মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাকপ্রাপ্তা বাদীর ইদ্দতের বর্ণনা ও বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৮
قال مالك الأمر عندنا في طلاق العبد الأمة إذا طلقها وهي أمة ثم عتقت بعد فعدتها عدة الأمة لا يغير عدتها عتقها كانت له عليها رجعة أو لم تكن له عليها رجعة لا تنتقل عدتها قال مالك ومثل ذلك الحد يقع على العبد ثم يعتق بعد أن يقع عليه الحد فإنما حده حد عبد. ২১৫৯قال مالك والحر يطلق الأمة ثلاثا وتعتد بحيضتين والعبد يطلق الحرة تطليقتين وتعتد ثلاثة قروء، ২১৬قال مالك في الرجل تكون تحته الأمة ثم يبتاعها، فيعتقها إنها تعتد عدة الأمة حيضتين ما لم يصبها فإن أصابها بعد ملكه إياها قبل عتاقها لم يكن عليها إلا الاستبراء بحيضة.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ক্রীতদাস তার ক্রীতদাসী স্ত্রীকে ক্রীতদাসী থাক অবস্থায় তালাক দিল। তারপর স্ত্রী মুক্তিলাভ করল। এমতাবস্থায় আমাদের মতে তার ইদ্দত হবে ক্রীতদাসীর ইদ্দত। মুক্তিলাভ তার ইদ্দতে কোন পরিবর্তন আনবে না। তাঁর স্বামী তার দিকে প্রত্যাবর্তন করার অধিকার থাকুক আর না থাকুক কোন অবস্থাতেই ইদ্দত পরিবর্তিত হবে না। মালিক (র) বলেন : (ইসলামী বিধান মুতাবিক অপরাধের শাস্তি)-এর ব্যাপারও অনুরূপ। ক্রীতদাসের উপর হদ এর শাস্তি নির্ধারণ করা হল। অতঃপর তাকে মুক্তি দেয়া হল। তার ক্ষেত্রেও হদ ক্রীতদাসের মতোই হবে। মালিক (র) বলেন : আযাদ ব্যক্তি ক্রীতদাসীকে তিন তালাক দিতে পারবে। সে দুই হায়য (মাসিক ঋতু) ইদ্দত পালন করবে আর ক্রীতদাস আযাদ রমনীকে দুই তালাক দিতে পারবে, সে ইদ্দত পালন করবে তিন কুরূ। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তির স্ত্রী ক্রীতদাসী, অতঃপর উহাকে সে ক্রয় করল এবং আযাদ করে দিল, সেও ক্রীতদাসীর মতো দুই হায়য ইদ্দত পালন করবে যাবৎ তার সাথে সহবাস না করা হয়। আর যদি মালিক হওয়ার পর স্বামী তার সাথে সহবাস করে থাকে মুক্তি প্রদানের পূর্বে, তবে ইস্তিবরা (জরায়ূকে অন্যের বীর্য হতে মুক্ত করা) তার উপর এক হায়য ব্যতীত অন্য কিছু নাই।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ক্রীতদাস তার ক্রীতদাসী স্ত্রীকে ক্রীতদাসী থাক অবস্থায় তালাক দিল। তারপর স্ত্রী মুক্তিলাভ করল। এমতাবস্থায় আমাদের মতে তার ইদ্দত হবে ক্রীতদাসীর ইদ্দত। মুক্তিলাভ তার ইদ্দতে কোন পরিবর্তন আনবে না। তাঁর স্বামী তার দিকে প্রত্যাবর্তন করার অধিকার থাকুক আর না থাকুক কোন অবস্থাতেই ইদ্দত পরিবর্তিত হবে না। মালিক (র) বলেন : (ইসলামী বিধান মুতাবিক অপরাধের শাস্তি)-এর ব্যাপারও অনুরূপ। ক্রীতদাসের উপর হদ এর শাস্তি নির্ধারণ করা হল। অতঃপর তাকে মুক্তি দেয়া হল। তার ক্ষেত্রেও হদ ক্রীতদাসের মতোই হবে। মালিক (র) বলেন : আযাদ ব্যক্তি ক্রীতদাসীকে তিন তালাক দিতে পারবে। সে দুই হায়য (মাসিক ঋতু) ইদ্দত পালন করবে আর ক্রীতদাস আযাদ রমনীকে দুই তালাক দিতে পারবে, সে ইদ্দত পালন করবে তিন কুরূ। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তির স্ত্রী ক্রীতদাসী, অতঃপর উহাকে সে ক্রয় করল এবং আযাদ করে দিল, সেও ক্রীতদাসীর মতো দুই হায়য ইদ্দত পালন করবে যাবৎ তার সাথে সহবাস না করা হয়। আর যদি মালিক হওয়ার পর স্বামী তার সাথে সহবাস করে থাকে মুক্তি প্রদানের পূর্বে, তবে ইস্তিবরা (জরায়ূকে অন্যের বীর্য হতে মুক্ত করা) তার উপর এক হায়য ব্যতীত অন্য কিছু নাই।
قال مالك الأمر عندنا في طلاق العبد الأمة إذا طلقها وهي أمة ثم عتقت بعد فعدتها عدة الأمة لا يغير عدتها عتقها كانت له عليها رجعة أو لم تكن له عليها رجعة لا تنتقل عدتها قال مالك ومثل ذلك الحد يقع على العبد ثم يعتق بعد أن يقع عليه الحد فإنما حده حد عبد. ২১৫৯قال مالك والحر يطلق الأمة ثلاثا وتعتد بحيضتين والعبد يطلق الحرة تطليقتين وتعتد ثلاثة قروء، ২১৬قال مالك في الرجل تكون تحته الأمة ثم يبتاعها، فيعتقها إنها تعتد عدة الأمة حيضتين ما لم يصبها فإن أصابها بعد ملكه إياها قبل عتاقها لم يكن عليها إلا الاستبراء بحيضة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্ত্রীসহবাসে অক্ষম ব্যক্তিকে সময় প্রদান সম্পর্কে বিধান
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৪
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب متى يضرب له الأجل أمن يوم يبني بها أم من يوم ترافعه إلى السلطان فقال بل من يوم ترافعه إلى السلطان ২১৭৭-قال مالك فأما الذي قد مس امرأته ثم اعترض عنها فإني لم أسمع أنه يضرب له أجل ولا يفرق بينهما.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাবের নিকট প্রশ্ন করলেন, স্বামীকে কখন হতে সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে? নির্জন বাস হতে না (হাকিমের নিকট) বিষয় উপস্থাপিত হওয়ার সময় হতে? তিনি বললেন, সময় দেয়া হবে হাকিমের নিকট মোকদ্দমা উপস্থাপনের দিন হতে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছে, অতঃপর সহবাসে অক্ষমতা প্রকাশ পেয়েছে এই ব্যক্তির জন্য কোন সময় নির্দিষ্ট করা এবং তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো হবে না। এই সম্পর্কে আমি (মালিক) কিছুই শুনি নাই, অর্থাৎ এই ব্যাপারে পূর্ববর্তী ফকীহদের নিকট হতে কোন রেওয়ায়ত বা সিদ্ধান্তের কথা তিনি শুনেন নিই।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাবের নিকট প্রশ্ন করলেন, স্বামীকে কখন হতে সময় নির্দিষ্ট করে দেয়া হবে? নির্জন বাস হতে না (হাকিমের নিকট) বিষয় উপস্থাপিত হওয়ার সময় হতে? তিনি বললেন, সময় দেয়া হবে হাকিমের নিকট মোকদ্দমা উপস্থাপনের দিন হতে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর সাথে সহবাস করেছে, অতঃপর সহবাসে অক্ষমতা প্রকাশ পেয়েছে এই ব্যক্তির জন্য কোন সময় নির্দিষ্ট করা এবং তাদের উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো হবে না। এই সম্পর্কে আমি (মালিক) কিছুই শুনি নাই, অর্থাৎ এই ব্যাপারে পূর্ববর্তী ফকীহদের নিকট হতে কোন রেওয়ায়ত বা সিদ্ধান্তের কথা তিনি শুনেন নিই।
