মুয়াত্তা ইমাম মালিক > যেই গৃহে স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয় সে গৃহে ইদ্দত পালন করা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৪
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر طلق امرأة له في مسكن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وكان طريقه إلى المسجد فكان يسلك الطريق الأخرى من أدبار البيوت كراهية أن يستأذن عليها حتى راجعها.
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) তার জনৈকা স্ত্রীকে নবী-পত্নী হাফসা (রা)-এর গৃহে তালাক দিলেন। এই গৃহ তাহার মসজিদে গমনের পথে অবস্থিত ছিল। তাই তিনি অন্য পথে গৃহের পেছন দিয়ে মসজিদে গমন করতেন। এটা এজন্য যে, স্ত্রীর দিকে রুজূ’ না করা পর্যন্ত অনুমতি নিয়ে তাহার নিকট যাওয়াকে তিনি ভাল মনে করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’ (র) থেকে বর্নিতঃ
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) তার জনৈকা স্ত্রীকে নবী-পত্নী হাফসা (রা)-এর গৃহে তালাক দিলেন। এই গৃহ তাহার মসজিদে গমনের পথে অবস্থিত ছিল। তাই তিনি অন্য পথে গৃহের পেছন দিয়ে মসজিদে গমন করতেন। এটা এজন্য যে, স্ত্রীর দিকে রুজূ’ না করা পর্যন্ত অনুমতি নিয়ে তাহার নিকট যাওয়াকে তিনি ভাল মনে করতেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر طلق امرأة له في مسكن حفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وكان طريقه إلى المسجد فكان يسلك الطريق الأخرى من أدبار البيوت كراهية أن يستأذن عليها حتى راجعها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৩
و حدثني عن مالك عن نافع أن بنت سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل كانت تحت عبد الله بن عمرو بن عثمان بن عفان فطلقها البتة فانتقلت فأنكر ذلك عليها عبد الله بن عمر.
নাফি’(র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রা)-এর কন্যা ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর ইবনু উসমান ইবনু আফফান (র)-এর বিবাহ দিলেন। তিনি স্ত্রীকে তালাকে আল-বাত্তা প্রদান করলে সে (স্বামীর গৃহ হতে) সরে যায়। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) উহার প্রতি সমর্থন জানালেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
নাফি’(র) থেকে বর্নিতঃ
সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফাইল (রা)-এর কন্যা ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আমর ইবনু উসমান ইবনু আফফান (র)-এর বিবাহ দিলেন। তিনি স্ত্রীকে তালাকে আল-বাত্তা প্রদান করলে সে (স্বামীর গৃহ হতে) সরে যায়। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) উহার প্রতি সমর্থন জানালেন না। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن بنت سعيد بن زيد بن عمرو بن نفيل كانت تحت عبد الله بن عمرو بن عثمان بن عفان فطلقها البتة فانتقلت فأنكر ذلك عليها عبد الله بن عمر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৫
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة يطلقها زوجها وهي في بيت بكراء على من الكراء فقال سعيد بن المسيب على زوجها قال فإن لم يكن عند زوجها قال فعليها قال فإن لم يكن عندها قال فعلى الأمير.
ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট প্রশ্ন করা হল এরূপ স্ত্রীলোক সম্বন্ধে, যাকে স্বামী তালাক দিয়েছে ভাড়াটে গৃহে। এখন ভাড়ার দায়িত্ব কার উপর বর্তাবে? সা’ঈদ বললেন : ভাড়ার দায়িত্ব স্বামীর উপর ন্যস্ত থাকবে। প্রশ্নকারী বলিল : স্বামী যদি ভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য না রাখে? তিনি বললেন, তবে উহা প্রদানের দায়িত্ব স্ত্রীর উপর বর্তাবে। প্রশ্নকারী বলল : যদি স্ত্রীরও সামর্থ্য না থাকে? সা’ঈদ বললেন : তখন শহরের শাসনকর্তার উপর দায়িত্ব বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ (র) থেকে বর্নিতঃ
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (র)-এর নিকট প্রশ্ন করা হল এরূপ স্ত্রীলোক সম্বন্ধে, যাকে স্বামী তালাক দিয়েছে ভাড়াটে গৃহে। এখন ভাড়ার দায়িত্ব কার উপর বর্তাবে? সা’ঈদ বললেন : ভাড়ার দায়িত্ব স্বামীর উপর ন্যস্ত থাকবে। প্রশ্নকারী বলিল : স্বামী যদি ভাড়া দেওয়ার সামর্থ্য না রাখে? তিনি বললেন, তবে উহা প্রদানের দায়িত্ব স্ত্রীর উপর বর্তাবে। প্রশ্নকারী বলল : যদি স্ত্রীরও সামর্থ্য না থাকে? সা’ঈদ বললেন : তখন শহরের শাসনকর্তার উপর দায়িত্ব বর্তাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد أن سعيد بن المسيب سئل عن المرأة يطلقها زوجها وهي في بيت بكراء على من الكراء فقال سعيد بن المسيب على زوجها قال فإن لم يكن عند زوجها قال فعليها قال فإن لم يكن عندها قال فعلى الأمير.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০২
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد وسليمان بن يسار أنه سمعهما يذكران أن يحيى بن سعيد بن العاص طلق ابنة عبد الرحمن بن الحكم البتة فانتقلها عبد الرحمن بن الحكم فأرسلت عائشة أم المؤمنين إلى مروان بن الحكم وهو يومئذ أمير المدينة فقالت اتق الله واردد المرأة إلى بيتها فقال مروان في حديث سليمان إن عبد الرحمن غلبني وقال مروان في حديث القاسم أو ما بلغك شأن فاطمة بنت قيس فقالت عائشة لا يضرك أن لا تذكر حديث فاطمة. فقال مروان إن كان بك الشر فحسبك ما بين هذين من الشر.
ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনুল আ’স (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু হাকাম (র)-এর কন্যাকে তালাকে আল-বাত্তা (বায়েন তালাক) দিলেন। আবদুর রহমান ইবনু হাকাম কন্যাকে (স্বামীর গৃহ হতে নিজ গৃহে) সরিয়ে নিলেন। উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) মারওয়ান ইবন হাকামের নিকট লোক প্রেরণ করলেন। মারওয়ান তখন মদীনার গভর্নর। আয়িশা (রা) বললেন : আল্লাহকে ভয় করুন এবং (ইদ্দত পালনরতা) স্ত্রীকে তার স্বামীর গৃহে ফেরত পাঠান। সুলায়মানের রেওয়ায়ত সম্পর্কে মারওয়ান বললেন : আপনার নিকট ফাতেমা বিনত কায়েসের ব্যাপার পৌঁছে নাই কি? আয়িশা (রা) বললেন : ফাতেমার ঘটনা [১] উল্লেখ না করলে আপনার কোন ক্ষতি নেই (অর্থাৎ ইহাতে কোন দলীল নাই)। মারওয়ান বললেন : যদি আপনার দৃষ্টিতে স্বামীর গৃহে ফাতেমার ইদ্দত পালনে কোন অসুবিধা থাকে তবে যেহেতু উভয়ের মধ্যে (আবূ আমর ও তার স্ত্রী আমরা) যথেষ্ট অসুবিধা রয়েছে (যে কারণে স্বামীগৃহ ত্যাগ করে অন্যত্র ইদ্দত পালন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে) তাই ইহা আপনার সন্তুষ্টির জন্য যথেষ্ট। (সহীহ, বুখারী ৫৩২২)
