মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাকের ইদ্দত সম্পর্কীয় বিবিধ বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৯

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد وعن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي عن سعيد بن المسيب أنه قال قال عمر بن الخطاب، أيما امرأة طلقت فحاضت حيضة أو حيضتين ثم رفعتها حيضتها فإنها تنتظر تسعة أشهر فإن بان بها حمل فذلك وإلا اعتدت بعد التسعة أشهر ثلاثة أشهر ثم حلت. و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول الطلاق للرجال والعدة للنساء.

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) থেকে বর্নিতঃ

যেই স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে তারপর হায়য (মাসিক ঋতু) এসেছে এক হায়য বা দুই হায়য, অতঃপর তার ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেই স্ত্রী নয় মাস যাবত অপেক্ষা করবে (ইতিমধ্যে) গর্ভ প্রকাশ পেলে, তবে সন্তান প্রসব দ্বারা ইদ্দত পালন করবে, নতুবা নয় মাসের পর তিন মাস ইদ্দত পালন করবে, তারপর সে অন্যের জন্য হালাল হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) হতে বর্ণিত : সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলতেন, পুরুষের জন্য হল তালাকের অধিকার আর স্ত্রীদের জন্য হল ইদ্দত। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) থেকে বর্নিতঃ

যেই স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে তারপর হায়য (মাসিক ঋতু) এসেছে এক হায়য বা দুই হায়য, অতঃপর তার ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেই স্ত্রী নয় মাস যাবত অপেক্ষা করবে (ইতিমধ্যে) গর্ভ প্রকাশ পেলে, তবে সন্তান প্রসব দ্বারা ইদ্দত পালন করবে, নতুবা নয় মাসের পর তিন মাস ইদ্দত পালন করবে, তারপর সে অন্যের জন্য হালাল হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) হতে বর্ণিত : সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলতেন, পুরুষের জন্য হল তালাকের অধিকার আর স্ত্রীদের জন্য হল ইদ্দত। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد وعن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي عن سعيد بن المسيب أنه قال قال عمر بن الخطاب، أيما امرأة طلقت فحاضت حيضة أو حيضتين ثم رفعتها حيضتها فإنها تنتظر تسعة أشهر فإن بان بها حمل فذلك وإلا اعتدت بعد التسعة أشهر ثلاثة أشهر ثم حلت. و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول الطلاق للرجال والعدة للنساء.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১০

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال: عدة المستحاضة سنة قال مالك الأمر عندنا في المطلقة التي ترفعها حيضتها حين يطلقها زوجها أنها تنتظر تسعة أشهر فإن لم تحض فيهن اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت قبل أن تستكمل الأشهر الثلاثة استقبلت الحيض وإن مرت بها تسعة أشهر قبل أن تحيض اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت الثانية قبل أن تستكمل الأشهر الثلاثة استقبلت الحيض فإن مرت بها تسعة أشهر قبل أن تحيض اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت الثالثة كانت قد استكملت عدة الحيض فإن لم تحض استقبلت ثلاثة أشهر ثم حلت ولزوجها عليها في ذلك الرجعة قبل أن تحل إلا أن يكون قد بت طلاقها. ২১৬৬-قال مالك السنة عندنا أن الرجل إذا طلق امرأته وله عليها رجعة فاعتدت بعض عدتها ثم ارتجعها ثم فارقها قبل أن يمسها أنها لا تبني على ما مضى من عدتها وأنها تستأنف من يوم طلقها عدة مستقبلة وقد ظلم زوجها نفسه وأخطأ إن كان ارتجعها ولا حاجة له بها. ২১৬৭-قال مالك والأمر عندنا أن المرأة إذا أسلمت وزوجها كافر ثم أسلم فهو أحق بها ما دامت في عدتها فإن انقضت عدتها فلا سبيل له عليها وإن تزوجها بعد انقضاء عدتها لم يعد ذلك طلاقا وإنما فسخها منه الإسلام بغير طلاق.

সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

মুসতাহাজা (রোগের কারণে যার অনিয়মিত স্রাব হয়) ঐ নারীর ইদ্দত হচ্ছে এক বৎসর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোক সম্পর্কে আমাদের মাস’আলা হল, এই তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর যেই স্ত্রীলোকের রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, সে নয় মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এই নয় মাসের মধ্যে ঋতুস্রাব না হলে তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তিন মাস পূর্ণ করার পূর্বে যদি ঋতুস্রাব হয় তবে পুনরায় হায়য-এর ইদ্দত পালন শুরু করবে। কিন্তু যদি হায়য আসার পূর্বে নয় মাস পূর্ণ হয়ে যায় তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তৃতীয় মাসে উপনীত হয়েছে এমন অবস্থায় যদি ঋতুস্রাব হয় তবে সে ইদ্দতের সময় পূর্ণ করেছে। অন্য পক্ষে যদি তার ঋতুস্রাব না হয় তবে তিনমাস ইদ্দত পূর্ণ করবে। তারপর অন্য স্বামীর রুজূ করার অধিকার থাকবে, কিন্তু যদি সে বায়েন তালাক দিয়ে থাকে তবে আর রুজূ করতে পারবে না। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট সুন্নাত (নিয়ম হল) এই যে, যদি কোন কোন লোক তার স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার (রুজূ’ করা) ইখতিয়ারও তার থাকে, এমতাবস্থায় স্ত্রী কিছু ইদ্দত পালন করেছে। অতঃপর স্বামী তার প্রতি রুজূ’ করেছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে পুনরায় তালাক দিয়েছে। তবে সেই স্ত্রী ইদ্দতের যা অতীত হয়েছে উহার উপর ভিত্তি করবে না বরং সে তাকে (দ্বিতীয়বার) তালাক দেওয়ার দিন হতে নূতনভাবে ইদ্দত পালন করবে, তার স্বামী এইরূপ করে নিজের ক্ষতি করেছে এবং তার আবশ্যক না থাকলে স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করে সে ভুল করেছেন। মালিক (র) বলেন : স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে তার স্বামী (তখনও) কাফের। তারপর স্বামীও ইসলাম গ্রহণ করল, তবে আমাদের নিকট ফয়সালা হচ্ছে এই : ইদ্দতে থাকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তার স্বামী তার হকদার হবে, আর যদি ইদ্দত শেষ হয়ে যায় তবে তার জন্য স্ত্রীকে পাওয়ার কোন পথ নেই। আর যদি ইদ্দত সমাপ্তির পর তাকে বিবাহ করে তবে পূর্বে প্রদত্ত তালাক তালাক বলে গণ্য হবে না। এই ঘটনায় স্ত্রীকে বিচ্ছেদ করিয়েছে ইসলাম গ্রহণ, তালাক নয়।

সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

মুসতাহাজা (রোগের কারণে যার অনিয়মিত স্রাব হয়) ঐ নারীর ইদ্দত হচ্ছে এক বৎসর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোক সম্পর্কে আমাদের মাস’আলা হল, এই তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর যেই স্ত্রীলোকের রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, সে নয় মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এই নয় মাসের মধ্যে ঋতুস্রাব না হলে তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তিন মাস পূর্ণ করার পূর্বে যদি ঋতুস্রাব হয় তবে পুনরায় হায়য-এর ইদ্দত পালন শুরু করবে। কিন্তু যদি হায়য আসার পূর্বে নয় মাস পূর্ণ হয়ে যায় তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তৃতীয় মাসে উপনীত হয়েছে এমন অবস্থায় যদি ঋতুস্রাব হয় তবে সে ইদ্দতের সময় পূর্ণ করেছে। অন্য পক্ষে যদি তার ঋতুস্রাব না হয় তবে তিনমাস ইদ্দত পূর্ণ করবে। তারপর অন্য স্বামীর রুজূ করার অধিকার থাকবে, কিন্তু যদি সে বায়েন তালাক দিয়ে থাকে তবে আর রুজূ করতে পারবে না। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট সুন্নাত (নিয়ম হল) এই যে, যদি কোন কোন লোক তার স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার (রুজূ’ করা) ইখতিয়ারও তার থাকে, এমতাবস্থায় স্ত্রী কিছু ইদ্দত পালন করেছে। অতঃপর স্বামী তার প্রতি রুজূ’ করেছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে পুনরায় তালাক দিয়েছে। তবে সেই স্ত্রী ইদ্দতের যা অতীত হয়েছে উহার উপর ভিত্তি করবে না বরং সে তাকে (দ্বিতীয়বার) তালাক দেওয়ার দিন হতে নূতনভাবে ইদ্দত পালন করবে, তার স্বামী এইরূপ করে নিজের ক্ষতি করেছে এবং তার আবশ্যক না থাকলে স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করে সে ভুল করেছেন। মালিক (র) বলেন : স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে তার স্বামী (তখনও) কাফের। তারপর স্বামীও ইসলাম গ্রহণ করল, তবে আমাদের নিকট ফয়সালা হচ্ছে এই : ইদ্দতে থাকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তার স্বামী তার হকদার হবে, আর যদি ইদ্দত শেষ হয়ে যায় তবে তার জন্য স্ত্রীকে পাওয়ার কোন পথ নেই। আর যদি ইদ্দত সমাপ্তির পর তাকে বিবাহ করে তবে পূর্বে প্রদত্ত তালাক তালাক বলে গণ্য হবে না। এই ঘটনায় স্ত্রীকে বিচ্ছেদ করিয়েছে ইসলাম গ্রহণ, তালাক নয়।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال: عدة المستحاضة سنة قال مالك الأمر عندنا في المطلقة التي ترفعها حيضتها حين يطلقها زوجها أنها تنتظر تسعة أشهر فإن لم تحض فيهن اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت قبل أن تستكمل الأشهر الثلاثة استقبلت الحيض وإن مرت بها تسعة أشهر قبل أن تحيض اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت الثانية قبل أن تستكمل الأشهر الثلاثة استقبلت الحيض فإن مرت بها تسعة أشهر قبل أن تحيض اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت الثالثة كانت قد استكملت عدة الحيض فإن لم تحض استقبلت ثلاثة أشهر ثم حلت ولزوجها عليها في ذلك الرجعة قبل أن تحل إلا أن يكون قد بت طلاقها. ২১৬৬-قال مالك السنة عندنا أن الرجل إذا طلق امرأته وله عليها رجعة فاعتدت بعض عدتها ثم ارتجعها ثم فارقها قبل أن يمسها أنها لا تبني على ما مضى من عدتها وأنها تستأنف من يوم طلقها عدة مستقبلة وقد ظلم زوجها نفسه وأخطأ إن كان ارتجعها ولا حاجة له بها. ২১৬৭-قال مالك والأمر عندنا أن المرأة إذا أسلمت وزوجها كافر ثم أسلم فهو أحق بها ما دامت في عدتها فإن انقضت عدتها فلا سبيل له عليها وإن تزوجها بعد انقضاء عدتها لم يعد ذلك طلاقا وإنما فسخها منه الإسلام بغير طلاق.