و حدثني عن مالك أنه سأل ابن شهاب متى يضرب له الأجل أمن يوم يبني بها أم من يوم ترافعه إلى السلطان فقال بل من يوم ترافعه إلى السلطان ২১৭৭-قال مالك فأما الذي قد مس امرأته ثم اعترض عنها فإني لم أسمع أنه يضرب له أجل ولا يفرق بينهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৩
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول: من تزوج امرأة فلم يستطع أن يمسها فإنه يضرب له أجل سنة فإن مسها وإلا فرق بينهما.
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি কোন নারীকে বিবাহ করেছে এবং তার সাথে সহবাস করার ক্ষমতা তার নাই, তবে তাকে এক বৎসর সময় দেয়া হবে। (এই সময়ের মধ্যে) যদি স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে পারে তবে মহিলাটি তার স্ত্রী থাকবে, অন্যথায় উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ
যে ব্যক্তি কোন নারীকে বিবাহ করেছে এবং তার সাথে সহবাস করার ক্ষমতা তার নাই, তবে তাকে এক বৎসর সময় দেয়া হবে। (এই সময়ের মধ্যে) যদি স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে পারে তবে মহিলাটি তার স্ত্রী থাকবে, অন্যথায় উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول: من تزوج امرأة فلم يستطع أن يمسها فإنه يضرب له أجل سنة فإن مسها وإلا فرق بينهما.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাকের বিবিধ প্রসঙ্গ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৮
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال سمعت عبد الله بن عمر قرأ { يا أيها النبي إذا طلقتم النساء فطلقوهن } لقبل عدتهن قال مالك يعني بذلك أن يطلق في كل طهر مرة.
আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পাঠ করলেন : يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمْ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِقُبُلِ عِدَّتِهِنَّ. হে নবী, তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীগণকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর তাদেরকে তালাক দিও ইদ্দতের প্রারম্ভিক (সময়ের) প্রতি লক্ষ্য করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : প্রতি তুহরে (ঋতু হতে পবিত্র থাকার সময়ে) একটি করে তালাক দেওয়া ইহার উদ্দেশ্য।
আবদুল্লাহ্ ইবনু দীনার থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) পাঠ করলেন : يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ إِذَا طَلَّقْتُمْ النِّسَاءَ فَطَلِّقُوهُنَّ لِقُبُلِ عِدَّتِهِنَّ. হে নবী, তোমরা যখন তোমাদের স্ত্রীগণকে তালাক দিতে ইচ্ছা কর তাদেরকে তালাক দিও ইদ্দতের প্রারম্ভিক (সময়ের) প্রতি লক্ষ্য করে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : প্রতি তুহরে (ঋতু হতে পবিত্র থাকার সময়ে) একটি করে তালাক দেওয়া ইহার উদ্দেশ্য।
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن دينار أنه قال سمعت عبد الله بن عمر قرأ { يا أيها النبي إذا طلقتم النساء فطلقوهن } لقبل عدتهن قال مالك يعني بذلك أن يطلق في كل طهر مرة.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৫
و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل من ثقيف أسلم وعنده عشر نسوة حين أسلم الثقفي أمسك منهن أربعا وفارق سائرهن.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি মুসলমান হয়েছেন। তার দশটি বিবি ছিল। যখন তিনি ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন, তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উহাদের মধ্য হতে চারটিকে রাখতে এবং অন্য সকলকে ত্যাগ করতে নির্দেশ দিলেন। (সহীহ, তিরমিযী ১১২৮, ইবনু মাজা ১৯৫৩, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুরসাল)
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাকীফ গোত্রের এক ব্যক্তি মুসলমান হয়েছেন। তার দশটি বিবি ছিল। যখন তিনি ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হন, তখন রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে উহাদের মধ্য হতে চারটিকে রাখতে এবং অন্য সকলকে ত্যাগ করতে নির্দেশ দিলেন। (সহীহ, তিরমিযী ১১২৮, ইবনু মাজা ১৯৫৩, আলবানী হাদীসটি সহীহ বলেছেন, সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী, তবে ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত সনদটি মুরসাল)
و حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب أنه قال بلغني أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لرجل من ثقيف أسلم وعنده عشر نسوة حين أسلم الثقفي أمسك منهن أربعا وفارق سائرهن.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২০
و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي أن الرجل كان يطلق امرأته ثم يراجعها ولا حاجة له بها ولا يريد إمساكها كيما يطول بذلك عليها العدة ليضارها فأنزل الله تبارك وتعالى { ولا تمسكوهن ضرارا لتعتدوا ومن يفعل ذلك فقد ظلم نفسه } يعظهم الله بذلك.