ইয়াহইয়া ইবনু সা’ঈদ ইবনুল আ’স (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু হাকাম (র)-এর কন্যাকে তালাকে আল-বাত্তা (বায়েন তালাক) দিলেন। আবদুর রহমান ইবনু হাকাম কন্যাকে (স্বামীর গৃহ হতে নিজ গৃহে) সরিয়ে নিলেন। উম্মুল মু’মিনীন আয়িশা (রা) মারওয়ান ইবন হাকামের নিকট লোক প্রেরণ করলেন। মারওয়ান তখন মদীনার গভর্নর। আয়িশা (রা) বললেন : আল্লাহকে ভয় করুন এবং (ইদ্দত পালনরতা) স্ত্রীকে তার স্বামীর গৃহে ফেরত পাঠান। সুলায়মানের রেওয়ায়ত সম্পর্কে মারওয়ান বললেন : আপনার নিকট ফাতেমা বিনত কায়েসের ব্যাপার পৌঁছে নাই কি? আয়িশা (রা) বললেন : ফাতেমার ঘটনা [১] উল্লেখ না করলে আপনার কোন ক্ষতি নেই (অর্থাৎ ইহাতে কোন দলীল নাই)। মারওয়ান বললেন : যদি আপনার দৃষ্টিতে স্বামীর গৃহে ফাতেমার ইদ্দত পালনে কোন অসুবিধা থাকে তবে যেহেতু উভয়ের মধ্যে (আবূ আমর ও তার স্ত্রী আমরা) যথেষ্ট অসুবিধা রয়েছে (যে কারণে স্বামীগৃহ ত্যাগ করে অন্যত্র ইদ্দত পালন করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে) তাই ইহা আপনার সন্তুষ্টির জন্য যথেষ্ট। (সহীহ, বুখারী ৫৩২২)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد عن القاسم بن محمد وسليمان بن يسار أنه سمعهما يذكران أن يحيى بن سعيد بن العاص طلق ابنة عبد الرحمن بن الحكم البتة فانتقلها عبد الرحمن بن الحكم فأرسلت عائشة أم المؤمنين إلى مروان بن الحكم وهو يومئذ أمير المدينة فقالت اتق الله واردد المرأة إلى بيتها فقال مروان في حديث سليمان إن عبد الرحمن غلبني وقال مروان في حديث القاسم أو ما بلغك شأن فاطمة بنت قيس فقالت عائشة لا يضرك أن لا تذكر حديث فاطمة. فقال مروان إن كان بك الشر فحسبك ما بين هذين من الشر.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর খোরপোশের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৭
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول: المبتوتة لا تخرج من بيتها حتى تحل وليست لها نفقة إلا أن تكون حاملا فينفق عليها حتى تضع حملها قال مالك وهذا الأمر عندنا.
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
যে স্ত্রীকে বায়েন তালাক দেয়া হয়েছে, সে নিজ গৃহ হতে (ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে) হালাল না হওয়া পর্যন্ত বের হবে না। তার জন্য খোরপোশও নাই, কিন্তু যদি গর্ভবতী হয় তবে সন্তান প্রসব পর্যন্ত স্বামী তার খোরপোশ দিবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ।
ইবনু শিহাব (র) থেকে বর্নিতঃ
যে স্ত্রীকে বায়েন তালাক দেয়া হয়েছে, সে নিজ গৃহ হতে (ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে) হালাল না হওয়া পর্যন্ত বের হবে না। তার জন্য খোরপোশও নাই, কিন্তু যদি গর্ভবতী হয় তবে সন্তান প্রসব পর্যন্ত স্বামী তার খোরপোশ দিবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : এই ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধান্তও অনুরূপ।
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول: المبتوتة لا تخرج من بيتها حتى تحل وليست لها نفقة إلا أن تكون حاملا فينفق عليها حتى تضع حملها قال مالك وهذا الأمر عندنا.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৬
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن يزيد مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف عن فاطمة بنت قيس أن أبا عمرو بن حفص طلقها البتة وهو غائب بالشام فأرسل إليها وكيله بشعير فسخطته فقال والله ما لك علينا من شيء فجاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال ليس لك عليه نفقة وأمرها أن تعتد في بيت أم شريك ثم قال تلك امرأة يغشاها أصحابي اعتدي عند عبد الله بن أم مكتوم فإنه رجل أعمى تضعين ثيابك عنده فإذا حللت فآذنيني قالت فلما حللت ذكرت له أن معاوية بن أبي سفيان وأبا جهم بن هشام خطباني فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما أبو جهم فلا يضع عصاه عن عاتقه وأما معاوية فصعلوك لا مال له انكحي أسامة بن زيد قالت فكرهته ثم قال انكحي أسامة بن زيد فنكحته فجعل الله في ذلك خيرا واغتبطت به.
