মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাক প্রাপ্তাকে মুত‘আ [১] প্রদানের বর্ণনা

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৪

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الرحمن بن عوف طلق امرأة له فمتع بوليدة. و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول لكل مطلقة متعة إلا التي تطلق وقد فرض لها صداق ولم تمسس فحسبها نصف ما فرض لها

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ তার এক স্ত্রীকে তালাক দিলেন এবং এক ক্রীতদাসী তাকে মুত’আ স্বরূপ দান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) নাফি’ (র) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী মুত’আ পাবে। তবে যে স্ত্রীর মহর ধায্য করা হয়েছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দেয়া হয়েছে, সে ধার্যকৃত মহরের অর্ধেক মাত্র পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ তার এক স্ত্রীকে তালাক দিলেন এবং এক ক্রীতদাসী তাকে মুত’আ স্বরূপ দান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) নাফি’ (র) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী মুত’আ পাবে। তবে যে স্ত্রীর মহর ধায্য করা হয়েছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দেয়া হয়েছে, সে ধার্যকৃত মহরের অর্ধেক মাত্র পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الرحمن بن عوف طلق امرأة له فمتع بوليدة. و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول لكل مطلقة متعة إلا التي تطلق وقد فرض لها صداق ولم تمسس فحسبها نصف ما فرض لها


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৫

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال: لكل مطلقة متعة قال مالك وبلغني عن القاسم بن محمد مثل ذلك. ২১২৩-قال مالك ليس للمتعة عندنا حد معروف في قليلها ولا كثيرها.

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু শিহাব (র) বলতেন প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর জন্য মুত’আ রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : কাশিম মুহাম্মদ (র) হতেও অনুরূপ রেওয়ায়ত আমার কাছে পৌঁছেছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট মুত’আর ব্যাপারে কম-বেশি কোন নির্দিষ্ট পরিমাণে নাই।

মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু শিহাব (র) বলতেন প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর জন্য মুত’আ রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : কাশিম মুহাম্মদ (র) হতেও অনুরূপ রেওয়ায়ত আমার কাছে পৌঁছেছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট মুত’আর ব্যাপারে কম-বেশি কোন নির্দিষ্ট পরিমাণে নাই।

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال: لكل مطلقة متعة قال مالك وبلغني عن القاسم بن محمد مثل ذلك. ২১২৩-قال مالك ليس للمتعة عندنا حد معروف في قليلها ولا كثيرها.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রীতদাসের তালাক

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৭

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم طلق امرأة حرة تطليقتين فاستفتى عثمان بن عفان فقال حرمت عليك.

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ঈ তার আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিলেন, অতঃপর উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট ফতোয়া জিজ্ঞেস করলেন। ‘উসমান (রা) উত্তরে বললেন, তোমার জন্য হারাম হয়েছে । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ঈ তার আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিলেন, অতঃপর উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট ফতোয়া জিজ্ঞেস করলেন। ‘উসমান (রা) উত্তরে বললেন, তোমার জন্য হারাম হয়েছে । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم طلق امرأة حرة تطليقتين فاستفتى عثمان بن عفان فقال حرمت عليك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৮

و حدثني عن مالك عن عبد ربه بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم استفتى زيد بن ثابت فقال إني طلقت امرأة حرة تطليقتين فقال زيد بن ثابت حرمت عليك.

মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু হারিস তায়মী (র) থেকে বর্নিতঃ

নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মি সালামা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ই যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট ফতোয়া চাইলেন এই বলে আমি আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিয়েছি। এখন ফতোয়া কি? যায়দ ইবনু সাবিত বললেন : (তোমার জন্য) এই স্ত্রী হারাম হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু হারিস তায়মী (র) থেকে বর্নিতঃ

নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মি সালামা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ই যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট ফতোয়া চাইলেন এই বলে আমি আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিয়েছি। এখন ফতোয়া কি? যায়দ ইবনু সাবিত বললেন : (তোমার জন্য) এই স্ত্রী হারাম হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن عبد ربه بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم استفتى زيد بن ثابت فقال إني طلقت امرأة حرة تطليقتين فقال زيد بن ثابت حرمت عليك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৯

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: إذا طلق العبد امرأته تطليقتين فقد حرمت عليه حتى تنكح زوجا غيره حرة كانت أو أمة وعدة الحرة ثلاث حيض وعدة الأمة حيضتان.