সাওর ইবনু যায়দ দীলি (র) থেকে বর্নিতঃ
লোকে স্ত্রীর ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এবং ইদ্দতকে তার উপর দীর্ঘ করার জন্য তালাক দিয়ে পুনরায় উহার দিকে রুজূ’ করত অর্থাৎ তার সেই স্ত্রীর কোন আবশ্যক নাই এবং উহাকে রাখার কোন ইচ্ছা নাই। তাই আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন। وَلَا تُمْسِكُوهُنَّ ضِرَارًا لِتَعْتَدُوا وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ. অর্থাৎ কিন্তু অন্যায়রূপে তাদের (স্ত্রীদের) ক্ষতি করে সীমালংঘন উদ্দেশ্যে তাদেরকে তোমরা আটকে রেখ না। যে এইরূপ করে, সে নিজের প্রতি জুলুম করে। আল্লাহ তাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন এর দ্বারা। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সাওর ইবনু যায়দ দীলি (র) থেকে বর্নিতঃ
লোকে স্ত্রীর ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে এবং ইদ্দতকে তার উপর দীর্ঘ করার জন্য তালাক দিয়ে পুনরায় উহার দিকে রুজূ’ করত অর্থাৎ তার সেই স্ত্রীর কোন আবশ্যক নাই এবং উহাকে রাখার কোন ইচ্ছা নাই। তাই আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন। وَلَا تُمْسِكُوهُنَّ ضِرَارًا لِتَعْتَدُوا وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ. অর্থাৎ কিন্তু অন্যায়রূপে তাদের (স্ত্রীদের) ক্ষতি করে সীমালংঘন উদ্দেশ্যে তাদেরকে তোমরা আটকে রেখ না। যে এইরূপ করে, সে নিজের প্রতি জুলুম করে। আল্লাহ তাদেরকে উপদেশ দিচ্ছেন এর দ্বারা। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ثور بن زيد الديلي أن الرجل كان يطلق امرأته ثم يراجعها ولا حاجة له بها ولا يريد إمساكها كيما يطول بذلك عليها العدة ليضارها فأنزل الله تبارك وتعالى { ولا تمسكوهن ضرارا لتعتدوا ومن يفعل ذلك فقد ظلم نفسه } يعظهم الله بذلك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৬
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال سمعت سعيد بن المسيب وحميد بن عبد الرحمن بن عوف وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود وسليمان بن يسار كلهم يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول: أيما امرأة طلقها زوجها تطليقة أو تطليقتين ثم تركها حتى تحل وتنكح زوجا غيره فيموت عنها أو يطلقها ثم ينكحها زوجها الأول فإنها تكون عنده على ما بقي من طلاقها، قال مالك وعلى ذلك السنة عندنا التي لا اختلاف فيها.
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে বলতে শুনেছি, যে স্ত্রীকে তার স্বামী এক তালাক অথবা দুই তালাক দিয়েছে, তারপর ইদ্দতের সময় অতিবাহিত করে হালাল হওয়া এবং দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত তাকে প্রথম স্বামী পরিত্যাগ করে রেখেছে, এমতাবস্থায় দ্বিতীয় স্বামী তাকে বিবাহ করার পর দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যু হওয়া অথবা সেই স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর প্রথম স্বামী পুনরায় সেই স্ত্রীকে বিবাহ করেছে, তবে সেই স্ত্রী অবশিষ্ট (এক অথবা দুই) তালাকের অধিকারিনী হয়ে প্রথম স্বামীর স্ত্রীরূপে বহাল থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকটও মাস’আলার ফয়সালা এইরূপ, ইহাতে কোন মাতনৈক্য নাই।
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিতঃ
আমি উমার ইবনু খাত্তাব (রা)-কে বলতে শুনেছি, যে স্ত্রীকে তার স্বামী এক তালাক অথবা দুই তালাক দিয়েছে, তারপর ইদ্দতের সময় অতিবাহিত করে হালাল হওয়া এবং দ্বিতীয় স্বামী গ্রহণ করা পর্যন্ত তাকে প্রথম স্বামী পরিত্যাগ করে রেখেছে, এমতাবস্থায় দ্বিতীয় স্বামী তাকে বিবাহ করার পর দ্বিতীয় স্বামীর মৃত্যু হওয়া অথবা সেই স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর প্রথম স্বামী পুনরায় সেই স্ত্রীকে বিবাহ করেছে, তবে সেই স্ত্রী অবশিষ্ট (এক অথবা দুই) তালাকের অধিকারিনী হয়ে প্রথম স্বামীর স্ত্রীরূপে বহাল থাকবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকটও মাস’আলার ফয়সালা এইরূপ, ইহাতে কোন মাতনৈক্য নাই।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال سمعت سعيد بن المسيب وحميد بن عبد الرحمن بن عوف وعبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود وسليمان بن يسار كلهم يقول سمعت أبا هريرة يقول سمعت عمر بن الخطاب يقول: أيما امرأة طلقها زوجها تطليقة أو تطليقتين ثم تركها حتى تحل وتنكح زوجا غيره فيموت عنها أو يطلقها ثم ينكحها زوجها الأول فإنها تكون عنده على ما بقي من طلاقها، قال مالك وعلى ذلك السنة عندنا التي لا اختلاف فيها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৯
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: كان الرجل إذا طلق امرأته ثم ارتجعها قبل أن تنقضي عدتها كان ذلك له وإن طلقها ألف مرة فعمد رجل إلى امرأته فطلقها حتى إذا شارفت انقضاء عدتها راجعها ثم طلقها ثم قال لا والله لا آويك إلي ولا تحلين أبدا فأنزل الله تبارك وتعالى { الطلاق مرتان فإمساك بمعروف أو تسريح بإحسان } فاستقبل الناس الطلاق جديدا من يومئذ من كان طلق منهم أو لم يطلق.
