقول عدة أم الولد إذا توفي عنها سيدها حيضة قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وإن لم تكن ممن تحيض فعدتها ثلاثة أشهر

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হচ্ছে এক হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিত, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) বলতেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর কর্তার মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হবে এক হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকটও মাস’আলা এইরূপ। মালিক (র) বলেন : উম্মে ওয়ালাদ-এর যদি ঋতুস্রাব না হয় তবে তার ইদ্দত হবে তিন মাস।

নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ

আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলেছেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হচ্ছে এক হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (র) হতে বর্ণিত, কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ (র) বলতেন, উম্মে ওয়ালাদ-এর কর্তার মৃত্যু হলে তার ইদ্দত হবে এক হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকটও মাস’আলা এইরূপ। মালিক (র) বলেন : উম্মে ওয়ালাদ-এর যদি ঋতুস্রাব না হয় তবে তার ইদ্দত হবে তিন মাস।

و حدثني مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه قال: عدة أم الولد إذا توفي عنها سيدها حيضة. ১و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد أنه كان يقول عدة أم الولد إذا توفي عنها سيدها حيضة قال مالك وهو الأمر عندنا قال مالك وإن لم تكن ممن تحيض فعدتها ثلاثة أشهر


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00