মুয়াত্তা ইমাম মালিক > পীড়িত ব্যক্তির তালাক
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৭৯
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن طلحة بن عبد الله بن عوف قال وكان أعلمهم بذلك وعن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف أن عبد الرحمن بن عوف طلق امرأته البتة وهو مريض فورثها عثمان بن عفان منه بعد انقضاء عدتها.
আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রা) তার স্ত্রীকে আল-বাত্তা (পূর্ণ) তালাক প্রদান করলেন। তখন তিনি পীড়িত ছিলেন। সেই স্ত্রীকে ‘উসমান (রা) ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফের সম্পদ হতে মীরাস দিলেন ইদ্দত সমাপ্তির পর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবূ সালমা ইবনু আবদুর রহমান ইবনু আউফ (রা) থেকে বর্নিতঃ
আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রা) তার স্ত্রীকে আল-বাত্তা (পূর্ণ) তালাক প্রদান করলেন। তখন তিনি পীড়িত ছিলেন। সেই স্ত্রীকে ‘উসমান (রা) ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফের সম্পদ হতে মীরাস দিলেন ইদ্দত সমাপ্তির পর। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن ابن شهاب عن طلحة بن عبد الله بن عوف قال وكان أعلمهم بذلك وعن أبي سلمة بن عبد الرحمن بن عوف أن عبد الرحمن بن عوف طلق امرأته البتة وهو مريض فورثها عثمان بن عفان منه بعد انقضاء عدتها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮০
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن الفضل عن الأعرج أن عثمان بن عفان ورث نساء ابن مكمل منه وكان طلقهن وهو مريض.
আ’রজ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু মুকমিলের পত্নীগণকে তার সম্পত্তি হতে উসমান ইবনু আফফান (রা) মীরাস দিয়েছেন। ইবনু মুকমিল [১] তাদেরকে তালাক দিয়েছিলেন পীড়িত অবস্থায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আ’রজ (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু মুকমিলের পত্নীগণকে তার সম্পত্তি হতে উসমান ইবনু আফফান (রা) মীরাস দিয়েছেন। ইবনু মুকমিল [১] তাদেরকে তালাক দিয়েছিলেন পীড়িত অবস্থায়। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد الله بن الفضل عن الأعرج أن عثمان بن عفان ورث نساء ابن مكمل منه وكان طلقهن وهو مريض.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৩
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول إذا طلق الرجل امرأته ثلاثا وهو مريض فإنها ترثه ২১১৮-قال مالك وإن طلقها وهو مريض قبل أن يدخل بها فلها نصف الصداق ولها الميراث ولا عدة عليها وإن دخل بها ثم طلقها فلها المهر كله والميراث البكر والثيب في هذا عندنا سواء.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু শিহাবকে বলতে শুনেছেন, কোন ব্যক্তি পীড়িতাবস্থায় স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তবে সে (স্বামীর) মীরাস পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যদি কোন ব্যক্তি তার পীড়িত অবস্থায় স্ত্রীকে তালাক দেয় তার সাথে সংগত হওয়ার পূর্বে তবে সে স্ত্রী মহরের অর্ধেক পাবে এবং সে (স্বামীর) মীরাস পাবে, তার ইদ্দত পালন করতে হবে না। আর যদি সে স্ত্রীর সাথে সংগত হয়ে তারপর তালাক দেয় তবে সে পূর্ণ মহর এর হকদার হবে এবং মীরাসও পাবে। মালিক (র) বলেন : কুমারী এবং অকুমারী এই ব্যাপারে আমাদের মতে সমান।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইবনু শিহাবকে বলতে শুনেছেন, কোন ব্যক্তি পীড়িতাবস্থায় স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তবে সে (স্বামীর) মীরাস পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : যদি কোন ব্যক্তি তার পীড়িত অবস্থায় স্ত্রীকে তালাক দেয় তার সাথে সংগত হওয়ার পূর্বে তবে সে স্ত্রী মহরের অর্ধেক পাবে এবং সে (স্বামীর) মীরাস পাবে, তার ইদ্দত পালন করতে হবে না। আর যদি সে স্ত্রীর সাথে সংগত হয়ে তারপর তালাক দেয় তবে সে পূর্ণ মহর এর হকদার হবে এবং মীরাসও পাবে। মালিক (র) বলেন : কুমারী এবং অকুমারী এই ব্যাপারে আমাদের মতে সমান।