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন (পূর্বে নিয়ম ছিল) স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পূর্বে উহার দিকে রুজূ’ করার অধিকার প্রত্যেক ব্যক্তির ছিল, যদিও স্ত্রীকে হাজার তালাক দিয়ে থাকে। এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তালাক দিল। যখনই ইদ্দত সমাপ্তির প্রান্তে পৌঁছেছে তখন স্বামী তার দিকে রুজূ’ করল। তারপর আবার তালাক দিল, অতঃপর সে বলল : আমি তোমাকে আর কখনও আমার নিকট আশ্রয় দেব না, আমার জন্য তুমি কখনও হালাল হবে না। তারপর আল্লাহ তা’আলা (আয়াত) নাযিল করলেন : الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ. অর্থাৎ এই তালাক দুই বার। অতঃপর স্ত্রীকে হয় বিধিমত রেখে দিবে অথবা সদয়ভাবে মুক্ত করে দিবে। সেই দিন হতে লোকেরা নূতনভাবে গণনা আরম্ভ করল, যারা (ইতিপূর্বে) তালাক দিয়েছিল তারাও এবং যারা তালাক দেয়নি তারাও। (যয়ীফ, তিরমিযী ১১৯২, আলবানী হাদীসটি যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী] মুরসাল আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন (পূর্বে নিয়ম ছিল) স্ত্রীকে তালাক দেয়ার পর ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পূর্বে উহার দিকে রুজূ’ করার অধিকার প্রত্যেক ব্যক্তির ছিল, যদিও স্ত্রীকে হাজার তালাক দিয়ে থাকে। এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে তালাক দিল। যখনই ইদ্দত সমাপ্তির প্রান্তে পৌঁছেছে তখন স্বামী তার দিকে রুজূ’ করল। তারপর আবার তালাক দিল, অতঃপর সে বলল : আমি তোমাকে আর কখনও আমার নিকট আশ্রয় দেব না, আমার জন্য তুমি কখনও হালাল হবে না। তারপর আল্লাহ তা’আলা (আয়াত) নাযিল করলেন : الطَّلَاقُ مَرَّتَانِ فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ. অর্থাৎ এই তালাক দুই বার। অতঃপর স্ত্রীকে হয় বিধিমত রেখে দিবে অথবা সদয়ভাবে মুক্ত করে দিবে। সেই দিন হতে লোকেরা নূতনভাবে গণনা আরম্ভ করল, যারা (ইতিপূর্বে) তালাক দিয়েছিল তারাও এবং যারা তালাক দেয়নি তারাও। (যয়ীফ, তিরমিযী ১১৯২, আলবানী হাদীসটি যয়ীফ বলেছেন [সহীহ ও যয়ীফ সুনানে তিরমিযী] মুরসাল আর ইমাম মালিক কর্তৃক বর্ণিত হাদীসটি মুরসাল)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أنه قال: كان الرجل إذا طلق امرأته ثم ارتجعها قبل أن تنقضي عدتها كان ذلك له وإن طلقها ألف مرة فعمد رجل إلى امرأته فطلقها حتى إذا شارفت انقضاء عدتها راجعها ثم طلقها ثم قال لا والله لا آويك إلي ولا تحلين أبدا فأنزل الله تبارك وتعالى { الطلاق مرتان فإمساك بمعروف أو تسريح بإحسان } فاستقبل الناس الطلاق جديدا من يومئذ من كان طلق منهم أو لم يطلق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১৭
و حدثني عن مالك عن ثابت بن الأحنف أنه تزوج أم ولد لعبد الرحمن بن زيد بن الخطاب قال فدعاني عبد الله بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب فجئته فدخلت عليه فإذا سياط موضوعة وإذا قيدان من حديد وعبدان له قد أجلسهما فقال طلقها وإلا والذي يحلف به فعلت بك كذا وكذا قال فقلت هي الطلاق ألفا قال فخرجت من عنده فأدركت عبد الله بن عمر بطريق مكة فأخبرته بالذي كان من شأني فتغيظ عبد الله وقال ليس ذلك بطلاق وإنها لم تحرم عليك فارجع إلى أهلك قال فلم تقررني نفسي حتى أتيت عبد الله بن الزبير وهو يومئذ بمكة أمير عليها فأخبرته بالذي كان من شأني وبالذي قال لي عبد الله بن عمر قال فقال لي عبد الله بن الزبير لم تحرم عليك فارجع إلى أهلك وكتب إلى جابر بن الأسود الزهري وهو أمير المدينة يأمره أن يعاقب عبد الله بن عبد الرحمن وأن يخلي بيني وبين أهلي قال فقدمت المدينة فجهزت صفية امرأة عبد الله بن عمر امرأتي حتى أدخلتها علي بعلم عبد الله بن عمر ثم دعوت عبد الله بن عمر يوم عرسي لوليمتي فجاءني.