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

কোন ক্রীতদাস স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করলে সে স্ত্রী তার জন্য হারাম হবে যাবৎ দ্বিতীয় স্বামীর পাণি গ্রহণ না করবে; (স্ত্রী) আযাদ হোক বা ক্রীতদাসী হোক। আর আযাদ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হচ্ছে তিন হায়য (মাসিক ঋতু), ক্রীতদাসীর ইদ্দত হচ্ছে দুই হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

কোন ক্রীতদাস স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করলে সে স্ত্রী তার জন্য হারাম হবে যাবৎ দ্বিতীয় স্বামীর পাণি গ্রহণ না করবে; (স্ত্রী) আযাদ হোক বা ক্রীতদাসী হোক। আর আযাদ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হচ্ছে তিন হায়য (মাসিক ঋতু), ক্রীতদাসীর ইদ্দত হচ্ছে দুই হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: إذا طلق العبد امرأته تطليقتين فقد حرمت عليه حتى تنكح زوجا غيره حرة كانت أو أمة وعدة الحرة ثلاث حيض وعدة الأمة حيضتان.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯০

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: من أذن لعبده أن ينكح فالطلاق بيد العبد ليس بيد غيره من طلاقه شيء فأما أن يأخذ الرجل أمة غلامه أو أمة وليدته فلا جناح عليه.

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

যে নিজের ক্রীতদাসকে বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছে তার ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা থাকবে, অন্যের হাতে তালাকের কোন ক্ষমতা থাকবে না। তবে ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীর বাদীকে নিজের অধিকারে রাখতে কোন দোষ নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ

যে নিজের ক্রীতদাসকে বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছে তার ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা থাকবে, অন্যের হাতে তালাকের কোন ক্ষমতা থাকবে না। তবে ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীর বাদীকে নিজের অধিকারে রাখতে কোন দোষ নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: من أذن لعبده أن ينكح فالطلاق بيد العبد ليس بيد غيره من طلاقه شيء فأما أن يأخذ الرجل أمة غلامه أو أمة وليدته فلا جناح عليه.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৬

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن سليمان بن يسار أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو عبدا لها كانت تحته امرأة حرة فطلقها اثنتين ثم أراد أن يراجعها فأمره أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يأتي عثمان بن عفان فيسأله عن ذلك فلقيه عند الدرج آخذا بيد زيد بن ثابت فسألهما فابتدراه جميعا فقالا حرمت عليك حرمت عليك.

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

নুফা“ঈ নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব [১] অথবা ক্রীতদাস ছিল; তাঁর স্ত্রী ছিল আযাদ। সে তাকে দুই তালাক দিয়ে পুনরায় রুজূ করার ইচ্ছা করল। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী (রা) তাকে উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট যাওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং এই বিষয়ে তার নিকট প্রশ্ন করতে বললেন। যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর হাত ধরাবস্থায় মসজিদের সিঁড়ির নিকটে তার সাক্ষাত পেল। সে (এই মাস’আলার ব্যাপারে) উভয়ের কাছে প্রশ্ন করলে তাঁরা উভয়ে সাথে সাথে উত্তর দিলেন। তোমার উপর হারাম হয়েছে, তোমার উপর হারাম হয়েছে (তার স্ত্রী তাহার উপর হারাম)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ

নুফা“ঈ নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব [১] অথবা ক্রীতদাস ছিল; তাঁর স্ত্রী ছিল আযাদ। সে তাকে দুই তালাক দিয়ে পুনরায় রুজূ করার ইচ্ছা করল। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী (রা) তাকে উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট যাওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং এই বিষয়ে তার নিকট প্রশ্ন করতে বললেন। যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর হাত ধরাবস্থায় মসজিদের সিঁড়ির নিকটে তার সাক্ষাত পেল। সে (এই মাস’আলার ব্যাপারে) উভয়ের কাছে প্রশ্ন করলে তাঁরা উভয়ে সাথে সাথে উত্তর দিলেন। তোমার উপর হারাম হয়েছে, তোমার উপর হারাম হয়েছে (তার স্ত্রী তাহার উপর হারাম)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)

حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن سليمان بن يسار أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو عبدا لها كانت تحته امرأة حرة فطلقها اثنتين ثم أراد أن يراجعها فأمره أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يأتي عثمان بن عفان فيسأله عن ذلك فلقيه عند الدرج آخذا بيد زيد بن ثابت فسألهما فابتدراه جميعا فقالا حرمت عليك حرمت عليك.


মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বাদীর খোরপোশের বর্ণনা যখন উহাকে অন্তঃসত্ত্বাবস্থায় তালাক দেয়া হয়

এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।

মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যে স্ত্রীর স্বামী নিরুদ্দেশ তার ইদ্দত

মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯১

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قال: أيما امرأة فقدت زوجها فلم تدر أين هو فإنها تنتظر أربع سنين ثم تعتد أربعة أشهر وعشرا ثم تحل ২১৩৫-قال مالك وإن تزوجت بعد انقضاء عدتها فدخل بها زوجها أو لم يدخل بها فلا سبيل لزوجها الأول إليها قال مالك وذلك الأمر عندنا وإن أدركها زوجها قبل أن تتزوج فهو أحق بها ২১৩৬-قال مالك وأدركت الناس ينكرون الذي قال بعض الناس على عمر بن الخطاب أنه قال يخير زوجها الأول إذا جاء في صداقها أو في امرأته قال مالك وبلغني أن عمر بن الخطاب قال في المرأة يطلقها زوجها وهو غائب عنها ثم يراجعها فلا يبلغها رجعته وقد بلغها طلاقه إياها فتزوجت أنه إن دخل بها زوجها الآخر أو لم يدخل بها فلا سبيل لزوجها الأول الذي كان طلقها إليها قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في هذا وفي المفقود.

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যেই স্ত্রীর স্বামী নিরুদ্দেশ জানে না সে কোথায়, সে স্ত্রী চার বৎসর অপেক্ষা করবে। অতঃপর চারমাস দশদিন ইদ্দত পালন করবে। তারপর অন্যত্র তার বিবাহ হালাল হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর সে যদি বিবাহ করে তবে স্বামী তার সাথে সংগম করুক বা না করুক তার পূর্ববর্তী স্বামীর জন্য তাকে গ্রহণ করার কোন পথ নেই। মালিক (র) বলেন : এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আর বিবাহের পূর্বে তার সাথে প্রথম স্বামীর সাক্ষাত হলে তবে তিনিই অধিক হকদার হবেন। মালিক (র) বলেন : কিছু লোক বলে থাকে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : প্রথম স্বামী এলে তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে (দ্বিতীয় স্বামী হতে) মহর ফেরত লওয়া অথবা (মহর ফেরত না লইয়া) স্ত্রী ফেরত লওয়া। মালিক (র) বলেন : উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ধরনের ইখতিয়ার দিয়েছেন বলে কিছু লোককে অস্বীকার করতে পেয়েছি। মালিক (র) বলেন : আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, স্বামী স্ত্রীর নিকট উপস্থিত নেই, এমন স্ত্রীকে স্বামী তালাক দিয়েছে। অতঃপর স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করতে চেয়েছে। কিন্তু সে যে রুজূ’ করতে চেয়েছে এই খরব তার স্ত্রীর নিকট পৌঁছেনি। শুধু তাকে তালাক দেওয়ার সংবাদই সে পেয়েছে। তাই সে স্বামী গ্রহণ করেছে। দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সংগত হোক না হোক প্রথম স্বামী যে তাকে তালাক দিয়েছিল তার পক্ষে স্ত্রীকে পাওয়ার আর কোন পথ নেই। মালিক (র) বলেন : এই বিষয়ে এবং নিরুদ্দেশের বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কাছে পছন্দনীয়।

সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ

উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, যেই স্ত্রীর স্বামী নিরুদ্দেশ জানে না সে কোথায়, সে স্ত্রী চার বৎসর অপেক্ষা করবে। অতঃপর চারমাস দশদিন ইদ্দত পালন করবে। তারপর অন্যত্র তার বিবাহ হালাল হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর সে যদি বিবাহ করে তবে স্বামী তার সাথে সংগম করুক বা না করুক তার পূর্ববর্তী স্বামীর জন্য তাকে গ্রহণ করার কোন পথ নেই। মালিক (র) বলেন : এটাই আমাদের সিদ্ধান্ত। আর বিবাহের পূর্বে তার সাথে প্রথম স্বামীর সাক্ষাত হলে তবে তিনিই অধিক হকদার হবেন। মালিক (র) বলেন : কিছু লোক বলে থাকে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন : প্রথম স্বামী এলে তাকে ইখতিয়ার দেয়া হবে (দ্বিতীয় স্বামী হতে) মহর ফেরত লওয়া অথবা (মহর ফেরত না লইয়া) স্ত্রী ফেরত লওয়া। মালিক (র) বলেন : উমার ইবনু খাত্তাব (রা) এই ধরনের ইখতিয়ার দিয়েছেন বলে কিছু লোককে অস্বীকার করতে পেয়েছি। মালিক (র) বলেন : আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, উমার ইবনু খাত্তাব (রা) বলেছেন, স্বামী স্ত্রীর নিকট উপস্থিত নেই, এমন স্ত্রীকে স্বামী তালাক দিয়েছে। অতঃপর স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করতে চেয়েছে। কিন্তু সে যে রুজূ’ করতে চেয়েছে এই খরব তার স্ত্রীর নিকট পৌঁছেনি। শুধু তাকে তালাক দেওয়ার সংবাদই সে পেয়েছে। তাই সে স্বামী গ্রহণ করেছে। দ্বিতীয় স্বামী তার সাথে সংগত হোক না হোক প্রথম স্বামী যে তাকে তালাক দিয়েছিল তার পক্ষে স্ত্রীকে পাওয়ার আর কোন পথ নেই। মালিক (র) বলেন : এই বিষয়ে এবং নিরুদ্দেশের বিষয়ে আমি যা শুনেছি তন্মধ্যে এটা আমার কাছে পছন্দনীয়।

حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أن عمر بن الخطاب قال: أيما امرأة فقدت زوجها فلم تدر أين هو فإنها تنتظر أربع سنين ثم تعتد أربعة أشهر وعشرا ثم تحل ২১৩৫-قال مالك وإن تزوجت بعد انقضاء عدتها فدخل بها زوجها أو لم يدخل بها فلا سبيل لزوجها الأول إليها قال مالك وذلك الأمر عندنا وإن أدركها زوجها قبل أن تتزوج فهو أحق بها ২১৩৬-قال مالك وأدركت الناس ينكرون الذي قال بعض الناس على عمر بن الخطاب أنه قال يخير زوجها الأول إذا جاء في صداقها أو في امرأته قال مالك وبلغني أن عمر بن الخطاب قال في المرأة يطلقها زوجها وهو غائب عنها ثم يراجعها فلا يبلغها رجعته وقد بلغها طلاقه إياها فتزوجت أنه إن دخل بها زوجها الآخر أو لم يدخل بها فلا سبيل لزوجها الأول الذي كان طلقها إليها قال مالك وهذا أحب ما سمعت إلي في هذا وفي المفقود.


🔄 লোড হচ্ছে...
লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00