ফাতেমা বিনত কায়েস হতে বর্ণিত, আবূ আমর ইবনু হাফস (রা) থেকে বর্নিতঃ
তাকে তালাকে আল-বাত্তা দিলেন। তার স্বামী তখন সিরিয়াতে ছিলেন। অতঃপর তার উকীলকে গমসহ তাঁর নিকট পাঠালেন। তিনি তাকে অতি অল্প মনে করলেন। তাঁর উকীল বললেন, আমাদের কাছে তোমার প্রাপ্য আর কিছু নেই। তিনি (ফাতেমা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং এই ঘটনা উল্লেখ করলে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য তোমার খোরপোশ প্রদান জরুরী নয় এবং ফাতেমাকে উম্মে শারীকের গৃহে ইদ্দত পালন করতে তিনি নির্দেশ দিলেন। তারপর বললেন : (উম্মে শারীক এমন একজন মহিলা) যার গৃহে আমার সাহাবিগণ সর্বদা যাতায়াত করে থাকেন। তুমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উম্মে মকতুমের গৃহে ইদ্দত পালন কর, কারণ তিনি একজন অন্ধ ব্যক্তি। তোমার বস্ত্র তার নিকট উন্মুক্ত হলেও (এতে তোমার কোন অসুবিধা হবে না)। ইদ্দত শেষ হওয়ার পর তুমি অন্যের জন্য হালাল হয়ে গেলে আমাকে খবর দিও। ফাতেমা বললেন : আমি হালাল হওয়ার পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আমার বিষয় উল্লেখ করলাম এবং বললাম, মুয়াবিয়া ইবনু আবি সুফিয়ান (রা) ও আবূ জাহম ইবনু হিশাম (রা) তারা উভয়ে আমার কাছে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ জাহম তার গর্দান হতে লাঠি নামায় না। আর মুয়াবিয়া দরিদ্র ব্যক্তি। তার ধন-সম্পদ নাই। তুমি উসামা ইবনু যায়দ (রা)-কে বিবাহ কর। ফাতেমা বললেন, আমি উসামাকে অপছন্দ করি। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন : তুমি উসামা ইবনু যায়দ (রা)-কে বিবাহ কর। তারপর আমি তাকে বিবাহ করি এবং আল্লাহ্ ইহাতে অনেক মঙ্গল দান করেছেন, যার কারণে আমার প্রতি ঈর্ষা করা হত। (সহীহ, মুসলিম ১৪৮০)
ফাতেমা বিনত কায়েস হতে বর্ণিত, আবূ আমর ইবনু হাফস (রা) থেকে বর্নিতঃ
তাকে তালাকে আল-বাত্তা দিলেন। তার স্বামী তখন সিরিয়াতে ছিলেন। অতঃপর তার উকীলকে গমসহ তাঁর নিকট পাঠালেন। তিনি তাকে অতি অল্প মনে করলেন। তাঁর উকীল বললেন, আমাদের কাছে তোমার প্রাপ্য আর কিছু নেই। তিনি (ফাতেমা) রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে উপস্থিত হলেন এবং এই ঘটনা উল্লেখ করলে রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য তোমার খোরপোশ প্রদান জরুরী নয় এবং ফাতেমাকে উম্মে শারীকের গৃহে ইদ্দত পালন করতে তিনি নির্দেশ দিলেন। তারপর বললেন : (উম্মে শারীক এমন একজন মহিলা) যার গৃহে আমার সাহাবিগণ সর্বদা যাতায়াত করে থাকেন। তুমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু উম্মে মকতুমের গৃহে ইদ্দত পালন কর, কারণ তিনি একজন অন্ধ ব্যক্তি। তোমার বস্ত্র তার নিকট উন্মুক্ত হলেও (এতে তোমার কোন অসুবিধা হবে না)। ইদ্দত শেষ হওয়ার পর তুমি অন্যের জন্য হালাল হয়ে গেলে আমাকে খবর দিও। ফাতেমা বললেন : আমি হালাল হওয়ার পর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আমার বিষয় উল্লেখ করলাম এবং বললাম, মুয়াবিয়া ইবনু আবি সুফিয়ান (রা) ও আবূ জাহম ইবনু হিশাম (রা) তারা উভয়ে আমার কাছে বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছেন। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ জাহম তার গর্দান হতে লাঠি নামায় না। আর মুয়াবিয়া দরিদ্র ব্যক্তি। তার ধন-সম্পদ নাই। তুমি উসামা ইবনু যায়দ (রা)-কে বিবাহ কর। ফাতেমা বললেন, আমি উসামাকে অপছন্দ করি। রসূলুল্লাহ্ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন : তুমি উসামা ইবনু যায়দ (রা)-কে বিবাহ কর। তারপর আমি তাকে বিবাহ করি এবং আল্লাহ্ ইহাতে অনেক মঙ্গল দান করেছেন, যার কারণে আমার প্রতি ঈর্ষা করা হত। (সহীহ, মুসলিম ১৪৮০)