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু যায়দ ইবনু খাত্তাব (রা)-এর উম্মে ওয়ালাদ-কে সাবিতুল আহ্নাফ (র) বিবাহ করলেন। সাবিত বলেন : আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু যায়দ ইবনু খাত্তাব (রা) আমাকে ডেকে পাঠালেন, আমি তার কাছে এলাম এবং তার সমীপে প্রবেশ করে দেখলাম, সেখানে কয়েকটি চাবুক ও দুইটি লৌহ শিকল (আর তার কাছে রয়েছে) উপবিষ্ট তার দুইজন ক্রীতদাস। তারপর আমাকে বললেন, তুমি স্ত্রীকে তালাক দাও, নতুবা আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে এইরূপ করব (অর্থাৎ চাবুক মারব ও শিকল পরাব)। সাবিত বললেন : (চাপ দেখে) আমি বললাম, এই স্ত্রীকে তালাক এক হাজার বার। তারপর সাবিত বলেন আমি তার নিকট হতে প্রস্থান করলাম। মক্কার পথে আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাত পেলাম, আমি তাকে আমার ব্যাপার অবহিত করলাম। (শুনে) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) রাগান্বিত হলেন এবং বললেন : ইহা (কোন) তালাক নয়, তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়নি। তুমি তোমার স্ত্রী গ্রহণ কর, আমার মনে (কিন্তু) শান্তি এল না। তাই আমি আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি ছিলেন তখন মক্কার শাসনকর্তা। আমি তাকে বিষয়টি অবহিত করলাম এবং আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যা বলেছেন তাও জানালাম (ঘটনা শুনে) আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) আমাকে বললেন : তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়নি, তুমি তার দিকে রুজূ’ কর। তিনি জাবির ইবনু আসওয়াদ যুহরী তৎকালীন মদীনার গভর্নরকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু আবদুর রহমানকে শাস্তি দাও এবং সাবিতের স্ত্রীর সাথে তার মিলনের পথে বাধা অপসারিত কর। সাবিত বলেন : তখন আমি মদীনাতে যাই। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পত্নী সফিয়্যা তাঁর স্বামীর জ্ঞাতসারে আমার স্ত্রীকে সজ্জিত করে আমার নিকট প্রেরণ করলেন। অতঃপর আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে ওয়ালীমার যিয়াফতে আমন্ত্রণ জানালাম। তিনি তা গ্রহণ করেন এবং ওয়ালীমায় যোগদান করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু যায়দ ইবনু খাত্তাব (রা)-এর উম্মে ওয়ালাদ-কে সাবিতুল আহ্নাফ (র) বিবাহ করলেন। সাবিত বলেন : আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ইবনু যায়দ ইবনু খাত্তাব (রা) আমাকে ডেকে পাঠালেন, আমি তার কাছে এলাম এবং তার সমীপে প্রবেশ করে দেখলাম, সেখানে কয়েকটি চাবুক ও দুইটি লৌহ শিকল (আর তার কাছে রয়েছে) উপবিষ্ট তার দুইজন ক্রীতদাস। তারপর আমাকে বললেন, তুমি স্ত্রীকে তালাক দাও, নতুবা আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে এইরূপ করব (অর্থাৎ চাবুক মারব ও শিকল পরাব)। সাবিত বললেন : (চাপ দেখে) আমি বললাম, এই স্ত্রীকে তালাক এক হাজার বার। তারপর সাবিত বলেন আমি তার নিকট হতে প্রস্থান করলাম। মক্কার পথে আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা)-এর সাক্ষাত পেলাম, আমি তাকে আমার ব্যাপার অবহিত করলাম। (শুনে) ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) রাগান্বিত হলেন এবং বললেন : ইহা (কোন) তালাক নয়, তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়নি। তুমি তোমার স্ত্রী গ্রহণ কর, আমার মনে (কিন্তু) শান্তি এল না। তাই আমি আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা)-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি ছিলেন তখন মক্কার শাসনকর্তা। আমি তাকে বিষয়টি অবহিত করলাম এবং আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) যা বলেছেন তাও জানালাম (ঘটনা শুনে) আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র (রা) আমাকে বললেন : তোমার স্ত্রী তোমার জন্য হারাম হয়নি, তুমি তার দিকে রুজূ’ কর। তিনি জাবির ইবনু আসওয়াদ যুহরী তৎকালীন মদীনার গভর্নরকে নির্দেশ দিয়ে লিখলেন, আবদুল্লাহ্ ইবনু আবদুর রহমানকে শাস্তি দাও এবং সাবিতের স্ত্রীর সাথে তার মিলনের পথে বাধা অপসারিত কর। সাবিত বলেন : তখন আমি মদীনাতে যাই। অতঃপর আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-এর পত্নী সফিয়্যা তাঁর স্বামীর জ্ঞাতসারে আমার স্ত্রীকে সজ্জিত করে আমার নিকট প্রেরণ করলেন। অতঃপর আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে ওয়ালীমার যিয়াফতে আমন্ত্রণ জানালাম। তিনি তা গ্রহণ করেন এবং ওয়ালীমায় যোগদান করেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ثابت بن الأحنف أنه تزوج أم ولد لعبد الرحمن بن زيد بن الخطاب قال فدعاني عبد الله بن