و حدثني عن مالك أنه سمع ابن شهاب يقول إذا طلق الرجل امرأته ثلاثا وهو مريض فإنها ترثه ২১১৮-قال مالك وإن طلقها وهو مريض قبل أن يدخل بها فلها نصف الصداق ولها الميراث ولا عدة عليها وإن دخل بها ثم طلقها فلها المهر كله والميراث البكر والثيب في هذا عندنا سواء.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮১
و حدثني عن مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن يقول بلغني أن امرأة عبد الرحمن بن عوف سألته أن يطلقها فقال إذا حضت ثم طهرت فآذنيني فلم تحض حتى مرض عبد الرحمن بن عوف فلما طهرت آذنته فطلقها البتة أو تطليقة لم يكن بقي له عليها من الطلاق غيرها وعبد الرحمن بن عوف يومئذ مريض فورثها عثمان بن عفان منه بعد انقضاء عدتها.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রবী’আ ইবনু আবী ‘আবদির রহমানকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন : আমার নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রা)-এর এক স্ত্রী তার নিকট তালাক চাইলেন। তিনি বলেন : তোমার মাসিক ঋতুর পর তুমি যখন পবিত্র হও তখন আমাকে অবগত করিও। তার ঋতু আসার পূর্বে আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। সে যখন ঋতু হতে পবিত্র হল তখন ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফকে খরব দিল। তিনি স্ত্রীকে আল-বাত্তা তালাক দিলেন অথবা এমন তালাক দিলেন যে তালাক দেয়ার পরে আর কোন তালাক দেয়ার অবকাশ থাকে না। ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ তখন পীড়িত ছিলেন। অতঃপর ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর ‘উসমান (রা) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফের সম্পদ হতে স্ত্রীকে মীরাস দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রবী’আ ইবনু আবী ‘আবদির রহমানকে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন : আমার নিকট রেওয়ায়াত পৌঁছেছে যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রা)-এর এক স্ত্রী তার নিকট তালাক চাইলেন। তিনি বলেন : তোমার মাসিক ঋতুর পর তুমি যখন পবিত্র হও তখন আমাকে অবগত করিও। তার ঋতু আসার পূর্বে আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ অসুস্থ হয়ে পড়লেন। সে যখন ঋতু হতে পবিত্র হল তখন ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফকে খরব দিল। তিনি স্ত্রীকে আল-বাত্তা তালাক দিলেন অথবা এমন তালাক দিলেন যে তালাক দেয়ার পরে আর কোন তালাক দেয়ার অবকাশ থাকে না। ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ তখন পীড়িত ছিলেন। অতঃপর ইদ্দত পূর্ণ হওয়ার পর ‘উসমান (রা) ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফের সম্পদ হতে স্ত্রীকে মীরাস দিলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك أنه سمع ربيعة بن أبي عبد الرحمن يقول بلغني أن امرأة عبد الرحمن بن عوف سألته أن يطلقها فقال إذا حضت ثم طهرت فآذنيني فلم تحض حتى مرض عبد الرحمن بن عوف فلما طهرت آذنته فطلقها البتة أو تطليقة لم يكن بقي له عليها من الطلاق غيرها وعبد الرحمن بن عوف يومئذ مريض فورثها عثمان بن عفان منه بعد انقضاء عدتها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮২
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان قال كانت عند جدي حبان امرأتان هاشمية وأنصارية فطلق الأنصارية وهي ترضع فمرت بها سنة ثم هلك عنها ولم تحض فقالت أنا أرثه لم أحض فاختصمتا إلى عثمان بن عفان فقضى لها بالميراث فلامت الهاشمية عثمان فقال هذا عمل ابن عمك هو أشار علينا بهذا يعني علي بن أبي طالب.
মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হাব্বান (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার দাদা হাব্বানের ছিল দুই পত্নী। একজন হাশিমী বংশের অপর জন আনসার গোত্রের। তারপর তিনি আনসারী স্ত্রীকে তালাক দিলেন। তখন সেই স্ত্রী সন্তানকে দুধপান করাচ্ছিল। এইরূপ এক বৎসর অতিবাহিত হলে পর হাব্বান ইন্তেকাল করেন। তার স্ত্রী আর ঋতুমতী হয়নি। স্ত্রী দাবি করল যে, আমি তার মীরাস (সম্পদের অংশ) পাব। আমার মাসিক ঋতু আসেনি। বিবাদ নিয়ে উভয় পত্নী উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট উপস্থিত হল। উসমান (রা) আনসারী পত্নীনর জন্য মীরাস প্রদানের ফয়সালা দিলেন। এতে হাশিমীয় পত্নী উসমান (রা)-কে দোষারোপ [১] করলেন। তিনি (উসমান রা)বললেন : এটা তোমার চাচাতো ভাই এর ফয়সালা। তিনি আমাদেরকে এ পরামর্শ দিয়েছেন। চাচাতো ভাই হলেন ‘আলী ইবনু আবী তালিব (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুহাম্মদ ইবনু ইয়াহইয়া ইবনু হাব্বান (র) থেকে বর্নিতঃ
আমার দাদা হাব্বানের ছিল দুই পত্নী। একজন হাশিমী বংশের অপর জন আনসার গোত্রের। তারপর তিনি আনসারী স্ত্রীকে তালাক দিলেন। তখন সেই স্ত্রী সন্তানকে দুধপান করাচ্ছিল। এইরূপ এক বৎসর অতিবাহিত হলে পর হাব্বান ইন্তেকাল করেন। তার স্ত্রী আর ঋতুমতী হয়নি। স্ত্রী দাবি করল যে, আমি তার মীরাস (সম্পদের অংশ) পাব। আমার মাসিক ঋতু আসেনি। বিবাদ নিয়ে উভয় পত্নী উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট উপস্থিত হল। উসমান (রা) আনসারী পত্নীনর জন্য মীরাস প্রদানের ফয়সালা দিলেন। এতে হাশিমীয় পত্নী উসমান (রা)-কে দোষারোপ [১] করলেন। তিনি (উসমান রা)বললেন : এটা তোমার চাচাতো ভাই এর ফয়সালা। তিনি আমাদেরকে এ পরামর্শ দিয়েছেন। চাচাতো ভাই হলেন ‘আলী ইবনু আবী তালিব (রা)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن يحيى بن سعيد عن محمد بن يحيى بن حبان قال كانت عند جدي حبان امرأتان هاشمية وأنصارية فطلق الأنصارية وهي ترضع فمرت بها سنة ثم هلك عنها ولم تحض فقالت أنا أرثه لم أحض فاختصمتا إلى عثمان بن عفان فقضى لها بالميراث فلامت الهاشمية عثمان فقال هذا عمل ابن عمك هو أشار علينا بهذا يعني علي بن أبي طالب.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > তালাক প্রাপ্তাকে মুত‘আ [১] প্রদানের বর্ণনা
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৪
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الرحمن بن عوف طلق امرأة له فمتع بوليدة. و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول لكل مطلقة متعة إلا التي تطلق وقد فرض لها صداق ولم تمسس فحسبها نصف ما فرض لها
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ তার এক স্ত্রীকে তালাক দিলেন এবং এক ক্রীতদাসী তাকে মুত’আ স্বরূপ দান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) নাফি’ (র) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী মুত’আ পাবে। তবে যে স্ত্রীর মহর ধায্য করা হয়েছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দেয়া হয়েছে, সে ধার্যকৃত মহরের অর্ধেক মাত্র পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
তার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছেছে যে, ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ তার এক স্ত্রীকে তালাক দিলেন এবং এক ক্রীতদাসী তাকে মুত’আ স্বরূপ দান করলেন। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) নাফি’ (র) হতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবনু উমার (রা) বলতেন, প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী মুত’আ পাবে। তবে যে স্ত্রীর মহর ধায্য করা হয়েছে এবং তাকে স্পর্শ করার পূর্বে তালাক দেয়া হয়েছে, সে ধার্যকৃত মহরের অর্ধেক মাত্র পাবে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك أنه بلغه أن عبد الرحمن بن عوف طلق امرأة له فمتع بوليدة. و حدثني عن مالك عن نافع عن عبد الله بن عمر أنه كان يقول لكل مطلقة متعة إلا التي تطلق وقد فرض لها صداق ولم تمسس فحسبها نصف ما فرض لها
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৫
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال: لكل مطلقة متعة قال مالك وبلغني عن القاسم بن محمد مثل ذلك. ২১২৩-قال مالك ليس للمتعة عندنا حد معروف في قليلها ولا كثيرها.