حدثني يحيى عن مالك عن عبد الله بن يزيد مولى الأسود بن سفيان عن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف عن فاطمة بنت قيس أن أبا عمرو بن حفص طلقها البتة وهو غائب بالشام فأرسل إليها وكيله بشعير فسخطته فقال والله ما لك علينا من شيء فجاءت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت ذلك له فقال ليس لك عليه نفقة وأمرها أن تعتد في بيت أم شريك ثم قال تلك امرأة يغشاها أصحابي اعتدي عند عبد الله بن أم مكتوم فإنه رجل أعمى تضعين ثيابك عنده فإذا حللت فآذنيني قالت فلما حللت ذكرت له أن معاوية بن أبي سفيان وأبا جهم بن هشام خطباني فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم أما أبو جهم فلا يضع عصاه عن عاتقه وأما معاوية فصعلوك لا مال له انكحي أسامة بن زيد قالت فكرهته ثم قال انكحي أسامة بن زيد فنكحته فجعل الله في ذلك خيرا واغتبطت به.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাকের ইদ্দত সম্পর্কীয় বিবিধ বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২০৯
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد وعن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي عن سعيد بن المسيب أنه قال قال عمر بن الخطاب، أيما امرأة طلقت فحاضت حيضة أو حيضتين ثم رفعتها حيضتها فإنها تنتظر تسعة أشهر فإن بان بها حمل فذلك وإلا اعتدت بعد التسعة أشهر ثلاثة أشهر ثم حلت. و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول الطلاق للرجال والعدة للنساء.
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) থেকে বর্নিতঃ
যেই স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে তারপর হায়য (মাসিক ঋতু) এসেছে এক হায়য বা দুই হায়য, অতঃপর তার ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেই স্ত্রী নয় মাস যাবত অপেক্ষা করবে (ইতিমধ্যে) গর্ভ প্রকাশ পেলে, তবে সন্তান প্রসব দ্বারা ইদ্দত পালন করবে, নতুবা নয় মাসের পর তিন মাস ইদ্দত পালন করবে, তারপর সে অন্যের জন্য হালাল হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) হতে বর্ণিত : সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলতেন, পুরুষের জন্য হল তালাকের অধিকার আর স্ত্রীদের জন্য হল ইদ্দত। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
উমার ইবনু খাত্তাব (রা) থেকে বর্নিতঃ
যেই স্ত্রীকে তালাক দেয়া হয়েছে তারপর হায়য (মাসিক ঋতু) এসেছে এক হায়য বা দুই হায়য, অতঃপর তার ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সেই স্ত্রী নয় মাস যাবত অপেক্ষা করবে (ইতিমধ্যে) গর্ভ প্রকাশ পেলে, তবে সন্তান প্রসব দ্বারা ইদ্দত পালন করবে, নতুবা নয় মাসের পর তিন মাস ইদ্দত পালন করবে, তারপর সে অন্যের জন্য হালাল হবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) হতে বর্ণিত : সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) বলতেন, পুরুষের জন্য হল তালাকের অধিকার আর স্ত্রীদের জন্য হল ইদ্দত। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن يحيى بن سعيد وعن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي عن سعيد بن المسيب أنه قال قال عمر بن الخطاب، أيما امرأة طلقت فحاضت حيضة أو حيضتين ثم رفعتها حيضتها فإنها تنتظر تسعة أشهر فإن بان بها حمل فذلك وإلا اعتدت بعد التسعة أشهر ثلاثة أشهر ثم حلت. و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن سعيد بن المسيب أنه كان يقول الطلاق للرجال والعدة للنساء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১০