عبد الرحمن بن زيد بن الخطاب فجئته فدخلت عليه فإذا سياط موضوعة وإذا قيدان من حديد وعبدان له قد أجلسهما فقال طلقها وإلا والذي يحلف به فعلت بك كذا وكذا قال فقلت هي الطلاق ألفا قال فخرجت من عنده فأدركت عبد الله بن عمر بطريق مكة فأخبرته بالذي كان من شأني فتغيظ عبد الله وقال ليس ذلك بطلاق وإنها لم تحرم عليك فارجع إلى أهلك قال فلم تقررني نفسي حتى أتيت عبد الله بن الزبير وهو يومئذ بمكة أمير عليها فأخبرته بالذي كان من شأني وبالذي قال لي عبد الله بن عمر قال فقال لي عبد الله بن الزبير لم تحرم عليك فارجع إلى أهلك وكتب إلى جابر بن الأسود الزهري وهو أمير المدينة يأمره أن يعاقب عبد الله بن عبد الرحمن وأن يخلي بيني وبين أهلي قال فقدمت المدينة فجهزت صفية امرأة عبد الله بن عمر امرأتي حتى أدخلتها علي بعلم عبد الله بن عمر ثم دعوت عبد الله بن عمر يوم عرسي لوليمتي فجاءني.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২১
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا عن طلاق السكران فقالا إذا طلق السكران جاز طلاقه وإن قتل قتل به قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا. و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول إذا لم يجد الرجل ما ينفق على امرأته فرق بينهما قال مالك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তাদের উভয়কে নেশাগ্রস্থ (মাতাল) ব্যক্তির তালাক সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। উভয়ে উত্তর দিলেন, নেশাগ্রস্থ মাতাল ব্যক্তি তালাক দিলে তার তালাক বৈধ হবে। সে কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে (কিসাসস্বরূপ) তাকেও হত্যা করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই ফতোয়াই আমাদের নিকট গৃহীত বা সর্বাধিক সংগত। মালিক (র)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলতেন : স্ত্রীর খোরপোশ দিতে স্বামী অক্ষম হলে তাদের উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের শহরের আলিম সমাজকে আমি এই মাস‘আলার উপর (এইরূপ ফতোয়া দিতে ও আমল করতে) দেখেছি।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তাদের উভয়কে নেশাগ্রস্থ (মাতাল) ব্যক্তির তালাক সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়। উভয়ে উত্তর দিলেন, নেশাগ্রস্থ মাতাল ব্যক্তি তালাক দিলে তার তালাক বৈধ হবে। সে কোন ব্যক্তিকে হত্যা করলে (কিসাসস্বরূপ) তাকেও হত্যা করা হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, এই ফতোয়াই আমাদের নিকট গৃহীত বা সর্বাধিক সংগত। মালিক (র)-এর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলতেন : স্ত্রীর খোরপোশ দিতে স্বামী অক্ষম হলে তাদের উভয়কে পৃথক করে দেয়া হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, আমাদের শহরের আলিম সমাজকে আমি এই মাস‘আলার উপর (এইরূপ ফতোয়া দিতে ও আমল করতে) দেখেছি।
و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب وسليمان بن يسار سئلا عن طلاق السكران فقالا إذا طلق السكران جاز طلاقه وإن قتل قتل به قال مالك وعلى ذلك الأمر عندنا. و حدثني عن مالك أنه بلغه أن سعيد بن المسيب كان يقول إذا لم يجد الرجل ما ينفق على امرأته فرق بينهما قال مالك وعلى ذلك أدركت أهل العلم ببلدنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > স্বামীর মৃত্যু হয়েছে, স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা তার ইদ্দতের বিবরণ
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২২
حدثني يحيى عن مالك عن عبد ربه بن سعيد بن قيس عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه قال سئل عبد الله بن عباس وأبو هريرة عن المرأة الحامل يتوفى عنها زوجها فقال ابن عباس آخر الأجلين وقال أبو هريرة إذا ولدت فقد حلت فدخل أبو سلمة بن عبد الرحمن على أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فسألها عن ذلك فقالت أم سلمة ولدت سبيعة الأسلمية بعد وفاة زوجها بنصف شهر فخطبها رجلان أحدهما شاب والآخر كهل فحطت إلى الشاب فقال الشيخ لم تحلي بعد وكان أهلها غيبا ورجا إذا جاء أهلها أن يؤثروه بها فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد حللت فانكحي من شئت.