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পঞ্চায়েত বা সালিসের ব্যক্তিদ্বয়

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১১

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب قال في الحكمين اللذين قال الله تعالى { وإن خفتم شقاق بينهما فابعثوا حكما من أهله وحكما من أهلها إن يريدا إصلاحا يوفق الله بينهما إن الله كان عليما خبيرا }إن إليهما الفرقة بينهما والاجتماع قال مالك وذلك أحسن ما سمعت من أهل العلم أن الحكمين يجوز قولهما بين الرجل وامرأته في الفرقة والاجتماع.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালীব (রা) হাকামান (সালিসের ব্যক্তিদ্বয়) সম্পর্কে বলেছেন (যাদের বিষয়ে) আল্লাহ তা’আলা বলেছেন وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلَاحًا يُوَفِّقْ اللهُ بَيْنَهُمَا إِنَّ اللهَ كَان عَلِيمًا خَبِيْرًا. অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে তোমরা যদি বিবাদের আশংকা কর তবে স্বামীর পরিজন হতে একজন এবং স্ত্রীর পরিজন হতে একজন হাকাম (ফয়সালাকারী, বিবাদ মীমাংসাকারী) প্রেরণ কর যদি তারা উভয়ে মীমাংসার ইচ্ছা করেন। আল্লাহ তাদের তওফীক দান করবেন, আল্লাহ নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত। অর্থাৎ তাদের হাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের বিচ্ছেদ ও মিলন এই দুইয়ের সুযোগ রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সালিসের ব্যক্তিদ্বয়ের ফয়সালা স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও মিলনের ব্যাপারে প্রযোজ্য হবে, এটাই সর্বোত্তম যা আমি আলিম ব্যক্তিদের নিকট শুনেছি।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালীব (রা) হাকামান (সালিসের ব্যক্তিদ্বয়) সম্পর্কে বলেছেন (যাদের বিষয়ে) আল্লাহ তা’আলা বলেছেন وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلَاحًا يُوَفِّقْ اللهُ بَيْنَهُمَا إِنَّ اللهَ كَان عَلِيمًا خَبِيْرًا. অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে তোমরা যদি বিবাদের আশংকা কর তবে স্বামীর পরিজন হতে একজন এবং স্ত্রীর পরিজন হতে একজন হাকাম (ফয়সালাকারী, বিবাদ মীমাংসাকারী) প্রেরণ কর যদি তারা উভয়ে মীমাংসার ইচ্ছা করেন। আল্লাহ তাদের তওফীক দান করবেন, আল্লাহ নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত। অর্থাৎ তাদের হাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের বিচ্ছেদ ও মিলন এই দুইয়ের সুযোগ রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সালিসের ব্যক্তিদ্বয়ের ফয়সালা স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও মিলনের ব্যাপারে প্রযোজ্য হবে, এটাই সর্বোত্তম যা আমি আলিম ব্যক্তিদের নিকট শুনেছি।