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال: عدة المستحاضة سنة قال مالك الأمر عندنا في المطلقة التي ترفعها حيضتها حين يطلقها زوجها أنها تنتظر تسعة أشهر فإن لم تحض فيهن اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت قبل أن تستكمل الأشهر الثلاثة استقبلت الحيض وإن مرت بها تسعة أشهر قبل أن تحيض اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت الثانية قبل أن تستكمل الأشهر الثلاثة استقبلت الحيض فإن مرت بها تسعة أشهر قبل أن تحيض اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت الثالثة كانت قد استكملت عدة الحيض فإن لم تحض استقبلت ثلاثة أشهر ثم حلت ولزوجها عليها في ذلك الرجعة قبل أن تحل إلا أن يكون قد بت طلاقها. ২১৬৬-قال مالك السنة عندنا أن الرجل إذا طلق امرأته وله عليها رجعة فاعتدت بعض عدتها ثم ارتجعها ثم فارقها قبل أن يمسها أنها لا تبني على ما مضى من عدتها وأنها تستأنف من يوم طلقها عدة مستقبلة وقد ظلم زوجها نفسه وأخطأ إن كان ارتجعها ولا حاجة له بها. ২১৬৭-قال مالك والأمر عندنا أن المرأة إذا أسلمت وزوجها كافر ثم أسلم فهو أحق بها ما دامت في عدتها فإن انقضت عدتها فلا سبيل له عليها وإن تزوجها بعد انقضاء عدتها لم يعد ذلك طلاقا وإنما فسخها منه الإسلام بغير طلاق.
সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ
মুসতাহাজা (রোগের কারণে যার অনিয়মিত স্রাব হয়) ঐ নারীর ইদ্দত হচ্ছে এক বৎসর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোক সম্পর্কে আমাদের মাস’আলা হল, এই তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর যেই স্ত্রীলোকের রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, সে নয় মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এই নয় মাসের মধ্যে ঋতুস্রাব না হলে তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তিন মাস পূর্ণ করার পূর্বে যদি ঋতুস্রাব হয় তবে পুনরায় হায়য-এর ইদ্দত পালন শুরু করবে। কিন্তু যদি হায়য আসার পূর্বে নয় মাস পূর্ণ হয়ে যায় তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তৃতীয় মাসে উপনীত হয়েছে এমন অবস্থায় যদি ঋতুস্রাব হয় তবে সে ইদ্দতের সময় পূর্ণ করেছে। অন্য পক্ষে যদি তার ঋতুস্রাব না হয় তবে তিনমাস ইদ্দত পূর্ণ করবে। তারপর অন্য স্বামীর রুজূ করার অধিকার থাকবে, কিন্তু যদি সে বায়েন তালাক দিয়ে থাকে তবে আর রুজূ করতে পারবে না। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট সুন্নাত (নিয়ম হল) এই যে, যদি কোন কোন লোক তার স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার (রুজূ’ করা) ইখতিয়ারও তার থাকে, এমতাবস্থায় স্ত্রী কিছু ইদ্দত পালন করেছে। অতঃপর স্বামী তার প্রতি রুজূ’ করেছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে পুনরায় তালাক দিয়েছে। তবে সেই স্ত্রী ইদ্দতের যা অতীত হয়েছে উহার উপর ভিত্তি করবে না বরং সে তাকে (দ্বিতীয়বার) তালাক দেওয়ার দিন হতে নূতনভাবে ইদ্দত পালন করবে, তার স্বামী এইরূপ করে নিজের ক্ষতি করেছে এবং তার আবশ্যক না থাকলে স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করে সে ভুল করেছেন। মালিক (র) বলেন : স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে তার স্বামী (তখনও) কাফের। তারপর স্বামীও ইসলাম গ্রহণ করল, তবে আমাদের নিকট ফয়সালা হচ্ছে এই : ইদ্দতে থাকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তার স্বামী তার হকদার হবে, আর যদি ইদ্দত শেষ হয়ে যায় তবে তার জন্য স্ত্রীকে পাওয়ার কোন পথ নেই। আর যদি ইদ্দত সমাপ্তির পর তাকে বিবাহ করে তবে পূর্বে প্রদত্ত তালাক তালাক বলে গণ্য হবে না। এই ঘটনায় স্ত্রীকে বিচ্ছেদ করিয়েছে ইসলাম গ্রহণ, তালাক নয়।
সাঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ
মুসতাহাজা (রোগের কারণে যার অনিয়মিত স্রাব হয়) ঐ নারীর ইদ্দত হচ্ছে এক বৎসর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীলোক সম্পর্কে আমাদের মাস’আলা হল, এই তালাকপ্রাপ্তা হওয়ার পর যেই স্ত্রীলোকের রক্তস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, সে নয় মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। এই নয় মাসের মধ্যে ঋতুস্রাব না হলে তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তিন মাস পূর্ণ করার পূর্বে যদি ঋতুস্রাব হয় তবে পুনরায় হায়য-এর ইদ্দত পালন শুরু করবে। কিন্তু যদি হায়য আসার পূর্বে নয় মাস পূর্ণ হয়ে যায় তবে তিন মাস ইদ্দত পালন করবে। আর তৃতীয় মাসে উপনীত হয়েছে এমন অবস্থায় যদি ঋতুস্রাব হয় তবে সে ইদ্দতের সময় পূর্ণ করেছে। অন্য পক্ষে যদি তার ঋতুস্রাব না হয় তবে তিনমাস ইদ্দত পূর্ণ করবে। তারপর অন্য স্বামীর রুজূ করার অধিকার থাকবে, কিন্তু যদি সে বায়েন তালাক দিয়ে থাকে তবে আর রুজূ করতে পারবে না। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট সুন্নাত (নিয়ম হল) এই যে, যদি কোন কোন লোক তার স্ত্রীকে তালাক দেয় এবং সেই স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার (রুজূ’ করা) ইখতিয়ারও তার থাকে, এমতাবস্থায় স্ত্রী কিছু ইদ্দত পালন করেছে। অতঃপর স্বামী তার প্রতি রুজূ’ করেছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে পুনরায় তালাক দিয়েছে। তবে সেই স্ত্রী ইদ্দতের যা অতীত হয়েছে উহার উপর ভিত্তি করবে না বরং সে তাকে (দ্বিতীয়বার) তালাক দেওয়ার দিন হতে নূতনভাবে ইদ্দত পালন করবে, তার স্বামী এইরূপ করে নিজের ক্ষতি করেছে এবং তার আবশ্যক না থাকলে স্ত্রীর দিকে রুজূ’ করে সে ভুল করেছেন। মালিক (র) বলেন : স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে তার স্বামী (তখনও) কাফের। তারপর স্বামীও ইসলাম গ্রহণ করল, তবে আমাদের নিকট ফয়সালা হচ্ছে এই : ইদ্দতে থাকা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তার স্বামী তার হকদার হবে, আর যদি ইদ্দত শেষ হয়ে যায় তবে তার জন্য স্ত্রীকে পাওয়ার কোন পথ নেই। আর যদি ইদ্দত সমাপ্তির পর তাকে বিবাহ করে তবে পূর্বে প্রদত্ত তালাক তালাক বলে গণ্য হবে না। এই ঘটনায় স্ত্রীকে বিচ্ছেদ করিয়েছে ইসলাম গ্রহণ, তালাক নয়।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أنه قال: عدة المستحاضة سنة قال مالك الأمر عندنا في المطلقة التي ترفعها حيضتها حين يطلقها زوجها أنها تنتظر تسعة أشهر فإن لم تحض فيهن اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت قبل أن تستكمل الأشهر الثلاثة استقبلت الحيض وإن مرت بها تسعة أشهر قبل أن تحيض اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت الثانية قبل أن تستكمل الأشهر الثلاثة استقبلت الحيض فإن مرت بها تسعة أشهر قبل أن تحيض اعتدت ثلاثة أشهر فإن حاضت الثالثة كانت قد استكملت عدة الحيض فإن لم تحض استقبلت ثلاثة أشهر ثم حلت ولزوجها عليها في ذلك الرجعة قبل أن تحل إلا أن يكون قد بت طلاقها. ২১৬৬-قال مالك السنة عندنا أن الرجل إذا طلق امرأته وله عليها رجعة فاعتدت بعض عدتها ثم ارتجعها ثم فارقها قبل أن يمسها أنها لا تبني على ما مضى من عدتها وأنها تستأنف من يوم طلقها عدة مستقبلة وقد ظلم زوجها نفسه وأخطأ إن كان ارتجعها ولا حاجة له بها. ২১৬৭-قال مالك والأمر عندنا أن المرأة إذا أسلمت وزوجها كافر ثم أسلم فهو أحق بها ما دامت في عدتها فإن انقضت عدتها فلا سبيل له عليها وإن تزوجها بعد انقضاء عدتها لم يعد ذلك طلاقا وإنما فسخها منه الإسلام بغير طلاق.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পঞ্চায়েত বা সালিসের ব্যক্তিদ্বয়