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব (র) বলতেন প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর জন্য মুত’আ রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : কাশিম মুহাম্মদ (র) হতেও অনুরূপ রেওয়ায়ত আমার কাছে পৌঁছেছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট মুত’আর ব্যাপারে কম-বেশি কোন নির্দিষ্ট পরিমাণে নাই।
মালিক (র) থেকে বর্নিতঃ
ইবনু শিহাব (র) বলতেন প্রত্যেক তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর জন্য মুত’আ রয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন) মালিক (র) বলেন : কাশিম মুহাম্মদ (র) হতেও অনুরূপ রেওয়ায়ত আমার কাছে পৌঁছেছে। মালিক (র) বলেন : আমাদের নিকট মুত’আর ব্যাপারে কম-বেশি কোন নির্দিষ্ট পরিমাণে নাই।
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب أنه قال: لكل مطلقة متعة قال مالك وبلغني عن القاسم بن محمد مثل ذلك. ২১২৩-قال مالك ليس للمتعة عندنا حد معروف في قليلها ولا كثيرها.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > ক্রীতদাসের তালাক
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৭
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم طلق امرأة حرة تطليقتين فاستفتى عثمان بن عفان فقال حرمت عليك.
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ
নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ঈ তার আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিলেন, অতঃপর উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট ফতোয়া জিজ্ঞেস করলেন। ‘উসমান (রা) উত্তরে বললেন, তোমার জন্য হারাম হয়েছে । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সা’ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (র) থেকে বর্নিতঃ
নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ঈ তার আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিলেন, অতঃপর উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট ফতোয়া জিজ্ঞেস করলেন। ‘উসমান (রা) উত্তরে বললেন, তোমার জন্য হারাম হয়েছে । (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن ابن شهاب عن سعيد بن المسيب أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم طلق امرأة حرة تطليقتين فاستفتى عثمان بن عفان فقال حرمت عليك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৮
و حدثني عن مالك عن عبد ربه بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم استفتى زيد بن ثابت فقال إني طلقت امرأة حرة تطليقتين فقال زيد بن ثابت حرمت عليك.
মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু হারিস তায়মী (র) থেকে বর্নিতঃ
নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মি সালামা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ই যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট ফতোয়া চাইলেন এই বলে আমি আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিয়েছি। এখন ফতোয়া কি? যায়দ ইবনু সাবিত বললেন : (তোমার জন্য) এই স্ত্রী হারাম হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনু হারিস তায়মী (র) থেকে বর্নিতঃ
নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী উম্মি সালামা (রা)-এর মুকাতব নুফা’ই যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর নিকট ফতোয়া চাইলেন এই বলে আমি আযাদ স্ত্রীকে দুই তালাক দিয়েছি। এখন ফতোয়া কি? যায়দ ইবনু সাবিত বললেন : (তোমার জন্য) এই স্ত্রী হারাম হয়ে গিয়েছে। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن عبد ربه بن سعيد عن محمد بن إبراهيم بن الحارث التيمي أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم استفتى زيد بن ثابت فقال إني طلقت امرأة حرة تطليقتين فقال زيد بن ثابت حرمت عليك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৯
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: إذا طلق العبد امرأته تطليقتين فقد حرمت عليه حتى تنكح زوجا غيره حرة كانت أو أمة وعدة الحرة ثلاث حيض وعدة الأمة حيضتان.
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
কোন ক্রীতদাস স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করলে সে স্ত্রী তার জন্য হারাম হবে যাবৎ দ্বিতীয় স্বামীর পাণি গ্রহণ না করবে; (স্ত্রী) আযাদ হোক বা ক্রীতদাসী হোক। আর আযাদ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হচ্ছে তিন হায়য (মাসিক ঋতু), ক্রীতদাসীর ইদ্দত হচ্ছে দুই হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
কোন ক্রীতদাস স্ত্রীকে দুই তালাক প্রদান করলে সে স্ত্রী তার জন্য হারাম হবে যাবৎ দ্বিতীয় স্বামীর পাণি গ্রহণ না করবে; (স্ত্রী) আযাদ হোক বা ক্রীতদাসী হোক। আর আযাদ স্ত্রীলোকের ইদ্দত হচ্ছে তিন হায়য (মাসিক ঋতু), ক্রীতদাসীর ইদ্দত হচ্ছে দুই হায়য। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: إذا طلق العبد امرأته تطليقتين فقد حرمت عليه حتى تنكح زوجا غيره حرة كانت أو أمة وعدة الحرة ثلاث حيض وعدة الأمة حيضتان.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৯০
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: من أذن لعبده أن ينكح فالطلاق بيد العبد ليس بيد غيره من طلاقه شيء فأما أن يأخذ الرجل أمة غلامه أو أمة وليدته فلا جناح عليه.