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب قال في الحكمين اللذين قال الله تعالى { وإن خفتم شقاق بينهما فابعثوا حكما من أهله وحكما من أهلها إن يريدا إصلاحا يوفق الله بينهما إن الله كان عليما خبيرا }إن إليهما الفرقة بينهما والاجتماع قال مالك وذلك أحسن ما سمعت من أهل العلم أن الحكمين يجوز قولهما بين الرجل وامرأته في الفرقة والاجتماع.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যাকে বিবাহ করা হয়নি তাকে তালাক দেয়ার কসম খাওয়া সম্পর্কে বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১২

و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب وعبد الله بن عمر وعبد الله بن مسعود وسالم بن عبد الله والقاسم بن محمد وابن شهاب وسليمان بن يسار كانوا يقولون إذا حلف الرجل بطلاق المرأة قبل أن ينكحها ثم أثم إن ذلك لازم له إذا نكحه ৭৯و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول فيمن قال كل امرأة أنكحها فهي طالق إنه إذا لم يسم قبيلة أو امرأة بعينها فلا شيء عليه قال مالك وهذا أحسن ما سمعت اااا. ২১৭৩-قال مالك في الرجل يقول لامرأته أنت الطلاق وكل امرأة أنكحها فهي طالق وماله صدقة إن لم يفعل كذا وكذا فحنث. قال أما نساؤه فطلاق كما قال وأما قوله كل امرأة أنكحها فهي طالق فإنه إذا لم يسم امرأة بعينها أو قبيلة أو أرضا أو نحو هذا فليس يلزمه ذلك وليتزوج ما شاء وأما ماله فليتصدق بثلثه اااا.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রা), সালিম ইবনু আবদিল্লাহ্ (র), কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) ইবনু শিহাব (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তারা সকলেই বলতেন : কোন লোক বিবাহের পূর্বে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার কসম খেলে তারপর কসম ভাঙ্গলেও বিবাহ করার পর তালাক অবশ্যম্ভাবী হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রা) বলতেন, যে ব্যক্তি বলেছে : যে কোন নারীকে আমি বিবাহ করি সে তালাকপ্রাপ্তা হবে, যদি সে কোন গোত্রকে নির্দিষ্ট না করে অথবা কোন নারীকে নির্দিষ্ট না করে তবে তার উপর জরুরী হবে না। মালিক (র) বলেন, এটাই উত্তম যা আমি শুনেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে বলল, তোমাকে তালাক এবং যে কোন নারীকে বিবাহ করি তাকেও তালাক এবং আমার মাল সব (আল্লাহর রাস্তায়) সদকাস্বরূপ। যদি আমি অমুক অমুক কাজ না করি। পরে কসম ভেঙ্গেছে (এবং সেই সেই কাজও করেনি)। তিনি [মালিক (র)] বলেন : সে ব্যক্তির স্ত্রী তালাক হয়ে যাইবে যেমন সে বলেছে, আর তার উক্তি : যে কোন নারীকে আমি বিবাহ করি উহার প্রতি তালাক, ইহার বিধান সে যদি কোন নারীকে অথবা গোত্রকে অথবা কোন স্থানকে অথবা এরূপ অন্য কিছুকে নির্দিষ্ট না করে থাকে তবে এইরূপ কসমের দ্বারা তার উপর কিছুই বাধ্যতামূলক হবে না, যত ইচ্ছা সে বিবাহ করতে পারবে। আর তার মালের এক তৃতীয়াংশ সদকা করে দিতে হবে।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার কাছে রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রা), সালিম ইবনু আবদিল্লাহ্ (র), কাসিম ইবনু মুহাম্মদ (র) ইবনু শিহাব (র) এবং সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) তারা সকলেই বলতেন : কোন লোক বিবাহের পূর্বে স্ত্রীকে তালাক দেয়ার কসম খেলে তারপর কসম ভাঙ্গলেও বিবাহ করার পর তালাক অবশ্যম্ভাবী হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসঊদ (রা) বলতেন, যে ব্যক্তি বলেছে : যে কোন নারীকে আমি বিবাহ করি সে তালাকপ্রাপ্তা হবে, যদি সে কোন গোত্রকে নির্দিষ্ট না করে অথবা কোন নারীকে নির্দিষ্ট না করে তবে তার উপর জরুরী হবে না। মালিক (র) বলেন, এটাই উত্তম যা আমি শুনেছি। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তি নিজের স্ত্রীকে বলল, তোমাকে তালাক এবং যে কোন নারীকে বিবাহ করি তাকেও তালাক এবং আমার মাল সব (আল্লাহর রাস্তায়) সদকাস্বরূপ। যদি আমি অমুক অমুক কাজ না করি। পরে কসম ভেঙ্গেছে (এবং সেই সেই কাজও করেনি)। তিনি [মালিক (র)] বলেন : সে ব্যক্তির স্ত্রী তালাক হয়ে যাইবে যেমন সে বলেছে, আর তার উক্তি : যে কোন নারীকে আমি বিবাহ করি উহার প্রতি তালাক, ইহার বিধান সে যদি কোন নারীকে অথবা গোত্রকে অথবা কোন স্থানকে অথবা এরূপ অন্য কিছুকে নির্দিষ্ট না করে থাকে তবে এইরূপ কসমের দ্বারা তার উপর কিছুই বাধ্যতামূলক হবে না, যত ইচ্ছা সে বিবাহ করতে পারবে। আর তার মালের এক তৃতীয়াংশ সদকা করে দিতে হবে।

و حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عمر بن الخطاب وعبد الله بن عمر وعبد الله بن مسعود وسالم بن عبد الله والقاسم بن محمد وابن شهاب وسليمان بن يسار كانوا يقولون إذا حلف الرجل بطلاق المرأة قبل أن ينكحها ثم أثم إن ذلك لازم له إذا نكحه ৭৯و حدثني عن مالك أنه بلغه أن عبد الله بن مسعود كان يقول فيمن قال كل امرأة أنكحها فهي طالق إنه إذا لم يسم قبيلة أو امرأة بعينها فلا شيء عليه قال مالك وهذا أحسن ما سمعت اااا. ২১৭৩-قال مالك في الرجل يقول لامرأته أنت الطلاق وكل امرأة أنكحها فهي طالق وماله صدقة إن لم يفعل كذا وكذا فحنث. قال أما نساؤه فطلاق كما قال وأما قوله كل امرأة أنكحها فهي طالق فإنه إذا لم يسم امرأة بعينها أو قبيلة أو أرضا أو نحو هذا فليس يلزمه ذلك وليتزوج ما شاء وأما ماله فليتصدق بثلثه اااا.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাকপ্রাপ্তা বাদীর ইদ্দতের বর্ণনা ও বিধান

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৮

قال مالك الأمر عندنا في طلاق العبد الأمة إذا طلقها وهي أمة ثم عتقت بعد فعدتها عدة الأمة لا يغير عدتها عتقها كانت له عليها رجعة أو لم تكن له عليها رجعة لا تنتقل عدتها قال مالك ومثل ذلك الحد يقع على العبد ثم يعتق بعد أن يقع عليه الحد فإنما حده حد عبد. ২১৫৯قال مالك والحر يطلق الأمة ثلاثا وتعتد بحيضتين والعبد يطلق الحرة تطليقتين وتعتد ثلاثة قروء، ২১৬قال مالك في الرجل تكون تحته الأمة ثم يبتاعها، فيعتقها إنها تعتد عدة الأمة حيضتين ما لم يصبها فإن أصابها بعد ملكه إياها قبل عتاقها لم يكن عليها إلا الاستبراء بحيضة.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ক্রীতদাস তার ক্রীতদাসী স্ত্রীকে ক্রীতদাসী থাক অবস্থায় তালাক দিল। তারপর স্ত্রী মুক্তিলাভ করল। এমতাবস্থায় আমাদের মতে তার ইদ্দত হবে ক্রীতদাসীর ইদ্দত। মুক্তিলাভ তার ইদ্দতে কোন পরিবর্তন আনবে না। তাঁর স্বামী তার দিকে প্রত্যাবর্তন করার অধিকার থাকুক আর না থাকুক কোন অবস্থাতেই ইদ্দত পরিবর্তিত হবে না। মালিক (র) বলেন : (ইসলামী বিধান মুতাবিক অপরাধের শাস্তি)-এর ব্যাপারও অনুরূপ। ক্রীতদাসের উপর হদ এর শাস্তি নির্ধারণ করা হল। অতঃপর তাকে মুক্তি দেয়া হল। তার ক্ষেত্রেও হদ ক্রীতদাসের মতোই হবে। মালিক (র) বলেন : আযাদ ব্যক্তি ক্রীতদাসীকে তিন তালাক দিতে পারবে। সে দুই হায়য (মাসিক ঋতু) ইদ্দত পালন করবে আর ক্রীতদাস আযাদ রমনীকে দুই তালাক দিতে পারবে, সে ইদ্দত পালন করবে তিন কুরূ। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তির স্ত্রী ক্রীতদাসী, অতঃপর উহাকে সে ক্রয় করল এবং আযাদ করে দিল, সেও ক্রীতদাসীর মতো দুই হায়য ইদ্দত পালন করবে যাবৎ তার সাথে সহবাস না করা হয়। আর যদি মালিক হওয়ার পর স্বামী তার সাথে সহবাস করে থাকে মুক্তি প্রদানের পূর্বে, তবে ইস্তিবরা (জরায়ূকে অন্যের বীর্য হতে মুক্ত করা) তার উপর এক হায়য ব্যতীত অন্য কিছু নাই।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ক্রীতদাস তার ক্রীতদাসী স্ত্রীকে ক্রীতদাসী থাক অবস্থায় তালাক দিল। তারপর স্ত্রী মুক্তিলাভ করল। এমতাবস্থায় আমাদের মতে তার ইদ্দত হবে ক্রীতদাসীর ইদ্দত। মুক্তিলাভ তার ইদ্দতে কোন পরিবর্তন আনবে না। তাঁর স্বামী তার দিকে প্রত্যাবর্তন করার অধিকার থাকুক আর না থাকুক কোন অবস্থাতেই ইদ্দত পরিবর্তিত হবে না। মালিক (র) বলেন : (ইসলামী বিধান মুতাবিক অপরাধের শাস্তি)-এর ব্যাপারও অনুরূপ। ক্রীতদাসের উপর হদ এর শাস্তি নির্ধারণ করা হল। অতঃপর তাকে মুক্তি দেয়া হল। তার ক্ষেত্রেও হদ ক্রীতদাসের মতোই হবে। মালিক (র) বলেন : আযাদ ব্যক্তি ক্রীতদাসীকে তিন তালাক দিতে পারবে। সে দুই হায়য (মাসিক ঋতু) ইদ্দত পালন করবে আর ক্রীতদাস আযাদ রমনীকে দুই তালাক দিতে পারবে, সে ইদ্দত পালন করবে তিন কুরূ। মালিক (র) বলেন : যে ব্যক্তির স্ত্রী ক্রীতদাসী, অতঃপর উহাকে সে ক্রয় করল এবং আযাদ করে দিল, সেও ক্রীতদাসীর মতো দুই হায়য ইদ্দত পালন করবে যাবৎ তার সাথে সহবাস না করা হয়। আর যদি মালিক হওয়ার পর স্বামী তার সাথে সহবাস করে থাকে মুক্তি প্রদানের পূর্বে, তবে ইস্তিবরা (জরায়ূকে অন্যের বীর্য হতে মুক্ত করা) তার উপর এক হায়য ব্যতীত অন্য কিছু নাই।

قال مالك الأمر عندنا في طلاق العبد الأمة إذا طلقها وهي أمة ثم عتقت بعد فعدتها عدة الأمة لا يغير عدتها عتقها كانت له عليها رجعة أو لم تكن له عليها رجعة لا تنتقل عدتها قال مالك ومثل ذلك الحد يقع على العبد ثم يعتق بعد أن يقع عليه الحد فإنما حده حد عبد. ২১৫৯قال مالك والحر يطلق الأمة ثلاثا وتعتد بحيضتين والعبد يطلق الحرة تطليقتين وتعتد ثلاثة قروء، ২১৬قال مالك في الرجل تكون تحته الأمة ثم يبتاعها، فيعتقها إنها تعتد عدة الأمة حيضتين ما لم يصبها فإن أصابها بعد ملكه إياها قبل عتاقها لم يكن عليها إلا الاستبراء بحيضة.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00