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১২১১
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب قال في الحكمين اللذين قال الله تعالى { وإن خفتم شقاق بينهما فابعثوا حكما من أهله وحكما من أهلها إن يريدا إصلاحا يوفق الله بينهما إن الله كان عليما خبيرا }إن إليهما الفرقة بينهما والاجتماع قال مالك وذلك أحسن ما سمعت من أهل العلم أن الحكمين يجوز قولهما بين الرجل وامرأته في الفرقة والاجتماع.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালীব (রা) হাকামান (সালিসের ব্যক্তিদ্বয়) সম্পর্কে বলেছেন (যাদের বিষয়ে) আল্লাহ তা’আলা বলেছেন وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلَاحًا يُوَفِّقْ اللهُ بَيْنَهُمَا إِنَّ اللهَ كَان عَلِيمًا خَبِيْرًا. অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে তোমরা যদি বিবাদের আশংকা কর তবে স্বামীর পরিজন হতে একজন এবং স্ত্রীর পরিজন হতে একজন হাকাম (ফয়সালাকারী, বিবাদ মীমাংসাকারী) প্রেরণ কর যদি তারা উভয়ে মীমাংসার ইচ্ছা করেন। আল্লাহ তাদের তওফীক দান করবেন, আল্লাহ নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত। অর্থাৎ তাদের হাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের বিচ্ছেদ ও মিলন এই দুইয়ের সুযোগ রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সালিসের ব্যক্তিদ্বয়ের ফয়সালা স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও মিলনের ব্যাপারে প্রযোজ্য হবে, এটাই সর্বোত্তম যা আমি আলিম ব্যক্তিদের নিকট শুনেছি।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, আলী ইবনু আবি তালীব (রা) হাকামান (সালিসের ব্যক্তিদ্বয়) সম্পর্কে বলেছেন (যাদের বিষয়ে) আল্লাহ তা’আলা বলেছেন وَإِنْ خِفْتُمْ شِقَاقَ بَيْنِهِمَا فَابْعَثُوا حَكَمًا مِنْ أَهْلِهِ وَحَكَمًا مِنْ أَهْلِهَا إِنْ يُرِيدَا إِصْلَاحًا يُوَفِّقْ اللهُ بَيْنَهُمَا إِنَّ اللهَ كَان عَلِيمًا خَبِيْرًا. অর্থাৎ স্বামী-স্ত্রী উভয়ের মধ্যে তোমরা যদি বিবাদের আশংকা কর তবে স্বামীর পরিজন হতে একজন এবং স্ত্রীর পরিজন হতে একজন হাকাম (ফয়সালাকারী, বিবাদ মীমাংসাকারী) প্রেরণ কর যদি তারা উভয়ে মীমাংসার ইচ্ছা করেন। আল্লাহ তাদের তওফীক দান করবেন, আল্লাহ নিশ্চয় সর্বজ্ঞ, সর্ববিষয়ে অবহিত। অর্থাৎ তাদের হাতে স্বামী-স্ত্রী উভয়ের বিচ্ছেদ ও মিলন এই দুইয়ের সুযোগ রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন, সালিসের ব্যক্তিদ্বয়ের ফয়সালা স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদ ও মিলনের ব্যাপারে প্রযোজ্য হবে, এটাই সর্বোত্তম যা আমি আলিম ব্যক্তিদের নিকট শুনেছি।
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن علي بن أبي طالب قال في الحكمين اللذين قال الله تعالى { وإن خفتم شقاق بينهما فابعثوا حكما من أهله وحكما من أهلها إن يريدا إصلاحا يوفق الله بينهما إن الله كان عليما خبيرا }إن إليهما الفرقة بينهما والاجتماع قال مالك وذلك أحسن ما سمعت من أهل العلم أن الحكمين يجوز قولهما بين الرجل وامرأته في الفرقة والاجتماع.