আবূ সালমা ইবনু ‘আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস ও আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন স্ত্রীলোক সম্বন্ধে, যে অন্তঃসত্ত্বা ও তার স্বামী ইন্তিকাল করেছে। ইবনু আব্বাস (রা) উত্তরে বললেন : চার মাস দশ দিন এবং সন্তান প্রসব করা। নির্ধারিত এতদুভয় সময়ের মধ্যে যে সময় দীর্ঘ সে সময় ইদ্দতের সময় বলে বিবেচিত হবে। আবূ হুরায়রা (রা) বললেন : সন্তান প্রসব করলে সে অন্যের জন্য হালাল হবে। অতঃপর সালমা ইবনু ‘আবদির রহমান নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর সমীপে উপস্থিত হলেন এবং তার নিকট এই ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন। উম্মে সালমা (রা) বললেন : সুবাইয়া [১] আসলামিয়া (রা) তার স্বামীর ওফাতের অর্ধমাস পর সন্তান প্রসব করলেন। এর পর দুই ব্যক্তি তাকে বিবাহ করার প্রস্তাব প্রেরণ করলেন। তাদের একজন যুবক ও অপর জন হচ্ছে আধাবয়সী, তিনি যুবকের (প্রস্তাবের) দিকে ঝুকে পড়লেন। অধাবয়সী (প্রস্তাবকারী) বললেন : তুমি এখন হালাল হওনি। সুবাইয়ার পরিজন ছিল অনুপস্থিত। তাই তিনি আশা করলেন যে, তারা এলে সুবাইয়া (এর বিবাহ) সম্পর্কে তারা আধা বয়সী প্রস্তাবকারীকে অগ্রাধিকার দিবেন। সুবাইয়া রসূলুল্লাহ্ (সা)-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তার ব্যাপার উল্লেখ করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন : তুমি হালাল হয়ে গিয়েছ, যাকে ইচ্ছা তুমি বিবাহ করতে পার। (সহীহ, নাসাঈ ৩৫০৯, ৩৫১০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আসসিল সিলাহ আস সহীহা ৩২৭৪])
আবূ সালমা ইবনু ‘আবদির রহমান (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস ও আবূ হুরায়রা (রা)-কে প্রশ্ন করা হল এমন স্ত্রীলোক সম্বন্ধে, যে অন্তঃসত্ত্বা ও তার স্বামী ইন্তিকাল করেছে। ইবনু আব্বাস (রা) উত্তরে বললেন : চার মাস দশ দিন এবং সন্তান প্রসব করা। নির্ধারিত এতদুভয় সময়ের মধ্যে যে সময় দীর্ঘ সে সময় ইদ্দতের সময় বলে বিবেচিত হবে। আবূ হুরায়রা (রা) বললেন : সন্তান প্রসব করলে সে অন্যের জন্য হালাল হবে। অতঃপর সালমা ইবনু ‘আবদির রহমান নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর সমীপে উপস্থিত হলেন এবং তার নিকট এই ব্যাপারে প্রশ্ন করলেন। উম্মে সালমা (রা) বললেন : সুবাইয়া [১] আসলামিয়া (রা) তার স্বামীর ওফাতের অর্ধমাস পর সন্তান প্রসব করলেন। এর পর দুই ব্যক্তি তাকে বিবাহ করার প্রস্তাব প্রেরণ করলেন। তাদের একজন যুবক ও অপর জন হচ্ছে আধাবয়সী, তিনি যুবকের (প্রস্তাবের) দিকে ঝুকে পড়লেন। অধাবয়সী (প্রস্তাবকারী) বললেন : তুমি এখন হালাল হওনি। সুবাইয়ার পরিজন ছিল অনুপস্থিত। তাই তিনি আশা করলেন যে, তারা এলে সুবাইয়া (এর বিবাহ) সম্পর্কে তারা আধা বয়সী প্রস্তাবকারীকে অগ্রাধিকার দিবেন। সুবাইয়া রসূলুল্লাহ্ (সা)-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট তার ব্যাপার উল্লেখ করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন : তুমি হালাল হয়ে গিয়েছ, যাকে ইচ্ছা তুমি বিবাহ করতে পার। (সহীহ, নাসাঈ ৩৫০৯, ৩৫১০, আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন [আসসিল সিলাহ আস সহীহা ৩২৭৪])
حدثني يحيى عن مالك عن عبد ربه بن سعيد بن قيس عن أبي سلمة بن عبد الرحمن أنه قال سئل عبد الله بن عباس وأبو هريرة عن المرأة الحامل يتوفى عنها زوجها فقال ابن عباس آخر الأجلين وقال أبو هريرة إذا ولدت فقد حلت فدخل أبو سلمة بن عبد الرحمن على أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فسألها عن ذلك فقالت أم سلمة ولدت سبيعة الأسلمية بعد وفاة زوجها بنصف شهر فخطبها رجلان أحدهما شاب والآخر كهل فحطت إلى الشاب فقال الشيخ لم تحلي بعد وكان أهلها غيبا ورجا إذا جاء أهلها أن يؤثروه بها فجاءت رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد حللت فانكحي من شئت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৩
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه سئل عن المرأة يتوفى عنها زوجها وهي حامل فقال عبد الله بن عمر إذا وضعت حملها فقد حلت فأخبره رجل من الأنصار كان عنده أن عمر بن الخطاب قال لو وضعت وزوجها على سريره لم يدفن بعد لحلت.
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সম্পর্কে, যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন : সন্তান প্রসব করলে সে হালাল হয়ে যাবে। তার নিকট উপস্থিত জনৈক আনসারী তাকে খবর দিলেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : যদি সে প্রসব করে (অথচ) তার স্বামী এখনও খাটে, তাকে এখনও দাফন করা হয়নি, তবু সে হালাল হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা)-কে প্রশ্ন করা হল অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সম্পর্কে, যার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) বললেন : সন্তান প্রসব করলে সে হালাল হয়ে যাবে। তার নিকট উপস্থিত জনৈক আনসারী তাকে খবর দিলেন যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : যদি সে প্রসব করে (অথচ) তার স্বামী এখনও খাটে, তাকে এখনও দাফন করা হয়নি, তবু সে হালাল হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه سئل عن المرأة يتوفى عنها زوجها وهي حامل فقال عبد الله بن عمر إذا وضعت حملها فقد حلت فأخبره رجل من الأنصار كان عنده أن عمر بن الخطاب قال لو وضعت وزوجها على سريره لم يدفن بعد لحلت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৪
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن المسور بن مخرمة أنه أخبره أن سبيعة الأسلمية نفست بعد وفاة زوجها بليال فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم قد حللت فانكحي من شئت.