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে নিজের ক্রীতদাসকে বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছে তার ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা থাকবে, অন্যের হাতে তালাকের কোন ক্ষমতা থাকবে না। তবে ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীর বাদীকে নিজের অধিকারে রাখতে কোন দোষ নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রা) থেকে বর্নিতঃ
যে নিজের ক্রীতদাসকে বিবাহ করার অনুমতি দিয়েছে তার ক্রীতদাসের তালাকের ক্ষমতা থাকবে, অন্যের হাতে তালাকের কোন ক্ষমতা থাকবে না। তবে ক্রীতদাস ও ক্রীতদাসীর বাদীকে নিজের অধিকারে রাখতে কোন দোষ নাই। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
و حدثني عن مالك عن نافع أن عبد الله بن عمر كان يقول: من أذن لعبده أن ينكح فالطلاق بيد العبد ليس بيد غيره من طلاقه شيء فأما أن يأخذ الرجل أمة غلامه أو أمة وليدته فلا جناح عليه.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক ১১৮৬
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن سليمان بن يسار أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو عبدا لها كانت تحته امرأة حرة فطلقها اثنتين ثم أراد أن يراجعها فأمره أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يأتي عثمان بن عفان فيسأله عن ذلك فلقيه عند الدرج آخذا بيد زيد بن ثابت فسألهما فابتدراه جميعا فقالا حرمت عليك حرمت عليك.
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
নুফা“ঈ নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব [১] অথবা ক্রীতদাস ছিল; তাঁর স্ত্রী ছিল আযাদ। সে তাকে দুই তালাক দিয়ে পুনরায় রুজূ করার ইচ্ছা করল। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী (রা) তাকে উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট যাওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং এই বিষয়ে তার নিকট প্রশ্ন করতে বললেন। যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর হাত ধরাবস্থায় মসজিদের সিঁড়ির নিকটে তার সাক্ষাত পেল। সে (এই মাস’আলার ব্যাপারে) উভয়ের কাছে প্রশ্ন করলে তাঁরা উভয়ে সাথে সাথে উত্তর দিলেন। তোমার উপর হারাম হয়েছে, তোমার উপর হারাম হয়েছে (তার স্ত্রী তাহার উপর হারাম)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (র) থেকে বর্নিতঃ
নুফা“ঈ নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্নী উম্মে সালমা (রা)-এর মুকাতব [১] অথবা ক্রীতদাস ছিল; তাঁর স্ত্রী ছিল আযাদ। সে তাকে দুই তালাক দিয়ে পুনরায় রুজূ করার ইচ্ছা করল। নবী করীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী (রা) তাকে উসমান ইবনু আফফান (রা)-এর নিকট যাওয়ার নির্দেশ দিলেন এবং এই বিষয়ে তার নিকট প্রশ্ন করতে বললেন। যায়দ ইবনু সাবিত (রা)-এর হাত ধরাবস্থায় মসজিদের সিঁড়ির নিকটে তার সাক্ষাত পেল। সে (এই মাস’আলার ব্যাপারে) উভয়ের কাছে প্রশ্ন করলে তাঁরা উভয়ে সাথে সাথে উত্তর দিলেন। তোমার উপর হারাম হয়েছে, তোমার উপর হারাম হয়েছে (তার স্ত্রী তাহার উপর হারাম)। (হাদীসটি ইমাম মালিক এককভাবে বর্ণনা করেছেন)
حدثني يحيى عن مالك عن أبي الزناد عن سليمان بن يسار أن نفيعا مكاتبا كان لأم سلمة زوج النبي صلى الله عليه وسلم أو عبدا لها كانت تحته امرأة حرة فطلقها اثنتين ثم أراد أن يراجعها فأمره أزواج النبي صلى الله عليه وسلم أن يأتي عثمان بن عفان فيسأله عن ذلك فلقيه عند الدرج آخذا بيد زيد بن ثابت فسألهما فابتدراه جميعا فقالا حرمت عليك حرمت عليك.
মুয়াত্তা ইমাম মালিক > বাদীর খোরপোশের বর্ণনা যখন উহাকে অন্তঃসত্ত্বাবস্থায় তালাক দেয়া হয়
এই অধ্যায়ে কোনো হাদিস পাওয়া যায়নি।