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রা) তার নিকট বলেছেন : সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্র পর সন্তান প্রসব করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন : তুমি হালাল হয়ে গিয়েছে, এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার। (সহীহ, বুখারী ৫৩২০)
হিশাম ইবনু উরওয়া (র) থেকে বর্নিতঃ
মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রা) তার নিকট বলেছেন : সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্র পর সন্তান প্রসব করলেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন : তুমি হালাল হয়ে গিয়েছে, এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার। (সহীহ, বুখারী ৫৩২০)
و حدثني عن مالك عن هشام بن عروة عن أبيه عن المسور بن مخرمة أنه أخبره أن سبيعة الأسلمية نفست بعد وفاة زوجها بليال فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم قد حللت فانكحي من شئت.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২২৫
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عبد الله بن عباس وأبا سلمة بن عبد الرحمن بن عوف اختلفا في المرأة تنفس بعد وفاة زوجها بليال فقال أبو سلمة إذا وضعت ما في بطنها فقد حلت للأزواج وقال ابن عباس آخر الأجلين فجاء أبو هريرة فقال أنا مع ابن أخي يعني أبا سلمة فبعثوا كريبا مولى عبد الله بن عباس إلى أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم يسألها عن ذلك فجاءهم فأخبرهم أنها قالت: ولدت سبيعة الأسلمية بعد وفاة زوجها بليال فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد حللت فانكحي من شئت قال مالك وهذا الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم عندنا.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস এবং আবূ সালমা ইবনু আবদির রহমান ইবনু আউফ (র) তারা উভয়ে মতানৈক্য করলেন সেই স্ত্রী সম্পর্কে, যে স্ত্রী স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্রি পর সন্তান প্রসব করেছে। আবূ সালমা (র) বললেন : তার পেটে যা রয়েছে (অর্থাৎ সন্তান) যখন তা প্রসব করল তখন সে হালাল হয়ে গেল। ইবনু আব্বাস (রা) বললেন : দুই নির্দিষ্ট সময় (চার মাস দশ দিন ও সন্তান প্রসব)-এর সর্বশেষ সময়ই তার হালাল হওয়ায় সীমা। (ইতিমধ্যে) আবূ হুরায়রা (রা) এলেন ও বললেন : আমি আমার ভাতিজা অর্থাৎ আবূ সালমা আবদির রহমানের সাথে একমত। তারপর তারা সকলে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস কর্তৃক আযাদ ক্রীতদাস কুরাইব (র)-কে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য প্রেরণ করলেন। তিনি (প্রশ্ন উত্তর নিয়ে) তাদের কাছে ফিরে এলেন এবং তাদের জানালেন যে, তিনি (উম্মে সালমা) (রা) বলেছেন : সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্রি পর সন্তান প্রসব করলেন এবং এই ব্যাপার রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তুমি হালাল হয়েছ, এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার। (সহীহ, মুসলিম ১৪৮৫) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে মাস’আলা অনুরূপ, যার উপর আমাদের শহরের (মদীনার) উলামাগণ এই মতের উপরই রয়েছেন।
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ্ ইবনু আব্বাস এবং আবূ সালমা ইবনু আবদির রহমান ইবনু আউফ (র) তারা উভয়ে মতানৈক্য করলেন সেই স্ত্রী সম্পর্কে, যে স্ত্রী স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্রি পর সন্তান প্রসব করেছে। আবূ সালমা (র) বললেন : তার পেটে যা রয়েছে (অর্থাৎ সন্তান) যখন তা প্রসব করল তখন সে হালাল হয়ে গেল। ইবনু আব্বাস (রা) বললেন : দুই নির্দিষ্ট সময় (চার মাস দশ দিন ও সন্তান প্রসব)-এর সর্বশেষ সময়ই তার হালাল হওয়ায় সীমা। (ইতিমধ্যে) আবূ হুরায়রা (রা) এলেন ও বললেন : আমি আমার ভাতিজা অর্থাৎ আবূ সালমা আবদির রহমানের সাথে একমত। তারপর তারা সকলে আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস কর্তৃক আযাদ ক্রীতদাস কুরাইব (র)-কে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-কে এই বিষয়ে প্রশ্ন করার জন্য প্রেরণ করলেন। তিনি (প্রশ্ন উত্তর নিয়ে) তাদের কাছে ফিরে এলেন এবং তাদের জানালেন যে, তিনি (উম্মে সালমা) (রা) বলেছেন : সুবাইয়া আসলামিয়া তার স্বামীর ওফাতের কয়েক রাত্রি পর সন্তান প্রসব করলেন এবং এই ব্যাপার রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালে। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন : তুমি হালাল হয়েছ, এখন যাকে ইচ্ছা বিবাহ করতে পার। (সহীহ, মুসলিম ১৪৮৫) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে মাস’আলা অনুরূপ, যার উপর আমাদের শহরের (মদীনার) উলামাগণ এই মতের উপরই রয়েছেন।
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سليمان بن يسار أن عبد الله بن عباس وأبا سلمة بن عبد الرحمن بن عوف اختلفا في المرأة تنفس بعد وفاة زوجها بليال فقال أبو سلمة إذا وضعت ما في بطنها فقد حلت للأزواج وقال ابن عباس آخر الأجلين فجاء أبو هريرة فقال أنا مع ابن أخي يعني أبا سلمة فبعثوا كريبا مولى عبد الله بن عباس إلى أم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم يسألها عن ذلك فجاءهم فأخبرهم أنها قالت: ولدت سبيعة الأسلمية بعد وفاة زوجها بليال فذكرت ذلك لرسول الله صلى الله عليه وسلم فقال قد حللت فانكحي من شئت قال مالك وهذا الأمر الذي لم يزل عليه أهل العلم عندنا.